Mostafa TeacH BD

Mostafa TeacH BD

Share

Welcome to "Mostafa TeacH BD" official page. This page all content is technological oriented. We are share in this page all hidden type technological content.

Stay with us and learn something special about technology.

IBM TECH BD 31/08/2020

লার্নিং এন্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ২০২০ এর আওতাধীন ডিজিটাল মার্কেটিংএর সকল ক্লাস এই Channel এ পাবেন, আপনারা অনেকেই আছেন আমার ভিডিও দেখেন কিন্তু চ্যানেলটি এখনো সাবস্ক্রাইব করনেনি তারা দ্রুত সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন। সামনে অনেক ভালো কিছু আসছে আমাদের এই চ্যানেলে। ইনশাআল্লাহ

IBM TECH BD Hi I'm Lut Mostafa, This is my educational and Technical YOU TUBE channel.

Photos from Mostafa TeacH BD's post 12/03/2020
Photos from Mostafa TeacH BD's post 12/03/2020

সুখবর.....সুখবর.....সুখবর.....
ঠাকুরগাঁও সহ দেশের যেকোনো স্থানের RS,CS,SA
(আর এস,, এসএ , সিএস) খতিয়ানের খসড়া কপি (অনলাইন কপি) পেতে যোগাযোগ করুন মোবাইল নম্বর : 01517863033

20/02/2020
01/10/2019

গুরুত্বপূর্ণ সাধারন জ্ঞান---

১. প্রশ্ন : বাংলাদেশে প্রথম নোবেল বিজয়ী কে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ ইউনুস।
-
২. প্রশ্ন : বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম রণতরী ২. প্রশ্ন : বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম রণতরী কোনটি?
উত্তর : বিএনএস পদ্মা।
-
৩. প্রশ্ন : কবে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা
উত্তোলন করা হয়?
উত্তর : ২ মার্চ ১৯৭১।
-
৪. প্রশ্ন : কবে প্রথম বাংলাদেশের মুদ্রা চালু হয়?
উত্তর : ৪ মার্চ ১৯৭২।
-
৫. প্রশ্ন : কবে প্রথম বাংলাদেশের বিমান চালু হয়?
উত্তর : ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
-
৬. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
উত্তর : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
-
৭. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে?
উত্তর : বিচারপতি মোহাম্মাদ ইদ্রিস।
-
৮. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম ছায়াছবি কোনটি?
উত্তর : মুখ ও মুখোশ (১৯৫৬)।
-
৯. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান কে?
উত্তর : এ কে খন্দকার।
-
১০. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট কে?
উত্তর : কানিজ ফাতেমা রোকসানা।
-
১১. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্য জাহাজ
কোনটি?
উত্তর : বাংলার দূত।
-
১২. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য কে?
উত্তর : ফারজানা ইসলাম।
-
১৩. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট জয়ী কে?
উত্তর : মুসা ইব্রাহিম।
-
১৪. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নারী এভারেস্ট
জয়ী কে?
উত্তর : নিশাত মজুমদার।
-
১৫. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকারের নাম কি?
উত্তর : শিরিন শারমিন চৌধুরী।
-
১৬. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম সেনাবাহিনী প্রধান
কে?
উত্তর : জেনারেল এমএজি ওসমানী।
-
১৭. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক
কে?
উত্তর : শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
-
১৮. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা
কোনটি?
উত্তর : মাগুড়া।
-
১৯. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত গ্রাম
কোনটি?
উত্তর : কচুবাড়ী কৃষ্টপুর।
-
২০. প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত গ্রামটি
কোথায়?
উত্তর : ঠাকুরগাঁও জেলার সালন্দ ইউনিয়নের একটি গ্রাম।

28/09/2019

ঠাকুরগাঁও জেলার কিছুু সংক্ষিপ্ত
পরিচিতি # # #
প্রশ্ন: ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিষ্ঠা লাভ
করে কত সালে?
উ:১৯৮৪ সালে
প্রশ্ন : ঠাকুরগাঁও জেলার পূর্ব নাম কি
ছিল?
উ:নিশ্চিন্ত পুর,
প্রশ্ন : ঠাকুরগাঁও জেলার আয়তন কত?
উ: ১৮০৯ বর্গ কি.মি.
প্রশ্ন : ঠাকুরগাঁও জেলার থানা কয়টি ও
কি কি?
উ: ৬ টি,,,, যথা ঠাকুরগাঁও সদর,পীরগঞ্জ,
রানীশংকৈল,
হরিপুর,বালিয়াডাঙ্গী,রূহিয়া,,,,
প্র: ঠাকুরগাঁও জেলার পৌরসভা কয়টি?
উ: ৩ টি,,, ঠাকুরগাঁও , পীরগঞ্জ,
রানিশংকৈল
প্রশ্ন : ঠাকুরগাঁও জেলার ইউনিয়ন কয়টি?
উ: ৫৩ টি
প্র: ঠাকুরগাঁও জেলার গ্রাম কয়টি?
উ:৬৪৩ টি
প্রশ্ন : ঠাকুরগাঁও জেলার জনসংখ্যা?
১১৯৬৪২৯ জন,,,,পুরুষ ৬১০৬৫২
মহিলা ৫৮৫৭৭জন
প্র: ঠাকুরগাঁও জেলার ঘনত্ব কত?
উ: ৬৬২ প্রতি বর্গ কি. মি. তে
প্র: ঠাকুরগাঁও জেলার সাক্ষরতার হার,
উ: ৫২%
প্র: ঠাকুরগাঁও জেলার সাক্ষরতার
আন্দোলনের নাম
উ: সুরভিত ঠাকুরগাঁও
প্রশ্ন : ঠাকুরগাঁও জেলার উল্লেখ যোগ্য
নদী?
উ: কুলিক,টাঙ্গন, নাগর,
প্রশ্ন : ঠাকুরগাঁও জেলার উল্লেখ যোগ্য
দর্শনীয় স্থান?
উ: রাজা টাংনাথের বাস
ভবন,ঠাকুরগাঁও তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র,
প্রশ্ন :ঠাকুরগাঁও এর বিনোদন মূলক স্থান?
উ: বলাকা উদ্যান,আরো,,,,,,,,,,,,আছে
ঠাকুরগাঁও জেলার শিল্প ও খনিজ
সম্পদ'হলো,,,, চিনি কল আর
খনিজ সম্পদ।
# ঠাকুরগাঁও এর উল্লেখ
যোগ্য)বাংলাদেশের
ঐতিহাসিক ১ টি আম গাছ যা ২ বিঘা
মাটি নিয়ে অবস্থিত। ঠাকুরগাঁও
জেলা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায়
হরিণবাড়িতে

Photos 18/08/2019

কম্পিউটারের কুটবুদ্ধি
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সকল কিবোর্ড শর্টকাট

Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
Alt+0131= ƒ (টাকা)
Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
F1 key ( সাহায্য পাওয়ার জন্য )
F2 key (রিনেম বা পুনর্নাম নির্ধারন)
F3 key (সার্চ )
F4 key ( ঠিকানা বা এড্রেস বার দেখা )
F4 key (সক্রিয় তালিকা থেকে আইটেমগুলো দেখা )
F5 key ( রিফ্রেস/ বিদ্যমান উইন্ডো আপডেট করা)
F6 key ( ডেস্কটপ বা বিদ্যমান উইন্ডোর আইটেমগুলোতে ঘুরাফিরা করা)
F10 key (সক্রিয় প্রোগ্রামের মেনু বার সক্রিয় করার জন্য )
Keyboard shortcuts, Computer key Shortcut-
CTRL+A (একই উন্ডোর সবকিছু একসাথে বাছাই বা সিলেক্ট করার জন্য)
CTRL+C (কপি করুন)
CTRL+X (কাট করুন)
CTRL+V ( পেস্ট করুন )
CTRL+Z (আগের অবস্থায় ফিরে যান)
CTRL+SHIFT (শর্টকাট তৈরি করা)
CTRL+RIGHT ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের শব্দে নেয়া)
CTRL+LEFT ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের শব্দে নেয়া)
CTRL+DOWN ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের অনুচ্ছেদে নেয়া)
CTRL+UP ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের অনুচ্ছেদের প্রথমে নেয়া)
CTRL+TAB (বিদ্যমান ট্যাবগুলো নড়াচড়া করা)
CTRL+ESC (স্টার্ট মেনুতে ফিরে যাওয়া )
CTRL+SHIFT+TAB (ট্যাবগুলোতে ঘুরাফিরা করার জন্য)
CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (টেক্সটকে হাইলাইট করা)
SHIFT+TAB ( অপশনগুলোর পেছনে যাওয়া)
SHIFT with any of the arrow keys ( একই উইন্ডোতে একসাথে অনেকগুলো আইটেমকে বাছাই বা সিলেক্ট করা)
SHIFT+DELETE (বাছাইকৃত উপাদানগুলো permanently মুছে ফেলা)
SHIFT+F10 ( বাছাইকৃত আইটেমগুলোর জন্য শর্টকাট মেনু দেখা )
ALT+ENTER ( বাছাইকৃত আইটেম এরপ্রোপার্টিজ দেখা )
ALT+F4 ( চলমান কোন প্রোগ্রাম বা বিদ্যমান উইন্ডো বন্ধ করা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর শর্টকাট ওপেন করা )
ALT+TAB ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে মুভ করা )
ALT+ESC ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে ঘুরাফিরা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর জন্য সিস্টেম মেনু )
ALT+Underlined letter in a menu name ( সংশ্লিষ্ট মেনু দেখা )
Dialog Box (কীবোর্ড শর্টকাট)
BACKSPACE ( আগের মেনুতে ফিরে যাওয়া)
ESC ( সম্প্রতিক কাজ শেষ করা )
Accessibility Keyboard Shortcuts
HOME (সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
END ( সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
Windows Logo +U (ইউটিলিটি ম্যানাজার অন করা )
SHIFT five times (স্টিকি কী অন বা অফ করা )
Right SHIFT for eight seconds ( ফিল্টার কী অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (হাই কন্ট্রাসট অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK ( মাউস কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK for five seconds (টুগল কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK+Asterisk sign (*) (নির্বাচিত ফোল্ডারের মধ্যের সব সাব-ফোল্ডার দেখা )
NUM LOCK+Plus sign (+) (নির্বাচিত ফোল্ডারের সকল কন্টেন্ট দেখা )
NUM LOCK+Minus sign (-) (নির্বাচিত ফোল্ডারটি minimize করা
উইন্ডোজ ১০’র কিবোর্ড শর্টকাট
---------------------------
Windows key + A : অ্যাকশন সেন্টার খুলবে।
Windows key + C : করটানা কণ্ঠ নির্দেশনার জন্য তৈরি হবে।
Windows key + I : সেটিংস অ্যাপ্লিকেশন খুলবে।
Windows key + S: করটানা চালু হবে।
Windows key + Tab টাস্ক ভিউ দেখা যাবে।
Windows key + Ctrl + D :নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরি হবে।
Windows key + Ctrl + F4 :চালু থাকা ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বন্ধ হবে।
Windows key + Ctrl + left or right arrow : ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বদলাবে।
সাধারণ শর্টকাট
Windows key (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : স্টার্টমেন্যু খুলবে/বন্ধ হবে।
Windows key + X (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : স্টার্ট বোতামে ডান কিক করলে যে মেন্যু আসে, তা দেখা যাবে।
Windows key + left or right arrow (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর ডানে-বাঁয়ের পর্দাজুড়ে দেখা যাবে।
Windows key + E (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : দ্রুত ফাইল এক্সপ্লোরার চালু করে ফাইলপত্রের কাজ করা যাবে।
Windows key + L (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : ডেস্কটপ লক করা যাবে।
Alt + PrtScn (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে, কিপবোর্ডে কপি করা যাবে। Windosw key + Print Screen (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : ডেস্কটপের পুরো পর্দার ছবি (স্ক্রিনশট) নেওয়া যাবে। এগুলো জমা হবে Computer Picture screen shots ফোল্ডারে।

Photos 13/08/2019

ই-পাসপোর্টের ফি চূড়ান্ত হলো, থাকছে না সত্যায়ন করার ঝামেলা।

গত ১ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ ই-পাসপোর্ট এর ফি সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। রোববার (৪ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পরিপত্রটি আপলোড করা হয়।

তবে ই-পাসপোর্ট কবে আসবে সেই তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য ফি নিন্মরূপ :
৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ৩৫০০ টাকা,
জরুরি ফি ৫৫০০ টাকা ও
অতীব জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ৫০০০ টাকা,
জরুরি ফি ৭০০০ টাকা ও
অতীব জরুরি ফি ৯০০০ টাকা।

৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ৫৫০০ টাকা,
জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা ও
অতীব জরুরি ফি ১০ হাজার ৫০০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ৭০০০ টাকা,
জরুরি ফি ৯০০০ টাকা ও
অতীব জরুরি ফি ১২০০০ টাকা।

বিঃদ্রঃ উপরোক্ত ফি এর সাথে ১৫% ভ্যাট যোগ হবে।

আবেদনের পর পাসপোর্ট পেতে সময় লাগবে :

# নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে :
অতীব জরুরিতে ৩ দিনে,
জরুরিতে ৭ দিনে ও
সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ২১ দিনে।

# রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে
অতীব জরুরি পাসপোর্ট ২ দিনে,
জরুরি পাসপোর্ট ৩ দিনে ও
সাধারণ পাসপোর্ট ৭ দিনে।

বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারী, শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আলাদা ই-পাসপোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ১০০ মার্কিন ডলার ও
জরুরি ফি ১৫০ মার্কিন ডলার

৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ১২৫ মার্কিন ডলার ও
জরুরি ফি ১৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ১৫০ মার্কিন ডলার ও
জরুরি ফি ২০০ মার্কিন ডলার

৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি
সাধারণ ফি ১৭৫ মার্কিন ডলার ও
জরুরি ফি ২২৫ মার্কিন ডলার।

ই-পাসপোর্ট করতে যা লাগবে
পরিপত্র অনুযায়ী, ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্ম নিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়েছে,
দেশের অভ্যন্তরে অতি জরুরি পাসপোর্ট পেতে আবেদনের সঙ্গে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিলে অন্যান্য সব তথ্য ঠিক থাকলে ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনের মধ্যে পাসপোর্ট দেয়া হবে। দেশের অভ্যন্তরে জরুরি পাসপোর্ট পেতে আবেদনের সঙ্গে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিলে অন্যান্য সব তথ্য ঠিক থাকলে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে পাসপোর্ট দেয়া হবে।

23/06/2019

জিপিএ আর থাকছে না, এখন থেকে সিজিপিএ।

Want your school to be the top-listed School/college in Thakurgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Thakurgaon
5101