আল্লাহ মুমিনদের সবথেকে বেশি পরীক্ষা নেন।তাই আসুন সকলে সুরা আসর এর শিক্ষায় শিক্ষিত হোই।আল্লাহ আমাদের সকল কে তৌফিক দান করুণ।আমিন
Chatrashibir Thakurgaon Zilla School
it is a non profitable page of Islami Chatra Shibir Thakurgaon Govt. Boys' High School.
আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়, আপনি তার অনুসরণ করুন। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে খবর রাখেন।
-সূরা আল আহযাব:২
হে ঈমানদারগণ! মুশরিকরা তো অপবিত্র। সুতরাং এ বছরের পর তারা যেন মসজিদুল-হারামের নিকট না আসে। আর যদি তোমরা দারিদ্রের আশংকা কর, তবে আল্লাহ চাইলে নিজ করুনায় ভবিষ্যতে তোমাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
সূরা আত তাওবাহ:২৮
মু’আয ইবনুূু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মু’আয তোমার কি জানা আছে, বান্দার উপর আল্লাহর হক কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই ভাল জানেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বান্দা আল্লাহর সাথে কাউকে অংশীদার না বানিয়ে একমাত্র তারই ইবাদত করবে। (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় তাকে জিজ্ঞাসা করলেন) আল্লাহর উপর বান্দার হক কি তা কি তুমি জানো! তিনি বললেনঃ আল্লাহ ও তার রাসুলই ভাল জানেন। তিনি (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম )বললেনঃ তা হচ্ছে বান্দাদেরকে শাস্তি প্রদান না করা।
সহিহ বুখারি
৮। আবদুল্লাহ ইবনু জু’ফী (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ঈমানের শাখা রয়েছে ষাটের কিছু বেশি। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।
সহিহ বুখারী
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেবলমাত্র দু’টি ব্যাপারই ঈর্ষা করা যায়; (১) সে ব্যাক্তির উপর, যাকে আল্লাহ্ তা’আলা সম্পদ দিয়েছেন, এরপর তাকে হক পথে অকাতরে ব্যয় করার ক্ষমতা দেন; (২) সে ব্যাক্তির উপর, যাকে আল্লাহ্ তা’আলা হিকমত দান করেছেন, এরপর সে তার সাহায্যে ফায়সালা করে ও তা শিক্ষা দেয়।
(সহিহ বুখারি)
উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন,
একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসেছিলাম, এমন সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত হয়, যার কাপড় ছিল ধবধবে সাদা, চুল ছিল ভীষণ কালো; তার মাঝে ভ্রমণের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনতে পারে নি। সে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে গিয়ে বসে, নিজের হাঁটু তার হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে নিজের হাত তার উরুতে রেখে বললেন: “হে মুহাম্মাদ, আমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলুন”।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবললেন: “ইসলাম হচ্ছে এই- তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল, সালাত প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত আদায় কর, রমাদানে সওম সাধনা কর এবং যদি সামর্থ থাকে তবে (আল্লাহর) ঘরের হজ্জ কর।”
তিনি (লোকটি) বললেন: “আপনি ঠিক বলেছেন”। আমরা বিস্মিত হলাম, সে নিজে তার নিকট জিজ্ঞাসা করেছে আবার নিজেই তার জবাবকে ঠিক বলে ঘোষণা করছে। এরপর বলল: “আচ্ছা, আমাকে ঈমান সম্পর্কে বলুন”।
তিনি (রাসূল) বললেন: “তা হচ্ছে এই- আল্লাহ্, তাঁর ফিরিশ্তাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ ও আখেরাতর উপর ঈমান আনা এবং তাকদীরের ভাল-মন্দের উপর ঈমান আনা।”
সে (আগন্তুক) বলল: “আপনি ঠিক বলেছেন”। তারপর বলল: “আমাকে ইহসান সম্পর্কে বলুন”।
তিনি বলেন: “তা হচ্ছে এই- তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদাত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছ, আর তুমি যদি তাঁকে দেখতে নাও পাও তবে তিনি তোমাকে দেখছেন”।
সে (আগন্তুক) বলল: “আমাকে কেয়ামত সম্পর্কে বলুন”।
তিনি (রাসূল) বললেন: “যাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে সে জিজ্ঞাসাকারী অপেক্ষা বেশী কিছু জানে না”।
সে (আগন্তুক) বলল: “আচ্ছা, তার লক্ষণ সম্পর্কে বলুন”।
তিনি (রাসূল) বললেন: “তা হচ্ছে এই- দাসী নিজের মালিককে জন্ম দেবে, সম্পদ ও বস্ত্রহীন রাখালগণ উঁচু উঁচু প্রাসাদে দম্ভ করবে”।
তারপর ঐ ব্যক্তি চলে যায়, আর আমি আরো কিছুক্ষণ বসে থাকি। তখন তিনি (রাসূল) আমাকে বললেন: “হে উমার, প্রশ্নকারী কে ছিলেন, তুমি কি জান? আমি বললাম: “আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল অধিক ভাল জানেন”। তিনি বললেন: “তিনি হলেন জিবরীল। তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দিতে তোমাদের কাছে এসেছিলেন।”
[সহীহ্ মুসলিম: ৮]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ঈমানের শাখা রয়েছে ষাটের কিছু বেশি। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেন: “আল্লাহ বলেন: আমার বান্দা যখন কোন পাপ করার ইচ্ছা করে, তখন তোমরা তা লিখ না যতক্ষণ না সে তা করে। যদি সে তা করে সমান পাপ লিখ। আর যদি সে তা আমার কারণে ত্যাগ করে[1], তাহলে তার জন্য তা নেকি হিসেবে লিখ। আর যদি সে নেকি করার ইচ্ছা করে কিন্তু সে তা করেনি, তার জন্য তা নেকি হিসেবে লিখ। অতঃপর যদি সে তা করে তাহলে তার জন্য তা দশগুণ থেকে সাতশো গুণ পর্যন্ত লিখ”। [বুখারি ও মুসলিম]
হযরত আবদুল্লাহ
ইবনে মাসঊদ রা.
থেকে বর্ণিত।
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ
সা. একবার সাহাবাদের
বললেন,
আমি কি তোমাদেরকে সে ব্যক্তির
কথা বলবো না, যার উপর
জাহান্নামের আগুন
হারাম হয়ে গেছে,
যাকে জাহান্নাম
পরিত্যাগ করবে?
সে হলো ঐ মুসলমান, যার
স্বভাব নম্র, আচরণ কোমল,
শান্ত ও ভদ্র।
[আহমাদ, তিরমিযী,
মিশকাত]
নারায়নগঞ্জের শামীম
ওসমান,
লক্ষ্মীপুরের আবু তাহের,
ফেনীর
জয়নাল হাজারীর মত
কোন
গডফাদার জামায়াত-
শিবিরে
নাই, তাই জামায়াত
শিবির
একটি সন্ত্রাসী দল।
জাহাঙ্গীরনগর
ভার্সিটির
মানিক
কিংবা রাসেলদের মত
কোন সেঞ্চুরিয়ান ধর্ষকও
জামায়াত-শিবিরে
নাই, তাই
তারা আজ নিষিদ্ধ।
আবুল হোসেন, সুরঞ্জিত
সেনগুপ্তের
মত কোন চোর
জামায়াত-
শিবিরে নাই,
তাইতো এদেশে রাজনীতি করার
কোন অধিকার তাদের
নাই।
এই
দেশে রাজনীতি করবে কেবল
চোর, ডাকাত, সন্ত্রানী,
ধর্ষক ও
গডফাদাররা...
জামায়াত-শিবিরের
তো কোন
যোগ্যতাই নাই এই
দেশে রাজনীতি করার...
cp
তথাকথিত "কসাই"
কাদেরকে একাত্তরের ঠিক
পরের
বছরগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্্যের ছাত্র
হবার সুযোগ দানের জন্য
ঢাকা ভার্সিটির
ফাসি চাই!!,,,
চাই কলঙ্কিত পিতা মুজিবের উপর ঘৃনাপ্রস্তাব,উনিই তাঁকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে চাকরি দি্যেছিলেন।
by নোমান ইসলাম নিরব
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Thakurgaon