শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়ার বৃদ্ধির এই সংগ্রামে অংশগ্রহণকৃত সকলের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।
Saima & Arif Education Centre
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Saima & Arif Education Centre, Thakurgaon.
শিক্ষার্থীদের উপকার করতেই আমাদের এই পেজ। শিক্ষক নিবন্ধন বিষয়ক সহযোগিতা পাবেন এখানে। সকলে পাশে থাকবেন, পেজটিতে Like & Follow দিবেন এটাই প্রত্যাশা সকলের নিকট। দোয়া করবেন যেন আপনাদের সহযোগিতা করতে পারি।।
21/10/2025
অবশেষে ১৫% বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি করিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি।
21/10/2025
আলহামদুলিল্লাহ।
৭.৫% + ৭.৫%= ১৫% বাড়ি ভাড়ার প্রজ্ঞাপন হাতে তুলে দিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা।
২০% এর কম শিক্ষক সমাজ মেনে নেবে না।
#খুব_চমৎকার_একটি_পোস্ট_অবশ্যই_পড়বেন!!!
""মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী একদিন মারা গেলেন, মহানবী উনার জানাজা পড়ালেন,
তারপর একদল সাহাবী মৃতদেহ কবর দেয়ার জন্য কবরস্থানে নিয়ে আসলেন, সবার সাথে আমাদের নবীও হেটে হেটে আসলেন,
দুই জন সাহাবী কবর খুড়তে শুরু করলেন, সবাই মৃতদেহকে ঘিরে বসে আছেন, কবর খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন, সবাই চুপচাপ, নীরব ও শান্ত একটি পরিস্থিতি, নবীজি গভীর মনোযোগ দিয়ে কবর খোঁড়া দেখছিলেন,
একটু পর সবার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমরা কি জানো, মানুষ মারা যাওয়ার পর, তার আত্মার কি হয়? সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে নবীকে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমাদেরকে বলুন, নবীজি একটু চুপ করে থাকলেন, সবাই উনার কাছে এসে ঘিরে বসলেন, কারন মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, এই তথ্য তাদের জানা ছিল না, আজ সেটা নবীর মুখে শুনবেন, কতো বড়ো সৌভাগ্য, শুনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে নবীর কাছে এসে বসলেন,
তখন নবীজি একবার কবরের দিকে তাকিয়ে মাথাটা তুলে আকাশের দিকে তাকালেন তারপর তিনি গল্পের মতো করে বলতে শুরু করলেন "শুনো, যখন মানুষ একেবারেই মৃত্যু শয্যায়, তখন সে মৃত্যুর ফেরেস্তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায় কিন্তু যে বিশ্বাসী ও ভালো মানুষ তাকে মৃত্যুর ফেরেস্তা হাসি মুখে সালাম দেন, তাকে অভয় দেন এবং মাথার পাশে এসে ধীরে ও যত্ন করে বসেন, তারপর মৃত প্রায় মানুষটির দিকে তাকিয়ে বলেন, "হে পবিত্র আত্মা, তুমি তোমার পালনকর্তার ক্ষমা ও ভালোবাসা গ্রহণ করো এবং এই দেহ থেকে বের হয়ে আসো",
মুমিনের আত্মা যখন বের হয়ে আসে তখন সে কোনো ধরণের ব্যথা ও বেদনা অনুভব করে না, নবী আরো একটু ভালো করে উদাহরণ দিয়ে বললেন, "মনে করো একটা পানির জগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর উপর থেকে এক ফোটা পানি যেমন নিঃশব্দে উপর থেকে নিচে নেমে আসে ঠিক তেমনি নীরবে ও কষ্ট ছাড়াই আত্মাটি তার দেহ থেকে বের হয়ে আসে",
সেই সময় দুই জন অন্য ফেরেস্তা বেহেস্ত থেকে খুব সুগন্ধি মাখানো একটা নরম সুতার সাদা চাদর নিয়ে আসেন এবং তারা আত্মাটিকে সেই চাদরে আবৃত করে আকাশের দিকে নিয়ে যান, তারা যখন আকাশে পৌছেন তখন অন্য ফেরেস্তারা সেই আত্মাটিকে দেখার জন্য এগিয়ে আসেন, কাছে এসে সবাই বলেন, "সুবহানাল্লাহ, কত সুন্দর আত্মা, কি সুন্দর তার ঘ্রান"
তারপর সবাই জানতে চান, "এই আত্মাটি কার?" উত্তরে আত্মা বহনকারী ফেরেস্তারা বলেন, "উনি হলেন, ফুলান ইবনে ফুলান"
(নবী আরবিতে বলেছেন, বাংলায় হলো, "অমুকের সন্তান অমুক"), বাকি ফেরেস্তাগন তখন আত্মাটিকে সালাম দেয়, তারপর আবার জিজ্ঞেস করে, উনি কি করেছেন? উনার আত্মায় এতো সুঘ্রাণ কেন? আত্মা বহন কারী ফেরেস্তাগন তখন বলেন, "আমরা শুনেছি মানুষজন নিচে বলা-বলি করছে, উনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন, আল্লাহর ভালো বান্দা, অনেক দয়ালু, মানুষের অনেক উপকার করেছেন, এতোটুকু বলার পর নবী একটু থামলেন,
তারপর সবার দিকে ভালো করে দৃষ্টি দিয়ে উনার কণ্ঠটা একটু বাড়িয়ে বললেন, এই কারণেই বলছি, সাবধান, "তোমরা কিন্তু মানুষের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে না, তুমি মারা যাওয়ার পর মানুষ তোমার সম্পর্কে যা যা বলবে, এই আত্মা বহন কারী ফেরেস্তারাও আকাশে গিয়ে ঠিক একই কথা অন্যদেরকে বলবে", এই কথা বলে, তিনি আবার একটু চুপ করলেন, কবরটার দিকে দৃষ্টি দিলেন,
আবার বলতে শুরু করলেন,
এই সময় মানুষ যখন পৃথিবীতে মৃত দেহকে কবর দেয়ার জন্য গোসল দিয়ে প্রস্তুত করবে তখন আল্লাহ তাআলা আত্মা বহনকারী ফেরেশতাদেরকে বলবেন, "যাও, এখন তোমরা আবার এই আত্মাকে তার শরীরে দিয়ে আসো, মানুষকে আমি মাটি থেকে বানিয়েছি, মাটির দেহেই তার আত্মাকে আবার রেখে আসো, সময় হলে তাকে আমি আবার পুনরায় জীবন দিবো," তারপর মৃতদেহকে কবরে রেখে যাওয়ার পর দুই জন ফেরেস্তা আসবেন,তাদের নাম মুনকার ও নাকির, তারা মৃতের সৃষ্টিকর্তা, তার ধর্ম ও নবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন,
মুনকার নাকির চলে যাওয়ার পর,
আত্মাটি আবার অন্ধকার কবরে একাকী হয়ে যাবে, সে এক ধরণের অজানা আশংকায় অপেক্ষা করবে, কোথায় আছে? কি করবে? এক অনিশ্চয়তা এসে তাকে ঘিরে ধরবে,
এমন সময় সে দেখবে, খুব সুন্দর একজন তার কবরে তার সাথে দেখা করতে এসেছেন, তাকে দেখার পর আত্মাটি ভীষণ মুগ্ধ হবে, এতো মায়াবী ও সুন্দর তার চেহারা, সে জীবনে কোন দিন দেখেনি,
আত্মাটি তাকে দেখে জিজ্ঞেস করবে, "তুমি কে?" সেই লোকটি বলবে, "আমি তোমার জন্য অনেক বড় সুসংবাদ নিয়ে এসেছি, তুমি দুনিয়ার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছো, তোমার জন্য আল্লাহ তাআলা জান্নাতের ব্যবস্থা করেছেন, তুমি কি সেটা একটু দেখতে চাও?",
আত্মাটি ভীষণ খুশি হয়ে বলবে, অবশ্যই আমি দেখতে চাই, আমাকে একটু জান্নাত দেখাও, লোকটি বলবে, "তোমার ডান দিকে তাকাও",
আত্মাটি ডানে তাকিয়ে দেখবে কবরের দেয়ালটি সেখানে আর নেই, সেই দেয়ালের দরজা দিয়ে অনেক দূরে সুন্দর বেহেস্ত দেখা যাচ্ছে,
বেহেস্তের এই রূপ দেখে আত্মাটি অনেক মুগ্ধ হবে ও প্রশান্তি লাভ করবে এবং সেখানে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করবে, "আমি সেখানে কখন যাবো, কিভাবে যাবো?"
লোকটি মৃদু হেসে বলবেন, "যখন সময় হবে, তখনই তুমি সেখানে যাবে ও থাকবে" আপাততো শেষ দিবস পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে, ভয় পেও না, আমি তোমার সাথেই আছি, তোমাকে আমি সেই দিন পর্যন্ত সঙ্গ দিবো,
আত্মাটি তখন তাকে আবারো জিজ্ঞেস করবে, কিন্তু তুমি কে ?
তখন লোকটি বলবে, আমি কে? আমি হচ্ছি তোমার এতোদিনের নেক-আমল, পৃথিবীতে তোমার সব ভালো কাজের, তোমার সব পুণ্যের রূপ আমি, আজ তুমি আমাকে একজন সঙ্গীর মতো করে দেখছো, আমাকে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্যই এখানে পাঠিয়েছেন,
এই কথা বলে, লোকটি আত্মাটির উপর যত্ন করে হাত বুলিয়ে দিবেন এবং বলবেন, "হে পবিত্র আত্মা, এখন তুমি শান্তিতে ঘুমাও, নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নাও, এই কথা বলার পর, আত্মাটি এক নজরে বেহেস্তের দিকে তাকিয়ে থাকবে এবং একসময় এই তাকানো অবস্থায় গভীর প্রশান্তিতে ঘুমিয়ে পড়বে, নবীজি এতোটুকু বলে আবার একটু থামলেন, সাহাবীরা তখন গায়ের কাপড় দিয়ে ভেজা চোখ মুছলেন....
(সহীহ্ বুখারী ও মুসনাদের দুইটি হাদিস থেকে নেওয়
13/10/2025
যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকদের ভিআইপি মর্যাদা দেয়া হয়, ফ্রান্সে আদালতে শুধুমাত্র শিক্ষকদের বসতে দেয়া হয়, জাপানে সরকারের উপর মহলের অনুমতি ছাড়া শিক্ষকদের গ্রেফতার করা যায়না, চীনে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কাজ শিক্ষাকতা, কোরিয়ায় শিক্ষকরা মন্ত্রীর সম মর্যাদা পান। সম্ভবত বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে শিক্ষকরা সবচেয়ে অবহেলিত, মর্যাদাহীন, দরিদ্র। সামান্য বেতন বাড়াতে রাস্তায় নামলে বেধরক পেটানো হয়। হাতকড়া পরিয়ে টেনে হিচরে নিয়ে যাওয়া হয়। এই জাতির ভবিষ্যৎ খারাপ হবেনা তো কার হবে?
13/10/2025
কেন রক্ত ঝরালে আজ
মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান
মুর্ধায় জাতি, অন্ধত্বের ছানি উপরমহলের
ঘৃণ্য বর্বরোচিত হামলা প্রশাসনের
বসুন্ধরা চক্ষুপেয় শিক্ষক আজ অপমানিত
এ জাতি কলঙ্কিত,,,
ইতিহাসে তুমি আমি রাজসাক্ষী।।
অস্তিত্বের সংগ্রাম, আত্মসম্মানের সংগ্রাম,
ন্যায্য অধিকার আদায়ে সংগ্রাম,
ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম,
কর্মক্ষেত্রে স্থায়ী সমাধানের সংগ্রাম
বেঁচে থাকার সংগ্রাম
লড়াই লড়াই লড়াই করে বাঁচতে চাই
অতিতেও যা পেয়েছি সংগ্রাম করেই।।
চল চল ঢাকায় চল, জাতীয় প্রেসক্লাব ও শহিদমিনারে অবস্থান কর
শান্তিপূর্ণ অবস্থানে নিজেকে রাঙিয়ে তুল
অগ্নিঝরা গর্জনে কাপিয়ে তুল,
জানিয়ে দাও মসনদে
ফিরবনা আর ঘরে ন্যায্য পাওনা না নিয়ে।।
সুশিলসমাজ সভ্যজাতি নিজেকে প্রশ্ন করুন
আজ শিক্ষকদের কি অপরাধ ছিল?
রাজপথে শিক্ষক কেন রক্তাক্ত?
আসলে শিক্ষক যাবে কোথায়?
শিক্ষক তাদের ন্যায্য অধিকার পাবে না?
বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের স্বপ্ন- স্বপ্নই থেকে গেল?
আঁধারে আলো পাবে কি?
শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ পুলিশি হামলা কেন?
সভ্যজাতি কিভাবে ভুলে যাচ্ছে
আজকের শিক্ষকের হাত দিয়েই
তোমার এ অবস্থান পেয়েছ
দ্রুত শিক্ষক কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দাও
অধিকার আদায়ে আমরা রাজপথে
সম্মান বাঁচাতে হব না পিছপা
আসুক যত বাদাবিপত্তি
আসুক যত বাদা সব পেরিয়ে ছিনিয়ে আনব আমাদের জয়।
আজকের রক্ত বৃথা যেতে দিওনা
আজকের অপমান কখনো ভুলে যেওনা
রাজপথে আমার ভাইয়ের রক্ত কেন?
জবাব চাই দিতে হবে
ন্যায্য অধিকার চাওয়াই কি অপরাধ?
ছিল না জানি অন্তরজামী নেই কোন অপরাধ
কাল হাশরে দাঁড়াতেই হবে
কেন রক্ত ঝরালে আজ।।
উৎসর্গ: রক্তাক্ত সে শিক্ষক ও গ্রেফতার কৃত শিক্ষকদের প্রতি
(সংগৃহীত)
13/10/2025
জিন্দাপীর দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসা বীরগঞ্জ দিনাজপুর এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলছে চলবে ইনশাআল্লাহ।
অধিকার আদায়ে সোচ্চার হই।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকবৃন্দ,
আপনারাও আপনাদের প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারে অবস্থান করে কর্মবিরতি পালন করুন।
12/10/2025
শিক্ষকদের মর্যাদা দেয়ার ক্ষমতা নেই তাহলে অমর্যাদা কেন?
আজ যারা লাঞ্ছিত হলো,অপমানিত হলো, যাদের হাতে হাতকড়া পড়লো,রক্তাক্ত হলো তারা কে জানেন?
তারা হলো শিক্ষক, জাতি গঠনের কারিগর।
তাদের তো সম্মান পাবার কথা।তারা তো অন্যায় কাজ করতে যান নি? তারা তো ক্ষমতা চাননি?তারা তো তাদের ন্যায্য দাবি নিয়ে কথা বলতে গিয়েছে, এ দাবি আমার আপনার, সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষকের।
আগামীকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করা আমাদের দায়িত্ব। আমার ভাইদের রক্তের সাথে বেঈমানি করা কোন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের উচিত হবে না।
প্রেসক্লাবের সামনে পুলিশ কর্তৃক শিক্ষকদের উপর জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যাবহারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
জেগেছে রে জেগেছে,
শিক্ষক সমাজ জেগেছে।
১২/১০/২০২৫ প্রেসক্লাব প্রমাণ করে দিতে প্রস্তুত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Thakurgaon
5100