26/11/2025
দ্বাদশ শ্রেণীর ফলাফল প্রকাশ :
পীরগঞ্জ সরকারি কলেজ, ঠাকুরগাঁও — শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিকতার সমন্বয়ে আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলার অঙ্গীকারে অটল!
আমাদের মূলনীতি: শেখার জন্য এসো, সেবার জন্য যাও!
26/11/2025
দ্বাদশ শ্রেণীর ফলাফল প্রকাশ :
Drop out your Favourite College Campus (P.G.C) with a drone view! 📽️
Source: Edit Eleyas keep up your good works.
এইচ.এস.সি ২০২৫ এর সকল পরীক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! 🎉
যারা সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছো — তোমাদের জন্য গর্বিত আমরা! তোমাদের পরিশ্রম ও অধ্যবসায় আজ ফল দিয়েছে। এই সফলতা হোক জীবনের নতুন পথচলার অনুপ্রেরণা।
আর যারা প্রত্যাশিত ফলাফল পেতে পারোনি, হতাশ হোয়ো না!
একটা ফলাফল তোমার মেধা বা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না।
সময় এখনও তোমার হাতে — আবার চেষ্টা করো, সাফল্য তোমার হবেই!
– পীরগন্জ সরকারী কলেজ পরিবারের পক্ষ থেকে!
16/10/2025
BOARD OF INTERMEDIATE & SECONDARY EDUCATION, DINAJPUR
For PGC!
RESULT OF HSC EXAMINATION, 2025
16/10/2025
এক নজরে!
এইচ.এস.সি -২৫ ব্যাচের ফলাফল। তোমরা যারা উত্তীর্ণ হয়েছো অভিনন্দন তোমাদের! আর যারা অকৃতকার্য হয়েছো তোমরা হাল ছেড়ো না, এই ব্যর্থতা কে জীবনের একটা অংশ হিসেবে নাও!🖤
24/08/2025
২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি :বিজ্ঞান শাখা:[যাদের কেন্দ্র পীরগন্জ সরকারি কলেজ]
24/08/2025
২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়সূচি :বিজ্ঞান শাখা:[সকাল ৯ টা হতে এবং বিকাল ২টা হতে]
18/08/2025
২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষাথীদের (বিজ্ঞান বিভাগ) উচ্চতর গণিত ব্যবহারিক ট্রায়াল ক্লাস সময়সূচি:
্র_ব্যাবহারিক_খাতা_কমপ্লিট_আনতে_হবে।
বি:দ্র: কোন ত্রুটিপূর্ণ বা অসম্পূর্ণ খাতা স্বাক্ষর করা
হবে না।
ঘোষণা,
তোমরা জানো — বি.সি.এস শুধু একটি পরীক্ষা নয়, এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। ✨
তোমাদের কথা ভেবে, আমরা ভাবছি বি.সি.এস পরীক্ষার উপর একটি আলাদা পেজ তৈরি করার।
যেখানে থাকবে প্রস্তুতির টিপস, গুরুত্বপূর্ণ আপডেট, মোটিভেশনাল পোস্ট — সব একসাথে! 📚💡
👉 তোমাদের কি মতামত?
কমেন্টে জানাও ✍️
15/08/2025
আপনারা যারা বি.সি.এস পরিক্ষার্থী!
তারা পরীক্ষার আগেই একবার চোখ বুলিয়ে নিন — কাজ দেবে ১০০%
15/08/2025
বুয়েটের সমাবর্তনে এক যুবক বক্তৃতা দিতে গিয়ে বললেন—
“আমার মতো ছাত্র বুয়েট আর দ্বিতীয়টি পাবে না, আর আসবেও না। আমিই শেষ।
আমি আজ বেরিয়ে যাচ্ছি। আমার মতো আর কোনো ছাত্র এই বুয়েটে ভর্তি হতে পারবে না। আজ আমি গর্বিত যে এত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমি ছাত্র ছিলাম।”
কথা বলতে বলতে তার চোখ থেকে অবিরাম জল পড়ছিল। তখন একজন প্রফেসর তাকে জিজ্ঞেস করলেন—
“তোমার গর্বিত হওয়ার কারণ কী?”
জবাবে ছেলেটি বলল—
“কমলাপুর রেলস্টেশনের পাশে একচালা এক বস্তির ঘরে আমার জন্ম। হ্যাঁ, আমি বস্তিরই ছেলে। বাবা যখন মারা যান, আমি তখন খুব ছোট। আমাকে বড় করে মানুষ করার জন্য আমার মা দিনের বেলায় ভিক্ষা করতেন আর রাতে এক বাসায় ঝির কাজ করতেন। আমি ওই বস্তিরই স্কুলে পড়তাম। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় ভালো ছিলাম।
মায়ের একার রোজগারে সংসার চলত না, তাই আমি কমলাপুর স্টেশনে বাদাম বিক্রি করতাম। স্টেশনে বাদাম নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সময় কোথাও কোনো পড়ে থাকা ইংরেজি পত্রিকা কাগজ কুড়িয়ে এনে পড়ার চেষ্টা করতাম। আমি যখন তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হই, বস্তির স্কুলে সর্বোচ্চ নম্বর পাই।
আমার পড়াশোনার আগ্রহ দেখে একজন ভদ্রলোক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। আজ সেই ভদ্রলোকের জন্যই আমি এত দূর পর্যন্ত আসতে পেরেছি। এর জন্য আমি আমার আল্লাহ কে ধন্যবাদ দিই!
আজ আর আমার মা বেঁচে নেই। বেঁচে থাকলে জড়িয়ে ধরে বলতাম—‘মা, তোমার বাদাম বিক্রি করা ছেলে বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ার হয়েছে।’ কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—তিনি তো আর নেই।
তবুও আমার একটাই পরিচয়—আমি বস্তির ছেলে। এই কথা বলতে আমার কোনো দ্বিধা হয় না।”
কথা শেষ করে আবারও চোখ মুছলেন ছেলেটি!💜