Reza Islam

Reza Islam

Share

English

03/11/2025

100টি সর্বাধিক ব্যবহৃত ইংরেজি প্রেজ
🌤 Maybe (মেবি) – হয়তো
☁ Probably (প্রবাবলি) – সম্ভবত
🌞 Surely (শিউরলি) – নিশ্চয়ই
🌿 Generally (জেনারেলি) – সাধারণত
🍂 Usually (ইউজুয়ালি) – সাধারণত
🌧 Perhaps (পারহ্যাপস) – হয়তো
🌊 Possibly (পসিবলি) – সম্ভবত
🌼 Certainly (সার্টেনলি) – অবশ্যই
✨ Definitely (ডেফিনিটলি) – নিশ্চিতভাবে
🔥 Obviously (অবভিয়াসলি) – স্পষ্টভাবে
💫 Frequently (ফ্রিকোয়েন্টলি) – ঘন ঘন
🌙 Rarely (রেয়ারলি) – খুব কমই
☀ Sometimes (সামটাইমস) – কখনো কখনো
🌦 Occasionally (অক্যাজনালি) – মাঝে মাঝে
🌀 Seldom (সেলডম) – কদাচিৎ
🌸 Always (অলওয়েজ) – সবসময়
🌻 Never (নেভার) – কখনো না
🌺 Ever (এভার) – কখনো
🌈 Normally (নরমালি) – স্বাভাবিকভাবে
💥 Surely not (শিউরলি নট) – নিশ্চয়ই না
🍀 Absolutely (অ্যাবসলিউটলি) – পুরোপুরি
🌾 Exactly (একজ্যাক্টলি) – একদম ঠিক
🪴 Totally (টোটালি) – সম্পূর্ণভাবে
🍁 Completely (কমপ্লিটলি) – পুরোপুরি
🌼 Fully (ফুলি) – পুরোপুরি
🔥 Almost (অলমোস্ট) – প্রায়
🌸 Nearly (নিয়ারলি) – প্রায়
🌈 Hardly (হার্ডলি) – প্রায় না
☁ Barely (বেরলি) – কষ্টে কষ্টে
🌙 Scarcely (স্কার্সলি) – খুব কম
🌻 Clearly (ক্লিয়ারলি) – স্পষ্টভাবে
🌹 Exactly (একজ্যাক্টলি) – নির্ভুলভাবে
🌺 Certainly (সার্টেনলি) – নিশ্চিতভাবে
🌿 Undoubtedly (আনডাউটেডলি) – নিঃসন্দেহে
🍂 Obviously (অবভিয়াসলি) – অবশ্যই
🌊 Truly (ট্রুলি) – সত্যিই
🌾 Honestly (অনেস্টলি) – সততার সাথে
🌸 Luckily (লাকিলি) – ভাগ্যক্রমে
💫 Hopefully (হোপফুলি) – আশাকরি
🌧 Unluckily (আনলাকিলি) – দুর্ভাগ্যবশত

🍀 Finally (ফাইনালি) – শেষমেশ
🌻 Eventually (ইভেনচুয়ালি) – শেষ পর্যন্ত
🌼 Gradually (গ্র্যাজুয়ালি) – ধীরে ধীরে
🌸 Suddenly (সাডেনলি) – হঠাৎ
💨 Instantly (ইনস্ট্যান্টলি) – সাথে সাথে
⚡ Immediately (ইমিডিয়েটলি) – অবিলম্বে
🔥 Recently (রিসেন্টলি) – সম্প্রতি
🌙 Lately (লেটলি) – ইদানীং
🌤 Nowadays (নাউএডেজ) – বর্তমানে
☀ Currently (কারেন্টলি) – বর্তমানে

🌿 Daily (ডেইলি) – প্রতিদিন
🌾 Weekly (উইকলি) – প্রতি সপ্তাহে
🍁 Monthly (মান্থলি) – প্রতি মাসে
🌼 Yearly (ইয়ারলি) – প্রতি বছর
🌀 Once (ওয়ান্স) – একবার
🌈 Twice (টুইস) – দুইবার
🌸 Thrice (থ্রাইস) – তিনবার
💫 Often (অফেন) – প্রায়ই
🌧 Again (অ্যাগেইন) – আবার
🔥 Before (বিফোর) – আগে

🌿 Afterward (আফটারওয়ার্ড) – পরে
🍂 Then (দেন) – তারপর
🌾 Next (নেক্সট) – পরবর্তী
🌻 Later (লেটার) – পরে
🌸 Earlier (আর্লিয়ার) – আগেই
💫 Meanwhile (মিনহোয়াইল) – এদিকে
🌙 Nowadays (নাউএডেজ) – বর্তমানে
🌤 Someday (সামডে) – কোনো একদিন
🔥 Anytime (এনিটাইম) – যেকোনো সময়
🌈 Every time (এভরি টাইম) – প্রতিবার

🍀 At last (অ্যাট লাস্ট) – অবশেষে
🌿 By chance (বাই চ্যান্স) – কাকতালীয়ভাবে
🍁 Of course (অফ কোর্স) – অবশ্যই
🌸 As usual (অ্যাজ ইউজুয়াল) – আগের মতো
🌼 For sure (ফর শিউর) – নিশ্চিতভাবে
🌾 In fact (ইন ফ্যাক্ট) – আসলে
🌻 No doubt (নো ডাউট) – সন্দেহ নেই
🔥 In general (ইন জেনারেল) – সাধারণভাবে
🌙 In short (ইন শর্ট) – সংক্ষেপে
🌈 After all (আফটার অল) – সবশেষে

🍀 In reality (ইন রিয়েলিটি) – বাস্তবে
🌸 In truth (ইন ট্রুথ) – সত্যি বলতে
🌿 As usual (অ্যাজ ইউজুয়াল) – সাধারণভাবে
🌾 On time (অন টাইম) – সময়মতো
🌻 In time (ইন টাইম) – সময়ে
💫 From now (ফ্রম নাউ) – এখন থেকে
🌤 At present (অ্যাট প্রেজেন্ট) – বর্তমানে
🌈 Long ago (লং এগো) – অনেক আগে
🔥 Right now (রাইট নাউ) – এই মুহূর্তে
🌼 These days (দিজ ডেজ) – এই দিনগুলোতে

14/10/2025
14/10/2025

মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের ….

14/10/2025

কর্মবিরতির মধ্যেই শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি আজ...

14/10/2025

বাংলাদেশের শিক্ষকরা নিরাপদ না। বরং অবহেলিত।

25/07/2025

দশকের পর দশক ধরে চলা বিরোধ

থাইল্যান্ড ও কাম্বোডিয়া দীর্ঘদিন ধরে তাদের ৮১৭ কিলোমিটার (৫০৮ মাইল) স্থলসীমান্তের বিভিন্ন অস্পষ্ট অংশ নিয়ে দ্বন্দ্বে লিপ্ত। এই বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রাচীন হিন্দু মন্দিরগুলো, বিশেষ করে তা মোয়ান থম এবং ১১শ শতাব্দীর প্রেয়া বিহার মন্দির।

১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত প্রেয়া বিহার মন্দিরের মালিকানা কাম্বোডিয়াকে প্রদান করলেও, ২০০৮ সালে কাম্বোডিয়া যখন মন্দিরটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করে, তখন নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।

15/07/2025

প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন শাসনামল

1. আলেকজান্ডারের শাসন:BC ৩২৭ -- ৩২৩
২. বাংলায় মৌর্য যুগ: BC ৩২১-১৮৫
৩.কুষাণ সাম্রাজ্য: 30--375 AD
৪. বাংলায় গুপ্ত যুগ:320---550 AD(Anno Domini)
৫.গৌড় শাসন:৫৯৯–৬২৬
৬.পাল রাজবংশ৭৫০-১১৬১ খ্রি)
৭.সেন রাজবংশ১০৭০ খ্রি–১২৩০ খ্রি

১. আলেকজান্ডারের শাসন:
জন্ম-খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫৬ অব্দে।
মৃত্যু (ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত)-খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৩ অব্দে (৩২ বছর)

মৃত্যুস্থান-ব্যাবিলন।

→ সম্রাট আলেকজান্ডার সুদূর গ্রিস থেকে একের পর এক রাজ্য জয় করে ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন- খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে।

→ আলেকজান্ডারের আক্রমণের সময় বাংলা শাসন করছিলেন- পাটালিপুত্রের নন্দবংশীয় রাজা।

→ গ্রিক বীর আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে অগ্রসর সিন্ধু নদীর তীর পর্যন্ত।

আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর ভারতীয় অঞ্চলগুলো জয় করেন- ৩২১ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।

→ মহাবীর আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন- এরিস্টটল।

(গুরু শিষ্যের পর্যায়ক্রম: SPAA (S- সক্রেটিস, P- প্লেটো, A- এরিস্টটল, A- আলেকজান্ডার)}

→ সর্বপ্রথম 'গঙ্গারিডই' ও 'প্রাসিঅয়' নামক জাতির কথা উল্লেখ করেন- গ্রিক গ্রন্থাকারকগণ।

→ 'প্রাসিঅয়' জাতির রাজধানীর নাম- পালিবোথরা (পাটালিপুত্র)।

→ প্রাচীন বাংলার যে জাতিগুলো আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করে- গঙ্গারিডই এবং প্রাসিঅয়।

→ 'ভারত' নামকরণ করা হয়- রাজা দশরথের পুত্র ভরত এর নামানুসারে।

২. বাংলায় মৌর্য যুগ:
→ মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজত্বকাল- খ্রিষ্টপূর্ব ৩২১-১৮৫ অব্দ পর্যন্ত।
→ মৌর্যযুগে গুপ্তচরকে ডাকা হতো- সঞ্চারা নামে।

দুই ক্ষমতাধর রাজা- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, সম্রাট অশোক,

১.চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজত্বকাল---খ্রিষ্টপূর্ব ৩২২-২৯৮

২. সম্রাট অশোকের রাজত্বকাল----খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩-২৩২

→ মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য (খ্রিষ্টপূর্ব ৩২১ অব্দে মগধের সিংহাসনে আরোহণের মাধ্যমে)।

→ উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়- সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে। বৌদ্ধধর্ম এ সময় বিশ্বধর্মে পরিণত হয়।

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য উপমহাদেশ থেকে গ্রিকদের তাড়িয়ে দেন- আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলিউকাসকে পরাজিত করে।

→ প্রাচীন ভারতে সর্বপ্রথম সর্বভারতীয় ঐক্য রাষ্ট্র স্থাপন করেন- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।

→ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পরে সিংহাসনে বসেন- চন্দ্রগুপ্তের পুত্র বিন্দুসার।

চাণক্য (ছদ্মনাম- কৌটিল্য) ছিলেন- প্রাচীন অর্থনীতিবিদ, দার্শনিক ও রাজ উপদেষ্টা (চন্দ্রগুপ্তের প্রধানমন্ত্রী)।

→ কৌটিল্য প্রাথমিক জীবনে ছিলেন- তক্ষশীলার বিখ্যাত পণ্ডিত।

→ সম্রাট অশোক সিংহাসনে আরোহণ করেন- খ্রিষ্টপূর্ব ২৬৯ অব্দে।

→ সম্রাট অশোক তাঁর সাম্রাজ্যকে বিভক্ত করেন- ৫ ভাগে।

→ উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়- সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে।

→ সম্রাট অশোকের সময়ে উত্তর-বাংলা প্রদেশের রাজধানী ছিল- পুণ্ড্রনগর।

→ অশোক উজ্জয়িনী ও তক্ষশীলার শাসনকর্তা নিযুক্ত হন- ১৮ বছর বয়সে।

→ যে সকল অঞ্চলে মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল- উত্তরবঙ্গ, মুর্শিদাবাদ, হুগলি ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা।

→ মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর যে সকল বংশের উদ্ভব হয়-শুঙ্গ ও কম্ব বংশ।

→ কলিঙ্গ যুদ্ধ হয়েছিল- সম্রাট অশোকের আমলে (কলিঙ্গ রাজা পরাজিত হন)।
কলিঙ্গ ( ছিলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন রাজ্য যা ভারতের মধ্য-পূর্বাঞ্চলের ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাঁকুড়া , পুরুলিয়া , মেদিনীপুর জেলার, অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তরাংশ এবং মধ্য প্রদেশের কিয়দাংশ নিয়ে গঠিত ছিলো বলে ধারণা করা হয়।এই রাজ্যটি অর্থনৈতিকভাবে ছিলো সমৃদ্ধ এবং এর ভূমি ছিলো উর্বর মৃত্তিকায় আচ্ছাদিত,

এই যুদ্ধে কলিঙ্গ বাহিনীর ১,০০,০০০ সেনা ও মৌর্য বাহিনীর ১০,০০০ সেনা নিহত হয় ও অসংখ্য নর-নারী আহত হয়।

→ কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে অশোক বৌদ্ধধর্মে দীক্ষিত হন- উপগুপ্ত নামক এক সন্ন্যাসীর কাছে।

→ 'ব্রাহ্মীলিপি' বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন- সম্রাট অশোক।

→ 'চণ্ডাশোক' বলা হয়- সম্রাট অশোককে।

→ যে মৌর্য সম্রাটের শাসনামলে বৌদ্ধ ধর্ম রাজধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পায়- সম্রাট অশোক।

→ খরোষ্ঠী ও ব্রাহ্মী লেখার প্রচলন শুরু হয়- সম্রাট অশোকের সময় হতে।

→ সর্বপ্রথম হস্তলিপির প্রচলন শুরু হয়- সম্রাট অশোকের শাসনামলে।

→ 'ধর্ম বিজয়ই হলো একমাত্র শ্রেষ্ঠ বিজয়' বলেছেন- অশোক।

৩.কুষাণ সাম্রাজ্য:
কুশান সাম্রাজ্য ( আনুমানিক 30 - 375 খ্রিস্টাব্দ) প্রথম শতাব্দীর প্রথম দিকে ব্যাক্ট্রিয়ান অঞ্চলে ইউয়েঝি দ্বারা গঠিত একটি সমন্বিত সাম্রাজ্য। এটি বর্তমানে তাজিকিস্তান , উজবেকিস্তান , আফগানিস্তান , পাকিস্তান , পূর্ব ইরান এবং উত্তর ভারত , অন্ততপক্ষে বারাণসীর কাছে সাকেতা এবং সারনাথ পর্যন্ত , যেখানে শিলালিপিগুলি ডেটিং পাওয়া গেছে তার অনেকাংশে ছড়িয়ে পড়ে। কুষাণ সম্রাট কনিষ্কের যুগে ।

→ কুষাণ সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ রাজা- কনিষ্ক।

→ কনিষ্কের চিকিৎসক ছিলেন- চরক (আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক)

৪. বাংলায় গুপ্ত যুগ:
দুই ক্ষমতাধর রাজা-প্রথম চন্দ্রগুপ্ত,সমুদ্রগুপ্ত,দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত

→ গুপ্তদের আদি বাসস্থান- উত্তর প্রদেশে।

→ গুপ্ত রাজাদের মধ্যে সর্বপ্রথম 'মহারাজাধিরাজ' উপাধি গ্রহণ করেন- প্রথম চন্দ্রগুপ্ত (শাসনকাল ৩২০-৩৪০ খ্রিষ্টাব্দ)।

→ প্রথম চন্দ্রগুপ্ত পাটালিপুত্রের সিংহাসনে আরোহ করেন- ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।

→ সমুদ্রগুপ্তের (ভারতের নেপোলিয়ন')(শাসনকাল ৩৪০-৩৮০ খ্রিষ্টাব্দ) আমলে বাংলার যে জনপদ ছাড়া অন্যান্য জনপদ গুপ্তদের অধীনে ছিল- সমতট।

→ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের উপাধি ছিল- বিক্রমাদিত্য ও সিংহবিক্রম।

→ প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়- গুপ্তযুগকে।

→ পৃথিবীর আহ্নিক ও বার্ষিক গতি নির্ণয় করেন- আর্যভট্ট।

→ গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে- হুনদের আক্রমণে (৬ষ্ঠ শতকে)।
প্রাচীন ভারতীয়দের দ্বারা মধ্য এশীয় উপজাতিদের একটি গোষ্ঠীকে হুনাস বা হুন নামে অভিহিত করা হত।

→ গুপ্ত বংশের পতনের পর উদ্ভব হয়- ২টি স্বাধীন রাজ্যের (বঙ্গ ও গৌড়)।

→ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনে বড় বড় অঞ্চলের শাসকদের বলা হতো- মহাসামন্ত।

→ প্রাচীন ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিধান প্রণেতা (ব্যাকরণবিদ) ছিলেন- অমরসিংহ।

৫.গৌড় শাসন:

→ গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলায় দুটি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়- একটি বঙ্গ এবং অন্যটি গৌড়।

→ গুপ্ত রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে বলো হতো- মহাসামন্ত।

বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা (নরপতি) হলেন-→ শশাঙ্ক

→ শশাঙ্ক ছিলেন একজন- মহাসামন্ত।
→ শশাঙ্কের রাজধানী ছিল- কর্ণসুবর্ণ (এটি বর্তমানে মুর্শিদাবাদের রাঙামাটি অঞ্চল)।

→ প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোকে গৌড় নামে একত্রিত করেন- রাজা শশাঙ্ক। শশাঙ্ক মৃত্যুবরণ করেন- ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দের কিছু আগে।

→ শশাঙ্ক ছিলেন- শিব উপাসক।

→ হিউয়েন সাঙ এর মতে, বৌদ্ধধর্মের নিগ্রহকারী- শশাঙ্ক।
মৌর্য শাসনের অবসান ও গুপ্ত শাসনের শেষের দিকে গুপ্ত রাজাদের দুর্বলতার সুযোগে বাংলায় অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যের উত্থান ঘটে। এরমধ্যে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক ছিলেন সবচেয়ে শক্তিশালী। রাজা শশাঙ্কের কোনো স্থায়ী শক্তিশালী উত্তরাধিকার ছিল না। ফলে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশো বছর বাংলায় অরাজকতা বিরাজমান ছিল।

এরপর পাল রাজবংশ ক্ষমতায় এসে প্রায় চারশো বছর রাজ্য শাসন করে।

পালদের পতনের পর ভারতের কর্ণাটক থেকে আগত সেন বংশ পূর্ব-বাংলায় রাজ্য স্থাপন করে। তেরো শতকের প্রথম দশকে ১২০৪ সালে মুসলিম শক্তির কাছে সেন শাসনের অবসান ঘটে। শুরু হয় বাংলার ইতিহাসের নতুন অধ্যায়- মধ্যযুগ ।

→ 'মাৎস্যন্যায়' ধারণাটি সম্পর্কিত- আইন শৃঙ্খলাহীন অরাজকতাপূর্ণ অবস্থার সাথে।

→ 'মাৎস্যন্যায়' নির্দেশ করে- বাংলার ৭ম ও ৮ম শতককে।

৬.পাল রাজবংশ

৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পরবর্তী শতাব্দীকালে বাংলায় অরাজকতা চলতে থাকে। এ সময় কোনো স্থায়ী শাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারেনি। অভ্যন্তরীণ গোলযোগ এবং বিদেশি আক্রমণ এ অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলাকে আরো বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছিল। এসময় বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' দেখা দেয়। 'মাৎস্যন্যায়' হলো: মৎস্য জগতে বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে। এ সময়কালে সমাজে যে অন্যায়-অত্যাচার ও নিপীড়ন চলছিল তা বোঝাতে মাৎস্যন্যায় শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে

→ পাল বংশ উত্থানের পূর্বে বাংলায় যে বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছিল তার নাম- মাৎস্যন্যায়।

→ বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক

শাসন শুরু করেন- গোপাল (পাল বংশের প্রথম রাজা)।

→ বাংলায় প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশের নাম- পাল বংশ (প্রায় চারশো বছর ছিল)।

→ পাল রাজাদের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ সার্বভৌম পরমেশ্বর, পরমভট্টারক এবং মহাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেন- ধর্মপাল।

→ ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- গর্গ।

→ যে রাজার সময় পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে- দেবপাল।

→ যে রাজার মৃত্যুর পর হতে পাল সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়- দেবপাল।

→ পাল রাজাদের পিতৃভূমি ছিল- বরেন্দ্র (জনকভূ)।

→ ইতিহাসে 'ত্রি শক্তির সংঘর্ষ' বলতে বোঝায়- বাংলার পাল, রাজপুতনার গুর্জর প্রতিহার, দাক্ষিণাত্যের রাষ্ট্রকূট রাজাদের যুদ্ধ।

এ সংঘর্ষে পরাজিত হয়- ধর্মপাল।

→ রামপালের রাজত্ব সম্পর্কে জানা যায়- সন্ধ্যাকর নন্দীর 'রামচরিতম' গ্রন্থে।

→ নওগাঁর পাহাড়পুরের বিখ্যাত বৌদ্ধবিহার (সোমপুর বিহার) নির্মাণ করেন- ধর্মপাল।

→ সোমপুর বৌদ্ধবিহার ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে- ১৯৮৫ সালে।

→ পাল যুগের পুঁথিচিত্র আঁকা হয়েছিল- তালপাতার ওপর।

→ 'রামচরিতম কাব্য' রচিত হয়- পাল শাসনামলে।

→ কৈবর্ত বিদ্রোহ হয়েছিল- দ্বিতীয় মহীপালের আমলে (একে বরেন্দ্র বা সামন্ত বিদ্রোহও বলে)।
→ এ বিদ্রোহের নেতা ছিলেন- দিব্যোক বা দিব্য।

→ কৈবর্ত বলা হয়- কৃষক, জেলে এবং শ্রমজীবী মানুষকে।

→ 'বৌদ্ধ অনুচিত্র' পাওয়া যায়- নালন্দা মহাবিহারে।

→ বঙ্গীয় চিত্রকলার প্রাচীনতম নিদর্শন- অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা।

→ বিক্রমশীলা বিহার- মগধে (বর্তমানে ভাগলপুরে) অবস্থিত।

→ শালবন বিহার কোন আমলের বৌদ্ধ ধ্বংসাবশেষ- পাল।

→ দেবপর্বতে রাজধানী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল- পাল রাজ বংশের।

→ যে রাজার পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়ায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হয়ে ওঠে- দেবপাল।

→ নালন্দা মহাবিহারে পাওয়া তালপাতায় অঙ্কিত 'বৌদ্ধ অনুচিত্র' যে রাজার সময়ে অঙ্কিত হয়েছিল- ১ম মহীপাল।
→ অতীশ দীপঙ্কর ছিলেন- বিখ্যাত বৌদ্ধ ধর্মপ্রচারক।

→ অতীশ দীপঙ্কর তিব্বতে গিয়েছিলেন- রাজা চ্যাং চুব জ্ঞানপ্রভ এর আমন্ত্রণে।

→ অতীশ দীপঙ্করের পৈতৃক নিবাস- বিক্রমপুরের (বর্তমান মুন্সিগঞ্জ) বজ্রযোগিনী গ্রামে।

→ নালন্দা মহাবিহারের আচার্যপদে অতীশ দীপঙ্করকে নিযুক্ত করেন- ১ম মহীপাল।

৭.সেন রাজবংশ

সামন্তসেন- পুত্র হেমন্তসেন-- তাঁর পুত্র বিজয়সেন- পুত্র বল্লাল সেন -- পুত্র লক্ষ্মণ সেন।

ক্ষমতাধর রাজা - বিজয় সেন।

→ সামন্তসেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেওয়া হয়- তাঁর পুত্র হেমন্তসেনকে।

→ পাল রাজা রামপালের অধীনে সামন্ত রাজা ছিলেন- হেমন্তসেন।

→ হেমন্তসেনের মৃত্যুর পর সিংহাসন আরোহণ করেন- তাঁর পুত্র বিজয়সেন।

→ সেন শাসন শক্তিশালী ভিত্তির ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত হয়- বিজয় সেনের শাসনামলে।
→ বাংলাকে সর্বপ্রথম একক শাসনাধীনে আনয়ন করেন- বিজয় সেন।

→ বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী ছিল- হুগলী জেলার ত্রিবেণীর বিজয়পুরে।

→ বিজয় সেনের দ্বিতীয় রাজধানী ছিল- বিক্রমপুরে (বর্তমান মুন্সিগঞ্জে)।

→ বিজয় সেনের পর সিংহাসনে আরোহণ করেন- তাঁর পুত্র বল্লাল সেন (শাসনকাল- ১১৬০-১১৭৮ খ্রিষ্টাব্দ)।

→ বল্লাল সেনের অসমাপ্ত গ্রন্থ- 'অদ্ভুত সাগর' সমাপ্ত করেন- লক্ষ্মণ সেন।১১৭৮-১২০৬ খ্রি

তিনি সেন বংশের সর্বশেষ সার্বভৌম ও বাংলার শেষ হিন্দু রাজা। তিনি ১১৭৮ হতে ১২০৬ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন।

→ সেন রাজাদের পূর্বপুরুষ ছিলেন- দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটক অঞ্চলের বাসিন্দা।

→ গৌড়ের নাম লক্ষ্মণাবতী হয়- লক্ষ্মণ সেনের নামানুসারে।

→ বখতিয়ার খলজি নদীয়া আক্রমণ করলে লক্ষ্মণ সেন আশ্রয় গ্রহণ করেন- মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে।

→ লক্ষ্মণ সেনের প্রধানমন্ত্রী ও ধর্মীয় প্রধান ছিলেন- পণ্ডিত হলায়ুধ মিশ্র।

10/07/2025

A+ is available in English. Always be strategic.

01/07/2025

বাংলার প্রচীন জনগোষ্ঠী

1. আর্য জাতি

আর্য’ শব্দটির অর্থ সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ। আর্য জাতি ইরানে বসবাসকারী ইন্দো-ইরানীয় ভাষা পরিবারের ইন্দো-ইরানীয় শাখা। আর্যরা খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের দিকে ভারতবর্ষে আগমন করে।
আর্যদের প্রাচীনতম গ্রন্থ বেদ ভারতে রচিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক দাবী করেন যে, আর্যদের আদি বাসভূমি ছিল ভারতবর্ষ। এরা বাস করত সপ্তসিন্ধু অঞ্চল। এটি ছিল মূলত উত্তর-পশ্চিম ভারত ও উত্তর-পূর্ব পাকিস্তানের একটি এলাকাকে বোঝায়, যেখানে সাতটি প্রধান নদীর স্রোতধারা ছিল। এই নদীগুলো হলো সিন্ধু, বিতস্তা (ঝিলাম), অসিক্নি (চেনাব), পরুষ্ণী (রাবি), বিপাশা (বিয়াস), সুতুদ্র (শতদ্রু) এবং সরস্বতী।

অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে, আর্যরা ইউরোপ থেকে ভারতে এসেছিল। বেদ হচ্ছে আর্যদের প্রাচীনতম সাহিত্য, যা প্রথমে লিখিত আকারে ছিল না। অনেক পরে বেদ লিপিবদ্ধ করা হয়। বেদ চারভাগে বিভক্ত ঋক্, সাম, যজুর এবং অথর্ব। চারটি বেদের মধ্যে প্রাচীনতম হচ্ছে ঋগ্বেদ।

আর্যরা উরাল পর্বত বা মধ্য এশিয়া থেকে খাইবার গিরিপথ বা প্রাচীন সিল্ক রোড ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে আসে। আর্যসভ্যতাকে দুভাগে ভাগ করা হয় ঋগ্বেদে বৈদিক যুগের সভ্যতা এবং পরবর্তী বৈদিক সভ্যতা।

2. অনার্য জাতির

ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী, যেমন - কোল, ভীল, মুন্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি বসবাস করত, যারা অনার্য হিসেবে পরিচিত।

অনার্য জাতিগোষ্ঠীগুলোর ভাষার শব্দ বাংলা ভাষায় দেশী শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন - কুড়ি (বিশ) কোল ভাষা থেকে, পেট (উদর) তামিল ভাষা থেকে এবং চুলা (উনুন) মুন্ডারী ভাষা থেকে।

3. অস্ট্রিক জাতি
অস্ট্রিক জাতি হল একটি প্রাচীন নৃগোষ্ঠী, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলে বসবাস করত। এদের ভাষাকে অস্ট্রিক ভাষা বলা হয়। অস্ট্রিক জাতি থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে বলে মনে করা হয়।

প্রাচীন সাহিত্যে, নিষাদ বলতে একটি উপজাতিকে বোঝানো হতো, যারা মূলত অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল এবং যাদের জীবনযাত্রা ছিল শিকার, মৎস্য শিকার ও বনজ সম্পদের উপর নির্ভরশীল।

ভারতে অস্ট্রিক গোষ্ঠীর অন্যতম দুটি ভাষা মুন্ডা ও খাসি।

4. দ্রাবিড় জাতি
দ্রাবিড় জাতি বলতে দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রাচীন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীকে বোঝায়, যারা দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত ভাষায় কথা বলে। এদের আদি বাসস্থান দক্ষিণ ভারত এবং পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার কিছু অংশেও এদের দেখতে পাওয়া যায়।

তামিল, তেলেগু, কন্নড় ও মালয়ালি এদের মধ্যে প্রধান।

বাংলার প্রাচীন জনপদ

প্রাচীনকালে বাংলা নামে কোনো অখণ্ড রাষ্ট্র ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। প্রতিটি অঞ্চলের শাসক নিজেদের মতো শাসন করতো। বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেয়া হয় 'জনপদ'। এ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার ছোট-বড় ১৬টি জনপদের কথা জানা যায়। ৬ষ্ঠ শতকে বঙ্গ ও গৌড় নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

1. গৌড়:
অবস্থান -ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গৌড়- রাজধানী কর্ণসুবর্ণ

→ প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ অবস্থিত- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।
→ শশাঙ্কের রাজধানী মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণের অবস্থান ছিল- গৌড় অঞ্চলে।
→ রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পরে বঙ্গদেশ বিভক্ত ছিল- ৩টি জনপদে (পুণ্ড্র, গৌড় ও বঙ্গ)।

গৌড় বাংলার এককালীন রাজধানী

→ গৌড় অঞ্চলের অনেক শিল্প ও কৃষিজাত দ্রব্যের উল্লেখ পাওয়া যায়- কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থে।
→ তৃতীয় ও চতুর্থ শতকে গৌড়ের নাগরিকদের বিলাস-ব্যসনের
পরিচয় পাওয়া যায়- বাৎসায়নের গ্রন্থে।

→ গৌড় অঞ্চলের সমৃদ্ধি বেশি ছিল- পাল আমলে।

মুসলিম যুগের শুরুতে মালদহ জেলার যে অঞ্চল গৌড় নামে অভিহিত হতো- লক্ষ্মণাবতী।

2. বঙ্গ:
অবস্থান - ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, বগুড়া, পাবনা, ঢাকা, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা ও নোয়াখালীর কিছু অংশ এবং ময়মনসিংহের কিছু অংশ

বঙ্গ জনপদের ভাষার নাম- অস্ট্রিক। বঙ্গ থেকে উৎপত্তি- বাঙালি জাতির। সমগ্র বাংলা বঙ্গ নামে ঐক্যবদ্ধ হয়- পাঠান আমলে। গঙ্গা ও ভাগিরথী অঞ্চলকে বলা হয় - বঙ্গ

→ 'বঙ্গ' নামে দেশের উল্লেখ পাওয়া যায়- খ্রিষ্টপূর্ব তিন হাজার বছর আগে।

→ সর্বপ্রথম বঙ্গদেশের নাম পাওয়া যায়- ঋগ্বেদ ( হল প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সংস্কৃত স্তোত্রাবলির একটি সংকলন। বেদের চারটি খণ্ডের মাঝে প্রথম অংশটি ঋগ্বেদ। এটি সনাতন ধর্মের আদি উৎস। এটি বিশ্বের প্রথম গ্রন্থগুলোর মধ্যে একটি। যা আজ পর্যন্ত কোনো না কোনো ভাবে সমাজে টিকে রয়েছে। এই গ্রন্থই সনাতন ধর্মের মূল পাঠ।) র 'ঐতরেয় আরণ্যক' গ্রন্থে।

লেখকত্ব ঐতরেয় আরণ্যক এবং ঐতরেয় উপনিষদের রচয়িতা ঐতিহাসিকভাবে ঋষি ঐতরেয় মহিদাসাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে।

→ প্রাচীন শিলালিপিতে 'বঙ্গ' বলতে যে দুটি অঞ্চলের উল্লেখ রয়েছে- বিক্রমপুর ও নাব্য।

→ গঙ্গা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠা জনপদ- বঙ্গ।

→ সুপ্রাচীন 'বঙ্গ' দেশের সীমা উল্লেখ আছে- ড. নীহাররঞ্জন রায়ের 'বাঙালির ইতিহাস' গ্রন্থে।

→ বাঙালি জাতির উৎপত্তি হয়েছে- বঙ্গ জনপদের নামানুসারে।

→ প্রাচীন যেসব গ্রন্থে বঙ্গদেশের নাম উল্লেখ পাওয়া যায়- ঋগ্বেদের 'ঐতরেয় আরণ্যক', 'মহাভারতে', পতঞ্জলির ভাষ্যে, ওভেদী, টলেমীর লেখায়, কালিদাসের রঘুবংশে এবং আবুল ফজলের 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে।

3. পুণ্ড্র:
অবস্থান - বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চল
বাংলাদেশের প্রাচীনতম শহর - পুণ্ড্রনগর

'পুণ্ড্র' নামক জাতি গড়ে তুলেছিল - পুঞ্জ জনপদ
পুঞ্জ ---রাজধানী পুণ্ড্রনগর/পুণ্ড্রবর্ধন

পুঞ্জ নগরের নাম রাখা হয় -মহাস্থানগড়

বাংলাদেশের প্রাচীনতম শহর -পুণ্ড্রনগর
→ জনপদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ- পুঞ্জ।

→ পুণ্ড্র জনপদ গড়ে তুলেছিল- পুঞ্জ জাতি।

→ বাংলাদেশের প্রাচীনতম শহর- পুণ্ড্রনগর (বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত)।

→ পুণ্ড্র জনপদের কথা উল্লেখ রয়েছে- বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে।

→ গঙ্গা ও করতোয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল- পুণ্ড্র জনপদ বা বারিন্দ্রীমণ্ডল।

→ 'পুণ্ড্র' রাজ্য স্বাধীন সত্তা হারায়- সম্রাট অশোকের আমলে।

→ পাথরের চাকতিতে খোদাই করা প্রাচীনতম শিলালিপি পাওয়া যায়- পুন্ড্রনগরে।

→ মহাস্থানগড় এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরী যে একই তা শনাক্তকরণ করেন- কানিংহাম।

পুণ্ড্র' নামক জাতি গড়ে তুলেছিল - পুঞ্জ জনপদ। পুঞ্জ নগরের নাম রাখা হয় - মহাস্থানগড়।

4. হরিকেল:
অবস্থান - সিলেট এবং চট্টগ্রামের অংশবিশেষ
→ প্রাচীন বাংলায় বাংলাদেশের পূর্বাংশে অবস্থিত ছিল- হরিকেল জনপদ।

→ চীনা ভ্রমণকারী ইৎসিনের মতে, হরিকেলের অবস্থান ছিল- পূর্ব ভারতের শেষ সীমায়।

→ হরিকেল একটি স্বতন্ত্র রাজ্য ছিল- ৭ম ও ৮ম শতক থেকে দশম ও একাদশ শতক পর্যন্ত।

5. সমতট:
সমতট রাজ্যে ছিল বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে। সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল রোহিতগিরি বর্তমান নাম শালবনবিহার যার অবস্থান কুমিল্লা শহরে।

সমতট --রাজধানী বড়কামতা

→ সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ স্তম্ভগাত্রে খোদিত লিপিতে উল্লেখ আছে- সমতট জনপদের।

→ সমতট জনপদের অবস্থান- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী হিসেবে।

→ ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে মেঘনা অঞ্চলকে বলা হয়- সমতট। উপকূলবর্তী

→ সমতট এর রাজধানী ছিল- কুমিল্লা শহরের ১২ মাইল পশ্চিমে বড়কামতা (ত্রিপুরা জেলা)।

→ হিউয়েন সাং এর বিবরণ অনুসারে, কামরূপ ছিল- সমতট জনপদ।

6.বরেন্দ্র:
অবস্থান - বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী ও পাবনা

বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী, রংপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ বিভাগের অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চল গঠিত
→ প্রাচীন বাংলায় বরেন্দ্র জনপদের অবস্থান ছিল- গঙ্গা ও করতোয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে।

→ মৌর্য ও গুপ্ত আমলে প্রাদেশিক শাসনকর্তার কেন্দ্র পুণ্ডনগরের অবস্থান ছিল- বরেন্দ্র অঞ্চলে।

→ 'পুঞ্জ' রাজ্য স্বাধীন সত্তা হারায়- সম্রাট অশোকের আমলে।

→ পাথরের চাকতিতে খোদাই করা প্রাচীনতম শিলালিপি পাওয়া যায়- পুণ্ড্রনগরে।

→ মহাস্থানগড় এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরী যে একই তা শনাক্তকরণ করেন- কানিংহাম।

→ প্রাচীন বাংলায় বরেন্দ্র জনপদের অবস্থান ছিল- গঙ্গা ও করতোয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে।

→ মৌর্য ও গুপ্ত আমলে প্রাদেশিক শাসনকর্তার কেন্দ্র পুণ্ডনগরের অবস্থান ছিল- বরেন্দ্র অঞ্চলে।

7. রাঢ়:
রাঢ় অঞ্চলের অপর নাম - সূক্ষ্ম
প্রাচীন রাঢ় অঞ্চল অবস্থিত - বর্ধমানে
রাঢ় ---রাজধানী কোটিবর্ষ

→ বলেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে ছিল- চন্দ্রদ্বীপ জনপদটি।
রাঢ় অঞ্চলের অপর নাম - সূক্ষ্ম
প্রাচীন রাঢ় অঞ্চল অবস্থিত - বর্ধমানে
→ রাঢ় জনপদের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়- জৈন গ্রন্থ আচাবঙ্গ সূত্রে।

→ বর্তমান বর্ধমানের দক্ষিণাংশ, হুগলী জেলার অধিকাংশ ও হাওড়া জেলা নিয়ে গঠিত ছিল- সুক্ষ্ম জনপদ।

→ সুক্ষ্ম জনপদ পরিচিতি লাভ করে যে অঞ্চলে- দক্ষিণ রাঢ়ে।

→ অজয় নদের উত্তর দিকে রাঢ়ের অন্তর্গত যে ভূভাগ তারই নাম- উত্তর রাঢ় বা বজ্রভূমি।

→ যে নদ রাঢ়ের দুই বিভাগের মাঝে সীমারেখা ছিল- অজয়।

→ প্রাচীন গ্রিক ও ল্যাটিন ক্লাসিক লেখকগণ যে অঞ্চলকে

'গঙ্গারিডই' আখ্যা দেন- বঙ্গ।

→ প্রাচীনকালে গঙ্গারিডই নামে শক্তিশালী রাজ্যটি ছিল- গঙ্গা নদীর তীরে (অনুমান করা হয়)।

8. তাম্রলিপ্ত:

→ হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল- তাম্রলিপ্ত জনপদ।

চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং তাম্রলিপ্তি শহরকে ‘তান-মো-লি-তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

→ তাম্রলিপ্তের প্রাণকেন্দ্র ছিল- মেদিনীপুর জেলার তমলুক।

→ প্রাচীনকালে নৌ বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল- তাম্রলিপ্ত জনপদ।

→ তাম্রলিপ্ত বন্দরের সমৃদ্ধি নষ্ট হয়- অষ্টম শতকে।

→ বিভিন্ন জনপদ একক নামে ঐক্য লাভ করে- খ্রিষ্টের জন্মের পর থেকে সাত'শ বছর পর্যন্ত বাংলা বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল। প্রথমে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক এবং পরবর্তীতে পাল আমলের রাজারা সকল জনপদকে একীভূত করেন। সম্রাট আকবর এ অখণ্ডসত্তার নাম দেন 'সুবা-বাঙলা'।

→ কোটিবর্ষ অবস্থিত- দিনাজপুর জেলার বানগ্রামে।
বরিশাল অপর নাম চন্দ্রদ্বীপ

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেলেন মুমতাহিনা, জেনে নিন নেপথ্যের গল্প 14/06/2025

https://thedailycampus.com/success-story/204811

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেলেন মুমতাহিনা, জেনে নিন নেপথ্যের গল্প আমার জন্ম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটার ঐতিহ্যবাহী বড় বাড়িতে। বন্দরনগরীতেই কেটেছে শৈশব-কৈশোর। ছোটবেলা থেক.....

10/04/2025

স্টারলিংকের মূল প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের ইন্টারনেট সেবা জিওস্টেশনারি (ভূস্থির উপগ্রহ) থেকে আসে, যা ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার ওপর থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপিত হাজার হাজার স্যাটেলাইটের একটি সমষ্টি হচ্ছে স্টারলিংক, যা পুরো বিশ্বকেই উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে পারে। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাবে, স্টারলিংকের ৬ হাজার ৯৯৪টি স্যাটেলাইট স্থাপিত হয়েছে। এসব স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৪২ মাইল (৫৫০ কিলোমিটার) ওপরে কক্ষপথে ঘুরছে। স্পেসএক্সের স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে।

২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। বিশ্বের প্রায় ১০০টির বেশি দেশে তাদের কার্যক্রম রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা পেতে গ্রাহককে টেলিভিশনের অ্যান্টেনার মতো একটি ডিভাইস (যন্ত্র) বসাতে হবে, যা পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। গ্রাহক এই অ্যান্টেনার সঙ্গে একটি স্টারলিংকের রাউটার স্থাপন করে ইন্টারনেট সেবা পান। স্টারলিংকের ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)। তবে বেশির ভাগ ব্যবহারকারী ১০০ এমবিপিএসের বেশি গতি পান। স্টারলিংকে আপলোড গতি সাধারণত ৫ থেকে ২০ এমবিপিএসের মধ্যে থাকে।

Want your school to be the top-listed School/college in Thakurgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Hazipara
Thakurgaon
5100