03/03/2026
কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।
এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।
গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নেই তাহলে🥰🥰
১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!
২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল।
এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।
আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!
৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল।
যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি।
কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।
খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।
গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়‼️
চতুর্থ অংশ:
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!
শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল।তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু জনই একসাথে জয়ী হল।
এখান থেকে আমরা আসলে কি শিখলাম?
আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।
( collected)
03/03/2026
ব্রেকিং
১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা লিখিত নয়,
✅ MCQ পদ্ধতিতেই অনুষ্ঠিত হবে — জানিয়েছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান।
03/03/2026
জুডিশিয়ালের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের লিখিত পরীক্ষার নোটিশ প্রকাশিত।
লিখিত পরীক্ষাঃ ৭ই মার্চ, রোজঃ শনিবার
সময়ঃ সকাল ১১ ঘটিকা হতে ১২:৩০ পর্যন্ত
সিট প্লান আগামী ৫ তারিখ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার জানতে পারবেন।
03/03/2026
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক (AD) পদের একটি বিশাল সার্কুলার খুব দ্রুতই আসছে!!
03/03/2026
সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসিয়াল ডেকোরাম/শিষ্টাচার 💝
১। যেকোনো অনুষ্ঠানে অফিসারের স্পাউস (স্বামী/স্ত্রী) প্রথম অগ্রাধিকার পাবেন। তাকে রিসিভ করা, সম্ভব হলে প্রথম সারিতে বসানো এবং উপযুক্ত সম্মান দেখাতে হবে।
২। হ্যান্ডশেক করার সময় সিনিয়র আগে হাত বাড়ানোর পর তারপর জুনিয়র অফিসার হাত বাড়াবে। হ্যান্ডশেক হবে দুজনে দাঁড়িয়ে, চোখের দিকে তাকিয়ে, হাতে হাল্কা চাপ দিয়ে ও হাত পুরোপুরি উলম্বভাবে রেখে। সিনিয়র যতক্ষণ হাত নাড়াবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত হ্যান্ডশেকের স্থায়িত্ব হবে। লেডি অফিসারদের কখনো আগ বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করা যাবে না, সেটা যে দেশেরই হোক।
৩। একজন অফিসার কখনোই আরেকজন অফিসারকে দাঁড় করিয়ে রাখবেন না। তাকে সবসময় বসতে দিবে। কোন সিনিয়র অফিসার যদি এই ম্যানারস না জানেন, তাহলে জুনিয়র অফিসারের দায়িত্ব হবে তাকে বলা, স্যার বসতে পারি? এই বলে নিজেই বসে পড়া।
৪। একজন অফিসার কখনোই অফিসিয়াল গাড়ির একদম পেছনে সিটে বসবে না। সবসময় মাঝের সিটগুলোতে বসবে। গাড়িতে জায়গা না হলে সে পরে যাবে কিংবা অন্যভাবে যাবে, কিন্তু পেছনে বসবে না। ঊর্ধ্বতন বস বা অন্য কারো অফিসিয়াল গাড়িতে উঠার সময়েও না। পেছনের সিট অধঃস্থন কর্মচারীদের জন্য। একজন অফিসার কখনোই গাড়ির সামনে ড্রাইভারের পাশের সিটেও বসবে না।
৫। একজন অফিসার সবসময় ওয়েল ড্রেসড হবে, দাড়ি থাকলে পুরোপুরি থাকবে, না থাকলে ক্লিন শেভড হতে হবে। চুলগুলো এলোমেলো থাকা যাবে না, পকেটে চিরুনি থাকবে। ডাক্তারগণ রুগী দেখার সময়েও চেষ্টা করতে হবে ফরমাল ড্রেসে থাকার যাতে কে ডাক্তার, কে ওয়ার্ডবয় লোকেরা সহজেই বুঝতে পারে।
৬। কাঁটা চামুচ দিয়ে খেতে পারলে শব্দ ছাড়াই কাঁটা চামুচ দিয়ে খাবে। না পারলে হাত ধুয়ে এসে হাত দিয়েই ভদ্রভাবে খাবে। কিন্তু অর্ধেক কাঁটা চামচের, অর্ধেক হাত কিংবা কাঁটা চামচের টুংটাং শব্দ করে খাওয়া যাবে না।
৭। খাওয়ার আগে মেনু চেক করতে হবে। বুফে সিস্টেম হলে কখনোই নিজের টেবিলের প্লেট নিয়ে খাবার আনতে যাওয়া যাবে না। বুফেতে খাবার দেওয়ার সময় যে প্লেট থাকে, সেটা নিতে হবে। খাবার পরিমিত নিতে হবে আর একবার খাবার নিয়ে টেবিলে আসার পর অফিসার দ্বিতীয়বার খাবার নিতে বুফেতে যাবে না। ইশারায় ওয়েটারকে ডেকে খাবার দিতে বলবে। গরম খাবার ফু দিয়ে ঠাণ্ডা করা যাবে না। ন্যাপকিন হাত মুছার জন্য না, উরুর উপর কাপড়কে রক্ষা করার জন্য। তাই এটি থাকবে উরুর উপর। খাবারের দিকে মুখ যাবে না, মুখের দিকে খাবার আসবে। খাবার টেবিলে অফিসিয়াল, পলিটিক্স, ধর্ম বা বিরক্তিকর কোন কথা বলা যাবে না।
৮। ফরমাল লাঞ্চ কিংবা ডিনারে চিফ গেস্ট খাওয়া শুরু করলেই কেবল অন্যেরা শুরু করবেন। আবার তিনি শেষ করার সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করতে হবে, অন্যদের শেষ না হলেও। কারো আয়োজনে ফর্মাল ডিনারে গেলে হোস্টকে কিংবা বাসায় গেলে খাওয়ার পর ভাবীকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হবে।
৯। কাউকে ফোন করলে আগেই নিজের পরিচয় দিতে হবে।
১০। কোন কথা বা বক্তব্য দেওয়ার সময় সেই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। অস্পষ্ট বা অমার্জিত কোন কথা একজন অফিসার বলবে না।
১১। স্টেজে কনফিডেন্স এর সাথে দাঁড়াতে হবে। ডায়াসে সোজা ও রিল্যাক্সড হয়ে দাঁড়াতে হবে। হ্যান্ড মুভমেন্ট, আই কন্ট্যাক্ট, ভয়েস মডুলেশন করতে হবে।
১২। পূর্বানুমতি ছাড়া একজন অফিসার আরেকজনের বাসায় বা অফিসে হুটহাট করে যাবে না। আগেই ফোন বা অন্য কোন মাধ্যমে জানিয়ে তারপর যাবে। কোন সিনিয়র অফিসারের বাসায় গেলে বাচ্চাদের না যাওয়াই ভাল। কারণ তারা কান্নাকাটি, দুষ্টামি বা কোন জিনিস ভেঙ্গে ফেলতে পারে, যেটা বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।
১৩। একজন কলিগ আরেকজন কলিগ বা অফিস স্টাফকে জনসম্মুখে ভুল ধরা, বকা-ঝকা করা কিংবা তার সাথে তর্কে লিপ্ত হবে না। পরে ব্যক্তিগতভাবে তার সাথে আলোচনা করে নিতে হবে কিংবা বকা-ঝকা করতে হবে।
১৪। বস ফ্রেন্ডলি আচরণ করলেও বসের সাথে জুনিয়র অফিসার ফ্রেন্ডলি আচরণ করবে না। সবসময় অফিসিয়াল আচরণ করতে হবে।
১৫। কোন সিনিয়রের রুমে বসে থাকার সময় অন্যকোন সিনিয়র কর্মকর্তার আগমন ঘটলে চেয়ার ছেড়ে উঠে (যদি জায়গা না থাকে) তাকে বসতে বলতে হবে।
১৬। কোন সিনিয়র ফোন করলে তার কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত লাইন কেটে দেয়া যাবে না।
.ড. মোহাম্মদ সাদিক স্যার,
সরকারি কর্মকমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান।
03/03/2026
ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ফেব্রুয়ারী ২০২৬
অনলাইনে আবেদন শুরু ০৫ মার্চ ২০২৬ এবং শেষ ৩১ মার্চ ২০২৬
03/03/2026
💥ব্রেকিং 💥
🔥৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৭ এপ্রিল ২০২৬।
সোর্স:কালের কন্ঠ
25/02/2026
সূরা ইউসুফ থেকে শিক্ষা.!!
জীবনে যদি সবচেয়ে কাছের মানুষরাও তোমার বিরুদ্ধে চলে যায়, তবুও আল্লাহর উপর ভরসা রাখো এবং ধৈর্য ধারণ করো। কারণ যিনি কূপের অন্ধকার থেকে ইউসুফ (আ.)-কে সিংহাসনে পৌঁছে দিয়েছিলেন, তিনি নিশ্চয়ই তোমার জন্যও সবচেয়ে অন্ধকার সময়েই নতুন দরজা খুলে দেবেন এবং তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন।
إِنَّهُ مَنْ يَتَّقِ وَيَصْبِرْ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُضِيعُ أَجْرَ الْمُحْسِنِينَ
নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের প্রতিদান নষ্ট করেন না।
[সূরা ইউসুফ:৯০]
25/02/2026
"টিউশনির সফলতা মানে ক্যারিয়ার ধ্বংস।"
কথাটির পক্ষে বিপক্ষে আপনার যুক্তি, অভিজ্ঞতা দিন।
24/02/2026
ব্যাংক জব, প্রিলি রিটেন ভাইবা