শেকৃবিয়ান

শেকৃবিয়ান

Share

আমরা করবো জয়

Photos from শেকৃবিয়ান's post 24/06/2026

শেকৃবিতে মেসির বৃহদাকার গ্রাফিতি, কেক কেটে জন্মদিন উৎযাপন

24/06/2026

মেয়ে স্টুডেন্ট পড়ানো তো এখন ভয়াবহ ব্যাপার হয়ে গেছে দেখি!

রংপুর মেডিকেলের ৫০ ব্যাচ এর একজন স্টুডেন্ট ।
এক মেয়েকে পড়াইতো । ছাত্রী নিজেই টিচারকে প্রপোজ করে বসে একসময়! এজ এ টিচার হিসেবে টিউটর সেটা রিজেক্ট করে এবং আত্মসম্মান এর কারণে পড়ানো ছেড়ে দেয়।

এরপরই শুরু হয় মেয়ের মায়ের বারবার ইমোশনাল রিকোয়েস্ট। বাধ্য হয়ে সে আবারও পড়াতে যায়। এবং আবারও মেয়ের প্রপোসাল এবং আবারও রিজেকশন। এরপর ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয় । মেয়ে রিজেকশন সইতে না পেরে করে বসে সুই*সাইড!

মেয়ের বাপ-মা সোজা ছেলের নামে প্ররোচনার মামলা ঠুকে দিলো কোনও বাছ বিচার ছাড়াই । আমাদের সিস্টেম তো এমনই - মেয়ে সুই*সাইড করেছে? নাম জড়াও ছেলের, আর আগে তাকে জেলে ঢোকাও! ইনভেস্টিগেশন তো পরে করলেও চলবে!

স্টুডেন্ট গায়ে পড়ে প্রেম নিবেদন করবে, রিজেক্ট করলে সুই*সাইড করবে, আর জেলের ঘানি টানবে টিচার?

কত কাঠখড় পুড়িয়ে একটা ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়/ মেডিকেলে চান্স পায়! সে যদি নির্দোষ প্রমাণিতও হয়, এই ঘটনা কি সে কখনো ভুলবে?

তার ক্যারিয়ার - শেষ!
সম্মান - শেষ!

নিজেদের মেয়ের 'ইমোশনাল ইনস্ট্যাবিলিটি' আর প্যারেন্টিংয়ের ব্যর্থতার দায়ভার একজন নির্দোষ টিচারের ঘাড়ে কেন? এই দায় কে নেবে?

এখন থেকে মনে হচ্ছে টিউশনি করার আগে স্ট্যাম্পে সাইন করিয়ে নিতে হবে
"স্টুডেন্ট ছ্যাঁকা খেয়ে ম*রে গেলে, আমি দায়ী থাকবো না।"

-Dr. Faryal Kabir

22/06/2026

শেকৃবিয়ান 🔥
Vamos Argentina 🇦🇷

21/06/2026

শেকৃবিয়ান হিসেবে আরেকজন শেকৃবিয়ানের পাশে দাড়াই

17/06/2026

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা একটা অদ্ভুত জিনিস।

থাকতে থাকতে মনে হয়—এটা যেন দ্রুত শেষ হয়ে গেলেই ভালো।

আর শেষ হয়ে গেলে মনে হয়—আরেকটু যদি থেমে থাকত।

এই দুই অনুভূতির মাঝখানেই আসলে পুরো গল্পটা লেখা।

ক্যাম্পাসে থাকাকালীন আমরা সবসময় পরের ধাপে তাকিয়ে থাকি।

ফার্স্ট ইয়ারে সেকেন্ড ইয়ারের জন্য অপেক্ষা।

সেকেন্ড ইয়ারে ফাইনালের জন্য অপেক্ষা।

ফাইনালে এসে চাকরির জন্য অপেক্ষা।

চাকরি পাওয়ার পর মনে হয়—এখন তো “আসল জীবন” শুরু হলো।

কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝতে পারি, যেটা শেষ হয়ে গেছে সেটা আর কোনো দিন শুরু হয় না।

একদিন হঠাৎ ব্যস্ত দুপুরে অফিসের চেয়ারে বসে থাকলে মাথায় ভেসে ওঠে—

সেই অকারণ বিকেলগুলো।

যেখানে কোনো প্ল্যান ছিল না।

কোনো ডেডলাইন ছিল না।

শুধু ছিল আড্ডা, হাসি, আর সময় নষ্ট করার অপরাধহীন স্বাধীনতা।

হঠাৎ মনে পড়ে যায়—

ক্যাম্পাসের সেই রাস্তা, যেখানে আমরা বারবার হাঁটতাম, অথচ গন্তব্যটা কখনো গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

সেই চায়ের দোকান, যেখানে চায়ের চেয়ে গল্পটাই বেশি গরম ছিল।

সেই বন্ধুদের মুখ, যাদের সঙ্গে দেখা না হলে একদিনও ভালো লাগত না।

তারপর একটা ইচ্ছা আসে—

একবার গেলে কেমন হয়?

একটা দিন আগের মতো কাটালে কেমন হয়?

কিন্তু বাস্তবতা তখন খুব শান্তভাবে জানিয়ে দেয়—

সব ইচ্ছা পূরণ করার জন্য জীবন সময় দেয় না।

কারো চাকরির ছুটি মেলে না।

কারো সংসারের দায়িত্ব।

কারো দূরের শহর।

কারো ব্যস্ততা।

আর সবচেয়ে বড় কথা, সবাই একই জায়গায় আর থাকে না।

যাদের সঙ্গে প্রতিদিন দেখা হতো, তাদের সঙ্গে এখন দেখা “ইভেন্ট” হয়ে গেছে।

যেখানে আগে হঠাৎ দেখা হতো, এখন সেখানে আগে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগে।

আর সেটাও অনেক সময় হয় না।

বড় হওয়ার সবচেয়ে কঠিন শিক্ষা হয়তো এটাই—

সময় গেলে শুধু সময় যায় না, কিছু সম্পর্কও সময়ের মধ্যে হারিয়ে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হওয়ার কষ্ট শুধু বিদায়ের না।

এটা এক ধরনের উপলব্ধি।

যেখানে মানুষ বুঝতে পারে—

সে জীবনের সবচেয়ে নির্ভার সময়টা বেঁচে ফেলেছে, তখন না বুঝেই।

এখন টাকা আছে, কিন্তু সময় নেই।

ইচ্ছা আছে, কিন্তু সুযোগ নেই।

মনে আছে, কিন্তু মিলন নেই।

সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো—

যে জায়গাটাকে আমরা একসময় “ছাড়তে পারলে বাঁচি” ভাবতাম, সেই জায়গাটাই পরে “ফিরে যেতে না পারার কষ্ট” হয়ে দাঁড়ায়।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তাই শুধু একটা অধ্যায় না।

এটা একটা অনুভূতির নাম।

যেটা শেষ হয় না ঠিকই—

কিন্তু আর কখনো আগের মতো করে শুরুও হয় না।

16/06/2026

সংসদের ভাইরাল মহিলা এমপি

Photos from শেকৃবিয়ান's post 16/06/2026

ভিডিওটা যারা দেখছেন তারা খেয়াল করলে শেষের দিকে শুনতে পাবেন
একটা ছেলে বলছে, ‘পুলিশ আসার আগে এই লোকরে হেল্প করা যাইবো না, আমাগো সমস্যা হইবো।’
মানে ​নিজের একটুখানি আইনি ঝামেলার ভয়ে চোখের সামনে একটা মানুষ ছটফট করে মরে যাচ্ছে তাকে সহযোগিতা না করে সবাই হাত গুটিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং মহানন্দে ভিডিও করছে।
শরীর থেকে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া ​মানুষটা প্লাটফর্মে শুয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করছে আর একটুখানি সাহায্যের জন্য চারপাশের মানুষের দিকে তাকাচ্ছে। হতাশ হয়ে কিছুক্ষণ পরপর চিৎকার দিয়ে উঠছে, ‘ভাই আমি শেষ, কেউ কি নাই আমারে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো?’
​​What a fu***ng country filled with heartless people 🙂💔

15/06/2026

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাকিব আল হাসান রাফি। স্নাতক পড়তে পড়তেই তিনি গবেষণার জগতে এক ব্যতিক্রমী অবস্থান তৈরি করেছেন।

সম্প্রতি রাফির আরেকটি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে গৃহীত হয়েছে। এটি তার ১০০তম গবেষণা প্রকাশনা। স্নাতক পর্যায়েই এমন অর্জন তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।

রাফির গবেষণার মূল ক্ষেত্র ওষুধ ও বায়োটেকনোলজি, যেখানে তিনি মানবজীবনে ব্যবহারযোগ্য নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন। শুরু থেকেই তার লক্ষ্য ছিল এই দুই ক্ষেত্রেই অবদান রাখা।

তবে শুরুটা সহজ ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব সুবিধার সীমাবদ্ধতা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব এবং গবেষণা ফান্ডের সংকট—সব মিলিয়ে চ্যালেঞ্জ ছিল অনেক।

তবুও রাফি নিয়মিত ডেটা অ্যানালাইসিস, সিনিয়রদের সঙ্গে আলোচনা এবং লাইব্রেরিতে দীর্ঘ সময় কাজ করে গবেষণার ধারা বজায় রেখেছেন। শিক্ষকরা তাকে প্রয়োজন অনুযায়ী একাডেমিক সহযোগিতা দিয়েছেন।

এই ধারাবাহিক পরিশ্রমের ফলেই একে একে তার গবেষণাগুলো আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

15/06/2026

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আশাবুল হক স্যার হার্ট অ্যাটাক করে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তি হয়েছেন।

14/06/2026

রাজধানীর বসিলায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকে দীপ মজুমদার নামে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার।

Want your school to be the top-listed School/college in Tejgaon?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Sher-e-Bangla Agricultural University
Tejgaon
DHAKA-1207