সুলাইমান আ. এর মা একবার তাঁকে নসিহত করেন,
বৎস!
রাতভর ঘুমাবে না। কারণ রাতের অধিকাংশ সময় ঘুমিয়ে কাটালে তা মানুষকে কিয়ামতের দিন নেক কাজের ভিখারি বানিয়ে দেবে।
বর্তমান সময়ের যুবকেরা রাতভর ঘুমায় না। তা সত্তেও তারা কিয়ামতে নেক কাজের ভিখারি হবে। কারণ রাতকে যে কাজে ব্যবহার করা উচিৎ তারা সে কাজে ব্যবহার করছে না। তাই, রাত জাগার পরেও নেক কাজের ভিখারি হওয়া তাদের জন্য সুনিশ্চিত।
আসুন,রাতের অধিকাংশ সময়কে নেক কাজে ব্যয় করি এবং কিয়ামতে নেক কাজের ভিখারি হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি।
জামিয়া মাহমূদিয়া আরাবিয়া মাদীনাতুল উলূম, বাজিতপুর,টাংগাইল।
টাংগাইল শহরের অদূরেই
একটি ইসলামি বিদ?
13/07/2021
জামিয়ার প্রত্যেক শিক্ষকই স্নেহপরায়ণ!
তথাপি, তোমার স্পেশাল প্রিয় শিক্ষক কে?
( শুধু এই জামিয়ার ছাত্রদের জন্য ৷)
L I K E - C O M M E N T & S H A R E
হিফজ বিভাগের শিক্ষকদের প্রতি উপদেশ!।
পড়া শূনা।।
০১.ছাত্রদের সকল পড়া শিক্ষকই শূনবেন। ছাত্র দিয়ে ছাত্রের পড়া শূনাবেন না।
০২.সবক ও সবকের পারা এক জন করে শূনবেন। সাতসবক ও আমূখতা প্রয়োজনে একাধিক শূনতে পারেন।
০৩.সবকের পারা শূনানোর জন্য নতুন সবক বন্ধ রাখবেন না। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ একদিন বন্ধ রাখতে পারেন।
শাসন।।
০৪.ছাত্রের চেহারা, কান, মাথা ও স্পর্শকাতর কোন অঙ্গে বেত্রাঘাত করবেন না।
০৫.রাগতাবস্থায় শাস্থি দেবেন না। ছাত্রকে শাস্তির উপযোক্ত হতে দেবেন না। বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্ট হলে কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।
খেদমত, আচার আচরন।।
০৬.ছাত্রের সাথে উত্তম ভাষায় কথা বলবেন। গালিগালাজ পর্যায়ের কোন শব্দ ব্যবহার করবেন না।
০৭.ছাত্র দ্বারা কোন ধরনের শারিরীক খেদমত নিবেন না। এটা নোংরামী।
মোবাইল।।
০৮.বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ক্লাস চলাকালীন অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করবেন না।
০৯.কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শিক্ষকের মোবাইল থেকে কোন ছাত্রকে ফোন করার সুযোগ দিবেন না।
১০.ছাত্রের অভিভাবকের সাথে আচার ব্যবহার ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে হুশিয়ার থাকবেন। ব্যক্তিগত আদান প্রদান থেকে বিরত থাকবেন।
আখলাক।।
১১.সুন্নতের পাবন্দি করবেন। ক্লাসের উপযুক্ত পোষাক পরিধান করবেন। ছাত্রদের তরবিয়তের প্রতি বিশেষ নজরদারী করবেন।
১২.ঘুম, গোসল, খানা, নামাজের সময় ও আছরের পরের সময়ে ছাত্রদেরকে শিক্ষকের নেগরানির আওতায় রাখবেন।
আইন।।
১৩.প্রাতিষ্ঠানিক আইন কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন।
লেনদেন।।
সব ধরনের লেনদেন পরিচ্ছন্ন রাখবেন।
সকল সমস্যার সমাধান ইসলামেই আছে।
আলহামদুলিল্লাহ্।
1. অস্থির লাগছে? কান্না পাচ্ছে খুব?
টেনশনে ভুগছেন? নিরিবিলি একটা
রুমে বসে জিকির করুন, বা কোরআন
তিলাওয়াত করুন, দেখবেন অন্তরে
প্রশান্তি আসবে ইন-শা-আল্লাহ্ ।
2. অনেক পাপ করে ফেলেছেন? এখন
অপরাধ বোধে অস্থির লাগছে? কষ্ট
হচ্ছে খুব?
তবে জেনে রাখুন ইসলামের দরজা
আপনার জন্য সবসময় খোলা আছে। তওবা
করুন মন থেকে। পুনরায় পাপ করে থেকে
বিরত থাকুন। আল্লাহ্ তো বলেই
দিয়েছেন, "তিনি ক্ষমাশীল ও পরম
দয়ালু।" সবাই আপনাকে ছেড়ে চলে
গেলেও আল্লাহ্ ছেড়ে যাবেন না।
তিনি সবসময় তাঁর বান্দার সাথে
আছেন।
3. ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত? চাকরি
পাবেন কি পাবেন না; পরীক্ষা ভাল
হবে কিনা?
তাকদীরে বিশ্বাস করুন আর চেষ্টা
চালিয়ে যান। আল্লাহর উপর ভরসা করুন।
তিনি তো বলেই দিয়েছেন, "যারা
আল্লাহর উপর ভরসা করে তাদের জন্য
আল্লাহই যথেষ্ট" তাহলে চিন্তা
কিসের?
4. জীবন এলোমেলো হয়ে গিয়েছে?
ঠিক করতে পারছেন না কিছুতেই?
মহানবী (সঃ) এর আদর্শ অনুসরণ করার
চেষ্টা করুন। ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু
করে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত তাঁর সুন্নাহ্
অনুসরণ করুন। জীবন সবচেয়ে সুন্দর হবে ইন-
শা-আল্লাহ্ ।
5. পরিবারে অশান্তি? মা-বাবা, ভাই-
বোনের মধ্যে ভালবাসার অভাব?
সবাইকে সালাম দিন, মা বাবা ভাই
বোনকেও এবং তাদের নিজ মুখে বলুন
"আমি আল্লাহর জন্য তোমাকে
ভালবাসি" কেন বলবেন? কারণ মহানবী
(সঃ) ইরশাদ করেছেন, "তোমরা
জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা,
যে পর্যন্ত না তোমরা ঈমানদার হবে।
আর তোমরা ঈমানদার হতে পারবেনা
যে পর্যন্ত না তোমরা পরষ্পরকে
ভালবাসবে, আমি কি তোমাদের এমন
এক বস্তু শিখিয়ে দিবনা যা বাস্তবায়ন
করলে তোমরা পরষ্পর পরষ্পরকে পছন্দ
করবে? (সেটি হল) তোমরা নিজেদের
মাঝে সালামের প্রসার সাধন কর,
অর্থাত্ অধিক পরিমাণে সালামের
আদান প্রদান কর।" ( সহীহ মুসলিম: ১-৭৪)
আর নিজ মুখে ভালবাসি বলার কথাও
হাদীসে এসেছে। তাহলে ভালবাসা
বৃদ্ধির এই দুটি জিনিস জানা থাকলে
কিসের এত চিন্তা?
6. হতাশ হয়ে পড়েছেন? কোন আশাই
খুজে পাচ্ছেন না জীবনে?
দেখুন তাহলে পবিত্র কোরআনে
আল্লাহ্ কি বলেছেন,
" আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা।
নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত থেকে কাফের
সম্প্রদায় ব্যতীত অন্য কেউ নিরাশ
হয়না।" ( সুরা ইউসুফ, ৮৭)
7. নিজের উপর অনেক চাপ মনে হচ্ছে?
সামলাতে পারবেন না মনে হচ্ছে?
তবে দেখুন আল্লাহ্ কি বলেছেন,
" আল্লাহ্ কাউকে তার সাধ্যাতীত
কোন কাজের ভার দেন না।" ( সূরা
বাক্বারাহ: ২৮৬)। আপনার ক্ষমতা আছে,
আপনি পারবেন ইন-শা-আল্লাহ্। সাধ্য
আছে বলেই আল্লাহ্ আপনাকে কাজ
দিয়েছেন। আল্লাহর উপর ভরসা করুন।
বোঝা মনে না করে আত্মবিশ্বাসের
সাথে কাজ করুন। সবকিছু হালকা
লাগবে ইন-শা-আল্লাহ্।
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺻَﻞِّ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻛَﻤَﺎ ﺻَﻠَّﻴْﺖَ
ﻋَﻠَﻰ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ ﺇِﻧَّﻚَ ﺣَﻤِﻴﺪٌ ﻣَﺠِﻴﺪٌ ،
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺑَﺎﺭِﻙْ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﻛَﻤَﺎ ﺑَﺎﺭَﻛْﺖَ ﻋَﻠَﻰ
ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺁﻝِ ﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢَ ﺇِﻧَّﻚَ ﺣَﻤِﻴﺪٌ ﻣَﺠِﻴﺪ ..
মক্কার এক কিশোর, যিনি তখনও
যৌবনে পদার্পণ করেননি। কুরাইশ গোত্রের
এক সর্দার 'উকবা ইবন আবু মু'ইতের একপাল
ছাগল নিয়ে তিনি মক্কার
গিরিপথগুলোতে চরিয়ে বেড়াতেন। নিয়ম
অনুযায়ী প্রতিদিন সকালে উঠে 'উকবার
ছাগলের পাল নিয়ে বের হয়ে যেতেন
আর সন্ধ্যায় ফিরতেন।
একদিন এ কিশোর
ছেলেটি দেখতে পেলেন, দু'জন বয়স্ক
লোক, যাদের চেহারায় আত্মমর্যাদার ছাপ
বিরাজমান, দূর থেকে তাঁর দিকেই
এগিয়ে আসছেন। তাঁরা এত পরিশ্রান্ত ও
পিপাসার্ত ছিলেন যে, তাঁদের ঠোঁট ও
গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল।
নিকটে এসে লোক দু'টি সালাম
জানিয়ে বললেন, 'বৎস! এ
ছাগলগুলি থেকে কিছু দুধ
দুইয়ে আমাদেরকে দাও। আমরা পান
করে পিপাসা নিবৃত্ত করি এবং আমাদের
শুকনা গলা একটু ভিজিয়ে নেই।'
ছেলেটি বললেনঃ 'এ আমার দ্বারা সম্ভব
নয়। ছাগলগুলি তো আমার নয়। আমি এগুলির
রাখাল ও আমানতদার মাত্র।' লোক দু'টি তার
কথায় অসন্তুষ্ট হলেন না, বরং তাদের মুখ
মন্ডলে এক উৎফুল্লতার ছাপ ফুটে উঠলো।
তাঁদের একজন আবার বললেনঃ 'তাহলে এমন
একটি ছাগী আমাকে দাও যা এখনো পাঁঠার
সংস্পর্শে আসেনি।' ছেলেটি নিকটেই
দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছোট্ট ছাগীর
দিকে ইশারা করে দেখিয়ে দিলেন।
লোকটি এগিয়ে গিয়ে ছাগীটি ধরে ফেলেন
এবং 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম'
বলে হাত দিয়ে ধরে তার ওলান
মলতে লাগলেন।
অবাক বিস্ময়ে ছেলেটি এ দৃশ্য
দেখে মনে মনে বললেনঃ 'কখনও পাঁঠার
(পুরুষ ছাগলের) সংস্পর্শে আসেনি এমন
ছোট ছাগী কি করে দুধ দেয়?'
কিন্তু কি আশ্চর্য! কিছুক্ষণের মধ্যেই ছাগীর
ওলানটি ফুলে উঠে এবং প্রচুর পরিমাণ দুধ
বের হতে থাকে। দ্বিতীয়
লোকটি গর্তবিশিষ্ট পাথর
উঠিয়ে নিয়ে বাঁটের
নীচে ধরে তাতে দুধ ভর্তি করেন। তারপর
তাঁরা উভয়ে পান করেন
এবং ছেলেটিকেও তাঁদের সাথে পান
করালেন। ছেলেটি যা কিছু দেখছিলেন
সবই তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিল।
সবাই যখন পরিতৃপ্ত হলেন তখন সেই পুণ্যবান
লোকটি ছাগীর ওলানটি লক্ষ্য
করে বললেনঃ 'চুপসে যাও।' আর
অমনি সেটি পূর্বের ন্যায় চুপসে গেল।
এরপর কিশোর ছেলেটি সেই পুণ্যবান
লোকটিকে অনুরোধ
করলেনঃ 'আপনি যে কথাগুলি উচ্চারণ
করলেন, তা আমাকে শিখিয়ে দিন।'
লোকটি বললেনঃ 'তুমি তো শিক্ষাপ্রাপ্ত
বালক।'
এ মহাপুণ্যবান ব্যক্তিটি আর কেউ নন,
তিনি স্বয়ং বিশ্ব মানবতার মহান মুক্তিদূত,
সর্বশ্রেষ্ঠ মানব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আর তাঁর
সঙ্গীটি ছিলেন হযরত আবু বকর সিদ্দীক
(রা)।
কুরাইশদের অত্যাচার উৎপীড়ন
থেকে বাঁচার জন্য এ সময় তাঁরা মক্কার
গিরিপথ সমূহে আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাসূল
(সা) ও তাঁর সঙ্গীকে যেমন ছেলেটির
ভালো লেগেছিল তেমনি তাঁদের
কাছেও ছেলেটির আচরণ, আমানতদারী ও
বিচক্ষণতা খুব চমৎকার মনে হয়েছিল।
এ ঘটনার অল্প কিছুদিন পরেই সেই কিশোর
ছেলেটি ইসলাম গ্রহণ করেন
এবং সৃষ্টিজগতের শ্রেষ্ঠতম মানুষের খাদিম
হিসেবে নিজেকে উৎসর্গ করেন।
ছাগলের রাখালী সেই সৌভাগ্যবান
বালকটি ছিলেন হযরত আবদুল্লাহ
ইবনে মাসউদ (রা)।
তিনি নবী গৃহে প্রতিপালিত হন,
তাঁকে অনুসরণ করেন এবং তাঁরই মত আচার-
আররণ ও চরিত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হন।
এ কারণে তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে,
"হিদায়াত প্রাপ্তি, আচার-আচরণ ও
চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে তিনি-ই
হচ্ছেন রাসূলুল্লাহ (সা) এর নিকট উত্তম
ব্যক্তি।"
ভাতৃত্বের অসাধারণ একটি উদাহরণঃ-
উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর শাসন
আমল, একদিন ২ জন লোক এক
বালককে টেনে ধরে নিয়ে আসল তাঁর
দরবারে ।
উমর (রাঃ) তাদের
কাছে জানতে চাইলেন যে, ‘ব্যাপার
কি, কেন
তোমরা একে এভাবে টেনে এনেছ ?’
তারা বলল ’এই বালক আমাদের
পিতাকে হত্যা করেছে ।’
উমর রাঃ বালকটিকে বললেন
‘তুমি কি সত্যিই তাদের
পিতাকে হত্যা করেছ ?’
বালকটি বলল’
হ্যা আমি হত্যা করেছি তবে তা ছিল
দূর্ঘটনাবশত, আমার উট তাদের
বাগানে ঢুকে পড়েছিল
তা দেখে তাদের পিতা একটি পাথর
ছুড়ে মারল,যা উটের চোখে লাগে ।
আমি দেখতে পাই যে উটটি খুবই কষ্ট
পাচ্ছিল । যা দেখে আমি রাগান্বিত হই
এবং একটি পাথর নিয়ে তার দিকে মারি,
পাথরটি তার মাথায়
লাগে এবং সে মারা যায় ।
উমর (রাঃ) দুই ভাইকে বললেন
‘তোমরা কি এ বালককে ক্ষমা করবে ?’
তারা বলল ‘না, আমরা তার মৃত্যূদন্ড চাই।
উমর রাঃ বালকটির
কাছে জানতে চাইলেন ‘তোমার
কি কোন শেষ ইচ্ছা আছে?
বালকটি বলল ‘আমার আব্বা মারা যাওয়ার
সময় আমার ছোট ভাইয়ের জন্য কিছু সম্পদ
রেখে যান, যা আমি এক যায়গায়
লুকিয়ে রেখেছি । আমি তিন দিন সময়
চাই, যা আমি সেই জিনিস গুলো আমার
ভাইকে দিয়ে আসতে পারি । আমার
কথা বিশ্বাস করুন ।’
উমর (রাঃ) বললেন
‘আমি তোমাকে বিশ্বাস
করতে পারি যদি তুমি এক জন জামিন
জোগাড় করতে পার
যে নিশ্চয়তা দেবে যে তুমি ফিরে আসবে ?’
বালকটি দরবারের চারদিকে তাকাল এত
মানুষের মধ্যে কেউই তার জামিন হল
না । সবাই নিচের দিকে তাকিয়ে রইল।
হঠাৎ দরবারের পেছন থেকে একটি হাত
উঠল । কার হাত ছিল এটি?
প্রখ্যাত সাহাবী আবু যর গিফারী (রাঃ) ,
তিনি বললেন ‘আমি তার জামিন হব’ !
চিন্তা করুন জামিন মানে হল,
যদি বালকটি ফিরে না আসে তবে আবু
যর গিফারী রাঃ এর শিরচ্ছেদ করা হবে।
সুতরাং, বালকটিকে ছেড়ে দেওয়া হল ।
এক দিন গেল, দ্বিতীয় দিনেও
বালকটি আসল না, তৃতীয় দিনে ২ভাই আবু
যর গিফারী (রাঃ) এর কাছে গেল । আবু
যর (রাঃ) বললেন ‘আমি মাগরিব পর্যন্ত
অপেক্ষা করব’ মাগরিবের কিছুক্ষণ
আগে আবু যর গিফারী রাঃ দরবারের
দিকে রওনা হলেন । মদিনার লেকজন তাঁর
পেছন পেছন যেতে লাগল । সবাই
দেখতে চায় কি ঘটে। আবু যর
রাঃ একটি বালকের ভুলের কারণে আজ
জীবন দিচ্ছেন । হঠাত্ আজানের কিছুক্ষণ
আগে বালকটি দৌড়ে আসল ।
লোকেরা সবাই অবাক হল ।
উমর রাঃ বললেন ‘হে বালক তুমি কেন
ফিরে এসেছ? আমিতো তোমার
পিছনে কোন লোক পাঠাইনি । কোন
জিনিসটা তোমাকে ফিরিয়ে আনল?’
বালকটি বলল ‘আমি চাই না যে, কেউ বলুক
একজন মুসলিম কথা দিয়েছিন কিন্তু
সে তা রাখে নি তাই
আমি ফিরে এসেছি’!
উমর রাঃ আবু যর রাঃ কে বললেন
‘হে আবু যর তুমি কেন এই বালকের জামিন
হলে?’
আবু যর রাঃ বললেন ‘আমি দেখলাম একজন
মুসলমানের সাহায্য প্রয়োজন, আমি চাই
না যে, কেউ বলুক একজন মুসলমানের
সাহায্য প্রয়োজন ছিল কিন্তু কোন
মুসলমান তাকে সাহায্য করেনি।’
এ কথা শুনে দুই ভাই বলল ‘আমরাও চাই
না যে কেউ বলুক একজন মুসলমান
ক্ষমা চেয়েছিল কিন্তু অন্য মুসলমান
তাকে ক্ষমা করেনি’ তারপর
বালকটি মুক্তি পেল ।
বর্তমান সমাজে কি পাওয়া যাবে মুসলিম
ভ্রাতৃত্বের এই অপরূপ দৃষ্টান্ত??
যারা ইসলামকে বিভ্রান্ত করার
চেষ্টা করে তারা যেন দেখে নেয়
ইসলামের সৌন্দর্য !
09/09/2014
" যে দেশ জ্ঞানীদের সম্মান
দিতে জানে না, সে দেশে
জ্ঞানী জন্মায় না। "
- ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ রহ.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Tangail
BAZITPUR,