23/10/2021
আলহাজ হায়দার হামিদ মডেল স্কুল নাইকানীবাড়ি
23/10/2021
10/03/2019
নাইকানীবাড়ী আলহাজ হায়দার হামিদ মডেল স্কুলের বাষির্ক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আগামী ১১ই মার্চ ২০১৯খ্রি. রোজ সোমবার। আপনারা সবাই আমন্ত্রীত।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ GROUP VERBS; ইংরেজি বলতে, লিখতে ও চাকুরী পরীক্ষার জন্য জানা প্রয়োজন
🎯 Act for (অনুপস্থিতিতে কারো স্থলে কাজ করা,On behalf of) ➯Amir was acting for the manager in my absence.
🎯 Be fed up (সাংঘাতিকভাবে বিরক্ত হওয়া) ➯I’m fed up with waiting for her to telephone.
🎯 Blow away (remove, উড়িয়ে নেওয়া) ➯The tree has been blown away by the storm.
🎯 Blow off (নির্গত করা) ➯The engine blows off carbon di-oxide.
🎯 Blow out (নিভিয়ে ফেলা) ➯The lights have been blown out by the strong wind.
🎯 Break away (পালানো ) ➯The convict broke away from the jail.
🎯 Break down (ভেঙ্গে পড়া) ➯His health has broken down because of hard labor.
🎯 Break in (চুপিসারে প্রবেশ করা) ➯The thief broken in my house.
🎯 Break out (আকস্মিক ঘটা) ➯The second world war broke out in September, 1939.
🎯 Break out (প্রাদুর্ভাব হওয়া) ➯Famine breaks out no more in Japan.
🎯 Break through (বলপূর্বক প্রবেশ করা) ➯
🎯 Bring forth (উৎপন্ন করা) ➯The timely rain brings forth good crops.
🎯 Call for (demand,দাবি করা) ➯I called for his explanation.
🎯 Call in (ডাকা) ➯we told him call in a doctor.
🎯 Call on (যেয়ে দেখা করা)
🎯 Call off (postpone or Cancel,প্রত্যাহার করা) ➯
🎯 carry on (continue, চালিয়ে যাওয়া) :we must carry on till the end.
🎯 Cast off (ছেড়ে যাওয়া) ➯Trees have cast off their leaves.
🎯 Come of (জন্মগ্রহণ করা) ➯He comes of a noble family.
🎯 Come off (সাফল্যের সাথে ঘটা এবং শেষ হওয়া) ➯The second anniversary of our college comes off held on December, 15.
🎯 Come out (প্রকাশ পাওয়া) ➯His new book will come out next week.
🎯 Come round (সুস্থ হওয়া) ➯The patient will come round soon.
🎯 cut off (বিচ্ছিন্ন ) ➯He was cut off in the prime of his life.
🎯 Die by (দুর্ঘটনায় মরা,ইচ্ছাকৃতভাবে মরা) ➯Rana died by an accident.He died by su***de.
🎯 Die for (দেশের জন্য মরা,আত্মত্যাগ করা ) ➯He died for his country.
🎯 Die from (কোনো কারণে মরা) ➯The man died from over eating.
🎯 Die of (রোগে মরা) ➯He died of diarrhoea.
বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের জিবনী ও মজার ঘটনা সমূহ।
টমাস আলভা এডিসন ১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও, মিলানে জন্ম গ্রহন করেন। একাধারে উদ্ভাবক, বিজ্ঞানী এবং উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি। তাঁর আবিষ্কারেই প্রথম আলোকিত হয়েছিল গোটা পৃথিবী। বৈদ্যুতিক বাতি, ফনোগ্রাফ, মাইক্রোফোন, ভিডিও ক্যামেরা, ফ্লুরোস্কোপসহ আরো হাজারো আবিষ্কারের
জনক তিনি। প্রথম বাণিজ্যিক গবেষণামূলক পরীক্ষাগার নির্মাণের কৃতিত্বও তাঁর। কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই তাঁর পেটেন্ট সংখ্যা হাজারের বেশি। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স আর জার্মানিতেও আছে এডিসনের পেটেন্ট।
এডিসন ছিলেন স্যামুয়েল অগডেন এডিসন (১৮০৪-১৮৯৬) ও ন্যন্সি ম্যাথিউস এলিয়টের (১৮১০-১৮৭১) সপ্তম এবং সর্বশেষ সন্তান। তাঁর পিতা ছিলেন ওলন্দাজ বংশোদ্ভুত। এ সময় তাঁর পিতার আর্থিক সচ্ছলতা ছিল। ফলে এডিসনের ছেলেবেলার দিনগুলো ছিল আনন্দদায়ক। সাত বছর বয়সে এডিসনের পিতা মিশিগানের অন্তর্গত পোর্ট হুরন নামে একটা শহরে এসে নতুন করে বসবাস শুরু করলেন। তাঁর পিতাকে কানাডা থেকে পালিয়ে যেতে হয় কারণ তিনি ম্যাকেনজি বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন।
এডিসন স্কুলে ভর্তি হলেন। তিনি অসম্ভব মেধার অধিকারী ছিলেন। কিন্তু স্কুলের গন্ডিবাঁধা পড়াশুনা তাঁর নিকট একঘেঁয়েমি মনে হত। পড়াশুনায় কোনো মনোযোগ নেই, শিক্ষকদের অভিযোগ শুনে ক্ষুব্ধ হতেন। স্কুলের শিক্ষকরাও তাঁর সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতেন না। রেভেরেন্ড অ্যাঙ্গল নামের এক শিক্ষককে একদিন পেছন হতে ‘বোকা’ বলেছিলেন এডিসন। এতে ভীষণ ক্ষেপে যান তিনি। ফলস্বরূপ তিন মাসেই স্কুলজীবনের সমাপ্তি ঘটে এডিসনের। আর কোনদিন স্কুলে যাননি এডিসন। এবার মায়ের নিকট তাঁর পড়াশুনা শুরু হল।
এডিসন ছোটবেলা থেকে পারিপার্শ্বিক যা কিছু আছে, যা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেন এগুলো নিয়ে। বেশ মজার ঘটনা। একবার তিনি মুরগির মতো ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা বের করতে পারেন কিনা তা দেখবার জন্য ঘরের এক কোণে ডিম সাজিয়ে বসে পড়লেন। এর কয়েক বছর পর তিনি বাড়িতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য একটা ছোট ল্যাবরেটরি তৈরি করলেন। কিছুদিন যেতেই তিনি হাতে-কলমে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম কিনে ফেললেন। এ সময় বাবার আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তিনি স্থির করলেন কাজ করে অর্থ সংগ্রহ করবেন।
তেরো বছরের ছেলে কাজ করবে! তাঁর বাবা-মা দুজনে রীতিমত অবাক। এডিসনের জেদ চাকরি করবে। অগত্যা আর কি করা, বাবা-মা দুজনে রাজি হলেন। এডিসন অনেক খোঁজাখুঁজির পর খবরের কাগজ ফেরি করার কাজ পেলেন। আরো বেশকিছু আয় করার জন্য তিনি খবরের কাগজের সাথে চকলেট বাদামও রেখে দিতেন। এভাবে কয়েক মাসের মধ্যে বেশকিছু অর্থ সংগ্রহ হল।
এ সময় এডিসন জানতে পেলেন একটি ছোট ছাপাখানা যন্ত্র কম দামে বিক্রি হবে। তিনি যে সামান্য অর্থ জমিয়েছিলেন তাই দিয়ে ছাপাখানার যন্ত্রপাতি কিনে ফেললেন। এবার নিজেই একটি পত্রিকা বের করলেন। একইসঙ্গে সংবাদ সংগ্রহ করা, সম্পাদনা করা, ছাপানো, বিক্রি করা, সমস্ত কাজ করতেন। অল্পদিনেই তাঁর কাগজের বিক্রির সংখ্যা বৃদ্ধি পেল। লাভ হল একশো ডলার। তখন তাঁর বয়স ছিল পনেরো।
একদিন এডিসন লক্ষ করলেন, একটি ছেলে রেল লাইনের উপর খেলা করছে। দূরে একটি ওয়াগন এগিয়ে আসছে। ছেলেটির সেদিকে নজর নেই। বিপদ আসন্ন বুঝতে পেরে হাতের কাগজ ফেলে দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন লাইনের উপর। আর ছেলেটি কেউ নয়। স্টেশন মাস্টারের একমাত্র ছেলে। কৃতজ্ঞ স্টেশন মাস্টার যখন এডিসনকে পুরষ্কার দিতে চাইলেন, এডিসন সে সময় টেলিগ্রাফ শেখবার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। স্টেশন মাস্টার রাজি হলেন মহানন্দে। আর কয়েক মাসের মধ্যেই এডিসন টেলিগ্রাফি শেখা রপ্ত করে নিলেন। এর সঙ্গে সাংকেতিক লিপি ও তার অর্থ বুঝতে সক্ষম হলেন।
অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিলেন এডিসন। একবার স্টাফোর্ড জংশনে রাত্রিবেলায় ট্রেন ছাড়ার সিগনাল দেওয়ার কাজ পেলেন। রাত জেগে কাজ করতে হত এবং দিনের বেলায় সামান্য কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিয়ে নিজের গবেষণার কাজ করতেন। এ সময় তিনি একটি ঘড়ি তৈরি করলেন যেটি আপনা থেকেই নির্দিষ্ট সময়ে সিগনাল দিত। এর পরে বোস্টন শহরে কাজ করার সময় দেখলেন, অফিস জুড়ে ভীষণ ইঁদুরের উৎপাত। তিনি হঠাৎ করে একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করলেন যা সহজেই ইঁদুর ধ্বংস করতে সক্ষম।
তিনি ১৮৬৯ সালে বোস্টনে চাকরিরত অবস্থায় একটি যন্ত্র আবিষ্কার করলেন যা দিয়ে ভোল্ট গণনা করা যায়। এই যন্ত্রের গুণাগুণ বিবেচনা করে উদ্ভাবক হিসেবে তাঁকে পেটেন্ট দেওয়া হল। আর এই পেটেন্ট এডিসনের জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। এরপর বোস্টন শহর ছেড়ে চলে এলেন নিউইয়র্কে। হাতে মোটেও পয়সা নেই। খাওয়া হয়নি দুদিন ধরে। এক টেলিগ্রাফ অপারেটরের সাথে পরিচয় ঘটল। সে এডিসনকে এক ডলার ধার দিয়ে গোল্ড ইনডিকেটর কোম্পানির ব্যাটারি ঘরে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। সেখানে দুদিন কেটে গেল। তৃতীয় দিন তিনি খেয়াল করলেন ট্রান্সমিটারটি খারাপ হয়ে গিয়েছে। ম্যানেজারের অনুমতিক্রমে তিনি অল্পক্ষণের মধ্যেই ট্রান্সমিটারটি মেরামত করে ফেললেন। এর ফলে তিনি কারখানার ফোরম্যান হিসেবে চাকরি পেলেন। তাঁর মাইনে ছিল ৩০০ ডলার। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি নিজের যোগ্যতা বলে ম্যানেজার পদে উন্নীত হলেন।
এই অর্থ দিয়ে তিনি নিজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে গবেষণার কাজে লাগাতেন। গোল্ড ইনডিকেটর কোম্পানি টেলিগ্রাফের জন্য এক ধরনের যন্ত্র তৈরি করত যার ফিতের উপর সংবাদ লেখা হত। এ সময় এডিসনের মনে হল বর্তমান ব্যবস্থার চেয়ে আরো উন্নত ধরনের যন্ত্র তৈরি করা সম্ভব। এজন্যে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার। এ সময় চাকরিতে ইস্তফা দিলেন এডিসন। কয়েক মাস প্রচণ্ড পরিশ্রমের পর উদ্ভাবন করলেন এক নতুন যন্ত্র। এটি আগের চেয়ে অনেক উন্নত এবং সেই সঙ্গে এর উৎপাদন ব্যয়ও কম। তিনি এ যন্ত্রটি নিয়ে গেলেন গোল্ড ইনডিকেটর কোম্পানীর মালিকের নিকট। এতে মালিক খুশি হলেন। এডিসনকে জিজ্ঞাসা করলেন, কত দামে সে যন্ত্রটি বিক্রি করবে? এডিসন দ্বিধান্বিতভাবে বললেন, যদি পাঁচ হাজার ডলার দাম বেশি হয়, আবার তিন হাজার ডলার খুব কম হয় তবে কোম্পানী স্থির করুক তারা কি দামে যন্ত্রটি কিনবে। কোম্পানীর মালিক এডিসনকে চল্লিশ হাজার ডলার দিয়ে বললেন, আশা করি আপনাকে আমরা সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। এডিসন তো হতবাক!
এই প্রচুর অর্থ বিজ্ঞানী এডিসনের জীবনে এক অভাবনীয় পরিবর্তন এনে দিল। এতদিন তিনি অন্যের অধীনস্থ হয়ে কাজ করতেন। সেখানে তাঁর স্বাধীনতা ছিল না। এবার কয়েক মাসের চেষ্টায় নিউজার্সিতে তৈরি হল তাঁর কারখানা। তিনি সেখানে দিবারাত্রি কাজ করতেন। রাত্রে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বিশ্রাম নিতেন। এ কারখানাটি ছিল প্রকৃতপক্ষে একটি গবেষণাগার। কয়েক বছরের মধ্যেই এডিসন প্রায় ১০০টির বেশি নতুন উদ্ভাবন করে তার পেটেন্ট নিলেন। এগুলি বিক্রি করে পেলেন প্রচুর অর্থ।
এডিসন এবার নিজের কারখানায় কাজ করতে করতে পুনরায় আকৃষ্ট হলেন টেলিগ্রাফির দিকে। অল্পদিনেই তৈরি হল ডুপ্লেক্স টেলিগ্রাফ পদ্ধতি। এর সাহায্যে দুটি বার্তা একই সাথে একই তারের মধ্যে দিয়ে দুই দিকে পাঠানো সম্ভব। এরপরে একই সময়ে একই তারের মধ্যে দিয়ে একাধিক বার্তা প্রেরণ করতে সক্ষম হলেন। আর এই পদ্ধতির সাহায্যে টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার যে শুধু অসাধারণ উন্নতি হল তাই নয়, বরং খরচও কয়েকগুণ হ্রাস পেল।
তিনি ১৮৭৬ সালে তাঁর নতুন কারখানা স্থাপন করলেন মেনলো পার্কে। এখানে একদিকে তাঁর গবেষণাগার অন্যদিকে কারখানা। এই মেনলো পার্কে বিজ্ঞানী এডিসনের প্রথম উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার টেলিফোন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ। আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল আবিষ্কার করেছিলেন টেলিফোন, কিন্তু ব্যবহারের ক্ষেত্রে বহুবিধ সমস্যা দেখা গিয়েছিল। এডিসন কয়েক মাসের চেষ্টায় তৈরি করলেন কার্বন ট্রান্সমিটার। আর এর সহায়তায় গ্রাহকদের প্রতিটি কথা স্পষ্ট এবং পরিষ্কারভাবে শোনা গেল। চতুর্দিকে সুনাম ছড়িয়ে পড়ল এডিসনের।
এডিসন দীর্ঘদিন মানুষের শ্রবণ যন্ত্র নিয়ে কাজ করেছিলেন। এবার তিনি স্থির করলেন ইলেকট্রিক কারেন্টকে কাজে লাগিয়ে আলো জ্বালাবেন। সে সময় এক ধরনের বৈদ্যুতিক আলো ছিল কিন্তু তা ব্যবহারের উপযোগী ছিল না। প্রথমেই তিনি এমন একটি ধাতুর সন্ধান করেছিলেন যার মধ্যে কারেন্ট প্রবাহিত করলে উজ্জ্বল আলো বিকিরণ করে। তিনি বিভিন্ন রকমের ধাতু নিয়ে ১৬০০ রকমের পরীক্ষা করলেন। অবশেষে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তৈরি করলেন কার্বন ফিলামেন্ট।
তিনি শুধু বাল্বের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন। এরপর সমগ্র বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি সাধনে তৎপর হলেন। তিনি তৈরি করলেন নতুন এক ধরনের ডাইনামো, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার জেনারেটর থেকে শুরু করে ল্যাম্প তৈরি করা প্রভৃতি। নিউইয়র্কে প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র গড়ে উঠল যার অগ্রনায়ক ছিলেন বিজ্ঞানী এডিসন।
এবার এডিসন তাঁর বিখ্যাত মেনলো পার্ক ছেড়ে ওয়েস্ট অরেঞ্জে চলে এলেন। ১৮৪৭ সালের ঘটনা। এসময় তিনি শব্দের গতির মতো কীভাবে ছবির গতি আনা যায় তাই নিয়ে শুরু করলেন ব্যাপক গবেষণা। মাত্র দুবছরের মধ্যে উদ্ভাবন করলেন কিনেটোগ্রাফ, যা গতিশীল ছবি তোলবার জন্য প্রথম ক্যামেরা। ১৯২২ সালে এডিসন আবিষ্কার করলেন কিনেটোফো যা সংযুক্ত করা হয় সিনেমার ক্যামেরার সাথে। এরই ফলে তৈরি হল সবাক চিত্র।
এই পরিশ্রমী বিজ্ঞানী অবশেষে ১৯৩১ সালের ১৮ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করলেন। তাঁর মৃত্যুর পর নিউইয়র্ক পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল মানুষের ইতিহাসে এডিসনের মাথার দাম সবচেয়ে বেশি। কারণ এমন সৃজনীশক্তি অন্য কোনো মানুষের মধ্যে দেখা যায় নি। তাঁর শেষ নিঃশ্বাসটুকু একটি টেস্টটিউবে সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে হেনরি ফোর্ড জাদুঘরে। তাঁর নামে একটি শহর, তিনটি কলেজ, কয়েকটি উচ্চ বিদ্যালয়, তিনটি সেতু এবং একটি হোটেলও রয়েছে। এ ছাড়াও বেশ কয়েক জায়গায় তাঁর নামে জাদুঘর এবং স্মৃতিস্তম্ভ আছে। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অনন্য অবদানের জন্য দেওয়া হয় এডিসন মেডেল। নেদারল্যান্ডসে সঙ্গীতের জন্য রয়েছে ‘এডিসন অ্যাওয়ার্ড’।
তিনি অনেক আবিস্কারের পথপ্রদর্শন করে গেছেন। নিজে চেষ্টা করে যদিও তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন, তবুও পরবর্তীতে তাঁর ধারণাকে পুঁজি করেই এসব তৈরি করা হয়। নিচে সেরকম কতগুলো চেষ্টার কথাই তুলে ধরা হলোঃ
উল্কি যন্ত্র
----------
১৮৭৬ সালে এডিসনের আবিষ্কৃত একটি যন্ত্রকে বলা যায় আধুনিক উল্কিযন্ত্রের পূর্বসূরি। অবশ্য তাঁর উদ্দেশ্য ছিল চিকন সুচ দিয়ে কাগজে ছাপার ব্যবস্থা করা। ১৮৯১ সালে স্যামুয়েল ও’রেলি প্রথম উল্কি আঁকার যন্ত্রের পেটেন্ট নেওয়ার পর এডিসনকে নকলের দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। লোকের ধারণা ছিল যন্ত্রে আঁকা উল্কি অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। তাই রেলির কাছে সবসময় উল্কিপ্রেমীদের ভিড় লেগেই থাকত। ও’রেলির সঙ্গে এডিসনের সাক্ষাৎ হয়েছিল কিনা জানা যায়নি। তবে এক বীমা কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ছক্কার ঘুঁটির মত পাঁচ ফোটার একটি উল্কি ছিল তাঁর বাম কব্জিতে।
লোহা নিষ্কাশক
----------
১৮৯০ সালের দিকে খনি থেকে নিষ্কাশন করা লোহার মূল্য ধাই ধাই করে বাড়ছিল। চুম্বক ব্যবহার করে অপদ্রব্য থেকে লোহা আলাদা করার কথা ভাবলেন এডিসন। ১৪৫টি খনিতে প্রবেশ করার অনুমতি নিলেন। প্রচুর পয়সা ঢাললেন একটা যন্ত্র তৈরির পেছনে। কিন্তু কিছু কৌশলগত গোলযোগে সব চেষ্টা বিফলে গেল। ততদিনে লোহার মূল্য পড়তির দিকে। বাধ্য হয়ে গবেষণা থামিয়ে দিলেন মাঝপথে। তবে তাঁর দেখানো পথ ধরে এখন বৈদ্যুতিক চুম্বক ব্যবহার করে ওই কাজ করা হচ্ছে।
বৈদ্যুতিক মিটার
------------------
বিদ্যুতের মিটার কোথায় নেই! আর ওটাও এসেছে এডিসনের মাথা থেকে। বিদ্যুতের যথেচ্ছ ব্যবহার ঠেকাতে এডিসনই প্রথম তৈরি করেন মিটার। এতে দুটি দস্তার পাত জিংক সালফেট দ্রবণে ডোবানো থাকত। বিদ্যুৎ ব্যবহারের হার অনুযায়ী এক পাতের দস্তা গলে অন্য পাতে জমা হতো। মাসের শেষে পাতটি ওজন করে বের করা হত ব্যবহারের পরিমাণ।
ফল সংরক্ষণ
-------------
বাতি আবিষ্কারের পথে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন করেছিলেন এডিসন। বায়ুশূন্য টিউব নিয়ে গবেষণা চালাতে গিয়ে মাথায় আসলো ফলমূল সংরক্ষণের উপায়। তিনি বললেন, ‘টিউবে পচনরোধী তরলে মৌসুমি ফল ও শাকসবজি রেখে ভেতরের বায়ু টেনে বের করে নিতে হবে। তারপর টিউবের মুখ বন্ধ করে রেখে দেওয়া যাবে বহুদিন।’
ব্যাটারিচালিত গাড়ি
---------------
গাড়ির চাকা ঘোরাতে এডিসন ব্যাটারির শক্তি ব্যবহারের কথা ভেবেছিলেন। পুনরায় ব্যবহারযোগ্য ব্যাটারিও বানিয়ে ছিলেন। তবে তিনি এমন এক ব্যাটারি বানাতে চেয়েছিলেন যা একবার চার্জ করলে একশ মাইল নির্বিঘ্নে চলতে পারে। কিন্তু ১০ বছর চেষ্টা শেষে রণে ভঙ্গ দিলেন, কেননা ততদিনে গ্যাসোলিন জ্বালানি সবার নাগালে আসতে শুরু করেছে। তাঁর পরিশ্রম একেবারে বৃথা যায়নি। সিগন্যাল বাতি বা খনিতে বহনযোগ্য আলো জ্বালাতে ওই ব্যাটারি কাজে লেগে গেল। একসময় এডিসনের ব্যাটারি সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসাতেও পরিণত হয়।
কনক্রিট বাড়ি
-------------------
আলো ঝলমলে জীবনের পাশাপাশি বিশ্ববাসীকে উপহার দিতে চেয়েছিলেন কম দামে নিরাপদ ঘর। উপাদান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন কনক্রিট, গড়ে তুললেন এডিসন সিমেন্ট কম্পানি। তাঁর ফর্মুলায় বাড়ি বানানোর প্রক্রিয়াটাও সহজ। কাঠ দিয়ে ফাঁপা কাঠামো গড়ে মাঝে ঢেলে দিতে হবে কনক্রিট। কয়েকদিন পরে জমাট বাঁধলে কাঠ সরিয়ে নিলেই হলো। পদ্ধতিটা খুব একটা জনপ্রিয়তা পায়নি। দক্ষ কারিগরের অভাব যেমন ছিল, তেমনি বাড়িগুলোও অতটা দৃষ্টিনন্দন হতো না। তবে এখন অহরহ ব্যবহৃত হচ্ছে তাঁর সেই কৌশলের আধুনিক সংস্করণ।
টেকসই আসবাব
-------------------
কনক্রিটের ভূত ভালোভাবেই ঢুকেছিল এডিসনের মাথায়। তা না হলে আসবাব গড়তেও সবার আগে কনক্রিটের চিন্তা আসবে কেন? যুক্তি ছিল, ওজন একটু বেশি হলেও এ আসবাবের গ্যারান্টি আজীবনের। মাত্র দুই’শ ডলারে গ্রাহকের ঘর সাজিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। ১৯১১ সালে বাথটাব, পিয়ানো ও কেবিনেট তৈরি করে প্রদর্শনীর জন্য পাঠান নিউইয়র্কে। টেকসই আসবাবের শক্তি পরীক্ষায় বহনকারী কর্মীদের ওপর নির্দেশ ছিল, যেভাবে খুশি খামখেয়ালিপনায় আসবাব বহন করা যেতে পারে। কিন্তু প্রদর্শনীর দিন এডিসনকে কোথাও দেখা গেল না। কথিত আছে, জিনিসগুলো সে যাত্রায় টিকতে পারেনি।
কথা বলা পুতুল
-------------------------
গ্রামোফোনের পেটেন্ট নেওয়ার পর এর বহুমুখী ব্যবহারের চিন্তা করেছিলেন। এরপর বানালেন কথা বলা পুতুল। পুতুলের শরীরে বসানো হতো খুদে গ্রামোফোন, হাত-পা জোড়া হতো আলাদাভাবে। যুক্তরাষ্ট্রের ছোট্ট মেয়েদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কারখানায়। তাদের মর্জিমাফিক গান-কবিতা রেকর্ড করে সরবরাহ করতেন। রেকর্ডিং তখন সবে প্রাথমিক পর্যায়ে। পুতুলের ভেতরে গান বাজত কখনো প্রায় নিঃশব্দে, কখনো বিকট ঘড় ঘড় শব্দে। বাজখাই স্বরের পুতুলগুলো শিশুরা মোটেও ভালোভাবে গ্রহণ করেনি।
বিবাহ ও সন্তানঃ
--------------
ডিসেম্বর ২৫, ১৮৭১ সালে টমাস আলভা এডিসন ১৬ বছর বয়সি মেরি স্টিলওয়েলকে বিয়ে করেন। তারা তিনটি সন্তান গ্রহণ করেনঃ
মেরিওন এসটেলা এডিসন (১৮৭৩-১৯৬৫)
টমাস আলভা এডিসন জুনিয়র (১৮৭৬-১৯৩৫)
উইলিয়াম লেসলি এডিসন (১৮৭৮-১৯৩৭)
মেরি এডিসন ১৮৮৪ সালের আগস্টের ৯ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। তারপর ওহিওতে টমাস এডিসন ২০ বছর বয়সি মিনা মিলারকে বিয়ে করেন। তিনি বিখ্যাত উদ্ভাবক লুইস মিলারের কন্যা ছিলেন। তাদের তিনটি সন্তান রয়েছে।
মেডেলিইন এডিসন (১৮৮৮-১৯৭৯),
চার্লস এডিসন (১৮৯০-১৯৬৯), যিনি তার বাবার মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠানটি দেখাশোনা করতেন এবং পরে নিউ জার্সির গভর্নর নির্বাচিত হন।
থিওডর এডিসন (১৮৯৮-১৯৯২), পদার্থবিদ যার ৮০টির বেশি পেটেন্ট রয়েছে।
(সংগৃহীত)
সাবজেক্ট-ভার্ব এগ্রিমেন্ট সব রুল (বাক্যে verb-কে সঠিক টেন্স ও সাবজেক্ট অনুযায়ী ব্যবহার) 🏷 প্রয়োজনীয় মূর্হুতে🔍খুঁজে পেতে 🖧শেয়ার করে রাখুন..
🎯 Rule-: And দ্বারা দুটি Noun যুক্ত হয়ে যদি ভিন্ন অস্তিত্ব প্রকাশ করে তাহলে verb plural হবে।
Example-- Gold and silver are precious metals.
🎯 Rule-: And দ্বারা দুটি Singular Noun যুক্ত হয়ে যদি একই Idea প্রকাশ করে তাহলে verb singular হবে।
Example-- Horse and carriage is at the door.
Time and tide waits for none.
🎯 Rule-: the + noun + and + noun ….
And দ্বারা দুটি Noun যুক্ত হয়ে প্রথম Noun টির পূর্বে The থাকলে verb singular হবে।
Example-- The doctor and actor was Present in the meeting.
🎯 Rule-: the + noun + and + the + noun
And দ্বারা দুটি Noun যুক্ত হয়ে উভয় Noun এর পূর্বে The থাকলে verb plural হবে।
Example-- The doctor and the actor were/ are present in the meeting.
🎯 Rule-: And দ্বারা দুটি Noun যুক্ত হয়ে যদি দুটোর মিশ্রণ বোঝায় verb singular হবে।
Example-- Bread and butter is my favourite break fast.
কিন্তু ‘কেনা’ বোঝাতে verb plural.
Bread and butter are bought from a shop.
🎯 Rule-:Many a ,One ,Each, Either, Neither, Every এই শব্দগুলোর পর verb সব সময় Singular Number হবে।
Example-: Many a little makes a mickle
Every boy and every girl is working together.
[📝বিসিএস ও ব্যাংকের 📚pdf বইয়ের বিশাল সংগ্রহ!👆https://goo.gl/3OkHYD ]
🎯 Rule-: Not ....... but, Either ....... or, Neither ....... nor, Not only ....... but also , শুধু ....... or .......এদের বেলায় or, nor, but, but also এর পর যে subject থাকবে সেই Subject অনুযায়ী verb হবে।
Example-: Either I or you have done the work.
Neither nor she has loved each other. Tip: পদ মর্যাদার ক্ষেত্রে মর্যাদা অনুযায়ী আগে ও পরে বসবে।
Either the direct or the manager has gone find.
🎯 Rule-: Both ............ and এর বেলায় verb সবসময় plural হবে।
Example-- Both you and I are present in the meeting.
🎯 Rule-: The এবং of এর মাঝে uncountable noun বা Abstract Idea ব্যবহৃত হলে verb singular হবে।
Example-: The mood of ‘Daffodils’ is melancholic
The maintenance of the aircraft is very expensive.
🎯 Rule-: যখন Plural noun মিলে proper name বোঝায় অথবা সমষ্টিকে বোঝায় তখন verb অবশ্যই Singular Number হবে।
Example-- The United States of America has a big fleet.
Example-- Niloy together with his mun is coming to night.
🎯 Rule-: Member of group এর আলাদা আলাদা মতামত বোঝালে verb plural হবে।
Example-- The Jury were divided in their opinions.
🎯 Rule-: Members of group দিয়ে এক বা অভিন্ন মতামত বোঝালে verb singular number হবে।
Example-: (1) The committee was in the previous opinion.
🎯 Rule-: Sentence এর Subject যদি Gerund (v+ ing), Infinitive (t + verb) হয় সে ক্ষেত্রে verb singular number হবে।
Example—
(1) Dancing is a good exercise for physical fitness
(2) To Dance is a good exercise for physical fitness.
🎯 Rule-: Majority শব্দটি একা ব্যবহৃত হলে verb singular হবে।
Example-- Majority believes that we are in no danger.
🎯 কিন্তু Majority এর পর of লিখে Plural noun বসলে verb অবশ্যই Plural হবে।
Majority of the students believe that we are in no problem.
🎯 Rule-: Distance , Quantity of time , Amount of money ,এই শব্দগুলোর পর verb সব সময় Singular Number হবে।
Example-- Fifty thousand dollars is not a small amount.
[📝বিসিএস ও ব্যাংকের 📚pdf বইয়ের বিশাল সংগ্রহ!👆https://goo.gl/3OkHYD ]
🎯 Rule-: A Number of এর পর Plural Noun হলে Verb Plural number হবে।
Example-- A number of girls are doing the work for the country.
🎯 Rule-: The Number of এর পর Plural noun হলে verb singular number এ হবে।
Example-- The number of boys is fighting for the country at the battle field.
🎯 Rule-: The rest of এর পর Uncountable noun হলে verb সব সময় Singular Number হবে।
Example-- The rest of the money is for the whole month.
🎯 Rule-: The rest of এর পর countable noun হলে verb সব সময় plural number হবে।
Example-- The rest of the dedicated leaders were fighting to save the democracy.
🎯 Rule-: No + Singular Noun Uncountable Noun হলে verb সবসময় singular number হবে। Example-- No pen writes well.
No money is left for me to purchase the gift.
🎯 Rule-: No + Plural noun হলে verb অবশ্যই Plural number হবে।
Example-- No pen writes well.
🎯 Rule-: None of + Plural হলে verb সবসময় singular number হবে।
Example-- None of the books are sold.
🎯 Rule-: None of এরপর uncountable noun থাকালে verb Singular number হবে।
Example-- None of the counterfeit money has been found.
🎯 Rule-: There এর বেলায়, Sentence এর মধ্যে Subject Singular হলে Verb Singular Number
🎯 Here এ হবে এবং Subject Plural হলে Verb Plural Number হবে।
Example-:
(1) There is a book in the table
(2) Here is a pen of the table.
Example-:
(1) There are five books on the table
(2) There are two pens of the table.
🎯 Rule-: All, Any, More, Some ,Most শব্দগুলোর পর Uncountable Noun থাকলে Verb Singular এ হবে।
Example-- All money has been distributed among the students.
🎯 Rule-: Titles of book , Magazines , Articles , Musical Compositions, এদের পর Verb Singular
🎯 Number হবে।
Example—
(1) Business letters is a good book for us.
(2) ‘Better homes and garden’s offers helpful redecorating
🎯 Rule-: Friction (ভগ্নাংশ) Percentage (শতাংশ) এদের পর Singular Noun হলে Verb Singular
হবে এবং Noun Plural হলে Verb Plural হবে
Example-:
(1) Sixty percent of the work has been done.
(3) Three Fifths of the people have already arrived.
🎯 Rule-: It is/ was + S + Relative Pronoun + V হবে Subject অনুযায়ী।
Example--
It is I who am going to do the work.
It was they who were running in the field.
[ ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত]
আপনার মত আর কেউ নেই.........
আমাদের প্রায় সবার মধ্যে এই একটা বিষয় পরিলক্ষিত হয় আর সেটা হল আমরা নিজেকে খুব ছোট ভাবি। আমরা মনে করি “আমি যদি আমার ঐ বন্ধুর মত হতে পারতাম ” … “আমাকে দিয়ে কিছু হবে না, আমার তো তেমন কিছুই নেই” …. এরকম ভাবনা গুলো আমরা প্রতিনিয়ত ভাবি আর একটু একটু করে নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
অথচ আমরা কেউ নিজেকে আবিস্কার করি না। আমরা কখনো ভাবি না- যাই ঘটুক না কেন সব সময় নিজের মত হব। কিন্তু এই ধারনাটাই আমাদের জীবনকে মুহূর্তের মধ্যে বদলে দিতে পারে। আমরা যতক্ষন নিজেকে সম্মান না করতে পারব ততক্ষন অন্য কাউকে সম্মান করতে পারব না।
ডেল কার্নেগী সুন্দর ভাবে লিখে
-------------------------
“এই পৃথিবীতে আপনারও কিছু নতুনত্ব আছে। আজ পর্যন্ত, সময়ের আদিকাল থেকে ঠিক যআপনার মত কেউ জন্মায়নি, আর আগামী হাজার হাজার বছরেও ঠিক আপনার মতই আর কখনই জন্মাবেনা।”
একবার অক্সফোর্ড এর ইংরেজী সাহিত্যের অধ্যাপক স্যার ওয়াল্টার বলেছিলেনঃ শেকসপীয়ারের মত কোন বই আমি লিখতে পারি না তবে আমি নিজের যোগ্য বই লিখতে পারি”।
একবার সোকোনি- ভ্যাকুয়াম অয়েল কোম্পানির চাকুরি সংক্রান্ত নিয়োগ বিষয়ক ডাইরেক্টর পল বয়েন্টনকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, চাকরির আবেদন করার সময় মানুষ সবচেয়ে বড় ভুল কি করে? তার একথা জানা আছে অবশ্যই কারণ জীবনে তিনি ষাট হাজারেরও বেশি আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি আবার “চাকরি পাওয়ার ছ’টি উপায়” নামে একখানা বইও রচনা করেছেন। তিনি জবাবে বলেছিলেন: “চাকরির আবেদন করার সময় মানুষ সবচেয়ে বড় যে ভুল করে তা হলো তারা আত্মবিস্মৃত হয়ে পড়ে। নিজেদের প্রকৃত তথ্য গোপন রেখে তারা মোটেই খোলাখুলি সব কথা খোলাখুলি সব কথা বলতে চায় না, বরং এটা না করে তারা এমন সব উত্তর দেয় যা তারা মনে করে আপনি এতে খুব খুশী হবেন। তবে এতে কাজ হয় না। কারণ কেউই গোপনীয়তা- প্রিয় মানুষকে চায় না। যেহেতু কোন মানুষই জাল মুদ্রা চায় না।”
এই ব্যাপারটা একজন গাড়ির কন্ডাক্টারের মেয়েকে বেশ কষ্ট করেই শিখতে হয়েছিলো। তার নাম ক্যাস ডেলি। সে একজন গায়িকা হতে চেয়েছিলো, কিন্তু ওর দুর্ভাগ্যের কারণ হয়ে উঠেছিলো ওর মুখখানা। ওর মুখ বেশ বড় আর দাঁতগুলো সামনের দিকে বেরোনো অবস্থায় থাকতো। সে যখন প্রথম জনসাধারণের সামনে গানে অংশ নেয় সে বারবার গান গাওয়ার ফাঁকে উপরের ঠোট দিয়ে দাঁত ঢাকার চেষ্টা করছিল। সে অবশ্য আপ্রাণ চেষ্টায় নিজেকে সুন্দরী প্রমাণ করতে চাইছিলো। এর ফল কি হলো? সে নিজেকে হাস্যকর করে তুললো। ব্যর্থতার দিকেই সে এগিয়ে চলছিলো।
যায় হোক, ওই নাইট ক্লাবে একজন ছিলেন, তিনি মেয়েটিকে গান গাইতে দেখে বুঝেছিলেন ওর প্রতিভা আছে। “এই যে শোনো” ভদ্রলোক সোজাসুজি বলে ফেললেন, “আমি তোমাকে গান গাইতে দেখেছিলাম আর আমি জানি তুমি কি লুকোবার চেষ্টা করছো। তুমি তোমার দাঁতের জন্য লজ্জা পাচ্ছো। মেয়েটি বেশ অস্বস্তিতে পড়ে গেলো, তবুও ভদ্রলোক বলে চললেন, এতে হয়েছে কি? এরকম দাঁত থাকা কি অপরাধ? এটা লুকাবার চেষ্টা করো না! মুখ খুলেই গান গাইবার চেষ্টা করো তাতে শ্রোতারা বুঝতে পারবে তুমি লজ্জিত নও। তাছাড়া ভদ্রলোক বেশ দূরদৃষ্টি নিয়ে বললেন, যে দাঁত তুমি লুকানোর চেষ্টা করছো তাই হয়তো তোমাকে একদিন ঐশ্বর্য এনে দেবে!
মেয়েটি ভদ্রলোকের উপদেশে সত্যিই দাঁতের কথা ভুলে গেলো। ওই সময় থেকেই মেয়েটি শুধু ওর শ্রোতাদের কথাই ভাবতে লাগলো। সে মুখ খুলে এমন দরাজস্বরে আর আনন্দে গাইতে শুরু করলো যে অল্পদিনের মধ্যেই সে বেতার আর চলচ্চিত্র শিল্পী হয়ে উঠলো। পরে অন্যান্য কমেডিয়ানরা তাকেই নকল করা চেষ্টা করেছে।
আমরা অনেক সময় ভাবি- যদি ওর মতো হতে পারতাম! কিন্তু প্রকৃত পক্ষে এসব কথা ভেবে আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করা উচিত নয়। এ পৃথিবীতে আপনারও কিছু নতুনত্ব আছে। আজ পর্যন্ত, সময়ের আদিকাল থেকে ঠিক আপনার মতো কেউ জন্মায়নি, আর আগামী হাজার হাজার বছরেও ঠিক আপনার মতই আর কেউ কখনো জন্মগ্রহণ করবে না। আধুনিক বিজ্ঞান থেকে জানা যায় আপনি হলেন আপনার বাবা আর মায়ের প্রত্যেকের দেওয়া চব্বিশটি করে ক্রোমোজোম থেকে জন্ম নেওয়া একজন। এই চব্বিশটি আর চব্বিশটি অর্থাৎ আটচল্লিশটি ক্রোমোজোমই জানিয়ে দিচ্ছে- আপনি যা তাই!
চার্লি চ্যাপলিন যখন প্রথম ছবি বানাতে শুরু করেন, ছবির পরিচালক তাকে সে যুগের একজন বিখ্যাত জার্মান হাস্যরসিক নকল করার কথা বলেন। নিজের মত অভিনয় না করা পর্যন্ত চ্যাপলিন প্রায় দাঁড়াতেই পারেননি। বব হোপেরও একই রকম অভিজ্ঞতা হয়- তিনি বহু বছরনাচগানের অভিনয় করেও কোথাও পৌছাতে পারেননি – শেষ পর্যন্ত সব ঝেড়ে ফেলে নিজের মত হয়ে ওঠার পরেই তার খ্যাতি আসে।
আসলে মূলকথাটি হলো আমাদের সকলেরই নিজের মত কিছু করার রয়েছে সেটাকেই কাজে লাগানো চাই।
তাই নিজেদের আবিষ্কার করে আসুন নিজেদের মতই হয়ে উঠি।
তথ্য সূত্রঃ ডেল কার্নেগী শ্রেষ্ঠ রচনা সমগ্র
সাফল্যের তন্ত্র মন্ত্র জানা হল, সফল মানুষের গল্পও শোনা হল, কিন্তু একবারও ভাবা হল না অল্প কিছু সফল মানুষ বাদে চারদিকে মিলিয়ন মিলিয়ন ব্যর্থ মানুষ কেন! আবার কথাটা ভিন্নভাবে বলা যায়, এত এত সফল মানুষের গল্প শুনলাম অথচ আমি কেন এখন অব্দি তাদের একজন হতে পারলাম না? কেন আমি এখনও সফলদের গল্পই শুনে চলেছি, নিজে কেন গল্প হয়ে উঠলাম না? হতে পারে, নিজের দিকে ছুড়ে দেওয়া এমন কয়েকটি “কেন” আপনার সামনে আজ স্পষ্ট করে দিবে আপনার খুব তাচ্ছিলে অথবা দাম্ভিকতায় দৈনন্দিন হয়ে ওঠা কিছু ভুল আচরণ, যা আপনাকে পেছনেই ফেলে রেখেছে। আজ এমন কিছু আচরণ নিয়ে কথা বলব, যা নিত্যদিন আমরা করে থাকি অথচ জানি না এই ছোট ছোট ভুলগুলো আমাদের সকল ব্যর্থতার কারণ; এমনকি এইসব আচরণ যে ব্যর্থতার কারণ হতে পারে তা আমরা বিশ্বাসও করি না।
সফল হতে চাইলে ভূল আচরণগুলো এই মুহূর্ত থেকে ত্যাগ করুন
১। আমিই সঠিক, আমিই সেরা
-------------------------
আমি যা জানি, আমি যা ভাবি, আমি যা করি, তা কেউ করে না। আমি আমিই; আমিই সেরা। আমি যা বিশ্বাস করি তার চেয়ে উৎকৃষ্ট কিছু হতে পারে না। আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা নিজের সম্বন্ধে এমন ধারণা পোষণ করেন। ভাবেন তিনিই সেরা। তাদের ভাবখানা এমন যে, “বিচার মানি, তবে তালগাছ আমার।” আপনার মধ্যে যদি এই আত্মঅহমিকা থাকে তবে এই মুহুর্তেই তা পরিত্যাগ করুন, না হলে সাফল্য তো দূরের কথা চারপাশের মানুষ, আত্মীয়, পরিবার, এমনকি কলিগদের সাথেও স্বাভাবিক সম্পর্ক ক্রমশ ফিকে হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর যাবতীয় জ্ঞান আমার মাথায় না, আর আমি সবজান্তাও নই। তাছাড়া পৃথিবী প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, সুতরাং যে কোন ধারণা, বিশ্বাস বা দর্শন সব সময় সব জায়গায় কাজ করে না। সুতরাং, ব্রাহ্মণ না হয়ে সবার সাথে মিশে অন্যের মতামতকে শ্রদ্ধা করে পথ চলুন, জীবন সাফল্যে আর সৌন্দর্যে ভরে উঠবে।
২। আমি এমনই
------------------
কথায় কথায় “আমি এমনই” বাক্যটা আপনার ডিকশনারী থেকে চিরতরে ডিলিট করে দিন আর অন্যের ভালোবাসায় সেই শূন্যস্থান পূরণ করুন।
কিছু কিছু মানুষের এমন কিছু আচরণ আছে যাতে অন্যের কোন ক্ষতি হয় না, কিন্তু বিরক্তির কারণ হয়ে ওঠে। তারা জানে যে, তার আচরণ অন্যকে তিক্ত বিরক্ত করে তুলছে, কিন্তু নিজেকে শোধরানোর কোন তাগাদা অনুভব করেন না। আসলে শোধরানো যে দরকার এটা তারা বোঝেনই না। শিশু কালে ধনী বাবাকে করা সব আবদার পূরণ হওয়ার মত, তারা ভাবে সারা জীবন অন্যরা তাকে অকারণে ভালোবেসে তার সব আচরণ সহ্য করে যাবে, কারণ “তিনি এমনই” !
আপনি যদি এই গোত্রের কেউ হয়ে থাকেন, তবে আজই নিজেকে পাল্টান। আমাদের মনে রাখা দরকার, পৃথিবীর সব মানুষ আপনার বাবা না আর আপনি জীবনভর শিশু না। অন্যের চোখ দিয়ে নিজেকে দেখুন। আপনার সঙ্গী/সঙ্গিনী, বস, পরিবার, প্রতিবেশী আপনাকে কেমন দেখতে চায়। কেমন দেখলে তারা আপনাকে শ্রদ্ধা করবে, ভালোবাসবে, নিজেকে তেমন করে গড়ে তুলুন। কথায় কথায় “আমি এমনই” বাক্যটা আপনার ডিকশনারী থেকে চিরতরে ডিলিট করে দিন আর অন্যের ভালোবাসায় সেই শূন্যস্থান পূরণ করুন।
৩। আমার সিদ্ধান্তই শেষ কথা
---------------------------
যেসব সিদ্ধান্তে পরিবার বা কর্মক্ষেত্রের অন্য মানুষের স্বার্থ, সম্মান, বিশ্বাস জড়িত সেসব সিদ্ধান্ত আপনি একা নেওয়ার অধিকার রাখেন না।
এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী মানুষ আছে যারা সবসময় অন্যকে ডমিনেট (প্রভুত্ব করা) করতে চাই, হোক সেটা পরিবার বা কর্মক্ষেত্র। আমার কথাই শুনতে হবে, আমার কথাই মানতে হবে, আমার সিদ্ধান্তই শেষ কথা – এই কর্তৃত্ব পরায়ণতা ধ্বংস করে দিতে পারে আপনার পারিবারিক সুখ, এমনকি চাকরি বা ব্যবসায়িক জীবন। এই প্রবৃত্তি পুরনো ধ্যনধারণা পোষনকারী কিছু মানুষের মধ্যে দেখা যায়, যারা কখনও পরিবারের প্রিয় পাত্র হয়ে উঠতে পারেন না। মনে রাখতে হবে, আপনার চারপাশের মানুষগুলোর প্রত্যেকের আলাদা আলাদা মস্তিষ্ক আছে, তারা স্বাধীনভাবে ভাবতে পারে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আপনি নিজের ব্যাপারে কী করবেন সেটা আপনার একান্ত নিজের ব্যাপার কিন্তু যেসব সিদ্ধান্তে পরিবার বা কর্মক্ষেত্রের অন্য মানুষের স্বার্থ, সম্মান, বিশ্বাস জড়িত সেসব সিদ্ধান্ত আপনি একা নেওয়ার অধিকার রাখেন না। সুতরাং, নিজের এই দাম্ভিকতা নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবুন।
৪। বাচালতা পরিহার করুন
----------------------
বন্দুকের গুলি আর মুখের কথা একবার বেরিয়ে গেলে আর ফিরিয়ে আনা যায় না। সুতরাং বাচালতা আজ, এই মুহূর্তে ত্যাগ করুন, অন্যের চোখে শ্রদ্ধাভাজন হয়ে উঠুন।
নিজেকে জ্ঞানী জাহির করতে গিয়ে আমরা বাচাল হয়ে উঠি, আর তা নিয়ে গর্ববোধ করি অথচ অন্যরা মুখ টিপে টিপে হাসে। এই স্বভাব সম্মান বয়ে আনে না বরং আমাদের বোকা বানিয়ে তোলে। কথায় বলে “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।” ঠিক তেমনি, আমাদের কথা বলার সময় ভেবে বলা উচিৎ। কেননা, বন্দুকের গুলি আর মুখের কথা একবার বেরিয়ে গেলে আর ফিরিয়ে আনা যায় না। সুতরাং বাচালতা আজ, এই মহূর্তেই ত্যাগ করুন, অন্যের চোখে শ্রদ্ধাভাজন হয়ে উঠুন।
৫। একা আছি, বেশ আছি
--------------------
একা হওয়ার অভিনয় ছাড়ুন, সামাজিক হোন, পারিবারিক হোন, বন্ধু হোন, জীবনের আসল স্বাদ খুঁজে পাবেন আর নিশ্চয় বলবেন “জীবনটা সত্যিই সুন্দর”।
একা আছি, বেশ আছি। একা থাকাই ভাল। কাজ করছি, রোজগার করছি, নিজের মত খাচ্ছি, ঘুরছি, সময় কাটাচ্ছি – এই বেশ ভাল আছি, এভাবেই জীবনটা কাটিয়ে দেওয়া যায়।
না, জীবন নিয়ে যদি এমন ভাবনা থাকে আপনার তবে আপনি বোকা। “একা” বলে আসলে কিছু হয় না। আপনি রোজ যে খাবার খান, তা কি নিজেই উৎপাদন করেন অথবা আপনার অফিসে কী আপনি একাই কর্মী? নিশ্চয় না। তাহলে কেন একা হওয়ার হাস্যকর অভিনয় করছেন?
এমন শখের একা হওয়ার কারণে আপনি কতটা অসামাজিক হয়ে উঠেছেন তা আপনি নিজেও জানেন না। হয়তো আপনার আড়ালে এই ব্যাপারটা নিয়েই কলিগরা হাসাহাসি করে বা আপনাকে তারা অসুস্থ ভাবে, যা কর্মক্ষেত্রে আপনাকে স্বাভাবিক হতে বাধাগ্রস্থ করে। একা সেজে আপনি রোজ নিজেকে ঠকাচ্ছেন, আপনার পরিবারকে ঠকাচ্ছেন। একসময় আপনার চৈতন্য ফিরবে যখন বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা হবে, কিন্তু তখন বড্ড দেরি হয়ে যাবে। কারণ সূর্য ডুবতে আর মাত্র কিছুক্ষণ বাকি থাকবে। কাজেই একা হওয়ার অভিনয় ছাড়ুন, সামাজিক হোন, পারিবারিক হোন, বন্ধু হোন, জীবনের আসল স্বাদ খুঁজে পাবেন আর নিশ্চয় বলবেন “জীবনটা সত্যিই সুন্দর”।
[ ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত]
👀 যাদের কাছে এই পেইজ প্রয়োজনীয় বলে মনে হচ্ছে। এবং যদি মনে করেন এই পেইজের পোস্ট দ্বারা আপনি উপকৃত হবেন , তাহলে পেইজের প্রত্যেক পোস্ট নিয়মিত আপনার ফেসবুক ওয়ালে দেখতে!!কষ্ট করে পেইজ নোটিফিকেশন চালু করে রাখুন... যা পেইজের "Following "অপশনে পাবেন ওখানে গিয়ে See first অপশনে সিলেক্ট করুন এবং Notification --> on করে দিন । এবং নিয়মিত পেজের পোস্টে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে এ্যাকটিভ থাকুন। আর ভালো লাগলে rate & review করুন এবং বন্ধুদের ট্যাগ করুন ।
📱ফেইসুক এপসেঃ পেইজের হোমে গিয়ে উপরের "Following"অপশনে ক্লিক করে নিচের See first ট্যাব সিলেক্ট করুন Edit Notification setting এ ক্লিক করে All posts এ টিক 🗹 দিন ।
পড়ালেখায় ভালো করতে চান বা ভালো ছাত্র হতে চান ... ... !!! + পড়া মুখস্ত বা মনে রাখার করার সহজ ও শর্টকাট উপায় জানতে চান ... !
তাহলে এই পোস্টটি ধর্য্য সহকারে সামান্য সময় ব্যায় করে পড়ুন ... হয়তো এই লেখাটি আপনাকে আপনার লাইফ সম্পর্কে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে সহযোগিতা করবে ...
আর যারা ছাত্রজীবন শেষ করে ফেলেছেন তারও পড়ুন... আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরামর্শ দিতে কাজে লাগবে ...............।।
শুধুমাত্র পড়ার জন্য নয়, প্রাত্যহিক জীবন যাপনের একটা রুটিন করে ফেলুন। সর্য ওঠার পূর্বেই শয্যা ত্যাগ করুন। সকালে কোমল পরিবেশে স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকবে। মন তরতাজা থাকে-এ সময়ে পড়াশোনা ভালো হওয়ারই কথা। শ্রেণীকক্ষেপূর্ণ মনোযোগী হবেন। হাতের লেখা সুন্দর, সপষ্ট, দ্রুত করার চেষ্টা করুন। যে কোনো পড়ার পূর্বে নিজের অটুট সংকল্প বা আত্মবিশ্বাস একটু ঝালিয়ে নিন। বুঝে জেনে পড়ার চেষ্টা করুন।
অনুকূল পারিপার্শ্বিকতা
---------------------------------------
প্রত্যেকটা মানুষই অগাধ সহজাত প্রতিভা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। সেই মানুষটি তার চেনা পরিবেশ, পারিপার্শ্বিকতা, পারিবারিক প্রকৃতি, সামাজিক, আর্থিক ভেদাভেদ দেখে শেখে এবং এইভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে বড় হতে থাকে।
প্রচলিত একটা বাক্য আছে বনের বাঘে খায় না মনের বাঘে খায়। সহজ তো সহজই। কঠিনকে কঠিন করে দেখলে কঠিন আরো কঠিন হতে থাকে। কঠিন বিষয়ের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে। আর পজিটিভ মানসিকতা ‘আমি সব পারি’, ‘আমাকে সব পারতে হবে’। আমি আর দশটা মানুষের মতো মানুষ, তাহলে অন্য কেউ পারলে সেই কাজটি আমিও পারব।
এই কথাগুলো যদি আপনার মনের কথা হয় ছাত্র হিসেবে খারাপ হওয়ার কোনো কারণ দেখছি না।
ছাত্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য
--------------------
থরে থরে সাজানো বই হরদম মুখস্ত করার চর্চা কিংবা পরীক্ষার খাতায় উগরে দিয়ে আসাই ছাত্রের কাজ নয়। ছাত্র জীবন হচ্ছে-
S-Study
T-Truthfulness
U-Unity
D-Desicipline
E-Education
N-Neatness
T-Tidiness
আপনি বলুন তো এসবের প্রত্যেকটা গুণ আপনি আজ থেকে অর্জন করতে থাকবেন। তাহলে আপনার সামনে সোনালী ভবিষ্যত অপেক্ষা করছে।
সাধনার সময়
--------------------
ছাত্র জীবন সাধনার সময়। এটা কি কাউকে বলে দিতে হয়? শুধু স্মরণ করলাম।
বিশ্ব সংসারটাই ধ্যান আর জ্ঞানের। (ধ্যান+জ্ঞান=সফল জীবন) লক্ষ্য করুন সাধারণত যারা খোদা ভীরু তার জীবন যাপন একটু ভিন্ন ধাচের নিয়ম নিষ্ঠ। ফজরের নামাজ থেকে শুরু করে এশার নামাজ পর্যন্ত নিয়ম মেনে চলার কারণে এমন অনেকের নামাজ পড়ার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নামাজে নিয়মের কারণে নামাজ পড়া হয়ে ওঠে না।
ভালো ছাত্র হওয়ার মন্ত্রজপ নেই। আছে আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায়, নিয়ম নিষ্ঠা, ধৈর্য, মনোযোগ, উচ্চাকাক্ষা, একাগ্রতা, ত্যাগের সুষম ব্যবহারিক বন্টনের মাধ্যমে আত্মোন্নয়ন।
আত্মবিশ্বাস
--------------------
নিয়মনিষ্ঠা, অধ্যবসায়, মনোযোগ, উচ্চাকাক্ষা, একাগ্রতা উলেস্নখিত বিষয়গুলোকে ফর্মলা হিসেবে নিতে চাইলে নিতে পারেন। আত্মবিশ্বাসে আপনি হারকিউলিস। পড়াশোনার ব্যাপারে আপনার ত্যাগ, নিষ্ঠা, অধ্যবসায়ে আপনি অনমনীয়। অনেক ছাত্রকেই বলতে শোনা যায় ‘আমার মাথা ভালো না, পড়া মনে রাখতে পারি না, বলতে হবে তারা নিজেদেরকে গাইড করতে পারছেন না। সঠিক মনোযোগ ধরে রাখতে না পারার কারণেও এটা হতে পারে।
অধ্যবসায় এমন একটি জীবন গড়ে দিতে পারে-পরবর্তী জীবনে বুকের ছাতি সগৌরবে দু’ ইঞ্চি বেড়ে যাবে। আপনি পারেন না সবাই পারেন।
একথাটাই প্রতিদিন সকাল বিকাল গুনে গুনে ১০০বার করে আউড়ান। কাজ হয় কিনা দেখুন। সঙ্গে আপনার মরচে আত্মবিশ্বাসটাও দেখুন কেমন নড়েচড়ে ওঠছে কিনা দেখুন। আত্মবিশ্বাস আর অধ্যবসায় যিনি ১০০% দিতে পারছেন বাকি সব সমস্যাই ফুৎকারে উড়ে যাচ্ছে। ধৈর্য আর মনোযোগ দুটি ফাঁকা ঘরের মতো সেই ঘরে আপনি যা কিছু আপন করবেন তাই আপনার সম্বল।
উচ্চাকাক্ষা কার না আছে। কি বলুন, বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আপনার নেই! নিয়মনিষ্ঠতা গ্রাহ্যতা যে কোনো মানুষের জন্যই অপরিহার্য। সুস্থতার জন্য হলেও আপনি নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য। সকাল-সন্ধ্যার পড়ার সময়ের হিসাব মেনে চলুন। খাওয়া দাওয়া, নিজের শারীরিক পরিচর্যা, দিবা নিদ্রা, পারিবারিক ও বন্ধুর সঙ্গ সবকিছুই আপনি রুটিনে নিয়ে আসুন। মুখস্ত করে সঙ্গে সঙ্গে না দেখে লিখে ফেলবেন। আজকের কাজ আগামী দিনের জন্য ফেলে রাখবেন না।
শুধুমাত্র পড়ার জন্য নয়, প্রাত্যহিক জীবন যাপনের একটা রুটিন করে ফেলুন। সর্য ওঠার পূর্বেই শয্যা ত্যাগ করুন। সকালে কোমল পরিবেশে স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকবে। মন তরতাজা থাকে-এ সময়ে পড়াশোনা ভালো হওয়ারই কথা। শ্রেণীকক্ষেপূর্ণ মনোযোগী হবেন। হাতের লেখা সুন্দর, সপষ্ট, দ্রুত করার চেষ্টা করুন। যে কোনো পড়ার পূর্বে নিজের অটুট সংকল্প বা আত্মবিশ্বাস একটু ঝালিয়ে নিন। বুঝে জেনে পড়ার চেষ্টা করুন।
স্মরণশক্তিঃ
--------------------
নিজের স্মরণশক্তির ওপর অগাধ আস্থা রাখতে শিখুন। ভাবুন আপনি যা পড়ছেন তা আপনি মনে রাখার ক্ষমতা রাখেন। মানুষের মস্তিষক একটা অসীম বড় কুঠুরি। সারা জীবন যা শিখবেন, দেখবেন মনে রাখার মতো ক্ষমতা তার আছে। প্রয়োজনে বিষয়বস্তু ভাষায় কঠিন থেকে ঝরঝরে সহজ সুপাঠ্য করে নেবেন।
বড় রচনাবলী মুখস্ত হতে না চাইলে ভাগ ভাগ করে অন্য কোনো ইন্টারেস্টিং বিষয়ের সঙ্গে মনছবি মিলিয়ে বা তারতম্য করে পড়তে পারেন। একবার ব্যর্থ হলে বারবার চেষ্টা করুন। আন্তরিকভাবে নিজেকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা পড়া মুখস্ত রাখতে পারেন না অথচ স্যাটেলাইট চ্যানেলে একবার শুনেই কোনো মুখস্ত বলে দিতে পারেন।
ভুলে যাওয়ার প্রবণতাঃ
----------------------------------------
বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন মায়ের ইচ্ছায় ছয় বছর বয়সে বেহালা স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু্তু তার স্মৃতিশক্তি এত দুর্বল ছিলো দ্বিতীয় বারের প্রচেষ্টায় দশ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হতে পেরেছিলেন।
এসএসসি পাস করতেও তার দুবার পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো।
স্মৃতিশক্তি স্বল্পতার জন্য তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে অস্বীকার করেন। স্কুলে চাকরি খোঁজার চেষ্টায় গিয়ে পড়লেন বিপাকে। ইন্টারভিউ বোর্ডে গিয়ে তিনি কিছুই মনে রাখতে পারেন না। কোথাও তার চাকরি হলো না।
পরবর্তীতে টানা দুই বছর তিনি শুধু স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর কাজে নিয়োজিত থাকলেন। তার পরের ইতিহাস সবার জানা-এর ঠিক ২০ বছর পর তিনি নোবেল বিজয়ী হন। এই রকম কিংবদন্তী হয়েছেন উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। টমাস আলভা এডিসন, ভাস্কর রঁদা, ইমাম গাজ্জালী, রোপদেব, মার্কিন প্রেসিডেন্ট উন্ড্রোউইলসন প্রত্যেকই প্রথম জীবনে স্মৃতিশক্তি নিয়ে বিপর্যস্ত ছিলেন।
মেধা বাড়ানোঃ
--------------------
মস্তিষক বেশি পরিমাণে ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজন সুসংহত মানসিক প্রস্তুতি। দৃষ্টিভঙ্গি গড়ূন সেভাবেই। নিজের মনের ইচ্ছাশক্তি ও তৎপরতার সম্পর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করুন। এভাবে কয়েক দিন অনুশীলন করুন। আপনি সফল হবেন।
বুদ্ধি বিকাশ
শুধু পাঠ্য বই নয়, জ্ঞানের হাবিজাবি নয় হাল্কা জোকস, উপন্যাস, কবিতা পড়ূন। টিভি দেখুন, ছুটির দিনে বেরিয়ে পড়ূন একটু বেড়িয়ে আসুন।
আবেগঃ
--------------------
আবেগ যদি ইতিবাচক ফলদায়ক হয় তাহলে আপনার আবেগ অতিমাত্রায় বেশি হলে ক্ষতি কি! আপনার সম্পদ হতে পারে এটা। আবেগের সঙ্গে জেদ ধরুন, আজকের পড়া পরিকল্পনা আজকেই নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর শেষ করবেন। জেদ/আবেগের ইতিবাচক চর্চা প্রতিদিন অনুশীলন করুন।
----------------------------------------
পড়া মুখস্ত করার সহজ উপায়ঃ
----------------------------------------
লেখাপড়ায় যারা অনিয়মিত কিংবা অমনোযোগী, তাদের কাছে মুখস্ত করার ব্যাপারটি বেশ জটিল। আপনি যদি মুখস্ত বিদ্যায় পারদর্শী না হন তাহলে নিচের কিছু নিয়ম মেনে দেখতে পারেন সফলতা সম্পর্ণ আপনার সদিচ্ছার ওপর।
✬ হাত পা ধুয়ে, চোখে মুখে পানি দিয়ে কিংবা হাল্কা ব্যায়াম করে আপনি একনিষ্ঠতার প্রথম ধাপটি ঢুকে পড়ূন।
✬ চেয়ারে বসে প্রথমে নিজেকে বলুন, এখন আমি চলমান জীবন থেকে অন্য ভুবনে চলে গেছি। এখানে আমার স্বজন বই, খাতা, কলম। যতক্ষণ রুটিন অনুযায়ী পড়বেন স্থির করেছেন পূর্বেই। ততক্ষণ আপনি মাঝে মধ্যে নিজের সঙ্গে কথা বলে নিজের আত্মবিশ্বাস মনোযোগ ঝালাই করে নিন।
✬ নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন । সহজ কথায়, "আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে" ।
✬ এখনই কাজ শুরু করুন, এখনই ।
✬ ঘুমের সময় নির্ধারণ করতে হবে । এবং তা করতে হবে আপনার "বায়োলজিক্যাল ক্লক" অনুযায়ী । নিয়মিত ও যথেস্ট ।
✬ সকাল হচ্ছে উত্তম সময় পড়ালেখা মনে রাখার । আরও অধিক উত্তম সময় হচ্ছে, সূর্যোদয়ের এক ঘন্টা পূর্বে ।
✬ প্রথমে শব্দ করে পড়তে হবে । এরপর ইচ্ছে হ'লে শব্দহীন ভাবে পড়তে পারেন ।
✬ প্রথমে সম্পূর্ণ বিষয়টি একবার/দু'বার মনযোগ সহকারে পড়ে তারপর দু'তিন লাইন করে মুখস্ত করুন ।
✬ একটানা অনেকক্ষণ পড়তে হ'লে মাঝখানে বিরতি দেয়া উত্তম । এক কিংবা দু'ঘন্টা পর পর অন্ততঃ পাঁচ মিনিট বিরতি দিতে হবে । এ সময় একটা গান শুনতে পারেন কিংবা সটান শুয়ে পড়তে পারেন ।
✬ ✬ ✬ আর যদি আপনি ধর্মে বিশ্বাসী হন তাহলে আপনার ধর্ম নিয়ে ভাবুন এবং মুসলমান হলে আল্লাহর "জিকির" করুন ।
✬ পছন্দের তালিকায় মিস্টি জাতীয় খাবার রাখুন । চিনির শরবত, সাথে লেবু । কিংবা শুধু লেবুর শরবত । গ্লুকোজ পানিও পান করতে পরেন । সাবধান ! ডায়াবেটিক থাকলে অবশ্যই এসব পরিহার করুন । খাবার তালিকায় সবুজ শাকসব্জি, ফলফলাদি রাখুন । স্বাভাবিক পুস্টিকর খাবার খেতে চেস্টা করুন । ধূমপান পরিহার করুন ।
✬ অল্প হলেও প্রতিদিন কিছু না কিছু পড়ুন ।
✬ কম হলেও প্রতিদিন অন্ততঃ ৩০ মিনিট হালকা শরীরচর্চা করুন ।
✬ প্রতিদিন অন্ততঃ ৫/৭ মিনিট মন খুলে হাসুন ।
✬ অযথা কথা পরিহার করুন ।
✬ অতিরিক্ত রাত করে ঘুমোতে যাবেন না ।
✬ পড়াতে মন না বসলেও প্রথম প্রথম অনিচ্ছা সত্ত্বেও পড়তে বসুন ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Https://www. Facebook. Com/jubayeroo 7
Tangail
1920