Magra Pals' Union High School

Magra Pals' Union High School

Share

প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রদের আন-অফিসিয়াল ফ্যানপেজ।

মগড়া পালস ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ছিল একটি এম.ই (মিডল ইংলিশ) স্কুল অতঃপর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিশেষ করে পাল, ভট্টাচার্য, মুসলিম, কর্মকার সম্প্রদায় একটি ইংরেজী বিদ্যালয় স্থাপনের ইচ্ছা পোষন করলে ৯/১০ জন ছাত্র নিয়ে নরবরে একটি ঘরে চাঁনপাড়ায় নীল কুঠির পাড়ে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেন। ক্রমে ক্রমে ছাত্র সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বাবু সুরেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য (দোগাঙ্গী নিবাসী) মহাশয়ের বাড়িতে কিছু দিন চলার পর

Information 08/02/2023

আসসালামু আলাইকুম,

মগড়া পালসৃ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মহাপুনর্মিলনী আয়োজনের উদ্দেশ্যে -

সবাইকে উক্ত ফরম পূরণ করে submit করার বিনীত অনুরোধ করা হলো।

এবং

মগড়া স্কুলের সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে উক্ত ফর্মের লিংক পৌছে দেয়ার অনুরোধ করা হলো ,

যাতে সবাই ফরম পূরণ করে Submit করে।

(মহাপুনর্মিলনী আয়োজনের
অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ধাপ এটি)

[তথ্য সংগ্রহে: সম্মিলিত ২০১০-২০২০ ব্যাচ]

Information মগড়া স্কুল সম্মিলিত ব্যাচ ১৯৮০ হতে ২০২০

23/03/2020

হ্যান্ড স্যানিটাইজার বনাম সাবান: করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কোনটি বেশি কার্যকর?

বিশ্ব জুড়ে এখন করোনাভাইরাসের প্রচণ্ড দাপট, যা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্ত দেশ এবং মানুষের সংখ্যা। ফলে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন মানুষজন, বাঁচার উপায় খুঁজছেন হন্যে হয়ে। এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে কোনো ভ্যাক্সিন আবিষ্কার না হওয়ায় সচেতনতাই এ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সব ধরনের গণমাধ্যম করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মানুষজনকে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা, বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর ভালোভাবে হাত ধোয়া, এবং সর্বোপরি জমায়েত এড়িয়ে চলাসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে প্রতিনিয়ত তাঁদেরকে সচেতন করছেন।

এই ডামাডোলে 'হ্যান্ড স্যানিটাইজার' শব্দটি খুব শোনা যাচ্ছে। আক্রান্ত দেশগুলোতে মানুষজন হন্যে হয়ে এটি কিনছেন। দোকানগুলো প্রায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার শূন্য। মানুষজন ভাবছে, হাত ভাইরাস মুক্ত করতে স্যানিটাইজার ব্যবহারই একমাত্র উপায়। কিন্তু আসলেই কি তাই? করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হ্যান্ড স্যানিটাইজার কতটা কার্যকর? সাবান কি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর? সাবান না হ্যান্ড স্যানিটাইজার, কোনটি বেশি কার্যকর? এসব প্রশ্নেরই উত্তর মিলবে এই লেখায়।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার কীভাবে কাজ করে?

প্রথমেই আসা যাক হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রসঙ্গে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার হচ্ছে জীবাণুনাশক এমন একটি মিশ্রণ যার মূল উপাদান হচ্ছে অ্যালকোহল। অ্যালকোহল হিসেবে সাধারণত ইথাইল অ্যালকোহল অথবা আইসো প্রোপাইল অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয় যা প্রায় ৭০% এর কাছাকাছি ঘনমাত্রায় বিদ্যমান থাকে। স্যানিটাইজার তরল, অর্ধ তরল জেলসহ বিভিন্ন রূপে তৈরি করা গেলেও জেল রূপেই বেশি দেখা যায়। এতে গ্লিসারিন, সুগন্ধি প্রভৃতি যোগ করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়ে থাকে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া উভয়ের বিরুদ্ধে কাজ করলেও এখানে আমরা শুধু করোনাভাইরাস এর ব্যাপারে আলোচনা করব। তার আগে করোনাভাইরাসের অভ্যন্তরীণ গঠন জেনে নেওয়া যাক। করোনাভাইরাসের অভ্যন্তরে নিউক্লিক এসিড হিসেবে থাকে RNA, যেটিকে চতুর্দিক হতে ঘিরে রাখে একটি প্রোটিন আবরণ। সম্পূর্ণ প্রোটিন আবরণ আবার লিপোপ্রোটিন নির্মিত আরেকটি আবরণে আবৃত থাকে যাকে বলে এনভেলাপ। অ্যালকোহল ভাইরাসের এই এনভেলাপ এবং প্রোটিনকে ভেঙে দেয়। ফলে ভাইরাস মারা যায় বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে এর রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তবে মনে রাখতে হবে, যেকোনো হ্যান্ড স্যানিটাইজারকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করতে হলে অবশ্যই এতে ৬০% এর বেশি পরিমাণ অ্যালকোহল থাকতে হবে।

সাবান কীভাবে কাজ করে?

এবার আসা যাক সাবানের প্রসঙ্গে। সাবানের মূল উপাদান হচ্ছে সোডিয়াম স্টিয়ারেট বা পটাশিয়াম স্টিয়ারেট যেটি ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম অথবা পটাশিয়াম লবণ। এই সোডিয়াম বা পটাশিয়াম স্টিয়ারেটের অণুতে দুটি প্রান্ত রয়েছে- হাইড্রোফিলিক প্রান্ত এবং লিপোফিলিক প্রান্ত। হাইড্রোফিলিক প্রান্ত পানির প্রতি এবং লিপোফিলিক প্রান্ত লিপিডের প্রতি আকৃষ্ট হয়। আমাদের ত্বকে এবং হাতে তৈলাক্ত পদার্থের আবরণ থাকে। এই তৈলাক্ত পদার্থে করোনাভাইরাস এসে আটকে থাকে এবং হাত থেকে চোখ- নাক-মুখে ছড়ায়। যখন আমরা সাবান দিয়ে হাত ধুই, তখন সাবানের অসংখ্য অণু তার লিপোফিলিক প্রান্ত দিয়ে ভাইরাসের লিপিড নির্মিত এনভেলাপকে চারদিক হতে ঘিরে ফেলে।

এরপর যখন আমরা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলি তখন হাইড্রোফিলিক প্রান্ত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে সম্পূর্ণ ভাইরাস কণাটিকে পানিতে দ্রবীভূত করে। পরবর্তীতে ভাইরাস কণাটি পানির সাথে চলে গিয়ে হাত ভাইরাস মুক্ত হয়। এছাড়া সাবান হাতের তৈলাক্ত আবরণকে দূরীভূত করে হাতে ভাইরাস আশ্রয়ের সম্ভাবনাও কমিয়ে দেয়। তবে হাত ধোয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই ২০/৩০ সেকেন্ড ধরে হাতে সাবান রেখে ভালোভাবে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

কোনটি বেশি কার্যকর?

করোনাভাইরাসের এই মহামারীতে আমাদের দেশ তো বটেই, ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতেও এখন হ্যান্ড স্যানিটাইজারের অভাব দেখা দিচ্ছে। দোকান কিংবা সুপার মার্কেটগুলোতে পাওয়াই যাচ্ছে না! 'হ্যান্ড স্যানিটাইজার' শব্দটি শুনতেও স্মার্ট এবং আধুনিক! তাই মানুষজন হুমড়ি খেয়ে পড়ছে! ভাবছে, হাত ভাইরাস মুক্ত রাখতে এর কোনো বিকল্প নেই! অথচ ধারণাটি ভুল।

হ্যান্ড সানিটাইজার ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে ঠিক, কিন্তু সাবানের মতো এতটা কার্যকরভাবে নয়। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করলেও সব ভাইরাসকেই নিষ্ক্রিয় করতে পারে না। ফলে অনেক ভাইরাস হাতে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অপরদিকে সাবান বেশিরভাগ ভাইরাসকে হাত থেকে পানির সাহায্যে দূরীভূত করে দেয় বলে হাতে ভাইরাসের পরিমাণ অনেক কমে যায়। কিছু থেকে গেলেও তার পরিমাণ নগণ্য।

সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার আগে এবং পরে
ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার কখনো সাবানের বিকল্প হতে পারে না। তাই বিশেষজ্ঞগণও বাইরে থেকে ঘরে আসার পর হাত ধুতে বলছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার আমরা কখন ব্যবহার করব? বিষেশজ্ঞগণ বলছেন, যখন আমরা বাইরে থাকব এবং হাত ধোয়ার মতো অবস্থা থাকবে না তখন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।

যেমন ধরুন, আপনি ট্রেনে ভ্রমণ করছেন কিংবা ডাক্তার হলে হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগী দেখছেন। এমতাবস্থায় সাবান এবং পানি দুটো একসাথে না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আবার প্রতি রোগী দেখার পর বার বার হাত ধোয়াও বিরক্তিকর। তাই এরকম পরিস্থিতিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করাই বেশি বাস্তবসম্মত। তবে একটা সময় গিয়ে আপনাকে হাত ধুতেই হবে। তাহলেই কেবল ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকা সম্ভবপর হবে বলে আশা করা যায়।

করোনাভাইরাস হতে বেঁচে থাকতে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কোনো বিকল্প নেই। তাই বার বার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন।

22/03/2020
10/09/2019

শোক বার্তা

আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক জনাব মোসলেম উদ্দিন মিয়া বার্ধক্য জনিত কারনে আজ সকালে মৃত্যু বরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রদের পক্ষ থেকে স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনাসহ শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সালের ৫ই নভেম্বর তিনি আমাদের বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে চাকুরীর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিদ্যালয়ের স্বার্থে কয়েক বছর তিনি বিদ্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন।

24/05/2019


সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!

আমাদের মগড়া পালস্ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি নূরজাহান খালা ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত। ক্যান্সার এর চিকিৎসা করানোর জন্য প্রায় ৩০ হাজার(+) টাকা প্রয়োজন।যা, উনার পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। সকলে মিলে একটু একটু করে সাহায্যের হাত বাড়ালেই আমরা তাকে সাহায্য করতে পারব। আপনার অল্প একটু সাহায্যই কারো সুস্থতার কারণ হতে পারে।
সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ, সকলেই যার যার সামর্থ অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।সাহায্যের টাকা/অর্থ নিম্ন লিখিত বিকাশ নাম্বার প্রেরণ করতে পারবেন অথবা স্বশরীরে নূরজাহান খালার হাতে পৌঁছে দিতে পারবেন।নূরজাহান খালার নিজস্ব বিকাশ একাউন্ট না থাকায় আমরা ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশনের সভাপতির বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করছি।
পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার ও যোগাযোগ -⤵
০১৭৩৬১৭২৯৪৭
( হাবিবুল্লাহ্ ( তুষার) সভাপতি, ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন। এস.এস.সি ব্যাচ-২০১৩ইং। মগড়া পালস্ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়।
বিশেষ প্রয়োজনেঃ

01712763604- মোঃ খালেদুর রহমান
(সহকারী শিক্ষক,মগড়া পালস্ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়)

(বিঃদ্রঃ সাহায্য প্রেরণের আগে অবশ্যই আপনার নাম, ঠিকানা এবং টাকার পরিমাণ উল্লেখ্য করে উপরিউক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করবেন)

Post from inbox.

24/05/2019

মগড়া পালস ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি ব্যাচ ২০১৫ এর উদ্যোগে শুরু হওয়া ইফতার মাহফিলের ধারাবাহিক কার্যক্রম ইনশাল্লাহ আমারা প্রতিবারই অব্যহত রাখবো! যার ধারাবাহিকতায় _চলমান রমজান মাসের ২৮ রমজান আমরা ইফতার মাহফিলের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি!. আগ্রহী সকল বন্ধুদের যোগদান করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি _ !!!!!! ইফতার মাহফিল সম্পর্কে যে কোন তথ্য ও সহয়তার জন্য যোগাযোগ __ এলাকাভিত্তিক চাদা প্রদানের সুবিদার্থে নম্বর দেওয়া হলো! সকলের মতামতের ভিত্তিতে ১৫০ টাকা চাদা নির্ধারিত করা হয়েছে! চাদা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ মে _ এখানে চাদাটা বড় কথা নয় প্রানের ক্যাম্পাসে প্রানের বন্ধুদের সাথে আবারো কিছু মুহুর্ত এটাই অনেক বড়!! আশা করি পুর্বের মত আমরা সবাইকে পাশে পাবো! __অনুরোধক্রমে ফোরাম সভাপতি ও সক্রিয় প্যানেল! ___
যোগাযোগ :- সিফাত তালুকদার :- -০১৭৭০৭৬৭০৭৫
মিলন ভুইয়া:- (দশকিয়া)-০১৭৩০৯০৯২৪৫
নাহিদ :- (আনালিয়াবাড়ি) ০১৭০৫০৮২৮০৮
মঞ্জুরুল ইসলাম টিটু:- ০১৭৬৫৪৬০৯৮০ (কুইজবাড়ি)
___
টাকা প্রদানের সুভিধার্থে রকেট নাম্বার দেওয়া হলো
০১৬৩২২২৮৬০৮৪
বিঃদ্রঃ-খরচ সহকারে দেওয়ার অনুরোধ রইলো!!

16/05/2019

স্কুল সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় (ছবি, তথ্য ইত্যাদি) আমাদের সাথে শেয়ার/ইনবক্স করতে পারেন।আমরা সেগুলো পেইজ এ শেয়ার করার চেষ্টা করবো। প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রদের আনঅফিসিয়াল পেইজ কার্যক্রম ধারাবাহিক রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি!

15/05/2019

নিজ নিজ ব্যাচ কর্তৃক ইফতার পার্টি আয়োজনের প্রচার সম্প্রসারণের জন্য
আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন!!
@রমজানুল মুবারক

11/02/2019

নিঃসন্দেহে পুণ্যরাশি পাপরাশিকে মুছে ফেলে; এটা হচ্ছে উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য একটি উপদেশ।"
--[সূরা হূদ ১১, আয়াত ১১৪]

25/07/2018

_শত ব্যাস্ততার মাঝে কিনে নেওয়া সময়টুকু স্কুল কে দিতে গিয়ে এত্ত পরিবর্তন চোখে পড়বে ভাবতে পারিনি!
__ চারপাশে ওয়ালে ঘেরা মুল ফটকে স্টিলের গড়া গেইট!!
_পাকা ভবন বলতে যা ছিল স্যারদের সভাকক্ষ হেড টিচারের রুমটা!!
সামনে বকুল গাছ কে কেন্দ্র করে মেহেগনির আকাশ ছুয়া সারিবদ্ধ বাগান!
__আজ বকুল তলায় বসে থাকার পাকা করা ব্রেঞ্চ!
_পাকা বলতে ভবনটাও আজ দ্বিতল ভবনে রুপান্তরিত পাশে আরো একটা দ্বিতল ভবন উঠেছে!
_চকচকে ভবনের সাথে নেই কোন স্মৃতি!
মাঠটাও হয়েছে দ্বিগুন প্রসস্থ মাঠের কোন অংশে হয়তো পা ই পড়েনি কেনা সময় তো!!!
__পরিবর্তন উন্নতের শিখরে পৌছানো আমার প্রিয় বিদ্যালয় মনে রেখেছে আমাদের??
__নাকি কালের বিবর্তনে ভুলে গেছে এই প্রাক্তনদের?
__ব্রেঞ্চ গুলোতে স্কেল দিয়ে কাটা দাগ গুলো কি গেছে মুছে???
নাকি কালের বিবর্তনে কলমের লেখা গুলোও গেছে উঠে!!!
___হয়তো বদলায়নি বদলেছি আমি আর বিদ্যালয়ের রূপ! ___
____প্রত্যোক সকালেই ছুটে যেতে ইচ্ছে করে তোমার ওই ক্যাম্পাসে!!
প্রিয় বিদ্যালয় ভালববাসি তোমায় __

Want your school to be the top-listed School/college in Tangail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Kalihati
Tangail
1974

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00