30/12/2025
গোপাল দীঘি কে, পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গোপাল দীঘি কে, পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, Campus Building, kaloha, Tangail.
30/12/2025
জামায়াত নেতা মুজাহিদ তখন সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে সকল শিশু সদন, এতিম খানার মতো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন। তিনি নিজে প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি করতেন। শুধু বাজেট দিয়েই থেমে থাকতেন না।
একদিন একটি এতিমখানার পরিচালককে ফোন দেন তিনি। জিজ্ঞেস করেন, "আজ দুপুরে বাচ্চাদের খাবার তালিকায় কী আছে?"
পরিচালক জানান, "ইলিশ মাছ, সব্জি, আর ভাত।"
আগাম কোন সংবাদ না দিয়ে, মুজাহিদ দুপুরে খাবারের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে ঐ এতিমখানায় গিয়ে হাজির হন। পরিচালক দৌঁড়ে এসে তাকে অফিসে নিয়ে যেতে চান। মন্ত্রী গিয়ে ঢোকেন কিচেনে। হাড়ির ঢাকনা খুলতেই বোঁটকা গন্ধ এসে লাগে। উঁকি দিয়ে দেখেন ইলিশ নয় বরং পচাঁ সিলভার কার্প মাছ সেখানে। পরিচালক তড়িঘড়ি করে বলে, "মেন্যুতে ইলিশই ছিলো কিন্তু আজ বাজারে গিয়ে ইলিশ পাওয়া যায়নি। তাই....।" গন্ধের কারণ জানতে চাইলে বাবুর্চি কিছু বলতে পারেন না। মন্ত্রী বুঝেন একটা ঘাপলা আছে। পরিচালককে আলাদা করে একা কথা বলেন বাবুর্চির সাথে। জানতে পারেন, প্রতিদিনের পচাঁ বাসি খাবারের কথা। খাবারের রঙ আনতে ইটের গুড়া ভিজিয়ে সেই পানি খাবারে ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয় বলেও জানান তিনি। সেটাই দুর্গন্ধের কারণ।
মুজাহিদ পরিচালককে তাৎক্ষণিক শোকজ করেন। গাড়ি করে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হওয়া মাত্রই প্রধানমন্ত্রীর ফোন আসে। তিনি মুজাহিদ এর কাছে জানতে চান, এতিমখানায় কী হয়েছে।"
মুজাহিদ সব খুলে বলেন। বেগম জিয়া বলেন, "আপনি সরাসরি আমার অফিসে আসেন।"
মুজাহিদ অফিসে ঢুকলেই বলেন, "সে আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে, বিএনপি করার জন্যে আপনি তাকে শোকজ করেছেন। তা বলেন, কী শাস্তি দিলেন?"
মুজাহিদ শোকজ করার কথা বললে, তিনি বলেন, "ভুল বিচার হয়েছে।" বলেই তিনি টেবিলে রাখা একটি খাম তুলে দেন। সেখানে পরিচালকের বহিষ্কার আদেশ। বেগম জিয়া বলেন, "এতিমের খাবার নিয়ে যে এরকম করে, তাকে আবার শোকজ কী! আপনি রাস্তায় থাকার সময়ই বহিষ্কার আদেশ রেডি করিয়েছি। আপনি সিগনেচার করে পাঠিয়ে দিন আর আইনানুগ ব্যবস্থা নিন।"
দূর্নীতির বিরুদ্ধে তার এই অবস্থান মুজাহিদ বারবার উল্লেখ করতেন। অথচ এই দূর্নীতি এবং এতিমের টাকা খাওয়ার মিথ্যা মামলায় সাবেক পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার তাকে জীবনের শেষ বছরগুলো কারাগারে বন্দী করে রাখে।
আজ থেকে ম্যাডাম জিয়ার অধ্যায় শেষ হলো। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, এশিয়ার প্রথম মুসলিম নারী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি'র মতো বৃহৎ দলের ৪১ বছর টানা চেয়ারপারসন, বাংলাদেশের বারবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাষ্ট্র পরিচালনায় তার ছোট খাটো ভুল নিশ্চয় ছিলো কিন্তু দেশপ্রেমে তিনি ছিলেন আপোষহীন। তিনি জোর গলায় বলতে পেরেছিলেন, "বাংলাদেশের বাইরে আমার আর কোন ঠিকানা নেই।"
বাংলাদেশের ইতিহাসে অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে বেগম জিয়ার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আল্লাহ তায়ালা তাকে উত্তম প্রতিদান দিয়ে জান্নাতবাসী করবেন ইংশাআল্লাহ।
©
29/12/2025
একটা জিনিস খেয়াল করেছেন? তাসনিম জারা NCP থেকে এর আগে মাত্র ২৯ ঘন্টায় ৪৭ লাখ টাকা তুলতে পারলেও স্বতন্ত্র পার্থী হিসেবে ২৪ ঘন্টায় ৫০০০ ভোটারের স্বাক্ষর নিতে পারলো না।
উনি যে আসনে লড়বেন সেখানে ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার। সেখান থেকে স্বাক্ষর প্রয়োজন অন্তত ৫০০০
এখন পর্যন্ত স্বাক্ষর সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ৩৫০০ জন। হতে পারে আজকে ভেতর সেটাও হয়ে যাবে৷ কিন্তু একা একা পথে হাঁটা আর দলের সাথে হাঁটা এটা কিন্তু বিরাট একটা তফাৎ৷
ফেসবুকে লাখ লাখ ফলোয়ার হলেই যে আপনি জিতে যাবেন এমনটা আশা করা বোকামি কারণ আপনি যে আসনের ভোটার দেখা গেলো সেখানের অনেক লোক আপনাকে চিনেই না৷
আপনার কি মনে হয়? NCP ব্যানারে না থাকলে তাসনিম জারা এতো টাকা তুলতে পারতো?
সে কি NCP থেকে চলে গিয়ে ভুল করলো? নাকি সঠিক সিদ্ধান্ত নিলো?
-Tulon
29/12/2025
"হাদী সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ্জা-মান" কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছিল:—
সাহস থাকলে কু করে দেখান। জনগণ গিয়ে ইট খুলে আনবে ক্যান্টনমেন্ট থেকে।
এটা কোনো হুমকি ছিল না—এটা ছিল জনতার শক্তির ঘোষণা।
"হাদী প্রধান উপদেষ্টার"চোখে চোখ রেখে বলেছিল:—
আমি বিশ্বাস করি, আপনি পালাতে আসেননি। তাই ভয় পাবেন না। নামগুলো বলেন— কারা আপনাকে কাজ করতে দিচ্ছে না। এই কথার ভেতর ছিল না ভদ্রতার মুখোশ, ছিল সত্য বলার সাহস।
"ইন্টেরিমের উপদেষ্টাদের" উদ্দেশে হাদী বলেছিল:—
একজন রিকশাওয়ালাও জানে—আপনাদের কেউ ভালো না। আপনারা জুলাইকে বেচে দিয়েছেন। এক পা বিদেশে, আরেক পা ক্ষমতার টেবিলে। শহীদদের রক্তের সঙ্গে আপনারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
এই অভিযোগ কোনো গুজব না—এটা রাজপথের রায়।
"হাদী বিএনপি"-কে বলেছিল:—
শহীদ জিয়ার দলকে ভারতের দাস বানাতে দেবো না।
কারণ স্বাধীনতার নামে দাসত্ব মানে শহীদদের অপমান।
"হাদী জামায়াতে ইসলামী"-কে বলেছিল:—
নিজামী, সাঈদীর জামাতকেও ভারতের দাস হতে দেবো না।
কারণ আদর্শের কথা বলে পরাধীনতা মেনে নেওয়া সবচেয়ে বড় ভণ্ডামি।
"হাদী এনসিপি"-কে সোজাসাপটা বলেছিল:—
তোমরা জুলাইকে নিজেদের সম্পত্তি বানিয়েছ।
মনে রেখো—জুলাই কোনো দলের না, জুলাই পুরো দেশের।
এই কথায় কেঁপে উঠেছিল অনেকের সাজানো বয়ান।
"হাদী এমনকি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী-লীগের" ক্ষেত্রেও বলেছিল:— যারা গণহত্যায় জড়িত না, তাদের সাথেও ইনসাফ করতে চাই।
কারণ হাদীর রাজনীতি ছিল প্রতিশোধের না। ন্যায়ের।
ঢাকা–৮ আসনে হাদী নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস আর হেলাল উদ্দীনকে
"ভাই" বলে দোয়া চেয়েছিল:—
কারণ সে শিখিয়েছিল, রাজনীতি মানেই শত্রুতা না, রাজনীতি মানেই মানবতা।
হাদী “হেভিওয়েট রাজনীতি”র মিথ ভাঙতে চেয়েছিল:—
ক্ষমতা আর টাকার কাছে মাথা নত না করে সবার জন্য সমান মাঠ গড়তে চেয়েছিল।
হাদী প্রমাণ করতে চেয়েছিল—
সততা, ভালোবাসা, ত্যাগ আর জনগণের ভাষা বুঝতে পারলে, কোটি টাকার প্রার্থীকেও হারানো যায়।
"হাদী চেয়েছিল" হিন্দুদের জন্য আলাদা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম:—
যাতে কোনো দল আর কোনো সময়
তাদের ভোটব্যাংক বানিয়ে ব্যবহার করতে না পারে।
হাদী স্বপ্ন দেখেছিল:—
ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এই দেশের মানুষকে এক কাতারে দাঁড় করানোর।
হাদী কালচারাল ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে যোগ্য, দক্ষ সাহসী মানুষ তৈরি করতে চেয়েছিল।
হাদী চেয়েছিল:—
জুলাইয়ের শহীদদের খু/নীদের বিচার।
"৫৭ বিডিআর" হ/ত্যার বিচার।
শাপলা গণহত্যার বিচার।
গুম–খুনে জড়িত ডিজিএফআইয়ের নরপশুদের বিচার।
হাদী দেখাতে চেয়েছিল:—
বিক্রি না হয়েও রাজনীতি করা যায়।
মুড়ি আর বাতাসা দিয়েও জনসংযোগ হয়।
কোটি টাকা ছাড়াও নির্বাচন করা যায়— যদি জনগণ পাশে থাকে।
আমি একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে ইন্টেরিম সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের কাছে জানতে চাই ?
এই চাওয়াগুলো কি এতটাই অপরাধ ছিল?
তাই কি হাদীকে বাঁচতে দেওয়া হলো না?
তাহলে আজ প্রশ্ন একটাই—?
*এই দেশে কি সততা নিয়ে রাজনীতি করা নিষিদ্ধ?
*ইনসাফের কথা বললেই কি মৃত্যু অনিবার্য?
*জনগণের পক্ষে দাঁড়ালেই কি গুলি বরাদ্দ?
যদি, হাদীর স্বপ্ন অপরাধ হয়:- তাহলে এই রাষ্ট্র নিজেই অপরাধী।
আর যদি হাদীর চাওয়াগুলো সত্য হয়:— তাহলে হাদী মরেনি, হাদী আজও প্রশ্ন হয়ে এই জাতির বুকের ভেতর আগুন জ্বালিয়ে যাচ্ছে।✊
✅বিঃদ্রঃ লিখাটি ফেসবুক থেকে নেওয়া
কপি পেস্ট আসল লেখক না পাওয়ায় ক্রেডিট দিতে পারলাম না।
#শরিফ_ওসমান_হাদি #ইনসাফচাই
29/12/2025
আহারে জাবের ভাই… 😭
এই ঘটনাটা জানার পর বুকের ভেতরটা হু হু করে উঠেছে।
জাবের ভাইয়ের বিয়ে ঠিক ছিল এই ডিসেম্বরের ১৮ তারিখে,
আর ২০ তারিখে হওয়ার কথা ছিল ওয়ালিমা।
কিন্তু সেই আনন্দের ঠিক কদিন আগেই হাদি ভাই জাবেরকে একটি নতুন ফোন উপহার দেন।
ফোনটা হাতে দিয়ে বলেছিলেন—
“এই নাও, তোমার বিয়ের উপহার। আগেই দিয়ে দিলাম… পরে যদি না থাকি, বা ভুলে যাই।”
আজ বুঝি, কথাগুলোর ভেতরে কী গভীর এক পূর্বাভাস লুকানো ছিল।
হাদি ভাই যেন জানতেন—
জাবেরের জীবনের এই আনন্দের দিনে, তিনি থাকবেন না।
থাকবেন কবরে।
আজ হাদি নেই,
আর জাবেরের বিয়ের আনন্দও নেই।
ভাই হারানোর শোক সইতে না পেরে
জাবের নিজের বিয়ের সব আয়োজন বাতিল করে দিয়েছে।
যে ভাইটাকে নিজের দু’হাতে কবরে শুইয়েছে,
তার খু/নিরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
যে ছেলেটার কথা ছিল সারাদিন পরিশ্রম শেষে
প্রিয় স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে একটু শান্তিতে ঘুমানোর—
সেই ছেলেটাই আজ কনকনে শীতে
রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে
ভাই হ/ত্যার বিচারের দাবিতে।
একজন ভাই বুঝে গিয়েছিল—
ভাইয়ের বিয়েতে তার থাকা হবে না।
তাই আগাম উপহার দিয়ে গিয়েছিল।
এই ভালোবাসা, এই আত্মত্যাগ—
কোনোদিন ভোলার নয়।
কোনোদিন না। 💔
#হাদি
#
20/12/2025
Oh politicians, learn from this crowd.
This is not an ordinary gathering
this is the funeral of a revolutionary.
No speeches, no banners,
not the force of power!
People honor sacrifice, courage, and truth.
This silent crowd is the proof: a revolutionary’s coffin
speaks louder than a thousand political speeches.
You may try to bury the truth,
but you can never erase it.
17/11/2025
যারা ভাবছেন প-লা-ত-ক হাসিনার মৃ-ত্যু-দ-ন্ডে-র রায় গুরুত্বপূর্ণ না..কারণ সে ভা-রতের কোলে বসে আছে..আপনাদের ভাবনা ভুল..এই রায় এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে..
শেখ হাসিনা এখন আন্তর্জাতিক ভাবে মৃ-ত্যু-দ-ন্ডে-র আসামী..ভারতও ইচ্ছে মতো মুভমেন্ট করতে পারবে না তাকে নিয়ে..অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কথার সুর পাল্টে যাবে..দেখতে পাবেন..অপেক্ষা করুন..
শেখ হাসিনা এই রায়ের বিপক্ষে আপিল করতে পারবে না..আর্ন্তজাতিক অ-প-রা-ধ ট্রাই-বুনালের রায়ের বিপক্ষে আপিল করতে হলে আ-সামীকে নির্দিষ্ট একটা সময়ের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে আত্মসমর্পণ করতে হবে..সময়সীমা ৩০ দিন..এরপর আপিল করার সুযোগ শে-ষ হয়ে যাবে..
শেখ হাসিনাকে দেশে আনা সম্ভব হলে অথবা সে নিজ ইচ্ছায় দেশে আসলেই রাতারাতি ফাঁ-সি কা-র্য-ক-র করতে আইনি কোনো বাঁধা থাকবে না..শেখ মুজিব হ-ত্যা মা-ম-লা-র সা-জা-প্রাপ্ত আসামী কলকাতা ফেরত ক্যাপ্টেন মাজেদকে যেভাবে রাতারাতি ফাঁ-সি কা-র্য-ক-র করেছিলো ২০২০ সালে ঠিক তেমনটাই..
এই রায় এর মধ্য দিয়ে অফিসিয়ালি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামিলীগের পায়ের তলার মাটি সরে গেলো 🙂
07/04/2025
Saiful Azam—একজন কিংবদন্তি বাঙালি বৈমানিক যিনি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, জর্ডান এবং ইরাকের বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
নাম: সাইফুল আজম
জন্ম: ১৯৪১, পাবনা, তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু: ২০২০, ঢাকা
বিশেষ পরিচিতি: একমাত্র বৈমানিক যিনি চারটি ভিন্ন দেশের বিমানবাহিনীতে কাজ করেছেন এবং আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি অর্জন করেন।
---
তাঁর কৃতিত্ব:
1. ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ (Six-Day War):
তিনি জর্ডান এবং ইরাকের বিমানবাহিনীর পক্ষে যুদ্ধ করেন।
এই যুদ্ধে তিনি চারটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেন।
তাকে এই কৃতিত্বের জন্য জর্ডান, ইরাক ও পাকিস্তান থেকে সম্মানসূচক পুরস্কার দেওয়া হয়।
2. Guinness World Record:
তিনি বিশ্বের একমাত্র বৈমানিক যিনি চারটি ভিন্ন দেশের পক্ষে যুদ্ধ করেছেন এবং শত্রু বিমান ভূপাতিত করেছেন।
3. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়:
১৯৭১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনী ত্যাগ করেন এবং পরে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর গঠনেও তিনি পরোক্ষভাবে অবদান রাখেন।
---
তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও উত্তরাধিকার:
এই পোস্টারে যে বার্তাটি দেওয়া হয়েছে:
"Saiful Azam didn't miss. Anti-Zionism legacy runs in our blood."
এটি মূলত ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং ইসরায়েল বিরোধী মনোভাবের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
---
মন্তব্য:
তিনি শুধু একজন যোদ্ধা নন, বরং তিনি ইতিহাসের অংশ। তাঁর নাম আজও ফিলিস্তিনপন্থী ও মুসলিম বিশ্বে শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হয়। তাঁর বীরত্ব শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের এক গর্বিত অধ্যায়।
“যে জাতি তার বীরদের ভুলে যায়, সে জাতি ইতিহাসে বিলীন হয়ে যায়।” —
সিংগাপুর গড়তে লি কুয়ান ইউ এর লেগেছিলো ৩১ বছর, মাহাথির মালয়েশিয়া গড়েছিলেন ২২ বছরে,
আশাকরি, ড: ইউনূসের বাংলাদেশ গড়তে ১০ বছরই যথেষ্ট।
12/02/2025
প্রায় এক দশক আগে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বাহিনী যখন তার মা এবং তাকে অপহরণ করে, তখন সে মাত্র ১১ বছর বয়সী শিশু ছিল। তাদের র্যাব অফিসের একটি গোপন কারাগার এবং নির্যাতন কক্ষে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সে তার মাকে আর খুঁজে পায়নি।
She was just an 11-year-old child when security forces of Sheikh Hasina abducted her mother and her about a decade ago. They were kept at an Aynaghar, a secret prison and torture cells, at one of the RAB offices. She was later released but she never found her mother.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kaloha
Tangail