গোপাল দীঘি কে, পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Tangail
  • গোপাল দীঘি কে, পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়

গোপাল দীঘি কে, পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গোপাল দীঘি কে, পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, Campus Building, kaloha, Tangail.

23/07/2026

ইন্ডিয়ার পোলাপান জলকামান নিয়ে নাচানাচি করতেসে।

বাট আমাদের ভাইদের হাসিনা রক্ত দিয়ে গোসল করিয়েছিল।

এখন পর্যন্ত ভারত সরকার কোন নেতাকে গুম করে নাই, একটাও গুলি করে নাই।

অথচ আমাদের এখানে একদিনেই তিন বিভাগে গুলি করে ৭ জনকে মেরে ফেলা হইছিল।

ঢাকায় ট্যাংক থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়েছিল আমাদের ভাইদের লাশ।

হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি করে ৬ বছরের বাচ্চাদের মেরে ফেলা হইছিল ছাদে বা বারান্দায়।

অনেকেই হাসিনা আর মোদিকে মেলাচ্ছেন।

বাট মোদি স্টুডেন্টদেরকে এখন পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল করাইসে,

হাসিনা গোসল করাইছিল রক্ত দিয়ে।

মাত্র ২০ দিনে ২ হাজার পোলাপান মেরে ফেলা, এটা পৃথিবীর ইতিহাসে আর ঘটেছে কি না, সন্দেহ।

ইয়াহিয়া ছিল পাকিস্তানি, সে যেই ঘৃণা নিয়ে বাংলাদেশের উপর ঝাপাইয়া পড়সিল,

হাসিনা বাংলাদেশের হয়ে সেই ঘৃণা নিয়ে আমাদের উপর ঝাপাইয়া পড়সিল।

নেপালের আন্দোলনেও মারা গেছিল মাত্র দুইজন, শ্রীলঙ্কার অভ্যুত্থানে মাত্র ১২ জন।

বাঙালির চেয়ে সস্তা রক্ত মনে হয় না পৃথিবীর আর কোন জাতির আছে।

মোদি শাসক হিসেবে খুবই খারাপ, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য শাসকদের মধ্যে একজন।

অথচ সেই মোদিও নৃশংসতায় হাসিনার ২ হাজার ভাগের এক ভাগ হইতে পারেনি এখনও, সেই মোদিও হাসিনার সমান খারাপ হইতে পারে নাই এখনও।

এইটুক বুঝতে পারলেই বুঝবেন, আমাদের ৩৬ জুলাই ঠিক কতটা অমূল্য, ঠিক কতটা অনন্য, ঠিক কত সাগর রক্ত পেরিয়ে এই জুলাই আমাদের ভাইয়েরা আমাদেরকে দিয়ে গেছে।

এত দিন যে ম্যাট্রিক পাশ নেতা চা বিড়ি খাওয়াইল তার কি হবে??
22/07/2026

এত দিন যে ম্যাট্রিক পাশ নেতা চা বিড়ি খাওয়াইল তার কি হবে??

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দিকে তাকান। আধুনিক ফুটবলে তাঁর চেয়ে বড় 'মেশিন' বা পারফেক্ট অ্যাথলেট আর দ্বিতীয়টি নেই। কিন্তু তাঁর ...
16/07/2026

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দিকে তাকান। আধুনিক ফুটবলে তাঁর চেয়ে বড় 'মেশিন' বা পারফেক্ট অ্যাথলেট আর দ্বিতীয়টি নেই। কিন্তু তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে ভয়ংকর ট্র্যাজেডি হলো...তিনি ফুটবল নামক এই আবেগের খেলাটিকে সবসময় একটি 'কর্পোরেট জব' হিসেবে দেখেছেন।

তাঁর কাছে ড্রেসিংরুম কোনো পরিবার নয়, ড্রেসিংরুম হলো একটি অফিস। সতীর্থরা তাঁর কাছে বন্ধু বা ভাই নয়, তারা হলো তাঁর 'কলিগ' বা সহকর্মী!

আপনি রোনালদোর ব্যক্তিগত জীবনের দিকে একটু তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালে দেখবেন...তিনি বড্ড একা! তাঁর বেস্ট ফ্রেন্ড বা অন্তরঙ্গ বন্ধুদের তালিকায় ফুটবল অ্যারেনা বা ফুটবল দুনিয়ার কেউ নেই। তিনি যখন ছুটিতে যান বা ইয়টে চড়ে সমুদ্রে ভাসেন, তখন সেখানে তাঁর কোনো সতীর্থকে দেখা যায় না। তিনি নিজেকে সবসময় বাকিদের থেকে আলাদা, এক অস্পৃশ্য দেবতার আসনে বসিয়ে রেখেছেন।

আর এই কর্পোরেট দর্শনের ফল কী হয়েছে?

পর্তুগাল দলে রোনালদোকে কেউ পাস দিতে চায় না! এটি কোনো ট্যাকটিক্যাল ভুল নয়; এটি হলো বছরের পর বছর ধরে জমিয়ে রাখা এক মনস্তাত্ত্বিক দূরত্বের বিস্ফোরণ। সংবাদ সম্মেলনে যখন পর্তুগিজ সতীর্থরা আসেন, তখন তাঁদের মুখে রোনালদোর প্রতি কোনো অকৃত্রিম ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা দেখা যায় না। তাঁরা মেপে মেপে কথা বলেন, যেমন করে কর্পোরেট অফিসের কর্মচারীরা তাদের রাগী, দাম্ভিক সিইও-এর ব্যাপারে কথা বলে।

এবার আয়নার ঠিক উল্টো দিকে তাকান। লিওনেল মেসি।

এই মানুষটি অনেক আগেই প্রকৃতির সেই অমোঘ সত্যটি বুঝতে পেরেছিলেন..."আমি একা বড় হতে পারব না।" তাঁর বাঁ পায়ে হয়তো ঈশ্বরপ্রদত্ত জাদুর ছড়ি আছে, কিন্তু তিনি জানেন, বাকি দশজন সতীর্থ যদি তাঁর জন্য নিজেদের রক্ত না ঝরায়, তবে তাঁর ওই জাদুর কোনো মূল্য নেই।

মেসি ফুটবল দুনিয়াটাকে কোনো কর্পোরেট অফিস হিসেবে দেখেননি; তিনি এটিকে দেখেছেন তাঁর 'এক্সটেন্ডেড ফ্যামিলি' বা বর্ধিত পরিবার হিসেবে। লুইস সুয়ারেজ, সার্জিও আগুয়েরো, রদ্রিগো ডি পল, নেইমার, জর্দি আলবা...তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধুরাই হলো তাঁর সতীর্থ। তিনি যখন হ্যাং-আউট করেন, যখন ভ্যাকেশনে বা ছুটিতে যান, তখন তাঁর এই ফুটবলীয় পরিবার সবসময় তাঁর সাথেই থাকে। তিনি তাঁর সতীর্থদের সাথে মাংস পোড়ান, একসাথে হাসেন, একসাথে কাঁদেন। তিনি তাদের কলিগ হিসেবে দেখেন না, তিনি তাদের নিজের রক্তের ভাই হিসেবে দেখেন।

আর এই দর্শনের ফলাফল?

আর্জেন্টিনার সংবাদ সম্মেলনগুলোতে কান পাতলে দেখবেন, কোচ থেকে শুরু করে সাইডবেঞ্চের খেলোয়াড়...সবার মুখে শুধু একটাই রব, "মেসি! মেসি! মেসি!" তারা শুধু তাঁকে কেন্দ্র করে খেলেই না, তারা তাঁকে আক্ষরিক অর্থেই পুজো করে। মেসি যখন ঘাসের ওপর পড়ে যান, তখন রদ্রিগো ডি পল বা ওটামেন্ডিরা শুধু ট্যাকটিক্যাল কারণে ছুটে আসেন না; তাঁরা ছুটে আসেন কারণ তাঁদের মনে হয় কেউ তাঁদের বড় ভাইয়ের গায়ে হাত তুলেছে!

এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনদর্শনের সবচেয়ে নগ্ন, সবচেয়ে হাড়হিম করা প্রমাণ আমরা পেয়েছি বিশ্বকাপ জার্নির শেষ ম্যাচগুলোতে।

যখন রোনালদো মেক্সিকোর বা কাতারের ঘাসে তাঁর শেষ ম্যাচটি হেরে হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদছিলেন, তখন কী ঘটেছিল? পুরো পর্তুগাল দল এদিক-ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। একটা লোকও... হ্যাঁ, একটা সতীর্থও ছুটে আসেনি তাঁকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিতে! তিনি একা কাঁদছিলেন, একা মাথা নিচু করে টানেলের অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর সেই কান্নার ভার নেওয়ার মতো কোনো 'মাটি' সেখানে ছিল না, কারণ তিনি সারাজীবন নিজেকে মাটি থেকে দূরেই রেখেছিলেন।

আর অন্যদিকে মেসি? মেসি যখন মাঠে হাসেন, পুরো আর্জেন্টিনা তাঁর সাথে হাসে। তিনি যখন কাঁদেন, এগারো জন গ্ল্যাডিয়েটর এসে তাঁকে মানব-প্রাচীর দিয়ে ঘিরে ফেলে।

এখানেই লুকিয়ে আছে গ্রেটনেসের বা শ্রেষ্ঠত্বের আসল রহস্য, যা কোনো স্কোরলাইন, কোনো ফিফা স্ট্যাটস বা কোনো অ্যালগরিদমে লেখা থাকে না।

আমরা প্রায়ই একটা ভুল করি। আমরা ভাবি, শুধু অনেক গোল করা, অনেক রেকর্ড ভাঙা আর অনেক ট্রফি জেতাটাই বোধহয় গ্রেটনেস।

না। গ্রেটনেস বা মহত্ত্ব শুধু তৈরি করলেই হয় না, সেটির 'মেইনটেন্যান্স' বা রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার মানবিক সম্পর্ক, আপনার চারপাশের মানুষের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি, আপনার বিনয়...এগুলোই হলো আপনার লিগ্যাসি বা ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার আসল সিমেন্ট।

লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো...খেলাটাকে এবং জীবনটাকে দেখার এই দুটি ভিন্ন ফিলোসফি বা দর্শন, আজ তাঁদের লিগ্যাসিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি গন্তব্যে নিয়ে গেছে।

একজনের গন্তব্য শেষ হয়েছে এক একাকী, নিঃসঙ্গ টানেলের অন্ধকারে, যেখানে তাঁর কান্নার শব্দ শোনার মতো কেউ নেই। আর অন্যজনের গন্তব্য শেষ হতে যাচ্ছে এক উৎসবমুখর, ভালোবাসায় মোড়ানো বিশাল পরিবারের আলিঙ্গনে।

মেসি আমাদের শিখিয়েছেন...তুমি যতই বড় হও না কেন, শিকড়কে কখনো ভুলে যেও না। কারণ বিশাল একটা বটগাছ হয়ে উঠতে, ওই মাটিটুকুর, তোমাকে বুকে টেনে নেওয়া বড্ড জরুরী।

11/07/2026

আপনারা যারা শেখ হাসিনাকে বোকা মনে করেন, তারা আসলে বেকুব। শেখ হাসিনা অত্যন্ত বুদ্ধিমতি। ওয়াজেদ মিয়ার আত্মজীবনী পড়লে বুঝবেন। বুদ্ধি না থাকলে, শেখ হাসিনা পুরো পরিবারকে হারানোর পর ১৯৮১ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে সভাপতি হয়ে আওয়ামী লীগের বাঘা বাঘা নেতাকে কোনঠাসা করতে পারতেন না। দলকে ২১ বছর পর ক্ষমতা আনতে পারতেন না। বুদ্ধি না থাকলে তিনি নিজে পাঁচ দফায় ২১ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারতেন না।

শেখ হাসিনা ছুরির মত ধারালো বুদ্ধির জোরেই ৫ আগস্ট রক্ষা পেয়েছেন। উনি যদি বোকা হতেন, তাহলে গণভবনে বেঘোরে প্রাণ দিতেন 'শেখ হাসিনা পালায় না' কথায় অনড় থেকে। বোকা হলে ৫ আগস্টের আগেই সব আত্মীয়স্বজনকে বিদেশ নিরাপদে পাঠিয়ে দিতেন না।

আর শেখ হাসিনা বুদ্ধিমতি বলেই বাংলাদেশে ফিরবেন না। ডিসেম্বরে তো নয়-ই। বাংলাদেশে যদি কোনো দিন নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে সরকার পরিবর্তন হয়, তবেই তিনি আসবেন। কারণ তিনি জানেন, নির্বাচিত কোনো সরকারের আমলে ফিরলে কী পরিণতি হবে।
আর ফিরতে চাইলে উনাকে আগস্ট, ডিসেম্বর এসব ডেট করতে হয় না। যখন ইচ্ছা তখনই আসতে পারেন, দেশের একজন নাগরিক হিসেবে। যে মামলায় যে রায় হয়েছে, উনি খুব ভালো করে জানেন এর পরিণতি কী।

বুদ্ধিমতি বলেই শেখ হাসিনা রয়টার্সকে সাক্ষাতকারে বলেছেন, 'দলের নেতাদের নিয়ে আগামী ডিসেম্বরে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পনের পরিকল্পনা করছি।' এর মাধ্যমে তিনি দেশে থাকা কর্মী সমর্থকদের আপাতত একটা আশা এবং উত্তেজনা দিলেন। যাতে তারা নেত্রী ফিরবে আবার ক্ষমতায় আসব আশায় মিছিল টিছিল অব্যহত রাখে।

কিন্তু এটা যখন ঘটবে না তখন শেখ হাসিনা কর্মী সমর্থকদের বলবেন, 'আওয়ামী লীগের কোনো নেতা দেশে ফিরে জেলে যেতে রাজি হয়নি। তাই ফেরা হচ্ছে না।' এর মাধ্যমে অন্য নেতারা কর্মীসমর্থকদের কাছে ঘৃণিত হবেন কিন্তু শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য বাড়বে। কর্মী সমর্থকরা ভাববে, নেত্রী ছাড়া আর কারো সাহস নেই।

শেখ হাসিনা বুদ্ধির সঙ্গে এই কাজ আগেও করেছেন। তিনি বহুবার আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রকাশ্য সমালোচনা করেছেন। সংসদে পর্যন্ত বলেছেন, ''আওয়ামী লীগের সব নেতাকে কেনা যায়, এটাই সমস্যা। শেখ হাসিনা ছাড়া।'’

আওয়ামী লীগে কিন্তু এই আলাপ আছে, শেখ হাসিনা বাদে সব নেতা খারাপ। সবাই আখেড় গুছিয়েছে, তাই সরকার পতন হয়েছে। ওবায়দুল কাদের দায়ী, হাছান মাহমুদ দায়ী, সালমান দায়ী, এস আলম দায়ী- এসব কথা কিন্তু দলটিতে আছে। যদিও তারা যা করেছে শেখ হাসিনার অনুমোদনে করেছে; কিন্তু এটা আওয়ামী লীগের কেউ বলে না। কারণ শেখ হাসিনা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেছেন, নেত্রীকে ভুল বোঝানো হয়েছে। তো শেখ ডিসেম্বরে না ফেরায় নেতারা কর্মীসমর্থকদের চোখে আরও ভিলেন হওয়ায়, শেখ পরিবারের বিকল্প চিন্তার সাহসও কেউ করবে না।

আরেকটি কথা বলা হবে, তাহল সরকার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা আসতে পারেননি। যদিও বাংলাদেশি একজন নাগরিকের ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফেরা এক মিনিটের কাজ। কিন্তু শেখ যেহেতু বুদ্ধিমতি তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করবেন, নেতাদের ভীরুতা এবং সরকার পাসপোর্ট বাতিল করে বাধা তৈরি করায়, আসতে পারলেন না। তবে শিগগির ফিরবেন।

ডিসেম্বর তো বেশি দূরে না, এই লেখা তখন মিলিয়ে নিতে পারবেন।

মার্চের ১ তারিখে লিখেছিলামঃ"ইমাম খামেনীর মত মানুষেরা ট্যাকটিক্সের চেয়ে ডকট্রিনে বেশি জোর দেয়।জেনেশুনে সর্বোচ্চ নেতা টপ অ...
03/07/2026

মার্চের ১ তারিখে লিখেছিলামঃ

"ইমাম খামেনীর মত মানুষেরা ট্যাকটিক্সের চেয়ে ডকট্রিনে বেশি জোর দেয়।

জেনেশুনে সর্বোচ্চ নেতা টপ অফিসিয়ালদের সহ জান কুরবান দেয়ার উদ্দেশ্যটা এখন স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

কোন বিপ্লবী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতা যখন না লুকায়, সৈনিকরা তখন যেকোন পরিস্থিতিতে পালানোর সম্ভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে।

বিপ্লবী নেতা যখন মৃত্যুকে নিঃশর্ত আলিঙ্গন করে, তখন এই নযীর তৈরি হয়, যে মৃত্যু আসলে এমন কিছুও না, যা ভয়ের যোগ্য।

ইমাম যখন কারবালাকে নিজের রক্ত দিয়ে জিন্দা করে যান, তখন পরবর্তী রাজনীতিবিদদের রাস্তা নির্ধারিত হয়ে যায়, রাজনীতি হবে শাহাদাতের রাজনীতি।ইরানী-তাজিক-তুর্কমান শী'আ থিওলজিতে এভাবে শহীদ হওয়ার মানে হচ্ছে, আমি যখন থাকবো না, তোমরা আমার পাগড়ী, মানচিত্র ও পতাকার বেইজ্জতি করবে না।

ফিল্ড মার্শাল জেনেশুনে জান কুরবানী দেয়ার পর জেনারেলদের আর গাদ্দারীর অপশন থাকে না, জেনারেলদের একমাত্র অপশন থাকে Resistance to the last bullet.

আমার প্রথম বই সানজাক ই উসমানের কাজ করতে গিয়ে আমাকে একশোর ওপর যুদ্ধকে গভীরভাবে পড়তে হয়েছে। যুদ্ধের অস্ত্র আর কৌশল বদলালেও যুদ্ধের যে সমর নৈতিকতা, সৈনিকের যে মানস, সেটা কিন্তু ঐ প্রাচীন ডিএনএতে লেখা কোডই আছে। এভাবে সেনাপতি শহীদ হওয়ার পর যে বাহিনী শেষ বুলেট পর্যন্ত হাতে রেখে লড়াই করে, তাকে হারানো অত্যন্ত কঠিন, প্রায় অসম্ভব। আপনি তাদের সমূলে ধ্বংস না করলে তাদের সাথে জিততে পারবেন না।

যে নেতা আত্মসমর্পণ করে না, যে নেতা বন্দী হয় না, সে নেতা পরাজিত হয় না। শহীদ হলেও পরাজিত হয় না।

ইমাম খামেনী শাহাদাতের মধ্যে দিয়ে এই যুদ্ধের ভাগ্য গড়ে দিয়ে গেছেন। তার জেনারেলরা এখন বিক্রি হতে চাইলে তাদের রক্ত অন্যদের জন্য হালাল হয়ে যাবে। তার উত্তরসুরী নেতারা এখন কম্প্রোমাইজ করতে চাইলে নিজেদের লোকের হাতে খু/ন হয়ে যাবে।

এখন ইরানের ডকট্রিন হচ্ছে resistance to the last bullet.

আমেরিকা যদি এই যুদ্ধকে সামনে টেনে নেয়, এটা ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হতে যাচ্ছে।"

মূলত, তখন না বুঝলেও মাসখানেকের ভেতরেই এই যুদ্ধের চুড়ান্ত পরিনতি আমেরিকা বুঝতে পারে, ফলে তারা হিজ্রেলকে নেগোসিয়েশান থেকে বাদ দিয়ে দেয়। এরপর বহু চেষ্টা করেও এই সিস্টেমে হিজ্রেল এন্ট্রি নিতে পারে নি।

আজকে ইমাম খামেনীর জানাযায় প্রায় সারা মুসলিম উম্মাহর নেতারা হাজিরা জানাতে গেছেন।

ইরানীদের নেতাদের সামনে নিজের ও নিজের প্রায় পুরো পরিবারের কুরবানীর যে নজির স্থাপন করে ইমাম বিদায় নিলেন, তাতে তিনি শুধু ইরানের নন, সারা দুনিয়ার প্রতিরোধ সংগ্রামীদের ইমাম হয়ে গেছেন।

শাহাদাত মুবারক, ইমাম আয়াতুল্লাহ আলী খামেনী!!
©

29/06/2026

"অনেকেই ভাবছে ইজরাইলের অনেক পয়সা খরচ হলো ইরানের সাথে লাগতে যেয়ে।
আসলে ইজরাইলের এক পয়সা খরচ হয়নি !

ওদের সকল যুদ্ধের খরচ এবং অস্ত্রের খরচ যোগায় আমেরিকা।

হয়তো ভাবছেন আমেরিকা নিজে পকেট থেকে বছর বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেয়।
জ্বি না , সেটাও না।

আমেরিকাও এক পয়সা নিজ পকেট থেকে দেয় না।

ইজরাইলের অস্ত্র থেকে শুরু করে ওদের ডাইপার কেনার পয়সা সৌদি , কাতার আর দুবাই দেয় ।

ট্রাম্প জেতার পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল মিডিলিস্টে।
কারণ , সে ওখানে চাঁদাবাজি করতে গিয়েছিল।

প্রতি চার বছর পর পর আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট যেই আসুক , সে এই তিন দেশে ভ্রমণ করে।
এবং এই তিন দেশ আগের চার বছরে তেল বেঁচে যে পয়সা কামায়, তার অর্ধেক আমেরিকা এসে খাজনা হিসেবে নিয়ে যায়।

তবে আমেরিকা এই টাকা পুরোটা একা খায় না।
সে এখান থেকে ৩০/৪০ % টাকা প্রতি বছর ইজরাইলকে ডোনেশন হিসেবে দেয়।

মধ্য প্রাচ্যের এই তিন গান্ডু নামে মুসলিম রাষ্ট্র, সরাসরি ইজরায়েলকে টাকা দিতে পারেনা , শরম লাগে।

তাই এই টাকা আমেরিয়াকর প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে চাঁদাবাজি দেখিয়ে ইজরায়েলে পাঠায়।

খেয়াল করে দেখেন গত ৭০ বছর যাবৎ ইজরায়েল ফিলিস্তিনে এবং অন্যান্য দেশে বোমা মেরে যে ক্ষতি করে আসছে , এগুলো পুনরায় তৈরী করার জন্য ঐ তিন দেশ সবসময় টাকা দেয়।

ইজরায়েল ৪/৫ বছর পর আবার বোমা মেরে সেগুলো সব ধ্বংস করে। সৌদিরা আবার টাকা দিয়ে সেগুলো তৈরী করে দেয়।

ঐ তিন দেশ জীবনেও কোনদিন একটি গুলিও ছুড়ে প্রতিবাদ করেনা।
কিন্তু প্রত্যেকবার টাকা দেয় নতুন করে বিল্ডিং করার জন্য।

এভাবেই ঐ তিন ইতর নামে মুসলিম দেশ, ইজরায়েলের যুদ্ধের খরচ বহন করে আসছে।

এবার ট্রাম্প সৌদি থেকে ১ ট্রিলিয়ন , কাতার এবং দুবাই থেকে ১.৪ ট্রিলিয়ন করে ২.৮ ট্রিলিয়ন চাঁদাবাজির খাজনা নিয়েছে।

মোট ৩.৮ ট্রিলিয়ন তেল বেচার টাকা নিয়েগেছে ট্রাম্প।

এক ট্রিলিয়নে কয়টা শূন্য বসে এগুলো আমাদের মতো আমজনতার মাথায় ধরবে না।
কত টাকা হতে পারে , তা হিসাব করে বের করা সম্ভব নয়।

চীন বাংলাদেশের মতো একটি দেশকে এক বিলিয়ন দিলেই খবরের কাগজে বিশাল হেডলাইন হয়।

সেখানে এবার ট্রাম্পের ইহুদি মেয়ের জামাই জেরার্ডের কোম্পানিকে সৌদি ২ বিলিয়ন দিয়েছে ডোনেশন হিসেবে।

জেরার্ডের সেই কোম্পানি আবার একটি অস্ত্র কোম্পানিতে ইনভেস্ট করে, যেটার মালিক ইজরাইলের ইহুদী গোষ্ঠী।

মূলত সৌদি টাকায় ইজরায়েল অস্ত্র বানায় , আর সেগুলো লিবিয়া , সিরিয়া , লেবাননের বিরুদ্ধে এবং এবার ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করলো।

তাহলে কিছু বুঝলেন , ইজরাইলের সকল অস্ত্রের টাকা কোথা থেকে আসে !

বাংলাদেশের গরিব কৃষক গনি মিয়া সারা জীবন না খেয়ে তিল তিল করে টাকা জমায় শেষ জীবনে হজ্জ্ব করার জন্য।
এছাড়া তার মনে আর কোন ইচ্ছা কাজ করে না।

সে কোনদিন কক্সেসবাজারে হলিডে করতে যায়না, শহরে কোনদিন যায় না, চিকিৎসার প্রয়োজন না হলে।

পরিবার নিয়ে কোনদিন উপজেলাতে গিয়ে কোন রেস্টুরেন্টে ভালমন্দ খায় না, কারণ সে হজ্জের জন্য টাকা জমাচ্ছে।

তার সারা জীবনের কঠোর পরিশ্রমের কয়েক লক্ষ টাকা জমিয়ে শেষ পর্যন্ত গনি মিয়া সৌদি গিয়ে হজ্জ্ব করে ঠিকই।

কিন্তু সেই গনি মিয়া জানে না , তার হজ্জের খরচের ৬ লক্ষ টাকার মধ্য থেকে কিছু অংশ সৌদি সরকার আমেরিকাকে দিয়ে দেয় , এবং সেখান থেকে আমেরিকা সরাসরি টাকা অথবা অস্ত্র কিনে ইজরায়েলকে দেয় মুসলিম দেশের উপর হামলা করে নিরীহ মুসলমানদের মারার জন্য।"

-Shafi Haque Bhai

অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্রদের আওয়াজ চলবেই।দুর্নীতিবাজদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও!দালাল মুক্ত ক্যাম্প...
18/04/2026

অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্রদের আওয়াজ চলবেই।

দুর্নীতিবাজদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও!
দালাল মুক্ত ক্যাম্পাস চাই, সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ চাই।
অশালীনতা বন্ধ করো, কর্তৃপক্ষ জবাবদিহি করো!
ভন্ডদের দূর করো, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করো!

18/04/2026

১. লোকদেখানো আন্দোলনের সমালোচনা

আমার মতে, কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ‘মানববন্ধন’ বা আন্দোলনের ডাক দেয়, কিন্তু গোপনে আবার ‘সেটেলমেন্ট’ করে ফেলে। আন্দোলনের আগে কেন সমাধান করা হলো—এটা বড় প্রশ্ন। তারা আগে স্কুলকে অসম্মান করে বা বিষয়টাকে ভাইরাল করে, তারপর নিজেদের সুবিধা নেয়। আমি এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরাসরি ‘নাটক’ ও ‘বাটপারি’ হিসেবে দেখি।

২. সুবিধাবাদী ও মুনাফেকদের প্রতি হুঁশিয়ারি

আমি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সবচেয়ে বড় ভুল হলো মুনাফেক ও সুবিধাবাদী মানুষদের বিশ্বাস করা। ভবিষ্যতে যেন আমরা এসব লোকদের দ্বারা ব্যবহৃত না হই, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে।

৩. রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও আদর্শিক ভিন্নতা

আমার মতে, এসব ঘটনার পেছনে নির্দিষ্ট দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী কিছু মানুষ কাজ করছে (যেমন: কেউ বিএনপি বা রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ)। তাদের আদর্শিক চিন্তা আলাদা, তাই তাদের সাথে কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয় সম্ভব নয়।

৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা

আমি বিশ্বাস করি, কোনো ব্যক্তির সম্মান কখনোই প্রতিষ্ঠানের সম্মানের চেয়ে বড় হতে পারে না। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এসব তথাকথিত ধান্দাবাজ ও বাটপারদের হাত থেকে রক্ষা করে এর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের দায়িত্ব।

৫. সমঝোতা ও সমাধানের ধরণ নিয়ে সংশয়

আমার মতে, আন্দোলনকারীদের করা ‘সেটেলমেন্ট’ বা সমাধানের কোনো স্বচ্ছতা নেই। সমাজ বা স্কুলের উন্নয়ন তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য নয়; বরং ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।

18/04/2026

২. লোকদেখানো আন্দোলনের সমালোচনা

আমার মতে, কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ‘মানববন্ধন’ বা আন্দোলনের ডাক দেয়, কিন্তু গোপনে আবার ‘সেটেলমেন্ট’ করে ফেলে। আন্দোলনের আগে কেন সমাধান করা হলো—এটা বড় প্রশ্ন। তারা আগে স্কুলকে অসম্মান করে বা বিষয়টাকে ভাইরাল করে, তারপর নিজেদের সুবিধা নেয়। আমি এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরাসরি ‘নাটক’ ও ‘বাটপারি’ হিসেবে দেখি।

১. সুবিধাবাদী ও মুনাফেকদের প্রতি হুঁশিয়ারি

আমি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সবচেয়ে বড় ভুল হলো মুনাফেক ও সুবিধাবাদী মানুষদের বিশ্বাস করা। ভবিষ্যতে যেন আমরা এসব লোকদের দ্বারা ব্যবহৃত না হই, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে।

৩. রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও আদর্শিক ভিন্নতা

আমার মতে, এসব ঘটনার পেছনে নির্দিষ্ট দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী কিছু মানুষ কাজ করছে (যেমন: কেউ বিএনপি বা রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ)। তাদের আদর্শিক চিন্তা আলাদা, তাই তাদের সাথে কোনো সাধারণ ছাত্রদের সমন্বয় সম্ভব নয়।

৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা

আমি বিশ্বাস করি, কোনো ব্যক্তির সম্মান কখনোই প্রতিষ্ঠানের সম্মানের চেয়ে বড় হতে পারে না। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এসব তথাকথিত ধান্দাবাজ ও বাটপারদের হাত থেকে রক্ষা করে এর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা আমাদের দায়িত্ব।

৫. সমঝোতা ও সমাধানের ধরণ নিয়ে সংশয়

আমার মতে, আন্দোলনকারীদের করা ‘সেটেলমেন্ট’ বা সমাধানের কোনো স্বচ্ছতা নেই। সমাজ বা স্কুলের উন্নয়ন তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য নয়; বরং ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।

Address

Kaloha
Tangail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গোপাল দীঘি কে, পি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share