28/04/2026
এই রকম আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট কেউ কখনো দেখেছেন? আমি দেখি নাই।
সে আসলে ডাক্তার না, নামের আগেও ডাক্তার লিখে নাই কিন্তু ডিগ্রি MBBS 🤣🤣ফানি না?
জনগণ এইরকম ভুয়া ডাক্তার দিয়ে আল্ট্রা করে প্রতারিত হচ্ছে, তাদের টাকা গুলো নস্ট হচ্ছে।
24/04/2026
সবাই যদি আপনার মতো বুঝতো তাহলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও বেড়ে যেত..!
এটা আবার সব বড় স্যারেরা মানতে নারাজ।
আমরা তো আপনারদের পরই সেবার কাজ করে থাকি তাহলে এতো বিরোধিতা কেনো..??
এমবিবিএস পাস করে বছর খানেক চাকরী করার পর সাধ জাগলো নিজের গ্রামের এলাকায় যেয়ে চেম্বার করি। কারন অনেক মানুষের অভিযোগ থাকে এমবিবিএস রা নাকি গ্রামে যায় না। যাই হোক। আজ প্রায় ১৪/১৫ মাস চেম্বার করি নিজের এলাকায়। অনেক সময় রোগীরা এমন কিছু অদ্ভুত প্রেস্ক্রিপশন নিয়ে হাজির হয়, যেগুলো দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝিনা। সবচেয়ে বেশী অপচিকিৎসা হয় চর্মরোগে। আর সেই সাথে জ্বর, ঠান্ডা, হালকা কাশি যাই হোক না কেন, স্টেরয়েড, এন্টিবায়োটিক ছাড়া কোনো প্রেস্ক্রিপশন নাই। এগুলো বেশিরভাগই কিন্তু করে থাকে পল্লীচিকিৎসকেরা (বেশিরভাগই ২-৩ মাসের কোনো না কোনো কোর্স করা যেগুলোর বৈধতা ও নেই)। রোগীর কি রোগ হয়েছে তার চেয়ে রোগীর উপসর্গ কমানোর এক প্রতিযোগিতা চলে গ্রামে-গঞ্জে। তাই স্টেরয়েড এর ব্যবহার থাকবেই। রোগী ও খুশি, যিনি চিকিৎসা দেন উনিও খুশি। কিন্ত সাফার করে পরবর্তীতে। আবার যে ধরনের চর্মরোগ ই থাকুক না কেন, রোগীকে যেকোনো একটা স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন দেবেই। ইনিশিয়ালি কমলেও পরে যায় বেড়ে। যাইহোক, এগুলোই চলতেছে। বেশিরভাগ রোগীরা আবার উপসর্গ দ্রুত কমে যাওয়াতে খুশিই হয়। পল্লিচিকিৎসক দের বিরুদ্ধে কিছু লেখলে আবার তাদের অনেক ভক্ত রা এসে কমেন্ট বক্সে গালাগালিও করেন। যাই হোক, এবার আসি ডিএমএফ দের ব্যাপারে। যতোদূর জানি ওনাদের কিছু ঔষধ লেখার অনুমতি আছে, প্রেস্ক্রিপশন করতে পারেন। তাই বেশিরভাগই পাস করে গ্রামে গঞ্জে যেয়ে চেম্বার করেন। আর তা না করেও লাভ নাই। বর্তমানে তাদের না আছে কোনো সরকারি নিয়োগ, আবার নাই কোনো বেসরকারি চাকরিও। সরকারি ছাড়াও বহু প্রাইভেট ম্যাটস গড়ে উঠেছে বিগত সরকারের আমলেও৷ সেখান থেকে হাজার হাজার ডিএমএফ বের হয়েছে। ব্যবসা করেছে প্রতিষ্ঠান এর মালিকেরা, পাস করে ভুক্তভোগী ডিএমএফ রা। যেহেতু তাদের কোনো চাকরির ব্যবস্থা নাই তাই বাধ্য হয়ে গ্রামে গঞ্জে যেয়ে চেম্বার প্র্যাকটিস করছেন। আমরা হয়তো অনেকে ফেসবুকে বসে গালমন্দ করছি ওনাদের, কিন্তু বাস্তবে কয়জন এমবিবিএস গ্রামে যেয়ে প্র্যাকটিস করছি? আবার গ্রামে যদিও যাই ও, দীর্ঘদিন কিন্তু কেউ ই প্র্যাকটিস করছিনা সেখানে। কারন আমরা সবাই ই মোটামুটি সবাই চাই উচ্চতর ডিগ্রী নিতে, শহরের দিকে প্র্যাকটিস করতে। আর সেই কারনেই গ্রামে গঞ্জে সবচেয়ে বেশি অপচিকিৎসা হয় পল্লীচিকিৎসক দের দ্বারা। কিন্তু সমালোচনার স্বীকার শুধু ডিএমএফ রা হচ্ছে, পল্লী রা আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। আমি এখানে ডিএমএফ দের সাফাই গাওয়ার জন্য লেখছি না। কারন তারাও অনেক সময় ভূল করে, এগ্রেসিভ আচরণ দেখায়। তবে আমার কথা হলো যারা ডিএমএফ পড়েছেন, পাস করেছেন তারা কোনো নিষিদ্ধ কিছু পড়েনাই। পাপ করে ফেলে নাই। অপরাধ তাদের যারা তাদের পড়িয়ে কোনো কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা রাখেনাই। আশা রাখি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো যায়গায় প্রয়োজনে আরো দক্ষতা বাড়িয়ে সহকারী হিসেবে/ যেকোনো পোস্ট যেটা চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্ট সেখানে কাজের ব্যবস্থা করুক। তাহলেই তো তারা আর ডাক্তার বনে যেয়ে রোগী দেখলোনা (যদিও আমার জানামতে ওনারা নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ প্রেস্ক্রাইব করতে পারেন) । আর যদি তা না ই হয়, তবে এই কোর্স বাতিল করে দিলেই তো হয়! ফেসবুকে এক পক্ষ আরেক পক্ষ কে শুধু গালাগালিই করে যায়, সমাধানের কথা কেউ বলেনা। আশা করি একদিন আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ও উন্নতি হবে, অপচিকিৎসা ও দূর হবে।
22/04/2026
👉 ১৯৭৮ সালের এই সরকারি আদেশ প্রমাণ করে—
ডিপ্লোমা চিকিৎসকরা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত- তাদের জন্য নির্ধারিত গ্রেড ও পদোন্নতির কোটা রয়েছে- তারা উচ্চ পদে উন্নীত হতে পারবে।
তাহলে আজ কেন এই বৈষম্য? কেন আমাদের অধিকার খর্ব করা হবে? এই জবাব কে দিবে..??
20/04/2026
যেনে রাখুন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের পাঁচ মন্ত্র..!
18/04/2026
Rough scissor ও Fine scissor দুটির মধ্যে পার্থক্য কি..??