Kamrul Hasan's Tutorial

Kamrul  Hasan's Tutorial

Share

Here various videos will be shared on Physics, Chemistry and Biology subjects.

Photos from Kamrul  Hasan's Tutorial 's post 09/10/2025

পদার্থ বিজ্ঞান -১০ ম অধ্যায় গাণিতিক সমস্যাবলী।

17/09/2025

Viatamin-K

ভিটামিন কে একটি চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন, যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি মূলত রক্ত ​​জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া এবং হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য অপরিহার্য।
ভিটামিন কে এর প্রকারভেদ
ভিটামিন কে মূলত দুটি প্রধান রূপে পাওয়া যায়:
* ভিটামিন K1 (ফাইলোকুইনোন): এটি মূলত উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়, বিশেষ করে সবুজ পাতাযুক্ত শাক-সবজিতে। যেমন- পালং শাক, ব্রোকলি, বাঁধাকপি, কেল ইত্যাদি।
* ভিটামিন K2 (মেনাকুইনোন): এটি প্রাণীজ খাবার এবং কিছু গাঁজানো খাবার (fermented foods) থেকে পাওয়া যায়। এছাড়াও অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া দ্বারাও এটি উৎপাদিত হয়। যেমন- ডিমের কুসুম, মাংস, পনির এবং দই।
ভিটামিন কে এর প্রধান কাজ
* রক্ত জমাট বাঁধা: ভিটামিন কে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। যখন কোথাও কেটে যায়, তখন রক্তপাত বন্ধ করার জন্য শরীরের কিছু প্রোটিন (যেমন: প্রোথ্রমবিন, ফ্যাক্টর VII, IX, এবং X) সক্রিয় হতে হয়। ভিটামিন কে এই প্রোটিনগুলোকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
* হাড়ের স্বাস্থ্য: ভিটামিন কে হাড়ের বিপাক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি এমন কিছু প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে যা হাড়ের স্বাস্থ্য এবং খনিজ পদার্থ (যেমন ক্যালসিয়াম) শোষণের জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন কে এর অভাব হাড়কে দুর্বল করতে পারে এবং অস্টিওপরোসিস (হাড় ক্ষয়) এর ঝুঁকি বাড়ায়।
* হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো: কিছু গবেষণা থেকে জানা যায়, ভিটামিন কে ধমনীতে ক্যালসিয়াম জমা হওয়া কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তপ্রবাহের উন্নতি ঘটায় এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
ভিটামিন কে এর অভাব
ভিটামিন কে এর অভাব সাধারণত বিরল, তবে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এটি হতে পারে। যেমন- পুষ্টির ঘাটতি, লিভারের রোগ, বা কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ (যেমন: রক্ত পাতলা করার ওষুধ) ব্যবহারের কারণে এর অভাব দেখা দিতে পারে।
অভাবের লক্ষণ:
* অতিরিক্ত রক্তপাত (যেমন: নাক, দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত)
* সহজে কালশিটে পড়া
* মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ
* প্রস্রাব বা মলের সাথে রক্ত যাওয়া
ভিটামিন কে এর উৎস
ভিটামিন কে পেতে আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় নিম্নলিখিত খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন:
* ভিটামিন K1 সমৃদ্ধ খাবার: পালং শাক, কেল, ব্রোকলি, বাঁধাকপি, শালগম, লেটুস, শিম, ইত্যাদি।
* ভিটামিন K2 সমৃদ্ধ খাবার: ডিম, মাংস (বিশেষ করে মুরগি ও গরুর মাংস), পনির, দই, নাট্টো (এক ধরনের গাঁজানো সয়াবিন)।
দৈনিক চাহিদা
ভিটামিন কে এর দৈনিক চাহিদা বয়স ও লিঙ্গের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক ৯০-১২০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে প্রয়োজন হতে পারে।
যদি আপনার কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে বা আপনি কোনো বিশেষ ওষুধ গ্রহণ করেন, তবে ভিটামিন কে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

13/09/2025

ভিটামিন-এ

​ভিটামিন এ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন যা আমাদের শরীরের নানা কাজে অপরিহার্য। এর বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
​ভিটামিন এ এর প্রকারভেদ
​ভিটামিন এ মূলত দুটি ভিন্ন রূপে পাওয়া যায়:
​প্রিফর্মড ভিটামিন এ (Preformed Vitamin A): এটি প্রাণিজ উৎস থেকে পাওয়া যায়। এর রাসায়নিক নাম হলো রেটিনল। শরীর সরাসরি এটিকে ব্যবহার করতে পারে।
​প্রোভিটামিন এ ক্যারোটিনয়েড (Provitamin A Carotenoids): এটি উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে পাওয়া যায়। বিটা-ক্যারোটিন হলো এর একটি প্রধান ধরন, যা শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়।
​ভিটামিন এ এর কাজ ও উপকারিতা
​দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি: এটি চোখের রেটিনায় আলো-সংবেদনশীল রঞ্জক পদার্থ (রডোপসিন) গঠনে সহায়তা করে। এর ফলে কম আলোতে এবং রাতে দেখতে সুবিধা হয়। ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
​রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন এ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এটি শ্লেষ্মা ঝিল্লির স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও সহায়তা করে।
​ত্বক ও টিস্যুর স্বাস্থ্য: এটি ত্বক ও অন্যান্য কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, ত্বককে মসৃণ ও সুস্থ রাখে।
​হাড় ও দাঁতের গঠন: এটি হাড় ও দাঁতের সঠিক গঠনে সহায়তা করে, বিশেষত শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এটি অপরিহার্য।
​প্রজনন স্বাস্থ্য: পুরুষ ও মহিলাদের প্রজনন ক্ষমতা ঠিক রাখতে এটি সাহায্য করে।
​অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে: ভিটামিন এ একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি রেডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়ক হতে পারে।
​ভিটামিন এ এর উৎস
​ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার দুটি প্রধান উৎস থেকে পাওয়া যায়:
​১. প্রাণীজ উৎস:
​যকৃত (লিভার), ডিমের কুসুম, দুধ, পনির, দই
​তৈলাক্ত মাছ (যেমন - স্যামন, ম্যাকেরেল) এবং মাছের তেল (যেমন - কড লিভার অয়েল)।
​২. উদ্ভিজ্জ উৎস:
​কমলা ও হলুদ রঙের সবজি ও ফল: গাজর, মিষ্টি আলু, কুমড়া, পাকা পেঁপে, আম।
​গাঢ় সবুজ শাকসবজি: পালং শাক, ব্রকলি, বাঁধাকপি।
​অন্যান্য: টমেটো।
​ভিটামিন এ এর অভাবজনিত রোগ
​ভিটামিন এ এর অভাবে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো:
​রাতকানা রোগ (Night Blindness): রাতে বা কম আলোতে দেখতে অসুবিধা হয়।
​জেরোফথ্যালমিয়া (Xerophthalmia): চোখের কনজাঙ্কটিভা (পাতলা পর্দা) ও কর্নিয়া শুষ্ক হয়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত অন্ধত্বের কারণ হতে পারে।
​ত্বকের সমস্যা: ত্বক শুষ্ক, খসখসে বা আঁশযুক্ত হয়ে যায়।
​দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ঘন ঘন সংক্রমণ, যেমন সর্দি, ফ্লু বা শ্বাসতন্ত্রের রোগ দেখা দেয়।
​বৃদ্ধি ব্যাহত: শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি কমে যায়।
​অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণের ঝুঁকি
​ভিটামিন এ চর্বি-দ্রবণীয় হওয়ায় এটি শরীরে জমা হতে পারে। অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণ করলে কিছু সমস্যা হতে পারে, যেমন:
​মাথাব্যথা ও বমি বমি ভাব
​ঝাপসা দৃষ্টি
​হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া এবং হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি
​যকৃতের ক্ষতি
​ত্বকে চুলকানি বা লালচে ভাব।
​সব মিলিয়ে, সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে ভিটামিন এ এর চাহিদা পূরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনের চেয়ে কম বা বেশি কোনোটিই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

11/09/2025

# # #
​ভিটামিন ডি হল এক প্রকার চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরের বিভিন্ন জৈবিক কার্যক্রমে, বিশেষ করে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফেটের শোষণে সাহায্য করে। এর দুটি প্রধান রূপ হলো ভিটামিন ডি২ (আর্গোক্যালসিফেরল) এবং ভিটামিন ডি৩ (কলিক্যালসিফেরল)।

​ভিটামিন ডি এর কাজ 🩺
​ভিটামিন ডি হাড় ও পেশীর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অপরিহার্য। এটি হাড়কে মজবুত করতে এবং অস্টিওপোরোসিস (osteoporosis) ও রিকেট (rickets) এর মতো রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মেজাজ ভালো রাখে এবং বিষণ্নতা কমাতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সুস্থ দাঁত, হৃৎপিণ্ড এবং ফুসফুসের কার্যকারিতাতেও অবদান রাখে।

​ভিটামিন ডি এর উৎস ☀️
​ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস হলো সূর্যালোক। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে এলে ত্বক ভিটামিন ডি তৈরি করে। এটি ছাড়াও, কিছু নির্দিষ্ট খাবার থেকেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যেমন:
​চর্বিযুক্ত মাছ (টুনা, সার্ডিন)
​কড বা হাঙর মাছের যকৃতের তেল
​ডিমের কুসুম
​মাশরুম
​দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য (যেমন পনির, মাখন)
​ফর্টিফায়েড খাবার (যেমন কিছু ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল, দুধ)

​ভিটামিন ডি এর অভাব ও অতিরিক্ত মাত্রা ⚠️
​শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো:
​ক্লান্তি ও দুর্বলতা
​হাড় ও পেশীতে ব্যথা
​চুল পড়া
​ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া
​অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি
​অন্যদিকে, অতিরিক্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে তা শরীরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, যাকে হাইপারভিটামিনোসিস ডি (hypervitaminosis D) বলে। এর ফলে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায় (হাইপারক্যালসেমিয়া)।

অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণগুলো হলো:
​বমি বমি ভাব ও বমি
​ক্ষুধা কমে যাওয়া
​অত্যধিক তৃষ্ণা ও ঘন ঘন প্রস্রাব
​পেশী দুর্বলতা
​কিডনিতে পাথর
​ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার নিয়ে এই ভিডিওটি সহায়ক হতে পারে। ভিটামিন ডি এর উপকারিতা - ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার

10/09/2025

ভিটামিন সি (Ascorbic acid) মানব দেহের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এটি একটি জলে দ্রবণীয় ভিটামিন, যার অর্থ হলো এটি শরীরে সঞ্চিত থাকে না এবং প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা থেকে এর চাহিদা পূরণ করা জরুরি।
​ভিটামিন সি-এর উপকারিতা:
​রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি দেহের কোষগুলোকে ফ্রি র‌্যাডিক্যালস এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে বিভিন্ন সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
​কোলাজেন উৎপাদন: কোলাজেন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন, যা ত্বক, হাড়, দাঁত, মাড়ি, রক্তনালী এবং অন্যান্য সংযোজক টিস্যু গঠনে অপরিহার্য। ভিটামিন সি এই কোলাজেন উৎপাদনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে, ফলে ত্বক ও হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং ক্ষত দ্রুত সেরে ওঠে।
​আয়রন শোষণ: ভিটামিন সি উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে আয়রন শোষণে সাহায্য করে। এর অভাবে আয়রনের ঘাটতি হতে পারে, যা রক্তাল্পতার কারণ।
​মানসিক স্বাস্থ্য: ভিটামিন সি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিউরোট্রান্সমিটারের চলাচল এবং তথ্য আদান-প্রদানে ভূমিকা রাখে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এটি মানসিক অবসাদ কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
​দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য: এটি মাড়িকে সুস্থ রাখতে এবং মাড়ি থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।
​ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ ও লক্ষণ:
​ভিটামিন সি-এর দীর্ঘদিনের অভাব মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। সবচেয়ে পরিচিত রোগটি হলো স্কার্ভি। এর সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
​মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং মাড়ির রোগ
​শরীরে ছোট ছোট লাল দাগ
​ক্ষত নিরাময়ে বিলম্ব
​দুর্বলতা এবং ক্লান্তি
​হাড় ও পেশী দুর্বল হওয়া
​ত্বকের বিভিন্ন রোগ, যেমন ত্বক জ্বালা করা বা চুলকানি
​এছাড়া, ভিটামিন সি-এর অভাবে থাইরয়েড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যেতে পারে, যা হাইপারথাইরয়েডিজমের কারণ হতে পারে।
​ভিটামিন সি-এর উৎস:
​ভিটামিন সি মূলত ফল এবং শাকসবজিতে পাওয়া যায়। এর কিছু প্রধান উৎস হলো:
​টক ফল: কমলা, মালটা, লেবু, আঙুর, আমলকি, পেয়ারা।
​অন্যান্য ফল: পেঁপে, আনারস, জাম, লিচু, কিউই, স্ট্রবেরি।
​শাকসবজি: সবুজ পাতাযুক্ত শাক (যেমন পালং শাক), ব্রকলি, বাঁধাকপি, টমেটো, আলুর খোসা, কাঁচা মরিচ। কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।
​ভিটামিন সি-এর দৈনিক চাহিদা:
​প্রাপ্তবয়স্ক একজন পুরুষের জন্য দৈনিক প্রায় ৯০ মিলিগ্রাম এবং একজন নারীর জন্য ৭৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি প্রয়োজন। তবে, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে এই চাহিদা আরও বেশি হয় (যথাক্রমে ৮৫ মিলিগ্রাম এবং ১২৫ মিলিগ্রাম)। ধূমপায়ীদের ভিটামিন সি-এর অভাব বেশি দেখা যায়, তাই তাদেরও বাড়তি ভিটামিন সি প্রয়োজন হতে পারে।
​গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ভিটামিন সি তাপমাত্রায় দ্রুত নষ্ট হয়। তাই এর সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ পেতে হলে তাজা ফলমূল এবং শাকসবজি কাঁচা খাওয়া উচিত। রান্না করলে এর পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়। যেহেতু এই ভিটামিন শরীরে জমা হয় না, তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা আবশ্যক।

10/09/2025

ছেলের আবদার.....

08/09/2025

ব্যাপন (Diffusion) হলো পদার্থের অণু বা কণার স্বতঃস্ফূর্তভাবে বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকার দিকে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া। যতক্ষণ পর্যন্ত না ঘনত্ব সব জায়গায় সমান হয়, ততক্ষণ এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
এই প্রক্রিয়াটি মূলত পদার্থের কণাগুলোর স্বাভাবিক গতিশক্তির কারণে ঘটে। কণাগুলো প্রতিনিয়ত এলোমেলোভাবে ছোটাছুটি করতে থাকে এবং একে অপরের সাথে সংঘর্ষ ঘটায়। এর ফলে তারা ধীরে ধীরে সমস্ত উপলব্ধ স্থান দখল করে নেয়।
ব্যাপনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:
* স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া: ব্যাপন কোনো বাহ্যিক শক্তি ছাড়াই নিজে নিজেই ঘটে।
* উচ্চ ঘনত্ব থেকে নিম্ন ঘনত্বের দিকে: কণাগুলো সব সময় বেশি ঘনত্বের অঞ্চল থেকে কম ঘনত্বের অঞ্চলের দিকে চলাচল করে।
* তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল: তাপমাত্রা বাড়লে কণাগুলোর গতিশক্তি বাড়ে, ফলে ব্যাপনের হারও বেড়ে যায়। যেমন, গরম পানিতে চিনি দ্রুত গলে যায়।
* মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল: ব্যাপন কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় - এই তিন মাধ্যমেই ঘটে, তবে গ্যাসীয় মাধ্যমে এর হার সবচেয়ে বেশি। কারণ গ্যাসের কণাগুলো অনেক দূরে দূরে থাকে এবং তাদের গতিশক্তিও বেশি।
* অর্ধভেদ্য ঝিল্লি: ব্যাপন অর্ধভেদ্য ঝিল্লির (semi-permeable membrane) ভেতর দিয়েও ঘটতে পারে।
ব্যাপনের কিছু দৈনন্দিন উদাহরণ:
* শরীরের ভেতর:
* অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড বিনিময়: ফুসফুসের অ্যালভিওলাইতে উচ্চ ঘনত্বের অক্সিজেন রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্ত থেকে উচ্চ ঘনত্বের কার্বন ডাই অক্সাইড অ্যালভিওলাইতে চলে আসে। এটি ব্যাপনের একটি নিখুঁত উদাহরণ।
* খাবার থেকে পুষ্টি শোষণ: আমাদের ক্ষুদ্রান্ত্রের ভেতর পুষ্টি উপাদানগুলো ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শোষিত হয়ে রক্তে মিশে যায়।
* পরিবেশে:
* সুগন্ধি: যখন আপনি ঘরের এক কোণে পারফিউম স্প্রে করেন, তার সুগন্ধ পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
* চিনি বা লবণ: পানিতে চিনি বা লবণ যোগ করলে তা ধীরে ধীরে পুরো পানির মধ্যে মিশে যায়।

Photos from Kamrul  Hasan's Tutorial 's post 08/09/2025
08/09/2025

এম পি ও মাসের হিসাব।

Photos from Kamrul  Hasan's Tutorial 's post 12/07/2025

জীবনে বড় হও

28/06/2025

আলফা কণা:

দ্বি-ধনাত্মক হিলিয়াম নিউক্লিয়াসকে আলফা কণা বা আলফা রশ্মি বলে।আলফা কণা বা আলফা রশ্মি (ইংরেজিতেঃ Alpha particle) হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের সমতুল্য। এতে থাকে দুটি প্রোটন আর দুটো নিউট্রন। আলফা কণার গতিবেগ আলোর বেগের ১০ ভাগ । এর ভর হাইড্রোজেন পরমাণুর চার গুণ। এর ভর বেশি হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতা কম। এ কণা ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কোন নিউক্লিয়াস থেকে যদি একটা আলফা কণা বের হয়ে আসে তাহলে সেই পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা কমবে দুই ঘর, নিউক্লিওন সংখ্যা কমবে চার ঘর। যেমনঃ ইউরেনিয়ামের একটি আইসোটোপ আলফা কণা বিকিরণ করে থোরিয়ামের একটি আইসোটোপে পরিণত হয়। একটা নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যখন একটা আলফা কণা বের হয়ে আসে তখন তার শক্তি থাকে কয়েক MeV কাজেই সেটা যখন বাতাসের ভেতর দিয়ে যায় তখন বাতাসের অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষ করে সেগুলোকে তীব্রভাবে আয়নিত করতে পারে। আলফা কণার গতিপথ হয় সরল রেখার মতো-সোজাসুজি এগিয়ে যায়। তবে আলফা কণা যেহেতু হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস, তাই এটা পদার্থের ভেতর দিয়ে বেশি দূর যেতে পারে না-এটাকে থামিয়ে দেয়া সহজ। বাতাসের ভেতর দিয়ে 6 cm যেতে না যেতেই এটি বাতাসের অণু-পরমাণুকে তীব্রভাবে আয়নিত করে তার পুরো শক্তি ক্ষয় করে থেমে যায়। একটা কাগজ দিয়েই আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায়। জিংক সালফাইড পর্দায় এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। আলফা কণা যাবার সময় অনেক ইলেকট্রন এবং আয়ন তৈরি করে, সেগুলো নানাভাবে নির্ণয় করা যায়। বর্তমানে ইলেকট্রনিক্সের অনেক উন্নতি হওয়ায় এই ধরনের আলফা কণার উপস্থিতি বের করা আরো সহজ হয়ে গেছে।
সূত্র : উইকিপিডিয়া।

Want your school to be the top-listed School/college in Tangail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kalibari
Tangail
1900