Shahee Pre School , Tangail

Shahee Pre School , Tangail Shahee Pre School is the first Pre School in Tangail city. Tanvir Shahee is the founder of it.

আদর্শ ছেলে– কুসুম কুমারী দাশআমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবেকথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন‘মা...
25/12/2025

আদর্শ ছেলে
– কুসুম কুমারী দাশ
আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
‘মানুষ হইতে হবে’ – এই যার পণ৷
বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান
নাই কি শরীরে তব রক্ত, মাংস, প্রাণ?
হাত পা সবারই আছে, মিছে কেন ভয়?
চেতনা রয়েছে যার, সে কি পড়ে রয়?
সে ছেলে কে চায় বল, কথায় কথায়
আসে যার চোখেজল, মাথা ঘুরে যায়?
মনে প্রাণে খাট সবে, শক্তি কর দান,
তোমরা ‘মানুষ’ হলে দেশের কল্যাণ৷

প্রাইমারিতে সবাই পড়েছি এ কবিতা। যা একটি চতুর্দশপদী কবিতা। কুসুম কুমারী দাশ কে ছিলেন জানেন নিশ্চয়ই, কবি জীবনানন্দ দাশের মা।
জন্ম ১৮৭৫ সালে বরিশালের গৈলায়,মৃত্যু ১৯৪৮ সালে কলকাতায়। পড়াশোনা প্রবেশিকা অর্থাৎ এখনকার এসএসসি পর্যন্ত।

▪️ আদর্শ ছেলে বাংলা সাহিত্যে এক কালজয়ী কবিতা। তাঁর এমন আরো কিছু সমাজমনস্ক ও নীতিবোধে পরিপূর্ণ ছড়া-কবিতা রয়েছে। তবে আমরা বেশিরভাগ এই একটি কবিতাই জানি।
তিনি শুধু একজন কবি নন, ছিলেন এক সাহসী ও প্রগতিশীল নারী, যিনি পুত্র জীবনানন্দ দাশের মননে সাহিত্য ও প্রকৃতিপ্রীতির বীজ বপন করেছিলেন।

কবি জীবনানন্দ দাশ মায়ের সম্পর্কে লিখেছেন-
"সাহিত্য পড়ায় ও আলোচনায় মাকে বিশেষ অংশ নিতে দেখেছি। দেশি বিদেশি কোনো কোনো কবি ও ঔপন্যাসিকের কোথায় কি ভাল,কি বিশেষ তাঁরা দিয়ে গেছেন- এ সবের প্রায় প্রথম পাঠ তাঁর কাছ থেকে নিয়েছি। তাঁর স্বাভাবিক কবিমনকে তিনি শিক্ষিত ও স্বতন্ত্র করে তোলবার অবসর পেয়েছিলেন। কিন্তু বেশি কিছু লিখবার সুযোগ পেলেন না।.... তখনকার দিনের সেই অসচ্ছল সংসারের একজন স্ত্রীলোকের পক্ষে শেষ পর্যন্ত সম্ভব হল না।"

"আদর্শ ছেলে" কবিতার পাশাপাশি লেখা এই কবিতাটি যেন খানিকটা হতাশায় ভরা। পড়লে মনে হয় বর্তমানের প্রেক্ষাপটে লেখা। অথচ কবিতাটি ১০০ বছর আগের।

মনুষ্যত্ব
- কুসুম কুমারী দাশ

একদিন লিখেছিনু আদর্শ যে হবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।
আজ লিখিতেছি বড় দুঃখ লয়ে প্রাণে
তোমরা মানুষ হবে কাহার কল্যাণে?
মানুষ গড়িয়া ওঠে কোন্ উপাদানে;
বাঙালি বোঝেনি তাহা এখনো জীবনে--
পুঁথি হাতে পাঠ শেখা--দু-চারটে পাশ
আজিকার দিনে তাহে মিলে না আশ্বাস,
চাই শৌর্য, চাই বীর্য, তেজে ভরা মন
মানুষ হইতে হবে হবে এই পণ--
বিপদ আসিলে কাছে হবে আগুয়ান
দুই খানি বাহু বিশ্বে সবারি সমান--
দাতার যে দান তাহা সকলেই পায়
কেউ ছোট কেউ বড় কেন হয়ে যায়!
কেন তবে পদতলে পড়ি বারবার?
মনুষ্যত্ব জাগাইলে পাইব উদ্ধার--।
যত অপমান, যত লাঞ্ছনা পীড়ন
একতার বলে সব হইবে দমন!
তেজীয়ান, বলীয়ান সেই ছেলে চাই
সোনার বাংলা আজি হারায়েছে তাই।
আবার গড়িতে হবে বীর শিশুদল,
বাংলার রূপ যাহে হবে সমুজ্জ্বল।

যারা পড়তে ভালোবাসেন তাদের জন্য কবির আরো একটি কবিতা দিলাম।

সাধন পথে
-- কুসুম কুমারী দাশ

এক বিন্দু অমৃতের লাগি
কি আকুল পিপাসিত হিয়া,
এক বিন্দু শান্তির লাগিয়া
কর্মক্লান্ত দুটি বাহু দিয়া---
কাজ শুধু করে যায়
অন্তরেতে দুরন্ত সাধনা,
তুমি তার দীর্ঘ পথে
হবে সাথী একান্ত ভাবনা।
সে জানে এ আরাধনা
কবে তার হইবে সফল;
তব বাণী যেই দিন তারি
ভাষা হয়ে ঘুচাবে সকল
অন্তরের অহঙ্কার,
স্তুতি, নিন্দা, ভয়
সেদিন লভিবে শান্তি,
সংগ্রামে বিজয়।
তোমার স্বরূপে তার রূপ হবে লীন!
সেই তার সাধনার পরম সুদিন।

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি একবার লিখেছিলেন, "হাতি ন্যায়বিচার, বিচক্ষণতা এবং ভারসাম্যের প্রতিনিধিত্ব করে।"যখন একটি হাতিকে এক মহ...
11/06/2025

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি একবার লিখেছিলেন, "হাতি ন্যায়বিচার, বিচক্ষণতা এবং ভারসাম্যের প্রতিনিধিত্ব করে।"

যখন একটি হাতিকে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে বিমানে ভ্রমণ করতে হয়—উদাহরণস্বরূপ, ভারত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তখন তার খাঁচা শিকল বা শক্তিশালী দণ্ড দিয়ে বাঁধা থাকে না। হাতির চারিপাশে ছোট ছোট ছানা দিয়ে ভরা থাকে🐣

এটি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে এটাই সত্যি। প্রকৃতির এই দৈত্য ছোট প্রাণীটির ক্ষতি করতে ভয় পায়। এবং এটি কোনও ছোটখাটো ভয় নয়। এটি তার মতোই বড়। পুরো ভ্রমণ জুড়ে, সে স্থির থাকে, যাতে তার চারপাশে থাকা ক্ষুদ্র প্রাণীদের মধ্যে একটিকেও আঘাত না করে। এভাবে, অজান্তেই হাতি বিমানের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং আমাদের তার মহৎ চরিত্রের প্রথম স্বাদ দেয়🐘✨
এই মনোভাব দেখে আগ্রহী হয়ে, বিজ্ঞানীরা আরও গভীরভাবে দেখার সিদ্ধান্ত নেন। তারা তাদের মস্তিষ্ক বিশ্লেষণ করে কিছু আশ্চর্যজনক জিনিস আবিষ্কার করেছেন। ফিউসিফর্ম নিউরন নামে একপ্রকার কোষ যা খুব কম প্রাণীরই থাকে। হাতির মধ্যে এই কোষ রয়েছে যার কারণে তারা সহানুভূতি, আত্ম-সচেতনতা এবং সামাজিক বোধগম্যতার সাথে সম্পর্কিত।

অথচ এই একই কোষ মানুষের মধ্যেও রয়েছে। কিন্তু আজকাল মানুষ জানেই না সহানুভূতি, আত্ম-সচেতনতা এবং সামাজিক বোধগম্যতা কি জিনিস🥹💔

23/02/2025
দাড়িবিহীন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে দেখার কৌতুহল ছিলো যাদের তাদের জন্য দূর্লভ একটি ছবি।
09/02/2025

দাড়িবিহীন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে দেখার কৌতুহল ছিলো যাদের তাদের জন্য দূর্লভ একটি ছবি।

প্রথম রিকশা আসে চট্টগ্রামে, এর পর ঢাকায়।মিয়ানমারের রেঙ্গুনে ততোদিনে রিকশা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বলে বাংলাপিডিয়ায় উ...
22/01/2025

প্রথম রিকশা আসে চট্টগ্রামে, এর পর ঢাকায়।
মিয়ানমারের রেঙ্গুনে ততোদিনে রিকশা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বলে বাংলাপিডিয়ায় উল্লেখ করা হয়।

কথিত আছে সেই রেঙ্গুন থেকেই চট্টগ্রামে প্রথম রিকশা আসে ১৯১৯ সালের দিকে। এর পর রিকশা আসে ঢাকায়। তবে ঢাকার রিকশা এসেছিল ভারতের কলকাতা থেকে, ১৯৩০ এর দশকে। এ কারণে দুই রিকশার কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য ছিল আলাদা।

তবে মুনতাসির মামুনের গবেষণা প্রবন্ধে এই সময়কাল কিছুটা ভিন্নভাবে উল্লেখ আছে। সেখানে বলা হয়েছে ১৯৩০ এর দশকে কলকাতায় প্যাডেল চালিত সাইকেল রিকশা চালু হয়েছিল।

এরপর ১৯৩০ এর দশকের মাঝামাঝি সেই রিকশা বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৩৭ সালে আসে ঢাকায়। বাংলাদেশে শুরু থেকে এই সাইকেল রিকশার প্রচলন ঘটে,মানুষের হাতে টানা রিকশা নয়।

মুনতাসির মামুন বলেছেন, সিঙ্গাপুরে গত শতকের ত্রিশের দশকে ব্যাপক হারে সাইকেল রিকশা চালু করা হয়। সেখান থেকে ঢাকাসহ এশিয়ার বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে মোমিনুল হকের আত্মজীবনীতে এ সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন ১৯৪০ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জের পাট কোম্পানি রেলি ব্রাদার্সের এক কেরানী কলকাতা থেকে একটি রিকশা নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসেন।

তার মতে, এর আগে পূর্ববঙ্গে কেউ রিকশা দেখেনি।
প্রথম রিকশার মালিক ছিলেন যদু গোপাল দত্ত। প্রথম রিকশা চালকের নাম নরেশ বলে মোমিনুল হকের আত্মজীবনীতে উল্লেখ আছে।

এরপর যদু গোপাল দত্তের প্রতিবেশী শিশির মিত্র ৪টি রিকশা আমদানি করেন। সেই থেকেই অল্প অল্প করে রিকশা আমদানি শুরু হয়।

হাতে টানা কিছু রিকশাও আমদানি করা হয়েছিল কিন্তু তাতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হওয়ায় পৌরসভা তা বন্ধ করে দেয়। মূলত আমদানি করা রিকশাগুলোয় চেইন লাগানো ছিল বলে বইটিতে উল্লেখ করা হয়। যেন মানুষের পরিশ্রম কম হয়।

বাংলাপিডিয়া বলছে,নারায়ণগঞ্জ এবং নেত্রকোনা শহরে বসবাসরত ইউরোপীয় পাট রপ্তানিকারকরা তাদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ১৯৩৮ সালে প্রথম কলকাতা থেকে চেইন লাগানো রিকশা আমদানি করে।

এরপর ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার একজন বাঙালি জমিদার এবং ওয়ারীর এক গণ্যমান্য ব্যক্তি রিকশা কিনে ঢাকায় প্রচলন করেন বলে জানা যায়।

এভাবেই বাংলাদেশে রিকশা চলাচল শুরু হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যেতে পারে ঢাকায় রিকশা প্রচলিত হয়েছে ১৯৪০ সালে বা তার কিছু পরে। তবে তখনও রিকশা তেমন একটা জনপ্রিয় বাহন হয়ে ওঠেনি।

পৌরসভার রেকর্ড মতে ১৯৪১ সালেও ঢাকায় রিকশার সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৭টি। ১৯৪৭ সালে সেটি বেড়ে ১৮১টিতে দাঁড়ায়।

১৯৫১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ঢাকার জনসংখ্যা ছিল মাত্র চার লাখ। কিন্তু ১৯৯৮ সালে, শহরের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৮০ লাখে গিয়ে দাঁড়ায় এবং নিবন্ধভুক্ত রিকশার সংখ্যা দাঁড়ায় ১,১২,৫৭২-এ।

সে বছর বাংলাদেশের অন্যান্য সব জেলায় রিকশার সংখ্যা ২,৭৪,২৬৫ এবং দেশের গ্রামাঞ্চলে এর মোট সংখ্যা ছিল ৯১,০৪০টি। এরপর ধীরে ধীরে এই সংখ্যা বাড়তেই থাকে।

ঢাকাতে প্রথম রিকশার লাইসেন্স ১৯৪৪ সালের দিকে দেয়া হয় বলে জানা গেছে।

সংগৃহিত

আমরা তো প্রতিনিয়তই গরুর মাংস খেয়ে থাকি জানেন কি পৃথিবীতে দামি গরুর মাংস রয়েছে চলুন জেনে নেই,,,পৃথিবীর সবচেয়ে দামী গরু...
20/01/2025

আমরা তো প্রতিনিয়তই গরুর মাংস খেয়ে থাকি জানেন কি পৃথিবীতে দামি গরুর মাংস রয়েছে চলুন জেনে নেই,,,
পৃথিবীর সবচেয়ে দামী গরুর মাংস সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিন.....

কোবে বিফ (Kobe Beef) হল পৃথিবীর সবচেয়ে দামী গরুর মাংস। যার এক কেজি বাংলা টাকায় ৩০,০০০ হাজার টাকা দাম। এটি জাপানের হিয়োগো অঞ্চলের কোবে শহর থেকে উৎপত্তি হওয়া বিখ্যাত গরুর মাংস যা আজ বিশ্বের সবচেয়ে দামি এবং বিলাসবহুল খাবারের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। এর মূল্য কেন এত বেশি, কেন এটি বিশ্বের অন্যান্য বিফের থেকে আলাদা—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের বুঝতে হবে কোবে বিফ উৎপাদনের প্রক্রিয়া, এর গুণগত বৈশিষ্ট্য এবং এর পেছনে থাকা ইতিহাস ও সংস্কৃতি। চলুন লিখাটি মন দিয়ে পড়ি......

কোবে বিফ উৎপাদন কোনো সাধারণ গরুর খামারের মতো নয়। এখানে গরুগুলোকে বিশেষ যত্নে বড় করা হয়। তাদের জন্য নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়, যা মূলত উচ্চ মানের ঘাস, শস্য এবং কখনো কখনো বীয়ার বা বিশেষ পানীয়ও থাকে🤫। এই বিশেষ খাদ্য তাদের মাংসের স্বাদ ও গঠনকে অতুলনীয় করে তোলে। তবে শুধু খাওয়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, গরুগুলোর শরীরের যত্নেও নেওয়া হয় নানা ধরণের বিশেষ পদ্ধতি। অনেক সময় তাদের শরীরে ম্যাসাজ করা হয় যাতে রক্তসঞ্চালন ভালো হয় এবং শরীরের প্রতিটি অংশে চর্বি ও মাংসের নিখুঁত সমন্বয় ঘটে। বলা হয়, এ ধরনের বিশেষ যত্ন ও আরামদায়ক পরিবেশ গরুগুলোর মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়, যা মাংসের গুণগত মান বৃদ্ধিতে সহায়ক।

কোবে বিফের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর মার্বেলিং। মার্বেলিং বলতে বোঝানো হয় মাংসের মধ্যে চর্বির সূক্ষ্ম ও নিখুঁত বণ্টন। এই মার্বেলিংই মাংসকে করে তোলে অতুলনীয় নরম ও রসালো। কোবে বিফের মার্বেলিং এতটাই নিখুঁত যে, এটি মুখে দিলেই গলে যায়। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই কোবে বিফের স্বাদ, ঘ্রাণ এবং টেক্সচার অন্য যেকোনো বিফের থেকে আলাদা।

এই বিফের উৎপাদন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও কঠোরভাবে পরিচালিত হয়। কোবে বিফ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে গরুটিকে হিয়োগো অঞ্চলে জন্ম ও পালন করতে হবে। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়, যেমন নির্দিষ্ট বংশের হওয়া, ওজন, মাংসের গুণগত মান ইত্যাদি। প্রতিটি কোবে বিফের জন্য থাকে একটি বিশেষ সনদপত্র যা প্রমাণ করে এটি আসল কোবে বিফ। এই সার্টিফিকেটে থাকে গরুটির জন্ম তারিখ, বংশ পরিচয়, এবং অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য। এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাই কোবে বিফের বিশুদ্ধতা ও মান বজায় রাখে।

কবে বিফের উৎপাদন সীমিত। এটি শুধু জাপানের নির্দিষ্ট অঞ্চলে উৎপাদিত হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে খুব সীমিত পরিমাণে রপ্তানি করা হয়। এই সীমিত সরবরাহ ও বিপুল চাহিদাই এর দাম বাড়িয়ে দেয়। বিশ্বের বিলাসবহুল রেস্টুরেন্টগুলোতে এটি একটি বিশেষ আইটেম হিসেবে পরিবেশন করা হয়। অনেক নামকরা শেফরা এই মাংস দিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিশেষ ডিশ তৈরি করেন যা রান্নার জগতে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা দেয়।

মনে রাখবেন কোবে বিফের উচ্চ মূল্য শুধুমাত্র এর স্বাদের কারণে নয়, বরং এর উৎপাদন প্রক্রিয়া, সীমিত সরবরাহ, ঐতিহ্যবাহী যত্ন এবং বিশ্বব্যাপী চাহিদার সম্মিলিত ফল। এটি শুধু একটি খাবার নয়, এটি এক ধরনের বিলাসিতা, এক অনন্য রসনাতৃপ্তির অভিজ্ঞতা যা বিশ্বের খাদ্যপ্রেমীদের জন্য স্বপ্নের মতো।

#সংগৃহীত

20/01/2025

সুন্দর হাতের লেখা ও ছবি আঁকার ক্লাসে ভর্তি চলছে।

31/07/2024

একটি পরিপূর্ণ নিম গাছ প্রায় ১০ টন এসির সমপরিমাণ ঠান্ডা রাখে তার চার পাশের বাতাসকে।

নিম গাছ পরিবেশগত ভাবে খুবই উপকারী । এটি খুব বেশি মাত্রার দূষণ সহ্য করতে পারে এবং শুষ্ক মৌসুমে পাতা পড়ে গেলেও সেগুলোতে তাড়াতাড়ি নতুন পাতা চলে আসে । নিম গাছের পাতা তুলনামূলকভাবে বেশি পরিমাণে সীসা শোষণ করে। ধূলিকণা, কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার অক্সাইড এবং নাইট্রোজেনের মতো দূষক শোষণ করার ক্ষমতা নিম গাছের রয়েছে। ১৯৯৬ সালে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সমীক্ষা ইঙ্গিত দেয় যে নিম গাছ শিল্প এলাকায় ও শহুরে দূষণ দূর করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রজাতিগুলির মধ্যে একটি এবং এটি পরিচিত হট স্পটগুলিতে সবুজ বেল্টের মত কাজ কর।
নিমের কার্বন ডাই-অক্সাইড ফিক্সেশন করার ক্ষমতা অন্যান্য গাছের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি। এটি প্রতি সেকেন্ডে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ১৪ টি মাইক্রোমোল ( প্রতি বর্গ মিটার) ঠিক করতে পারে। নিম গাছের পত্র পৃষ্ট সর্বাধিক কার্বন ডাই-অক্সাইড ফিক্স করার জন্য একটি ভাল বিকল্প হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য দূষণ উপাদানগুলির বিরুদ্ধে একটি ঢাল প্রদান করে বিশেষ করে সালফার ডাই-অক্সাইড।
একটি পরিপূর্ণ নিম গাছ প্রায় ১০ টন এসির সমপরিমাণ ঠান্ডা রাখে তার চার পাশের বাতাসকে।

নিম আমাদের দেশীয় গাছ, আবহাওয়া উপযোগী এবং যে কোনো ধরনের মাটিতে জন্মে। নিম গাছ দ্রুত বর্ধণশীল, পানির স্তর ধরে রাখে, মাটির ক্ষয় ও মরুময়তা রোধ করে। নিমের তেল মানুষ, গরু ও পশুপাখির উকুননাশক এবং চর্মরোগ নিরোধক। নিমের তেল, খৈল ও পাতা প্রাকৃতিক কীট নিবারক ও সার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। নিমের কাঠ অধিক মূল্যবান, উন্নত মানের, স্বাস্ব্যকর ও পরিবেশসম্মত এবং এই কাঠ দিয়ে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র তৈরি করা যায় যা উঁই, ঘৃণ আ অন্য পোকায় নষ্ট করে না।
নিম গাছ অন্যান্য গাছের চেয়ে বেশি অর্থকরি এবং পরিচর্যায় তেমন খরচ নেই। নিম বাড়ির আঙিনা, রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতসহ সর্বত্র লাগানো যায়। নিম গাছের গন্ধে আশপাশের ফসলেও কীট-পতঙ্গ আসে না ! তাই ফসলের মাঠেও নিম গাছ লাগানো উপকারী। তুলনামূলকভাবে নিমের অথনৈতিক গুরুত্ব অন্যান্য কাঠ, ফল ও ঔষধী গাছ থেকে অনেব বেশি। নিমের পাতা হাম, বসন্ত, ঘা, খুজলি, পাঁচড়া ও চুলকানিতে ব্যবহার হয়। নিম গাছে রোগ-ব্যাধি হয় না এবং এই গাছ গরু-ছাগলে খায় না। নিম গাছকে বিজ্ঞানীরা আগামী শতকের মহামূল্যবান বৃক্ষ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন এবং নিম গাছের তৈরি ওষুধ রাসায়নিক ওষূধের চেয়ে বেশি উপকারে আসবে বলে উল্লেখ করেছেন। বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে নিম অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে ১০ বছর বয়সের দু‘টি নিম গাছের পাতা, ফল, তেল, ও ডালপালা বিক্রি করে সে আয় থেকে ৫ জনের একটি পরিবারের সারা বছরের মৌলিক চাহিদা পূরণ সম্ভব।

সামনে গাছ লাগানোর মৌসুম শুরু হবে। সবার বাড়ির খালি জায়গায় রাস্তার ধারে যার যার পছন্দ অনুযায়ী গাছ লাগাতে পারি।আসুন গাছ লাগাই, অক্সিজেনের ফাক্টরী গড়ে তুলি।
(Collected)

31/07/2024
27/07/2024

বৃষ্টির পর আমরা যে সুন্দর গন্ধ পাই যাকে 'ভিজে মাটির সোঁদা গন্ধ' বলে। আমরা কী জানি সেই 'সোঁদা গন্ধ' কী করে সৃষ্টি হয়?

এই সোঁদা গন্ধকে ইংরেজিতে বলে পেট্রিকোর (Petrichor)। গ্রিক দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত হয়েছে এই শব্দটি। Petra- এর মানে 'পাথর' এবং ichor- এর মানে 'দেবতার শিরায় বহমান রক্ত' বা 'দেবরক্ত।

১৯৬৪ সালে Petrichor শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই গবেষক ইসাবেল জয় বিয়ার এবং রিচার্ড জি থোমাস।

গবেষকরা বলছে এই গন্ধের পিছনে রয়েছে কিছু গাছের তৈল জাতীয় নির্যাস এবং জিওস্মিন (Geosmin) নামক এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ। এই দুই পদার্থ একে অপরের সাথে মিশেই তৈরি হয় 'পেট্রিকোর'। জিওস্মিন কথার অর্থ হল ‘পৃথিবীর গন্ধ’। জিওস্মিন একধরনের বাইসাক্লিক অ্যালকোহল (C12H22O) যা মাটিতে উৎপাদন করে অ্যাকটিনোমাইসিটিস নামক একধরনের পসিটিভ ব্যাকটেরিয়া।

কিন্তু এই জিওস্মিন কী করে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে বৃষ্টির পড়ার পর?

২০১৫ সালে Massachusetts Institute of Technology (MIT)-এর বিজ্ঞানীরা হাইস্পিড ক্যামেরা ব্যবহার করে এই রহস্যের সমাধান করেছেন।

বৃষ্টি পড়ার পর বৃষ্টির জল 'এরোসল' (বায়ুতে ভাসমান তরল অথবা কঠিন কনা) সৃষ্টি করে। আর এই এরোসলের মধ্যেই থাকে জিওস্মিন নামক জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা সৃষ্টি করে ভিজে মাটির সোঁদা গন্ধ বা পেট্রিকোর।

বিজ্ঞানীদের মতে ভারি বৃৃষ্টির তুলনায় হাল্কা বৃষ্টির পর এই গন্ধ ছাড়ে বেশি। কারণ হাল্কা বৃষ্টির পর এরোসল বেশি বেশি সৃষ্টি হয়।

(সংগৃহীত)

প্যালিনড্রোম (অর্থাৎ সামনে থেকে এবং পিছন থেকে সমান.উভয় দিক থেকে পড়লে একই!) (ক) বাংলায় প্যালিনড্রোম বাক্য :-  সিমার মাসি...
26/07/2024

প্যালিনড্রোম (অর্থাৎ সামনে থেকে এবং পিছন থেকে সমান.উভয় দিক থেকে পড়লে একই!)

(ক) বাংলায় প্যালিনড্রোম বাক্য :-
সিমার মাসি
বল খেলব
বই চাইব
ঘুরবে রঘু
নাম লেখালেম না
বিকল্প কবি
তুমি কি মিতু ?
মার কথা থাক রমা
কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী
কাক কাঁদে কাঁক কা
চেনা সে ছেলে বলেছে সে নাচে
তাল বনে নেব লতা
চার সের চা
ঠাকুরদাদার কুঠা
খা সমস্ত রুটি রুস্তম সখা
না না কেনা না।
না বললে লব না
ওর মা আজ আমারও
বিরহে রাধা নয়ন ধারা হেরবি
থাক রবি কবির কথা
মামাতো মামা
কাকা তো কাকা
রবীন দা দানবীর।

(খ) বাংলায় প্যালিনড্রোম নাম :-
নিধুরাম রাধুনি
সুবল লাল বসু
রমা কান্ত কামার
সদানন দাস
রায়মণি ময়রা
হারান রাহা
ইলু দলুই
সুবর্ণা বসু
সদাই দাস

(গ) বাংলায় প্যালিনড্রোম শব্দ :-
মরম, মলম, দরদ, জলজ, বনমানব, নবজীবন, সহিস, কালিকা, সরেস, তফাত, বাহবা, সন্ন্যাস, সন্ত্রাস, নরুন, তখত, কনক, নয়্ন, সরস, নিড়ানি, খামোখা, কালিকা, হুবহু, ইহাই, বলিব।

(ঘ) বাংলাভাষায় সব থেকে বড় প্যালিনড্রোম হল :-
চেনা সে ছেলে বলেছে সে নাচে !

(ঙ) আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে খ্রীষ্টধর্ম অনুযায়ী পৃথিবীর প্রথম শব্দ ছিল প্যালিনড্রোম! জানেন কি কেউ কী সেই শব্দ ?
আদম প্রথম ইভকে introduce করেছিল এই বলে! !!
MADAM IN EDEN I'M ADAM !

সংগ্রহ : Provat kumar Biswas

Address

Shahee Pre School, Tangail
Tangail
1900

Telephone

+8801712697204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahee Pre School , Tangail posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Shahee Pre School , Tangail:

Shortcuts

Share

Category