দারুল হাদীস নূরানী মাদরাসা, বাসষ্ট্যান্ড, বল্লা বাজার

  • Home
  • Bangladesh
  • Tangail
  • দারুল হাদীস নূরানী মাদরাসা, বাসষ্ট্যান্ড, বল্লা বাজার

দারুল হাদীস নূরানী মাদরাসা, বাসষ্ট্যান্ড, বল্লা বাজার Nurani Madrasha

16/03/2020
23/02/2020

ডঃ শহীদুল্লাহকে তাঁর স্ত্রী অনুরোধ করলেন দাড়ি কেটে ফেলার জন্য।
তিনি বললেন, তিনদিন পর জানাবো।
স্ত্রী ভাবলেন হয়ত তিনদিন পর স্বামী দাড়িবিহীন তার সামনে আসবেন।

তিনদিন পর ডঃ শহীদুল্লাহ তার স্ত্রীকে বললেন তোমাকে দুইটা জিনিসের প্রস্তাব দিচ্ছি,তুমি যে কোন একটি গ্রহন করবে। হয়ত তুমি থাকো আর আমার দাড়িও থাকুক নতুবা তুমি চলে যাও আর আমার দাড়ি থাকুক। এভাবেই তিনি স্ত্রীর অন্যায় প্রস্তাবকে ফিরিয়ে দিলেন।

কুরআনের ভাষায় 'মানুষকে দূর্বল করে সৃস্টি করা হয়েছে'।
আর মানুষ সম্ভবত স্ত্রীর প্রতি-ই সবচেয়ে বেশী দূর্বল। এই দূর্বলতাকে কেউ অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে।
এক দূর্সম্পর্কের ভাই আমাকে বললেন,
'দাড়ি রাখতে চাই কিন্তু তোমার ভাবী বলেছেন এখন না, আরো কয়েকবছর পর।

,দাড়ি রাখা ওয়াজিব না সুন্নাত সেই বিতর্কে না গিয়ে শুধু এতটুকু বলতে চাই স্ত্রীর প্রতি স্বামীর এই ভালোবাসা এই দূর্বলতাকে বেশীরভাগ স্ত্রীই অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেন। অথচ এই দূর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে স্বামীকে ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে পারতেন।

একটা নারী যেমন কোন পুরুষকে জলন্ত অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করতে পারে তেমনি পারে গর্তের কিনারা থেকে ভালবাসার শক্তি দিয়ে ফিরিয়ে আনতে।

একজন নারীর এত বিশাল ক্ষমতা!

তাইতো আল্লাহর রাসূল পূণ্যবতী স্ত্রীকে প্রিয় বস্তু আখ্যা দিয়েছেন। আল্লাহ তুমি আমাদের সকলকে পুন্যবতি স্ত্রী দান করিও।

আমিন।

লিখেছেনঃ Dr sayeed

16/02/2020

📌📌খুব ছোট্ট কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা দু'য়াঃ
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা আল-'আফ্যিয়া"💦

اللهم إني اسألك العافية
-আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু), রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচা, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন আর জিজ্ঞাসা করলেন —
"ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমাকে একটা দু'আ শিখিয়ে দিন"
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন —
"হে আমার চাচাজান, বলুন:

اللهم إني اسألك العافية
আল্লাহুম্মা ইন্নি আস'আলুকা আল-'আফ্যিয়া"
(ওহ! আল্লাহ, আমি তোমার কাছে 'আফ্যিয়া চাচ্ছি")
আফ্যিয়া কি?
যখন আমরা মহান আল্লাহ্'র কাছে আফ্যিয়া চাই তখন তা বুঝায় —
🔸যেকোন দু:খ-দুর্দশা থেকে মুক্তির জন্য দু'আ
🔸সুস্বাস্থ্য অর্জনের জন্য দু'আ
🔸বেঁচে থাকার তাগিদে আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য দু'আ
🔸সন্তানের সুরক্ষার জন্য দু'আ
🔸শাস্তির পরিবর্তে ক্ষমা পাবার জন্য দু'আ
'আফ্যিয়া অর্থ "ইয়া আল্লাহ, আমাকে সকল দু:খ, গ্লানি ও ভোগান্তি থেকে রক্ষা কর"
দুনিয়া এবং আখিরাতে উভয় যায়গায়ই।
______________________
আল-আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) খানিক চিন্তা করলেন এবং দিন কয়েক পরে ফিরে আসলেন এবং বললেন —
"ইয়া রাসূলুল্লাহ, এতো খুবই ছোট্ট দু'আ, আমাকে বড় কিছু শিক্ষা দিন"
তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন —
""ও আমার প্রাণপ্রিয় চাচা, আল্লাহ্'র কাছে আফ্যিয়া কামনা করুন, আল্লাহ'র কসম এর চাইতে উত্তম কোন জিনিস আপনাকে দেওয়া হবে না"
এটা খুবই ছোট্ট দু'আ, যার মাধ্যমে আমরা যা বুঝাই —
"ওহ! আল্লাহ, আমি পরিত্রাণ চাই মর্মপীড়া, বিষাদ, কষ্ট, ক্ষতি থেকে; আমাকে পরীক্ষা করো না"
রাব্বে ক্বারীমের কাছে এরকম সকল কিছুই আমরা চেয়ে থাকি এই বলে:

اللهم إني اسألك العافية
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আস'আলুকা আল-আফ্যিয়া"
:
:
[রিয়াদ্বুস স্বলেহীন, সুনান আত-তিরমিযী]
আত-তিরমিযী, খন্ড: ০৬, অধ্যায়:৪৫, দু'আ অধ্যায়, হাদিস নং: ৩৫১৪।
তাহক্বীক: সহিহ

কালেক্টেড

এবার আপনিই আপনার নিজের অবস্থান নির্ধারণ করুন। আজ থেকে ৩০/৪০ বছর আগে মুহাক্কিক উলামাগন  ক্রিকেট, ফুটবলের হুকুম সম্পর্কে  ...
11/02/2020

এবার আপনিই আপনার নিজের অবস্থান নির্ধারণ করুন।
আজ থেকে ৩০/৪০ বছর আগে মুহাক্কিক উলামাগন ক্রিকেট, ফুটবলের হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলে একটু ভেবেচিন্তে ফাতাওয়া দিতেন। কেউ কেউ শরীর চর্চার আদলে জায়েজও বলেছেন কিন্তু বর্তমানে খেলাগুলোতে যেভাবে অশ্লীলতা, ফ্রি-মিক্সিং, জুয়ার পাশাপাশি নগ্নতার রাজত্ব কায়েম হয়েছে তাতে তা কোনো ক্রমেই জায়েজের কাতারে পড়বে না। সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ফাতওয়া কমিটি তথা "ফাতওয়া আল-লাজনাহ আদ-দাই’য়িমাহ"-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বর্তমানে খেলাধূলা দেখার হুকুম কী, যেমন বিশ্বকাপ ও অন্যান্য খেলাধূলা?

উত্তরে তারা বলেছেন : "অর্থ বা অনুরূপ যে কোনো পুরস্কারের বিনিময়ে ফুটবল ম্যাচ খেলা হারাম; কেননা এটা এক ধরনের জুয়া। শারী‘আহ্ যেসব খেলার অনুমতি দিয়েছে সেগুলো ছাড়া অন্য কোনো খেলার প্রতিযোগিতায় পুরস্কার গ্রহণ করা জায়েয নয়; যেমন: ঘোড়দৌড়, উটদৌড়, তীর নিক্ষেপ। অতএব ফুটবল প্রতিযোগিতায় উপস্থিত হওয়া হারাম, একইভাবে তা দেখাও হারাম। আর তা ঐ ব্যক্তির জন্য, যে জানে যে, এই প্রতিযোগিতা পুরস্কারের বিনিময়ে হচ্ছে। তাদের ম্যাচ বা প্রতিযোগিতায় উপস্থিত হলে তাদের (হারাম) কাজকে সমর্থন জানানো হয়।

পক্ষান্তরে প্রতিযোগিতা যদি পুরস্কারের বিনিময়ে না হয়, আর তা ওয়াজিব ‘ইবাদত থেকে বিরত না রাখে এবং তার সাথে কোনো নিষিদ্ধ বিষয়ও যুক্ত না হয়, যেমন আওরাত (লজ্জাস্থান) অনাবৃত রাখা, বা নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, বা বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার। তাহলে সে প্রতিযোগিতায় কোনো সমস্যা নেই এবং তা দেখার মধ্যেও কোনো সমস্যা নেই।

আর আল্লাহ্ই তাওফীক্বদাতা। হে আল্লাহ্, আমাদের নাবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার পরিজন ও স্বহাবাবর্গের উপর দয়া ও শান্তি বর্ষণ করুন।”

ফতোয়া প্রদান করেছেন :
চেয়ারম্যান: শাইখ ‘আব্দুল ‘আযীয বিন ‘আব্দুল্লাহ্ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ্)
ডেপুটি চেয়ারম্যান: শাইখ ‘আব্দুল ‘আঝীঝ বিন ‘আব্দুল্লাহ্ আলুশ শাইখ
মেম্বার: শাইখ স্বলিহ্ বিন ফাওঝান আল ফাওঝান (হাফিয্বাহুল্লাহ্)
মেম্বার: শাইখ বাকার বিন ‘আব্দুল্লাহ্ আবূ ঝাইদ (রহিমাহুল্লাহ্)।
--- [ফাতাওয়া লাজনাহ্ দাইমাহ্; খণ্ড: ১৫; পৃষ্ঠা: ২৩৯; ফতোয়া নং: ১৮৯৫১; প্রশ্ন নং: ২; সংগৃহীত: alifta.net]

খেলাধূলায় আসক্তির ফলে আরো কিছু গুনাহের কাজ সংগঠিত হয়। যথা :
⦁ জামাআতে নামায ওয়াজিব ছিলো তা পড়া হয়না! অনেকেই তড়িঘড়ি করে ঘরেই ছালাত আদায় করে ফেলে।
⦁ কিছু সময় ক্বুরআন তিলাওয়াত করা যেত,কিন্তু খেলার কারণে তা হয়ে উঠে না।
⦁ রাত জেগে খেলা দেখার কারণে ফজরের ছালাত জামাআতে আদায় করা সম্বব হয়না।
⦁ আল্লাহ্‌র স্মরণ থেকে গাফেল করে রাখে।
⦁ ছালাত আদায় করলেও ছালাতে মনোযোগ থাকেনা বরং মনটা খেলায় পড়ে থাকে।

হে প্রিয় ভাই! চারদিকে এত বিপদাপদ দেখার পরেও যদি আপনার হুশ না ফিরে, তাহলে নিশ্চিত জেনে রাখুন, আপনার এই দ্বীনদারিত্ব লৌকিকতা বৈ কিছুই নয়। আপনার, আমার মত পাপিষ্ঠ লোকদের কারণেই আজ এই ভুখন্ডের নেককার, সৎকর্মশীলদের উপরও আল্লাহর আজাব নেমে আসছে! কেননা, যখন আল্লাহর আযাব নেমে আসে, তখন সালেহ (নেককার) ও ফাসেক্ব (পাপী), সকলকেই তা স্পর্শ করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা এব্যাপারে সতর্ক করে বলেন,

“আর তোমরা সেই ‘ফিতনাহকে’ ভয় করো, যা তোমাদের মধ্যে যারা জালেম, শুধুমাত্র তাদেরকেই স্পর্শ করবে না (বরং নেককার কিংবা পাপী, সকলকে তা স্পর্শ করবে)। আর জেনে রেখ যে, আল্লাহর আযাব অত্যন্ত কঠোর।” ---- [সুরা আনফাল, আয়াত : ২৫ ]

মহান আল্লাহ্ অন্যত্র বলেন,
أَوَلَا يَرَوْنَ أَنَّهُمْ يُفْتَنُونَ فِي كُلِّ عَامٍ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ ثُمَّ لَا يَتُوبُونَ وَلَا هُمْ يَذَّكَّرُونَ
তারা কি লক্ষ্য করে না যে, তারা প্রতি বছর একবার কিংবা দু’বার কোন না কোন বিপদে পতিত হয়? তবুও না তারা তাওবাহ করে, আর না তারা উপদেশ গ্রহণ করে? --- [সুরা আত-তাওবাহ, আয়াত : ৯/১২৬]

তিনি আরো বলেন,
وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَنْ كَثِيرٍ
তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তোমাদের অনেক অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন। ---- [ সুরা আশ-শুরা, আয়াত : ৪২/৩০ ]

এই মুল্যবান জীবন খেল-তামাশার নয়। অতএব, এখনো সময় আছে দ্রুত ফিরে আসুন। মহান আল্লাহ্ আমাদের ভাইদের সুমতি দান করূন। আমীন।

লেখক : আখতার বিন আমীর। [ আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন]

Address

Tangail
1973

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Friday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 16:00

Telephone

+8801914460812

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দারুল হাদীস নূরানী মাদরাসা, বাসষ্ট্যান্ড, বল্লা বাজার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share