16/09/2023
👉সফলতার জন্য প্রয়োজন,
👉সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য,
👉সঠিক গাইড লাইন,
👉সঠিক সময় সঠিক ডিসিশন নেয়া,
👉UBT পরিক্ষাকে সামনে রেখে Buesl একটা নিউজ প্রকাশ করেছেন,👇
👉👉দক্ষিণ কোরিয়াতে কোরীয় ভাষায় দক্ষ কর্মী গমন নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট গাইডলাইনে কোরীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র/কোচিং সেন্টার পরিচালনার লক্ষ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তি কার্যক্রমের প্রস্তুতি চলছে।
👉তাই নতুন কোথাও ভর্তি হউয়ার আগে জেনে নিবেন, সেটা বুয়েসেল এর আউতা ভুক্ত নাকি,
👉আপনাদের জন্য এই মাসেই নাটিয়া পাড়া বাজার, দেলদুয়ার, টাংগাইল,
নতুন ব্যাচ চালু করতে যাচ্ছি,
👉শুদ্ধ উচ্চারণ
👉গ্রামার সমাধান,
👉ইউবিটি মডেল টেস্ট
👉আলাদা ভাবে কথা বলার ক্লাস,
👉বট প্রশ্ন বা গ্রাফ এবং গ্রামাটিক শুন্যস্থান সহ সকল প্রশ্নের সমাধান,
👉কোথাও ভর্তি হউয়ার আগে একটা ফ্রি ক্লাস করে দেখবেন,
👉👉সিদ্ধান্ত আপনার, লক্ষ্যে পৌছানোর দ্বায়িত্ব আমাদের,
👉উরি কোরিয়ান ল্যাংগুয়েজ একাডেমি,
প্রথম ক্যাম্পাস দেলদুয়ার মুক্তিযুদ্ধা ভবন,
👉 ২ ক্যাম্পাস নাটিয়া পাড়া,
👉👉👉👉যোগাযোগ : ০১৭২৭৬৮৮৮৯৩
03/05/2023
লটারিতে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমূহঃ
১) শুধুমাত্র পাসপোর্ট
লটারি পাওয়ার পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমূহঃ
১) পাসপোর্ট
২) এনআইডি কার্ড
৩) সর্বনিম্ন এসএসসি পাসের সার্টিফিকেট
পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র সমূহঃ
১) কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন সার্টিফিকেট (কমপক্ষে ২ ডোজ সম্পূর্ণ)
২) নাগরিক সনদপত্র
৩) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (অনলাইনে থাকা লাগবে)
৪) মেডিকেল ফিট সনদপত্র
৫) যক্ষা ফিট সনদপত্র
৬) সিফিলিস আছে কিনা তার সনদপত্র
৭) কালার ব্লাইন্ডনেস আছে কিনা তার সনদপত্র
এছাড়াও প্রয়োজনে আরও কিছু বাড়তি কাগজপত্র লাগতে পারে, আবার নাও লাগতে পারে। লটারি পাওয়ার পরে পরে কি কি কাগজপত্র লাগবে সেগুলো বোয়েসেল থেকেই সকলকে জানিয়ে দিবে।
বিঃদ্রঃ পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ড, এসএসসি সার্টিফিকেট, কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র একে অপরের সাথে নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা হুবহু মিল থাকতে হবে।
28/04/2023
২০২৩ সালের তৃতীয় পর্বের এমপ্লয়মেন্ট পারমিট ইস্যুর তারিখ ঘোষণা।
এবারে কোটা:
ম্যানুফ্যাকচারিং ১৮০০০ জন
জাহাজ নির্মাণ শিল্প ৫০০০
কৃষি ২০০০
মৎস্য ১৫০০
নির্মাণ শিল্প ১০০০
সেবা খাত ৩০০
মালিকের আবেদনের সময়: মে মাসের ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত ।
যোগ্য কোম্পানির নাম ঘোষণা: জুন মাসের ১৬ তারিখ ।
এমপ্লয়মেন্ট পারমিট ইস্যু :
ম্যানুফ্যাকচারিং: জুন মাসের ১৯ তারিখ সোমবার থেকে ২৩ তারিখ শুক্রবার পর্যন্ত।
অতিরিক্ত ইস্যু: জুলাই মাসের ৭ তারিখ শুক্রবার।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশ থেকে কত জনের এমপ্লয়মেন্ট পারমিট ইস্যু হবে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে কোরিয়ান মালিকের পছন্দের উপর ।
রোস্টার ভুক্ত ভাই-বোনদের জন্য ইপিএস বাংলা কমিউনিটির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
13/04/2023
আপনারা যারা সরকারি ভাবে বোয়েসেলের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া যেতে চান পোস্টটি শুধুমাত্র তাদের জন্য! অনেকেই জানতে চেয়েছেন কীভাবে আমি কোরিয়াতে যাবো?
😳 একটি কথা না বললে নয় এই লেখা পড়তে গিয়ে হয়তো অনেকে দুইবার দম ছাড়বেন কিন্তু এখানে শুধুমাত্র মূল আংশিক বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে ☺️ বিস্তারিত বলতে গেলে দীর্ঘ সময় বলেও শেষ করা যাবে না।
🧿EPS(Employment Permit System) একটি লম্বা সময়ের প্রক্রিয়া। এর অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। প্রতিটি ধাপেই রয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রথম সময়ে যে নিয়ম কানুন ছিল তা বর্তমানে অনেকখানি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে যে নিয়ম কানুন আছে ভবিষ্যতে হয়তোবা পরিবর্তন করা হবে। কিন্তু মূল শর্ত ও প্রক্রিয়াগুলো তেমনই আছে। নিম্নে সংক্ষিপ্ত আকারে যথাসম্ভব প্রতিটি ধাপ বর্ণনা করার চেষ্টা করছি।
⭕১ম ধাপঃ
EPS ভিসার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো , কোরিয়ান ভাষার উপর দক্ষতা থাকা খুবই জরুরী তা না হলে ফাইনালি টিকা সম্ভব না। এই ভাষা যে কোন ভাবেই শিখতে পারেন। নিজে নিজে অথবা সরকার স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অথবা বিভিন্ন কোচিং সেন্টার কিংবা প্রাইভেটে ইত্যাদি ভাবে। ভাষার উপর পরীক্ষা দুইভাবে হয়। ১) রিডিং ২) লিসেনিং
⭕২য় ধাপঃ
ভাষা শিক্ষার পর আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে সার্কুলারের। সার্কুলার বর্তমানে ২ ধরনের হয়ে থাকে।
১। লটারি সিস্টেম
২। ভাষা পারদর্শী।
দুইটা অপসন এর যে কোন একটা তে আপনি সার্কুলার অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন।
সার্কুলার BOESL (Bangladesh Overseas Employment & Services Ltd) এর মাধ্যমে বিভিন্ন পত্রিকাতে ও বোয়েসেল ওয়েবসাইটে পাবলিশ হবে । সার্কুলার হলে আপনাকে প্রাইমারী ভাবে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অনলাইনে রেজিস্ট্রাশন করতে হলে কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে তা স্পষ্ট করে সার্কুলারে লিখা থাকবে। তবে আপাতত জানার সেটা হলো বয়স :(১৮-৩৯) এর ভিতরে ও এস এস সি সমমান সার্টিফিকেট এবং ডিজিটাল/ই-পাসপোর্ট এগুলো থাকতেই হবে আবেদন করার সময় ,
রেজিস্ট্রেশন কোথায় করবেন :- কম্পিউটার হলে নিজেই করা যায় আবার এন্ড্রেয়েড ফোন দিয়েও হয়। না পারলে যেকোনো কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হলে আপনাকে কনফার্মেশন একটা প্রিন্ট কপি দেওয়া হবে। যা আপনাকে সংরক্ষণ করতে হবে। মানে নিজের কাছে রেখে দিতে হবে।
⭕৩য় ধাপঃ
ভাষা পারদর্শীতে রেজিষ্ট্রেশন করলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যক্তিভিত্তিক পরীক্ষার সময় দেয়া হবে। এবং লটারি যদি চাহিদার চেয়ে অনেক বেশী রেজিস্ট্রেশন হয়। তখন সমস্ত রেজিস্ট্রেশন থেকে কোটা সমপরিমান লোক লটারির মাধ্যমে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়ে থাকে। এই লটারিতে অনেকে ভাষা না জানা ব্যাক্তিরা চান্স পেয়ে যায় আবার ঠিক তেমনি ভাষার উপর ভালোভাবে পড়াশুনা করা দক্ষ ব্যাক্তিরাও বাদ পড়ে যায়। এটি সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিলেকশন, সুতরাং আপনার বা অন্য কারো ক্ষমতা থাকে না। [[এক কথায় ভাগ্য ]]
⭕৪র্থ ধাপঃ
আপনি লটারির মাধ্যমে সিলেকশনের পর সব ধরণের কাগজপত্র একত্রিত করে আপনাকে স্বশরীরে বোয়েসেল গিয়ে মূল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এই রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত সিরিয়াল নম্বর আপনাকে সবসময় সংরক্ষণ করতে হবে। এডমিট কার্ড সংগ্রহ করা, টাকা পে-অর্ডার করা। সবকিছু ঠিকঠাক করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। নির্ভুলভাবে সবকিছু প্রস্তুত থাকতে হবে।
⭕৫ম ধাপঃ
UBT অর্থাৎ ট্যাবের মাধ্যমে পরীক্ষা হবে। ট্যাবের সামনে বসে রিডিং ও লিসেনিং একসাথে পরীক্ষা দিতে হবে। পরিক্ষার শেষে নিজে যে ট্যাবের সামনে বসে পরিক্ষা দিলেন সেই ট্যাবেই নিজের প্রাপ্ত নম্বর জানা যাবে।[একদম পরিক্ষা শেষে] তাই একটু বসে থাকতে হবে। পরীক্ষা অপেক্ষাকৃত ভালো হলে পরবর্তী ধাপে এগুতে হবে।
⭕৬ষ্ঠ ধাপঃ
ভাষা পরীক্ষার পর স্কীল টেস্ট নামে আরও একটি পরীক্ষা হবে। স্কিল টেস্ট কেমন ও কিভাবে হবে তা অভিজ্ঞ ইন্সট্রাক্টরের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে। সময়ের সাথে সাথে নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে, হয়তো আরও হবে। ২০২০&২০২২ সালের সার্কুলার অনুযায়ী স্কিল টেস্টে মূলত চোখের পরীক্ষা ও ওজন উচ্চতা নেয়া হয়েছে। এবারে বর্তমানে ২০২৩ সালে ২০২০&২০২২ সহ হাতে কাঠি কাঠি পরানো,রিং পরানো,নাটবল্টু টাইট ও খোলাসহ ভাইভা পরীক্ষায় জাগিসগি(নিজের পরিচয়)কোরিয়ান ভাষায় এবং বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি সম্মুখীন হতে হবে যা সার্কুলারে বলা হয়েছে।
⭕৭ম ধাপঃ
সব পরীক্ষায় পাশ করার পর PRS (Point Recruiting System) এর মাধ্যমে কোটা সমপরিমান লোক রেখে বাকিদের ডিলেট করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ যারা পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে মানে যারা বেশি নাম্বার পাবে তারা কোটাতে চান্স পাবে এবং বাকিরা বাদ পড়ে যাবে। সুতরাং দুইশোতে ১৫০ পেয়েও বাদ পরার আশাংকা রয়েছে অপরদিকে দুইশোতে ১০০ পেয়েও টিকে যেতে পারে।[২০২০ এ পাশ মার্ক ছিলো ১০০। টিকানো হয়েছে ১৩৫ মার্কে, ২০২২ ভাষা পারদর্শী পরীক্ষায় পাশমার্ক ১১০ ছিলো টিকানো হয়েছে ১৩৫। বর্তমানে চলমান লটারি পরীক্ষায় পাশমার্ক ১১০ হলেও ১ম ধাপে ১৪০ এ নেয়া হয়েছে কিন্তু ফাইনাল রেজাল্ট এখনো ঘোষণা করেনি।
⭕৮ম ধাপঃ
উত্তীর্ণ মানে আপনি টিকে যাবার পর আপনাকে নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে। তারপর আপনাকে আপনার পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী ঠিকানায় সিভিল সার্জন কর্তৃক মেডিক্যাল চেকআপ করে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে এবং জব ফর্ম পূরন করে বোয়েসেল গিয়ে জমা দিতে হবে। সাথে কি কি নিয়ে যেতে হবে বোয়েসেল সব নোটিশে বলে দিবে। [ জব ফর্ম, মেডিক্যাল চেক আপ লিষ্ট, মেডিক্যাল চেক আপ ফর্ম বোয়েসেল প্রদাণ করবে]
⭕৯ম ধাপঃ
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনাকে রোস্টারভুক্ত করা হবে, এবং আপনি www.eps.go.kr এ ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে পাবেন। এখানে একটা আইডি খোলার পর আপনার সব ইনফরমেশন আপনার ঔ আইডিতে পাওয়া যাবে। আপনার কাজ হবে কিছুদিন পর পর আইডি তে ঢুকে খোজ খবর নেওয়া। এরপর কোরিয়ান কোন কোম্পানির মালিকের উপর নির্ভর করবে আপনার ভিসা হবে কি হবেনা, আপনার ছবি, বয়স, বায়োডাটা দেখে মালিক পছন্দ করার পর আপনার ভিসা ইস্যু হবে এবং HRD Korea এর মাধ্যমে BOESL কে জানিয়ে দিবে। বোয়েসেল কর্তৃপক্ষ মোবাইল, ম্যসেজ বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দিবে। সব ঠিক ঠাক থাকলেও কোরিয়ান কম্পানির কোন মালিক যদি আপনাকে পছন্দ না করে তাহলে আপনার কোরিয়া যাওয়া হবেনা, উদাহরন স্বরুপ: আমরা বাংলাদেশেও যদি কোন চাকুরির ইন্টার্ভিউ দেই সব প্রশ্নের উওর যদি ঠিক ঠাক দেই তাও চাকরি না হলে কিছু কি করার থাকবে/থাকে...? মানে ইন্টারভিউওলা কোন কারনে আমাকে পছন্দ করেনি বা এক কথায় আমার ভাগ্যে চাকুরিটি ছিলনা, শুধু ভাগ্য বা আল্লাহ্র হুকুম থাকলেই কোরিয়া যেতে পারবেন।তাই সদা-সর্বদা নামাজ পড়েবেন, অন্যান্য ধর্মের যারা তারা তাদের ধর্ম পালন করবে, পরিবার ও অন্যান্য সবার সাথে ভালো ব্যবহার ও ভালো কাজ করবেন।
⭕১০ম ধাপঃ
আপনাকে জানানোর পরে অর্থাৎ CCVI কনফার্ম হওয়ার পর আপনাকে দুই সপ্তাহব্যাপী একটা ট্রেনিং দেওয়া হবে। এরমধ্যে ফ্লাইট ডেট কনফার্ম করতে হবে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করতে হবে। ফিঙ্গার প্রিন্ট করতে হবে এবং কোরিয়ান মালিক প্রদত্ত কন্টাক্ট পেপার ও সাইন করতে হবে।
⭕১১তম ধাপঃ
কোরিয়া যাবার পূর্বে বোয়েসেল অফিসে একটা ব্রিফিং দেওয়া হবে। ক্যাপ ও টুপি বোয়েসেল কর্তৃপক্ষ আপনাকে প্রদান করবে এবং ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা সাক্ষর করতে হবে। এবং নির্দিষ্ট দিনে কোরিয়া গমন করতে হবে।
⭕১২তম ধাপঃ
কোরিয়া যাওয়ার পর আপনাকে KBiz Center এ আরেক দফা ট্রেনিং করতে হবে এরপর মালিক এসে আপনাকে নিয়ে যাবে। ব্যাস আপনি এখন EPS এর গর্বিত একজন সদস্য।
🔻🔻🔻🔻প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যঃ🔻🔻🔻🔻
১। পাসপোর্ট,সার্টিফিকেট(ssc), ভোটার আইডি এবং অন্যান্য সকল কাজগপত্রে আপনার নাম, ঠিকানা, বাবার নাম ও জন্ম তারিখ হুবহু থাকতে হবে। কোন প্রকার সমস্যা থাকলে আগেই ঠিক করে নিবেন। এই কারণে আপনি বাদও পরতে পারেন।
২। এই EPS এর প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে আপনার পড়াশুনা, ব্যাবসা বাণিজ্য ও চাকুরী নিয়মিত করতে থাকবেন। কারণ প্রতিটি ধাপেই রয়েছে অনিশ্চয়তা। যে কোন কারণে, অল্প কারণে কিংবা বিনা কারনেই আপনি বাদ পরতে পারেন। এটি অনেকটা ভাগ্যের উপর নির্ভর করে। কোরিয়াতে যেতেই হবে বা কোরিয়াতেই যাব, এমন মনোভাব থেকে দূরে থাকা ভালো। কারণ যখন মনে করবেন আমি যাবই যদি না যেতে পারেন তাহলে জীবনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ে অনেকেই আত্মহত্যা করার ঘটনাও ঘটেছে এ পর্যন্ত।
৩। EPS এর প্রক্রিয়ার কোন ধাপেই নগদ অর্থের প্রয়োজন হয়না। ভিসা ইস্যূর পরে প্লেনের টিকিট নিজে কাটতে হয় এবং সমস্ত খরচ পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে হয়।
৪। EPS এর সমস্ত প্রক্রিয়ার নিয়মাবলী পরিবর্তনযোগ্য। সুতরাং সময়ের সাথে সাথে সবসময় আপডেট বা পরিবর্তন হতে পারে। সামনে আরো কঠিন থেকে কঠিনতর হবে এটাই স্বাভাবিক।
আমার পক্ষ থেকে যতটুক সম্ভব জানানোর চেষ্টা করলাম।
★ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে 💞
( দক্ষিণ কোরিয়ার লটারি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজটি ফলো করুন )
www.eps.go.kr
12/04/2023
ব্রেকিং নিউজ!!!
এখন থেকে E-9 ভিসাধারীরাও কোন শর্ত ছাড়াই শুধু কোরিয়ান ভাষা জানা থাকলেই কোরিয়ান ইউনিভার্সিটিতে (নির্দিষ্ট) ভর্তি হতে পারবে। খুব শীঘ্রই এ ব্যাপারে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
সুবিধা সমূহ:-
১. কোর্স ফি হাতের নাগালে
২. শুধু রবিবার ক্লাস
৩. কোর্স শেষে নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানীতে সরাসরি E-7 ভিসা ভিসায় নিয়োগ।
৪. গিয়ংগিদো এরিয়ার যে কোন প্রান্ত থেকে ইউনিভার্সিটির বাসে যাতায়াত সম্ভব (শর্ত প্রযোজ্য)।
৫. প্রথমে তিন/চার মাস এসে ক্লাস করতে হবে, পরে অনলাইনে ক্লাস করলেও চলবে।
৬. কোর্স শেষ করলে অন্য কোথাও E-7এর আবেদন করলে সর্বোচ্চ ৪১ পয়েন্ট পাওয়া সম্ভব।( ছবি সংযুক্ত)
৭. E-7 পাওয়ার পাঁচ বছরের মাথায় F-5 ভিসার জন্য সহজে আবেদন করা যাবে। (ছবি সংযুক্ত)
৮. যারা ইতিমধ্যে E-7, F-2 ভিসা করেছে, তারাও এই কোর্স করতে পারবে। কোর্স শেষ করে E-7 পাওয়ার পাঁচ বছর পর F-5 এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ইউনিভার্সিটির নাম বিস্তারিত আসার পর প্রকাশ করা হবে।
( ইমিগ্রেশন থেকে পৃথকভাবে নোটিশ আসা পর্যন্ত সকলকে ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।)