06/02/2025
শ্রদ্ধেয়/প্রিয় স্নেহের ভাই ও বোনেরা আস সালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা ভালো আছেন।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর আমাদের কাংখিত এলোমনাই এসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করতে যাচ্ছি। এই দীর্ঘ যাত্রায় অনেক আপ এন্ড ডাউন ছিল, অনেক আবেগ তৈরী হয়েছে। আশা করি সকল সীমাবদ্ধতা আমলে নিয়ে এই সংগঠনকে একটা ব্র্যান্ড হিসেবে সার্বজনীন সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলবেন বর্তমান পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ব্যাক্তি স্বার্থ পরিহার করে সকলের সহযোগিতা একান্ত ভাবে কাম্য।
নিবেদক-
আহবায়ক
মোঃ আব্দুল হক আকন্দ (আপেল) [1st Batch]
Alumni Association of Tangail Textile Engineering College (AATTEC)
21/01/2025
আমাদের প্রাণের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - বিটেক নাম পরিবর্তন করে টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - টিটেক করার একটা অনুমোদন দেখলাম। এটা আসলে আমাদের ব্রান্ডিং এর সাথে অনেকটা বেমানান। কারণ বিটেক নাম দিয়ে আমরা নিজেরা চাকুরির বাজারে বেশ একটা নাম কুড়িয়েছি। এই ব্রান্ডিং টা আমরা নতুন নামের কারণে হারায় ফেলবো যার প্রভাব অনেকটাই খারাপ। এক্ষেত্রে আমাদের আসলে করণীয় কি? এখানে আমাদের কাজ হতে পারে ২ টা-
১. কলেজ হতে ভার্সিটি করার আন্দোলন।
২. বিট - BITT নামে ফিরে যাওয়া।
তবে বাস্তবিক ভাবে ১ম অপশন টা বলা যায় অসম্ভব বর্তমানে। কারণ ভার্সিটি করার জন্যে অনেক ক্রাইটেরিয়া লাগে একটা কলেজের। যেমন প্রতি বছরে কতজন ক্যান্ডিডেট ভর্তির জন্য এপ্লিকেশন ও পরীক্ষা দিচ্ছে এবং তাদের জন্য আসনসংখ্যা কতোটা কম। পর্যাপ্ত একাডেমিক ভবন, ল্যাব ইত্যাদি আছে কিনা কারণ ভার্সিটি করলে আরো কিছু ফ্যাকাল্টি যেমন ফ্যাশন ডিজাইনিং, কেমিক্যাল ইত্যাদি সংযুক্ত করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। একটা ভার্সিটিতে শুধু একটা ফ্যাকাল্টি পড়াশোনা থাকলে সেটা ভার্সিটি কম কলেজ ই মানানসই। তাছাড়া তিতুমীর কলেজের কাহিনী যারা জানেন তারাও একমত হবেন সরকার নতুন করে কোন ভার্সিটি দিবে না। এছাড়াও ডুয়েট এর আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হইছে। এই সব দিকে ভাবলে এটা বোঝাই যাচ্ছে ভার্সিটি করার আন্দোলন অনেকটা আমাদের জন্যে সফলতা আনবে না এবং আগামী এক যুগেও ভার্সিটিতে পরিবর্তন করা স্বপ্নই থেকে যাবে।
আমি মনে করি ২ অপশনটা আমাদের জন্যে বেশি উপযুক্ত। বঙ্গবন্ধু বা ব্যক্তির নাম অনুযায়ী সরকার আর কিছুই দিবে না। অপরদিকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নাম দিলে তা বরিশালের কলেজ এছাড়াও একটা প্রাইভেট কলেজের সাথে নাম মিলে জগাখিচুরি হবে। তাই সব হতে ভালো যদি সম্ভব হয় আলাদা একক নাম নিয়ে আমাদের আগানো। যেমন নিটার। যার নামের সাথে কারো মিল নেই, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নেই তাই ২দিন পর কেউ এসে বাবার নাম দিবে পরিবর্তন করে তারও ঝামেলা নেই। আলাদা ও একক এই নিটার নাম মার্কেটে অল্পদিনেই তাদেরকে সুপরিচিত করতে যথেষ্ট সাহায্য করছে।
একি ভাবে আমরা "বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল টেকনোলজি - বিট (BITT)" তে পরিবর্তন করতে পারলে তা আমাদের কে দ্রুত সুপরিচিত করতে এবং একক আইডেন্টিটি প্রদান করবে। একি সাথে নামে কোন রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না অদূর ভবিষ্যতে নাম পরিবর্তিত হওয়া কঠিন হবে।
তাছাড়া আপনি নিজেই ভাবুন একটা ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েশন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসাবে "টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - টিটেক" বনাম "বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল টেকনোলজি - বিট (BITT)" কোনটা আপনার কাছে বেশি প্রফেশনাল লাগে? তাছাড়া আগে যেহেতু এ নাম ছিল সুতরাং এ নাম কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিতে পারে যদি শিক্ষার্থীরা চায়।
-বিটেকিয়ান
05/08/2024
ক্যাম্পাসের নাম "বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - বিটেক(BTEC)" নাকি আগের "বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব টেক্সটাইল টেকনোলজি - বিট(BITT)" কোনটাতে নিজের পরিচয় দিতে পছন্দ করবেন?
24/07/2023
"Higher studies opportunities in the United States"
07/06/2023
❤️❤️❤️
আজ ঐতিহাসিক ৭ জুন, ছয় দফা দিবস। ছয় দফা কর্মসূচি বাঙ্গালি জাতির `মুক্তির সনদ` (Charter of Freedom) বা `ম্যাগনাকার্টা` হিসাবে পরিচিত।
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটা সম্মেলনে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং সেই বছরের ২৩ মার্চ লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। কিন্তু ৭ জুন কেন ছয় দফা দিবস হিসাবে পালন করা হয়? এই প্রশ্নের উত্তর অনেকেই জানে না।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ছয় দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি আয়োজক পক্ষ থেকে গুরুত্ব প্রদান করেনি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ছয় দফা উত্থাপন করেন। সেদিন পাকিস্তানের তৎকালীন সেনাশাসক জেনারেল আইয়ুব খান অস্ত্রের ভাষায় ছয় দফা মোকাবেলার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ছয় দফার সমর্থনে ১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের জনসভায় ৭ জুন হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। মাসব্যাপি ৬ দফা প্রচারে ব্যাপক কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। সামরিকজান্তার ১৪৪ ধারা, নির্যাতন, নিষ্পেষণ ও গুলিবর্ষণ উপেক্ষা করে দেশব্যাপী ছয় দফা দাবিতে ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, মজুরসহ আপামর জনগণের স্বতঃস্ফুর্ত আন্দোলনে ও শ্রমিকনেতা মনু মিয়াসহ এগারো শহীদের রক্তে রঞ্জিত ৭ জুন অমরত্ব লাভ করল। ৭ জুন স্বীকৃতি অর্জন করল বাঙালির `মুক্তির সনদ` ছয় দফার দিবস রূপে।
বঙ্গবন্ধুর উত্থাপিত ঐতিহাসিক ৬ দফাকে সম্মান জানিয়ে আমাদের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (বিটেক) নির্মিত দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকলা "ছয়দফা" সগৌরবে দাড়িয়ে আছে। এর নকশা প্রণয়ন করেন স্থাপত্য অধিদফতরের সহকারী স্থপতি সিরাজী তারেকুল ইসলাম আর টেরাকোটার নকশা করেন ভাস্কর সৈয়দ সাইফুল কবীর রঞ্জু।
২০১২ সালে নির্মিত ষড়ভুজাকৃতির ছয়দফা চত্বরটির এর মূল বেদীর আয়তন প্রায় ১২০ ফুট বাই ১২০ ফুট। ভূমি থেকে আড়াই ফুট উঁচু, মাঝ খানটা পুরো উন্মুক্ত স্থাপত্যটি ৩০ টি স্তম্ভের উপর দন্ডায়মান। ছয়দফায় রয়েছে অপরুপ টেরাকোটার কাজ। ঐতিহাসিক তাৎপর্যময় ৬ টি দফা অত্যন্ত সুন্দরভাবে টেরাকোটায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাঙ্গালি জাতির মুক্তির পথপ্রদর্শক ও শোষকদের হাত হতে রক্ষাকারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর কে জানায় শ্রদ্ধাঞ্জলি।
12/05/2023
A flower can be defined by its unique beauty and an incredible allure...