08/12/2025
With Jmah Hasan – I'm on a streak! I've been a top fan for 6 months in a row. 🎉
আল্লাহ মহান
08/12/2025
With Jmah Hasan – I'm on a streak! I've been a top fan for 6 months in a row. 🎉
10/10/2025
With Jmah Hasan – I'm on a streak! I've been a top fan for 4 months in a row. 🎉
তারপরে.....
তাই আমরা কোরানের কথাগুলো বুঝাতে পারি বা না পারি, বৈজ্ঞানিকগণ এ বাণী বিশ্লেষণ করে তা প্রমাণ করতে পারুক বা না পারুক তাতে কিছুই আসে যায় না। এ বাণী সত্য-চির সত্য। এতে সন্দেহের কোনই অবকাশ নেই এ পূর্ণ বিশ্বাস আমার কাছে। এ ছাড়া যে মহামানবের উপর তা অবর্তীণ হয়েছিল তিনি ছিলেন সৃষ্ট জগতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। কোরানজ্ঞানীদের জন্য, কোরান বিজ্ঞানীদের জন্য, কোরান সুপথের দিশারী মানুষের জন্য। চিন্তাশীলদের জন্য যেমন চিন্তার খোরাক আছে বিজ্ঞানীদের জন্যও তেমনি বিশ্লেষণের বিষয়বস্তু আছে।এ গ্রন্থ শুধু ধর্মগ্রন্থই নয়; প্রাচুর্যপূর্ণ বিজ্ঞানের এক মহা উৎস। এ প্রমানও আল্লাহ স্বয়ং নিজেই দিচ্ছেন তার বাণীতেঃ
“সাক্ষী এই বিজ্ঞানময় কোরান।” [সুরা ইয়াসিন-2য় আয়াত]
17/06/2025
With Jmah Hasan – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
তারপরে............
অন্যদিকে কোরান কে অমর্যাদা করার মত দুঃসাহস ও আস্পদ্ধাও আমার নেই। কেননা আমি একজন মুসলিম সন্তান। আর কিছু বিশ্বাস না করলেও আল্লাহর বাণীকে ছোট বেলা থেকেই ভক্তিভরে বিশ্বাস করি। এ কথাও বিশ্বাস করি যে এ মহাগ্রন্থ “আল কোরান” মানব দানবের জন্য এক সমুজ্জল জ্যোতি। এতে ভুল ত্রুটির কোন অবকাশ নেই। এ চ্যালেঞ্জ আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন, ‘ইহা সেই গ্রন্থ যাহার মধ্যে কোন ভূল নেই।” (সুরা বাকারা-আয়াত 2)
I found this amazing template in CapCut. Tap the link to try it out! https://www.capcut.com/t/Zs8ap2yq3/
তারপর......
ঙ) “তাহার একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদিগকে মৃত্তিকা হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন তৎপরে তোমরা মানবরুপে সম্প্রসারিত হইতেছ। এবং তাহার অন্যতম নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদিগ হইতেই সহধর্মিনী সকল সৃষ্টি করিয়াছেন-যেন তোমরা তাহাদিগ হইতে শান্তিলাভ কর এবং তিনি তোমাদের মধ্যে প্রেম ও সহানুভূতি সৃষ্টি করিয়াছেন। নিশ্চয় ইহাতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে। এবং ইহাও তাহার অন্যতম নিদর্শন যে, তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল এবং তোমাদের বিভিন্ন ভাষা ও তোমাদের বর্ণসমূহ সৃষ্টি করিয়াছেন; নিশ্চয় ইহাতে জ্ঞানবানদের জন্য নিদর্শনাবলী রহিয়াছে। এবং ইহাও তাহার নিদর্শনের অন্তর্গত যে রজনীতে ও দিবসে তোমাদের নিদ্রা এবং তোমাদের জন্য তাহার অনুগ্রহ অনুসন্ধান করা; নিশ্চয়ই ইহাতে শ্রবণকারী সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শনাবলী রহিয়াছে। এবং ইহাও তাহার নিদর্শনাবলীর অন্তর্গত যে তিনি তোমাদিগকে ভীতি ও আশ্বাস প্রধানের জন্য বিদ্যুৎ প্রদর্শন করেন। অনন্তর তদ্বারা পৃথিবীকে উহার মৃত্যুর পরে সঞ্জীবিত করিয়া থাকেন; নিশ্চয় ইহাতে বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শনাবলী রহিয়াছে। এবং ইহাও তাহার নিদর্শনাবলীর অন্তর্গত যে তাহার আদেশে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল স্থির রহিয়াছে।” [সূরা রুম]
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
তারপরে..............
বিজ্ঞানের বিরোধিতা করা আমার মূল উদ্দেশ্য নয়। কেননা আমি নিজেই একজন বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম এবং এখনও বিজ্ঞান বিভাগেই চাকুরি করি। এ কথা আমার নিকট এখন সুস্পষ্ট যে বিজ্ঞানের আলোচনা না করলে মহাবৈজ্ঞানিক আল্লাহর শক্তি মহিমার বিকাশ সম্ভব নয়। অন্ধ হয়ে আল্লাহকে বুঝা আর জ্ঞানের আলোকে তাঁকে নিকটে পাবার মধ্যে অনেক প্রভেদ আছে। আল্লাহ তাঁর সৃষ্টি তত্ত্বের দ্বার উদঘাটন করেছেন সৃষ্টি সেরা মানুষকে এ পৃথিবীতে প্রেরণ করে। যাঁরা তাঁর এ সৃষ্টি রহস্য বুঝতে সক্ষম, বিশ্লেষণ করবার উপযোগী সৃষ্টি বস্তুকে আয়ত্বে এনে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত করার অপূর্ব কৌশল শিক্ষা দেন তাঁরাই সমাজে বৈজ্ঞানিক নামে অভিহিত। তাই এদের ছোট করে দেখবার মোটেই যুক্তি নেই। আল্লাহ পাক যুগে যুগে যেমন নবী-পয়গম্বর পাঠিয়ে মানুষকে ভ্রান্ত পথ হতে সরে নিয়ে সরল ও সুপথের সন্ধান দিয়েছেন তেমনি যুগে যুগে বিজ্ঞানীদের পাঠিয়েও অভিনব আবিষ্কারের পদ্ধতি শিখিয়েছেন এবং তাঁর অসীম ক্ষমতার বিকাশ করেছেন।তাই মানুষ সুখ-স্বাচ্ছন্দ, আরাম-আয়েস ও বিলাস বহুল জীবন যাপন করতে শিখেছে। যাঁরা বিজ্ঞান শিক্ষাকে ধর্ম-বিরোধী বলে মনে করে থাকেন আশা করি আমার এ সামান্যতম রচনাটুকু পড়ে তাদের এ ভূল ভাঙ্গবে।বিজ্ঞান চর্চ। আল্লাহরই নির্দেশ। কোরােন এ সাক্ষীই দিচ্ছে। সেখানে বলা হয়েছেঃ
ক) “অবশ্যি আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং দিবা রাত্রির পরিবর্তনের মধ্যে অনেক নিদর্শন রয়েছে বুদ্ধিমান লোকদের জন্য।”[সূরা আল ইমরান, আয়াত-190]
খ) “এবং তিনিই তোমাদের জন্য নক্ষত্রপুুঞ্জ সৃষ্টি করিয়াছেন যেন ইহা দ্বারা তোমরা ভূ-তল ও সমুদ্রের অন্ধকারে পথপ্রান্ত হও, নিশ্চয়ই আমি অভিজ্ঞ সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শনাবলী স্পষ্টরুপে বর্ণনা করিয়াছি।”[সূরা আনআম, আয়াত-97]
গ) “তিনি যাহাকে ইচ্ছা জ্ঞান দান করেন, এবং যাহাকে জ্ঞান প্রদত্ত হয়-ফলতঃ সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে। এবং জ্ঞানবান ব্যতীত কেহই হৃদয়ঙ্গম করিতে পারে না।”[ সূরা বকর, আয়াত-269]
ঘ) “আমি তোমার প্রতি এই প্রাচুর্যপূর্ণ গ্রন্থ অবতীর্ণ করিয়াছি যেন তাহারা ইহার প্রবচনসমূহ সম্বন্ধে চিন্তা করে এবং যেন জ্ঞানবানগন ইহা স্মরণ করে।”[সূরা সাদ, আয়াত-29]
চলবে......................................