Al Bahar Academy

Al Bahar Academy ইসলাম ও আধুনিক শিক্ষার অপূর্ব সমন্বয়

20/09/2025

সন্তানকে প্রতিদিন বলুন
তুমি সেরা, তুমি বুদ্ধিমান, তুমি ভদ্র, তুমি পরিশ্রমী।
এই ছোট্ট কথাগুলো তাদের মনে জাগিয়ে তোলে আত্মবিশ্বাস,দায়িত্ববোধ আর ইতিবাচক মানসিকতা।
যেমনটা বলবেন,ঠিক তেমনটাই গড়ে উঠবে ইন..

হিফজ ছাত্রদের মেহনতের পদ্ধতি,,, জাকারিয়া আল হোসাইনী বরগুনা ১/ হাফেজ ছাত্ররা প্রতিদিন এক / আধা পাড়া উস্তাদকে পড়া শুনাবে।...
01/05/2025

হিফজ ছাত্রদের মেহনতের পদ্ধতি,,,
জাকারিয়া আল হোসাইনী বরগুনা

১/ হাফেজ ছাত্ররা প্রতিদিন এক / আধা পাড়া উস্তাদকে পড়া শুনাবে। (বিনা লোকমায় এবং বিনা টোকায়)
সবকী ছাত্ররা সবক, সাতসবক, আমুখতা শুনাবে।(বিনা লোকমায় এবং বিনা টোকায়)।

২/ইয়াদ করার সময় প্রত্যেকটি শব্দ বাক্যকে কমপক্ষে ৩০/৪০/৫০ বার করে বার বার পড়বে, উদাহরণস্বরূপঃ
الحمد لله. الحمد لله. الحمد لله. الحمد لله.الحمد لله.....رب العالمين. رب العالمين. رب العالمين. رب العالمين. رب العالمين....
الحمد لله رب العالمين. الحمد لله رب العالمين. الحمد لله رب العالمين.....
এভাবে বার বার পড়ার পর ১ বার না দেখে পরবে,,,, যদি প্রত্যেকটি হরফ, হরকত, নুকতা, শব্দ, বাক্য, চোখে ভাসে তাহলে ইয়াদ হয়েছে আর না হয় আবার নতুন করে প্রত্যেকটি শব্দ বাক্যকে ১০/২০ বার পড়বে। এভাবে ১ পারা ইয়াদ করতে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় লাগবে।

৩/ হাফেজ ছাত্ররা নিয়মিত কমপক্ষে ১০ পারা এবং সবকী ছাত্ররা কমপক্ষে ৭ পারা তিলাওয়াত দেখে দেখে করবে।

৪/এশার নামাজের পর নিয়মিত ১ পারা নামাজে তিলাওয়াত করবে।

৫/আসরের পর ১৫ মিনিট দুইজন ছাত্র পরষ্পর প্রশ্ন পরবে।

৬/ খাবার সময়,অবসর সময়গুলোতে, বিশ্ববিখ্যাত হাফেজ ক্বারী যারা আছেন যেমনঃ( শায়খ মাহমূদ খালিল আল হুসারী রহঃ, শায়খ মুহাম্মাদ সিদ্দিক আল মিনশাবি রহঃ, শায়খ মুহাম্মাদ আইয়ূব রহঃ, শায়খ রাশেদ মাশারী আল আফাসী, শায়খ আব্দুর রহমান আস সুদাইস , শায়খ আলী আল হুজাইফী, শায়খ সাউদ বিন ইব্রাহীম আশ শুরাইম, শায়খ আলী জাবের, শায়খ বান্দার বিন আব্দুল আজিজ আল বালিলাহ, শায়খ মাহের আল মুয়াইকিলি, শায়খ আব্দুল ওয়ালী আল আরাকানী, শায়খ সালেহ আল আনসারী, শায়খ ইসমাতুল্লাহ , শায়খ মুহাম্মাদ জিবরাঈল, শায়খ আব্দুল্লাহ বাসফার হাফিজাহুমুল্লাহ ) সহ এধরনের আরো যারা রয়েছেন উনাদের তিলাওয়াত খুব বেশি শুনবে। সম্ভব হলে ভিডিও তিলাওয়াত দেখবে। এবং বাংলাদেশের যারা বিশ্বজয় করেছে তাদের প্রতিযোগিতার তিলাওয়াত শুনবে অথবা দেখবে। যেমন: বাহরাইন, দুবাই , কুয়েত,সৌদি আরব ,কাতার, জর্ডান ,মিশর সহ বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীতার তিলাওয়াত।

৭/ ইজতিমায়ী মাশক্বের ইহতিমাম করবে।

৮/ ইনফিরাদী বা একাকী আন্তর্জাতিক মানের হাফেজ ক্বারী উস্তাদের কাছে দৈনন্দিন এক পৃষ্ঠা করে মাশক্বের তিলাওয়াত শুনাবে।

৯/ফজরের রয়েছে ২ রাকাত সুন্নাহ নামাজ,যোহরের ৬ রাকাত, মাগরিবের ২ রাকাত, এশার ২ রাকাত সুন্নাহ নামাজ এবং ৩ রাকাত বিতর নামাজ। এই নামাজগুলোর প্রত্যেক রাকাতে এক পৃষ্ঠা করে মোট ১৫ পৃষ্ঠা সুন্নাহ এবং বিতর নামাজে তিলাওয়াত করবে।এবং ঘুমানোর সময় সিটে বসে ৫ পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করবে, এভাবে ১ পারা তিলাওয়াত পূর্ণ হলো।

১০/ হাটতে, চলতে, উঠতে, বসতে,মনে মনে দিনে রাতে ১ পারা তিলাওয়াত করবে।

১১/ সম্ভব হলে প্রতি সপ্তাহে না হয় অন্তত প্রতি মাসে একবার বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজ পরে নফল নামাজে দাড়াবে এবং শুক্রবার ফজর পর্যন্ত ১৫ পারা অথবা সম্ভব হলে এক খতম নামাজে তিলাওয়াত করবে।

১২/ যেকোনো একজন বিশ্ববিখ্যাত হাফেজ ক্বারীর তিলাওয়াতের সুর হুবহু তাকলিদ অথবা অনুসরণ করবে। অতঃপর নিজস্ব কিছু সুর সংযোজন করবে ।

১৩/ মাখারিজ,সিফাতসমূহ আয়ত্ত করবে।

১৪/ যথাসম্ভব একজন উস্তাদের কাছেই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার চেষ্টা করবে।

১৫/ অবশ্যই তাহাজ্জুদের নামাজ পরবে।

১৬/বিশুদ্ধ নিয়ত করবে।
একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই মহাগ্রন্থ আল কুরআন শিখবে।

১৭/প্রতিদিন অল্প সময় হলেও ওভার টাইম পরার অভ্যাস করবে।

১৮/ পড়া লেখার বিষয়ে উস্তাদের পরামর্শ মেনে চলবে।

১৯/ সর্বদা পাক পবিত্র এবং অজু অবস্থায় থাকবে।

২০/ বেশি বেশি رب زدني علما পড়বে এবং যেকোনো দুরুদ পাঠ করবে।
২১/ উত্তম আখলাক,আদব, ইজতিহাদ,এবং ইত্তেবায়ে সুন্নাহর ইহতিমাম করবে।

২২/ ধারাবাহিকভাবে একাগ্রচিত্তে মেহনত করবে।

২৩/ উস্তাদের খিদমত করবে।

২৪/ সিজদায় পড়ে আল্লাহর কাছে ইলমের জন্য দোয়া করবে।

২৫/ মাদ্রাসার যেকোনো কাজকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের, সাওয়াবের এবং উপকারী মনে করে মুহাব্বাত নিয়ে করবে।

২৬/ সম্ভব হলে মাদ্রাসার টয়লেট সাফাই করবে এই নিয়তে যেনো আল্লাহ অন্তরের ময়লা দূর করে সিনায় কুরআন বসিয়ে দেন।

২৭/ যখনই পড়ায় অমনোযোগ আসবে সাথে সাথে দুই রাকাত সালাতুল হাজত আদায় করবে, এবং বেশি বেশি পরবে
أعوذ بالله من الشيطان الرجيم

২৮/ ইশরাকের নামাজ আদায় করবে।

২৯/ মিসওয়াক করবে এবং পাগড়ি পরিধান করবে।

৩০/ ছোট বড় যে কোনো গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলবে।

والله اعلم بالصواب

07/04/2025
07/04/2025

ইমদাদুল উলুম আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা গোবিন্দাসী এর সকল বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম চলিতেছে । ☎️ 01764464746

27/03/2025

আলহামদুলিল্লাহ প্রথম ও দ্বিতীয় বছরের ন্যায় তৃতীয় বছরেও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর ৪৮ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় গোবিন্দাসী ইমদাদুল উলুম আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা এর ৫জন ছাত্রী বোর্ড স্ট্যান্ড করেছে

আলহামদুলিল্লাহ!!! আপনাদের জন্য রমজানের হাদিয়া চলে এসেছে, অতি শীঘ্রই আপনাদের হাতে পৌঁছানো হবে। ইনশাআল্লাহ
26/02/2025

আলহামদুলিল্লাহ!!! আপনাদের জন্য রমজানের হাদিয়া চলে এসেছে, অতি শীঘ্রই আপনাদের হাতে পৌঁছানো হবে। ইনশাআল্লাহ

আজ থেকে বেফাক পরীক্ষা শুরু অত্র মাদ্রাসার প্রায় ৫০ জন ছাত্রী পরীক্ষা অংশগ্রহণ করবে সকলের কাছে দোয়া চাই।
03/02/2025

আজ থেকে বেফাক পরীক্ষা শুরু অত্র মাদ্রাসার প্রায় ৫০ জন ছাত্রী পরীক্ষা অংশগ্রহণ করবে সকলের কাছে দোয়া চাই।

16/01/2025

ইলম থেকে মাহরুম হওয়ার কারণসমূহ।
(১) উস্তাদের সঙ্গে বেয়াদবী করা।
(২) যাতায়াতের সময় সালাম না দেওয়া।
(৩) উস্তাদের দিকে পিঠ দিয়ে বসা।
(৪) উস্তাদের দিকে পা দিয়ে বসা।
(৫) আনুগত্য কম করা কিছুু মানা আর কিছুু না মানা।
(৬) মুহাব্বতের মধ্যে কমতি করা।
(৭) উস্তাদকে ধোকা দেওয়া।
(৮) উস্তাদের সাথে মিথ্যা কথা বলা।
(৯) নিজের ভুলের তাবীল করা।
(১০) খেদমতে কমতি করা।
(১১) উস্তাদের মনে আঘাত দেওয়ার দ্বারা ইলমের বরকত চলে যায়।এবং তার খুশির দ্বারা ইলমে বরকত হয়।
(১২) উস্তাদের খারাপ নাম রাখা।
(১৩) উস্তাদের সম্পর্কে খারাপ ধারণা রাখা ।
(১৪) উস্তাদকে কথায় বা কাজে কষ্ট দেওয়া।
(১৫) যে তালিবে ইলম নিজের উস্তাদের জন্য কোন প্রকারের কষ্টের কারণ হয়, সে ইলমের বরকত থেকে মাহরুম থাকবে। হাজারো চেষ্টা করার দ্বারাও ইলমের মত সম্পদ দ্বারা উপকৃত হতে পারবে না।
(তুহফাতুত তুলাবা ওয়াল উলামা -৩৩০)

প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে কি কি করণীয়? এই বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছিলেন-আপনাদের খেদমতে লেখাটি হুবহু পোস্ট দিলাম৷•মহান রাব্বু...
26/12/2024

প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে কি কি করণীয়?
এই বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছিলেন-

আপনাদের খেদমতে লেখাটি হুবহু পোস্ট দিলাম৷

•মহান রাব্বুল আলামিনের ঘোষনা:
فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللَّهِ لِنتَ لَهُمْ وَلَوْ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ الْقَلْبِ لَانفَضُّوا مِنْ حَوْلِكَ فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ وَشَاوِرْهُمْ فِي الْأَمْرِ فَإِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِينَ
আল্লাহর রহমতেই আপনি তাদের জন্য (আপনার সাথীদের প্রতি) কোমল হৃদয় হয়েছেন, পক্ষান্তরে আপনি যদি রাগ ও কঠিন হৃদয় হতেন তাহলে তারা আপনার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো। কাজেই আপনি তাদের ক্ষমা করে দিন এবং তাদের জন্য মাগফেরাত কামনা করুন এবং কাজে কর্মে তাদের সাথে পরামর্শ করুন। অত:পর যখন কোন কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলবেন, তখন আল্লাহ্ তা'আলার উপর ভরসা করুন আল্লাহ্ তাওয়াক্কুল কারীদের ভালবাসেন, (আল ইমরান: ১৫৯)।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের আবশ্যকীয় গুণাবলী:
১. নেতৃত্বের চেয়ার আল্লাহর নিয়ামত অথবা পরীক্ষা মনে করে শোকর আদায় করা এবং অন্তরে পরকালিন জবাবদিহিতার ভয় রাখা।
২. প্রাতিষ্ঠানিক কাজকে দ্বীনের কাজ মনে করা এবং খেদমতের বিশাল সুযোগ কাজে লাগানো।
৩. নিজকে নির্লোভ এবং পরোপকারী হিসেবে উপস্থাপন করা।
৪. প্রতিষ্ঠানকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে না করা।
৫. আত্মীয়তা, প্রতিশোধ পরায়ণ এবং আঞ্চলিকতার জাহেলিয়াত থেকে মুক্ত থাকা।
৬. প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থী এবং জিনিসপত্রকে আমানত মনে করা।
৭. নিজের পাওনা প্রাপ্তির সাথে সাথে অধীনস্থদের পাওনা প্রাপ্তির প্রতি বিশেষ নজর দেয়া, তাদের যৌক্তিক দাবীগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে দর কষাকষি করে নিজ দায়িত্বে আদায় করে দেয়া।
৮. কর্তৃপক্ষের সাথে কোন বিষয়ে বিতর্কে জড়ানো যাবে না। পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে, সুন্দর ভাষায় সকল দাবী আদায় করার চেষ্টা করা।
৯. কোন কাজ আগামী দিনের জন্য না রেখে যথাসম্ভব আজকেই শেষ করার চেষ্টা করা।
১০. রাজনীতি, ব্যবসা, প্রাইভেট-টিউশনী, ওয়াজ-মাহফিল এবং বোর্ডের কাগজ নিয়ে ব্যস্ত না থেকে প্রতিষ্ঠানে বেশী সময় দেয়া।
১১. অহেতুক উপজেলা, জেলা শিক্ষা অফিস এবং বোর্ডে দৌঁড়াদৌঁড়ি করলে ব্যক্তিত্ব নষ্ট হয়ে যায়।
১২. এরকম হলে আমি এই প্রতিষ্ঠানে থাকবো না, আমার পক্ষে থাকা সম্ভব না, আমি বিকল্প চিন্তা করব ইত্যাদি মন্তব্য কিছুতেই করা যাবেনা।
১৩. শিক্ষক এবং স্টাফদের সকল শূণ্যপদ তড়িৎ পূরণ করা (একজন স্টাফ বিদায় নেয়ার আগেই একাধিক বিকল্প লোকের ব্যবস্থা রাখা)।
১৪. পুরাতন যেকোন শিক্ষক অথবা স্টাফকে যেকোন মূল্যে ধরে রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করা।
১৫. অর্থনৈতিক এবং নারী গঠিত সকল সন্দেহযুক্ত কর্মকাণ্ড থেকে নিজকে দূরে রাখা (ছাত্রী এবং মহিলা শিক্ষিকাদের সাথে কম ঘেঁষা)।
১৬. ধমক নয়; সুন্দর আচরন এবং সহযোগী মনোভাব দিয়ে কাজ আদায় করা।
★ "সকল কাজ আমি করি, বাকীরা সবাই মরা কলা গাছ" এমন মানসিকতা পরিহার করতে হবে,
বরং সকল কৃতিত্ব সাধারণ শিক্ষকদের, প্রতিষ্ঠান প্রধান অগ্রজ মাত্র- এমন মানসিকতা থাকা চাই৷
১৭. অনুপস্থিতি এবং দেরীতে আসার জন্য আগেই ধমক না দিয়ে- সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের সমস্যাগুলো জানার চেষ্টা করুন।
১৮. মাঝে মাঝে শিক্ষকদের বাসায় যাওয়া, চা-নাস্তা খাওয়া, সময় দেয়া এবং তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অবস্থা জানা।
১৯. অধীনস্থদেরকেও মাঝে মাঝে আপনার বাসায় নিয়ে যাবেন, একসাথে চা-নাস্তা খাবেন।
২০. কেন্দ্রীয় এবং বৃত্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হয়।
২১. সকল কাজ ভাগ করে দেয়ার পর প্রত্যক্ষ তদারকি করা। কঠিন কাজটি প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাগে রাখা।
২২. প্রতিষ্ঠানমুখী এবং ছাত্রবান্ধব শিক্ষকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
২৩. প্রতিষ্ঠানমুখী শিক্ষকদের দাবীগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আদায় করার পাশাপাশি তাদের আয়ের বিভিন্ন সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া (কোচিং, প্রাইভেট, ইমামতি, জুমআ, লজিং ইত্যাদি)।
২৪. তেলবাজ-তোষামোধকারী শিক্ষক-স্টাপ থেকে সর্বদা সতর্ক থাকা। তাদের দ্বারা উপকারের চেয়ে অপকার বেশী হয়।
২৫. অনুগত এবং সরল প্রকৃতির শিক্ষকদের প্রতি কঠোরতা, আর দুষ্কৃতিকারী এবং আইন অমান্যকারীদের প্রতি নমনীয়তা প্রদর্শন না করা।
২৬. দায়িত্বশীল হিসেবে আপনার বেইনসাফি, প্রতিশোধপরায়ন এবং জুলুমবাজ মানসিকতা থাকলে- আপনার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে হিমালয় পর্বত সমান জুলুম এবং মানসিক অশান্তি সৃষ্টি হয়ে যাবে, আর আপনার পরকাল বরবাদ হয়ে যাবে।
২৭. একাকি চা-নাস্তা গ্রহণ না করে বিভিন্ন দিন বিভিন্ন শিক্ষককে সাথে নিয়ে নাস্তা গ্রহণ করা।
২৮. ঈদ, রমজানসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবস এবং অনুষ্ঠানে মোবাইলে ম্যাসেজ অথবা কল দিয়ে অধীনস্থদের শুভেচ্চা জানিয়ে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা।
২৯. শুদ্ধ ভাষা, ভদ্র আচরন এবং মার্জিত পোশাক ব্যক্তিত্ব বজায় রাখার অন্যতম হাতিয়ার।
৩০. কোন বিষয়ে তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত না নেয়া অথবা মন্তব্য না করা।
৩১. যেকোন ছোটখাটো সমস্যার কথা সাথে সাথে নোট করে নিবেন। তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য কোন বিষয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পাকাবেন না।
৩২. প্রতিষ্ঠান প্রধানের ব্যাপারে এমন ধারণা যেন না আসে-
* প্রতিষ্ঠান প্রধান শুধু আদেশ করেন; নিজে কাজ করেন না,
* প্রতিষ্ঠান প্রধান শুধু অধীনস্থদের দিয়ে কাজ করান; কিন্তু অধীনস্থদের অধিকারের ব্যাপারে হাইকোর্ট দেখান,
* প্রতিষ্ঠান প্রধান আইন তৈরী করেন- কিন্তু আইন মানেন না!
৩৩. মিষ্টভাষী, সদালাপী, আমানতদারী, স্থিতিশীল, সময়ানুবর্তিতা, মেজাজের ভারসাম্য, সিদ্ধান্ত গ্রহণের যোগ্যতা, ইনসাফ, ইহসান, প্রজ্ঞা এবং পরিশ্রমপ্রিয়তা একজন প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শ্রেষ্ঠ অভিভাবকের গুণে গুণান্বিত করতে পারে।
৩৪. একদিন এই প্রতিষ্ঠানে আপনি থাকবেন না- কিন্তু আপনার অধীনস্থদের সাথে দেখা হবে, কথা হবে- এমন আচরন করুন, যেন অবসর পরবর্তী লজ্জিত হতে না হয়।

চেয়ারকে আল্লাহ তায়ালা আমাদের পরকালিন মুক্তির ওসিলা হিসেবে কবুল করুন, আমীন।

Address

Tangail
1960

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Bahar Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Al Bahar Academy:

Shortcuts

Share

Category