RaSel AhaMed

RaSel AhaMed

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RaSel AhaMed, Tutor/Teacher, Delduar, Tangail.

My life is my School.I like to write philosophical & psychological doctrines and comparative Bengali & English poetry, stories, essays and novels and also like to learn and teach.

15/10/2025

আমি হেরে যাওয়া কাউকে
জিতে যেতে দেখেছি,
আমি জিতে যাওয়া কাউকে
হেরে যেতেও দেখেছি।
অধীর আগ্রহী,
অসীম ধৈর্যের অধিকারী
কাউকে লেগে থাকতে দেখেছি।
অদূর পিছিয়ে থাকা কাউকে ধাপে ধাপে
সফলতার চূড়ায় হাসতে দেখেছি।
কি পাবো?কি পাবো না!
এরকম চিন্তা পরিত্যাগকারীকে
প্রফুল্লচিত্তে ছুটটে দেখেছি।
শুধু কি তাই?
ভালোবাসা,প্রেমালিঙ্গণে,
কাউকে জীবনের সর্বস্ব
বিসর্জন করতে দেখেছি।
অথচ তীলে তীলে গড়া ভালোবাসার সংসারে
বিচ্ছেদও দেখেছি।
আমি কি দেখেনি? বলো!!
আমি তো দেখেছি,
স্বার্থপরতার পৃথিবীতে
মানুষকে ব্যবহার করে
নর্দমায় ফেলে দিতে।।
শুধু কি তাই?
বাস্তবতার দোহায়ে,
প্রিয়জনকে হারানোর
কণ্টকিত হৃদয় দেখেছি।
আমি তো এও দেখেছি,
চাওয়া না পাওয়ার ভীড়ে
অনেককেই নিঃশেষ হতে।

✍ভাবনার কোলাহল✍

Photos from RaSel AhaMed's post 12/09/2025

Life is a dream, but a walking shadow !!

20/03/2025

ফিলিস্তিনিদের বাঁচাতে একজন বাংলাদেশী হিসেবে কী করতে পারেন?

বেশি কিছু না, ম্যাগি নুডল খাবেন না। সেটার সাথে কোকাকোলা, পেপসি,ফান্টা, সেভেন আপ, মিরিন্দা। ন্যাসক্যাফের কফি ছেড়ে দেন। যতবার এগুলা খাবেন ভাববেন, ফিলিস্তিনিদের মাংস আর রক্ত পান করছেন।

বড়লোকদের ধর্মীয় জ্ঞান আর মানবতাবোধ দুটোই কম থাকে। সবার না, অধিকাংশের। তবুও বলি পিজা হাট, স্টারবাকস,কেএফসির মত চেইনগুলো এড়িয়ে যান।

আপনাদের টাকায় বেশি যায়। যাদের তাওহীদি জনতা বলে মক করেন তাদের সেই ক্যাপাবিলিটি নাই এসব লাক্সারি ভোগ করার।

মেয়েদের নিয়া কথা বলি না। বলব একটা, বুঝবে আরেকটা। কারণ ওদের মনে বাস করে আমিরিকা বেশি। তবুও বলি, ভেতরে যদি আমেরিকা একদমই বাস না করে, অধিকাংশ বিউটি প্রোডাক্ট এর অলটারনেটিভ খুজেন।

ল'রিয়াল আর মেবেলাইন বন্ধ করে দেন। অনেক অলটারনেটিভ আছে ভালো।

এইগুলো কোনোটাই নেসেসেটি প্রোডাক্ট না। আমি আমা কফিতে সুইচ করসি,কারণ আমার জন্য কফি নেসেসিটি।

যারা আমজনতা আছেন, ম্যাগি খাওয়া বন্ধ করেন আল্লাহর ওয়াস্তে। নেস্টলে ডিরেক্ট জায়োনিস্ট কোম্পানি, পাশাপাশি পেপসিকো৷

মুসলমান হইয়া মুসলমানদের রক্ত পান কইরেন না৷ আপনার থেকে নেয়ে ১ পয়সা ফিলিস্তিনের উপর পড়া মিসাইলে কন্ট্রিবিউট করতেসে।
Collected

Photos from RaSel AhaMed's post 30/11/2024

Introduction of Analyzing the Performance of a Fuzzy Lane Changing Model Using Data Mining Based on Applications, Problems research, Modeling & Reliability.

Applications:
The performance of the fuzzy lane changing model with the help of data mining can definitely affect the large vehicles and small vehicles. Using the microscopic traffic model, we can independently take advantage of the lane changing of the large vehicles. With the help of data mining, the restrictions of different lane changing can be increased.
Problem Research:
Despite the increase in the number of heavy vehicles on the road, previous studies have only discussed passenger cars. In previous studies, lane changing issues have been based on the driver's desire. It can be said that lane changing issues between heavy vehicles and passenger vehicles are completely different. Their behavioral and psychological differences are the main reason for the difference in lane changing. In addition, the speed, acceleration, deceleration, size, etc. of the vehicle are the reasons for the difference in lane changing.
In order to increase and improve independent road perception and traffic safety, previous studies have focused on the strategies of various heavy vehicles. Due to the large size of heavy vehicles, drivers are mentally strong and can enter and drive freely. However, if they have limitations in lane changing, it is very convenient for passenger car drivers. As a result, having different lanes will be convenient and comfortable. Previous studies have focused only on heavy vehicles and on the mental behavior of drivers. Despite this, the emphasis has been placed on general lane changing models by focusing on microscopic traffic simulation packages and observing the behavior of passenger and freight drivers.
Discussion about the model:
Drivers' lane changing decisions are based on three factors. Namely, while driving, they have to consider whether it is time to change lanes, whether it is necessary to change lanes, and whether it is the desired time to change lanes! There are differences between heavy vehicles and passenger cars based on the parameters of general lane changing. Based on the lane changing model of heavy vehicles, the driver must increase the accuracy, which is performed on the microscopic traffic simulation. The performance of heavy vehicles is improved in the comparative discussion of fuzzy lane changing models. Based on each feature, the fuzzy lane changing model has been compared in macroscopic and microscopic. In the real world, drivers make decisions based on the surrounding traffic conditions. Fuzzy logical models have gained a lot of popularity in recent times by enabling uncertainty and explaining everything clearly. Fuzzy logical models are being used to guide truck drivers in lane changes to clarify and accept the uncertainty of drivers' decisions.
Reliable:
Many lane changing constraints have been tested by microscopic simulation packages. Most of them have been used as general lane changing models for heavy vehicles and passenger cars. But both of them have different psychological behaviors. The main reason for the reliability is that these packages have been evaluated under different lane constraints. Lane changes by large vehicles on freeways can reduce safety and increase the number of traffic accidents. Therefore, considering the safety issue, the VISSIM Default model will not be reliable but rather increase the accuracy of simulation models in microscopically reliable for vehicles and passenger car driving.

16/09/2024

গরু ও মহিষের মাথায় অংক😄

13/09/2024

কষ্ট দিলে কষ্ট পেতে হয় || অযৌক্তিক ও অপ্রাসঙ্গিক কথার ভয়াবহতা ||

06/09/2024

"""পরিতুষ্টি লাবণ্য """

কতটা মায়ায় জড়ানো তুমি,
কতটা উচ্ছ্বাস তোমার চোখে মুখে,
কতটা ক্লান্তি তোমার অক্লান্ত শরীরে
তবুও ভালোবাসো,মায়ায় জড়াও
শত সহস্র ব্যস্ততাকে দূরে রেখে ।

তোমার ঘুম ঘুম ভাবে,
দু-চোখে হাতের স্পর্শ লেগে থাকে
আমাকে জড়িয়ে নাও অক্লান্তভাবে
তুমি বিরহে থাকলেও যেনো আমি
তুমি সুখে থাকলেও যেনো আমি
তুমি দূরে থাকলেও যেনো আমি
তুমি কাছে থাকলেও যেনো আমি
তোমার মায়াবী হৃদয়ে
শুধুই আমি, আমি,আমি ।

তোমার যত্নে আমার অস্তিত্বের মর্যাদা
তোমার খুনসুটিতে আমার শতভাগ ঈর্ষা
তুমি আমার কবিতায় লেখা
সেরা গাঁথা মুক্তোর মালা
তুমি চিরচেনা জগতের
অসীম কাব্যের পংক্তি মালা ।

তোমার স্পর্শ আমাকে শিহরিত করে তুলে
স্থির,স্থবির, নীরব, শূন্যহীন আমাকে
হিংস্র,উশৃংখল অমানবিক করে তুলে ।
তুমি অতল গভীর সমুদ্রের উতলা কেউ
আমার হৃদয় প্রগাঢ়ে উদ্দাম বেগে
ছুটে আসা প্রবল ঝড়ে তীরের ঢেউ
যা আমাকে আমিহীন তুমিতে মাতোয়ারা করে তুলে
যা আমাকে তোমার অস্তিত্বে বার বার ফিরে আনে ।

আমি হারিয়ে গিয়েও যেনো তোমাতে ফিরে আসি
তোমার মায়া, তোমার কোমলপ্রাণ হৃদয়,
তোমার নীরবতা,তোমার দীঘল কিশোর কেশ,
তোমার হস্তে মাখা মেহেদীর আবেশ,
তোমার পদে পরিহিত নূপুরের নিক্বণ,
অপলকে চেয়ে থাকা তোমার ডাগর দুটি ছলছল আঁখি,
তোমার দু'ধারের অপরূপ আংগুলের সৌন্দর্য
আমাকে মুগ্ধ করে ,আমাকে বার বার ফিরে আনে।
তোমার চিবুকের উচ্চাংশের দুটো ওষ্ঠ,
শ্রীযুক্ত আনন ও তনয়ের গন্ধ আমাকে ঘিরে রাখে।

তোমাকে নিয়ে বলার,লেখার, শেষ নেই,
তুমি আমার গল্প, উপন্যাস,কবিতার প্রতিটা পৃষ্ঠা।
যেখানে আমার সবকিছু শেষ, সেখানে তুমি শুরু,
তোমাকে নিয়েই শুরু, তোমাতেই
স্রস্টার ইচ্ছার সেই পরিতুষ্ট মৃত্যু।।

✍️✍️০৫//০৯//২৪ ইং

28/08/2024

প্রথম পর্যায়ে আমি আর “ও” খুব ভালো বন্ধু ছিলাম।কিন্তু ধীরে ধীরে আমাদের সম্পর্কটা যে ভালোলাগা থেকে ভালোবাসায় পরিণত হবে তা দু'জনে বুঝতেই পারি নি।আমরা পরষ্পর প্রতিবেশী।আমাদের ছেলেবেলা,স্কুল জীবন, কলেজ জীবন একসাথেই কেটেছে।ছোটবেলায় বর্ষাকালে ভেলা নিয়ে দু’জনের শাপলা তোলা ছিল আনন্দমুখর। জৈষ্ঠ্য মাসে আমের দিনে ‘আম আঁটির ভেঁপু’ খেলাও ছিল আনন্দের।ওর সাথে আমার বন্ধুত্বের লেনাদেনা ছিল বর্ণনাতীত।
ধীরে ধীরে আমি আর ও বড় হচ্ছি।হাইস্কুলেও যাচ্ছি।আমাদের উঠন্ত বয়সে ক্লাস নাইনে পদার্পণ করেছি।আমরা দু'জনেই সায়েন্স এর স্টুডেন্ট।আমি,অন্তিম,আর আদৃতা এক সাথে প্রাইভেট পড়ি।অন্তিম ক্লাস এইটে পড়ছে আর আমরা নাইনে।
অর্ধ বার্ষিক পরিক্ষায় আদৃতা হলো ফার্স্ট, আমি সেকেন্ড। তখন বাড়ি থেকে আমার উপর পড়াশোনার জন্য প্রেসার করত। তাই হয়ত স্কুলে ঠেলেঠুলে প্লেসে থাকা হতো।কিন্তু আমি পড়াশোনার প্রতি উদাসীন ছিলাম।তবুও আদৃতার শাসনে কিঞ্চিৎ পড়াশোনা করতাম।আমি প্রত্যেকটা সাব্জেক্টের নোট বানাতাম।আর তা আদৃতাকে দিয়ে দিতাম।ও ম্যাথ,ফিজিক্স এ খুবই কাঁচা।তাই ওকে হেল্প করার ইচ্ছাটা তীব্র ছিল।মুখস্থ বিদ্যায় ও দারুণ পারদর্শী।আর ওর ইচ্ছা ছিল ডাক্তার হবে।সুতরাং এস.এস.সি তে ভালো রেজাল্ট করাটাই মুখ্য বিষয়।তাই প্রথম ধাপ থেকেই ও সেই অনুরাগ শুরু করে দিয়েছে।
আর আমি সেকেন্ড হতাম ওর সঙ্গ পেয়েই । টিফিনের সময় ক্লাসে বসে দুজনে একসাথে খাওয়ার পর ও আমাকে পড়া ধরত।আমি না পারলে জোড়ে সোরে পিঠে হাতের মুঠো দিয়ে আঘাত মেরে দিত।তবে ওর কোমল হাতের মৃদু আঘাতটা আমাকে ঘায়েল করতে পারত না।কিন্তু চক্ষু লজ্জার খাতিরে পড়তে আমি বাধ্য।

বাকি সব সাব্জেক্ট গুলোতে পারদর্শী না হলেও ম্যাথে আমার দখলদারত্ব তুখর।আর ফিজিক্স ত কিছু মনেই হয় না।ও প্রায়ই ক্লাসে ফাঁকে ফাঁকে বলত আব্রার আমাকে ম্যাথটা বুঝিয়ে দিবি?আমি আনন্দের সহিত বুঝিয়ে দিতাম।মাঝে মাঝে বলতাম মুখস্ত বিদ্যার দেবী রাণী তুই ম্যাথে এতো কাঁচা কেন হইলি?ও মৃদুস্বরে হেসে বলত তোর কাছে পড়ব বলে।প্রতিক্ষণেই বলত,তুই ইংরেজিতে পোল্ট্রি মারিস কেন রুপকথার রাজ্যের প্রজা?হি,হি হি।
আমাকে তুই প্রজা বানিয়ে দিলি?তোর সাথে আমার খুব আড়ি।তোর সাথে আর কথা বলব না।অভিমান করে ফুফিয়ে ফুফিয়ে কান্না না করলেও আমার হৃদয় অঙ্গে দাগ কেটে যেত।ও আমার এই অভিমান ভাঙাতে কত কি আয়োজন করত।ক্লাসের সময় আস্ত এক জিহবা বের করে দুই হাত কানের মধ্যে নিয়ে আঙুল গুলো নাড়াচাড়া করে ফার্স্ট ব্রেঞ্চের কর্ণার থেকে আমার দিকে বাকা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আমাকে ভেঙাত।আমি যে অভিমানে মুখ ফুলে আছি তা আমাকে দেখাত।আমি চোখ সরিয়ে নিতাম।একদিন ত ওর বাবার ক্লাসে এমন করায় ধরা খেয়ে গেলো।মেয়ে হলেও কোনো ছাড় নেই।ইচ্ছামত বকুনি দিলো।এবার ও খুব অভিমান করেছে ওর বাবার সাথে।আমাদের ইংরেজি স্যার উত্তম রায়। খুবই বদমেজাজি,কঠোর।তবে ন্যায়পরায়ণ মানুষ।তার মেয়েই আদৃতা।
অভি একটু অবাক হয়ে বলে উঠল, “ মেয়েটি কি তাহলে সনাতন ধর্মাবলম্বী?”
উত্তরে আমি বললাম,হ্যাঁ। আমরা ভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী।তবে আমরা খুব ভালো বন্ধু।শৈশব থেকে কৈশোরে পদার্পণ করেও আমাদের ধর্মবোধ জাগে নি।আমরা স্রেফ একে অপরের বন্ধু।খুবই কাছের মানুষ।নিজেদের সুখদুঃখ ভাগাভাগি করি।ভবিষ্যতের স্বপ্নগুলো নিয়ে ভাবতে পারি।ও আমাকে বার বার বলত তুই কি হতে চাস?আমি হেসে উড়িয়ে দিতাম।বলতাম আমার কোনো স্বপ্ন নেই।আমি স্বপ্নহীন পথিক।

যাই হোক,সেদিন টিফিনেই আমাদের রাগ অভিমান ভেঙে যায়।ও টিফিনের সময় বলে, আজকে আমি না টিফিন নিয়ে আসি নি।তুই কি আমায় একটু টিফিন দিবি,আব্রার ?আমি অভিমান করে থাকলেও অন্তরাকে বলি ওকে এইটুকু দে। আর আদৃতা ছোট ছোট লুকমায় গোগ্রাসে সব গিলে ফেলত।
শক্ত রুটি চিবাতে কত যে কষ্ট আমি হারে হারে টের পাচ্ছি।আমার চোয়াল দুটি ব্যথায় অনড় হয়ে গেছে।হটাৎ করে খক খক করে উঠি।রুটি গলায় আটকে গেছে।ও তাড়াহুড়ো করে হাতে থাকা পানির বোতল দিয়ে নিজ হাতে পানি খাওয়ায়।আমি ডক ডক করে পান করছি।আর ভাবছি এই মেয়ে কি ভাই?এতো ভাবাবেগ তাড়িত হওয়ার কি দরকার।ও হয়ত ভেবেছে এই বুঝি আমার প্রাণনাশ হয়ে গেলো।তাই আমাকে নিয়ে ওর এতো চিন্তা। একটু পরই ফিজিক্স এর গতি অধ্যায়ের ইঁদুর আর বিড়ালের অংক নিয়ে ও উপস্থিত।আব্রার অংকটা আমায় করে দিবি?প্লিজ!নইলে আজকে জয়নাল স্যারের বেত্রাঘাত আমার পিঠে ধপাস করে পড়বে।আমি কান্না করে দিব।স্যারকে আমার খুব ভয় লাগে।প্লিজ,আব্রার হেল্প কর।এরপর থেকে তোকে আর ডিস্টার্ব করব না।আজকেই শেষ।
আসলে আমি অন্যের কষ্টে বেশিই ব্যথিত হই । কারো দুঃখের সময় পাশে থাকতে আমার বিষণ ভালো লাগে।হইত বন্ধুত্ব এমনি হওয়া উচিৎ।ওর সাথে কোনো কথা না বলেই অংক বুঝাতে মনোযোগী হলাম। বুঝানো শেষ হলে ও বলে থ্যাংক্স রুপকথার রাজা।আমিই তোর প্রজা।রাণী বা দেবী হতে চাই না।প্রজা করেই রাখিস।আমি মৃদু হাসি দিয়ে ঠোঁট দিয়ে বাকানো দাঁত লুকিয়ে রাখি।ও হইত বুঝে যায় আমার অভিমান কমেছে।

পরন্ত বিকেলে স্কুল থেকে ফিরতে আমাদের ভালোই লাগত। আঁকাবাঁকা ধানখেতের আলপথ দিয়ে আমাদের আগমন হতো।বিস্তৃত ধানখেত,সবুজে সবুজাভ,পূবালী হাওয়ায় ধানের পাতা ও শীষ দোল খায়।বিকালে প্রাইভেট পড়ে একগাদা বই কাঁধে ঝুলিয়ে দুজনের মেঠোপথে হেঁটে আসা কি যে আনন্দের ছিল!ভাবলেই গাঁ শিহরিত হয়ে যায়।লাল টুকটুকে সূর্য অস্তমিত হওয়ার আশায়,আর আদৃতার সৌন্দর্য ছুঁতে ধানের শীষ ব্যকুল প্রত্যাশায়,আমি ওর মুখনিঃসৃত সুন্দর কথা শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায়। ওর মুখে রুপকথার গল্প,ভূতের গল্প শুনতে আমার অনেক ভালো লাগত।আমি ভুতুড়ে গল্প শুনতে খুবই ভয় পেতাম। যখন পথের ধারে সেই তেঁতুল গাছটার নিচে আসতাম তখন সুযোগ পেয়ে ও আমায় ভয় দেখাত। ও মেয়ে হয়ে এসবকে ভয় পায় না এটা ভাবাই আমার কাছে দুষ্কর মনে হয়।কিন্তু ও তেলাপোকা আর সাপের কথা শুনলেই চিৎকার,চেচামেচি শুরু করে দেয়।আমিও বোকা হলেও চালাক কম নই।ও ভূতের গল্প শুরু করলে আমি সাপের ভয় দেখাই।

ভয়ে দুজনে কাতরাতে থাকলেও একে অপরকে জড়িয়ে ধরতে পারি না।যতই বন্ধু হই আমাদের মধ্যে যে সবিস্তর পার্থক্য।আমাদের বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে দেহের গঠন,চেহারা,চিন্তাভাবনা,আবেগ,অনুভূতি সবই আলাদা হয়ে গেছে।আমরা দুজনে একে অপরের খুব কাছে থেকেও অনেক দূরে আছি।শৈশব আর কৈশোরের পার্থক্য অনেক।তবুও দুজনের শাপলা তোলা,বর্ষার বৃষ্টিতে ভেজা,বকুল ফুল,গাঁদা ফুল,গোলাপ,জবা,কৃষ্ণচূড়ার গন্ধে মুগ্ধ হয়ে স্বাদ গ্রহন একই আছে।দুজনে হাতে হাত রাখতে এখন কিছুটা সংকোচবোধ করি।হাতে হাত রেখে দুলতে দুলতে,নাচতে নাচতে দীর্ঘ মেঠোপথ পাড়ি দিতে কি যে আনন্দের,আবেগ আর অনুভূতির তা কেউ অভিজ্ঞসম্পন্ন না হলে অনুভব ও উপলব্ধি করতে পারবে না।

মাঝে মাঝে প্রণয়-প্রেমহীন এই পথচলাই স্মৃতির স্পটে জেগে উঠে।আমাদের মধ্যে ত প্রেম ভালোবাসার অনুভূতি ছিল না। তবে বন্ধুত্বের সম্পর্কটা আমাদের গভীর থেকে গভীর।গহীন থেকেও গহীন।কোনো স্বার্থ নেই ,চাওয়া-পাওয়া নেই,একে অপরকে স্পর্শ করার ইচ্ছা নেই,হিংস্র পশুর ন্যায় আত্মসম্মানবোধকে নরক প্রাপ্তি করার বিন্দুমাত্র স্পৃহা নেই।আছে শুধু ভালোবাসা,বন্ধুত্ব,একে অপরকে বুঝার এক অধীর সক্ষমতা।হয়ত এটাই বন্ধুত্ব যার নেই ধর্ম,জাত-পাত,উঁচু- নিচু,কাঙাল,কালো-ফর্সা,লম্বা-খাটো,যশ-অপযশ,জাত্যাভিমানের দাম্ভিকতার উৎকণ্ঠা।হয়ত এভাবেই বেঁচে থাকে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা।
~~৪(ক)~~
#বন্ধুত্বের_পরাজয়

28/08/2024

HSC স্টুডেন্টদের জন্য উচ্চতর গণিতের সাপোর্টিভ লেকচার এন্ড ম্যাথ সলুশন পিডিএফ লিংক কমেন্ট বক্সে👇👇

28/08/2024

Going on............................

05/08/2024

দেশে সাম্প্রদায়িক দাংগা লাগানোর যথেষ্ট চেষ্টা চলতেছে।।
আমরা যার যার নিজ জায়গা থেকে প্রতিহত করার চেষ্টা করি।।

Photos from RaSel AhaMed's post 31/07/2024

চারদিকে শুধু রক্ত আর রক্ত !!!

Want your school to be the top-listed School/college in Tangail?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Delduar
Tangail
1910