Taltali high School and College

Taltali high School and College This page is for the proud
students of TALTALI SCHOOL & COLLAGE. It will
present the contents that a

30/12/2021

আলহামদুলিল্লাহ্‌
তালতলী সঃ মডেল মাঃ বিদ্যালয়ে ৩৭জন A+ পেয়েছে।

03/06/2020

তালতলী সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২০ ইং সনের নবম শ্রেনীর সকল ছাত্র/ছাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, তোমাদের রেজিষ্ট্রেশন এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তাই নবম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীকে তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ০৪ জুন থেকে ১৫জুন এর মধ্যে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে যোগাযোগের জন্য বলা হইল। যোগাযোগেঃ ০১৭১২ ৩০৬৬৮১.

13/08/2017

আমি প্রতি সাপ্তাহে একবার মোটিভেশনাল স্পীচ শুনি। শুধু আমি না , এই মহা বিশ্বের কোটি মানুষ প্রতি সাপ্তাহে একবার করে, মোটিভেশনাল স্পীচ শুনে আসছে গত ১৪০০ বছর ধরে। কিন্তু আমরা বুঝতে চেষ্টা করি না বলে আমাদেরকে হাজার টাকা দিয়ে কনফারেন্স হল ভাড়া করতে হয়। লাখো টাকা খরচ করে মোটিভেশনাল স্পীকার হায়ার করে আনতে হয়।
আমরা আশা করি উনাদের এই স্পীচ জাদুর মত করে আমাদের জীবন গড়ে দেবে।
গত বৃহস্পতি বার রাতে আমাকে একজন একটি লিংক শেয়ার করেছিলেন ম্যাসেজে। ওপেন করে দেখি, দেশের একজন নামকরা মোটিভেশনাল স্পীকারের ভিডিও লিংক।
ম্যাসেজ দাতা আমাকে বললেন, ভাইয়া শুনে দেখুন! অনেক ভালো লাগবে।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি গত রাতে এটি দেখেছেন তাই না?
তিনি 'হ্যা' বললেন।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম আজ সকালে কয়টায় ঘুম থেকে উঠলেন?
উনি দুপুর বারোটা লিখে একটি লজ্জার ইমো দিলেন।
আমি আবার লিখলাম, রাত জেগে মোটীভেশনাল স্পীচ শুনে, দিনের অর্ধেক সময় পার করে দিয়েছেন। আদৌতে এই স্পীচ আপনার কতখানি কাজে এসেছে?
প্রতি সাপ্তাহে একবার করে শুক্রুবার আসে। একটি শুক্রুবার মানে একটি জুমার খুৎবা। এভাবে হিসাব করলে মাসে চারটি করে বছরে ৪৮ টি খুৎবা হয়। ঠিক এভাবে শত শত বছর ধরে প্রতি সাপ্তাহের এই জুমার দিনে আমাদের কে মোটিভেশনাল স্পীচ দিয়ে আসছেন দুনিয়ার বুকে জন্ম নেয়া সব চাইতে সেরা মোটিভেশনাল স্পীকাররা।
যাদের আমরা "ইমাম" বলি ।
আমার এক কাজিন আমাকে একবার বলেছিলেন,
দুনিয়ার বুকে সব চাইতে সফল মোটিভেশনাল বুক হচ্ছে "আল কুরআন"
দুনিয়ার বুকে সব চাইতে ইফেক্টিভ মোটিভেশনাল স্পীচ হচ্ছে জুমার খুৎবা, জুমার বয়ান।
দুনিয়ার বুকে সব চাইতে সেরা মোটিভেশনাল স্পীকার হচ্ছেন "মসজিদের ইমাম"
শুধু এই দুইটি জিনিস ধারন করে জীবন গড়তে পারলে সফলতা আসতে বাধ্য।
যার প্রমান,
-এই দুনিয়ার বুকে জন্ম নেয়া সব চাইতে সফল মানব হযরত মোহাম্মদ (সঃ) ।
-Rashed KHan

12/08/2017

স্বপ্ন জয়ের যুদ্ধে জয়ী তোমাকে হতেই হবে। তুমি যে শ্রেণীর স্টুডেন্ট হও না কেন তোমরা পক্ষের সেরাটা দিয়ে সেরা প্রতিষ্ঠানের (বুয়েট/ঢাবি/মেডিকেল/শাবিপ্রবি/জাবি/অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়) পছন্দের বিষয়টিতে ভর্তি হতে পারবে ইনশাআল্লাহ। তুমি বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা দিতে বসেছো। চারপাশের সব হ্যান্ডসাম ছেলেমেয়েরা দূর্বার গতিতে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করছে। তুমি প্রথম তিনটি ম্যাথই পারছো না। তবুও ভাবছো তুমি সেরা সাবজেক্টটি নিবা কনফিডেন্স সেটাই। আশা করি, আজকের উপস্থাপনা তোমাদের ভর্তি পরীক্ষায় ভাল করতে বেশ ভূমিকা রাখবে।
♦♦ ভর্তি পরীক্ষা কেমন?
- নিঃসন্দেহে সহজ তবে প্রস্তুতির ধাপটা একটু লম্বা।
♦♦ প্রস্তুতি কতদিনের নিতে হবে?
- প্রায় দুই মাস সময় যথেষ্ট হবে।
প্রস্তুতির আগে একটা প্রেসক্রিপশন দেবো। প্রেসক্রিপশন কিন্তু সবাই দিতে পারে; তুমি, আমি বা তৃতীয় কেউ। কিন্তু ঔষধ খাওয়ার জন্য উপায় বলে না। কোচিং কিংবা প্রাইভেট প্রোগ্রাম এ তোমাদের বলা হবে, "কনসেপ্ট ক্লিয়ার কর।" কিন্তু কীভাবে কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে হবে এটি খুব কম মানুষগুলোই উপস্থাপন করে। আমি আমার পক্ষের সেরাটা দিয়ে বলছি।
প্রথমতঃ কোচিং তোমাকে চান্স নিয়ে দেবে না, চান্স নিয়ে দেবে তুমি পড়ার টেবিলে কী কর, কীভাবে সময় দাও পড়াশুনায়। তুমি যদি মনে কর, তোমার অনেক গ্যাপ আছে, কোচিং তা পূরণ করতে সক্ষম হবে এটি ভূল ধারণা।
দ্বিতীয়তঃ তুমি যে শ্রেণীর স্টুডেন্ট হও না কেন নিজেকে ছোট মনে করা যাবে না। হতে পারে কলেজে কোনদিন পাস করনি হতে পারো কোচিং এ পিছন থেকে সিরিয়াল দেখতে হচ্ছে এসব কোন বিষয় নয়। নিজেকে দেশের সবথেকে গাধা স্টুডেন্ট হলেও তোমাকে মনে করতে হবে তুমি সেরাটাই করতে যাচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায়। তোমার চেষ্টার মাধ্যমে এই কনফিডেন্স অর্জন করতে হবে।
তৃতীয়তঃ ফলাফল নিয়ে হতাশ? স্বপ্ন বুয়েট বা ডিএমসি বা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা সিলেটের শাবিপ্রবি?
-বোকার মতো কখনই ভাবনা চিন্তা করবা না। ফোর পয়েন্ট পেলেই ঢাবিতে চান্স পাওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়। বুয়েটে পরীক্ষা দিতে নাও পেতে পারো? ভাইয়া, ঢাবির ফার্মাসি বা ইন্জিনিয়ারিং সাবজেক্টগুলোই বা কম কিসের? বুয়েট থেকে যেমন গুগল, মাইক্রোসফট এ জব করে ঠিক তেমনি ঢাবি, সাস্ট বা জাবি থেকেও বেশ পরিমাণে করে।
-ভাইয়া, সাস্ট বরাবরই সাস্ট। স্বপ্ন এমনই তোমার চিনি খাওয়া প্রয়োজন তুমি গুড় দিয়ে তা পূরণ করতে পারবে না। কিন্তু স্বপ্নের থেকেও তুমি বড় কিছু হতে পারবে। নাসার একজন সায়েন্টিস্ট সাস্টের পদার্থবিজ্ঞান অনুষদ থেকে হয়েছিল। সিএসই বা ইন্জিনিয়ারিং অনুষদ নয়। তিনি ডাক্তার নন। কিন্তু নিজের গ্রামে বিশ্বমানের হসপিটাল দিয়েছেন, দেশকে মাথা উঁচু করে দিয়েছেন। সাকিব আল হাসানের প্রিয় খেলা ফুটবল। বার্সেলোনার খেলা রাত জেগে দেখেন। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্বে তিনি সেরা অলরাউন্ডার।
- আমার রুমমেট এইচ এস সিতে ৪.২৫ পেয়েছিল। তার সার্কেল এর ১৬ জন বন্ধুই এপ্লাস পেয়েছিল। সে কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল সাবজেক্ট পেয়েছিল এবং সাস্টের বসসারির কিছু ইন্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট পেয়েছে। এখন সে ডিপার্টমেন্ট এর টপার। জার্মানি কিংবা অস্ট্রেলিয়ার স্কলারশিপ সবার আগে কিন্তু সেই পাবে। সে কিন্তু তোমাদের মতো ফলাফল নিয়ে থাকেনি। তার ১৬ জন বন্ধুর একজন কোনরকমে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়ছে। বন্ধু একজন মেয়েকে ভালবাসতো যে ক্যান্সারে না ফেরার দেশে চলে যায়। ভালবাসার মানুষটিকে ভালবাসার কথা বলা হয়নি তার। সে হতাশা কিন্তু তাকে গ্রাস করেনি।
-আমার এইচ এস সি ফলাফল শোনার পর পাশের রুম থেকে মামা এসে বলেছিল, "তুমি কি কলেজে প্রেম করছোই শুধু" দোকানে চুল কাটাতে যাবো। পাশের বাসার আংকেল বলছেন, "ছেলেটা বাহিরে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। " উদ্ভাসে যখন যেতাম মামা বলতো, "শরম করে না ইন্জিনিয়ারিং কোচিং করতে এসে ফলাফল খারাপ করছো?" নাহ, ভাইয়া আমি নিজের ওপর কনফিডেন্ড ছিলাম আমি পারবোই এবং পেরেছি। আমার রুমে দুইজন থাকতো। দুইজনই জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল। আজ একজন বাসার পাশের একটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ অন্যজন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এ অধ্যয়ন করেছে। অথচ তারা কিন্তু দেশের পঁচিশটির ওপর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ পরীক্ষা দিয়েছিল। এক হাতে মোবাইল অন্য হাতে বই নিলে যা হয়।
চতুর্থতঃ হেরে যাবে বলে স্বপ্ন দেখোনি। স্বপ্ন দেখতে শিখেছো পূরণ করে ঘরে ফিরবা ইনশাআল্লাহ। সততার সাথে মাঠে নেমে পড়। পারতে তোমাকে হবেই। ফলাফল তোমার জীবনের সফলতাকে থেমে রাখতে পারবে না।
-চাঁদকে লক্ষ্য করে তীর ছুড়ে দাও। কোন না কোন তারাকেতো লাগবে গতি ঠিক থাকলে। সফলতাকে রেলগাড়ির ইন্জিনের সাথে তুলনা করলে রেলগাড়ির জালানি হবে তোমার আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস ছাড়া তুমি এগিয়ে যেতে পারবে না।
পঞ্চমতঃ আত্মবিশ্বাস কীভাবে আসবে? তোমার স্মরণ শক্তি খুব দূর্বল? কোচিং এ কম মার্কস পাচ্ছ?
- তুমি বারবার একটি পড়া দেখো। আমি এমন দেখেছি দুই বছর পড়াশুনা করে কোথাও চান্স পায়নি। আবার সাতদিন পড়াশুনা করে বগুড়া মেডিকেলে পড়ছে। তুমি আজকে যা পড়লা কাল তা আবার দেখে (শুধু কি-ওয়ার্ড, সূএ, মূল বিষয়বস্তু) নতুন পড়া শুরু কর; বেশী বেশী লেখো; সুপার স্পিড নাও; ইচ্ছা করলে প্রিপারেশন কিন্তু বিশদিনে শেষ করা যায়। তুমি যদি একটা ম্যাথ এক ঘন্টা ধরে কর তাহলেতো হবে না। পড়াশুনায় চিরুনী অভিযান দিতে হবে তবে তা সমান গতিতে।
এবার একটু টেকনিক্যাল এবং কনসেপ্ট বিষয়টি এখন ক্লিয়ার করি আলাদাভাবে।
পদার্থঃ স্বল্প পরিশ্রম করে ভাল করা যায়। তবে পরিশ্রম যেমনই হোক চিন্তার পরিসর গভীর হতে হবে। পদার্থ বোর্ড বই একবার পড়া মানে আপনি আপনার সিলেবাস দেখেছেন। প্রথমেই সূত্রনোট তৈরি করে ফেলুন বিভিন্ন গাইড বই এবং মূল বই দেখে। যা জানেন যা জানেন না, সহজ হোক বা কঠিন হোক সবই তুলুন। প্রতিদিন সকালে উঠে আশা করি সূত্রনোট একবার করে হলেও দেখবেন। আপনি ফরমূলা ব্যাংক হয়ে উঠতে বেশী সময় লাগবে না। মনে করুন, আপনি প্রাসের টপিক নিয়ে পড়ছেন। প্রাসের তিন ধরণে চিত্র সঠিকভাবে বুঝতে পারা, সত্রগুলো কীভাবে আসছে, কোন সূত্রের ব্যবহার কোথায় সবকিছু বুঝুন এবং ভাবুন। মনে করুন, আপনি তপন থেকে ম্যাথ করছেন। আপনাকে যদি গিয়াস উদ্দীনের বই থেকে যে কোন ম্যাথ দেয়া হয় যদি আপনি পারেন তাহলে বুঝবেন You are perfect. তবে যে বই করেন উদাহরণ+অনুশীলনীর প্রতিটি ম্যাথই করতে হবে। আমি বোর্ড অনুমোদিত ছয়টি বই করেছিলাম। পদার্থ আমার খুবই পছন্দের সাবজেক্ট। প্রায় ৭৩/৭৫ সঠিক করেছিলাম এইচ এস সি পরীক্ষায়। সিলেটে পদার্থ নিয়ে যে জুনিয়রদেরই সময় দেই আশা করি তারা সেরাটাই পায় আমার কাছে । যাই হোক, আমি ছয়টা বই করেছি তার মানে এই নয় আপনাকেও করতে হবে।
বোর্ড বইঃ ইসহাক/ শাহজাহান তপন।
এডমিশন সহায়ক বইঃ ফিজিক্স বুলেট অনুশীলনের জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ ম্যাথ আছে।
রিভিশন দিন কমপক্ষে দুইবার।
রসায়ণঃ এখানেও কম পরিশ্রমে ভাল কিছু করতে পারবেন, পারবেন বলে কখনই অবহেলা করা যাবে না। গুহর বইটা নিয়ে নিন। যে হাজারী বা নাগ পড়বে সে বেশ কিছু মিস করবেন। ম্যাথ গুহ থেকে সব করতে হবে না,প্রতিটি টপিক এর কমপক্ষে অর্ধেক করুন। ম্যাথ এর জন্য হাজারী/কবির পাশাপাশি ফলো করলে ভাল। কোন টপিক, কনভার্ট, একক বাদ দেয়া যাবে না সবসময় রিভিশনের মধ্যে রাখতে হবে। সূত্রনোটে যুক্ত করতে পারেন এসব।
এডমিশন সহায়ক বইঃ অবশ্যই ক্যামিস্ট্রি প্লাস। পাশাপাশি এসপিরিন নিতে পারেন। ক্যামিস্ট্র প্লাস তিনবার রিভিশন যথেষ্ট।
ম্যাথঃ যার জন্য হাজারো স্টুডেন্ট এডমিশনে কান্না করে। কেতাব উদ্দীনের বইটি নিয়ে নিন। উদাহরণ+তথ্য বইয়ে যা দেয়া আছে অনুশীলনী করার আগে করুন। শুধুমাএ কেতাব সারের বইয়ের তও্ব করে এডমিশন ফেস করা সম্ভব। আপনার বেশ কষ্টই হবে শেষ করতে। তবে করার সময় প্রতিটা ম্যাথই করবেন। আপনি যে লেভেলের স্টুডেন্ট হোক না কেন আপনি ম্যাথে বস হবেনই। সূত্রনোট ম্যাথ এর ক্ষেএে খুবই জরুরী। বিশেষ করে বৃও, উপবৃও, সরলরেখা এর সূত্র সকালের নাস্তার মতো ব্যবহার করেন।
এডমিশন সহায়ক বইঃ ম্যাথ বিচিত্রা + ম্যাথ সামেশন+অক্ষরপত্র নিতে পারো।
পদার্থ , রসায়ন এবং ম্যাথ এভাবে করতে পারলে বুয়েট, জাবি, সাস্ট কিংবা ঢাবি এর যুদ্ধে সেরা হওয়াটা সময়ের ব্যাপার।
জীববিজ্ঞানঃ প্রথম পত্র আবুল হাসান, দ্বিতীয় পত্র গাজী আজমল। লাইন বা লাইন পড়েন আর লাল, নীল কলম দিয়ে মার্ক করুন কী-ওয়ার্ড। মনে করুন আপনি প্রথম চ্যাপ্টার আজ পড়ছেন দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় চ্যাপ্টার পড়ার আগে প্রথম চ্যাপ্টার এর কী-ওয়ার্ড পড়েন। অনেক রাইটার এর বই মেডিকেলের জন্য লাগে না। বায়োলজিতে কখনই গাইড বই নির্ভর হবেন না। সহায়ক বই জীবকোষ নিতে পারো।
জিকেঃ এমপি থ্রিই + জিকে ইউসিসি/ফোকাস শীট+ কারেন্ট এফেয়ারস/ওয়াল্ড+ জোবায়েরস জিকে।আপনার যা ইচ্ছা।
বাংলাঃ নবম দশম শ্রেণীর মূল বোর্ড বই + সরোবর+পারাবার নিতে পারেন + কোচিং এর শীট + আপনার যা ইচ্ছা।
ইংলিশঃ এপেক্স / কম্পিটিটিভ + সাইফুরস এর ছোট ভেকবুলারি + সিনেনোইম বই + কোচিং এর শীট + আপনার যা ইচ্ছা।
যা বলেছি আশা করি, বুয়েট কিংবা ঢাবির জন্য যথেষ্ট হবে। মনে রাখবা, হেরে যাওয়ার জন্য মাঠে নামোনি। শোককে শক্তিতে পরিণত কর।
রামানুজানের নাম শুনেছো? শুধু গণিতে পাশ করতেন পূর্ণ মার্কসহ! বাকী সব সাবজেক্ট এ ফেইল করতেন। তিনি ভারতের বিখ্যাত গণিতবীদ। তার রাফকরা খাতা নিয়ে নতুন সূত্র আবিষ্কার হয়েছে। রামানুজানকে দিয়ে হয়তো জোড় করে তার বাবা-মা ইন্টার পাশ করিয়ে পিওনি চাকরী করাতে পারতো। কিন্তু আজকের গনিত পাওয়া যেতো না!
ভাইয়া, প্রত্যেকের মাঝে ভাল কিছু আছে, বিধাতা কম বেশী করে তৈরি করেননি! নিজে কি হবে তা অন্য কেউ ঠিক করে দেবে না! যে ছেলেটিকে ক্লাসে সবসময় ফেল করতো, সে সবার আগে পিএইচডি নিতে গিয়েছি। ব্যাকবেন্চার ছেলেটি কোম্পানির মালিক, আর ফাস্ট বয় কর্মচারী এমন উদাহরণ বেশীই হচ্ছে।
যাই কর জীবনে ভাল কিছু কর। এগিয়ে যাও।
স্বপ্ন জয়ের যুদ্ধে সায়েম ভাইয়া পাশে আছে সবসময়। যে কোন প্রয়োজনে ইনবক্সে নক দিতে পার। সিলেটে যারা আছো ম্যাথমেটিক্যাল সমস্যা নিয়ে আসতে পারো।
Sabbir Khan Saym
-Shahjalal University of Science and Technology

15/07/2017

তোমাকে না কল করতে নিষেধ করলাম তো কল করেছো কেন?তারপর---------অত:পর হয়ে গেল😃😃

14/07/2017

প্রিয় বাবা,
আমি আপনার আদরের সন্তান। আপনি সবসময় চেয়েছেন আমি যেন মানুষের মতোন মানুষ হই। মানুষের মতোন মানুষ হওয়া মানে নিশ্চই দুই চোখ, দুই কান, দুই পা, এক মুখ, এক নাক বিশিষ্ট মানুষ বলতে ঠিক যা বুঝায়, তা হয়তো নয়।
মানুষের মতোন মানুষ হওয়া মানে আপনি যা চেয়েছেন তা হয়তো এরকম,- আমি যেন আদর্শিক, নৈতিক, মানবিক বোধ সম্পন্ন হিসেবে গড়ে উঠি।
বাবা, আমি মানুষের মতোন মানুষ হবার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।
সেই শিশুকাল থেকে আজ অবধি আপনি আমাকে আপনার বাহুডোরে, আদরের খাঁচায়, পরম মমতা আর ভালোবাসা দিয়ে আগলে রেখেছেন।
পূরণ করেছেন আমার সকল শখ, আহ্লাদ। মিটিয়েছেন আমার সমস্ত চাহিদা। আপনার আঙুল ধরে মক্তবে যাওয়া থেকে শুরু করে প্রাইমারীর সেই প্রথম পাঠ- সবই আজো আমার স্মৃতির পাতায় পরম যত্নে তোলা আছে।
যখন আমি প্রচন্ড কান্না করতাম, আপনি আমায় বুকে জড়িয়ে আদর করতেন। আমার গালে চুমু খেতেন।
প্রচন্ড বদমেজাজি ছিলেন শুনেছি। অথচ, আমার শৈশবে কখনো আমাকে জোরে একটি থাপ্পড় দিয়েছেন- এমনটি মনে পড়ে না।
কৈশোরে, যখন আমি জগৎটাকে একটু ভালোভাবে বুঝতে শুরু করেছি মাত্র, তখন আপনি আবির্ভূত হলেন সম্পূর্ণ এক নতুন ভূমিকায়।
আমায় হাতে-কলমে শেখাতে লাগলেন ভালো আর মন্দের মধ্যকার পার্থক্য।আমায় বুঝিয়েছিলেন কীসে আমার ভালো হবে, কীসে খারাপ।
যেবার স্কুল থেকে ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে পা মচকে এসেছিলাম, সেদিন আপনি ব্যবসায়িক কাজে বাইরে ছিলেন। টেলিফোনে সে রাতে আম্মুকে খুব বকাঝকা করেছিলেন আমার জন্যে। তবুও, আমায় একটুও বকলেন না সেদিন। আম্মু আমার মচকে যাওয়া পায়ে মলম লাগাতে লাগাতে বিড়বিড় করে আমায় বকছিলো আর আপনার উপরে জমা ক্ষোভটা আমার উপরেই ঝাঁড়ছিলো।
যখন আমি স্কুলজীবন শেষ করে কলেজ জীবনে পা রেখেছি, তখনও প্রতিটা পদে পদে আপনি ছিলেন আমার ছায়া সঙ্গী। আমার সমস্ত প্রয়োজনে, সমস্ত আকাঙ্ক্ষায় আপনি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন সর্বদা।
কলেজ জীবন শেষ করে যখন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রবেশ করেছি, তখন হয়তো আপনি বুঝে গিয়েছিলেন যে, আপনার ছোট্ট বাবুটা আর ছোট্ট নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচে উঁচু সিঁড়িতে সে তার পদচারণা দিয়ে ফেলেছে।
সেবার আমায় বলেছিলেন,- 'তোমার ভালো-মন্দ এখন থেকে তোমাকেই ঠিক করতে হবে।তোমার সিদ্ধান্ত তোমাকেই নিতে হবে। এখন তুমি যথেষ্টই বড় হয়েছো।'
আমি জানি আপনার সেদিনের সেই কথাগুলো ছিলো কেবলই আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। জীবনের সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে নিতে হবে, তার বীজ তো খুব ছোটবেলাতেই আপনি আমার মধ্যে রোপন করে দিয়েছেন। আপনি কেবল দেখতে চেয়েছেন, আপনার রোপন করা সেই বৃক্ষের শিকড় কতোটা গভীরে প্রোথিত হয়েছে।
বাবা, আজ পর্যন্ত জীবনের প্রতিটা সময়ে আমি আপনার সান্নিধ্য পেয়ে এসেছি। আপনার গাইডলাইন, আপনার নির্দেশনা, সবকিছুই ছিলো আমার জন্য জীবনের পাথেয়।
আমাকে মানুষের মতোন মানুষ করতে যতোটা কাঠখড় পুঁড়ানো দরকার, তার কোন কমতি হতে আপনি দেন নি।
আপনার সেই ছোট্ট বাবু, যাকে সুযোগ পেলেই কাঁধে নিয়ে ঘুরতেন, সে আজ যুবক হয়ে উঠেছে।
প্রিয় বাবা, আপনাকে আজ একান্ত কিছু বলতে ইচ্ছে করছে। আমার জীবনের প্রথম বন্ধু তো আপনিই। আমার প্রথম বন্ধু, প্রথম সহপাঠী, প্রথম সহচর, প্রথম খেলার সাথী- সবকিছুই আপনি। আমার জীবনে যা কিছু প্রথম, সবকিছুতেই আপনি আছেন।
বাবা, আমি এখন যথেষ্টই বড় হয়েছি।চলে এসেছি একটা কঠিন সময়ে, একটা কঠিন বয়সে।
এই সময়, এই বয়স এতোটাই কঠিন যে, লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে এই কঠিন বয়স আর কঠিন সময়ের কথা আপনাকে লিখতে বসে গেলাম। প্রথমেই, এরজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কিন্তু আমি মনে করি, জীবনের প্রতিটা কঠিন সময়ে আপনি যেভাবে আমার পাশে ছিলেন, ঠিক এই সময়টাতেও আপনার সান্নিধ্য, আপনার পরামর্শ, আপনার সাহায্য, সহযোগিতা আমার দরকার। শুধু দরকার নয়, খুবই দরকার।
বাবা, আমার যৌবন যুগের সাথে আপনার যৌবন যুগের একটা পার্থক্য আছে।ঠিক এই বয়সটাতে আমি প্রযুক্তির যে অভাবনীয় সুবিধা ভোগ করছি, আপনি তা আপনার সময়ে কল্পনাও করতে পারেন নি।
প্রযুক্তি সবকিছু আমাদের একদম হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। এই সুবিধার যেমন বিশাল একটি ভালো দিক রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে বিশাল একটি খারাপ দিকও।
এখানে, এই ভার্চুয়াল বিশ্বে ভালো জিনিসগুলো যেমন আমাদের একদম হাতের নাগালে, ঠিক সেরকম খারাপ জিনিসগুলোও আমাদের একেবারে নাকের ডগায়।
প্রিয় বাবা! বর্তমান যুগ হলো একটি ফেৎনার যুগ।
এখানে, বাসা থেকে শুরু করে শহরের অলি-গলি, ক্যাম্পাস থেকে ক্যান্টিন, রাস্তাঘাট, পার্ক, উদ্যান, ইন্টারনেট থেকে শুরু করে মোবাইল ফোন, - সবখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ফেৎনা। ফেৎনা বলতে আমি কী বুঝাতে চাইছি আপনি নিশ্চই এতক্ষণে ধরে ফেলেছেন। জ্বী হ্যাঁ।
যৌবনের এই চরম সময়ে এসে, চারদিকের এতো এতো চোখ ধাঁধানো দুনিয়াবি ফেৎনা থেকে আমি বাঁচতে চাই।
বাবা, আমার হাতে একটি স্মার্টফোন আছে। টেবিলের উপরে আছে একটি ল্যাপটপ।মন চাইলে নিষিদ্ধ বায়বীয় পাতায় ঢুঁ মারার মতো যথেষ্ট ডাটা সর্বদা আমার ফোনে মজুদ থাকে।
কসম আল্লাহর! আমি চেষ্টা করি নিজেকে সংযত রাখার। আমি চেষ্টা করি নিজেকে সামলে রাখার। কিন্তু, আমার এই যে টগবগে তারুণ্য! শরীরে যৌবনের এই যে বারিধারা, এটাকে আমার বড্ড ভয় হয় বাবা।
আমি কতক্ষণ নিজেকে ধরে রাখতে পারবো?
ভয় হয়, যদি বিগড়ে যাই? যদি শয়তানের ওয়াসওয়াসায় পড়ে ভুলে যাই নিজের গন্তব্য? নিজের আদর্শ? যদি কোন সুদর্শিনী রমণীর ফাঁদে (খুব সচেতনভাবেই ফাঁদ বলছি, কারণ, বিবাহপূর্ব সকল বেগানা নারী-পুরুষের মধ্যকার অবাধ মেলামেশা, সম্পর্ক আমার ধর্ম হারাম করেছে) পড়ে বিসর্জন দিয়ে বসি আমার নৈতিকতা?
বড্ড ভয় করে বাবা, বিশ্বাস করুন।
ভাবছেন, এর থেকে পরিত্রাণের কী উপায় আছে? কী সলুশ্যনই বা আমি চাইছি আপনার কাছে,তাই না?
অকপটে বলি- বিয়ে........।
আমি আবারো দুঃখিত বাবা এভাবে বলার জন্যে।
আমাদের বয়েসী ছেলেদের বাবা-মায়েদের ধারণা,
ছেলে পড়াশুনা শেষ করে, ভালো চাকরি-বাকরি ধরে নিজের অবস্থানটা পাকাপোক্ত করতে পারলেই যেন সে বিয়ের উপযুক্ত হয়।
খুবই ভুল ধারণা বাবা, খুবই ভুল। এই পড়ালেখা শেষ করে, চাকরি-বাকরি জোগাড় করতে গিয়ে সন্তান যে কতোটা অধঃপতনে চলে যায়, তা যদি বাবা-মা'রা বুঝতেন।ক্যাম্পাসে এসে যদি তারা দেখতেন এইখানে উনাদের সন্তানেরা কোন পরিবেশে, কোন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে প্রতিনিয়ত দিন পার করে!!
বাবা! ভাবছেন, চাকরি-বাকরি না করতে পারলে আমাকে বিয়েটাই বা কে করবে, তাই না?
আরেকটি ভুল ধারণা! বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একটা ছেলে এতোটাই বেকার, এতোটাই অসহায় নিশ্চয় নয় যে, সে একজন স্ত্রীর ভরণ পোষণের ভার নিতে পারবে না।
ভাবছেন, কোন বাবা-মা সাহস করবে বেকার ছেলের হাতে মেয়ে বিয়ে দেওয়ার, তাই না?
কোন দ্বীনদার যুবক, যার হয়তো কোন বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেই, কোন বড় ব্যাংকে হয়তো সে গলায় টাই ঝুলিয়ে অফিস করে না, কিন্তু একনিষ্ঠতার সহিত দ্বীন পালন করছে। খুব ঝমকালো না হোক, মোটামুটি স্বচ্ছলতার সহিত সে চলতে পারছে- এরকম কারো কাছে আপনার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার সাহস করে ফেলুন, দেখবেন আপনার ছেলে, যারও বড় কোন চাকরি নেই, বড় ব্যাংকে জব নেই, কিন্তু দ্বীন পালনের চেষ্টা করে, তার হাতে অন্য কোন দ্বীনদার মেয়ের বাবা তার মেয়ে তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।
রাসূল (সাঃ) বলেছেন,- 'সকল কাজ নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল।'
আপনার মেয়ের বিয়েতে আপনি এমনভাবে মোহরানা ধার্য করুন, যাতে আপনার মেয়ের ভাবি জামাই, যার সাথে আপনার মেয়ের আত্মিক বন্ধন হতে চলেছে, যার সাথে আপনার মেয়ে সারাজীবন কাটাবে, তার উপরর যেন কোন চাপ না সৃষ্টি হয়।
তাহলে আপনার ছেলের ক্ষেত্রেও তাই হবে।
মেয়ের বাবা হিসেবে আপনি যা ত্যাগ করবেন, সন্তানের বাবা হিসেবে আপনি তা-ই ফেরত পাবেন।
বাবা, বিয়েটা সুন্নত! সন্তানকে সঠিক সময়ে সুন্নত পালনে সাহায্য করাটা পিতা মাতার অন্যতম দায়িত্ব। বলছিনা যে আপনারা এই দায়িত্ব থেকে গাফেল। শুধু বলছি, সময়টা বড্ড কঠিন।
রিয্বীকের বিলি বন্টন তো আসমান থেকেই নির্ধারিত হয়।
বিয়ে করে কেউ না খেয়ে মরেছে, কিংবা ফকির হয়ে গেছে, এরকম নজির সম্ভবত পৃথিবীতে নেই।
রাসূল (সাঃ) যুবকদের বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন, সম্ভব না হলে রোজা রাখতে বলেছেন। তিনি জানতেন, যৌবনের সময়টা বড্ড কঠিন! বড্ড নিষ্ঠুর!
বাবা, অকপটে লিখে ফেলেছি।কারণ, আমি ফেৎনা থেকে নিজেকে বাঁচাতে চাই। যদি ভাবেন আমি ভুল কিছু বলেছি বা ভুল কিছু চেয়েছি, আমায় ক্ষমা করবেন।
ইতি,
আপনার আদরের পুত্র।
(এই চিঠিটা যদি কোন 'বাবা' পড়েন, তিনি বাবার ভূমিকায় পড়বেন, যদি কোন মা পড়েন, মায়ের ভূমিকায় পড়বেন। যদি কোন বিবাহিত বড় ভাই পড়েন, বড় ভাইয়ের ভূমিকায় পড়বেন, বিবাহিত বড় বোন পড়লে, বড় বোনের ভূমিকায় পড়বেন। আর বাকিরা (যাদের সমস্যা নিয়ে লেখা

21/06/2017

#বুয়েট
আজকে বুয়েটে গেসিলাম। বাসায় ফেরার জন্য
পলাশী থেকে রিক্সা ঠিক করলাম। ভাড়া ৮০
টাকা চাইল। এম্নে ১০০ টাকা চায়। এই
রিক্সাওয়ালাটা কম চাইলো। উঠে গেলাম রিক্সায়।
বাসার কাছাকাছি যখন আসলাম তখন
রিক্সাওয়ালা আমাকে বলে
"প্রতিদিন কি এই খান
থেকে ক্লাসে যাওয়া আসা করেন?"
আমি বলি না। পাস করসি ৩ বছর হলো।
রিক্সাওয়ালাঃ "ও আচ্ছা! এখন কি করেন?"
আমিঃ "চাকরি করি।"
রিক্সাওয়ালাঃ "ও আচ্ছা! আমার ছেলেও
বুয়েটে পড়ে। এখন ফাইনাল ইয়ারে।"
(কি শুনলাম নিজের কানকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হইল
প্রথমে! আবার কনফার্ম করার জন্য
জিজ্ঞাসা করলাম)
"আপনার ছেলে বুয়েটে পড়ে?!!!?"
রিক্সাওয়ালাঃ "হা!"
আমিঃ(এখনো বিশ্বাস করতে পারতেসিনা। তাই
একটু ডিটেইলস জানতে চাইলাম) "কোন
ডিপার্টমেন্ট?"
রিক্সাওয়ালাঃ "সে সিভিলে পড়ে।"
আমিঃ(যেহেতু ফাইলান টার্মে বলসে তাই HSC
টা জিজ্ঞাসা করলাম) "ও HSC দিসে কবে?"
দেখলাম রিক্সাওয়ালা ঠিক ঠিক answer দিলো!
HSC year শুনে আমি নির্বাক! তার
ছেলে যে আসলেই বুয়েটিয়ান! কিছুক্ষন অবাক
বিস্ময়ে চুপচাপ বসে থাকলাম আর একটু পর
জিজ্ঞাসা করলাম!
"আপনার কয় ছেলে মেয়ে?"
"২ ছেলে ১ মেয়ে।
মেয়েটা ইডেনে প্রানীবিজ্ঞানে সেকেন্ড
ইয়ারে পরে। ছেলেটা ক্লাস ১০ এ বুয়েট স্কুলে পরে।"
আলাপ করতে করতে বাসার সামনে চলে আসলাম।
রিক্সা থেকে নেমে বললাম,
"আপনি আগে কি করতেন?"
"পাঞ্জাবির কারখানা ছিল। টাকার অভাবে বন্ধ
হয়ে গেসে।" তারপর বলল "মানুষ জন বলে, তোমার
ছেলে তো বুয়েটে পরে, তোমার রিক্সা চালানোর
কি দরকার। কিন্তূ আমার টা তো আমি বুঝি।
কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ছেলে মেয়ের
লেখা পড়ার খরচ চালাইতে হয়।
ছেলেটা টিউশনি করাইয়া নিজের টা নিজে চলে।"
আরো অনেকক্ষণ কথা বললাম আমরা,
তিনি আমাকে বললেন কিভাবে ছেলেকে পড়াইসে,
ছেলে ক্লাস ৫ এ বৃত্তি পাইসে, SSC তে A+ তারপর
HSC তে গোল্ডেন A+ পাইসে। তেজগাও, কুয়েট, বুয়েট
সহ আরো অনেক জায়গায় ভর্তি পরিক্ষা দিসে। সব
জায়গায় চান্স পাইসে সে। যখন
দেখলো ছেলে বুয়েটে টিকসে, তখন ছেলেকে চোখ
বন্ধ করে বলল বুয়েটে ভর্তি হয়ে যেতে।
আমি বললাম আপনি আসেন আমার সাথে ভাত
খাবেন। বাসায় আম্মু আব্বু নাই আমার এখন। আমিই
আপ্নারে ভাত রাইন্ধা খাওয়াব। আপনি একজন
গর্বিত পিতা! আপনি রিক্সা সাইড করে আমার
বাসায় আসেন। তারপর উনি বলল। "না বাবা থাক!
তোমার আম্মু আব্বু যেহেতূ নাই এখন লাগবে না।"
আমি বললাম "আচ্ছা আপনি একটু দাঁড়ান।
আমি আস্তেসি ভিতর থেকে।
পরে মানি বেগে যা ছিলো পুরোটাই দিয়ে দিলাম
উনাকে। বললাম এইটা আপনি রাখেন। বেশি দিন
না, আর মাত্র ৬ মাস! তারপর থেকে আপনার আর
কষ্ট করা লাগবে না। আপনার ছেলে বুয়েটে পড়ে।
সামনে আপনার সুদিন। [পাশে দাঁড়ানো আরেক
যাত্রি আমার লাস্টের কথা গুলা শুনল এবং উনার
রিক্সা করে যেতে যেতে অবাক হয়ে কি কি যেন
জিজ্ঞাসা করতে লাগ্লো]
দেশটা আমার বড়ই অদ্ভুদ! গুণীজনরা না খেয়ে মরে,
রিক্সা চালায়ে খেটে খায়, গরিব থেকে গরিবতর
হয়। আর মূর্খরা দেশ চালায়, ধনি থেকে ধনিতর হয়!

জিপিএ–৫ পাইনি, হারিয়ে যাইনিজিপিএ-৫ না পেলেও যে জীবনে ভালো করা যায়, তার উদাহরণ আছে অনেক। সেসব উদাহরণ থেকে চারজনের গল্প শু...
09/05/2017

জিপিএ–৫ পাইনি, হারিয়ে যাইনি
জিপিএ-৫ না পেলেও যে জীবনে ভালো করা যায়, তার উদাহরণ আছে অনেক। সেসব উদাহরণ থেকে চারজনের গল্প শুনুন। ৪ মে প্রকাশিত হলো মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। যারা জিপিএ-৫ পেয়েছে, অভিনন্দন তাদের। আর যারা পায়নি, তাদের জন্যই আজকের বিশেষ আয়োজন।
1.মিলি আক্তার
মিলি আক্তার
জেদের জোরেই উচ্চমাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়ে গেলাম
মিলি আক্তার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আমি ছিলাম মুন্সিগঞ্জের ব্রাহ্মণভিটা ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী। সে বছর আমাদের পুরো স্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল একজন। আমি পেয়েছিলাম ৪.৮৮। প্রস্তুতি খুব ভালো ছিল সেটা বলব না, কিন্তু আমিও মনে মনে জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রত্যাশা করছিলাম। ফল পেয়ে খুব ভেঙে পড়েছিলাম। কান্নাকাটি করেছিলাম।
আমি বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলাম। ইচ্ছা ছিল ঢাকায় এসে ভালো কলেজে পড়ব, চিকিৎসক হব। অল্প কয়েকটা নম্বরের জন্য হঠাৎ মনে হলো স্বপ্নটা ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। তার ওপর গ্রামের মেয়েদের একটা সমস্যা তো থাকেই। পড়ালেখায় একটু পিছিয়ে পড়লেই নানা দিক থেকে বিয়ের খবর আসতে থাকে। যেন আমাকে দিয়ে আর পড়ালেখা হবে না।
আমার মা ততটা পড়াশোনা করেননি। কিন্তু এ সময় আমাকে ভীষণ সাহস দিয়েছেন। তাঁর অনুপ্রেরণায় ভর্তি হলাম বিক্রমপুর টঙ্গিবাড়ী ডিগ্রি কলেজে, মানবিক বিভাগে। আমার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নটার মৃত্যু হয়েছিল ঠিকই, তবে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলাম। সবাই বলত, মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া আরও কঠিন। শুনে জেদ চেপে গিয়েছিল। সেই জেদের জোরেই বোধ হয়, উচ্চমাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়ে গেলাম।
এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছি। যখন পেছনে ফিরে তাকাই, মনে হয় জিপিএ-৫ না পেয়েই হয়তো ভালো হয়েছিল। বিজ্ঞান বিভাগে থাকলে এত এত ভালো শিক্ষার্থীর ভিড়ে আমি হয়তো হারিয়েই যেতাম। মানবিক বিভাগে পড়ে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছি।
2.ফজলুল হক
ফজলুল হক
উচ্চমাধ্যমিক না, বুয়েটের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম
ফজলুল হক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
চট্টগ্রামের মুসলিম হাইস্কুলের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে যে অল্প কয়েকজন জিপিএ-৫ পায়নি, আমি ছিলাম তাদের একজন। আমার জিপিএ ছিল ৪.৮১। তখনো অতটা কষ্ট পাইনি। বেশি কষ্ট পেলাম তখন, যখন দেখলাম নটর ডেম কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতাও আমার নেই। ছোটবেলা থেকে বুয়েটে পড়ার ইচ্ছে। কিন্তু আব্বু বললেন, উচ্চমাধ্যমিকে ব্যবসায় শিক্ষা নিয়ে পড়তে। পলিটেকনিক্যালে ভর্তি হওয়ার কথাও বলেছিল অনেকে। কিন্তু আমি ভর্তি হলাম দিলওয়ারা জাহান মেমোরিয়াল কলেজে, ওই বিজ্ঞান বিভাগেই।
আমাদের কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছিল ৯ জন। বুঝতেই পারছেন, উচ্চমাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পাওয়া সহজ ছিল না। আমি অবশ্য কলেজে উঠে জিপিএ-৫ পাওয়া নিয়ে মাথা ঘামাইনি। একটাই লক্ষ্য ছিল, বুয়েটে চান্স পেতেই হবে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য না, কলেজের পুরো দুটি বছর আমি প্রস্তুতি নিয়েছি বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার জন্য। এইচএসসিতে শুধু জীববিজ্ঞানে ‘এ’ পেয়েছিলাম। বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান থেকে প্রশ্ন আসে না, তাই জীববিজ্ঞান সেভাবে পড়িনি। আমার সম্পূর্ণ ‘ফোকাস’ ছিল বুয়েট।
বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় আমি ৩৫৯তম হয়েছিলাম। এখন পড়ছি যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষে। বন্ধুদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে যারা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও এইচএসসিতে ভালো করতে পারেনি। আমার ভাগ্য ভালো ছিল। এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাইনি বলেই হয়তো বুয়েটে পড়ার জোর পেয়েছিলাম।
3.সায়মা আখতার
সায়মা আখতার
কারও বাসায় মিষ্টি নিয়ে যেতে পারিনি
সায়মা আখতার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
মহেশখালীর ইউনুছখালী নছির উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলাম।
এসএসসি পরীক্ষার পর বেশ কয়েক দিন আমি ঘর থেকে বের হইনি। মা-বাবা-আত্মীয়স্বজন সবাই যখন জিপিএ-৫-এর প্রত্যাশা করে বসে আছে, আমি পেয়েছিলাম ৪.৮১। খুব লজ্জা লাগছিল। অনেকে আমাদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে এসেছিল, আমি কারও বাসায় মিষ্টি নিয়ে যেতে পারিনি। কাউকে মুখ দেখাতেই ইচ্ছে করছিল না। কিন্তু সে সময় আমার মা-বাবা আর স্বজনেরা পাশে ছিলেন। আমিও মনে মনে বলেছিলাম, উচ্চমাধ্যমিকে দেখিয়ে দেব।
অথচ উচ্চমাধ্যমিকে আমার ফলাফল হলো আরও খারাপ!
কক্সবাজার মহিলা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি। আমাদের কলেজে তখন পড়ালেখার মান খুব ভালো ছিল না। হোস্টেলে থাকতাম, সেখানকার পরিবেশ ভালো না। ৪.৪০ পেয়েও এইচএসসিতে দেখা গেল কলেজে আমার ফলাফলই সেরা। আমাদের মধ্যে তো তুলনা করার একটা প্রবণতা আছে, অন্যদের তুলনায় আমার ফল ভালো বলে সবাই বেশ খুশিই হয়েছিল। আমি যদিও খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারিনি।
আমরা দুই ভাই, দুই বোন। বড় মেয়ে হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব আছে। বাসা থেকে খুব বেশি দূরে এসে পড়ালেখা করার অনুমতি ছিল না। তাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েকটা অনুষদে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। গণিত নিয়ে পড়ার সুযোগ ছিল। আমার ইচ্ছাও ছিল। কিন্তু কী ভেবে যেন অর্থনীতিতে ভর্তি হলাম। এখন তৃতীয় বর্ষে পড়ছি।
আমার বাবা চেয়েছিলেন মেয়ে ডাক্তার হবে। বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পারিনি বলে একটু দুঃখ আছে। তবে আফসোস নেই। আমার যতটুকু যোগ্যতা ছিল, আমি যতখানি পরিশ্রম করেছি, তার ফল পেয়েছি। এতেই আমি খুশি।
4.আজবিনুর ইসলাম
আজবিনুর ইসলাম
ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে হবে না, সেই আত্মবিশ্বাস আছে
আজবিনুর ইসলাম, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
শরীয়তপুরের জাজিরা মোহর আলী মডেল হাইস্কুলের টেস্ট পরীক্ষায় আমি পঞ্চম হয়েছিলাম। মাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু আমি পেলাম ৪.৬৯।
আত্মীয়স্বজন অনেকে ধরেই নিয়েছিল, একে দিয়ে কিছু হবে না। বন্ধুদের বেশির ভাগ জিপিএ-৫ পেয়েছে। অনেকের অনেক কটু কথাও শুনতে হয়েছে। স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে পড়লেও কলেজে উঠে চলে গেলাম ব্যবসায় শিক্ষায়। ভর্তি হলাম কমার্স কলেজে। তখন খুব মন দিয়ে পড়েছি। তাই উচ্চমাধ্যমিকের ফল বেশ ভালো হয়েছিল। সব বিষয়ে এ প্লাস পেয়েছিলাম। ঢাকা বোর্ড থেকে বৃত্তিও পেয়েছি।
এখন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ছি। আমার সিজিপিএ ৩.৯০। ভালো ফলাফলের জন্য ২৫ শতাংশ ‘ওয়েভার’ পাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছি। পাস করার পর অন্তত ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে হবে না, সেই আত্মবিশ্বাস আছে। এখন আর কোনো আফসোস নেই।
http://www.prothom-alo.com/education/article/1171216/%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E2%80%93%E0%A7%AB-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF

No photos in free mode
Use Data to See Photos

জিপিএ-৫ না পেলেও যে জীবনে ভালো করা যায়, তার উদাহরণ আছে অনেক। সেসব উদাহরণ থেকে চারজনের গল্প শুনুন। ৪ মে প্রকাশিত হলো মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। যারা জিপিএ-৫ পেয়েছে, অভিনন্দন তাদের। আর যারা পায়নি, তাদের জন্যই আজকের বিশেষ আয়োজন। জেদের জোরেই উচ্চমাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়ে গেলামমিলি আক্তার, ঢাকা...

05/05/2017

এসএসসি ও সমমানের ফল যাদের মনঃপূত হয়নি তারা আজ থেকেই চ্যালেঞ্জ করতে পারবে। ১১ মে পর্যন্ত বোর্ডগুলো এসএমএসে আবেদন গ্রহণ করবে।
১১ জুনের মধ্যে আবেদনের ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আবেদন প্রক্রিয়া আগের মতই। বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটেও এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি আছে। রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখতে হবে।

Address

Taltlai Upzila
Taltali

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taltali high School and College posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category