Unity of student club

Unity of student club সদস্যভুক্ত ছাএ ছাএ্তীদের জড়ে পড়া, বাল?

01/11/2017

সকল জে.এস.সি
পরীক্ষার্থীদের জন্য
শুভ কামনা রইল।

09/09/2017

রোহিঙ্গাদের সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত --
======================
আরাকান নামে একসময় একটি সমৃদ্ধ স্বাধীন মুসলিম রাজ্য ছিল।যার প্রাচীন নাম রোহিং। বর্তমান মিয়ানমারের রাখাইন (আরাকানের বর্তমান নাম, পুরনো নাম রোহিং) এলাকায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বসবাস।

ঐতিহাসিক বিবরণ থেকে জানা যায়, এই উপমহাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সর্বপ্রথম যে ক’টি এলাকায় মুসলিম বসতি গড়ে উঠে, আরাকান তথা বর্তমান রাখাইন প্রদেশ তার অন্যতম। রোহিঙ্গারা সেই আরকানী মুসলমানদের বংশধর। এক সময় আরাকানে স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৪৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম শাসন দুশ’ বছরেরও অধিককাল স্থায়ী হয়।

নামকরণ- রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে একটি প্রচলিত গল্প রয়েছে এভাবে_ সপ্তম শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন উপকূলে আশ্রয় নিয়ে বলেন, আল্লাহর রহমে বেঁচে গেছি। এই রহম থেকেই এসেছে রোহিঙ্গা। তবে, ওখানকার রাজসভার বাংলা সাহিত্যের লেখকরা ঐ রাজ্যকে রোসাং বা রোসাঙ্গ রাজ্য হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

অষ্টম শতাব্দীতে আরবদের আগমনের মধ্য দিয়ে ব্যাপকভাবে আরাকানে মুসলমানদের বসবাস শুরু হয়। আরব বংশোদ্ভূত এই জনগোষ্ঠী মায়্যু সীমান্তবর্তী অঞ্চলের (বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের নিকট) চেয়ে মধ্য আরাকানের নিকটবর্তী ম্রক-ইউ এবংকাইয়্যুকতাও শহরতলীতেই বসবাস করতে পছন্দ করতো। এই অঞ্চলের বসবাসরত মুসলিম জনপদই পরবর্তীকালে রোহিঙ্গা নামে পরিচিতি লাভ করে।

ভাষা- ইতিহাস ও ভূগোল বলছে, রাখাইন প্রদেশের উত্তর অংশে বাঙালি, পার্সিয়ান, তুর্কি, মোগল, আরবীয় ও পাঠানরা বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বসতি স্থাপন করেছে। তাদের কথ্য ভাষায় চট্টগ্রামের স্থানীয় উচ্চারণের প্রভাব রয়েছে। উর্দু, হিন্দি, আরবি শব্দও রয়েছে।

মগের মুল্লুক- রাখাইনে দুটি সম্প্রদায়ের বসবাস ‘মগ’ ও ‘রোহিঙ্গা’। মগরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। মগের মুল্লুক কথাটি বাংলাদেশে পরিচিত। দস্যুবৃত্তির কারণেই এমন নাম হয়েছে ‘মগ’দের। এক সময় তাদের দৌরাত্ম্য ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মোগলরা তাদের তাড়া করে জঙ্গলে ফেরত পাঠায়।

ইতিহাস- ইতিহাস এটা জানায় যে, ১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ সাল পর্যন্ত ২২ হাজার বর্গমাইল আয়তনের রোহিঙ্গা স্বাধীন রাজ্য ছিল। মিয়ানমারের রাজা বোদাওফায়া এ রাজ্য দখল করার পর বৌদ্ধ আধিপত্য শুরু হয়।
ব্রিটিশদের দায়- এক সময়ে ব্রিটিশদের দখলে আসে এ ভূখণ্ড। তখন বড় ধরনের ভুল করে তারা এবং এটা ইচ্ছাকৃত কিনা, সে প্রশ্ন জ্বলন্ত। তারা মিয়ানমারের ১৩৯টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে। কিন্তু তার মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ ধরনের বহু ভূল করে গেছে ব্রিটিশ শাসকরা।
সাময়িক অধিকার- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি মিয়ানমার স্বাধীনতা অর্জন করে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হয়। সে সময়ে পার্লামেন্টে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। এ জনগোষ্ঠীর কয়েকজন পদস্থ সরকারি দায়িত্বও পালন করেন।

নাগরিকত্ব বাতিল- ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলে মিয়ানমারের যাত্রাপথ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে শুরু করে। রোহিঙ্গাদের জন্য শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়। সামরিক জান্তা তাদের বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে। তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। ধর্মীয়ভাবেও অত্যাচার করা হতে থাকে। নামাজ আদায়ে বাধা দেওয়া হয়। হত্যা-ধর্ষণ হয়ে পড়ে নিয়মিত ঘটনা। সম্পত্তি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হতে থাকে। তাদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নেই। বিয়ে করার অনুমতি নেই। সন্তান হলে নিবন্ধন নেই। জাতিগত পরিচয় প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না। সংখ্যা যাতে না বাড়ে, সে জন্য আরোপিত হয় একের পর এক বিধিনিষেধ।
মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ডের অনেকের কাছেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী 'কালা' নামে পরিচিত। বাঙালিদেরও তারা 'কালা' বলে। ভারতীয়দেরও একই পরিচিতি। এ পরিচয়ে প্রকাশ পায় সীমাহীন ঘৃণা।
মানবাধিকারের চরম লংঘন-

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বলা হয় "বিশ্বের সবচেয়ে কম প্রত্যাশিত জনপদ"এবং "বিশ্বের অন্যতম নিগৃহীত সংখ্যালঘু"। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের ফলে তারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হন। তারা সরকারি অনুমতি ছাড়া ভ্রমণ করতে পারে না, জমির মালিক হতে পারে না এবং দুইটির বেশি সন্তান না নেওয়ার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হয়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অনুসারে, ১৯৭৮ সাল থেকে মায়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লংঘনের শিকার হচ্ছে এবং তারা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে। (Collected)রোহিঙ্গাদের সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত --
======================
আরাকান নামে একসময় একটি সমৃদ্ধ স্বাধীন মুসলিম রাজ্য ছিল।যার প্রাচীন নাম রোহিং। বর্তমান মিয়ানমারের রাখাইন (আরাকানের বর্তমান নাম, পুরনো নাম রোহিং) এলাকায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বসবাস।

ঐতিহাসিক বিবরণ থেকে জানা যায়, এই উপমহাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সর্বপ্রথম যে ক’টি এলাকায় মুসলিম বসতি গড়ে উঠে, আরাকান তথা বর্তমান রাখাইন প্রদেশ তার অন্যতম। রোহিঙ্গারা সেই আরকানী মুসলমানদের বংশধর। এক সময় আরাকানে স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৪৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম শাসন দুশ’ বছরেরও অধিককাল স্থায়ী হয়।

নামকরণ- রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে একটি প্রচলিত গল্প রয়েছে এভাবে_ সপ্তম শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন উপকূলে আশ্রয় নিয়ে বলেন, আল্লাহর রহমে বেঁচে গেছি। এই রহম থেকেই এসেছে রোহিঙ্গা। তবে, ওখানকার রাজসভার বাংলা সাহিত্যের লেখকরা ঐ রাজ্যকে রোসাং বা রোসাঙ্গ রাজ্য হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

অষ্টম শতাব্দীতে আরবদের আগমনের মধ্য দিয়ে ব্যাপকভাবে আরাকানে মুসলমানদের বসবাস শুরু হয়। আরব বংশোদ্ভূত এই জনগোষ্ঠী মায়্যু সীমান্তবর্তী অঞ্চলের (বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের নিকট) চেয়ে মধ্য আরাকানের নিকটবর্তী ম্রক-ইউ এবংকাইয়্যুকতাও শহরতলীতেই বসবাস করতে পছন্দ করতো। এই অঞ্চলের বসবাসরত মুসলিম জনপদই পরবর্তীকালে রোহিঙ্গা নামে পরিচিতি লাভ করে।

ভাষা- ইতিহাস ও ভূগোল বলছে, রাখাইন প্রদেশের উত্তর অংশে বাঙালি, পার্সিয়ান, তুর্কি, মোগল, আরবীয় ও পাঠানরা বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বসতি স্থাপন করেছে। তাদের কথ্য ভাষায় চট্টগ্রামের স্থানীয় উচ্চারণের প্রভাব রয়েছে। উর্দু, হিন্দি, আরবি শব্দও রয়েছে।

মগের মুল্লুক- রাখাইনে দুটি সম্প্রদায়ের বসবাস ‘মগ’ ও ‘রোহিঙ্গা’। মগরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। মগের মুল্লুক কথাটি বাংলাদেশে পরিচিত। দস্যুবৃত্তির কারণেই এমন নাম হয়েছে ‘মগ’দের। এক সময় তাদের দৌরাত্ম্য ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মোগলরা তাদের তাড়া করে জঙ্গলে ফেরত পাঠায়।

ইতিহাস- ইতিহাস এটা জানায় যে, ১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ সাল পর্যন্ত ২২ হাজার বর্গমাইল আয়তনের রোহিঙ্গা স্বাধীন রাজ্য ছিল। মিয়ানমারের রাজা বোদাওফায়া এ রাজ্য দখল করার পর বৌদ্ধ আধিপত্য শুরু হয়।
ব্রিটিশদের দায়- এক সময়ে ব্রিটিশদের দখলে আসে এ ভূখণ্ড। তখন বড় ধরনের ভুল করে তারা এবং এটা ইচ্ছাকৃত কিনা, সে প্রশ্ন জ্বলন্ত। তারা মিয়ানমারের ১৩৯টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে। কিন্তু তার মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ ধরনের বহু ভূল করে গেছে ব্রিটিশ শাসকরা।
সাময়িক অধিকার- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি মিয়ানমার স্বাধীনতা অর্জন করে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হয়। সে সময়ে পার্লামেন্টে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল। এ জনগোষ্ঠীর কয়েকজন পদস্থ সরকারি দায়িত্বও পালন করেন।

নাগরিকত্ব বাতিল- ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলে মিয়ানমারের যাত্রাপথ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হতে শুরু করে। রোহিঙ্গাদের জন্য শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন অধ্যায়। সামরিক জান্তা তাদের বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে। তাদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। ধর্মীয়ভাবেও অত্যাচার করা হতে থাকে। নামাজ আদায়ে বাধা দেওয়া হয়। হত্যা-ধর্ষণ হয়ে পড়ে নিয়মিত ঘটনা। সম্পত্তি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হতে থাকে। তাদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নেই। বিয়ে করার অনুমতি নেই। সন্তান হলে নিবন্ধন নেই। জাতিগত পরিচয় প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না। সংখ্যা যাতে না বাড়ে, সে জন্য আরোপিত হয় একের পর এক বিধিনিষেধ।
মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ডের অনেকের কাছেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী 'কালা' নামে পরিচিত। বাঙালিদেরও তারা 'কালা' বলে। ভারতীয়দেরও একই পরিচিতি। এ পরিচয়ে প্রকাশ পায় সীমাহীন ঘৃণা।
মানবাধিকারের চরম লংঘন-

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বলা হয় "বিশ্বের সবচেয়ে কম প্রত্যাশিত জনপদ"এবং "বিশ্বের অন্যতম নিগৃহীত সংখ্যালঘু"। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের ফলে তারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হন। তারা সরকারি অনুমতি ছাড়া ভ্রমণ করতে পারে না, জমির মালিক হতে পারে না এবং দুইটির বেশি সন্তান না নেওয়ার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হয়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অনুসারে, ১৯৭৮ সাল থেকে মায়ানমারের মুসলিম রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লংঘনের শিকার হচ্ছে এবং তারা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছে। (Collected)

A schoolgirl was beaten to death due to non-acceptance of the proposal, against the headmaster of a middle school named ...
09/06/2017

A schoolgirl was beaten to death due to non-acceptance of the proposal, against the headmaster of a middle school named Amirul Islam. He is the headmaster of Kaokandi High School of Tahirpur upazila. On Wednesday afternoon, the father of the school girl filed a written complaint to the Upazila Executive Officer of Aabis.

According to the chargesheet, the main teacher Amirul Islam told the student to go to their office room on Monday. According to the headmaster, when the student went to his office room, after the different talk, Amirul offered him a non-proposal. Amirul beat him by saying he would tell the matter to Baba without being willing to do so. The girl was given primary treatment by local doctor on Tuesday when the incident was reported to her schoolmate and father.

In relation to the complaint, the student's father said, I have filed a written complaint to the upazila executive officer for the exemplary trial of the impotent chief teacher Amirul Islam.

Accused head teacher Amirul Islam said, for personal reasons, in my name, the conspiracy false allegations have been given.

Tahirpur Upazila Nirbahi Officer Mohammad Saiful Islam said, he got a written complaint against the chief teacher of Kaokandi High School Amirul Islam. We have directed the upazila secondary education officer and upazila women affairs officer to take legal action through investigation into the matter.

08/06/2017

ভাবতেও অবাক লাগছে নিজ প্রতিষ্ঠানে এরকম কিছু ঘটল....
দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই....
প্রধান শিক্ষকের কুপ্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে মারপিট করে আহত করেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাউকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম।
গত সোমবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা গতকাল বুধবার বিকেলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীকে তার কক্ষে যাওয়ার কথা বলে এবং এক পর্যায়ে কু-প্রস্তাব দেয়। ওই ছাত্রী কুপ্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তাকে মারপিট করে আহত করে প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম। মারধরের শিকার ওই ছাত্রী বিষয়টি তার বান্ধবী ও বাবাকে অবহিত করে। পরে আহত ওই ছাত্রীকে পরিবারের লোকজন স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।
আহত ওই ছাত্রীর বাবা বলেন,‘ প্রধান শিক্ষক আমার মেয়ের সাথে এই আচরই করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। আমি লম্পট প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বলেন,‘ আমি ওই ছাত্রীকে মারধর করিনি। কোচিং ক্লাসে তাকে শাসনের ভাষায় ভয় দেখিয়েছি। অন্য কোন কথাবার্তা বলিনি। আমার প্রতিপক্ষদের
কারণে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। ’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন,‘কাউকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক স্কুল ছাত্রীকে মারধর করার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া।
Hasan Munna

13/11/2016

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ছাএ ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এক বিশাল প্রোগাম আয়োজন করা হবে।যেখানে থাকবে মুক্তিযুদ্ধের উপর রচনা প্রতিযোগিতা,বিতক ও উপস্হিত বক্তবের ইভেন্ট।

খলিশাজুরী ছাত্র ঐক্য পরিষদের উদ্দ্যোগে আয়োজিত এক বির্তক প্রতিযোগিতা(১২/১০/২০১৬) অনুষ্ঠিত হয়।এতে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ...
15/10/2016

খলিশাজুরী ছাত্র ঐক্য পরিষদের উদ্দ্যোগে আয়োজিত এক বির্তক প্রতিযোগিতা(১২/১০/২০১৬) অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদ, সাধারন সম্পাদক রবিউল, ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম।
বির্তক প্রতিযোগিতা শেষে, উইননারর্স ও রানার্সআপের মাঝে ১ টি করে বই উপহার দেয়া হয়।

12/09/2016

ছাএ ঐক্য পরিষদে আয়োজনে আজ PEC,JSC/JDC,SSC/DAKIL পরীক্ষার্থীদের নিয়ে মটিবেশনাল ক্লাস নেওয়া হয়।ক্লাস শেষে অতিতি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আপ্যায়নের ব্যবস্হা করা হয়।ছাএ ঐক্য পরিষদ সবসময় তার উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য সচেষ্ট।

11/09/2016

Unity Of Students Clubসংক্ষেপে USC এর বাংলা হচ্ছে ছাএ ঐক্য পরিষদ। যার ফেইসবুক গ্রুপ ও মুখপত্র ছাএ ঐক্য পরিষদ.খলিশাজুরী.তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ।

মানুষের জাগরন দরকার।।।বেশ কয়েক দিন পূর্বে আমার কয়েক জন বন্ধু ও বড় ভাই মিলে স্থির করি পিকনিকে যাবো। সবাই টাংগুয়ার হাওর য...
26/08/2016

মানুষের জাগরন দরকার।।।

বেশ কয়েক দিন পূর্বে আমার কয়েক জন বন্ধু ও বড় ভাই মিলে স্থির করি পিকনিকে যাবো। সবাই টাংগুয়ার হাওর যাওয়ার জন্য মত দিল। ব্যস্ সবাই রেডি। অনেক বড় নৌকা ভাড়া করা হলো, সাথে সাউন্ড সিস্টেম স্পিকার। খাবারের জন্য অনেক কিছুই আয়োজন করা হল।
পরদিন আমরা সবাই প্রস্তুত হয়ে চললাম টাংগুয়া। দিনটি ছিল রুদ্র মূখর। মৃদু বাতাস বইছিল বটে। সারা দিন টাংগুয়ার হাওর গুরলাম, খেলাম। সন্ধ্যার পর নৌকায় অনেক জাতের আলো ঝলমল করতে লাগলো, সবাই তখন ডি.জে গানের তালে নাচছিল।অনেক ভালো লাগছিল তখন।
হঠাৎ করেই, মিনিট পাঁচের ভিতরে প্রকৃতি তার রুপ পাল্টে নিল। তারা -হুরু করে সব কিছু গোছালো সবাই। এত বড় নৌকা মানুষ মাত্র ১৫ জন। নৌকাটা একবার যেন শুন্যে উঠে, আবার পানিতে ধপাত করে পরে। তখন নৌকায় কান্নার রুল পড়ে গেল। একি ঝর, সাথে বৃষ্টি। আমরা সবাই সেই দিন মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি।
এসব তথ্য ইন্টারনেটের সুবাদে আমি লিপিবদ্ধ করে রেখেছি , একটি ইভেন্টে। নিচে ক্লিক করুন
https://mobile.facebook.com/events/994284687333475?acontext={"ref":2%2C"ref_dashboard_filter":"past"%2C"action_history":"[{%5C"surface%5C":%5C"dashboard%5C"%2C%5C"mechanism%5C":%5C"surface%5C"%2C%5C"extra_data%5C":{%5C"dashboard_filter%5C":%5C"past%5C"}}]"}&aref=2&arefdashboardfilter=past
এখন মুল কথায় আসি, ৪-৫ দিন আগে কাউকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় একটি বনভোজনের আয়োজন করে। অনেক ঘটা করে গরু জবাই করে, ম্যানেজিং কমেটি, শিক্ষক মহোদয়েরা স্থির করলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে টাংগুয়া সহ আশে-পাশের হাওর সফর করবেন; যদিও সাধারন শিক্ষার্থীদের অনেক দিনের ই আশা।
নৌকা আনা হলো, গরু জবাই করা হলো। আফসোর্স সব ছাত্র-ছাত্রী নৌকাতে উঠার পর পরই নৌকাটা ডুবে গেল। অর্থাত ঘাটেই নৌকা ডুবা।
ম্যানেজিং কমেটি উক্ত ঘটনাকে কপালের লিখন বলে চালিয়ে দিল।
আর আমরা বলেছি, কি করে ব্যবস্থা না করে, ৫০০ ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে এই রকম প্রহসন মুলক বনভোজনের আয়োজন করা হয়; তাও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে। এ যেন ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীর জীবন নিয়ে এক হোলি খেলা।
যে নৌকা ঘাঁটেই ডুঁবে যায়, সেই নৌকার অবস্থাটা কি ছিল?
আমরা এমন এক জাতি, চোখেঁর সামনে চুরে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে, কিছুই বলছি না, আর নিয়ে যাওয়ার পর বলছি, আহারে আমার সব নিয়ে গেছে।
আজ নৌকাটা যদি ঘাঁটে না ডুঁবে টাংগুয়ার হাওরে ডুবত, তাহলে কি হত একবার ভাবুন?
এ বিষয়ে আমার এক বন্ধুর একটি লেখা পড়ে আমি বাক্যরুদ্ধ। পড়োন। https://mobile.facebook.com/story.php?story_fbid=320301178314649&id=100010043079911&refid=17&_ft_=top_level_post_id.320301178314649:tl_objid.320301178314649:thid.100010043079911:306061129499414:2:0:1472713199:203608722399755685

সলিল সমাদি হতো ৫০০ কোমলমতি শিক্ষার্থী।
অত্র এলাকা শিক্ষার্থী শুন্য হয়ে পড়ত। আমি হারাতাম আমার বোনকে, আমার বাবা মা হারাত তার মেয়েকে। আর ছেলে-মেয়ে স্বজন হারানোর কান্নায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসতো।

যাইহোক, আমাদের খলিশাজুরি ছাত্র ঐক্য পরিষদ, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে কেন এই প্রহসন, তা বনভোজন ম্যানেজিং কমিটির কাছে কৌফতি চাচ্ছে? আশা করি তারা সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে সঠিক কারণ বের করে সাধারন শিক্ষার্থী মাঝে পেশ করবে।

14/06/2016

একজন সবাইকে সাহায্য করতে পারবে না,
কিন্তু প্রত্যেকে অন্তত একজনকে সাহায্য করতেই পারে...

20/05/2016

আমাদের সংগঠনের অন্যতম সদস্য আসাদ ভাইয়ের বিরুদে সকল ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জানাছি।
ধমান্ধগুষ্ঠি তাকে কাবু করার জন্যে ধমকে সু-কুশলে ব্যবহার ব্যবহার করে, তাকে মেন্টালিটি হেরেচমেন্ট করছে।
যে বা যারা তাদের অনুসরণ করছে তাদের বলছি, বন্ধ করোন আপনাদের নোংরা খেলা।
আর নয়ত খলিশাজুরি ছাএ ঐক্য পরিষদ কার্যকরি একশন নিতে বাধ্য হবে।।।।।

18/10/2015

বিশ্ব পুঁজিবাদের
আতঙ্কের নাম
আর্নেস্টো চে
গুয়েভারাকে
নির্মমভাবে হত্যা
করে
সাম্রাজ্যবাদী শক্তি
ভেবেছিল, তার মৃত্যুর
সঙ্গে
সঙ্গে সমাজতন্ত্রের
সংগ্রাম শেষ হয়ে যাবে
লাতিন আমেরিকায়।
কিন্তু যুগে যুগে চে’র
আদর্শের মৃত্যু হয়নি।
লাতিন আমেরিকা সহ
বিশ্বের
দেয়ালে দেয়ালে চে’র
ছবি। লাতিন
আমেরিকা
জুড়ে সংগ্রামী নেতা
চে গুয়েভারা এ
অঞ্চলের
কিংবদন্তিতে পরিণত
হয়েছেন। যেখানে
শ্রমজীবী, মেহনতি
মানুষের সংগ্রাম
সেখানে
চে'র ছবি হয়ে ওঠে
সংগ্রামের অনুপ্রেরণা।
কোটি মানুষের হৃদয়ে
স্থান করে নেয়া এই
বিশ্ববিপ্লবীর জন্ম
আর্জেন্টিনার
রোসারিওতে
১৯২৮ সালের ১৪ই জুন।
একজন
আর্জেন্টিনীয়
মার্কসবাদী ,
বিপ্লবী, ডাক্তার,
লেখক,
বুদ্ধিজীবী, গেরিলা
নেতা, কূটনীতিবিদ,
সামরিক
তত্ত্ববিদ এবং
কিউবায় বিপ্লবের
প্রধান
ব্যক্তিত্ব। তার বাবা
ছিলেন মুক্তমনের
অধিকারী।
ধর্মীয় অনুশাসন
মানতেন না। আর মা
ছিলেন
শতভাগ মার্কসবাদী
সংগঠক।
সমাজতান্ত্রিক
রাজনৈতিক ধারার
পরিবারে বেড়ে ওঠার
কারণে
অল্প বয়সেই তিনি
রাজনীতি সম্পর্কে
বিশদ জ্ঞান
লাভ করেন।
সাংস্কৃতিক আবহে
বেড়ে ওঠা চে'র
পরিবারে ছিল তিন
হাজারেরও বেশি বই।
যা
চে’কে করে তোলে
একজন জ্ঞান পিপাসু
ও সমাজ
সচেতন পাঠক। তার
বাবা ছিলেন স্পেনের
গৃহযুদ্ধে
রিপাবলিকানদের
একজন গোড়া সমর্থক।
মেহনতি,
নির্যাতিত মানুষকে
ভালোবাসতে শেখা
পরিবারের মধ্য দিয়ে।
বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাদী,
লুটেরা, ধনিক শ্রেণীর
আতঙ্কের নাম ‘চে’
আর
মেহনতি, শ্রমজীবী,
সংগ্রামী মানুষের বন্ধু
চের
ছিল বর্ণাঢ্য জীবন।
তিনি তার সেই
জীবনের কিছু
অংশ ‘মোটরসাইকেল
ডায়েরি’, ‘বলিভিয়ার
ডায়েরি’ ও ‘ডাক দিয়ে
যাই’ নামক তিনটি
গ্রন্থে
লিখে গেছেন।
----
Tareq Chowdhury

Address

Koleshajuri, Tahirpur
Tahirpur
SUNAMGONJ

Telephone

01742239108

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unity of student club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share