Worldwide Network for Economic Equity and Justice (WNEEJ)

Worldwide Network for Economic Equity and Justice (WNEEJ) Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Worldwide Network for Economic Equity and Justice (WNEEJ), Sylhet.

মাত্র বছর দশেক আগেও দেশের শীর্ষ ব্যাংক ছিল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। আইনকানুন পরিপালন, গ্রাহককে সেবা দেওয়া ও আর্থিক...
14/08/2024

মাত্র বছর দশেক আগেও দেশের শীর্ষ ব্যাংক ছিল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। আইনকানুন পরিপালন, গ্রাহককে সেবা দেওয়া ও আর্থিক সূচকে অন্য সব ব্যাংককে ছাড়িয়ে গিয়েছিল এই ব্যাংক। গ্রাহকের আস্থার কারণে স্থানীয় আমানত কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে এটি সবচেয়ে এগিয়ে ছিল। ব্যাংকটির আকার এতটাই বড় হয়ে উঠেছিল যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বলা হতো—ইসলামী ব্যাংক ঝুঁকিতে পড়লে পুরো খাতে ‘পদ্ধতিগত ঝুঁকি’ তৈরি হবে, যা রোধ করা সম্ভব হবে না।

কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে ২০১৭ সাল থেকে। ওই বছর সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ইসলামী ব্যাংককে ‘জামায়াতমুক্ত’ করার উদ্যোগ হিসেবে এর মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নেয় সদ্য বিদায় নেওয়া আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ এস আলম গ্রুপ। এরপর সাড়ে সাত বছরে নামে-বেনামে ব্যাংকটি থেকে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা বের করে নিয়েছে এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও এর স্বার্থসংশ্লিষ্ট রাজশাহীর নাবিল গ্রুপ। এই অর্থ ব্যাংকটির মোট ঋণের এক–তৃতীয়াংশ। এই টাকা বের করতে কোনো নিয়মকানুন মানা হয়নি। ঋণের যে তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে, ব্যাংক থেকে পাচার করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ তার চেয়ে বেশি বলেই মনে করেন কর্মকর্তারা।

এই টাকা বের করা হয়েছে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম, তাঁর স্ত্রী, মেয়ের স্বামী, আত্মীয়সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামে। ঋণ হিসেবে অর্থ বের করতে তৈরি করা হয় নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান। আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে যেভাবে টাকা বের করেছিলেন, অনেকটা একই কায়দায় ইসলামী ব্যাংক থেকেও অর্থ বের করা হয়। এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান এখন বন্ধের উপক্রম, আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। পি কে হালদার ছিলেন এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন আভিভা ফাইন্যান্স ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

ইসলামী ব্যাংক থেকে পাচার হওয়া টাকা এখন আদায় করা যাচ্ছে না, ফলে ব্যাংকটি তারল্যসংকটে ভুগছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকে চাহিদামতো তারল্য জমা রাখতে না পারায় প্রতিদিন জরিমানা দিচ্ছে। আবার একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদ্য সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার নিজের বিশেষ ক্ষমতাবলে ‘টাকা ছাপিয়ে’ দেড় বছর ধরে ব্যাংকটিকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন; কিন্তু ব্যাংকটির খারাপ অবস্থার জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর ইসলামী ব্যাংকে প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে এস আলম গ্রুপ। এসব কর্মকর্তার বেশির ভাগই সাইফুল আলমের নিজের এলাকা পটিয়া উপজেলার। ফলে ব্যাংকটির অর্ধেক কর্মকর্তাই এখন পটিয়ার। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই ২০১৭ সালের আগে নিয়োগ পাওয়া পুরোনো কর্মকর্তারা আন্দোলন শুরু করেছেন ব্যাংকটিকে ‘এস আলম ও পটিয়ামুক্ত’ করতে। এর মধ্যে বিবদমান দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে গুলি বর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।

বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হচ্ছেন। এই পদে তাঁর নিয়োগসংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হওয়ার আগে গতকাল সকালে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ব্যাংকটি খেয়ে ফেলার জন্য এস আলম গ্রুপের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তারা সেই কাজই করেছে, ব্যাংকটি ধ্বংস করে দিয়েছে। আর এই ব্যাংকের টাকা ডলার হয়ে বিদেশে চলে গেছে। এখন এস আলম গ্রুপ ও যাদের নামে ঋণ বের হয়েছে, তাদের সব সম্পদ জব্দ করে টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে এতে ঋণের এক-তৃতীয়াংশ টাকাও আদায় হবে কি না, সন্দেহ আছে।

যেভাবে ব্যাংক দখল
একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে ইসলামী ব্যাংক কীভাবে দখল করা হয়, ২০১৭ সালে তা ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট–এ বিস্তারিতভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি গোয়েন্দা সংস্থার এ ধরনের কাজ করাটা সত্যিই অদ্ভুত। ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, একজন ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফোন করেন। এরপর তাঁদের বাসভবন থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসা হয় ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সংস্থাটির সদর দপ্তরে।

দ্য ইকোনমিস্ট–এ লেখা হয়, এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সেনা গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের নাকের ডগায় সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন একটি হোটেলে বসে এক সভা করে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। পদত্যাগ করা পরিচালকদের স্থলাভিষিক্ত কারা হবেন, সেই সভায় তা ঠিক করা হয়।

নথিপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি আরমাডা স্পিনিং মিলের প্রতিনিধি ও সাবেক আমলা আরাস্তু খানকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল হামিদ মিয়াকে নতুন এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক একই দিনে তা অনুমোদন করে। ওই সভাটি অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে। প্রথম আলোর এই প্রতিনিধি সেদিন র‍্যাডিসন ব্লু হোটেলে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হন। আরমাডা মূলত এস আলম গ্রুপেরই প্রতিষ্ঠান।

এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ধীরে ধীরে শেয়ার ছেড়ে দেয় ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি), দুবাই ইসলামী ব্যাংক, আল-রাজি গ্রুপ, কুয়েতের সরকারি ব্যাংক কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস, সৌদি কোম্পানি আরবসাস ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিস্ট এজেন্সিসহ বেশির ভাগ উদ্যোক্তা ও সাধারণ শেয়ারধারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া স্থানীয় জামায়াত–সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ইবনে সিনা, ইসলামিক সেন্টারসহ অনেককে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ছেড়ে দিতে হয়। এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগে বিদেশিদের শেয়ার ছিল ৫২ শতাংশের মতো, যা এখন ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

এস আলমের পকেটে কত টাকা
২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ যখন ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তখন এটিতে এস আলমের তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছিল তিন হাজার ছয় কোটি টাকা। চট্টগ্রামে ব্যাংকটির খাতুনগঞ্জ শাখার গ্রাহক ছিলেন তিনি। তখন ব্যাংকের মোট ঋণ ছিল ৬১ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা আর আমানত ছিল ৬৮ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। কর্মকর্তা ছিলেন ১০ হাজারের কম। নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর আমানত বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন নতুন শাখা খুলে পটিয়ার লোকদের নিয়োগ দেওয়া শুরু হয়।

ফলে সারা দেশে ব্যাংকটির শাখা এখন ৩৯৫টি। এর বাইরে রয়েছে ২৫০টি উপশাখা। ২০২৩ সাল শেষে ইসলামী ব্যাংকে আমানত বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা ও ঋণ ১ লাখ ৬০ হাজার ২৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ আমানতের চেয়ে বেশি টাকা ঋণ হিসেবে বের করে দিয়েছে ব্যাংকটি। বাড়তি এই টাকা এসেছে মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে।

ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণমূলক মূলধন ১০ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা। ফলে একটি গ্রুপকে ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ফান্ডেড ১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা ও নন–ফান্ডেড ঋণ ১ হাজার ৪২ কোটি টাকা ঋণ দিতে পারে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে একটি গ্রুপ ঋণ পেতে পারে ২ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যাংকঋণের টাকা পাচার করতে তাই এস আলম গ্রুপ একাধিক গ্রুপ তৈরি করেছে, ভিন্ন ভিন্ন নামে প্রতিষ্ঠান খুলেছে।

প্রাপ্ত নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এস আলম নাম যুক্ত আছে ইসলামী ব্যাংক থেকে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণই ১৪ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা। আর সাইফুল আলমের মেয়ের স্বামী বেলাল আহমেদের ইউনিটেক্সের ঋণ ৪৫৪ কোটি টাকা। এর বাইরে এস আলম–সংশ্লিষ্ট ঋণের পরিমাণ ৩২ হাজার ১৭২ কোটি টাকা। এসব ঋণ ছড়িয়ে আছে চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রাজধানীর বিভিন্ন শাখায়। এ ছাড়া রাজশাহীর নাবিল গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঋণ ৩ হাজার ৫৪৫ কোটি টাকা।

নাবিল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সৎভাবে ব্যবসা করি। অন্য ব্যাংকে আমার ঋণে কোনো সমস্যা নেই। ইসলামী ব্যাংকের ঋণে আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তবে আমার নামে যেসব ঋণ আছে, আমি তা শোধ করে দেব। বছরে আমার ৩০ হাজার কোটি টাকার ভোগ্যপণ্য কেনাবেচা হয়। আমার গ্রুপে ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।’

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসানুল আলম এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলমের ছেলে। ব্যাংকের সার্বিক বিষয়ে জানতে তাঁকে ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলাকে ফোন করা হলে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইসলামী ব্যাংকের একজন পরিচালক সৈয়দ আবু আসাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘এখন ব্যাংকের কেউ ফোন ধরছেন না। আমি কিছু জানতেও পারছি না। আমি অনলাইনে সভায় অংশ নিই। মতামত আমি দিয়ে থাকি। সব সময় তা গ্রহণ হয়নি। ঋণ কে কত টাকা নিয়েছে, এ নিয়ে আমি কিছুই জানি না।’

ইসলামী ব্যাংকের ‘বৈষম্যবিরোধী ও ব্যাংকের স্বার্থ রক্ষাকারী ব্যাংকার সমাজের’ সমন্বয়ক আবু ওয়ালিদ চৌধুরী বিবৃতিতে গত সোমবার বলেন, ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে ৬৫ হাজার কোটি টাকা বের করে নিয়েছে এস আলম গ্রুপ। ১০ হাজারের বেশি জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের অনেকের যোগ্যতা নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যাংক থেকে এখনো নানাভাবে অর্থ বের করার চেষ্টা করে যাচ্ছে এস আলম গ্রুপ। পাশাপাশি গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ঋণের নথিপত্র সরানো ও তথ্য-উপাত্ত মুছে ফেলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন কিছু কর্মকর্তা। সে কারণে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন এবং এস আলমকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান আবু ওয়ালিদ চৌধুরী। পটিয়া এলাকার ব্যাংকারদের পাশাপাশি গতকালও ব্যাংকে যাননি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনিরুল মওলা, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ ও আলতাফ হুসাইন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আকিজ উদ্দিন, মিফতাহ উদ্দিনসহ এস আলমপন্থী হিসেবে পরিচিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তাঁদের বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন অন্য কর্মকর্তারা।

ব্যাংকটির শীর্ষ কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধানদের প্রায় সবাই চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে আসা কিংবা চট্টগ্রামের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বে ছিলেন। এমনকি সাইফুল আলম তাঁর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকেও ব্যাংকটির ডিএমডি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন সাতটি ব্যাংকের চলতি হিসাবে টাকা না থাকার পরও সেগুলো কীভাবে চলছে তা জানতে চাইলে গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক সরাসরি কোনো জবাব দেননি। তিনি বলেন, এই সবকিছু এখন নির্ভর করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর। তারা যে নির্দেশনা দেবে, সেভাবেই চলবে।

অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকটির মালিকানা পরিবর্তন করে অন্য কারও হাতে দিতে হবে। তবে কেউ এই ব্যাংক নিতে রাজি হবে কি না, সন্দেহ আছে। কারণ ব্যাংকটির সম্পদের প্রকৃত মূল্য ঋণাত্মক হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে টাকা ছাপিয়ে ব্যাংকটিকে টিকিয়ে রেখেছিলেন। তাঁকেও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আলোচনা–পর্যালোচনা করে ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যাতে আমানতকারীদের আস্থায় চিড় না ধরে।

-প্রথম আলো

05/08/2024

কাউয়া, পলক, বলদ আরাফাত এর অবস্থা জানতে চাই?

05/08/2024

দালাল মিডিয়াগুলো আজকে কই? গত ১৬টি বৎসর যাবত অবৈধ হাসিনার পক্ষে প্রপাগান্ডা চালিয়েও তাকে রক্ষা করতে পারল না! আফসোস্!!

সাবেক স্বৈরশাসক খুনি, রাজাকার, আলবদর সভানেত্রী, মানবতাবিরোধি অপরাধী শেখ হাসানাকে পশ্চিমবঙ্গ গ্রহন করে নাই। তাকে বহনকারী ...
05/08/2024

সাবেক স্বৈরশাসক খুনি, রাজাকার, আলবদর সভানেত্রী, মানবতাবিরোধি অপরাধী শেখ হাসানাকে পশ্চিমবঙ্গ গ্রহন করে নাই। তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি এখন ভারতের গাজ়িয়াবাদের হিন্ডন এয়ারবেস অবতরন করেছে। ভারতে তাকে নিয়ে কোন ঝামেলায় পরতে রাজি নয়। বাংলার ইতিহাসের এই নিকৃষ্ঠতম স্বৈরশাসকের পরবর্তি গন্তব্য হতে পারে লন্ডন। বিলেতবাসীরা তাকে অভর্থনা জানানোর জন্য রেডি থাকুন।

আজকের সেনাবাহিনীর প্রধানের সাথে মিটিংয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমীর, ডা. শফিকুর রহমান।
05/08/2024

আজকের সেনাবাহিনীর প্রধানের সাথে মিটিংয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমীর, ডা. শফিকুর রহমান।

05/08/2024

প্রাণপ্রিয় ভাই ও বোনেরা;
দেশ ও জনগনকে রক্ষার এই আন্দোলনে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ২ রাকাত নফল নামাজ পড়ে নিবেন। আর সর্বদা ইসতিগফার এবং দোয়ায়ে ইউনুস পড়তে থাকবেন। আল্লাহ্ র সাহয্য ও অনুগ্রহ ছাড়া কখনই এই জালিম শাসক এবং এর দোসরদের থেকে মুক্তি সম্ভব নয়।

Can Dictator Sheikh Hasina Survive The Student Protests In Bangladesh?
03/08/2024

Can Dictator Sheikh Hasina Survive The Student Protests In Bangladesh?

What began as an anti-quota movement - has now transformed in a much wider pro-democracy agitation .... with students in Bangladesh demanding an apology from...

হাজারো ছেলের ফিলিংস এই গাড়ির প্রতি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী 🇧🇩🧑‍⚔️ কিন্তুু৷ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভিতরে এখন কোন দেশ  প্রেম  ন...
18/07/2024

হাজারো ছেলের ফিলিংস এই গাড়ির প্রতি
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী 🇧🇩🧑‍⚔️ কিন্তুু৷ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভিতরে এখন কোন দেশ প্রেম নেই তারা মাস শেষে কিছু টাকার কাছে নিজের বিবেক বিক্রি করে দিয়েছে ছোটবেলায় দেখতাম সেনাবাহিনীর গাড়ি দেখলে মানুষ অনেক সম্মান করতো এখন সেনাবাহিনী বা সেনাবাহিনীর কথা শুনলে মানুষ হাসে যে সেনাবাহিনীর কাছে দেশপ্রেম নেই সেই সেনাবাহিনী আমরা চাই না বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসাবে,,, আহ দুর্ভোগ.

Artwork (Rajakar) by: Mohima Qureshi.
18/07/2024

Artwork (Rajakar) by: Mohima Qureshi.

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে বাংলাদেশের জন্য স্বতন্ত্র ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতে নজিরবি...
24/05/2023

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে বাংলাদেশের জন্য স্বতন্ত্র ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতে নজিরবিহীন ওই ঘোষণা দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি জে ব্লিংকেন। এক টুইট বার্তায় ব্লিংকেন বলেন, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে আজ আমরা (বাংলাদেশের জন্য) একটি নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছি। এই নীতির অধীনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে দুর্বল বা বাধা প্রদানের জন্য দায়ী ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসার ওপর বিধি নিষেধ আরোপিত হবে। কাছাকাছি সময়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে ব্লিংকেনের বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়।

https://mzamin.com/news.php?news=57143

11/07/2020

Thirteen members of UNSC vote to extend approval for aid to be delivered into Syria across two border crossings.

08/07/2020

Türkiye'nin merakla beklediği Danıştay'ın Ayasofya kararıyla ilgili önemli bir iddia ortaya atıldı. Sabah Gazetesi Ankara Temsilcisi ve yazarı Okan Müderrisoğlu, canlı yayında aktardığı kulis bilgisinde Danıştay'ın oy birliğiyle Ayasofya hakkında verilen 'müzeye çevrilmesi' k...

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Worldwide Network for Economic Equity and Justice (WNEEJ) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share