20/07/2023
ইউরোপের একটি দেশ যেখানে এই দৃশ্য অহরহ দেখতে পাবেন ।
একটি রেস্তোরা। ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর বললেন ৫ টা কফি আর একটা সাসপেনশন। তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে এক ভদ্রলোক এলেন আর অর্ডার করলেন দুটো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন। উনি চারটে লাঞ্চের বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন।
তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এলেন। অর্ডার করলেন দশটা কফি ছটা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন।
এভাবেই একের পর এক চলতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কোনো সাসপেনশন কফি আছে ?
কাউন্টার থেকে জানানো হলো অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হলো।
তারও অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে ? কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল জল দেওয়া হলো।
এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে পেমেন্ট করছেন আর কিছু গরীব দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন। দিনভর চলছে এই কান্ড।
অথচ কেউ জানেনা কারোরই পরিচয়। না দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয় না গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়।
প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার,
প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার।
কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে।
মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছনো দেশটির নাম "নরওয়ে", এবং নরওয়ের দেখাদেখি এই পরম্পরা ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও!!
@ সংগৃহীত।
11/07/2023
একটি সতর্কীকরণ পোস্ট (সংগৃহীত): সবাই যাতে সতর্ক হতে পারে তাই পোস্টটি কপি করে দিলাম।
গতকাল প্রায় দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলো। ফোন তুলতেই একটি আপু জানালো- খুব দুঃখিত ভাইয়া, আমি অনলাইনে ভ্যাকসিনের রেজিস্ট্রেশন করছিলাম, ভুলকরে আমার মোবাইল নাম্বারটার জায়গায় আপনার নাম্বারটা দেওয়া হয়ে গেছে। কারণ, আপনার আর আমার মোবাইল নাম্বারটায় অনেক মিল আছে। তাই ভুল করে ফেলেছি। একটু পরেই আপনার মোবাইলে একটা ওটিপি আসবে, প্লিজ ওটা মেসেজ বা রিং করে দেবেন? নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে আবার ২৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।
আমার মোবাইলে একটু পরেই একটা ওটিপি এলো। সাথে সাথে অন্য আরেকটা নাম্বার থেকে আবার সেই ফোন- ভাইয়া ওটিপি টা এসেছে, প্লিজ আমাকে জানান।
আমি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বললাম যে নাম্বারটা আমার মত সেটা থেকে একটা কল করুন!
জবাব এলো- ঐ নাম্বারটায় একদম ব্যালেন্স নেই, তাই এই নাম্বার থেকে কল করছি।
পরক্ষণেই আমার মোবাইলে ব্যাংকের মেসেজ এলো- "আপনি কি আপনার নেট ব্যাংকিং এর পাসওয়ার্ড চেন্জ এর জন্য রিকোয়েস্ট করেছেন? তাহলে পাঠানো ওটিপি টা ব্যাবহার করুন, রিকোয়েস্ট না করে থাকলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন"।
মাথা গরম হয়ে গেলো। সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ও দ্বিতীয় নাম্বারে ফোন করলাম, জবাব এলো- সার্ভিস এরিয়ার বাইরে তাই যোগাযোগ সম্ভব নয়।
এটা একটা নতুন ভাবে ব্যাংক জালিয়াতির প্রচেষ্টা। আমি দু'টো নাম্বারই ব্যাংকে জানিয়ে দিয়েছি। তাই, সবার কাছে অনুরোধ এই খবরটা যতোজনকে পারেন ফরোয়ার্ড করুন ও নিরাপদে থাকুন
27/06/2023
জিলহজ্জ মাসের
৯ তারিখ ফজর থেকে তেরো তারিখ আছর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাত্ক্ষনিক একবার তাকবীরে তাশরীক বলা প্রত্যেক নর-নারীর উপর ওয়াজিব।
27/06/2023
লাস্ট কয়েক বছর ইন্ডিয়া থেকে গরু না আসায় খুশিই হয়েছিলাম যে, এদেশের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়িয়ে যাক। দেশীয় উদ্যোক্তারা সফল হোক। কিন্তু এখন দেখছি ইন্ডিয়ান গরু না আসায় এরা এই দেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছে। ২০০-৩০০ টাকা কেজি দরের মাংশ এখন ৮০০+ দিয়ে কিনতে হচ্ছে। ঈদকেন্দ্রীক তো কেজি প্রতি ১১০০-১৩০০ পর্যন্ত পড়ে যাচ্ছে।
এখন থেকে চার বছর আগেও যেই গরুটা ৬৫০০০ টাকায় কিনেছি, এবছর একই সাইজের গরুটার দাম ১ লাখ ২৫ হাজার দিয়েও পাচ্ছিনা। দাম হাঁকাচ্ছে ১ লাখ পঞ্চাশ হাজার। এক কথায় যেমন ইচ্ছা তেমন দাম ক্রেতাকে দিতে বাধ্য করছে। অথচ ইন্ডিয়াতে এখনো কেজি প্রতি বাংলা টাকায় দু'শর ঘরেই আছে...
সহজ বিষয় হল, যে দেশে ইন্ডিয়া থেকে এক ট্রাক পেঁয়াজ ঢোকার সাথে সাথে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কমে যায়, সে দেশের ব্যবসায়ীরা কোন পর্যায়ের জুলুমবাজ আর শয়তান সেটা বুঝতে রকেট সাইন্স পড়া লাগেনা।
সবার আগে ক্রেতাদের কথা ভাবা দরকার। কারণ, এভাবে চলতে থাকলে মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত আর সৎ উপার্জন করা ব্যক্তিরা আগামীতে আর কুরবানী দিতে পারবেনা। শুধু কুরবানী না, জীবন যাত্রার জন্য মৌলিক যে খাদ্য সেই খাদ্য ক্রয় করা আজ দুস্কর হয়ে দাড়িয়েছে। সবজি বাজারে ৫০/৬০ টাকার নীচে কোন সবজি পাওয়া যায় না🥲🥲🥲।
অচিরেই সমাজে খাদ্য সংকটের জন্যে অস্থিরতা তৈরি হবে, আর সেই দায়ভার দেশের মজুতদার, জুলুমকারী ব্যবসায়ীদের নিতে হবে।
09/06/2023
প্রসঙ্গ নির্বাচন....
🥲🥲🥲
আমরা ভোটাররা ভোট দেওয়ার সময়
ঘুষখোর, দূর্নীতিবাজ, বিত্তবান, পয়সাওয়ালা ইত্যাদি দেখে ভোট দেই, ভোট শেষে যখন নির্বাচিত প্রতিনিধি নিজ পাশের বাড়ির বাসিন্দা, ওয়ার্ডের বাসিন্দার কথা বেমালুম ভুলে, নিজের চাহিদা, বড়ত্ব, নেতৃত্ব ইত্যাদি নিয়া ব্যস্ত থাকে তখন আমরা যারা ভোট দিয়া আমাদের পক্ষে কথা বলার জন্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছিলাম তারাই বলে উঠি
চোর, বাটপার, দূর্নীতিবাজ সব টেন্ডার খেয়ে ফেলল, আমাদের কোন কাজেই আসলো না😭😭😭
অথচ সমাজে একটা মধ্যবিত্ত, শিক্ষিত, খেটে খাওয়া মানুষ যখন তার মতো জনগণের দুঃখ, দূর্দশা লাঘব করার জন্য, ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্যে নির্বাচনে প্রার্থী হয়,
#আমরা ভোটাররা হেলায় ফেলে এসব প্রকৃত গরীব, দুঃখী, মেহনতি সর্ব স্তরের জনগণের পাশে এসে যে দাড়াবে তাকে নিয়ে-------🤭🤭🤭
#তিরস্কার আর অবজ্ঞা করে নিজের ভোট নামক আমানত অর্থ, প্রাচুর্য আর প্রভাবশালীদের টাকা আর ক্ষমতার নিকট ভোট নামক আমানত নষ্ট করে ফেলি।।
আসুন নেতাগিরি বাদ দিয়ে যারা শোষিত জনগণের পাশে এসে দাড়াতে পারবে, তাদেরকেই ভোট নামক আমানত এর যৌক্তিক ব্যবহার করি।
#পরে যেন আফসোস করতে না হয়, নিজের আমানতের জন্য অনুতপ্ত না হতে হয়।
আমার ভোট আমি দেব,
যোগ্য দেখে পক্ষ নেব,
ন্যায্য অধিকার আদায়ে সোচ্চার হবো।
চোখে, কান খোলা রেখে ন্যায় বিচারে শরীক হবো।
07/06/2023
"Heat Wave" আসিতেছে?
----------------------------------
তাই সাবধান হোন।
সম্ভবতঃ ৪০°-৫০° সে.।
--------------------------------
স্বভাবিক পানি পান করুন।
ধীরে ধীরে।
ঠান্ডা পানি পান পরিহার করুন।
বরফ/বরফ পানি পুরোপুরিই পরিহার করুন।
বর্তমানে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরে এই HEAT WAVE চলছে।
করণীয় ও পরিত্যজ্য--------
১) যখন তাপমাত্রা ৪০°সে-এ পৌঁছে তখন খুব ঠান্ডা পানি পান করতে নিষেধ করেন চিকিৎসকগণ। কারণ এতে রক্তনালী হঠাৎই সঙ্কুচিত হয়ে
হঠাৎই স্ট্রোক হতে পারে।
২) যখন বাহিরের তাপমাত্রা ৩৮°সে অতিক্রম করে তখন ঘরে চলে আসুন বা ছায়ায় অবস্থান করুন। ঠান্ডা পানি পান করবেন না। স্বভাবিক তাপের পানি পান করুন বা ঈষৎ গরম পানি।
তাও ধীরে ধীরে।
৩)ঘরে এসেই হাত-পা-মুখ ধুবেন না।হাত-মুখ ধোয়ার আগে একটু অপেক্ষা করুন। দেহকে ঘরের তাপের সাথে খাপ খেতে দিন।
অন্ততঃ আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন হাত-মুখ ধোযার আগে বা গোসলের আগে।
৪) অল্প অল্প করে বারে বারে স্বাভাবিক পানি পান করুন।জ্যুস বা এজাতীয় পানিয় পরিহার করুন। স্বাভাবিক শরবত,ডাব বা লবণ পানির শরবত পান করতে পারেন যদি তা আপনার জন্য অন্য কারণে নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে।তবে তাও স্বল্প পরিমানে।
★★প্রচন্ড গরমে বা যদি আপনি খুবই ক্লান্ত থাকেন তবে ভুলেও বরফ মিশ্রিত পানি বা ফ্রিজের পানি পান করবেন না,যদিও ওইসময় ঠান্ডা পানি খুব ভালো লাগে।এটা শরীরে প্রশান্তি ভাব এনে দেয়।কিন্তু এতে হঠাৎই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
নিজে জানুন।
অন্যকে জানান।
02/06/2023
পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠিঃ
মা'রে,
শুরুটা কিভাবে করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে নিজের মা হারানোর ব্যথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তোর মাকেও কোনদিন মা ছাড়া অন্য নামে ডাকেতে শুনিনি। বিদ্যালয়ে প্রথম দিন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম। আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো। তাই চিঠির উপরে তোর নামের জায়গায় মা লিখেছি। হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুঝতেই পারিনি। ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি? আমি তখন ভেতরে বসে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না। তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি। আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতির কাছে কি করে মুখ দেখাবো? জানিস মা, তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুঁজে পেয়েছিস। কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে। মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে। তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে। বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো মা,বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতোটা ভালবাসে তা বোঝাতে পারেনা, তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে। জানি মা, আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে। কি করবো বল? তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস। কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করছিস সেদিন বুঝতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর প্রেমে পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম। আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভালো লাগা টাকে সহজে মানতে চায় না? উত্তরটা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো,তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তরটা পেয়ে যাবি। তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না।কিন্তু একটা বাবা বোঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন। যেদিন তোর নানুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে,যদি মেয়ে হয় তাহলে নিজের মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে কণ্যা দানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো। তাই তোর প্রতি এত অভিমান। মারে বাবার উপর রাগ করিসনা। তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস, তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হবো না কেন? বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো?আর যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোনো প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো? তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারি। যদি মন কাঁদে চলে আসিস বুক পেতে দেবো। হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা।
ইতি
তোর জন্মদাতা "পিতা"
(এই চিঠিটা পড়ে অন্তত একটি মেয়ে/ছেলেও যদি তাদের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে মন্দ কি.........?(কপি)
18/05/2023
বিনীত অনুরোধ,
এখন দেশীয় ফল আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার মৌসুম।
তাই অনুরোধ আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার পর তার বীজ/আঁটি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে, শুকিয়ে একটা কাগজে মুড়ে রেখে দিন। যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের ফাঁকা জমিতে একে একে ছড়িয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেঁচে থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবথেকে বড় উপহার।
ফলের_গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজই রাখেনা, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশই এই ভাবে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ বাঁচানোর কাজে এগিয়ে এসেছে।
তাই আসুন আমরাও সাধ্য মতো চেষ্টা করি এই প্রকৃতিকে ভালো রাখার, আসুন গাছ লাগাই, পুকুরগুলোকে পরিস্কার রাখি,বন অধিদপ্তর/সরকারের উপর সব দায় না চাপিয়ে নিজেরা সচেতন হই, প্রকৃতিকে ভালোবাসি।
ভুলে যাবেন না গাছ আল্লাহ প্রদত্ত প্রাকৃতিক অক্সিজেনের অসীম নেয়ামত।
(সংগৃহীত)
01/05/2023
কারো বাসায় গেলে পাঁচ পদ নিয়ে যাওয়া এবং কেউ বাসায় এলে দশ পদ রান্না করার কালচার থেকে বের হতে না পারলে আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের মধ্যকার স্বাভাবিক সম্পর্ক রক্ষা করা কঠিন।
মধ্যবিত্ত পরিবারে (পড়ুন নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে) এক কেজি আঙ্গুরের চেয়ে এক ডজন ডিমের প্রয়োজনীয়তা বেশি। জাপানীরা কারো সাথে দেখা করতে গেলে এক কেজি চাল নিয়ে যায় উপহার হিসেবে। ওদের প্রধান খাদ্য ভাত, আমাদেরও ভাত। তাহলে আমরা চাল নিয়ে গেলে সমস্যা কোথায়?
যিনি বা যারা বেড়াতে যাচ্ছেন তারা যদি ঐ বেলার বাজারটাই করে নিয়ে যান সবচেয়ে ভালো হয়। সেগুলোই রান্না হবে। মেহবান এবং মেজবান কারোই সমস্যা হবে না, কষ্ট হবে না। বাসায় দুটো বাচ্চা থাকলে সাথে পাঁচ টাকা দামের দুটো চকলেট নিয়ে যান, কোনো সমস্যা নেই।
যারা দশ পদ রান্না করেন এবং যারা দশ পদের রান্না না দেখলে মনে করেন সমাদর করা হয়নি—সবারই মনে রাখা উচিত তৃপ্তি ভরে খাওয়া যায় দুই পদ। আরেকটা পদ যোগ হতে পারে আগে বা পরে সাপ্লিমেন্টারি হিসেবে।
এই কালচার প্রোমোট করার ক্ষেত্রে তরুণদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। যারা একটা কালচারে তাদের জীবন শেষ করে দিয়েছেন প্রায়, তাদের পক্ষে অন্য কিছু ভাবা সম্ভব নয়।
#চলো বদলে দেই, বদলে যাই
সুস্থ চাহিদ সম্পন্ন, পরিবেশ, সম্পর্ক, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখি
10/12/2022
পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলবেন নেইমার!
-তোমরা দিনের পর দিন আমাকে টার্গেট করেছো। ম্যাচে ১০ টা ফাউল হলে ৮ টাই অহেতুক আমাকে করেছো। বারবার ভেঙে পড়েছি, বারবার ফিরে এসেছি। আমাকে নিয়ে ট্রল করেছো। আমার হোঁচট খাওয়া নিয়ে তোমরা অফার দিয়েছো রেস্টুরেন্ট কফি শপে! তবুও আমাকে হারাতে পারো নি। আমি বুক চিতিয়ে লড়ে গিয়েছি। আজ আমি হেরে গেলাম। ভাগ্যের কাছে নিদারুন হেরে গেলাম।
২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও আমি নতুন ভাবে ফিরে আসবো!
🗣️ নেইমার জুনিয়র
সুত্র : The Brasilia News
03/11/2022
মানুষ যদি কখনও অটোপসি(পোস্টমর্টেম) কিভাবে করা হয় তা দেখতো তাহলে কখনই হয়তো সুইসাইডের কথা চিন্তাও করতো না।
আজকে দ্বিতীয়বার অটোপসি দেখার সুযোগ হয়।অনেক এক্সাইমেন্ট নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম।
তিনটা লাশ (কেস) ছিলো তখন।
একজন ২৩ বছর বয়সি মেয়ের ফাসি দিয়ে আত্মহত্যার কেস।
আরেকজন ৩০ বছর বয়সি মহিলার বিষ খেয়ে আত্মহত্যার কেস।
এবং আরেকজন ৩০-৩২ বছর বয়সি পুরুষকে দা দিয়ে কুপিয়ে মার্ডার কেস।
প্রথমেই ডোম মামা গায়ের সব জামা কাপর কেটে খুলে ফেলে ২৩ বছর বয়সি মেয়েটার।আহা...আজ সেই পর্দা,লজ্জা,সম্ভ্রম সবই যেন অসহায়। তারপরেই গলা থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত একটানে দুইভাগ করে দেয়।হয়তো আমরা কুরবানির সময়ও গরুকে অনেক কেয়ার করে কাটি।বাট এখানে দুইপাশে টেনে চামড়া ছিলে ফেল্লো।পাজরের কার্টিলেজ টা নাইফের একটানে কেটে ভেতরের সব অর্গান দেখা হলো।পেটে বাচ্চা ছিলো কিনা চেক করলো।
মাথার পেছনে একটা ইনসিশন দিয়ে নারিকেলের ছোবড়া ছোলার মত টেনে মাথার চামড়া টা কপাল পর্যন্ত ছোলে খুলিটা কুপিয়ে ভাঙ্গছিলো।কেমন যেনো গরুর হাড্ডি কুপানোর কথা মনে পরে যাচ্ছিলো🙂
এমন ভাবেই পয়সনিং এর মহিলাটারও এভাবেই কেটে স্টমাক,লিভার,কিডনি,ব্রেন বের করে ফেরিনসিক এর জন্য পাঠিয়ে দিলো।
মার্ডার কেসটা তো চোখের দেখাতেই মার্ডার কেস।তাও কাটাকাটি করতেই হলো।
সব শেষে আবার বস্তা সেলাইয়ের এর মত নিচ থেকে উপরে সেলাই করে লাশ খালাস।
বাথরুমে নাকি আরেকটা নতুন লাশ আসছে।সেটাকে আনতে চলে গেলো মামারা।
কোথায় গেলো এত সম্ভ্রম এত দাম্ভিকতা?
বার বার একটা কথাই মনে হচ্ছিলো...মরে গেলে শরীরটার যেন আর একপয়সার ও দাম নেই।
বেচে থাকতে হয়তো ওই দুইটা মহিলার দিকে কেউ তাকানোর সাহস ও পেত না।বাট এখন মরার পরে নিথর দেহ পরে আছে।বিবস্র অবস্থায় লাশ ঘরে ধারালো ছুড়ি আর কড়াতের ধারে মাথার খুলি আলাধা হওয়ার অপেক্ষায়।
আত্মহত্যার পরে তার শরীরটার সাথে কি করা হয় যদি কেউ কখনও দেখতো তাহলে হয়তো দেশে আত্মহত্যার পরিমান অনেকটা কমে যেতো।
অবশ্য মানুষের বডির মূল্য আর কত?!
মারা গেলে পশুরাও খায় না।এখন মনে হচ্ছে আখেরাতটাই আসল।এই দুনিয়ায় আমরা শুধু ব্যাটারি লাগানো একটা শরীর।
আত্মা ছাড়া শরীরের কোনো দাম নাই।আর বাপদাদার টাকা না থাকলে ডেডবডিটার ও কোনো সম্মান নাই। 🙂
MD Shabbir Bin Enam এর লেখা