হলি চাইল্ড স্কুল Holy Child School

হলি চাইল্ড স্কুল Holy Child School

Share

হলি চাইল্ড স্কুল Holy Child School বিশ্বনাথ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রাপ্ত ও বিগত ২০ বছর ধরে সাফল্যের শীর্ষে।

হলি চাইল্ড স্কুল- (বিশ্বনাথ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রাপ্ত)
বিগত ১৫ বছর ধরে সাফল্যের শীর্ষে উপজেলায় ৫ বার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রাপ্ত।
----------------------------------------------------------------------------
✔️আমাদের বিদ্যালয়ে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা অনেকেই বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

✔️বিশ্বনাথে শুধু আমাদেরই ১৫০টি A+, ১২৫টি সরকারি বৃত্তি ও প্রা

27/05/2026

“শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাক প্রতিটি হৃদয়ে, আনন্দে ভরে উঠুক সবার জীবন।”
🌙✨পবিত্র ঈদুল আযহার এই আনন্দঘন মুহূর্তে হলি চাইল্ড স্কুল-এর পক্ষ থেকে
শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
ত্যাগ, ভালোবাসা ও মানবতার শিক্ষায় আলোকিত হোক আমাদের আগামী প্রজন্ম।
সবার জীবন ভরে উঠুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।
🌸 ঈদ মোবারক 🌸

20/05/2026

We r sorry Ramesa

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল

19/05/2026

কুকুর ও ভেড়ার বিচার

নীতি: মিথ্যার ওপর বিচার করলে নিরীহরা কষ্ট পায়, কিন্তু সত্য একদিন জিতে যায়।

একদিন গ্রামের চতুর কুকুরটা ঘোষণা দিল, “ভেড়া আমার কাছ থেকে এক রুটি ধার নিয়েছিল। এখনো ফেরত দেয়নি। আমি বিচার চাই!”

নিরীহ ভেড়াটি অবাক হয়ে বলল, “আমি তো কোনোদিন রুটি খাই না! আমি তো ঘাস খাই!”

কিন্তু কুকুর তার সঙ্গীদের—একটা বেজে, এক গাধা আর এক নেকড়ে—নিয়ে হাজির হল আদালতে। তারা প্রত্যেকেই বলল, “হ্যাঁ, আমরা দেখেছি ভেড়া রুটি নিয়েছিল।”

বিচারক সেই সাক্ষীদের কথা শুনে বললেন, “তাহলে প্রমাণ পাওয়া গেছে, ভেড়া দোষী।”
ভেড়াকে জরিমানা দিতে হলো — কিছু মুল্যবান দুধ, যা কুকুর পেয়ে খুব খুশি হলো।

কিছুদিন পর... সত্যের উন্মোচন

এবার কুকুর একই অভিযোগ আনল এক খরগোশের বিরুদ্ধে — “তুইও রুটি ধার নিয়েছিলি!”
খরগোশ শান্ত গলায় বলল, “আমি ঘাস খাই, রুটি না। তুমি কি কখনো খরগোশকে রুটি খেতে দেখেছ?”

এই কথা শুনে বিচারকের মুখ থমকে গেল। তিনি ভাবলেন,
“আসলেই তো! খরগোশ তো রুটি খায় না। ঠিক যেমন ভেড়াও খায় না। তাহলে কি কুকুরের আগের অভিযোগও মিথ্যা ছিল?”

তিনি কুকুরের পুরোনো সাক্ষীদের আবার জিজ্ঞেস করলেন। এবার তারা কুকুরের ভয় না পেয়ে সত্যি কথা বলল। বেজে বলল, “আসলে আমরা কিছুই দেখিনি, কুকুর আমাদের মিষ্টি খেতে দেবে বলেছিল যদি আমরা হ্যাঁ বলি।”

সবকিছু পরিষ্কার হয়ে গেল।

বিচারকের উপলব্ধি ও ভেড়ার জয়

বিচারক লজ্জিত হয়ে ভেড়াকে ডেকে বললেন,
“ভেড়া, আমি ভুল করেছিলাম। তুই নির্দোষ ছিলি। আমি তখন রুটি খাওয়ার বিষয়টা বুঝতেই পারিনি। তোরা তো ঘাস খাস, রুটি তো খাসই না!”

তিনি কুকুরকে শাস্তি দিলেন — মিথ্যা বলার জন্য তাকে গ্রামের বিচারসভা থেকে বহিষ্কার করা হলো।

ভেড়ার মুখে তখন হালকা একটা শান্ত হাসি। সে কিছু না বলেও অনেক কিছু বলে দিল —
সত্য ধীর হলেও একদিন ঠিক সামনে আসে।

18/05/2026

আশেপাশের সকল স্কুলের চেয়ে হলি চাইল্ড স্কুল Holy Child School এর মাসিক ফিজ সহ অন্যান্য খরছ অনেক কম।

16/05/2026
16/05/2026

#হেলিকপ্টার_পেরেন্টিং_নিয়ে_কিছু_কথা

Photos from হলি চাইল্ড স্কুল Holy Child School's post 14/05/2026

ফুল শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়,
এগুলো ভালোবাসা, শৃঙ্খলা আর কোমল মননেরও পরিচয়। 🌼
সে দিন আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীদের হাতে গড়ে উঠেছিল এক টুকরো জীবন্ত ফুলের বাগান।
#শিক্ষার্থীদের_সৃজনশীলতা #ফুলের_বাগান #বিদ্যালয়ের_সুন্দর_মুহূর্ত

Photos from হলি চাইল্ড স্কুল Holy Child School's post 12/05/2026

❤️‍🔥 আজ থেকে শুরু হলো হলি চাইল্ড স্কুল Holy Child School এর প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন–২০২৬'।

🥭 সুশৃঙ্খল পরিবেশে এবং উৎসবমুখর আবহে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

🎍 আগামীর কর্ণধার এই শিক্ষার্থীদের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন সফল হয়, তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।

#প্রথম_প্রান্তিক_মূল্যায়ন_২০২৬ #বিদ্যালয়ের_সুন্দর_মুহূর্ত #ফুলের_বাগান

10/05/2026

🎒 শিক্ষা আলো ছড়িয়ে সবাইকে উজ্জ্বল করে।

আমাদের স্কুলের নার্সারী ক্লাসের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীদের আনন্দময় মুহূর্তগুলো…
বই, বন্ধুত্ব ও খুশির মিলন।
শিক্ষা শুধু পাঠ্যপুস্তক নয়, আনন্দ ও সৃজনশীলতায় মধ্যে খুজে নেওয়া✨
📚 ছোট ছোট পদক্ষেপ, বড় বড় স্বপ্ন।
💡 সাহসী হও, জানার লোভ কখনও থামবে না।
#স্কুললাইফ #শিক্ষা #বন্ধুত্ব #সৃজনশীলতা #উজ্জ্বলভবিষ্যৎ

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Ashuganj, Bishwanath
Sylhet
3130