30/01/2021
Congratulations to all.
HSC Result-2020
A+: 15,
A : 101,
A-: 30,
B: 14,
C: 01
The latest technology based college for womens in Sylhet division.
30/01/2021
Congratulations to all.
HSC Result-2020
A+: 15,
A : 101,
A-: 30,
B: 14,
C: 01
03/06/2020
উইমেন্স মডেল কলেজ: কিছু স্বপ্ন, কিছু কথা
বর্তমান যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতিযোগিতামূলক এ বিশ্বে যে কোন শিক্ষার্থীকে র্বতমানে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা ছাড়া টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বর্তমান সরকারের পাশাপাশি সিলেটের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নমূলক ট্রাস্ট ইএসডি ফাউন্ডেশন সিলেটের নারী শিক্ষার উন্নয়নে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্বোড, সিলেট এর অনুমোদন সাপেক্ষে ২০১৩ সালে সিলেট শহরের প্রাণকেন্দ্র কুমারপাড়ায় প্রতিষ্টা করে সিলেটের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর (ডিজিটাল) মহিলা কলেজ “উইমেন্স মডেল কলেজ”।
হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরানের পুণ্যভূমি সিলেট শহরে র্বতমানে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও মানসম্পন্ন এবং আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একবারে নেই বললেই চলে।নেই মফস্বল থেকে আসা মেয়েদের জন্য মানসম্পন্ন কোন আবাসকি ব্যবস্থা। আর যা আছে সেখানে চলছে প্রাইভেট পড়ানোর প্রতিযোগিতা কিংবা কোচিং বানিজ্য। সেদিক বিবেচনায় উইমেন্স মডেল কলেজই সিলেটের একমাত্র মহিলা কলেজ যেখানে মানসম্পন্ন এবং আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা দিতে সকল শ্রেণিকক্ষে স্থায়িভাবে সংযোজিত রয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটার ল্যাব, অত্যাধুনিক বিজ্ঞানাগার ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। কোচিং ও প্রাইভেট নির্ভরশীলতার পরিবর্তে আমরা এমনভাবে পাঠদান করি যনে কোন শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব না করে। আমরা বিশ্বাস করি একমাত্র মানসম্মত, প্রযুক্তি নির্ভর ও সুপরিকল্পিত কার্যকর শ্রেণিপাঠদানই পারে শিক্ষার্থীদের কোচিং প্রবনতা থেকে মুক্ত রাখতে।
সিলেটের সচেতন অভিভাবকবৃন্দ যে বিষয়টি নিয়ে সবসময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকেন তা হল নিরাপত্তা । তারা চিন্তা করেন মেয়েদের জন্য একটি আলাদা ক্যাম্পাস কিংবা একটি নিরাপদ ও মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের কথা। এসব বিবেচনায় আমাদের রয়েছে কলেজ একাডেমিক ভবন ও হোস্টেলে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা, রয়েছে স্মার্টকার্ড ও এসএমএস সার্ভিস। ফলে অভিভাবকরা ঘরে বসে মেসেজের মাধ্যমে নশ্চিতি হন কখন তাঁর মেয়ে কলেজে পৌছাল কিংবা কখন কলেজ থেকে বের হল। কলেজে মেয়েদের পাঠিয়ে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা দূর করতে আমাদের এই মেসেজ সার্ভিসের ব্যবস্থা।
আমরা বিশ্বাস করি মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য প্রয়োজন মানসম্পন্ন শিক্ষক। উইমেন্স মডেল কলেজ তাই নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী এক ঝাঁক উদ্যোমী, প্রতিশ্রুতিশীল এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, দক্ষ ও কর্মঠ শিক্ষকমন্ডলী যারা তাদের আন্তরিকতা, মেধা-মননশীলতা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা দিয়ে শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও যুগোপযোগি শিক্ষা দানে বদ্ধপরিকর। কারণ আমরা বিশ্বাস করি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির প্রস্তুতি ও ফলাফলের উপর অনেকাংশেই নির্ভর করে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ। আমাদের লক্ষ্য নিয়মিত পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করে তাদের আদর্শ দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা। ফলে আমাদের কলেজে প্রাতিষ্ঠানিক সিলেবাসের পাশাপাশি নিয়মিত সবরকম সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমসহ সকল জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। আমরা যেমন নিজেরা স্বপ্ন দেখি একটি অত্যাধুনিক মানসম্পন্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানের তেমনি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাই আর্দশ মানুষ হওয়ার, সমাজে ব্যক্তিত্ব ও যোগ্যতা নিয়ে মাথা উচুঁ করে দাঁড়াবার। আর এক্ষেত্রে আমরা ইতিমধ্যে এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রমান করতে সচেষ্ঠ হয়েছি। ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করেই ২০১৫ সালে প্রথম ফলাফলে আমরা A+ সহ সিলেট বোর্ডে শতভাগ ফলাফল অর্জনকারী ১৩টি কলেজের মধ্যে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি এবং ২০১৬ সালের এইচ এস সি পরীক্ষায় A+ সহ সিলেট বোর্ডে শতভাগ ফলাফল অর্জনকারী ৫টি কলেজের মধ্যেই উইমেন্স মডেল কলেজ ২য় স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।আমরা প্রতি বছরই আমাদের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে এগিয়ে চলেছি। আমরা আসা করছি আমাদের এই এগিয়ে চলা আগামীতে আরো দ্রুত থেকে দ্রুততর হবে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
তাই সিলেটসহ সারাদেশের সকল সচতেন অভিভাবক এবং উদ্যোমী ও দৃঢ়প্রত্যয়ী শিক্ষার্থীদের “উইমেন্স মডেল কলেজ” পরিরারে জানাই স্বাগতম।
আব্দুল ওয়াদুদ তাপাদার
অধ্যক্ষ
উইমেন্স মডেল কলেজ, সিলেট।
মোবাইলঃ ০১৭১২১৯৪৬১৫
24/11/2018
05/10/2016
ইএসডি ফাউন্ডেশনের সকল শুভাকাঙ্খি বন্ধুদের কে বৃত্তির বিজ্ঞপ্তিটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইল।
24/05/2016
19/05/2016
উইমেন্স মডেল কলেজের (WMC) সকল শুভাকঙ্খি ও সকল facebook বন্ধুদের পোস্টটি শেয়ার করার অনুরোধ রইল।
All well-wisher of Women's Model College and all facebook friend are requested to share this post.
14/05/2016
জাতীয় শিশু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রানার্স আপ হল WMC ঃ
বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় শিশু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সিলেট অঞ্চলে কলেজ পর্যায়ে রানার্স আপ পুরস্কার পায় উইমেন্স মডেল কলেজ। প্রতিযোগিতায় যারা কলেজের জন্য এ সুনাম ও ক্রেস্ট নিয়ে আসল তারা হল দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী আমিনা নাজনীন চৌধুরী, নিশাত ফেরদৌস তাবাসসুম ও স্বর্ণা রায়। যাদের সার্বিক তত্বাবধানে তারা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে তারা হল- ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক ইশতিয়াক হোসেন মুন্সি এবং গণিত বিভাগের প্রভাষক ধ্রুব রঞ্জন রায়।
14/05/2016
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সকল ক্ষেত্রে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার বিকল্প নেই
--- ড. আহমদ আল কবির।
রূপালী ব্যাংক লি: এর সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট মানবসম্পদ উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবির বলেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে সকল ক্ষেত্রে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার বিকল্প নেই। প্রযুক্তি জ্ঞান শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে নয় Ñ পরিবার, রাষ্ট্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল ক্ষেত্রেই তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি গতকাল সিলেটের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর মহিলা কলেজ উইমেন্স মডেল কলেজে- “ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে নারী সমাজের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- তুলে ধরে বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আমরা অনেক কষ্টে অর্জন করেছি। স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্থ করতে আজ দেশের ভিতরেও বাহিরে অনেক ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। দেশকে এগিয়ে নিতে হবে, সকল নারীকে স্বাবলম্বী হতে হবে, কর্মমূখী ও কারীগরি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখতে হবে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। তবেই দেশ এগিয়ে যাবে। তিনি কলেজ পরিদর্শন করে কলেজ কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, অচিরেই এ প্রতিষ্ঠান সিলেটের নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াদুদ তাপাদার এর সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক চঞ্চল রায় এর উপস্থাপনা শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন মাওলানা সালেহ আহমদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লুৎফুর রহমান হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মাজেদ আহমদ চঞ্চল, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও সীমান্তিকের সদস্য সচিব জনাব শামীম আহমদ এবং সীমান্তিকের ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জনাব পারভেজ আলম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী আমিনা নাজনীন চৌধুরী, ফাতেমা ফেরদৌসী নিশাত ও স্বর্ণা রায়। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করেন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।