স্থাপত্যের পাঠশালা

স্থাপত্যের পাঠশালা

Share

স্থাপত্য চর্চার জন্য গঠিত স্বেচ্ছাসে আমাদের স্লোগান "বাংলা ভাষায়
স্থাপত্য চর্চা করাই আমাদের উদ্দেশ্য"।

23/11/2025

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার একটা ভালো উপায় হচ্ছে কন্টেইনার দিয়ে এধরনের বাড়ি তৈরি করা। যাদের খালি জমি পড়ে আছে, তারা করতে পারেন। বাংলাদেশে এধরনের বাড়ি তৈরির কোন কোম্পানী বা স্টার্টাপ আছে? না থাকলে শুরু করেন, আমি আপনাদের প্রথম কাস্টমার হবো।

22/11/2025

বাংলাদেশের কোন নদী ভূমিকম্প থেকে সৃষ্টি হয়েছে?

22/11/2025

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিংয়ে “বেস আইসোলেশন” ছিল – সেগুলোর ভেতরে একটা কাচের গ্লাসও ভেঙে পড়েনি।

এই বেস আইসোলেশন আসলে কী?

সহজ কথায়: বিল্ডিংকে মাটির সাথে শক্ত করে না বাঁধা, তার নিচে শত শত বিশেষ রাবার-লেডের বেয়ারিং বসানো হয়। ভূমিকম্প এলে মাটি যত জোরে কাঁপে, উপরের বিল্ডিংটা ততটা কাঁপে না – শুধু ধীরে ধীরে দোলে। ফলে ভেতরের মানুষ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি – সবই প্রায় অক্ষত থাকে।

আজ জাপানের প্রতিটি নতুন টাওয়ার, বিল্ডিং , হাসপাতাল, স্কুল, ডেটা সেন্টারে এই সিস্টেম বাধ্যতামূলক। এমনকি ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ভবনগুলোকেও কেটে-কেটে এই সিস্টেম বসিয়ে নতুন করে বাঁচিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আমাদের বাংলাদেশও এখন সেই পথে হাঁটছে।

BNBC-2020 কোড অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বেস আইসোলেশন ব্যবহার শুরু হয়েছে। রূপপুর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট, মেট্রোরেলের কিছু স্টেশন, কয়েকটা নতুন টাওয়ারে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

এটা বিলাসিতা নয় – এটা আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।

জাপান দেখিয়েছে, ভূমিকম্পের দেশেও নিরাপদে উঁচু ভবন বানানো যায় – যদি আমরা সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি।

আমদের যেন কখনো শিখতে না হয় দুর্ঘটনা থেকে।
শিখি জাপানের মত উন্নত দেশের প্রযুক্তি থেকে।

#নিরাপদ_বাংলাদেশ #ভূমিকম্প_প্রতিরোধী_ভবন

21/11/2025

১)ফিলিপাইন মত যদি ১০.১১ মাত্রার বাংলাদেশ ভুমিকম্পে হত তাহলে আপনারা এটা জন্য সমাধান কি করতেন?
২) ২০২৫ সালের শেষ দিকে এসে ও কি আজতো ভুমিকম্প রোধ কিছু করা যাবে কি?
সবার মতামত আশা করছি...
শেয়ার করে দিন.......

21/11/2025

‎বিশেষজ্ঞদের মতে , বাংলাদেশ শীঘ্রই বড় কোনো ভূমিকম্পের মুখোমুখি হতে পারে । এটা সম্ভাবনা..

এই বছর , ২৮ মার্চ বাংলাদেশে একটা ছোটো ভূমিকম্প হয়েছিলো , রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিলো ৪.৫ ।

কিন্তু এর উৎপত্তিস্থল ছিলো মায়ানমার , বাংলাদেশ না।

কিন্তু আজ বাংলাদেশে যে ভূমিকম্প হয়েছে , তার উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের নরসিংদী । ঘোড়াশাল থেকে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৫.৭ !

একই সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে, কলকাতায়ও ভূমিকম্প অনুভূত হয় ।

এই বছরের ২৮ মার্চ যে ভূমিকম্প হয়েছিলো, এর উৎপত্তিস্থল ‎মায়ানমারে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিলো ৭.৭ মাত্রার ।


তাতে ‎বহুতল ভবন ধসে পড়ে গেছে । রাস্তা উপড়ে গেছে । সেতু ভেঙে গেছে । অবকাঠামো ভেঙে পড়েছে তাসের ঘরের মতো ।


বাংলাদেশে এই মাত্রার ভূমিকম্প হইলে বাংলাদেশের রাজধানী সাক্ষাৎ নরকে পরিণত হবে ।

‎বিশেষজ্ঞদের মতে , কোনো একটি ভৌগলিক পরিমন্ডলে বড় ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার পূর্বে ধারাবাহিক ভাবে ছোটো ছোটো ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

‎২০১৭ সালে বাংলাদেশে ও এর কাছাকাছি এলাকায় ২৮টি ভূমিকম্প হয় । ২০২৩ সালে এর সংখ্যা ছিল ৪১।

‎২০২৪ সালে তা বেড়ে পৌঁছে যায় ৫৪তে....

( প্রথম আলো ২৮ মার্চ, ২০২৫)

‎প্রতি বছর ছোট ছোট ভূমিকম্পের সংখ্যা বাড়ছে ।

‎বাংলাদেশের এই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছিলো ১৯১৮ সালে । রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮ । ( যুগান্তর, ৩ জুন, ২০২১)

‎ভূতাত্ত্বিকদের মতে , একটা বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার ১০০ বছর পর আবার ঐ দেশটিতে বড়মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।

‎১৯১৮ এর পর ১০০ বছর পার হয়ে গেছে ।

‎এখন ২০২৫ !

‎ইন্ডিয়ান, ইউরোশিয়ান এবং বার্মা তিনটি গতিশীল প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান বলে যে কোনো সময় বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে ।

‎সকাল, দুপর , মাঝরাত যে কোনো সময় আপনারে আশ্রয় দেওয়া ভবন আপনার শরীরের উপর ধসে পড়তে পারে ।

‎ঢাকায় যদি ৭ মাত্রারও একটি ভূমিকম্প হয়, তবে ৭২,০০০ ভবন ধসে পড়বে । ঢাকায় ২ কোটি ১০ লক্ষ মানুষের বাস ।

‎আল্লাহ না করুন, যদি এরকম ঘুমন্ত অবস্থায় ভোরে অথবা মাঝরাতে ভূমিকম্প হয়, ঢাকা শহর পুরোটাই মৃত্যু নগরীতে পরিণত হবে ।

বাড়িঘর ধূলোয় মিশেযাবে। ‎ফ্লাইওভার-ব্রিজ ভেঙে পড়বে। বিদ্যুৎ গ্যাস লাইনে আগুন ধরে যাবে। পানির লাইন ফেটে পড়বে ।

‎সিলেট , কক্সবাজার , চট্টগ্রাম ও একই ঝুঁকিতে রয়েছে।

‎আল্লাহ না করুক, এসব না ঘটুক । অসংখ্য লাশ বুকে নিয়ে না হয় যুদ্ধ ছাড়াই ট্রয় নগরীর মতো পুড়তে হবে নগরকে, দেশকে।

‎অতীতে সাভারে শুধুমাত্র একটা ভবন ধসে পড়ায় তার থেকে উদ্ধার কার্যক্রম চালাতে সরকারের লেগেছিলো ৭ দিন ।

‎ঢাকায় যদি ৭২০০০ ভবন একদিনে ভেঙে পড়ে, কি হবে বাকিটা বুঝে নিন ।

‎একবার চোখ বন্ধ করে সবটা কল্পনা করতে গেলেও শিউরে উঠতে হয়।

‎তাহলে ভরসা?

ছবি: মায়ানমারের ভূমিকম্পের পরের চিত্র

21/11/2025

আজ যে ভূমিকম্প টা হল। সে থেকে ঢাকাবাসী ইমারত ব্যবসায়ী দের অনেক কিছু শিখার আছে?

25/06/2025

আমি একজন স্থপতি, এবং IAB মেম্বার, অনেক দিন ভাবছি একটা বিষয় নিয়ে কথা বলবো, যদিও সেটা IAB সংক্রান্ত, ব্যক্তিগত কারণেই নাম প্রকাশ করছি না।

IAB মাঝে মাঝেই অনেক ধরনের লেকচার সিরিজ, কিংবা কোর্স বা ডিসকোর্স করে থাকে, খুব সম্ভবত আজকেও হয়েছে। এগুলা প্রোফেশনাল কোর্স বিধায়, এগুলো সম্পর্কে জানা এবং সেই জ্ঞান যত দূর সম্ভব বিস্তার লাভ করা উচিত।

একজন নবীন স্থপতি যে কিনা এই পেশায় কিছুদিন আগে প্রবেশ করেছে, তার জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন। আমি আমার নিজের কথাই বলতে পারি, আমার এই কোর্স বা ডিসকোর্স এ অংশগ্রহণ এ অনেক ইচ্ছা আছে, কিন্তু কখনো পারি নি। কারণ -

১. আমার অফিস থেকে iab' র প্রধান কার্যালয়ের দূরত্ব

২. আমার পেশাগত ব্যস্ততা।

৩. রাস্তার যানজট।

৪. নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা

৫. এবং দিন শেষের অবসাধ বা ক্লান্তি

এগুলো অহেতুক বা অমূলক কারণ মনে হতে পারে, কিন্ত এর পরেও আমার ওই বিষয় গুলো সম্পর্কে জানার ইচ্ছা আছে, কিন্তু আমি পারছি না। এখন কি করা যেতে পারতো? এবং কি করলে সেটা শুধু আমার জন্যই মঙ্গলকর নয় আরো বিশাল সংখ্যক স্থপতিরা এ থেকে চরমভাবে উপকৃত হতে পারতো?

-

এখন ২০২৫ সাল, করোনা মহামারীর সময়ে আমরা এতটুকু শিখতে পেরেছি যে কোন নির্দিষ্ট জায়গায় অবস্থান না করেও আপনি, আপনার পেশাগত কাজ কিংবা প্রশিক্ষন নিতে পারেন। প্রযুক্তির ব্যবহারে আপনি একই সময় অনেক সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেন। এই রকম প্রযুক্তি নতুন কিছু না কিংবা অনেক খরুচে না, অনেক আগে থেকে পৃথিবীর অনেক প্রতিষ্ঠান এই ভাবে পাঠ বা কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে, তবুও আমরা এর ব্যবহার থেকে দূরে, অনেক গুলো মানুষ এই মূল্যবান আলোচনা থেকে দূরে থাকছে। শুধু দরকার কিছু মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন।

কেমনে হতে পারে?

- ১টি বা ২টি ক্যামেরার মাধম্যে ধারণ ক্ষমতা, এবং একটি ল্যাপটপ

- iab কিছু যে সীমিত সংখ্যক সিট বরাদ্দ রাখে, তাতে কিছু ফি যুক্ত থাকে, লাইভ পোর্টালে সে ফি বলবৎ থাকবে, চাইলে সাবক্রিপশন মডেল করা যেতে পারে।

- যারা সরাসরি আসবেন তাদের ফি থাকবে কম বা শূন্য আর যারা দূর থেকে সাথে থাকবে তাদের কিছুটা বেশী থাকতে পারে।

- ক্যামেরায় ধারণ করার ফলে, iab সেগুলো রেকর্ড করে, একটি অসাধারণ ভিজ্যুয়াল লাইব্রেরি তৈরি করতে পারবে, সাবস্ক্রিপশন এর ফলে যে কেউ সেই লাইব্রেরি থেকে যখন ইচ্ছে সেগুলো দেখে নিতে পারবে।

- এ ছাড়াও দেশের বাইরে যে সমস্ত স্থপতিরা আছেন, তারাও সংযুক্ত হতে পারেন, কোর্স পরিচালনা করতে পারেন।

- আধুনিক আরো অনেক ধরনের নতুন উপায় বা সম্ভাবনা নিয়ে যেমন, Ai, BIM, ইত্যাদি এগুলো নিয়ে আলোচনার দুয়ার খুলে যেতে পারে।

_______

আমি যতদুর বিশ্বাস করি, এই রকম প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে টাকার চেয়ে ইচ্ছা বা প্রায়শ টা বেশি জরুরি, খুবই কম খরচে এই রকম প্ল্যাটফর্ম তৈরি এবং পরিচালনা করা সম্ভব। এতে করে IAB নিয়ে অনন্য একটি উচ্চতায় পৌঁছাবে সাথে সাথে আমার মত অনেক স্থপতি দারুন ভাবে উপকৃত হতে পারবে।

পরিশেষে, আমি জানি স্থাপত্য সম্পর্কীয় অনেক বিষয় আছে, যা দুর থেকে শেখা বা জানা অসম্ভব তবু একদম অন্ধকারে থাকা থেকে কিছুটা আলো খারাপ কিছু বয়ে আনবে না আশা করি।

25/06/2025

আজ দেখলাম নেতানিয়াহু একজন আর্কিটেক্ট। কেমন টা লাগে এখন! তাও আবার MIT থেকে।

17/04/2025

Architect,
Your salary is your responsibility.
💗

15/11/2024

আপনাদের কারো আয়নাঘর নিয়ে খুব বেশি আগ্রহ থেকেই থাকে Architecture ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হোন।🤭Architecture ডিপার্টমেন্টে হলো আয়না ঘরের উত্তম উদাহরণ। 😑

Photos from স্থাপত্যের পাঠশালা's post 22/10/2024

#নজরুল_ইন্সটিটিউট-"নজরুল সরোবর’’ বানাতে যাচ্ছে ধানমণ্ডি লেকের পশ্চিম অংশে রোড নম্বর ১৩/ এ এবং ৮/এ সংলগ্ন লেকের পাড়ে একটি এম্পিথিয়েটার ‘নজরুল সরবর’ নির্মাণের ডিজাইন প্লানিং এর সমস্ত কাজ শেষ হয়েছে। ৫১ কাঠা জমির উপর নির্মিত এই সরোবর কমপ্লেক্সে থাকছে – নজরুলের সাহিত্য কর্ম নিয়ে পাঠাগার, এম্পিথিয়েটার, বসার স্থান, গনপরিসর, হাটার স্থান, রেস্তোরা, নজরুল স্মৃতি ফলক, ল্যানডস্কেপিং, সাউন্ড সিস্টেম, লাইটিং, আন্ডার গ্রাউন্ড টয়লেট।

বর্ষায় কাচ ঘেরা ঝুল বারান্দায় বসে নজরুল সঙ্গীত শুনতে শুনতে বৃষ্টি দেখটা নিশ্চয় খুব আনন্দের হবে। আমাদের নিজস্ব সাউন্ড সিস্টেম থাকবে, শুধু হাতে করে একটা গিটার নিয়ে আসলেই করা যাবে কনসার্ট। রেস্তরায় থাকবে বিদ্রোহী কবির পছন্দের খাবারগুলো।

আশা করছি নজরুল ইন্সটিটিউট-এর ব্যবস্থাপনায় নতুন বাংলাদেশের তারুণ্যের জন্য নজরুল সরোবর হয়ে উঠবে শিল্প সাহিত্যের এক জমজমাট তীর্থস্থান।
বিশেষ ধন্যবাদ জানাই Latiful Islam Shibli
নির্বাহী পরিচালক
কবি নজরুল ইনস্টিটিউট

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Sylhet

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00