09/06/2015
১) হাদিসঃ- আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
এর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ঐ আমল, যা
নিয়মিত করা হয়। আয়েশা (রাঃ)
থেকে বর্ণিত। নবী (সাঃ) কে
জিজ্ঞাসা করা হলো, আল্লাহ্
তা’আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল
কি? তিনি বললেনঃ যে আমল নিয়মিত
করা হয়। যদিও তা অল্প হোক। তিনি
আরোও বললেন, তোমরা সাধ্যমত আমল
করে যাও। [বুখারী, ৬০২১]
(২) হাদিসঃ- আয়েশা (রা) থেকে
বর্ণিত। তিনি বলেন, যে আমল
আমলকারী নিয়মিত করে সেই আমল
রাসূল (সাঃ) এর কাছে সবচেয়ে প্রিয়
ছিলো। [বুখারী, ৬০১৮]
(৩) হাদিসঃ- হযরত উমর ইবনে খাত্তাব
রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি,
নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের উপর
নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তি তাই
পাবে যার নিয়ত সে করবে। অতএব যে
ব্যক্তি আল্লাহ ও তার রাসূলের
উদ্দেশ্যে হিজরত করবে তার হিজরত
আল্লাহ ও তার রাসূলের জন্যই হবে। আর
যে দুনিয়া লাভের জন্য কিংবা
কোনো নারীকে বিয়ের উদ্দেশ্যে
হিজরত করবে তার হিজরত উক্ত বিষয়ের
জন্যই হবে, যার জন্য সে হিজরত
করেছিল। [সহীহ বুখারী হাদীস ১; সহীহ
মুসলিম হাদীস ১৯০৭]
(৪) হাদিসঃ- নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ
করেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে
একনিষ্ঠ মনে শাহাদাতের প্রার্থনা
করবে আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদা
দান করবেন। যদিও সে স্বীয় বিছানায়
মৃত্যুবরণ করে। [সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯০৯]
সুতরাং উপরোক্ত হাদিসগুলো থেকে
আমরা বুঝতে পারছি যে, আমরা যে
আমলই করি না কেন তা অবশ্যই হতে হবে
সঠিক নিয়তে অর্থাৎ আমরা যা কিছুই
করি না কেন তা একমাত্র আল্লাহর
সন্তুষ্টির জন্যই করছি এবং ছওয়াবের
আশায় করছি এই ধরনের নিয়ত থাকতে
হবে। আর যে যত টুকই আমল করি না কেন
তা হতে হবে নিয়মিত। আল্লহ
আমাদেরকে জেনে বুঝে সঠিক ভাবে
আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন…।