খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়

খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয় Khondoker Bazar High School has a rich tradition of providing quality education to students.

22/06/2025

নিবন্ধন(NTRCA) কর্তৃক নিয়োগ পেলে কত টাকা বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা পাবেন:
১. লেকচারার:কলেজ (নবম গ্রেড)
• মূল বেতন: ২২,০০০/=
• বাড়ি ভাড়া: ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতা: ৫০০/=
সর্বোমোট: ২৩,৫০০/=

অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর হলে
• মূল বেতন ৩৫,০০০/=
• বাড়িভাড়া ১০০০/=
• চিকিৎসা ভাতা ৫০০/=
সর্বমোট ৩৬,৫০০/=

প্রিন্সিপাল হলে
• বেতন ৫০,০০০/=
• বাড়িভাড়াঃ:১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতা: ৫০০/=
সর্বমোট: ৫১,৫০০/=

২. সহকারী শিক্ষক: স্কুল (এগারো গ্রেড)

• মূল বেতন: ১২,৫০০/
• বাড়ি ভাড়া: ১,০০০/
• চিকিৎসা ভাতা: ৫০০/
সর্বমোট: ১৪,০০০/

যদি বিএড ডিগ্রি থাকে তাহলে দশম গ্রেড হবে তার, তখন বেতন হবে -
• মূল বেতন ১৬,০০০/=
• বাড়ি ভাড়া: ১,০০০/=
• চিকিৎসা ভাতা: ৫০০/=
সর্বমোট: ১৭,৫০০/=

নোট:শুরুর দিকে বিএড করার জন্য ৫ বছর সময় দেয়।এবং ১০ বছর দশম গ্রেডে চাকুরি করার পর সিনিয়র শিক্ষকে উন্নিত হবেন (নবম গ্রেডে)

৩. জুনিয়র শিক্ষক:স্কুল-২ (ষোলো গ্রেড)

• মূল বেতন: ৯,৩০০/
• বাড়ি ভাড়া: ১,০০০/
• চিকিৎসা ভাতা: ৫০০/
সর্বমোট: ১০,৮০০/

উপরের ৩ ক্যাটেগরির সকলেই প্রতি বছর তার ব্যাসিক বেতনের ২৫% করে ২ টা উৎসব ভাতা পাবেন।

মূল/বেসিক বেতনের ২০% বৈশাখি ভাতা পাবেন বছরে একবার।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির জন্য জুলাই মাসে বেসিকের ৫% একটা ভাতা দেয়া হয়।

এছাড়া কিছু স্কুল-কলেজ (সংখ্যাটা খুবই সামান্য) ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে বাৎসরিক যে বেতন+ফিস নেয় তা খরচ করার পরেও যদি স্কুল/কলেজ ফান্ডে টাকা বেচে যায় তা শিক্ষকদের মধ্যে ভাগ করে দেন।

উপরের ৩ ক্যাটেগরির সকলেই প্রতি বছর তার ব্যাসিক বেতনের ৫% ইনক্রিমেন্ট পান।

বি.দ্র: চাকুরীজীবন সমাপ্তিতে এককালীন অর্থের জন্য বেতনের কিছু অংশ কেটে রেখে দিবে। একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক দুই রকমের এককালীন টাকা পাবে। একটি গ্রাচুইটি, অন্যটি কল্যান ট্রাস্টের।

#সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলিখন্দকার বাজার উচ্চবিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো আন্তর্...
21/02/2025

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

খন্দকার বাজার উচ্চবিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পদচারণায় মুখরিত হয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। প্রভাত ফেরির সুশৃঙ্খল পদক্ষেপে প্রতিধ্বনিত হয় একুশের চেতনা, আর শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জানানো হয় বিনম্র শ্রদ্ধা। সকলের কণ্ঠে ছিল ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রেরণামূলক স্লোগান ও জাতীয় সংগীতের আবেগঘন সুর। এই দিনে আমরা প্রত্যয় করি, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করে আগামীর প্রজন্মকে সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ উপহার দেব।

Pic Courtesy: মোস্তফা আহমেদ

#একুশেরচেতনায়উদ্দীপ্ত #ভাষাশহীদদেরপ্রতি_শ্রদ্ধা #খন্দকারবাজারউচ্চবিদ্যালয়

নতুন বছরের শুরুতেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠিত হয়েছে বই উৎসব ২০২৪। আজ ১লা জানুয়ারি সকাল...
01/01/2024

নতুন বছরের শুরুতেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠিত হয়েছে বই উৎসব ২০২৪। আজ ১লা জানুয়ারি সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি এম.এ.শহীদ বাবলু উদ্বোধন করেন এ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও শিক্ষকমণ্ডলী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম।

🎓 নোবেল পাওয়ার খবর শুনে বললেন "আমি ব্যস্ত, ক্লাস নিচ্ছি" 🎓উনি ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষার্থীদের। একটা নম্বর থেকে বার বার কল আস...
08/10/2023

🎓 নোবেল পাওয়ার খবর শুনে বললেন "আমি ব্যস্ত, ক্লাস নিচ্ছি" 🎓

উনি ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষার্থীদের। একটা নম্বর থেকে বার বার কল আসায় রিসিভ করতেই বলা হলো, "আমি নোবেল কমিটির মুখপাত্র"। পরক্ষণে উনি জানালেন, "আমি ব্যস্ত, ক্লাস নিচ্ছি"।
নোবেল কমিটির মুখপাত্র বললেন, "বেশি সময় নিব না, আপনাকে অভিনন্দন জানাতে কল করেছি। আপনি পদার্থবিজ্ঞানে চলতি নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।"
এতটুকু বলেই উনি ফোন রেখে যথারীতি পুরো ক্লাস নিয়েছেন। ততক্ষণে পুরো ভার্সিটিতে তাঁর নোবেল জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর কলিগস, শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমের বাইরে জড়ো হয়ে তাঁর জন্য অপেক্ষা করে। উনি ক্লাস শেষ করে রুম থেকে বের হতেই সবাই হাত তালি দিয়ে অভ্যর্থনা জানায় তাঁকে।

ফরাসি বিজ্ঞানী অ্যান হুইলিয়ার
পঞ্চম মহিলা যিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

হুইলিয়ারের আগে ১৯০৩ সালে মেরি কুরি, ১৯৬৩ সালে মারিয়া গোয়েপার্ট মেয়ার, ২০১৮ সালে ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড এবং ২০২০ সালে আন্দ্রেয়া গেজ পদার্থ বিজ্ঞানে পুরস্কার জেতা নারী।

Courtesy: Dipto TV

খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়'র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরনী ২০২৩ খী: অনুষ্ঠানের স্থীর চিত্র।      #খন্দক...
06/03/2023

খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়'র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরনী ২০২৩ খী: অনুষ্ঠানের স্থীর চিত্র।

#খন্দকারবাজারহাইস্কুল

     খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয় এ মহান আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উদযাপন ও প্রভাতফেরী'র কিছু স্থীর চিত্র।
22/02/2023



খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয় এ মহান আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উদযাপন ও প্রভাতফেরী'র কিছু স্থীর চিত্র।

আমাদের বিদ্যালয়ে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানের স্থীর চিত্র। M. A...
21/02/2023

আমাদের বিদ্যালয়ে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানের স্থীর চিত্র। M. A. Shohid Atm Fokrul Islam

#খন্দকারবাজারহাইস্কুল

খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবনে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়।তথ্য অধিকার আইন ক...
20/02/2023

খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের নব নির্মিত ভবনে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়।তথ্য অধিকার আইন কি? তথ্য অধিকার আইন কিভাবে প্রয়োগ করতে হয় ? এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

#খন্দকারবাজারহাইস্কুল

     #খন্দকারবাজারহাইস্কুল
31/01/2023

#খন্দকারবাজারহাইস্কুল

03/09/2022

আমি অনেক গুগল করেও খুঁজে পেলাম না- অক্সফোর্ড কিংবা হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি'তে এই বছর, গত বছর কিংবা এর আগের বছর গুলোতে কে বা কারা ভর্তি পরিক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হয়েছে। নিজে যখন ইংল্যান্ড-আমেরিকায় ছিলাম তখনও কোন দিন কোন পত্রিকায় এমন শিরোনাম দেখিনি। হয়ত আমার জানার ভুল। তাই ভাবলাম গুগল করে জেনে নেই। কিন্তু কোথাও কোন তথ্য খুঁজে পেলাম না।

তো, গুগল করে যেটা পেলাম- হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ৫৭৭৫৬ জন আবেদন করেছে ভর্তি'র জন্য। এর মাঝে এডমিশন পেয়েছে ২৩২০ জন। একজনও ওয়েটিং থেকে এডমিশন পায়নি। ৮৫ ভাগ ছাত্র আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা। ১৫ ভাগ ইন্টারন্যাশনাল। কতো ভাগ ছাত্র-ছাত্রী কোন বিভাগে ভর্তি হয়েছে। বছরের টোটাল বাজেট কতো। এই বাজেটের কতো ভাগ স্কলারশিপ হিসেবে দেয়া হচ্ছে ইত্যাদি।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে মোট ১০৮৯০ জন গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদন করেছে। এর মাঝে ৬৬৫৭ জন চান্স পেয়েছে। এর মাঝে ৫১ ভাগ ছেলে, ৪৯ ভাগ মেয়ে ইত্যাদি।

আমি হ্যারিকেন দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেছি- কে প্রথম হয়েছে, কে দ্বিতীয় হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায় কিনা। কিংবা কে কোন কলেজ থেকে এসছে। কোন কলেজ থেকে কতো জন চান্স পেয়েছে এমন তথ্য আছে কিনা। অথবা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় যারা হয়েছে- তারা কি খায়, কখন ঘুমায়, কখন পড়াশুনা করে, কখন বাথরুমে যায় এমন তথ্য কিংবা পত্রিকা রিপোর্ট যদি পাওয়া যায়।

কিন্তু কোন তথ্য'ই পেলাম না। অথচ আমাদের দেশের পত্র-পত্রিকা থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটির শিক্ষকরা পর্যন্ত বলে বেড়ায়- অমুক প্রথম হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মেডিক্যাল কিংবা অন্যান্য নাম করা ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরিক্ষায়। তাদের বিশাল বিশাল সাক্ষাৎকার ছাপা হয়। আরও কতো কিছু!

আমার ঠিক জানা নেই, জগতের কোন সভ্য দেশে এমন প্র্যাকটিস আছে কিনা। অন্তত আমি কখনো দেখনি। কেউ জানেও না কে ভর্তি পরিক্ষায় প্রথম হয়েছে আর কে লাস্ট হয়েছে! আমি ভেবেছিলাম আমার জানার কমতি থাকতে পারে। তাই বেশ কিছুক্ষণ গুগল করলাম। সেখানেও কিছু পেলাম না।

আমাদের সময় ম্যাট্রিক, ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার সময় বোর্ডে স্ট্যান্ড করার একটা রেওয়াজ চালু ছিল। অর্থাৎ প্রতিটা বোর্ডের সেরা ২০ জনের একটা তালিকা করা হত। এদেরকে বলা হত "স্ট্যান্ড" করেছে। নাম্বারের ভিত্তিতে যারা বেশি নাম্বার পেত, তারাই স্ট্যান্ড করতো। তাদের নাম, স্কুল,-কলেজের নাম সহ পত্র-পত্রিকায় ছাপা হত। অনেকের বাবা-মা'র ছবি সহও সাক্ষাৎকার পত্রিকা গুলো ছাপাত। একটা সময় যখন সবাই বুঝতে পেরেছে- এটি খুব একটা ভালো প্র্যাকটিস না, তখন স্ট্যান্ড করার ব্যাপারটি বন্ধ করা হয়েছিল।

এখন শুরু হয়েছে- কে কোন ইউনিভার্সিটি, মেডিক্যাল ইত্যাদিতে প্রথম হয়েছে। কোন কলেজ থেকে কতো জন চান্স পেয়েছে এইসব নিয়ে আলোচনা। অথচ জগত সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যারা প্রথম, দ্বিতীয় হচ্ছে তাদের নাম গন্ধ কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অবশ্য তারা তো আর মেধাবী না। জগতের সকল মেধাবীরা বোধকরি বাংলাদেশেই বসবাস করে।

আমি একটা খুব ছোট এবং সাধারণ মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই এখানে। আমাদের এখানে ছাত্র-ছাত্রীর অনুমতি ছাড়া আমরা প্রকাশ্যে তাদের কোন রেজাল্টও দিতে পারি না। তাদের রেজাল্ট তারা যে যার প্রফাইলের মাধ্যমে জেনে যায়। অন্য আর কেউ জানেও না কোন ছাত্র-ছাত্রীর কি রেজাল্ট। হ্যাঁ, এমন কি শিক্ষকরাও না। একজন শিক্ষক কেবল তার নিজের কোর্সে কোন ছাত্র কতো গ্রেড পেয়েছে, সেটাই জানে। এর বাইরে তার জিপিএ কতো। সে অন্যান্য কোর্সে কেমন করছে। সে কি ভালো না খারাপ ছাত্র; এর কোন তথ্য আমরা কেউ জানি না। কেবল ওই ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি রেগুলেটর ছাড়া আর কেউ জানে না। কারো সেই তথ্য প্রকাশ্যে বলার পারমিশনও নেই ছাত্র-ছাত্রীদের অনুমতি ছাড়া।

আর আমরা কে প্রথম হয়েছে, কে দ্বিতীয় হয়েছে; তারা কি খায়, কি মাথায় দেয়, কখন ঘুমায়, কখন বাথরুমে যায় সে নিয়ে ব্যস্ত আছি। আমাদের শিক্ষকরাও ক্লাস রুমে প্রকাশ্যে এইসব নিয়ে আলোচনা করে এবং বলে বেড়ায়- তোমার জিপিএ ভালো না। তুমি তো খারাপ ছাত্র! তোমার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আহা, কি মেধাবী আমরা!

Address

Khondoker Bazar, Osmani Nagar
Sylhet
3107

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to খন্দকার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়:

Shortcuts

Share

Category