আরাফার রোজা “যেটি বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের পাপ মোচন করে।”
আর এই রোজাটা আপনি বিশ্বের যে দেশেই অবস্থান করেন না কেন "যেদিন হাজিরা আরাফার ময়দানে থাকবেন সেই দিনই রাখতে হবে!
কারন "আরাফার রোজার"
ফজিলত সংক্রান্ত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সঃ) কোনো তারিখ উল্লেখ করেননি, বরং নির্দিষ্ট একটি বিশেষ দিনের উল্লেখ করেছেন; আর সেই দিনটি হলো আরাফার দিন অর্থাৎ হজের দিন, যে দিন হাজীগণ আরাফা ময়দানে অবস্থান করেন!
এখন যদি সৌদির সাথে মিল না রেখে নিজ দেশের চাঁদের হিসাব করে নিজ দেশের ঈদের আগের দিন আরাফা মনেকরে রোজ রাখেন তাহলে সেট আরাফার রোজ না হয়ে নরমান নফল রোজা হবে!
এই সহজ হিসাবটি অনেকে বুঝেও বুঝতে চায়না!
তাই তাদের জন্য অনেকে পরামর্শ দেন ওরা যেন ২টা রোজা রাখে দেয়! কেননা জিলহজ্জ মাসের ১ তারিখ থেকে ১০ তারিখ খুবি মর্যাদার দিন!এই ১০ দিন অন্যান নফল আমলের ন্যায় ১০ দিন রোজা রাখার মধ্যেও অনেক সিয়াব রয়েছে! তাই কেউ ১০ টি বা শুধু শেষের ২টা রোজা রাখলে একটি আরাফার রোজর মধ্যেই সামিল হয়ে যাবে!
যারা শুধু ১টা রাখবে তারা যেন হাজিদের সাথে মিল রেখে আজ সেহরি খেয়ে আগামি কাল রোজা রাখেন!
Islamic Knowledge
আসুন আমরা ইসলামের আলোকে নিজদের জীবন গড়ি ।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
সুপ্রিয় ভিজিটর বন্ধু, Islamic Knowledge ফেসবুক পেজে এ আপনাকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আপনারা জানেন, বর্তমান সময়টা আসলে একটা জটিল সময় অতিক্রম করছে। কত শত মতবাদ, আদর্শ, নিত্য-নতুন পথ ও মত আমাদেরকে হাত ছানি দিয়ে চলেছে। কত ধরণের শিরকী , বিদআতী এবং ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম আমাদের সমাজকে বিপথে পরিচালিত করছে। অথচ আমাদের তো রয়েছে সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ
আপনি কি ভালো মানুষ?
আসুন নিজেই নিজেকে চেক করি সেই তালিকায় আমরা আছি? নাকি নেই?
নবী করিম সা,বলেছেন ১২ জন মানুষ সবচেয়ে সর্বোত্তম !
(১)
ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻣَﻦْ ﺗَﻌَﻠَّﻢَ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻭَﻋَﻠَّﻤَﻪُ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’(বুখারি, ৫০২৭)
(২)
ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣَﺎﺳِﻨُﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻼَﻗًﺎ
‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, ৬০৩৫)
(৩)
ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﻗَﻀَﺎﺀً
‘তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’(বুখারি, ২৩০৫)
(৪)
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশঙ্কা করে না।’ (তিরমিজি, ২২৬৩/২৪৩২)
(৫)
‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে ভালো।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, ৪১৭৭)
(৬)
ﺧِﻴَﺎﺭُﻛُﻢْ ﺃَﻃْﻮَﻟُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﺭًﺍ ﻭَﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟًﺎ
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।(আহমাদ ৭২১২)
(৭)
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃﻧْﻔَﻌُﻬُﻢْ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ
সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। (সহীহুল জামে’ হা/ ৩২৮৯)
(৮)
ﻣَـﺨْﻤُﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ﺻَﺪُﻭْﻕِ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﺻَﺪُﻭْﻕُ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻧَﻌْﺮِﻓُﻪُ ﻓَﻤَﺎ ﻣَـﺨْﻤُﻮﻡُ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ
‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী।
সাহাবিরা রা, জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল! সত্যবাদী মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল, মুত্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।(ইবনে মাজাহ ৪২১৬)
(৯)
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻷَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ ﻭَﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﺠِﻴﺮَﺍﻥِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺠَﺎﺭِﻩِ
‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’ (তিরমিজি,১৯৪৪)
(১০)
ﺇِﻥَّ ﻣِﻦْ ﺧِﻴَﺎﺭِﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨَﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻠَﺎﻗًﺎ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, ৩৫৫৯)
(১১)
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻨْﺰِﻟَﺔً ﺭَﺟُﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺘْﻦِ ﻓَﺮَﺳِﻪِ ﻳُﺨِﻴﻒُ ﺍﻟْﻌَﺪُﻭَّ ﻭَﻳُﺨِﻴﻔُﻮﻧَﻪُ
মর্যাদায় সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে। (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৪২৯১)
(১২)
ﻟَﻤُﺆْﻣِﻦٌ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٌ ﺑِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻭَﻣَﺎﻟِﻪِ ﻓﻲ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠﻪِ
ঐ মু’মিন (সর্বশ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে। (বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সর্বোত্তম মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার তৌফিক দান করুন।
আপনার দেশের আশেপাশে কোথাও কি আরাফার মাঠ আছে? সেই মাঠে কি হাজ্জিরা কোন দিন অবস্থান করেন?
উত্তর যদি "না" হয়ে থাকে তাহলে আরাফার রোজা সেই দিনই রাখেন যেই দিন হাজ্জিরা যে দেশে অবস্থান করে আরাফা নামক মাঠে উপস্থিত হবেন সেই দিন!
আর উত্তর যদিব "হ্যা" হয়ে থাকে মানে আপনার দেশের কোথাও আরাফার মাঠ আছে আর সেই মাঠে আপনি হাজিদের তাওয়াফ করতে দেখবেন তাহলে সেইদিন আরাফার রোজা রাখেন!
যেসব হাদিছে বলা হয়েছে আরাফার রোজা রাখলে সামনের এবং পিছনের দুই বছরের গুনাহ মাফ করা হবে সেইসব হাদিছে ৯ জিলহজ্বের কথা একবারো বলা হয়নি বারবারই বলা হয়েছে আরাফার দিন arafar din يوم عرفة the day of arafah যদি নিজ দেশের চন্দ্রের সাথে মিল রেখে বলা হতো তাহলে নিশ্চয়ই সেইসব হাদিছে বলা হতো ৯ই জিলহজ্ব........
সমাধান হচ্ছে,
আরাফার রোজা এবারে শুক্রবারেই রাখবেন যদি মনকে মানাতে না পারেন তাহলে শনি বারে আরেকটা রোজা নফলের নিয়তে রেখে নিন!
যেহতু নিয়তের উপরই আমল নির্ভরশীল তাই শুক্রবারের রোজাটা যেন নফল রোজার নিয়তে না হয়ে আরাফার সুন্নাত রোজার নিয়তে হয় সেই দিকে একটু খেয়াল রাখবেন।
বিরাট অফার!
৬ বোতল সয়াবিন তেল কিনলেই পেয়ে যাবেন সমান মাপে ৩৬০ বোতল সয়াবিন তেল!
এমুহূর্তে এরকম একটা অফার কেউ দিলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে?
সয়াবিন তেলে এরকম অফার কেউ না দিলেও আল্লাহ এরকম একটা অফার আমাদের জন্য দিয়ে দিছেন!
কেউ যদি রোজা মাসের সম্পুর্ন রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসে (মানে এই মাসেই) ৬টা রোজা রাখে তাহলে সে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাবে!
ভাবা যায় মাত্র ৬টা রোজা রেখে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব!
তাহলে আর দেরি কিসের?
আজি অফারের পিছনে লেগে পরুন.......
ফান বা হাসিঠাট্টা করে অনেকেই দেখতেছি এপ্সের মাধ্যমে আগামি কয়েক বছর তিনি কি করবেন সেসব পোষ্টাচ্ছেন!
এসব করা কথটুকু শরিয়ত সম্মত তা আলেম উলামারাই বলবেন!
আমি শুধু বলবো,
আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলছেন,
“আসমান-জমিনে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ গায়েবের খবর জানে না”
[সূরা আন-নামল. আয়াত: ৬৫]
রাসূল (সাঃ)) বলেছেন,
‘যে ব্যক্তি কোন গণক বা জ্যোতির্বিদদের নিকট যাবে এবং তাকে কোন কথা জিজ্ঞেস করবে ৪০ দিন তার ছালাত কবুল করা হবে না’
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেছেনঃ
‘যে কোন গণক বা জ্যোতির্বিদদের নিকট আসল এবং তার বলা কথার প্রতি বিশ্বাস করল সে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাকে অস্বীকার করল!
এসব করা কুফরি! আর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গুনাহগুলোর অন্যতম একটি গুনাহ হচ্ছে কুফরি করা!
আমরা যারা মজা করতে যেয়ে এসব করতেছি একবারও কি চিন্তা করে দেখেছি এগুলো নিছকই হাসিঠাট্টার বিষয় নয়? ভবিষ্যতের জ্ঞান ত একমাত্র আল্লাহর কাছে! তাহলে মজা করতে যেয়ে আমরা যে এসব করতেছি তা কি কুফরির মধ্যে পরতেছেনা?
আপনি কি এক বছরের গুনাহ মাফ করতে চান?
তাহলে দেরি না করে আশুরার রোজা (মঙ্গল+বুধ or বুধ+বৃহস্পতি) ২টি রেখে নিন!
আশুরার রোজার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
“আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, তিনি পূর্ববর্তী এক বছরের পাপ ক্ষমা করে দেবেন।”
আশুরার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস হচ্ছেঃ
এই দিনে মুসা (আঃ) কে আল্লাহ ফেরাউনের হাত থেকে রক্ষা করে ফেরাউনকে ধ্বংস করেছিলেন! তাই মুসা (আঃ) খুশি হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি সরুপ এই দিনে রোজা রাখতেন, ইয়াহুদীরাও উনাকে অনুসরণ করে রাখতো!
মুসা (আঃ) কে অনুসরণের ব্যাপারে মুসলিমরা যেহতু বেশী হকদার তাই রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন আমরা ইহুদিদের সাথে যাথে সামঞ্জস্য না হয় সেজন্য আশুরার দিনসহ এবং এর এক দিন আগে বা পরের দিন রোজা রেখে তাদের সাথে অমিল করে নিবো!.....
আরাফার রোজায় নিজের সেন্স ইউজ করে বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের পাপ মোচনের চেষ্টা করুন!
হাজীরা যেই দিন আরাফার মাঠে অবস্থান করেন সেই দিনই ত আরাফার দিন! আরাফার মাঠে অবস্থান করার পরের দিনই হাজীদের ঈদের দিন! তাহলে হাজীদের সাথে মিল না রেখে পরের দিন রোজা রাখলে সেটা কিভাবে আরাফার রোজা হয়? আরাফার মাঠ কি আপনার/আমার দেশে অবস্থিত নাকি সৌদিতে?
অন্যান্য রোজা নিজ দেশের আরাবিক ক্যালেন্ডারের সাথে মিল রেখে রাখলেও হয়! কারন সেগুলিতে আরবি মাসের এত তারিখ এত তারিখ বলে উল্লেখ হয়েছে!
কিন্তু আরাফার রোজা ব্যাপারে জিলহজ্বের ৯ তারিখ না বলে বলা হয়েছে আরাফার দিন! তারমানে কি এই নয় যে হাজীদের আরাফার মাঠে অবস্থানের দিনটাই হচ্ছে আরাফার দিন! এই দিনের রোজাটাই হবে আরাফার রোজা!
তাই আসুন সব জটিলতা বাদ দিয়ে, নিজের সেন্স ইউজ করে আরাফার রোজা নিজ দেশের আরাবিক ক্যালেন্ডার দেখে না রেখে হাজীদের সাথে মিল রেখে সোম বারেই রাখি!
আরাফার রোজা রাখলে কি হয় তা ত নিশ্চয়ই জানেন?
আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আরাফার দিন রোযা রাখার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন: “এটি বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের পাপ মোচন করে।”
[সহিহ মুসলিম]
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক দিনে এই রোজাটা রাখার তৈফিক দান করুন! আমিন
ইফতারের আগে স্বামী জায়নামাজে বসে দোয়া করছিলো।
আর স্ত্রী রান্নাঘরে রান্না করছিলো আর স্বামী কি দোয়া করে তা শুনছিলো।
স্বামী : ও আল্লাহ! আমার বন্ধুকে একটা বিয়ে করিয়ে দাও।
স্ত্রী : দোয়া করার সময় সতর্ক হও। এই সময় কিন্তু দুয়া কবুল হয়।
স্বামী একটু থামলো পরে আবার বলল,
স্বামী : ও আল্লাহ! আমার বন্ধুকে একটা যুবতী, সুন্দরী, ধার্মিক বউ দাও।
স্ত্রী এবার রান্নাঘর থেকে ছুটে আসলো এবং স্বামীকে বকা শুরু করলো।
স্বামী : তোমার সমস্যা কোথায়? আমি তো আমার বন্ধুর জন্য দোয়া করছি।
স্ত্রী : আমি জানি সেটা।
স্বামী : তাহলে দোষ কোথায়?
স্ত্রী : আমাকে বোকা ভেবো না। তুমি কি মনে কর আমি সেই হাদিসটা জানি না?
যে কোন মুসলমান অন্য কারো জন্য দোয়া করলে পেছন থেকে একজন ফেরেশতা বলে আল্লাহ যেন তোমাকেও তা দেয়.
(অর্থাৎঃ তোমার ভাইয়ের জন্য যা চাইলে আল্লাহ তা’আলা তোমাকেও তা-ই দান করুন)। সহীহ মুসলিম- হা: ৮৮ (২৭৩৩), ৪/২০৯৪।)
দাত খুলে হাসবেন না মুচকি হাসুন এটি সুন্নাহ।
24/03/2021
স্ত্রী গ্লাসের যে স্থানে ঠোঁট রেখে পানি পান করে সেই স্থানে ঠোঁট রেখে পানি পান করা সুন্নাত। (মুসলিমঃ৫৭৯)
স্ত্রীর সাথে চুল আঁচড়ে নেয়া সুন্নাত। আয়েশা রাঃ রাসূল সাঃ এর চুল আঁচড়ে দিতেন (বুখারীঃ২৯৫, মুসলিমঃ৫৭১)
স্ত্রীর সাথে একই সাথে গোসল করা সুন্নাত। আয়েশা রাঃ এর সাথে এবং কখনো মাইমুনা রাঃ এর সাথে রাসূল সাঃ পবিত্রতার গোসল করতেন (মুসলিমঃ৬২০, নাসাঈঃ৩৮০)
স্ত্রীর ব্যাবহার করা মেসওয়াক দিয়ে মেসওয়াক করা সুন্নাত। রাসূল সাঃ যখন মৃত্যু সজ্জায়, তখন রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ এর কোলে শুয়ে ছিলেন এবং রাসূল সাঃ বার বার মেসওয়াকের দিকে তাকাচ্ছিলেন, কিন্তু রাসূল সাঃ এতোটাই অসুস্থ ছিলেন যে মেসওয়াক চিবোতে পারবেন না, তাই আয়েশা রাঃ মেসওয়াক চিবিয়ে দেন এবং রাসূল সাঃ ঐ মেসওয়াক দিয়ে মেসওয়াক করেন। হাদীসে এভাবে লালা একত্রিত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে (বুখারীঃ৫২২৬)
স্ত্রীর প্রশংসা করা সুন্নাত। রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ সবার সেরা, এবং খাদিজা আঃ এর ভালোবাসার প্রশংসা করতেন(বুখারীঃ৫২২৯, ৩৪১১)
স্ত্রীর সাথে খেলায় প্রতিযোগিতা করা সুন্নাত। রাসূল সাঃ এবং আয়েশা রাঃ রাত্রীতে সবাই ঘুমোলে দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন। (ইবনে মাজাহঃ১৯৭৯,আবু দাঊদঃ২৫৭৮)
স্ত্রীর মুখের খাবার খাওয়া সুন্নাত। আয়েশা রাঃ হাড় যুক্ত গোশত খাওয়ার পর রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ এর খাওয়া হাড় চুষে খেতেন।(মুসলিমঃ৫৭৯)
স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া বা সফরে যাওয়া সুন্নাত। স্ত্রীদের সফরে নিয়ে যেতে রাসূল সাঃ লটারী করতেন, যার নাম আসতো তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতেন। (বুখারীঃ২৫৯৩)
শাওয়াল মাসে বিবাহ করা সুন্নাত। (তিরমিযিঃ১০৯৩)
স্ত্রীকে সুন্দর নামে ডাকা সুন্নাত। (রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ কে হূমায়রা বলে ডাকতেন)
স্ত্রী কে কখনো মারধর না করা সুন্নাত। রাসূল সাঃ কখনো কারো উপর প্রতিশোধ নিতেন না, এবং স্ত্রীদের ও মার ধর করতেন না। (বুখারীঃ৫২০৪, বুখারীঃ ৬১২৬)
স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে কোরআন তেলায়ত করা সুন্নাত। (বুখারীঃ২৯৭)
স্ত্রীর কাজকর্মে সহযোগিতা করা সুন্নাত। (বুখারীঃ ৬৭৬)
হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সাধারণ মেলামেশা করা সুন্নাত। (বুখারীঃ৩০০)
স্ত্রীর মুখে খাবারের লোকমা তুলে দেয়া সুন্নাত। এবং রাঃ বলেন স্ত্রীকে খাবার খাইয়ে দিলে তা সদকা হিসেবে কবুল হয়, এবং তার প্রতিদান রয়েছে। (আবু দাঊদঃ২৮৬৪)
স্ত্রীর রাগ অভিমান এবং মন বোঝার চেষ্টা করা সুন্নাত। রাসূল সাঃ বলেন আয়েশা তুমি আমার উপর রেগে থাকলে আমি বুঝতে পারি, আয়েশা রাঃ বলেন হে আল্লাহর রাসূল কিভাবে বোঝেন আপনি? রাসূল সাঃ বলেন তুমি যখন আমার উপর রেগে থাকো তখন বলো "হে ঈবরাহিম আঃ এর প্রভু" আল্লাহ কে এভাবে ডাকো, আর যখন খোশ মেজাজে থাকো তখন বলো, ("হে মুহাম্মদ সাঃ এর প্রভু" আল্লাহ কে এভাবে ডাকো।
(বুখারীঃ৫২২৮)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻷَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ ﻭَﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﺠِﻴﺮَﺍﻥِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺠَﺎﺭِﻩِ
আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’
(তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪)
সুবহানআল্লাহ, আল্লাহ তাআলা সকলকে রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নাত গুলি পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
(তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪)
Do you believe in Allah?
Do you believe you are a Muslim?
If your answer is YES!
Then how can you possibly celebrate Christmas?
If you say merry Xmas or doing anything with Xmas like the kuffar do, then you are indirectly doing shirk! This is not a , this is a !
Do you Know, Allah forgives everything but not .
Shaytan is the master of making bad look good! Allah said, Shaytan is the biggest enemy for Us!
THINK........
আপনি কি গতবছরের গুনাহ নিয়ে চিন্তিত?
চিন্তার কোন কারন নেই!
এই গুনাহ মাফের একটা সুবর্ণ সুযোগ আমাদের সম্মুখে!
আর সেটা হচ্ছে আশুরার রোজা!
হাদিসে আসছে, আশুরার রোজা বিগত বছরের গুনাহ মার্জনা করে!
তাহলে দেরি না করে আশুরা উপলক্ষে আজ এবং আগামীকাল অথবা আগামি কাল এবং পরশু মোট ২ টা রোজা রেখে এই গুনাহটা মাফ করে নিন!
খাছ নিয়তে তওবা করলে এই স্পেশাল অফারে সগিরা গুনাহের সাথে কবিরা গুনহও মাফ হবে ইন-শা-আল্লাহ!
আর হ্যাঁ!
নিয়তটা যেন সহি হয়!
মনেমনে নিয়তটা হবে ঐরকম,
এদিনে আল্লাহ বনি ইসরাঈলকে তাদের শত্রুর হাত থেকে মুক্ত করেছেন, তাই মুসা আলাইহিস সালাম এদিনে রোজা রাখতেন! রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এ দিন রোজা রাখছেন এবং অন্যদেরকেও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন তাই আমিও রাখতেছি!
আশুরা দিনের ব্যাপারে আমাদের সমাজে কথরকমের জাল হাদিস আছে সেগুলি গুনে শেষ করা যাবেনা! এসব জাল হাদিসকে মোটেও কানে নিবেন না!
আরেকটা বিষয়!
কারবালার ঘটনাটা কাকতালীয়ভাবে এই দিনের সাথে মিলে গেছে, তবে আশুরার রোজার সাথে কারবালার কোন সম্পর্ক নেই! যদি কারবালার নিয়তে রোজা রাখেন তাহলে বিগত বছরের গুনাহ মাফের যে সুযোগটা দেয়া হয়েছে সেটা থেকে বঞ্চিত হবেন নিশ্চিত!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Dakshin Shurma
Sylhet
3100