Leading University BBA 30th Batch

Leading University BBA 30th Batch

Share

BBA 30th Batch is the most biggest batch in the history of Leading University. This batch is conten

Photos 19/11/2014

শিক্ষার্থীদের অনুরোধের ভিত্তিতে "সাহিত্য উৎসব- ২০১৪ইং" -এ লিখা জমা দেয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১৪ইং পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

সুতরাং, দ্রুত জমা দিন আপনার লেখা !!!

সাহিত্য উৎসব- ২০১৪ইং

লিখা জমা দেয়ার শেষ তারিখঃ ৩০ নভেম্বর ২০১৪ইং

সাহিত্য প্রতিযোগীতার বিভাগ সমূহঃ
- কবিতা (বাংলা)
- ছোট-গল্প (বাংলা)
- প্রবন্ধ (বাংলা)
- Travel story (English)
- Article (English)

লিখা জমা দেয়ার স্থানঃ সুরমা এবং রংমহল টাওয়ার ক্যাম্পাসের রিসিপশনের নির্দিষ্ট বক্স অথবা ই মেইল করতে পারেন => [email protected]

লিখার সাথে অবশ্যই লেখকের পূর্ণ নাম, আইডি নাম্বার, ডিপার্টমেন্ট, সেমিষ্টার এবং মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করতে হবে। প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের নাম লিডিং ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের ফেসবুক পেইজে ঘোষণা করা হবে। বিজয়ীদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং "বর্ষবরণ উৎসব- ১৪২২ বঙ্গাব্দ" এ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

আয়োজনেঃ লিডিং ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব।

14/10/2014

Final list of Volunteers for 2nd Convocation.
Student ID Student Name
---------------------------------------------
------------------------
1101010064 Kamal Al Millat
1301010101 Mohammad Ziaul Islam
1201010240 Abdul Karim
1301010200 Sheikh Arafat Hossain
1101010097 Shamir Ahmed Shakir
1201010309 Md. Shaber Ahmed
1201010136 Md. Shahriar Chowdhury
1201010157 Mohammad Zahidul Islam
1201010295 Md. Abu Taher
1201010042 Tahmidur Rahman Chowdhury
1201010128 Md. Majedul Hasan Chowdhury
1201010113 Md. Kamrul Islam Raju
1102010036 Mehedi Mahmood Suhan
1301010020 Md. Fazle Alahi Mobin
1201010348 Jaki Islam Tanim
1301010024 A.Z.M. Einun Nishat
1303030306 Gulam Reza
1203030019 Muhibur Rahman Khan
1101010139 Sadia Afrin
1301030035 Farjana Chowdhury
1201050038 Md. Bilal Uddin
1201050019 Biswajit Chanda
1101010202 Md. Abdus Samad
1101060016 Md. Emdadur Rahman
1001040006 Md. Rafiqur Rahman Nannu
1301040005 Sidrat Muntaha Muna
1202020010 Tanim Ahmed Chowdhury
1301020097 Md. Rakibur Rahman
1301020098 Syed Monzur Hussain
1301020107 Md. Adnan Habib Rahin
1201010088 Habibur Rahman
1201010057 Isthak Ahmed
1201010186 Md. Ashraf
1101050041 Apurbo Chowdhury
1103050015 Redwan Ahmed Chowdhury
1201070006 Syed Iqram Hussain
1411010049 Md. Farzadul Haque
1102020002 Nadira Akter
1301010088 Khan Mohammad Abdul Wahid
1201010066 Nazrul Islam
1302030011 Mehdi Islam Tapadar Tanvi
1301010084 Mahbubul Islam
1102010010 Shykat Datta Chowdhury
1103010121 Moudud Hussain Sowrov
1201010182 Sultan Islam
1201010328 Mohammad Saiful Islam
1201010150 Md. Muhibul Islam
1201010047 Shahadat Rabbi Reza
1201010046 Md. Rahat Ahmed Jumma
1201010321 Md. Ahsanul Karim
1201010331 Syed Aminur Rahman
1202010009 Ruhul Mustafiz Shojeeb
1202010043 Dabangshu Dutta
1203010122 Raihan Ahmed Tamim
1203010117 Habibur Rahman
1203010113 Sazowar Hossen
1301010395 Md. Wasi Tahmid Chowdhury
1301010292 Rumana Gegum Nipa
1201010135 Zaber Ahmed Fahim
1411010029 Shah Hassan Syeed Noor-E-Elahi
1301010060 Nowshin Anjum Chowdhury
1301010041 Rumpa Dey
1301010030 Antara Das
1202010050 Shirin Akther Shetu
1103050023 Md. Wahidur Rahman Raju
1301030055 Dipankar Chakrabarty
1201030060 Abdullah Al Masum Chowdhury
1201030023 Mahfujul Hoque
1201030090 Md. Delwar Hosan
1202030022 Mahbubur Rahman Hadi
1301030059 Imtiaz Hossain Munshi
1102030001 Jarin Tasnim Elahi
1201030015 Farhana Jahan
1201030070 Nazia Haque
1201050061 Ponkaj Mozumdar
1203050006 Fahmida Sultana Shorna
1203050040 Mst. Nusrat Jahan Tuhin
1102060006 Md. Azizur Rahman
1103010062 Parvej Mia
1003010115 Shabbir Ahmed Porag
1301010035 Syeda Mojtaba Anika
1301010108 Anindita Dhar
1201010097 Fojiya Akter Shipa
1201010085 Shahnaz Sultana Liza
1301030008 Jerin Tasnim Sadia
1301010141 Shahnaz Parvin Tanny
1301010009 Fariha Anjuman Chowdhury
1301010007 Fariya Chowdhury Nowshin
1201030058 Md. Zayed Ahmed Chowdhury
1103050027 Md. Mehedi Hasan
1103050006 Monju Lal Dey
1201050006 Sabuj Das Gupta
1203050038 Zakaria Ahmed Sayeem
1301020043 Mashrur Fahim
1301030021 Md. Abu Sufian
1201050056 Nurana Akter Popy
1201050042 Jannat Ara Fardoushi Shuma
1202030014 Hadika-Tul-Jannat Chowdhury
1101010036 Md. Muntasir Ahmed Khan
1101010002 Mahfuzur Rahman
1003060005 Md. Humayun Asad Tapadar
1301060056 Arefin Islam Akash
1301060009 Tapas Deb
1201010285 Tahura Ahmad
1201030016 Tabassum Jannat
1201060035 Mahi Chowdhury
1201060021 Ahsanul Hasan Khan
1201060022 Azazul Kabir Taraj
1101010040 A.H.M. Fazle Rabbi Chowdhury
1301010427 Monir Hossain
1301010044 Prodipto Bhattacharjee
1301010157 Abu Saleh Md. Mahbub
1201010282 Rashed Ahmed
1201010104 Naushin Sarmili Rahman
1102010032 Farjana Akter Sochona
1301030096 Rania Akter Jebu
1201050009 Jobaer Ahmed Polash
1203050019 Rana Mozumdar Bappi
1201050005 Nishat Sal-Sabil Rahman
1301020087 Md. Abdul Muntaqim
1101020034 Shamsia Sharmin
1301020128 Md. Motiur Rahman
1301020125 Saiful Islam Hemel
1102010003 Md. Jahanggir Alam
1202030008 Mizanur Rahman
1101060023 Nargis Binte Amin
1301020073 Armaan Chowdhury
1201070030 Mou Deb
1003060009 Md. Musfiqur Rahman
1201060024 Md. Mazedul Haque Murshed
1201050028 Md. Hamidur Rahman
1203010024 Lutfur Rahman
1201010118 Muktar Husen
1101050053 Masum Alam
1302010030 Mehedi Hasan Jaber
1101060012 Nandita Dutta
1201010094 Farjana Islam Sayma
1101030031 Mahfuj Al Mahmud
1202030013 Md. Minhajur Rahman
1201010096 Shabiha Rahman Chowdhury
1102010001 Moon Moon Dhar
1421010085 Afsar Ahamed
1301010277 Mohini Dey
1302010049 Jannatul Tasnuva Tabassum
1301010081 Afrida Tasnia Chowdhury
1301030045 Nadim Md. Hafiz
1101010088 Adnan Rahman
1301020100 Abdullah Al Numan
1201070033 A.B.M Shahnewaz
1201020013 Kawlan Ahmed Chowdhury

Photos 05/08/2014

খালেদ যদি হতো আপনার আপন ভাই। তখন কি বসে থাকতে পারতেন ঘরে ? প্রশ্নের উত্তর টা কালকে কিছুটা সময় খালেদের জন্য ব্যয় করে দিতে পারেন।
আসুন কিছুটা সময় খালেদের জন্য ব্যয় করি। মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য। না ফেরার দেশে চলে যাওয়া এই ভাইটার জন্য কিছু করতে ভুমিকা রাখুন।

28/07/2014

Leading University BBA 30th Batch - এর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা।

02/07/2014

মারাত্বক এক দূর্ঘটনায় লিডিং ইউনিভার্সিটির একজন কর্মচারী রুস্তম আলী ভাইয়ের ছেলের পায়ের হাড় ভেঙ্গে গিয়েছে। চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। যা উনার পক্ষে সংগ্রহ করা অসম্ভব তাই সবার কাছে অনুরোধ রইল, দয়া করে আগামিকাল ভার্সিটিতে আসার সময় সাহায্য করার মতো প্রস্তুতি নিয়ে আসবেন।
আর সকল ক্লাব সদস্যদের আগামিকাল ১০টা ৩০মিনিটে ৮০১নং (আমাদের ক্লাব এডভাইজার জাহাঙ্গির আলাম স্যার এর) রুমের সামনে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দানের চেষ্ঠা করব।


Joint Secretary
Leading University Social Services Club

Photos 25/06/2014

আপনারা সবাই হয়তো জানেন যে Leading University Social Services Club এর পরিচালনায়ে আলো নামে একটা স্কুল রায়নগরের রাজবাড়ির এতিমখানাতে পরিচালিত হচ্ছে ২০১২ থেকে. এই স্কুলের পরিচালনার জন্য অনেক টাকা দরকার হয়। আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রোগ্রাম করেছি আলো স্কুলের ফান্ড রাইজিং এর জন্য। এরই সূত্র ধরে আমরা আগামী ২৬/০৬/২০১৪ ও ২৮/০৬/২০১৪ তারিখে চলচ্চিত্র উত্সব( Film Festival) করতে যাচ্ছি. টিকেট এর মূল্য নাম মাত্র ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই টাকা আলো স্কুল পরিচালনায় ব্যাবহার করা হবে। ফিল্ম দেখেন আর নাই দেখেন , এই এতিম শিশুদের জন্য কিছু হলেও অবদান রাখবেন এই আশা অন্তত আমি করতেই পারি ।

টিকেট কিনতে এবং অন্যান্য বিষয় জানতে যোগাযোগ করতে পারেন
01717-415420
01680-105210

Photos 24/06/2014

গাড়ির ভেতরে কয়েকটি শিশু বসে আছে অতি আরামে, আর বাইরে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে বস্ত্রহীন এক শিশু দু'মুঠো খাবার ব্যবস্থা করার জন্য মানুষের কাছে প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে.
এই সামাজিক বৈষম্যতা কেন?
কেউ কি নাই ওদের পাশে দাঁড়ানোর ???
সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করি তবেই সম্ভব। এখনই সময় কিছু করার ......
#জুম্মা

Photos 19/06/2014

কেমিক্যালমুক্ত আম চেনার ১০টি উপায়

আম পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। বাজারে গেলেই এখন পাকা আমের গন্ধে মন উচাটন হয়ে ওঠে। হাজারও রকমের আম পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। নামে যেমন বাহার, খেতে তেমন সুস্বাদু। ছোটবেলায় আম, মুড়ি, দুধ দিয়ে মেখে খাওয়ার স্মৃতি কমবেশি সবারই আছে। কিন্তু ছোটবেলার সেই সুস্বাদু আমে এখন প্রচুর কৃত্রিম ভেজাল পাওয়া যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ফরমালিনসহ নানা রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করে আমকে এখন আতঙ্কের ফল হিসেবেই পরিচিতি করে তুলছে। এসব কেমিক্যাল মানুষের জন্য শুধু ভয়াবহই না মৃত্যুর আশঙ্কাও তৈরি করে। তবে কেমিক্যাল মুক্ত আম কিনতে চাইলে নিচের টিপসগুলো মাথায় রাখতে পারেন:

১. প্রথমেই লক্ষ্য করুন, আমের গায়ে মাছি বসছে কি-না। এর কারণ, ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসে না।
২. আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছপাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।
৩. কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।
৪. গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেওয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।
৫. হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।
৬. আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেওয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।
৭. আম মুখে দেওয়ার পর যদি দেখেন যে কোনো সৌরভ নেই কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনো স্বাদ নেই, বুঝবেন সে আমে ওষুধ দেওয়া।
৮. আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেওয়া আমে এ মিষ্টি গন্ধ হবেই না।
৯. আমের গায়ে সাধারণত এক ধরনের সাদা পাউডারের মতো থাকে। যা পানিতে বা ফরমালিনে চুবালে চলে যায় । এটাও খেয়াল রাখুন।
১০. কেমিক্যালে পাকানো আম হলুদ না হয়ে সাদার মত রং ধারণ করে। অনেক সময় ক্রেতার নজর কাড়তে ও আমের গায়ে থাকা দাগ দূর করতে এক ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। কিছু আম আছে যে পাকলেও চামড়া সবুজ থাকে এরকম আম ক্রেতারা দেখেই কিনতে চায় না। তাই এরকম ক্রেতাদের ভুলের কারণেও কেমিক্যালের ব্যাবহার হয়।

এ ১০টি টিপস মেনে চললে কেমিক্যাল মুক্ত আম কিনতে পারবেন আপনি।

Photos 13/06/2014

শবেবরাত বছরের পবিত্র রজনীগুলোর অন্যতম একটি রাত। এই রাতের ফজিলত ও মর্যাদা অপরিসীম। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় সাহাবি হজরত আলী (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন শাবান মাসের পনেরতম রাত আসে, তখন তোমরা রাতে নামাজ পড়ো এবং দিনে রোজা রাখো। কেননা আল্লাহ তায়ালা সেদিন সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়ার আসমানে আসেন এবং বলতে থাকেন, কেউ আছে কি গুনাহ মাফ চাইবে? আমি তার গুনাহ মাফ করে দেব। কেউ আছে কি রিজিক চাইবে? আমি তাকে রিজিক দান করব। কেউ আছে কি অসুস্থ, আমি তাকে সুস্থ করে দেব। আল্লাহ পাক এভাবে ডাকতে থাকেন ভোর পর্যন্ত (ইবনে মাজাহ)। অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, একদিন রাসুল (সা.) বললেন, আজকের রাতে (শবেবরাতে) কী কী হয়, তোমরা কি জানো? আয়েশা (রা.) বললেন, আপনি বলুন এই রাতে কী কী হয়? রাসুল (সা.) বললেন, আজকের রাতে আগামী এক বছরে পৃথিবীতে আগমনকারী আদম সন্তানদের নাম লেখা হয়। আগামী এক বছরে পৃথিবী থেকে কে কে বিদায় নেবে, তাদের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। এই রাতে মানুষের আমলনামা আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। মানুষের রিজিক আল্লাহর কাছ থেকে বরাদ্দ হয় (বায়হাকি)।

পবিত্র শবেবরাতে আমরা যেসব আমল করতে পারি
পবিত্র শবেবরাতে আমাদের উচিত, সারা রাত বিভিন্ন নেক আমল করে কাটিয়ে দেওয়া, জিকির করা, কোরআন তেলাওয়াত করা, নফল নামাজ পড়া। সম্ভব হলে সালাতুস তাসবীহ নামাজ পড়া। যেসব আত্মীয়স্বজন ও প্রিয়জন পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে তাদের কবর জিয়ারত করা। অন্যান্য রাতের তুলনায় শবেবরাতে যেহেতু রাত জাগরণ বেশি হয়, তাই সালাতুত-তাসবীহ নামের ফজিলতপূর্ণ নামাজটি এ রাতে পড়া যেতে পারে। হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুল (সা.) তাঁর চাচা হজরত আব্বাস (রা.)-কে বলেছিলেন, "চাচা পারলে আপনি সালাতুস তাসবিহ নামাজ সপ্তাহে একবার, তা না পারলে মাসে একবার, তাও না পারলে বছরে একবার পড়বেন। অন্তত জীবনে একবার হলেও এই নামাজ পড়বেন। এ নামাজ দ্বারা জীবনের সগিরা, কবিরা, ইচ্ছাকৃত, অনিচ্ছাকৃত, নতুন, পুরাতন, গোপন, প্রকাশ্য সব রকম গুনাহ মাফ হয়ে যায়।'
এই নামাজ পড়ার জন্য শবেবরাত হলো উপযুক্ত সময়। এখন সালাতুত-তাসবিহ নামাজ পড়ার নিয়মাবলি আমরা জেনে নিতে পারি। সালাত শব্দের অর্থ নামাজ। আর তাসবিহ শব্দ দ্বারা এখানে 'সুবাহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার' এই তাসবিহকে বোঝানো হয়েছে। সুতরাং যেই নামাজে এই তাসবিহ পড়া হয়, তাকে সালাতুস তাসবিহ নামাজ বলে। এই নামাজ চার রাকাত। প্রত্যেক রাকাতে ওই তাসবিহ ৭৫ বার পড়তে হয়। তাহলে চার রাকাতে মোট ৩০০ বার হয়। সালাতুত তাসবিহ নামাজ পড়ার দুটি নিয়ম আছে। প্রথম নিয়মটি হলো- নিয়ত করবে, আমি চার রাকাত সালাতুত তাসবিহ নফল নামাজ পড়ার নিয়ত করলাম। তারপর সানা অর্থাৎ সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা...এটা পড়বে। তারপর সুরা ফাতিহা পড়বে। এর সঙ্গে যেকোনো একটি সুরা মিলাবে। সুরা শেষ করে ওই দাঁড়ানো অবস্থায়ই ১৫ বার সেই তাসবিহ পাঠ করবে। এরপর আল্লাহু আকবার বলে রুকুতে যাবে। রুকুর তাসবিহ পড়ার পর আবার ওই তাসবিহ ১০ বার পড়বে। তারপর রুকু থেকে উঠে 'রাব্বানা লাকাল হামদ" বলার পর আবার ওই তাসবিহ ১০ বার পড়বে। তারপর সিজদায় যাবে। সিজদার তাসবিহ পড়ার পর তাসবিহ ১০ বার পড়বে। সিজদা থেকে উঠে দুই সিজদার মাঝখানে আবার ১০ বার পড়বে। দ্বিতীয় সিজদায় তাসবিহ পড়ার পর আবার ওই তাসবিহ ১০ বার পড়বে। এ হলো ৬৫ বার। এখন আবার আল্লাহু আকবার বলে দ্বিতীয় সিজদা থেকে উঠে বসে ১০ বার পড়বে। এরপর দাঁড়াবে। এ হলো এক রাকাতে ৭৫ বার। এবার দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে একইভাবে পড়তে হবে। দ্বিতীয় রাকাতে ও শেষ রাকাতে আত্তাহিয়্যাতু পড়ার আগে ১০ বার তাসবিহ পড়ে নিতে হবে। কোনোভাবেই আত্তাহিয়্যাতু পড়ার পর তাসবিহ পড়া যাবে না এবং কোনোভাবেই প্রতি রাকাতে ৭৫ বারের বেশি পড়া যাবে না।
দ্বিতীয় নিয়ম হলো- নিয়ত বেঁধেই সানা পড়ার পর সুরা কেরাত পড়ার আগেই ১৫ বার, সুরা কেরাত শেষে ১০ বার। এখানে দাঁড়ানো অবস্থায় ১০ বার বেশি হয়ে গেলে। এই নিয়মে পড়লে দ্বিতীয় সিজদা থেকে সোজা দাঁড়িয়ে যাবে। দ্বিতীয় সিজদায়ই ৭৫ বার হয়ে যাবে এবং আত্তাহিয়্যাতু পড়ার আগে ওই তাসবিহ পড়তে হবে না। তাসবিহ ৩০০ বার হতে হবে, কম হলে সালাতুত তাসবিহর ফজিলত পাওয়া যাবে না। তাই খুব সতর্কতার সঙ্গে পড়তে হবে। যদি কেউ কোনো জায়গায় তাসবিহ পড়তে ভুলে যায় বা কম থেকে যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে যে জায়গায় মনে আসবে, সেখানে ছুটে যাওয়াটাও আদায় করে নেবে। সালাতুত তাসবিহ নামাজ যেকোনো সুরা দিয়ে পড়া যায়। তবে কেউ কেউ বলেছেন, এ নামাজে সুরা আছর, কাউছার, কাফেরুন ও ইখলাছ পড়া উত্তম। সালাতুত তাসবিহ ছাড়া এমন আরো যত নফল নামাজ আছে, তা যেকোনো সুরা দিয়ে পড়া যেতে পারে।
আমাদের সমাজে পবিত্র শবেবরাতে হালুয়া রুটির উৎসব হয়। আতশবাজি, পটকা ইত্যাদি ফোটানো হয়। দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জা করা হয়। এগুলো কোনোভাবেই শরিয়তসম্মত নয়। পুণ্যময় এই রাতে ইবাদত না করে আনন্দ উৎসব কঠিন গুনাহের কাজ এবং ইসলাম তা কোনোভাবেই সমর্থন করে না। মহান আল্লাহ আমাদেরকে এগুলো থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন।

Photos 13/06/2014

দেখতে দেখতে এক বছর হয়ে গেল আজ আমাদের মধুবন ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার। ইউনিভার্সিটি জীবনের প্রথম দেড় বছর আমাদের ব্যাচের এই ক্যাম্পাসেই কেটেছিল মধুবন ক্যাম্পাসকে সবাই অনেক মিস করি আমরা।

#জুম্মা

Photos 12/06/2014

স্পটলাইটের তারকা

নেইমার (ব্রাজিল)
পজিশন-ফরোয়ার্ড
জার্সি নং-১০
বয়স-২২ বছর
আন্তর্জাতিক ম্যাচ-৪৯
আন্তর্জাতিক গোল-৩১
অভিষেক-যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে, ২০১০
বর্তমান ক্লাব-বার্সেলোনা
ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপের স্বপ্নসারথি নেইমার। সান্তোসের হয়ে খেলার সময়ই ফুটবলবিশ্বের নজর কাড়েন, যেটির স্বীকৃতি হিসেবে মাত্র ১৯ বছর বয়সে পান দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার। ২২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের মাঝে অনেকেই খুঁজে পান পেলের ছায়া। ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপে সেটি প্রমাণের সুযোগ নেইমারের সামনে। অবশ্য গত বছর কনফেডারেশন্স কাপেই ব্রাজিলের শিরোপা জয়ের অন্যতম এই কুশীলবের হাতে ওঠে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল পুরস্কার। মোটা অঙ্কের চুক্তিতে গত মৌসুমে যোগ দিয়েছেন বার্সেলোনায়। স্পেনে প্রথম মৌসুমটা তেমন সুবিধার না কাটলেও ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ের আশা আকাঙ্ক্ষা গড়ে উঠেছে তাকে ঘিরে।

Photos 11/06/2014

বিশ্বকাপ অবশেষে ডানা মেলতে শুরু করেছে। ব্রাজিল ফিরছে ফুটবলে!
ব্রাজিলকে ফেরাতে হচ্ছে। ৬৪ বছর পর ব্রাজিলে ফিরে সে ধন্য হবে, নিজেকে রাঙাবে স্বর্গের সুষমা দিয়ে। কিন্তু পা রেখেই দেখছে স্বর্গে জ্বলছে দ্রোহের আগুন। আগের মতো স্বর্গীয় সুখ নেই, ফুটবলদেবতা নিজেও যেন বিপন্ন। তাকে মাঠ থেকে টেনে নিয়ে তুলেছে ব্রাজিলের রাজনীতির মঞ্চে। রাজনীতির ঘুঁটি বানিয়েছে ফুটবলকে। তাই স্বর্গ টলছে বিক্ষোভের আগুনে। এই মহাবিপদ থেকে উদ্ধারের দায়িত্ব নিয়েছে বিশ্বকাপ, সব অশুভকে বিদায় করে ব্রাজিলকে আবার ফুটবলের দেশে রূপ দেওয়ার শক্তি কেবল তারই আছে।
তীর্থে আজ শুরু ফুটবল আনন্দধারা
করিন্থিয়াস স্টেডিয়ামে না গেলে বোঝা যাবে না কত মোহনীয় ভঙ্গিতে বিশ্বকাপ সবাইকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। বহুমুখী এ স্টেডিয়ামের একটি মুখ শুরু হয়েছে মেট্রো স্টেশন থেকে। সদলবলে মানুষ যাচ্ছে আর ফিরছে স্টেডিয়ামের শোভা নিয়ে। এত হাঙ্গামার পরও সাধারণের যেতে কোনো বাধা নেই, স্টেডিয়ামের বাইরের চত্বরে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ নয়নে সৌন্দর্য উপভোগ করছে, ছবি তুলে নিজেকে ইতিহাসের অংশ করে নিচ্ছে। এ রকম কোনো মহাযজ্ঞ হলে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ত্রিসীমানায় ঢোকা নিষিদ্ধ হয়ে যেত, নিরাপত্তার অজুহাতে নির্মম ভোগান্তির শিকার হতো সাধারণ মানুষ। এখানে তা নয়, স্পোর্টস ক্লাব করিন্থিয়াস রূপের আগুন জ্বালিয়ে স্বাগত জানাচ্ছে সবাইকে। এ ক্লাবের সমর্থক রদ্রিগো ম্যাচ টিকিট না পেয়ে আগেভাগে স্টেডিয়াম দর্শন করে অভিভূত, ‘এখানে বসে অনেক ক্লাব দলের অনেক ম্যাচ দেখেছি। কিন্তু কখনো নিজের মধ্যে এ রকম শিহরণ জাগেনি, আজ বাইরে থেকে দেখেই আমি বুঝতে পারছি ভেতরটা কত সুন্দর হয়েছে।’ সাও পাওলোর পূর্বের এ এলাকার মানুষ তুলনামূলক দরিদ্র, মেট্রোতে চড়ে যাওয়ার সময় আবাসনব্যবস্থার তারতম্য দেখে সেটা অনায়াসে বুঝে নেওয়া যায়। এখানে এলাকাভিত্তিক মানুষের সংস্কৃতি, জীবনব্যবস্থার সঙ্গে নিজের পছন্দ-অপছন্দ, ভালো-মন্দ এমনকি সমর্থনও খুব পাল্টে যায়। তাই করিন্থিয়াসের মানুষের জন্য আজকের এ দিনটি খুব স্মরণীয়, এখান থেকেই শুরু হচ্ছে ব্রাজিল বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা। নেইমার অস্কাররা থাকলেও তাঁদের অতি প্রিয়জন পাউলিনিয়ো, তাঁর পায়ে সেলেসাওদের দুর্দান্ত বিশ্বকাপ শুরুর অপেক্ষায় আছে করিন্থিয়াসের মানুষ।
পুরো ব্রাজিল অপেক্ষায় আছে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হেক্সা মিশনের স্বপ্নের শুরুর জন্য। পুরো ব্রাজিল কি বলা যাবে! অবশ্যই। এর সঙ্গে মানুষের সামাজিক জীবনের হতাশা, ক্ষোভ-বিক্ষোভ মিলিয়ে হিসাব করলে ভুল করবেন। এ আমুদে জাতির বিনোদনের দুটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো ফুটবল আর সাম্বা। মাঠের খেলায় দুটো মিলেমিশে একাকার হয় বলেই তাদের খেলার এত মাধুর্য। বিশ্বজোড়া খ্যাতি। তাই ট্রেনে-বাসে কান পাতলেই শোনা যাবে ‘কোপা দো মুন্ডো’ নিয়ে বহুপক্ষীয় আলোচনা, প্রায় প্রত্যেক ব্রাজিলিয়ানেরই নাকি ফুটবল নিয়ে নিজস্ব মতামত আছে, যুক্তি আছে। এত ফুটবল বোদ্ধার দেশে চাপে থাকেন লুই ফেলিপে স্কলারির মতো বিশ্বজয়ী কোচ। চাপটা এবার বেশি। ফুটবলের সাফল্য দিয়ে সামাজিক সংকটকে পেছনে ফেলার দায় চেপেছে তাঁর ঘাড়ে। তাই বলি, সামাজিক সংকট আছে এবং থাকবেও; একটি চাহিদা পূরণ হলে আরেকটি নতুন চাওয়া তৈরি হবে- এটাই মানুষের প্রবৃত্তি। এ জন্য তারা কখনো পরমাত্মীয় ফুটবলকে বিসর্জন দিতে পারে না। তাদের চেয়েও সমস্যা ঢের বেশি বাংলাদেশের মানুষের; কিন্তু কখনো তো প্রিয় ক্রিকেটকে জলাঞ্জলি দিয়ে সমস্যা মুক্তির কথা ভাবা যায় না। তাই সাতটি বিশ্বকাপ কাভার করা বিখ্যাত আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ইজিকুয়েল ফার্নান্দেজ মোরেসের ক্ষোভ-তাপ নিয়ে এতটুকু দুশ্চিন্তা নেই, ‘আমি জানি, আমি ফুটবলের দেশে এসেছি। তারা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, ফুটবল তাদের রক্ত-মাংসে ঢুকে গেছে। রাজনীতি আর ফুটবলকে মিলিয়ে একটা মিশ্র পরিস্থিতি তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের মানুষ ফুটবলকে ছাড়া থাকতে পারবে না। বিশ্বকাপ শুরু হলেই সেটা স্পষ্ট হয়ে যাবে।’
বিশ্বকাপের শক্তি আসলে আলাদা। তারও দায়িত্ব আছে স্বর্গের বিপন্নতা কাটিয়ে ফুটবলকে সুরক্ষা করার। সে তার মতো কাজ করবে, ৩২ দলের লড়াইকে জমিয়ে দিয়ে ফুটবলের মহামিলনের মঞ্চে রূপ দেবে ব্রাজিলকে। তবে বিচ্ছেদের রাগিনী বড় করুণ হয়ে বাজে এই মহামঞ্চে। মাত্র সাত ম্যাচের লটারি, একটু এদিক-ওদিক হলেই এত দিনের সব পরিশ্রম জলে যাবে। সংকট শুরু হবে ফুটবল তারকাদের। অবসরের ঢল নামবে চারদিকে। তেমনি শিরোপাও খুলে দেবে অপার সম্ভাবনার দুয়ার। শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটের বড় দাবিদার হিসেবে ব্রাজিলকে শীর্ষে রাখছে সবাই। কিন্তু তাদের ভয় স্পেন-নেদারল্যান্ডসে, গতবারের দুই ফাইনালিস্টের সামনে পড়ে না পথ হারিয়ে যায়। এই দুই দলকে নিয়ে অত বেশি মাতামাতি নেই, তবে সাত ম্যাচের টুর্নামেন্ট বলে ‘বুড়োদের’ একেবারে উড়িয়ে দেওয়ারও সুযোগ নেই। খুব আলোচনায় আছে জার্মানি, স্থানীয় বোদ্ধারাও তাদের ফুল মার্কস দিয়ে ইউরোপের একমাত্র দল হিসেবে শিরোপার খুব কাছাকাছি রাখছেন। আর মেসির আর্জেন্টিনা! আর্জেন্টাইন সমর্থকদের চোখ স্বপ্নরঙিন হয়ে আছে, হলে এবার নইলে আর হবে না। অফুরন্ত শক্তির জায়গা তাদের ফরোয়ার্ড লাইন, আগুয়েরো-দি মারিয়াদের আক্রমণ বৈচিত্র্যের সামনে প্রতিপক্ষের উড়ে যাওয়ার কথা। আরো বড় উপলক্ষ অবশ্যই লিওনেল মেসি, ইতিহাসের পাতায় খুদে জাদুকরের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মোক্ষম সুযোগ হতে পারে ব্রাজিল বিশ্বকাপ। এ জন্য তাঁর ভেতরে প্রস্তুতিও দেখছেন সমর্থকরা। কিন্তু ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো এ জায়গায় অসহায়। বিশ্বকাপের জন্য নিজের অশেষ তাড়না থাকলেও পর্তুগাল দলের চেহারায় বিশ্বরূপ দর্শনের মোহ নেই। সর্বশেষ ফিগোর সোনালি প্রজন্ম যখন পারেনি তখন এক রোনালদোতে আর কতটুকু যাওয়া যাবে, এই সন্দেহ খোদ পর্তুগিজদের। তবে যতটাই যাবে রোনালদোয় মুগ্ধ হবে ব্রাজিল। বিশ্বসেরা একটি দলই হবে, হয়তো কোনো এক তারকার উন্মেষ ঘটবে মহাতারকায়, তাই বলে মেসি-রোনালদোর কীর্তি তো আর মুছে যাবে না। বরং তাঁদের সঙ্গে রূপ-মাধুরী বাড়বে বিশ্বকাপেরই।
আধুনিক ফুটবলটা হয়ে গেছে দলীয় এবং ব্যক্তিগত সামর্থ্যরে জ্যামিত্যিক প্রকাশ। যারা নিখুঁতভাবে করবে তাদের মাথায় উঠবে চার বছরের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। বাকি ৩১টি দল ব্যর্থ হবে। তারা আসলে ব্যর্থ নয়, সব বিপন্নতা কাটিয়ে ব্রাজিলকে ফুটবল স্বর্গে রূপ দিয়ে যাবে। ব্রাজিল সত্যি সত্যি হয়ে উঠবে ‘উই আর ওয়ান’।

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Shurma Tower , Taltola
Sylhet
3100