দারুল ইলম

দারুল ইলম

Share

ইলমে কোরআন ও ইলমে হাদিসের প্রচার

24/09/2025

عوامل আরবি ব্যাকরণ শাস্ত্রের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় । নিম্নে এতদসংক্রান্ত কিছু প্রশ্নোত্তর তুলে ধরছি।

১. প্রশ্ন: عامل অর্থ কি?
উত্তর: কর্মী, যে কাজ করে।
২. প্রশ্ন: عامل কাকে বলে?
উত্তর: যার কারণে শব্দের শেষাক্ষরে اِعْرَاب এর পরিবর্তন হয়।
৩. প্রশ্ন: معمول কাকে বলে?
উত্তর: যে শব্দের শেষে اِعْرَاب পরিবর্তন হয়, তাকে مَعْمُوْل বলে।
৪. প্রশ্ন: عامل এবং معمول-এর উদাহরণ দাও।
যেমন- فِى الْقَلَمِ এখানে فِى শব্দটি عامل, আর الْقَلَمِ শব্দটি مَعْمُوْل।
৫. প্রশ্ন: عامل কতো প্রকার?
উত্তর: عَامِل প্রথমত দ্ইু প্রকার।
৬. প্রশ্ন: عامل মোট কয়টি?
উত্তর: একশটি।
৭. প্রশ্ন: عامل-এর প্রকারগুলো কি কি?
উত্তর: ১.عَوَامِلِ لَفْظِي ২.عَوَامِلِ مَعْنَوِي
৮. প্রশ্ন:عَوَامِلِ لَفْظِي কয়টি?
উত্তর : ৯৮টি।
৯. প্রশ্ন:عَوَامِلِ لَفْظِي কতো প্রকার?
উত্তর : দুই প্রকার।
১০. প্রশ্ন: عَوَامِلِ لَفْظِي -এর প্রকারগুলো কি কি?
উত্তর : ১। عَامِل سَمَاعِي (শ্রুত আমেল),
২।عَامِل قِيَاسِي (বিধানগত আমেল)।
১১. প্রশ্ন: عَامِل سَمَاعِي কয়টি?
উত্তর : ৯১টি।
১২. প্রশ্ন: عَامِل قِيَاسِي কয়টি?
উত্তর : ৭টি।
১৩. প্রশ্ন: عَوَامِلِ مَعْنَوِي কয়টি?
উত্তর : ২টি।
১৪. প্রশ্ন: عَوَامِلِ مَعْنَوِي গুলো উল্লেখ করো।
১. اِسْمٌ তথা مُبْتَدَأ ও خَبْرُপ্রকাশ্য عَوَامِلْ হতে খালি হওয়া,
২. فِعْلُ مُضَارِع টি যবর এবং জযম প্রদানকারী আমেল থেকে মুক্ত।
১৫. প্রশ্ন:حروف عاملة কতো প্রকার?
উত্তর : ৬ প্রকার।
১৬. প্রশ্ন: حروف عاملة-এর প্রকারগুলো কি কি?
حُرُوْفُ الْجَرِّ- اَلْحُرُوْفُ الْمُشَبَّهَةُ بِالْفِعْلِ- حُرُوْفُ نَاصَبةُ لِلْاِسْمِ-اَلْحُرُوْفُ الْمُشَّبهَتَيْنِ بِلَيْسَ- حُرُوْف نَاصِبَة لِلْفِعْلِ الْمُضَارِعِ- حُرُوْفُ جَازِمَةُ لِلْفِعْلِ الْمُضَارِعِ -
১৭. প্রশ্ন: حُرُوْفُ الْجَرِّ কয়টি?
উত্তর : ১৭টি।
১৮. প্রশ্ন: حُرُوْفُ الْجَرِّ গুলো কি কি?
بِ، تَ، كَ، لِ، و، مُنْذُ، مُذْ، خَلَا، رُبَّ، حَاشَا، مِنْ، عَدَا، فِي،
عَنْ، عَلٰى، حَتَّى، اِلٰى.
১৯. প্রশ্ন: حُرُوْفُ الْجَرِّ-এর আমল কি?
উত্তর : এগুলো اِسْمٌ এর পূর্বে বসে তার শেষাক্ষরে যের প্রদান করে।
২০. প্রশ্ন:حُرُوْفُ الْجَرِّ -এর একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর : فِى الْقَلَمِ
২১. প্রশ্ন:اَلْحُرُوْفُ الْمُشَبَّهَةُ بِالْفِعْلِ কয়টি?
উত্তর : ৬টি।
২২. প্রশ্ন: اَلْحُرُوْفُ الْمُشَبَّهَةُ بِالْفِعْلِ গুলো কি কি?
উত্তর : اِنَّ، اَنَّ، كَأَنَّ، لَيْتَ، لَكِنَّ، لَعَلَّ.
২৩. প্রশ্ন: اَلْحُرُوْفُ الْمُشَبَّهَةُ بِالْفِعْلِ-এর আমল কি?
উত্তর : এগুলো اِسْم কে نَصَب এবং خَبْرٌ কে رَفْع দেয়।
২৪. প্রশ্ন:اَلْحُرُوْفُ الْمُشَبَّهَةُ بِالْفِعْلِ -এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : اِنَّ زَيْدًا عَالِمٌ
২৫. প্রশ্ন:اَلْحُرُوْفُ الْمُشَّبهَتَيْنِ بِلَيْسَ কয়টি?
উত্তর : ২টি।
২৬. প্রশ্ন:اَلْحُرُوْفُ الْمُشَّبهَتَيْنِ بِلَيْسَ গুলো কি কি?
উত্তর : مَا، لَا
২৭. প্রশ্ন:اَلْحُرُوْفُ الْمُشَّبهَتَيْنِ بِلَيْسَ -এর আমল কি?
উত্তর : এগুলো اِسْمٌ কে رَفْعٌএবং خَبْرٌকে نَصَبٌ দেয়
২৮. প্রশ্ন: اَلْحُرُوْفُ الْمُشَّبهَتَيْنِ بِلَيْسَ-এর উদাহরণ দাও।
উত্তর : مَا زَيْدٌ عَالِمًا
২৯. প্রশ্ন: حُرُوْفُ نَاصَبةُ لِلْاِسْمِ কয়টি?
উত্তর : ৭টি।
৩০. প্রশ্ন:حُرُوْفُ نَاصَبةُ لِلْاِسْمِ গুলো কি কি?
উত্তর : يَا، اَيَا، هَيَا، أيْ، أَ، وَاوْ، اِلاَّ.
৩১. প্রশ্ন: حُرُوْفُ نَاصَبةُ لِلْاِسْمِ-এর আমল কি?
উত্তর : পরবর্তী اِسْمٌ কেنَصْبٌ দেয়।
৩২. প্রশ্ন: حُرُوْفُ نَاصَبةُ لِلْاِسْمِ-এর একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর : يَا عَبْدَ الّٰلهِ، يَا زَيْدُ
৩৩. প্রশ্ন:فِعْل مُضَارِع -এর মধ্যে আমলকারী হরফসমূহ কতো প্রকার?
উত্তর : দুই প্রকার।
৩৪. প্রশ্ন:فِعْل مُضَارِع -এর মধ্যে আমলকারী হরফের প্রকারসমূহ কি?
১. اَلْحُرُوفُ النَّاصِبَةُ لِلْفِعْلِ الْمُضَارِع
২.اَلْحُرُوفُ الجَازِمَةُ لِلْفِعْلِ الْمُضَارِع
৩৫. প্রশ্ন: اَلْحُرُوفُ النَّاصِبَةُ لِلْفِعْلِ الْمُضَارِع কাকে বলে?
উত্তর : যে সকল হরফ فِعْل مُضَارِع-এর পূর্বে এসে فِعْل مُضَارِع -এর শেষাক্ষরেنَصْب দেয় তাকেاَلْحُرُوفُ النَّاصِبَةُ لِلْفِعْلِ الْمُضَارِع বলে।
৩৬. প্রশ্ন: اَلْحُرُوفُ النَّاصِبَةُ لِلْفِعْلِ الْمُضَارِع অর্থ কি?
উত্তর : فِعْل مُضَارِع -এর শেষাক্ষরেنَصْب প্রদানকারী হরফসমূহ।
৩৭. প্রশ্ন: حُرُوْف نَاصِبَة لِلْفِعْلِ الْمُضَارِعِ কয়টি?
উত্তর : ৪টি।
৩৮. প্রশ্ন:حُرُوْف نَاصِبَة لِلْفِعْلِ الْمُضَارِعِ -গুলো কি কি?
উত্তর : اَنْ، لَنْ، كَي، اِذَنْ.
৩৯. প্রশ্ন: حُرُوْف نَاصِبَة لِلْفِعْلِ الْمُضَارِعِ-এর আমল কি?
উত্তর : এগুলো فِعْلٌ مُضَارِع কে نَصْبٌ প্রদান করে।
৪০. প্রশ্ন:حُرُوْف نَاصِبَة لِلْفِعْلِ الْمُضَارِعِ -এর একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর : لَنْ يَنْصُرَ

23/08/2025

“ছাত্রের অলংকার হলো অধ্যবসায়।” – (ইমাম শাফিঈ রহঃ)

22/08/2025

📢চেহারা নয়, চরিত্রই প্রকৃত সৌন্দর্য।
মানুষ তোমার মুখ নয়, চরিত্র দিয়েই তোমাকে
মনে রাখবে।🌺🌺🌺🌺

18/08/2025

🌺🌺শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেই সবখানে।🌺🌺

10/08/2025

ওরা কায়দা পড়ছে।

10/08/2025

আমাদের উদ্যোগ।

23/07/2025

কতই না তাত্ত্বিক কথা!

21/07/2025
18/02/2025

জনগণের অধিকারঃ সোনালী অতীত
.....................................................................
সিরিয়ার একটি শহরের নাম রাকা। সেখান থেকে খলিফা হারুনুর-রশিদের নিকট চিঠি আসলো।

চিঠিতে লেখা ছিল: শহরের বিচারক এক মাস যাবত অসুস্থ,বিচার কাজ স্থগিত হয়ে আছে । খলিফা যেন দ্রুত ব্যবস্থা করেন । খলিফা চিঠির জবাব পাঠালেন । আগামী সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক আসবেন । এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিচারক এসে যোগ দিলেন ।

বিচার কাজ শুরু হয়েছে । স্থানীয় প্রহরীরা একজন বৃদ্ধা মহিলাকে আসামী হিসেবে দরবারে হাজির করলেন । তার অপরাধ ছিল তিনি শহরের এক রেস্তারাঁ থেকে কিছু রুটি আর মধু চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পরেন ।

বিচারক: আপনি চুরি করেছেন?

– জ্বি ।

– আপনি কি জানেন চুরি করা কতো বড় অপরাধ ও পাপ ?

– জ্বি ।

– জেনেও কেন চুরি করলেন ?

– কারণ আমি গত এক সপ্তাহ যাবত অনাহারে ছিলাম । আমার সাথে এতিম দু’নাতিও না খেয়ে ছিল । ওদের ক্ষুধার্ত চেহারা ও কান্না সহ্য করতে পারিনি তাই চুরি করেছি। আমার আর এ ছাড়া কোন উপায় ছিল না হুজুর ।

বিচারক এবার পুরো দরবারে চোখবুলালেন। বললেন কাল যেন নগর, খাদ্য,শরিয়া, পুলিশ প্রধান ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিগন সবাই উপস্থিত থাকেন ।তখন এর রায় দেওয়া হবে ।

পরদিন সকালে সবাই হাজির হলেন । বিচারক ও যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে রায় ঘোষণা করলেন-“ বৃদ্ধা মহিলার চুরির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৫০টি চাবুক, ৫০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা আর অনাদায়ে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া করা হলো।

তবে অকপটে সত্য বলার কারণে হাত কাটা মাফ করা হলো। বিচারক প্রহরীকে চাবুক আনার নির্দেশ দিয়ে নিচে নেমে ঐ বৃদ্ধা মহিলার পাশাপাশি দাঁড়ালেন ।

বিচারক বললেন যে নগরে একজন ক্ষুধার্তবৃদ্ধ মহিলা না খেয়ে ক্ষুধার যন্ত্রণায় চুরি করতে বাধ্য হয় সেখানে তো সবচেয়ে বড় অপরাধী সে দেশের খলিফা। আর আমি এসেছি খলিফার প্রতিনিধি হয়ে ।

আমি যেহেতু তাঁর অধীনে চাকরি করি তাই ৫০টি চাবুকের ২০টি আমার হাতে মারা হউক । আর এটাই হলো বিচারকের আদেশ । আদেশ যেন পালন করা হয় এবং বিচারক হিসাবে আমার উপর চাবুক মারতে যেন কোনো রকম করুণা বা দয়া দেখানো না হয়।

বিচারক হাত বাড়িয়ে দিলেন । দুই হাতে পর পর ২০টি চাবুক মারা হলো। চাবুকের আঘাতের ফলে হাত থেকে রক্ত গড়িয়ে পরছে । ঐ অবস্থায় বিচারক পকেট থেকে একটি রুমাল বের করলেন ।

কেউ একজন বিচারকের হাত বাঁধার জন্য এগিয়ে গেলে বিচারক নিষেধ করেন। এরপর বিচারক বললেন “ যে শহরে নগর প্রধান, খাদ্য গুদাম প্রধান ও অন্যান্য সমাজ হিতৈষীরা একজন অভাব গ্রস্ত মহিলার ভরন-পোষণ করতে পারেন না।

সেই নগরে তারা ও অপরাধী। তাই বাকি ৩০টি চাবুক সমান ভাবে তাদেরকে মারা হোক ।“

এরপর বিচারক নিজ পকেট থেকে বের করা রুমালের উপর ৫০টি রৌপ্য মুদ্রা রাখলেন । তারপর বিচারপতি উপস্থিত সবাইকে বললেন “যে সমাজ একজন বৃদ্ধমহিলাকে চোর বানায়, যে সমাজে এতিম শিশুরা উপবাস থাকে সে সমাজের সবাই অপরাধী। তাই উপস্থিত সবাইকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানা করা হলো।“

এবার মোট ৫০০দিনার রৌপ্য মুদ্রাথেকে ১০০ দিণার রৌপ্য মুদ্রা জরিমানাবাবদ রেখে বাকি ৪০০টি রৌপ্য মুদ্রা থেকে ২০টি চুরি যাওয়া দোকানের মালিককে দেওয়া হলো।
বাকি ৩৮০টি রৌপ্য মুদ্রা বৃদ্ধা মহিলাকে দিয়ে বললেন “ এগুলো আপনার ভরণপোষণের জন্য । আর আগামী মাসে আপনি খলিফা হারুনুর রশিদের দরবারে আসবেন । খলিফা হারুনুর রশিদ আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থী । “

একমাস পরে বৃদ্ধা খলীফার দরবারে গিয়ে দেখেন ; খলিফার আসনে বসা লোকটিকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে । মহিলা ভয়ে ভয়ে খলিফার আসনের দিকে এগিয়ে যান। কাছে গিয়ে বুঝতে পারেন লোকটি সেদিনের সেই বিচারক।
খলিফা চেয়ার থেকে নেমেএসে বললেন —আপনাকে ও আপনার এতিম দু’নাতিকে উপোস রাখার জন্য সেদিন বিচারক হিসেবে ক্ষমা চেয়েছিলাম ।

আজ দরবারে ডেকে এনেছি প্রজা অধিকার সমুন্নত করতে না পারায় অধম এই খলিফাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য ।
আপনি দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন ।
+ সংগৃহীত

25/05/2024

Collected.....

সত্যেন্দ্র নাথ বসু যখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন তখনকার একটি ঘটনা বলি। সেই সময় তার একটি পাঠ্য বই বেশ কিছুটা ছিঁড়ে যায়। বিরক্ত হয়ে তিনি বইটি পুরোপুরি ছিঁড়ে ফেলে দেন। তাই দেখে তার মা খুব বকাঝকা করেন। তখন তিনি তার মাকে বলেছিলেন যে সেই বইয়ের যেকোন অংশ থেকে ধরলে তিনি বলে দিতে পারবেন। একই ক্লাসে পড়া পাশের বাড়ির এমন এক ছাত্রের বই চেয়ে এনে তাঁর মা বিভিন্ন অধ্যায় থেকে প্রশ্ন করতে শুরু করলেন আর বালক বসু হুবহু মুখস্ত বলে গেলেন। এমনই অসাধারণ প্রখর ছিল তার স্মৃতিশক্তি। এমনই গল্প আমরা শুনেছি শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের ক্ষেত্রেও।

নাটকে অভিনয় করতে গেলে ডায়লগ মনে রাখতে হয়, আবৃত্তি কিংবা গান করতে গেলে কবিতা বা গান মনে রাখতে হয়। বাজার করতে কি কিনতে বলা হয়েছে সেইসব মনে রাখতে হয়। প্রিয় মানুষদের জন্মদিন মনে রাখতে হয়, অংক করতে গেলে অনেক ফর্মুলা মনে রাখতে হয়। ক্লাসে লেকচার দিতে গেলে যে জোক থেকে শুরু করে কত কিছু মনে রাখতে হয়। ডিমেনশিয়া হলে পরে টের পাওয়া যায় মনে রাখতে পারা যে কত বড় ব্লেসিং।

অথচ নতুন শিক্ষাক্রমের কারিগররা বলতে শুরু করলেন মুখস্ত করে লেখা আর নকল করে লেখা একই কথা। মানে একজন কোন পাতা থেকে দেখে দেখে লেখে আর আরেকজন ব্রেইন থেকে মনে করে করে লেখেন। কি রকম সাংঘাতিক অপবাদ। আমরা যাকে মেধাবী হিসাবে জানি তাকে এখন নকলবাজ হিসাবে ট্যাগানোর চেষ্টা।

স্মরণ শক্তি বা মনে রাখা আর না বুঝে মুখস্ত করা ভিন্ন জিনিস। এই দুইকে গুলিয়ে ফেলে আমাদের ক্যামোফ্লেজ করার চেষ্টা হচ্ছে। স্মরণ শক্তি মেধারই একটা অংশ। কেউ বুঝে পড়ে অল্পতে মনে রাখতে পারে আর কেউ বার বার পড়ে মনে রাখে আর কেউ না বুঝে তোতা পাখির মত মুখস্ত করে। কোনটিকে গালি দিচ্ছি সেই ব্যাপারে আমাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

Kamrul Hassan Mamun, Professor (Physics) Dhaka University.

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Sylhet