Al Jannat islamic education institute

Al Jannat islamic education institute

Share

এই লেখা কপি করে add college search করেন, এই লেখা Al-Jannat-islamic-education-institute-282970928834934/

04/05/2022

সবাই কে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

Photos from Al Jannat islamic education institute's post 30/12/2021

আলহামদুলিল্লাহ।
আল জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন ইনস্টিটিউট কামিল মাদরাসা ২০২১ সালের দাখিল পরিক্ষায় ০২ জন GPA 5 সহ শতভাগ পাশের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলে
অত্র মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা জনাব খান জয়নাল আবেদীন মহোদয় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ জনাব শহিদুল ইসলাম নিজামী, সম্মানিত সকল শিক্ষকবৃন্দ,গভর্ণিং বডির সদস্য, সম্মানিত অভিভাবক ও উত্তীর্ণ সকল
শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
----------------------------------++-------------------------------------
আল জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন ইনস্টিটিউট কামিল মাদরাসার ফলাফলঃ
মোট পরিক্ষার্থী = ৩৮ জন।
A+ =০২ জন,
A গ্রেড = ১৪ জন, A- =গ্রেড ১০ জন।
B গ্রেড=০৮ জন, C গ্রেড= ০৪ জন।
পাশের হার= ১০০℅

19/12/2021
21/07/2018

আসসালামু আলাইকুম

01/04/2018

আজ থেকে আলিম পরিক্ষা শুরু সবাই সবাই দোয়া করবেন।

26/02/2018

21 ফেব্রুয়ারি

19/12/2017

' সৎকর্মপরায়ণতা’ সম্পর্কিত
কুরআনের আয়াত
1 – ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣَﻊَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺍﺗَّﻘَﻮْﺍ ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻫُﻢْ ﻣُﺤْﺴِﻨُﻮﻥَ .
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরই সঙ্গে আছেন, যারা তাক্বওয়া অবলম্বন করে এবং সৎকর্মপরায়ণ’ (নাহল ১৬/১২৮)।
২ – ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺟﺎﻫَﺪُﻭﺍ ﻓِﻴﻨﺎ ﻟَﻨَﻬْﺪِﻳَﻨَّﻪُﻡْ ﺳُﺒُﻠَﻨﺎ ﻭَﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻤَﻊَ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘যারা আমার পথে সংগ্রাম করে আমি তাদেরকে অবশ্যই আমার পথে পরিচালিত করব। আল্লাহ অবশ্যই সৎকর্মপরায়ণদের সাথে থাকেন’ (আনকাবূত ২৯/৬৯)।
৩– ﻭَﺃَﻧْﻔِﻘُﻮﺍ ﻓِﻲ ﺳَﺒِﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺗُﻠْﻘُﻮﺍ ﺑِﺄَﻳْﺪِﻳﻜُﻢْ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺘَّﻬْﻠُﻜَﺔِ ﻭَﺃَﺣْﺴِﻨُﻮﺍ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় কর এবং নিজেদের হাত ধ্বংসের দিকে প্রসারিত কর না এবং কল্যাণ সাধন করতে থাক। নিশ্চয়ই আল্লাহ কল্যাণসাধনকারীদেরকে ভালবাসেন’ (বাক্বারাহ ২/১৯৫)।
4– ﻭَﺇِﺫْ ﻗُﻠْﻨَﺎ ﺍﺩْﺧُﻠُﻮﺍ ﻫﺬِﻩِ ﺍﻟْﻘَﺮْﻳَﺔَ ﻓَﻜُﻠُﻮﺍ ﻣِﻨْﻬﺎ ﺣَﻴْﺚُ ﺷِﺌْﺘُﻢْ ﺭَﻏَﺪﺍً ﻭَﺍﺩْﺧُﻠُﻮﺍ ﺍﻟْﺒﺎﺏَ ﺳُﺠَّﺪﺍً ﻭَﻗُﻮﻟُﻮﺍ ﺣِﻄَّﺔٌ ﻧَﻐْﻔِﺮْ ﻟَﻜُﻢْ ﺧَﻄﺎﻳﺎﻛُﻢْ ﻭَﺳَﻨَﺰِﻳﺪُ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘আমি যখন বললাম, তোমরা এ নগরে প্রবেশ কর, অতঃপর তা হতে ইচ্ছামত ভক্ষণ কর আর তোমরা যে বল আমরা ক্ষমা প্রার্থনা করছি, তাহলে আমি তোমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা কবর। আর অচিরেই আমি সৎকর্মশীলগণকে অধিকতর প্রতিদান দান করব’ (বাক্বারাহ ২/৫৮)।
৫- ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺍﺳْﺘَﺠﺎﺑُﻮﺍ ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﺮَّﺳُﻮﻝِ ﻣِﻦْ ﺑَﻌْﺪِ ﻣﺎ ﺃَﺻﺎﺑَﻬُﻢُ ﺍﻟْﻘَﺮْﺡُ ﻟِﻠَّﺬِﻳﻦَ ﺃَﺣْﺴَﻨُﻮﺍ ﻣِﻨْﻬُﻢْ ﻭَﺍﺗَّﻘَﻮْﺍ ﺃَﺟْﺮٌ ﻋَﻈِﻴﻢٌ .
‘যারা আঘাত পাওয়ার পরেও আল্লাহ ও রাসূলের নিদের্শের সাড়া দিয়েছিল, তাদের মধ্যে যারা উত্তম আমল করেছে এবং তাক্বওয়া অবলম্বন করেছে, তাদের জন্য রয়েছে মহা পুরস্কার’ (আলে-ইমরান ৩/১৭২)।
৬- ﻓَﺄَﺛﺎﺑَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻤﺎ ﻗﺎﻟُﻮﺍ ﺟَﻨَّﺎﺕٍ ﺗَﺠْﺮِﻱ ﻣِﻦْ ﺗَﺤْﺘِﻬَﺎ ﺍﻟْﺄَﻧْﻬﺎﺭُ ﺧﺎﻟِﺪِﻳﻦَ ﻓِﻴﻬﺎ ﻭَﺫﻟِﻚَ ﺟَﺰﺍﺀُ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘ফলে তাদের এই উক্তির বিনিময়ে আল্লাহ তাদেরকে এমন জান্নাত দান করবেন, যার তলদেশ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরস্থায়ীভাবে বসবাস করবে। আর এটাই সৎকর্মশীলদের প্রতিদান’ (মায়েদা ৫/৮৫)।
৭- ﻭَﻻ ﺗُﻔْﺴِﺪُﻭﺍ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ﺑَﻌْﺪَ ﺇِﺻْﻼﺣِﻬﺎ ﻭَﺍﺩْﻋُﻮﻩُ ﺧَﻮْﻓﺎً ﻭَﻃَﻤَﻌﺎً ﺇِﻥَّ ﺭَﺣْﻤَﺖَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺮِﻳﺐٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনের পর সেখানে বিপর্যয় সৃষ্টি কর না। তোমরা আল্লাহকে ভয়ভীতি ও আশা-আকাঙ্খার সাথে ডাক। নিঃসন্দেহে আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের অতি নিকটে’ (আ‘রাফ ৭/৫৬)।
8- ﺇِﻥْ ﺃَﺣْﺴَﻨْﺘُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨْﺘُﻢْ ﻟِﺄَﻧْﻔُﺴِﻜُﻢْ ﻭَﺇِﻥْ ﺃَﺳَﺄْﺗُﻢْ ﻓَﻠَﻬﺎ ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ ﻭَﻋْﺪُ ﺍﻟْﺂﺧِﺮَﺓِ ﻟِﻴَﺴُﻮﺅُﺍ ﻭُﺟُﻮﻫَﻜُﻢْ ﻭَﻟِﻴَﺪْﺧُﻠُﻮﺍ ﺍﻟْﻤَﺴْﺠِﺪَ ﻛَﻤﺎ ﺩَﺧَﻠُﻮﻩُ ﺃَﻭَّﻝَ ﻣَﺮَّﺓٍ ﻭَﻟِﻴُﺘَﺒِّﺮُﻭﺍ ﻣﺎ ﻋَﻠَﻮْﺍ ﺗَﺘْﺒِﻴﺮﺍً .
‘তোমরা সৎকর্ম করলে নিজেদের জন্যই করবে এবং মন্দ কর্ম করলে তাও নিজেদের জন্য। অতঃপর যখন পরবর্তী দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি উপস্থিত হল তখন (আমি আমার বান্দাদেরকে প্রেরণ করলাম) তোমাদের মুখম-ল কালিমাচ্ছন্ন করার জন্য, প্রথমবার তারা যেভাবে মসজিদে প্রবেশ করেছিল পুনরায় সেভাবেই তাতে প্রবেশ করার জন্য এবং তারা যা অধিকার করেছিল তা সর্ম্পূণভাবে ধ্বংস করার জন্য’ (বানী ইসরাঈল ১৭/৭)।
9- ﻗﺎﻟُﻮﺍ ﺃَﺇِﻧَّﻚَ ﻟَﺄَﻧْﺖَ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﻗﺎﻝَ ﺃَﻧَﺎ ﻳُﻮﺳُﻒُ ﻭَﻫﺬﺍ ﺃَﺧِﻲ ﻗَﺪْ ﻣَﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻨﺎ ﺇِﻧَّﻪُ ﻣَﻦْ ﻳَﺘَّﻖِ ﻭَﻳَﺼْﺒِﺮْ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳُﻀِﻴﻊُ ﺃَﺟْﺮَ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘তারা বলল, তবে কি তুমিই ইউসুফ? তিনি বললেন, আমিই ইউসুফ। আর এটা আমার সহোদর ভাই; আল্লাহ আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। যে ব্যক্তি মুত্তাক্বী ও ধৈর্যশীল আল্লাহ সেইরূপ সৎকর্মপরায়ণদের প্রতিদান নষ্ট করেন না’ (ইউসুফ ১২/৯০)।
10- ﻭَﻣِﻦْ ﻗَﺒْﻠِﻪِ ﻛِﺘﺎﺏُ ﻣُﻮﺳﻰ ﺇِﻣﺎﻣﺎً ﻭَﺭَﺣْﻤَﺔً ﻭَﻫﺬﺍ ﻛِﺘﺎﺏٌ ﻣُﺼَﺪِّﻕٌ ﻟِﺴﺎﻧﺎً ﻋَﺮَﺑِﻴًّﺎ ﻟِﻴُﻨْﺬِﺭَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤُﻮﺍ ﻭَﺑُﺸْﺮﻯ ﻟِﻠْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘এর পূর্বে মূসার কিতাব অনুসরণযোগ্য এবং রহমত স্বরূপ এসেছিল। আর এ এমন কিতাব (কুরআন) যা আরবী ভাষায়, তার সত্যতা প্রমাণকারী, যা যালিমদেরকে সতর্ক করার জন্য। যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্য সুসংবাদ’ (আহক্বাফ ৪৬/১২)।
11- ﺇِﻥَّ ﺍﻟْﻤُﺘَّﻘِﻴﻦَ ﻓِﻲ ﺟَﻨَّﺎﺕٍ ﻭَﻋُﻴُﻮﻥٍ – ﺁﺧِﺬِﻳﻦَ ﻣﺎ ﺁﺗﺎﻫُﻢْ ﺭَﺑُّﻬُﻢْ ﺇِﻧَّﻬُﻢْ ﻛﺎﻧُﻮﺍ ﻗَﺒْﻞَ ﺫﻟِﻚَ ﻣُﺤْﺴِﻨِﻴﻦَ .
‘সেদিন মুত্তাক্বীরা জান্নাতে ও ঝর্ণার মধ্যে থাকবে, যা তাদের প্রতিপালক তাদেরকে দান করবেন আর তা তারা গ্রহণ করবে। নিশ্চয়ই তারা ইতিপূর্বে সৎকর্মপরায়ণ ছিল’ (যারিয়াত ৫১/১৫-১৬)।
12- ﻫَﻞْ ﺟَﺰﺍﺀُ ﺍﻟْﺈِﺣْﺴﺎﻥِ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟْﺈِﺣْﺴﺎﻥُ .
‘উত্তম কাজের পুরস্কার উত্তম (জান্নাত) ব্যতীত আর কি হতে পারে?’ (আর-রহমান ৫৫/৬০)।
13- ﻭَﻓَﻮﺍﻛِﻪَ ﻣِﻤَّﺎ ﻳَﺸْﺘَﻬُﻮﻥَ - ﻛُﻞﺍﻭُ ﻭَﺍﺷْﺮَﺑُﻮﺍ ﻫَﻨِﻴﺌﺎً ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨْﺘُﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻠُﻮﻥَ - ﺇِﻥﺍَّ ﻛَﺬﻟِﻚَ ﻧَﺠْﺰِﻱ ﺍﻟْﻤُﺤْﺴِﻨِﻴﻦ .
‘যে ফল-মূল তারা কামনা করবে (তা তারা পাবে)। তোমরা মজা করে খাও এবং পান কর, তোমরা যেমন আমল করেছিলে। আর এভাবে আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি’ (মুরসালাত ৭৭/৪২-৪৪)।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআন ও সহীহ হাদীসের উপর আমল করার তৌফিক দান করুন (আমীন )

19/09/2017

সূরা আল- ফাতিহা আয়াত ৩
ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ
আররাহমা-নির রাহীম।
যিনি পরম দয়ালু, অতিশয় করুণাময়।

01/09/2017

সবাইকে আল জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন ইনিস্টিউড এর পক্ষ হতে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছাও অভিনন্দন।
Eid Mubarak

11/08/2017

ইহরাম বাঁধার পদ্ধতি
============
হজ্ব হোক কিংবা ওমরা, উভয়ের ইহরাম বাঁধার পদ্ধতি একই তবে নিয়্যত ও শব্দাবলীতে সামান্য পার্থক্য আছে। নিয়্যতের বর্ণনা ﺍِﻥۡ ﺷَﺎٓﺀَ ﺍﻟﻠﮧ ﻋَﺰَّﻭَﺟَﻞّ সামনে আসছে। প্রথমে ইহরাম বাঁধার পদ্ধতি: ﴾ ১﴿ নখ কেটে নিবেন। ﴾ ২﴿ বগল ও নাভীর নিচের চুল পরিষ্কার করে নিবেন। বরং পিছনের লোমও পরিষ্কার করে নিবেন। ﴾ ৩﴿ মিস্ওয়াক করবেন। ﴾ ৪﴿ ওজু করবেন। ﴾ ৫﴿ খুব ভালভাবে গোসল করবেন। ﴾ ৬ ﴿ শরীরে ও ইহরামের কাপড়ে সুগন্ধি লাগাবেন, আর ইহা সুন্নাত। হ্যাঁ; এমন খুশবু (যেমন শুকনা আতর) লাগাবেন না যার চিহ্ন কাপড়ে লেগে যায়। ﴾ ৭﴿ ইসলামী ভাইয়েরা সেলাই যুক্ত কাপড় খুলে একটি নতুন কিংবা ধোলাই করা সাদা চাদর উপরে(গায়ে) পরিধান করবেন, আর হুবহু এক রঙ্গের কাপড় দিয়ে তাহবন্দ (লুঙ্গি) পড়বেন। (লুঙ্গির জন্য মোটা সুতির কাপড়, আর (উপরের) উড়নার জন্য (বড়) তোয়ালে জাতীয় কাপড় হলে সুবিধা হয়। তাহবন্দের কাপড় মোটা হতে হবে যেন শরীরের অবয়ব রং ইত্যাদি দেখা না যায়, আর তোয়ালেও বড় সাইজের হলে ভাল হয়। ﴾ ৮﴿ পাসপোর্ট কিংবা টাকা ইত্যাদি রাখার জন্য পকেটযুক্ত বেল্ট হওয়া চাই যা বাঁধতে পারবেন। রেক্সিনের বেল্ট অধিকাংশ সময় ফেটে যায়। সম্মুখ অংশে চেইন বিশিষ্ট নীলেন কাপড়ের বেল্ট অথবা চামড়ার বেল্ট খুব বেশী মজবুত হয়ে থাকে এবং তা বছরের পর বছর ধরে কাজে আসবে।
ইসলামী বোনদের ইহরাম
==============
ইসলামী বোনেরা নিয়মানুযায়ী সেলাইযুক্ত কাপড় পরবেন। হাতা পর্দা ও মোজাও পরতে পারবেন। আর তারা মাথাও ঢেকে নিতে পারবেন, তবে মুখের উপর চাদর ঢেকে দিতে পারবেন না। পর পুরুষ থেকে মুখমন্ডল গোপন রাখতে হাত পাখা কিংবা কোনো কিতাব ইত্যাদি দ্বারা প্রয়োজনে আড়াল করে নিবেন। ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের জন্য এমন কোন ধরনের বস্থ দ্বারা চেহারা ঢাকা সম্পূর্ণ হারাম, যা চেহারার সাথে একেবারে লেগে থাকে।
ইহরামের নফল কাজ সমূহ
===============
যদি মাকরূহ সময় না হয়, তবে দুই রাকাত নফল নামাজ ইহরামের নিয়্যতে আদায় করে নিবেন। (পুরুষেরাও তখন মাথা ডেকে নিবেন) উত্তম এই যে, প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহা শরীফের পর সুরায়ে কাফিরুন, আর দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ইখলাস শরীফ পড়বেন।
ওমরার নিয়্যত
========
এখন ইসলামী ভাইয়েরা মাথা খোলা রাখবেন, আর ইসলামী বোনেরা মাথার উপর নিয়ম মত চাদর পরিহিত রাখবেন। (যদি সাধারণ দিনের) ওমরা হয় তখনও, আর যদি ‘হজ্বে তামাত্তু’ করতে যান তখনও, আর এভাবেই ওমরার নিয়্যত করবেন:
ﺍَﻟﻠّٰﮭُﻢَّ ﺍِﻧِّﯽْٓ ﺍُﺭِﯾْﺪُ ﺍﻟْﻌُﻤْﺮَۃَ ﻓَﯿَﺴِّﺮْﮬَﺎ ﻟِﯽْ ﻭَﺗَﻘَﺒَّﻠْﮭَﺎ ﻣِﻨِّﯽْ ﻭَﺍَﻋِﻨِّﯽْ ﻋَﻠَﯿْﮩَﺎ ﻭَﺑَﺎﺭِﮎْ ﻟِﯽْ ﻓِﯿْﮩَﺎ ﻁ ﻧَﻮَﯾْﺖُ ﺍﻟْﻌُﻤْﺮَۃَ ﻭَﺍَﺣْﺮَﻣْﺖُ ﺑِﮭَﺎ ﻟِﻠّٰﮧِ ﺗَﻌَﺎﻟٰﯽ ﻁ
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমি ওমরা করার ইচছা করেছি। আমার জন্য তা সহজ করে দাও। আর আমার পক্ষ থেকে তা কবুল কর। আর তা পালন করতে আমাকে সাহায্য কর। আর তাকে (ওমরাকে) আমার জন্য বরকতময় করে দাও। আমি ওমরা পালন করার নিয়্যত করছি, আর আল্লাহর জন্য এর ইহরাম বেঁধেছি।
হজ্বের নিয়্যত
========
মুফরিদ ব্যক্তিও এভাবে নিয়্যত করবে আর তামাত্তুকারীও জুলহিজ্জার ৮ম তারিখ কিংবা তার পূর্বে হজ্বের ইহরাম বেঁধে নিন্মের শব্দাবলী দ্বারা নিয়্যত করবে:
ﺍَﻟﻠّٰﮭُﻢَّ ﺍِﻧِّﯽْٓ ﺍُﺭِﯾْﺪُ ﺍﻟْﺤَﺞَّ ﻓَﯿَﺴِّﺮْﮦُ ﻟِﯽْ ﻭَﺗَﻘَﺒَّﻠْﮧُ ﻣِﻨِّﯽْ ﻭَﺍَﻋِﻨِّﯽْ ﻋَﻠَﯿْﮧِ ﻭَﺑَﺎﺭِﮎْ ﻟِﯽْ ﻓِﯿْﮩِﻂ ﻧَﻮَﯾْﺖُ ﺍﻟْﺤَﺞَّ ﻭَﺍَﺣْﺮَﻣْﺖُ ﺑِﮧٖ ﻟِﻠّٰﮧِ ﺗَﻌَﺎﻟٰﯿﻂ
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমি হজ্বের ইচ্ছা করেছি। তা আমার জন্যে সহজ করে দাও। আর আমার পক্ষ থেকে তা কবুল কর। আর তাতে আমাকে সাহায্য কর। আর এটাকে আমার জন্য বরকতময় করে দাও। আমি হজ্বের নিয়্যত করেছি এবং আল্লাহর জন্যে এর ইহরাম বেঁধেছি।
কিরান হজ্বের নিয়্যত
============
কিরান হজ্বকারী ব্যক্তি হজ্ব ও ওমরা উভয়ের জন্য এক সঙ্গে নিয়্যত করবে। আর সে এভাবেই নিয়্যত করবে:
ﺍَﻟﻠّٰﮭُﻢَّ ﺍِﻧِّﯽْٓ ﺍُﺭِﯾْﺪُ ﺍﻟْﻌُﻤْﺮَۃَ ﻭَﺍﻟْﺤَﺞَّ ﻓَﯿَﺴِّﺮْﮬُﻤَﺎ ﻟِﯽْ ﻭَﺗَﻘَﺒَّﻞْ ﮬُﻤَﺎ ﻣِﻨِّﯽْ ﻁ ﻧَﻮَﯾْﺖُ ﺍﻟْﻌُﻤْﺮَۃَ ﻭَﺍﻟْﺤَﺞَّ ﻭَﺍَﺣْﺮَﻣْﺖُ ﺑِﮭِﻤَﺎ ﻣُﺨْﻠِﺼًﺎ ﻟِّﻠّٰﮧِ ﺗَﻌَﺎﻟٰﯿﻂ
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমি ওমরা ও হজ্ব উভয়ের জন্য ইচ্ছা করেছি। তুমি উভয়কে আমার জন্যে সহজ করে দাও। আর উভয়কে আমার পক্ষে কবুল কর। আমি ওমরা ও হজ্ব উভয়ের নিয়্যত করেছি। আর একমাত্র আল্লাহর জন্যই উভয়ের ইহরাম বেঁধেছি।
লাব্বাইক:
আপনি ওমরার নিয়্যত করুন কিংবা হজ্বের কিংবা হজ্বে কিরানের জন্য তিনটি পদ্ধতিতেই নিয়্যতের পর কমপক্ষে একবার লাব্বাইক বলা আবশ্যক। আর তিনবার বলা উত্তম। আর লাব্বাইক হল এই:-
ﻟَﺒَّﯿْﮏَ ﻁ ﺍَﻟﻠّٰﮭُﻢَّ ﻟَﺒَّﯿْﮏَ ﻁ ﻟَﺒَّﯿْﮏَ ﻟَﺎ ﺷَﺮِ ﯾْﮏَ ﻟَﮏَ ﻟَﺒَّﯿْﮏَ ﻁ
ﺍِﻥَّ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪَ ﻭَﺍﻟﻨِّﻌْﻤَۃَ ﻟَﮏَ ﻭَﺍﻟْﻤُﻠْﮏَ ﻁ ﻟَﺎﺷَﺮِ ﯾْﮏَ ﻟَﮏَ ﻁ
অনুবাদ: আমি হাজির হয়েছি। হে আল্লাহ! আমি হাজির হয়েছি। হ্যাঁ, আমি হাজির হয়েছি। তোমার কোন শরীক নেই। আমি হাজির হয়েছি। নিশ্চয় সকল প্রশংসা এবং নেয়ামত সমুহ তোমারই। আর তোমারই জন্য সকল ক্ষমতা। তোমার কোন অংশীদার নেই।
ওহে মদীনার মুসাফিররা! আপনার ইহরাম শুরু হয়ে গেছে, এখন লাব্বাইকই আপনার ওজিফা। চলতে-ফিরতে, উঠতে-বসতে এটা খুব বেশী করে যপতে থাকুন।
নবী করীম, রউফুর রহীম ﺻَﻠَّﯽ ﺍﻟﻠﮧُ ﺗَﻌَﺎﻟٰﯽ ﻋَﻠَﯿْﮧِ ﻭَﺍٰﻟِﮧٖ ﻭَﺳَﻠَّﻢ এর দু’টি বানী: ﴾ ১﴿ যখন লাব্বাইক পাঠকারী লাব্বায়িক বলে, তখন তাকে সুসংবাদ শুনিয়ে দেয়া হয়। আরজ করা হল, ইয়া রাসুলাল্লাহ ﺻَﻠَّﯽ ﺍﻟﻠﮧُ ﺗَﻌَﺎﻟٰﯽ ﻋَﻠَﯿْﮧِ ﻭَﺍٰﻟِﮧٖ ﻭَﺳَﻠَّﻢ ! কি জান্নাতের সুসংবাদ শুনিয়ে দেয়া হয়? ইরশাদ করলেন: হ্যাঁ! (মু’জাম আওসাত, ৫ম খন্ড, ৪১০ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৭৭৭৯) ﴾ ২﴿ মুসলমান যখন লাব্বাইক বলে, তখন তার ডানে বামে জমিনের শেষ সীমানা পর্যন্ত যত পাথর, গাছ এবং ঢিলা রয়েছে সবগুলো লাব্বাইক বলে। (তিরমিযী, ২য় খন্ড, ২২৬ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৮২৯)

08/08/2017

তোমরা সগৃহে অবস্থান কর, প্রাচীন জাহেলি যুগের,
নারীদের মত নিজেদের প্রদরশন করোনা" ( আহযাব ৩৩)৷
তোমরা তাদের নিকট কিছু চাইলে পরদার আড়াল থেকে চাও৷
এটা তোমাদের এবং তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারন।
( আহযাব ৫৩)৷
হে নবী , তুমি ঈমানদার নারীদের বলে দাও ,
তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে ও তাদের
লজ্জাস্থানের হিফাযত করে ৷তারা যেন যা সাধারনতঃ
প্রকাশমান থাকে তা ব্যতীত চাদের সৌন্দয প্রকাশ না করে৷
তাদের গ্রীবা ও গলদেশে চাদর দ্বারা ঢেকে রাখে।
(নূর ৩১)
সূরা আন-নূর:24 - যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের জিহবা,
তাদের হাত ও তাদের পা, যা কিছু তারা করত।
ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [মহিলাদেরকে সম্বোধন করে] বললেন, ‘‘হে মহিলা সকল! তোমরা সাদকাহ-খয়রাত করতে থাক ও অধিকমাত্রায় ইস্তিগফার কর। কারণ আমি তোমাদেরকে জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসীরূপে দেখলাম।’’ একজন মহিলা নিবেদন করল, ‘আমাদের অধিকাংশ জাহান্নামী হওয়ার কারণ কি? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, ‘‘তোমরা অভিশাপ বেশি কর এবং নিজ স্বামীর অকৃতজ্ঞতা কর। বুদ্ধি ও ধর্মে অপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও বিচক্ষণ ব্যক্তির উপর তোমাদের চাইতে আর কাউকে বেশি প্রভাব খাটাতে দেখিনি।’’ মহিলাটি আবার নিবেদন করল, ‘বুদ্ধি ও ধর্মের ক্ষেত্রে অপূর্ণতা কি?’ তিনি বললেন, ‘‘দু’জন নারীর সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্য সমতুল্য। আর [প্রসবোত্তর খুন ও মাসিক আসার] দিনগুলিতে মহিলা নামায পড়া বন্ধ রাখে।’’ (মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ৩০৪, ১৪৬২, মুসলিম ৭৯, ৮০, নাসায়ী ১৫৭৬, ১৫৭৯, আবূ দাউদ ৪৬৭৯, ইবনু মাজাহ ১২৮৮, ৪০০৩, আহমাদ ৫৩২১, ১০৯২২, ১০৯৮৮, ১১১১৫ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
ইবনু ‘আববাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে জাহান্নাম দেখানো হয়। (আমি দেখি), তার অধিবাসীদের বেশির ভাগই নারীজাতি; (কারণ) তারা কুফরী করে। জিজ্ঞেস করা হল, ‘তারা কি আল্লাহর সঙ্গে কুফরী করে?’ তিনি বললেনঃ ‘তারা স্বামীর অবাধ্য হয় এবং অকৃতজ্ঞ হয়।’ তুমি যদি দীর্ঘদিন তাদের কারো প্রতি ইহসান করতে থাক, অতঃপর সে তোমার সামান্য অবহেলা দেখতে পেলেই বলে ফেলে, ‘আমি কক্ষণো তোমার নিকট হতে ভালো ব্যবহার পাইনি।’ (বুখারি-৪৩১,৭৪৮
,১০৫২,৩২০২,৫১৯৭; মুসলিম ৮/১ হাঃ ৮৮৪, আহমাদ ৩০৬৪) ( প্রকাশনীঃ ২৮,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৮)

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Jagannathpur
Sylhet
5986