কাদিয়ানি কেন মুসলিম নয়
কাদিয়ানিদের নিয়ে অনেক কথাবার্তা হচ্ছে। এ ব্যাপারে একজন মুসলিম হিসেবে যা যা জানা দরকার সংক্ষেপে এভাবে লিস্ট করা যায় -
১) কাদিয়ানি কারা?
এরা মির্যা গোলাম নামের এক লোকের অনুসারী। ১৮৩৫ সালে ভারতের অমৃতসারের কাদিয়ানে তার জন্ম। এ লোক প্রথমে নিজেকে ইসলামের একজন মুজাদ্দিদ (সংস্কারক) দাবি করে। তারপর দাবি করে সে আল-মাহদী, তারপর দাবি করে সে ঈসা আলাইহিস সালাম। এবং শেষমেষ সে নিজেকে একজন নবী দাবি করে। সহজ ভাষায় মির্যা গোলাম এক ভন্ড নবী। আল্লাহর অভিশাপ তার ওপর এবং তার অনুসারীদের ওপর।
২) কাদিয়ানিরা কী বিশ্বাস করে?
তারা বিশ্বাস করে: মির্যা গোলাম নবী। তার কাছে জিব্রিল আলাইহিস সালাম ওয়াহি নিয়ে আসতেন। মির্যার সহযোগীরা মর্যাদার দিকে দিয়ে সাহাবী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এর মতো। এরা বিশ্বাস করে, যারা মির্যা গোলামকে নবী হিসেবে মানে না, তারা সবাই কাফির। বর্তমান সময়ে কোন জিহাদ নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শেষ নবী, এটা তারা মানে না।
৩) 'কই তারা তো বলে মির্যা গোলামকে তারা নবী মনে করে না, আল্লাহর ওলি মনে করে'?
এটা তাদের একটা স্ট্র্যাটিজি। এরা জানে যে সরাসরি এ কথা বললে কেউ তাদের কথা বিশ্বাস করবে না। তাই তারা প্রথমে আপনাকে এধরনের কথাবার্তা বলবে। তারপর আস্তে আস্তে নিজেদের আক্বিদা পুশ করবে। মিথ্যা, প্রতারণা এবং ধীরে ধীরে ইনফিলট্রেশান, শুরু থেকেই এদের মেথডোলজি ছিল। বর্তমানে এরা কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের বিকৃত অনুবাদ ব্যবহার করে নিজেদের কুফর বিশ্বাসকে বৈধতা দিতে চায়।
৪) কাদিয়ানিরা কি মুসলিম?
কাদিয়ানিরা কাফির-যিন্দিক। কোন সন্দেহ ছাড়াই এরা কাফির। যেরকম ভন্ড নবী মুসাইলামা আল-কাযযাব এর অনুসারীরা কাফির। যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে শেষ নবী মনে করে না, সে অবশ্যই কাফির। কাদিয়ানিরা মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত কোন ধারা না। কাদিয়ানিদের সাথে আমাদের মতপার্থক্য কোন ফিকহি মাসআলা, কিংবা আক্বিদাহর সূক্ষ ইস্যু নিয়ে না। তাদের সাথে আমাদের দ্বন্দ্ব সেই মানুষকে নিয়ে সমগ্র দুনিয়ার চাইতে যিনি আমাদের কাছে প্রিয় - যিনি আমাদের তাওহিদ শিখিয়েছেন, যিনি আমাদের জন্য নিজের রক্ত ঝড়িয়েছেন। কাদিয়ানি কাফিরদের সাথে আমাদের দ্বন্দ্ব আমাদের প্রিয় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে নিয়ে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ইস্যু কোন ছোট ইস্যু না।
৫) এরা উৎপত্তি কিভাবে হয় আর এদের এতো প্রভাব কেন?
কাদিয়ানিদের উত্থানের পেছনে ব্রিটিশ কলোনিয়ালদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। মির্যা গোলাম এক অর্থে ব্রিটিশদের এজেন্ট ছিল, এবং তার প্রচারিত প্রধান শিক্ষাগুলর একটা ছিল 'বর্তমান সময়ে কোন জিহাদ নেই। ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে জিহাদ করা যাবে না।' শুরু থেকেই ব্রিটিশরা কাদিয়ানিদের পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। পরবর্তীতে অ্যামেরিকানরাও এ লিস্টে যুক্ত হয়েছে। আজো এই বাদামী চামড়ার কাফিররা সাদা চামড়ার কাফিরদের অত্যন্ত প্রিয়। এদের পক্ষে ব্রিটেন-অ্যামেরিকা থেকে নিয়মিত লবিয়িং করা হয়। আর এদের বাংলাদেশে শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি আছে। প্রাণ-আরএফএল কোম্পানি যেমন কাদিয়ানিদের কোম্পানি।
৬) এদেরকে কাদিয়ানি বলা উচিৎ নাকি আহমাদী?
তাদের কাদিয়ানি বলা উচিৎ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি নাম হল আহমাদ। যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসম্মান করে, তাঁর আনা ওয়াহিকে অবিশ্বাস করে, তাঁর আনা দ্বীনকে পরিবর্তন করতে চায় তাদেরকে তাঁরই সম্মানিত নামে ডাকা কোন ভাবেই সমীচীন না।
৭) এদের ব্যাপারে আমাদের মনোভাব কী হওয়া উচিৎ?
এরা কাফিরদের মধ্যেও নিকৃষ্ট ধরণের কাফির। কারণ এরা মুসলিম হবার দাবি করে ইসলামকে বিকৃত করে, এবং ইসলামের প্রকাশ্য শত্রু ক্রুসেইডারদের পক্ষ হয়ে তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় কাজ করে। সব অর্থেই এরা ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কাফির। আমাদের মনোভাব এ বাস্তবতার আলোকেই ঠিক করতে হবে।
লেখক: আসিফ আদনান
Jamea Madania Islamia,kazirbazar,sylhet,bangladesh
One of the biggest islamic university in sylhet Bangladesh
03/12/2019
যমুনা টেলিভিশন কে ক্ষমা চাইতে হবে, অন্যতায় যমুনা টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধের আন্দোলন,
-----------প্রিন্সিপাল মাওলানা সামীউর রহমান মুসা
উপমহাদেশে প্রখ্যাত শায়খুল হাদীস,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাবেক আমীর,বুখারী শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদ আল্লামা আজিজুল হক (রহঃ) কে জঙ্গিনেতা আখ্যা দিয়ে যমুনা টেলিভিশন একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে! উপমহাদেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই শীর্ষস্থানীয় আলেমে-দ্বীনকে হুজির প্রতিষ্ঠাতা ও নেতৃত্বদানকারী আখ্যায়িত করে এহেন প্রতিবেদন প্রচার গণমাধ্যমের পেশাদারী দায়িত্বের প্রতি চরম অবহেলা, ধৃষ্টতা ও মূর্খতার শামিল। দেশের ১৬ কোটি মানুষের কাছে ‘শায়খুল হাদীস’ নামটা উচ্চারণ করলে যার নামটা ভেসে উঠে, সেই আল্লামা আজিজুল হক (রহঃ)কে জঙ্গি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বানিয়ে এহেন মনগড়া অপপ্রচার দেশবাসীর মনে তীব্র ক্ষোভ, ঘৃণা, নিন্দা ও প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে!
যমুনা টেলিভিশনের ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের নিন্দা জানিয়ে ঐতিহ্যেবাহী জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির বাজার সিলেট থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মিলিত হলে জামেয়া মাদানিয়া প্রিন্সিপাল মাওলানা সামীউর রহমান মুসা সভাপতির বক্তব্য প্রদান কালে উল্লেখিত বক্তব্য প্রদান করেন,তিনি আরো বলেন যমুনা টেলিভিশন যদি নিশর্ত ভাবে ক্ষমা না চায় তাহলে সিলেট থেকে দুর্বার আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে, তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মাধ্যমে যমুনা টেলিভিশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সরকারের প্রতি আহব্বান জানান,
জামেয়া মাদানিয়ায় শিক্ষক মাওলানা ফাহাদ আমানের পরিচালনা সমাবেশ বক্তব্য রাখেন জামেয়া মাদানিয়া প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সহ–সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী,মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার,জামেয়া মাদানিয়া সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের সহ–সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান, মাওলানা মখলিসুর রহমান, মাওলানা মুশফিকুর রহমান মামুন,মাওলানা আব্দুল খালিক, মাওলানা আব্দুর রহমান ইউসুফ, মাওলানা ইমদাদুল হক নোমানী,মাওলানা আবুল কালাম,মাওলানা মাহবুবুল হক,মাওলানা নাসির উদ্দীন, মাওলানা আপ্তাব উদ্দিন নোমানী,হাফিজ কয়েস আহমদ,হাজী আব্বাস উদ্দিন জালালি,মাওলানা ছানা উল্লাহ,মাওলানা ইকরামুল হক জুনাইদ,আল ইসলাহ ছাত্র সংসদের জি এস হাফিজ আবু আনাস,এ জি এস তানজিল আহমদ,রেজওয়ান আহমদ,প্রমুখ
সমাবেশ বক্তারা আরো বলেন, শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহঃ) গণমানুষের কাছে শ্রদ্ধাপূর্ণ সম্মানীত একটি নাম। তিনি ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ছিলেন। চারদলীয় জোটের চার নেতার একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন।তিনি ছিলেন এদেশের ইসলামী রাজনীতির একজন মহান সংস্কারক। অথচ এরকম একজন কিংবদন্তি প্রয়াত শীর্ষস্থানীয় বুজুর্গ উনার মৃত্যুর পরও হলুদ মিডিয়ার মিথ্যার হাত থেকে রেহাই পেলেন না!
আল্লামা আজিজুল হক (রহঃ) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও আমির ছিলেন। সেই দলটি বাংলাদেশ সরকারের সকল নিয়ম কানুন মেনে নির্বাচন কমিশনের একটি নিবন্ধিত বৈধ ইসলামী দল। রাষ্ট্রীয়, আন্তর্জাতিক কিংবা অন্য যেকোন জায়গা থেকে আজ অবধি আল্লামা আজিজুল হক (রহঃ) কিংবা তার দলের বিরুদ্ধে এই রকম কোন অভিযোগ উঠে নাই,এমন একজন আলেমের বিরোধিতা করে যমুনা টেলিভিশন পশ্চিমাদের নজরে আসতে বৃথা চেষ্টা করছে মাত্র,শীঘ্রই ক্ষমা না চাইলে বৃহত্তর আন্দোলন হুমকি দেওয়া হয়,সমাবেশ পরবর্তী মিছিল করে জামেয়া মাদানিয়া এসে মিছিল সমাপ্ত হয়,
জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির বাজার সিলেটের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের কার্যনির্বাহী বৈঠক সম্পন্ন,
_____________________________________
প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান (রহঃ) সুপ্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির বাজার সিলেটের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের কার্যনির্বাহী বৈঠক আজ ২৯|১১|১৯ শুক্রবার বাদ মাগরিব জামেয়া মাদানিয়াস্থ প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ কার্যালয়ে সভাপতি হাফিজ মাওলানা সৈয়দ শামীম আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, বৈঠকে জামেয়া মাদানিয়ার আগামী বার্ষিক সম্মেলন ১৪/১৫ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২০ সফল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়,এবং প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান (রহঃ) স্মারকগ্রন্থ শীঘ্রই প্রকাশ করার জন্য স্মারক প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়, এছাড়া জামেয়া মাদানিয়ার তালিমী এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়, বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি মাওলানা আব্দুল খালিক জাকিগঞ্জি,মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন,মুফতি মাওলানা মুফিজুর রহমান,মাওলানা নাজমুদ্দীন কাসেমী, মাওলানা এমরান আলম,সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কারী রফিকুল ইসলাম মুস্তাক,সহসাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ,মাওলানা তাজুল ইসলাম হাসান,মাওলানা সহল আল রাজী চৌধুরী,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুশফিকুর রহমান মামুন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রহমান ইউসুফ, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাওলানা মশহুদ আহমদ জাহেদ,সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা ফাহাদ আমান,অর্থ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা মাহফুজে এলাহী,অফিস সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশিদ,মাওলানা আহমদ হুসেন,মাওলানা শাব্বির আহমদ, হাজী আব্বাস জালালি,মাওলানা সেলিম আহমদ,হাফিজ আব্দুল কাইয়ুম, প্রমুখ
আসসালামু আলাইকুম
23/04/2019
আমাদের বাচান প্লিজ
---------------******--------------
মিয়ানমারের মুসলমানের উপর বোদ্দ সন্ত্রাসীদের নির্মম হামলা
নেককার জনক,,,বিশ্ব মানবতাকে পদদুলিত করছে তাদের সীমা
অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি,,
আমরা অপেক্ষা করছি ইউরোপ - রাশিয়ার মত বিশ্ব শক্তির কোন দয়া সহযোগিতার,,, অপেক্ষা করছি জাতিসংগ নামক পুতুলটার নৃত্য
দেখার,,,,,
কোন কাফের বেইমান মুসলমানদের বন্ধু হতে পারে আল্লাহ পাকের
ঘোষনা,,, অথচ আমরা চাই ওদের সাহায্যের!!!
আরাকানের মুসলমানদের উপর নির্যাতনের চিত্র দেখলে যে কারো
চোখে পানি চলে আসবে,,, এত নির্মম হত্যা কান্ড মনে হয় না কোন জাতী এর আগে দেখিয়েছে,,,
ইসলাম প্রিয় অনেক দেশে এর প্রতিবাদ শুরু হয়ে গেছে,
ইন্দোনেশিয়া কোয়েতের মুসলমান ঘরে বসে থাকতে পারে নাই
রাস্তায় নেমে এসেছে,,,,তুর্কি সর্কার বদ্দ গোষ্টীর নাকে দড়ি
লাগিয়ে দিয়েছে,,
কিন্তু,,,, ইসলাম প্রিয় বাংলার আলেম ওলামারা নিরব কেন? যে দেশে পাড়ায় পাড়ায় ইসলামি সংগটন, ১০/১২ জন মিলে একেক্টি
দল দুই চারটি মাদরাসা নিয়ে একটি দল,,,, যে দেশের রাস্তার উপরে
বসে ওয়াসিংটন - পেন্টাগন গুড়িয়ে দেওয়ার ভাষন শুনা যায়,,,যে
দেশের ইসলামি লিডার নিজেদের স্বার্থে হাজার হাজার নেতা কর্মী
দিয়ে রাজ্পত কাপান,,
কই এক দম পাশের দেশ মিয়ানমারের লক্ষ লক্ষ ভাই বোনদের নির্মম হত্যা কান্ডে নিরব কেন?
আমাদের অন্তর কেন কাপেনা হে শায়্খুল ইসলাম লকবদারীরা?
কেন আমাদের ভাইদের আমাদের মা বোনদের হত্যা কারী দেশের
দুতাবাস আমাদের দেশে এখন ও অক্ষত থাকবে,,,,,,, কেন সন্তাসী
বদ্ধোরা নিরাপদে থাকবে মুসলমানদের মাটিতে,,,,,
জেগে উট নাইলে ক্ষমা পাবে না,,,মজলুম মুসলিম শিশু বাচ্ছাদের চোখের পানির বদদোয়ায় আল্লার গজব নামবে,,
,,কোল কিনারহীন সাগরে বেসে দিনের পর দিন উপোস অবস্তায়
আমাদের ভাই বনরা আশপাশের মুসলিম দেশ সমুহের প্রতি সাহায্যের
আশায় চাতল পাখির মত অপেক্ষা করছে,,,,,
হে আমাদের নেতারা প্লিজ নিজেরা ধ্বংস হইয়না আমাদের ধ্বংস কর
না,,,
আল্লাহ পিতৃ তৃঞা মিটাবার সুযোগ থেকে মহরুম করনা,
--------------------------------------------
বছর তিনেক আগে পিতা হারাই, পিতা হারনোর বেদনায় কাতর, পিতা স্নেহের অভাবে নিরবে চোখের জল ছেড়ে শান্ত রাখি নিজেকে,
আব্বা বলে ডাকার অধিকার হারিয়ে মনটা বড় আনচান করে উটে ,একটি বার আব্বা বলে ডেকে জবাবের আশায়,,,
মনের গহিন চাওয়াটা আজ পর্যন্ত কাউকে বুজতে দেই নাই, কারো সাথে শেয়ার করা হয়ে উটে নাই,
আব্বার ছবি নিরবে দেখে দেখে আত্মতৃপ্তি নেওয়ার চেষ্টা করি,
কিন্তু স্তির চিত্র মনের তৃঞা মিটাতে ব্য্র্থ হয়,
তাইতো দুর থেকে পিতৃ ত্রিঞা মিটাতে আব্বার চেহারা সাদৃস্য প্রান প্রিয় চাচা প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান্কে দেখে দেখে আবুঝ মনকে শান্তনা দেই,,
গতকাল থেকে চাচা অসুস্ত, মনের মধ্য করুন বেদনার চাষ হচ্ছে, ভয়ে মনটা আতকে উটেছে,
আল্লাহ আর কষ্ট সহ্য করার মত, আর ধয্য দরার মত ক্ষমতা আমাদের নাই,
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের ভুলের কারনে আমাদের মাথার উপর থেকে ছায়া তুলে নিও না,
আল্লাহ প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান এর হায়াত এর মাঝে বরকত দান করুন, উনাকে সুস্ত সালামাত দান করুন, আল্লাহ আমার সমস্ত হায়াত উনাকে দান করুন,
আমিন,
fahad aman
হজ্ব, বিশ্বনবী সা., তাবলিগ জামাতকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার প্রতিবাদে জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজিরবাজার সিলেট এর পক্ষ থেকে আজ বাদ আছর বিক্ষোভ মিছিল। উক্ত মিছিলে সিলেট শহরে অবস্থান রত সকল প্রাক্তন ছাত্র ও তৌহিদী জনতা কে অংশ গ্রহনের আহবান করা যাচ্ছে।
10/05/2014
খতমে বোখারী ও দোয়া মাহফিল.....
সিলেটের প্রাণকেন্দ্র তালতলাস্থ
"জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজির
বাজার, সিলেট"-এর দাওরায়ে হাদীস
সমাপনী ক্লাসের প্রধান কিতাব,
মর্যাদাও গ্রহণযোগ্যতার দিক
থেকে ক্বোরআন শরীফের পরই
যে কিতাবের স্থান অর্থাৎ
বোখারী শরীফ-এর শেষ সবক আগামীকাল।
শায়খুল হাদিস সাহেব যখন
বোখারী শরীফের শেষ হাদীস
"কালিমাতানে হাবিবাতানে...."
পড়বেন, ঠিক তখনই সমাপনী জামাতের
ছাত্ররা অঝোর ধারায় চোঁখের
পানি ফেলবেন। হাউমাউ
করে কেঁদে ওঠবেন। বিয়োগ ব্যাথায়
কাতর হয়ে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ
করবেন।
তাদের কান্নার
আওয়াজে পুরো জামেয়া নিস্তব্ধ
হয়ে যাবে। জামেয়ার প্রত্যেকটা ইটও
নিথর হয়ে পড়ে রইবে। ফারেগীনদের
ছাড়তে চাইবেনা।
যাইহোক! আগামীকাল রাত ৮ঘটিকার সময়
জামেয়া মাদানিয়ার খতমে বোখারী ও
দোয়া মাহফিল।
শেষ সবক দিবেন এবং দোয়া করবেন
জামেয়ার শায়খুল হাদীস, আমার
প্রাণপ্রিয় শিক্ষক,
আল্লামা হযরত
মাওঃ আহমদ আলী সাহেব দাঃবাঃ।
উক্ত দ্বীনি মজলিসে আপনারা আমন্ত্রিত।
10/05/2014
আল্হামদুলিল্লাহ
==========******=======
বহুবল উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার এর সাবেক ছাত্র ও বাংলাদেশ খেলাফত
মজলিস নেতা মাওলানা শিহাব উদ্দীন সাকিব ।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের
প্রার্থী ইয়াকুত মিয়া (মাইক) পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৭৯ ভোট। উপজেলা বাসীকে জানাই মোবারকবাদ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
VIP Road
Sylhet
3100