কানাইঘাট সরকারি কলেজ Kanaighat Govt College

কানাইঘাট সরকারি কলেজ Kanaighat Govt College

Share

কানাইঘাট, সিলেট।

02/06/2021
Mobile uploads 18/06/2015

হে আল্লাহ আমাদের কে 30টা রোজা রাখবার শক্তি দাও। আমিন।

Mobile uploads 20/12/2014

মোমের আলোয় কাজ করছিলেন খলিফ উমার
বিন আব্দুল আজীজ (রহ:)। এমন সময়
সেখানে আসলেন তার দুই আত্মীয় ।
খলিফা তাড়াতাড়ি ফুঁ
দিয়ে মোমবাতিটি নিভিয়ে দিলেন । অন্য
আরেকটি মোমবাতি ধরিয়ে অতিথিদের
বসতে দিয়ে তাদের খোজখবর নিলেন ।
কৌতুহল চাপতে না পেরে একজন
জানতে চাইলেন , আমাদের দেখে কেন
আপনি আগের মোমবাতি নেভালেন আর নতুন
একটি জ্বালালেন ? খলিফা জবাব দিলেন :
আগের মোমবাতি ছিল রাষ্ট্রের
সম্পত্তি থেকে কেনা । তোমরা যেহেতু
আমার আত্মীয় , তাই তোমাদের
সাথে আমার ব্যক্তিগত অনেক আলাপ হবে ।
আমার নিজের কাজে জনগণের আমানত
থেকে আমি কিছু খরচ করতে পারি না ।
তাহলে আল্লাহর
দরবারে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে ।
তাই নিজের টাকায়
কেনা মোমবাতিটি তোমাদের
দেখে জ্বালালাম ।এই
জবাবে আত্মীয়রা হতভম্ব হলেন ।
তারা এসেছিলেন আত্মীয়তার
খাতিরে বিশেষ কোন সুবিধা পাওয়া যায়
কি না , সেই অনুরোধ করতে । কিন্ত্ত
সামান্য মোমবাতি নিয়ে খলিফার এত
বিবেচনা ও সতর্কতা দেখে নিজেদের
প্রস্তাব জানাতে তারা আর সাহসই করলেন
না ।
আরেকবার খলিফার কাছে এক লোক অবৈধ
সুবিধা চায় । খলিফার সামনে রাখা কিছু
কাঠে তখন আগুন জ্বলছিল। খলিফা বললেন ,
ঠিক আছে । তুমি এই আগুনের ভিতর তোমার
হাত কিছু সময়ের জন্য রাখো ; তারপর
তোমার অনুরোধ আমি বিবেচনা করবো ।
লোকটি ভয় পেয়ে বললো , হে খলিফা ; এই
আগুনে হাত ঢুকালে আমার হাত
তো জ্বলে যাবে । খলিফা বললেন ,
তুমি দুনিয়ার এই সামান্য আগুনকে ভয় পাচ্ছ
অথচ আমাকে তুমি দোযখের অনন্ত আগুনের
ভিতরে নিয়ে যেতে চাও ?
তদবিরকারী নিজের ভুল
বুঝতে পেরে ফিরে যায়।

Mobile uploads 08/12/2014

সকল ক্ষমতার উৎস এক মাএ আললাহ।

Mobile uploads 23/11/2014

একটি শিক্ষনীয় গল্প সবাই পড়বেন দয়া করে।এক বৃদ্ধা মা তার ছেলে, ছেলের বউ ও ছয়
বছরের এক নাতীর সাথে বাস করতেন।
বৃদ্ধা মা খুব দুর্বল ছিলেন।
তিনি ঠিকভাবে হাঁটতে পারতেন না,
চোখে কম দেখতেন, বৃদ্ধ হওয়ার কারনে তার
হাত কাঁপতো, কিছু ধরতে পারতেন না । যখন
বৃদ্ধা মা ছেলে ও ছেলের বউয়ের
সাথে রাতে একসাথে খেতে বসতেন তখন
প্রায় প্রতিদিন ই কোন না কোন
ঘটনা ঘটাতেন। কোনদিন হয়তো হাত কাঁপার
ফলে দুধের গ্লাস ফেলে দিয়ে টেবিল নষ্ট
করতেন, আবার কোনদিন
ফ্লোরে তরকারী ফেলে দিতেন। প্রতিদিন
খাওয়ার সময় এরকম ঝামেলা হওয়ায়
ছেলে তার মায়ের জন্য
আলাদা একটি টেবিল বানিয়ে দিল।
টেবিলটি ঘরের কোণায় সেট করে দিল।
বৃদ্ধা মা সেখানে একা বসে খেতেন আর
একা একা চোখের পানি ফেলতেন। ছোট্ট
নাতীটি এসব নীরবে দেখছিল। একদিন
বৃদ্ধা মা কাঁচের প্লেট ভেঙে ফেললেন।
বৃদ্ধার ছেলেটি এজন্য তাকে কাঠের প্লেট
কিনে দিল। একদিন সন্ধ্যায় বৃদ্ধার
ছেলেটি দেখলো তার শিশু বাচ্চা কাঠের
টুকরা দিয়ে কি যেন বানাতে চাচ্ছে।
বাবা তার ছেলের কাছে গিয়ে বললো,
বাবা তুমি কি করছো? তখন শিশুটি বললো,
আমি টেবিল ও একটি কাঠের প্লেট
বানাচ্ছি। যখন আম্মু বুড়ো হবে তখন
কিসে খাবে ! তাই
আগে থেকে বানিয়ে রাখছি। ছেলের এরকম
কথায় বাবা তার ভুল বুঝতে পারলো। সে তার
স্ত্রীকে বললো, এখন থেকে প্রতিদিন
আমরা দুজন মাকে খাইয়ে তারপর খাব ।
কিন্তু হায়, যখন সন্ধ্যার পর তারা দুজন
মাকে খাওয়ানোর জন্য গেল তখন দেখলো,
তার গর্ভধারিনী মা মারা গেছে ।আমরা যদি আমাদের মা-বাবাকে সমমান করি, আমাদের ছেলে -মেয়রা আমাদের কে সমমান করিবে।

Mobile uploads 17/11/2014

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তার
সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন,'আমার
মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ
করবে। আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে,শুধু
আমার চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন
করবেন। আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছে, আমার
কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই
পথে আমার অর্জিত সোনা ও
রুপা ছড়িয়ে থাকবে আর শেষ অভিপ্রায়
হচ্ছে, কফিন বহনের সময় আমার দুইহাত
কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে থাকবে।'
তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র
অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন। দীর্ঘ
শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন,
'আমি দুনিয়ার
সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।
• আমার চিকিত্সকদের কফিন বহন করতে এই
কারনে বলেছি যে যাতে লোকে অনুধাবন
করতে পারে যে চিকিত্সকেরা কোন
মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না।
তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর
থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।'
• 'গোরস্হানের পথে সোনা-
দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বো সোনা-
দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না।
এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয়
করেছি কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই
নিয়ে যেতে পারছি না। মানুষ বুঝুক এসবের
পেছনে ছোটা সময়ের অপচয়।'
• 'কফিনের বাইরে আমার হাত
ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা জানাতে পৃথিবীতে এসেছিলাম,
আবার খালি হাতেই
পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি. . . . .l

Mobile uploads 15/11/2014

★শৃঙ্খলা দেখেছি আমি পিঁপড়ার মধ্যে।
যারা কখনো একজনকে টপকে
আরেক জন সামনে যায় না।

★একতা দেখেছি আমি কাকের ভিতরে।
যারা একজন বিপদে পড়লে ১০০ জন তৎক্ষণাৎ
হাজির হয়।

★বিশ্বস্ততা দেখেছি আমি কুকুরের মধ্যে
যারা তার প্রভুর জন্য জীবন দিতে পারে।

★সচ্ছতা দেখেছি আমি পায়রার ভিতরে।
যারা তাদের সরল মনে একজন অপরিচিত
মানুষকেও অল্প সময় বিশ্বাস করে।

★পরিশ্রম দেখেছি আমি ঘোড়ার মধ্যে।
যারা তার মনিবকে নিয়ে ঘন্টার পর
ঘন্টা ছুটে যায় কোনো প্রতিবাদ
ছাড়াই।

তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ
জীব মানুষের ভিতরে আমি হিংসা, ক্রোধ,
লোভ অহংকার
দেখেছি।

তবে হাতের পাঁচ আঙ্গুল সমান নয়। কিছু মানুষ
এসবের ব্যতিক্রম যাদের
কারণে পৃথিবী এখনো টিকে আছে।

Mobile uploads 20/10/2014
Mobile uploads 30/09/2014

দুই দিনের এই পৃথিবীতে কেনো ধনী লোকের
টাকার এতো বড়াই ? যেদিন পৃথিবীর সব
মায়া ত্যাগ করে যেতে হবে, ঐ
ঘরে চেয়ে দেখো ধনীর জন্য
কি আলাদা কোন
ডিজাইন আছে কি না ?

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


কানাইঘাট, সিলেট।
Sylhet