BCC MC College

BCC MC College

Share

The update of Bcc Mc college বি.সি.সি এম সি কলেজের সকল নতুন ও পূরাতন শিক্ষার্থীদের জন্য

31/01/2014

জেনেনিন ফেসবুকে কোন
প্রতিষ্ঠান আপনার উপর
নজরদারি করছে এবং তাদের
ব্লক করুন!

ফেসবুক আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি বিশেষ অংশে পরিণত হয়েছে। তবে সম্প্রতি সময়ে ফেসবুক যেমন আমাদের বন্ধু এবং পরিবারের কাছে এনে দিচ্ছে ঠিক তেমন ভাবে এর মাধ্যমে আমাদের নানান তথ্য চলে যাচ্ছে বিজ্ঞাপন সংস্থার নিকট! ফেসবুকে ব্যবহারকারীরা নিজেদ
ের নানান তথ্য, লাইক, ইন্টারেস্ট সহ ফোন নাম্বার শেয়ার করে থাকেন। তবে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত
তথ্য যদি একজন ব্যবহারকারী চান কেউ না জানুক তবে তা ফেসবুক হাইড রাখে। কিন্তু আমরা ফেসবুক ব্যবহার করার ক্ষেত্রে নানান সময় নানান অ্যাপ ব্যবহার করি। এসব অ্যাপ ব্যবহার করার সময় আমরা সে সব অ্যাপ কে আমাদের প্রোফাইল এবং ব্যক্তিগত তথ্য দেখার অনুমতি দেই। আমাদের অনুমতি নিয়েই এসব অ্যাপ আমাদের তথ্য সমূহ বিক্রয় করে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনি সংস্থার কাছে! বিষয়টি শুনে নিশ্চয় চমকে উঠছেন? হ্যাঁ চমকানোর কথাই। কেউ চাইবেন না যে তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কেউ ব্যবহার করুক কিংবা বিক্রয় করুক। অতএব আজ আমরা আমাদের টিউটোরিয়ালে দেখব কিভাবে আপনি এসব অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ করবেন এবং যা সন্দেহজনক তা ব্লক করবেন। ১) প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক একাউন্টের সেটিংস অংশে যান। ২) এবার সেখানে সেটিংস আইকনে ক্লিক করুন। ৩) এবার ফেসবুক আপনাকে আপনার ব্যবহৃত অ্যাপ সমূহ দেখাবে। সেখানে আপনি অল অ্যাপ অংশে ক্লিক করলে সকল অ্যাপ দেখতে পাবেন। ৪) প্রত্যেকটি অ্যাপ এর জন্য তাঁর ঠিক পাশেই ডানদিকে দেখা যাবে এডিট এবং একটি ক্রস চিহ্ন রয়েছে। আপনি যদি এডিট দেন তবে দেখতে পাবেন ঐ নির্দিষ্ট অ্যাপ সমূহ আপনার কি ধরণের ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশ করতে পারে। ৫) আপনি যদি মনে করেন যে এই অ্যাপ আপনার কোন সমস্যা তৈরি করছেনা এবং আপনি ব্যবহার করতে চান তবে তা সেভাবেই রেখে দিন। ৬) তবে আপনি যদি মনে করেন এমন কোন অ্যাপ যা আপনার জন্য অপ্রয়োজনীয় এবং আপনি জানেন না এই অ্যাপ আপনার কি কি তথ্য নিচ্ছে।
তাহলে আপনি এডিটে ক্লিক করলে দেখতে পাবেন ঐ অ্যাপ আপনার শুধুই লাইক বা ইন্টারেস্ট বিষয়ক তথ্য নিচ্ছে নাকি আপনার সকল তথ্য অর্থাৎ বেসিক ইনফরমেশান সংগ্রহ করছে। বেসিক তথ্য সংগ্রহ করা মানে আপনার সকল বিষয়ে এই অ্যাপ প্রবেশের অনুমুতি পেয়েছে। আপনাকে যা করতে হবে আপনি এবা
র রিমোভ অ্যাপ অংশে ক্লিক করে এই অ্যাপটি রিমোভ করে দিতে পারেন। তাহলে এটি আর আপনার কোন তথ্যে প্রবেশ কিংবা পাচার করতে পারবেনা। সকল ফেসবুক ব্যবহারকারীর উচিৎ উপরের বর্ণিত পদ্ধতিতে নিজ নিজ ফেসবুক একাউন্ট অনাকাঙ্ক্ষিত অ্যাপ থেকে নিরাপদে রাখা। এতে একাউন্টের নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যও থাকবে নিরাপদ।
সুত্র: দি ঢাকা টাইমস ।

15/12/2013

মহান বিজয় দিবস অমর হোক । গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের সেই সব শহীদদের যাদের আত্মত্যাগে গৌরবোজ্জল আমাদের ইতিহাস । আশা নিরাশার দোলাচলে দোলছে জাতির ভবিষ্যত্‍ । তবুও আশায় বুক বাধি, সকল সংঘাত ভুলে দেশ এগিয়ে যাবে সম্মুখপানে । বিশ্ব-দরবারে মাথা উঁচূ করে বলতে পারবো আমরা বাঙালি।

03/11/2013

Congrat, Bd Tiger for gift us an outstanding banglawash.
যে সকল দল বাংলাওয়াশ এর স্বাদ গ্রহণ করেছে:
নিউজিল্যান্ড: 2 বার
কেনিয়া: 2 বার
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: 1 বার
জিম্বাবুয়ে: 1 বার
স্কট্ল্যাণ্ড: 1 বার
আয়ারল্যান্ড: 1 বার।

Photos 01/11/2013

কুয়াশা ঢাকা ভোরের শুভেচছা।

Photos 30/10/2013

Nice view of sunset!

20/10/2013

বিশ্বে ৯১৮টি হ্যাকার
টিমে সবার
শীর্ষে বাংলাদেশ!
--------------------
--------------------
বিশ্ব হ্যাকারদের হ্যাকিং সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত
নিয়ে কাজ করা "হ্যাক মিরর"
সাইটের সর্বশেষ
তথ্যানুযায়ী সারা পৃথিবীর
৯১৮টি হ্যাকার টিমের
মধ্যে সবার শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট
হ্যাকারস। একই সাথে এই
হ্যাকার টিমটি জোন-
এইচে পৃথিবীর
সেরা ৫০টি টিমের মধ্যে ৩২তম
স্থানে উঠে এসেছে। বাংলাদেশের হ্যাকার টিমের
মধ্যে দলগতভাবে এ কৃতিত্ব
অর্জনের ঘটনা এবারই প্রথম। বাংলাদেশ শীর্ষ
স্থানে উঠে আসার
আগে ইন্দোনেশিয়ান, ইরান,
তুরস্কের
হ্যাকাররা এগিয়ে ছিল।
ইন্দোনেশিয়া ছিল প্রথম স্থানে। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ-
ইন্দোনেশিয়া সাইবার
যুদ্ধে বাংলাদেশের
হ্যাকাররা ইন্দোনেশিয়ায়
ব্যাপক
হামলা চালালে তারা অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। এবং সাইবার যুদ্ধ চলাকালীন
সে দেশের
সরকারি উদ্যোগে ক্ষমা প্রার্থনা
র মাধ্যমে পিছু
হটে ইন্দোনেশিয়ান হ্যাকাররা।
এমন নানান সাফল্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের হ্যাকার
টিম এখন বিশ্বের এক নম্বর
অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে। এদিকে এই হ্যাকার
টিমটি সম্প্রতি জোন-
এইচে পৃথিবীর
সেরা ৫০টি হ্যাকার টিমের
মধ্যে ৩২ নম্বর
স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। মাত্র দুই বছরের একটু বেশি সময়
ধরে হ্যাকিং নিয়ে কাজ
করে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট
হ্যাকারস এই শীর্ষ
স্থানে চলে আসলো। তবে এককভাবে জোন-
এইচে বাংলাদেশের আরেক
সেরা হ্যাকার টাইগার ম্যাট এই
মুহূর্তে ২০ নম্বর স্থানে অবস্থান
করছেন। তিনি এর আগে ৭ম
স্থানে ছিলেন। মূলত অনিয়মিত হ্যাকিং এর কারণে তিনি ক্রমশ
নিচের দিকে চলে আসছেন। জানা গেছে, ২০১২ সালের ৯
জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় হ্যাক মিরর
এবং ২০০২ সালের ১৪
ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় জোন-
এইচ। তুলনামূলক পুরনো সময়ের
হ্যাকারদের একক রাজত্বকালে গত ১১ বছর
ধরে কিছু হ্যাকার টিম শীর্ষ
স্থানে ছিল। তবে এখন হ্যাকারদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযোগিতা করার
ফলে ক্রমশ এই
তালিকা থেকে কিছু টিম
পিছে চলে যাচ্ছে। আর কিছু টিম
দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সেই তালিকায় বাংলাদেশেরও
একটি টিম
এগিয়ে চলেছে (বর্তমানে ৩২
তম)। আর ঠিক কত দিনে জোন-
এইচে পৃথিবীর
সেরা হ্যাকারদের সরিয়ে প্রথম
স্থানে আসা সম্ভব? এমন প্রশ্নের
জবাবে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট
হ্যাকারসের এডমিন রোটেটিং রটোর এই
প্রতিবেদককে বলেন, আমরা এখন
যে গতিতে এগুচ্ছি তা নিয়মিত
করতে পারলে আগামী ৩ থেকে ৪
বছরের মধ্যে আমরাই
হবো পৃথিবীর সেরা এবং শক্তিশালী হ্যাকার
টিম। বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট
হ্যাকারসের এডমিন
রোটেটিং রটোর বলেন,
র্যাংকিং এ আমরা এগিয়ে থাকার
ফলে সারা বিশ্বের হ্যাকারদের
চেয়ে আমাদের হ্যাকাররা যে অনেক দক্ষ তাই
প্রমাণিত হলো। যেখানে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায়
হ্যাকাররা কাজ করেও কোন
অবস্থানেই নেই
সেখানে আমরা কোন সাহায্য
না পাওয়া সত্ত্বেও ১
নম্বরে আমাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছি। এর
ফলে আমাদের দেশের সাইবার
স্পেসের উপর হ্যাকারদের
হামলা অনেক কমে যাবে। যদিও বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট
হ্যাকারসের প্রক্সি টিম
বিশ্বের অনেক দেশেই আছে।
যাদের কাজ হলো বাংলাদেশের
সাইবার স্পেসে হামলা হলেই
তাদের উপরে পাল্টা হামলা চালানো। জানা গেছে, বিশ্বে হ্যাকারদের
সাথে বিভিন্ন দেশের সরকারের
অনেক ভূমিকা থাকে। দেশের
উন্নয়নে তারা সরকারের
সাথে এক যোগে কাজ করে।
সরকার নানানভাবে তাদের সহায়তা করে থাকে। সম্প্রতি রাশিয়া, ইরান,
সিরিয়া, আমেরিকা, চীন,
যুক্তরাজ্য, কোরিয়ার মতো দেশ
এই নিয়ে ব্যাপক কাজ
করে যাচ্ছে। তবে এ
ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সরকারিভা বে খুব বেশি সহায়তা পায় না এ
দেশের হ্যাকাররা। এ প্রসঙ্গে রোটেটিং রটোর
বলেন,
প্রথমে এটা মনে রাখতে হবে একজ
ন হ্যাকার কখনই খারাপ না।
খারাপ হল ক্র্যাকার।
হ্যাকিং করা এক প্রকার দুঃসাধ্য কাজ বটে। প্রযুক্তির
ব্যাপারে তুখোড় জ্ঞান
না থাকলে কখনোই হ্যাকার
হওয়া সম্ভব না। আপনারা দেখেন, বিশ্বের
বিভিন্ন উন্নত
দেশে পরবর্তী যুদ্ধগুলো পরিচালন
া করার জন্য সাইবার সৈন্য
হিসেবে হ্যাকারদের
মিলিটারিতে অন্তর্ভুক্ত করছে। ব্রিটেনে এই
প্রক্রিয়া রীতিমতো ঘোষণা দিয়ে
শুরু করেছে। রাশিয়া, চীন, ইরান,
আমেরিকাতে সরকারের
সাথে হ্যাকাররা কাজ
করে গোয়েন্দা হিসেবে।
এছাড়াও, অনেক
দেশে গোপনে সরকারের সাথে হ্যাকাররা কাজ করছে,
অন্যান্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
সরকারের গোয়েন্দাদের
হাতে তুলে দেওয়ার জন্য। রটোর তাদের
হ্যাকিং নিয়ে সাফল্যের গল্প
সম্পর্কে বলেন, আমাদের অনেক
সাফল্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল
কোন বাংলাদেশী সাইট হ্যাক
হলে তৎক্ষণাৎ রিষ্টোর করে দেওয়া, বাংলাদেশ পুলিশের জন্য
লাইব্রেরী ম্যানেজমেন্ট
সফটওয়্যার
বানানো এবং শ্রীলংকার
সরকারের
অনুরোধে সাড়া দিয়ে তাদের দেশের সকল সরকারি ওয়েবসাইট
সিকিউর করা।
ভবিষ্যতে আশা করছি আমাদের
মাধ্যমে সাইবার স্পেস অনেক
সুরক্ষিত থাকবে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে বাংলাদেশ
গ্রে হ্যাট হ্যাকারস টিমে ৩০
জন ক্রু কাজ করছেন। তাদের
মধ্যে প্রথম সারিতে অবস্থান
করছেন মূর্খ মানব, ইনাম, আশিক
ইকবাল, শাহজাহান এবং হিমেল। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী হ্যাক মিররে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস হোম ডিফেস
দিয়েছে ৮৮৩৪টি, স্পেশাল
ডিফেস বা সরকারি সাইট হ্যাক
করেছে ৯৬০টি, ইউনিক
আইপি বা সার্ভার হ্যাক
করেছে ৩২৬৪টি এবং সব মিলে ডিফেস
দিয়েছে ২৩১৩১টি। এছাড়া জোন-এইচের তথ্যানুযায়ী সেখানে বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট
হ্যাকারস সিঙ্গেল ডিফেস
বা সার্ভার হ্যাক
করেছে ৫৪৮৩টি, মাস ডিফেস
বা ২৪ ঘণ্টায় হ্যাক
করেছে ৩৪৪১৪টি, হোম পেজ ডিফেস দিয়েছে ১৮৪৫৩টি, সাব-
ডোমেইন ডিফেস
দিয়েছে ২১৪৪৪টি এবং সব
মিলে ডিফেস
দিয়েছে ৩৯৮৯৭টি। প্রসঙ্গত, হ্যাক মিরর এবং জোন-
এইচ মূলত বিশ্ব হ্যাকাররা কে,
কয়টি, কীভাবে সাইট হ্যাক
করেছে তা মিরর করে।
হ্যাকাররা তাদের শ্রেষ্ঠত্ব
এখানেই প্রমাণ করে থাকে।

05/10/2013

ব্যাস্ততার কারনে অনেক দিন যাবত্‍ Post করতে পারিনি । আজ দিলাম hacking বিষয়ক একটি Post। ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য ।

বাংলাদেশে হ্যাকারদের
উত্থান এবং আশার আলো!
"হ্যাকিং" মানেই খারাপ
নাকি জানার ভুল?

হ্যাকিং এবং হ্যাকার শব্দ
দুটি দেখলেই যেন কিশোর
মনে শিহরণ জাগিয়ে তোলে। তরুণ
প্রজন্মের কাছে অন্যরকম এক
এডভ্যাঞ্চার হলো এই দুটি শব্দ।
এইতো কয়েক বছর আগেও আমাদের দেশে এই শব্দ দুটি খুব
বেশি পরিচিত ছিল না। হ্যাকার
মানেই সবার মনের পর্দায়
ভেসে উঠতো এমন একজনের
ছবি যে অন্যের ব্যাংক
আইডি চুরি করে নিজের জন্য টাকা ডাকাতি করে। তবে এখন
সময় বদলেছে। বর্তমান তরুণ
প্রজন্ম অনেক বেশি সচেতন। হ্যাকার কাকে বলে তা এখন
অনেকেই ভাল মতো জানে।
আমি আমার এই পোস্টে দুটি বিষয়
নিয়ে আলোচনা করবো। ১. হ্যাকারদের নিয়ে ভুল
ধারণা
২. বাংলাদেশে হ্যাকারদের
নিয়ে অপার সম্ভাবনা ১. হ্যাকারদের নিয়ে ভুল
ধারণা এখনও মানে এই 2013 সালেও অনেক শিক্ষিত মানুষ আছেন
যাদের কাছে হ্যাকাররা ঘৃণিত
চরিত্র। আসলে এখানে দোষ
হ্যাকারদের না, দোষ হলো ঐ সব
ব্যক্তিদের যারা কখনই এই বিষয়ে জানতে চাননি বা জানতে
চান না। আর সবচেয়ে মজার বিষয়
কি জানেন? এরাই
সবচেয়ে সহজে হ্যাকিং এর
শিকার হয়। অর্থাৎ
আপনি হ্যাকারদের কাছ
থেকে যদি নিরাপদ থাকতে চান তাহলে আপনাকেও হ্যাকার
হতে হবে।
আরেকটা কথা বলে রাখা ভাল
সকল ক্ষেত্রেই কিছু 'অসৎ ব্যক্তি'
রয়েছে তেমনি হ্যাকারদের
মাঝেও এমন কিছু অনৈতিক হ্যাকার রয়েছে। তবে এদের
দিয়ে সব হ্যাকারদের
মাপা যাবে না। হুম যা বলছিলাম।
আপনি যদি হ্যাকারদের ভয়
পেয়ে বা ঘৃণা ভরে হ্যাকিং বিষয়
থেকে দূরে থাকেন তাহলে আপনিই
ক্ষতির শিকার হবেন। ব্লগে যখন
হ্যাকিং পোস্ট করা হয় অনেকেই তখন হায় হায়
করে উঠে আরে আরে করো কি করো ক
ি!
সবাইতো হ্যাকিং জেনে যাবে আর
ঘরে ঘরে হ্যাকিং শুরু
হয়ে যাবে। অনেকটা মাথা ব্যথায় মাথাই
কেটে ফেলার মতো। ভাল খবর হচ্ছে এই ধরণের
মানুষের পরিমাণ এখন অনেক কম।
বেশিরভাগ লোকই বয়স্ক
যারা নতুনকে গ্রহণ করতে ভয়
পান। এছাড়াও সরকারি কিছু
আমলাতো রয়েছেনই। ভুল ধারণার বিপক্ষে আরো অনেক কিছুই
বলা যায় তবে পোস্ট বড়
হয়ে যাবে তাই এই বিষয়ে আর
কিছু বলছি না। শুধু অনুরোধ
করবো এই চমৎকার
লিখাটি পড়তে। ক্ষতিকর
হ্যাকিং নাকি ভালোবাসা? ২. বাংলাদেশে হ্যাকারদের
নিয়ে অপার সম্ভাবনা আপনি কি জানেন
বাংলাদেশে বিশ্বমানের
হ্যাকার রয়েছে? বাংলাদেশের
এক হ্যাকার একাই এক
সাথে প্রায় ৭ লক্ষ ওয়েব সাইট
হ্যাক করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলে দে
য়!
বাংলাদেশে রয়েছে আন্তর্জাতিক
পর্যায়ের কিছু হ্যাকার গ্রুপ।
কিছুদিন আগে ভারতের
বিরুদ্ধে সাইবার ওয়ারে বাংলাদেশের অভুতপূর্ব
সাফল্যের পিছনে এই সব হ্যাকার
গ্রুপের অবদানই বেশি। আমাদের দেশের সাইবার
অবস্থা খুবই দুঃখ জনক।
প্রত্যেকটা সরকারি ওয়েবসাইট
নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সেই
মান্দাতা আমলের ওয়েব
ডেভলপার দিয়ে সরকার এই সব সাইট ডেভেলপ করছে। অথচ
আমাদের দেশের এই সব
মেধাবী হ্যাকারদের কেন
সরকার ব্যবহার করছে না? উন্নত
বিশ্বে হ্যাকারদের
যেখানে সরকারি সাইবার নিরাপত্তায় নিয়োগ
দিয়ে রাখা হয়
সেখানে বাংলাদেশে কেন
হ্যাকারদের ঐভাবে মূল্যায়ন
করা হচ্ছে না? আমার মনে হয়
সরকার যদি মেধাবী এই তরুণ হ্যাকারদের কাছে সাইবার
নিরাপত্তার দায়িত্ব দিতে চায়
তাহলে খুশি মনে এবং বিনামূল্যে
এই দায়িত্ব নিবে। শুধু একবার
সুযোগ যদি সরকার দেয় তাহলেই
হ্যাকাররা দেখিয়ে দিবে তাদের ক্ষমতা। বর্তমানে ভারত
ধীরে ধীরে আইটি সেক্টরে ক্রমশ
ই শক্তিশালী হচ্ছে। ভারত
সরকার খুব বেশিদিন
হয়নি আইটি সেক্টরকে গুরত্ব
দেয়া শুরু করেছে সেই তুলনায় ভারত অনেক তাড়াতাড়িই
সফলতা দেখতে শুরু করেছে।
ফ্রীল্যান্সিং এ ভারতের
অবস্থান বেশ পাকাপোক্তই
বলা যায়। জনসংখ্যাবহুল পাশের
দেশ ভারত যদি পারে তাহলে আমরা কেন
পারবো না? আমাদের কেন
পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়া হচ্ছে না? বাংলাদেশ সরকারের
কাছে আবেদন অনেক
সেক্টরেতো অনেক টাকা খরচ
করলেন এবার আইটি সেক্টরে একটু
খেয়াল করুন। মেধাবী তরুণদের
নিয়ে সত্যিকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ
তৈরি করতে এগিয়ে আসুন। ধন্যবাদ সবাইকে।

Photos 25/09/2013

অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছে!

24/09/2013

কম্পিউটারের ব্যাপারে একেবারেই নতুন, এমন মানুষদের কথা মাথায় রেখেই পোস্টটা করা হল:
কম্পিউটার কেনার সময় প্রথমেই কয়েকটি জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন:

১. যেখান থেকে কিনছেন, সেই
দোকান ক্রেতাদের কীরূপ
গ্রাহক সেবা দেয়।
এক্ষেত্রে পরিচিতরা সাহায্য
করতে পারে। ২. বাজারে অনেক সময়
খোলা হার্ডওয়্যার
পাওয়া যায়। কখনোই
এগুলো কিনবেন না। ৩. আপনি কম্পিউটার এক্সপার্ট
না হলে অন্তত:পক্ষে Processor,
Mainboard, RAM, HDD, ODD,
Graphics Card, Casing একই
দোকান থেকে কিনবেন। তারাই
এগুলো সঠিকভাবে configure করে দিবে। এখন আমি কম্পিউটারের মূল
প্রত্যেকটি আলাদা part
সম্পর্কে বলবো এবং এগুলো কেনার
সময় কী কী বিষয়ের
প্রতি খেয়াল রাখতে হবে,
সে সম্পর্কে বলবো।

Processor (প্রসেসর): কম্পিউটারের প্রধান জিনিস।
এটিই কম্পিউটারের সকল কাজ
করে থাকে। মূলত একেই CPU
(Central Processing Unit)
বলে। প্রসেসর
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল
Intel এবং AMD (Advanced
Micro Device)। দুইটাই ভালো,
তবে সবচেয়ে জনপ্রিয়
এবং technology’র দিক
থেকে এগিয়ে রয়েছে Intel.
প্রসেসর যেহেতু
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই
এটি কেনার সময় বিশেষ
সতর্কতা নিতে হবে।
১. প্রসেসরের clock speed কত,
সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক
স্পিড যত বেশি হবে,
প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও
তত বেশি হবে। ২. প্রসেসরের সিরিজ কী,
সেটা খেয়াল করতে হবে।
সিরিজ যত উন্নত হবে, স্পিড তত
বাড়বে। Intel এর প্রথম
দিককার প্রসেসর এর
মধ্যে রয়েছে, Pentium Series। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে,
Celeron series, Core Series, i
Series। Pentium Series এর
মধ্যে, P1 (Pentium 1) এর
চাইতে P2 ভালো, P2 এর
চাইতে P3 ভালো আবার, P3 এর চাইতে P4 ভালো। অর্থাৎ, same
clock speed এর P1 এর
চাইতে P2 এর স্পিড বেশি।
আবার, একইভাবে, Pentium
Series এর চাইতে Core Series
এর স্পিড বেশি। core series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core 2
Quad> Core 2 Duo> Dual Core.
আবার core i series এর প্রসেসর
গুলোর মধ্যে, Core i7 extreme>
Core i7> Core i5> Core i3। ৩. প্রসেসরে কয়টি কোর (core)
এবং কয়টি থ্রেড (thread)
রয়েছে, তা খেয়াল করতে হবে।
কোর এবং থ্রেড এর
সংখ্যা বেশি হলে স্পিড
বাড়বে। এখন পর্যন্ত সবোর্চ্চ ছয়টি কোরের প্রসেসর আবিস্কৃত
হয়েছে। ৪. FSB (Front Serial Bus) এর
পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB
বেশি হলে স্পিড বেশি হবে।
যদিও নতুন প্রসেসর গুলোতে FSB
ব্যবহার করা হয় না। এর
পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়। ৫. Cache Memory (ক্যাশ
মেমরি) কত, তা লক্ষ্য
করতে হবে। ক্যাশ মেমরির
মধ্যে প্রকারভেদ রয়েছে।
সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাশ
মেমরি হল L3 Cache. ৬. Hyper Threading
Technology রয়েছে কিনা,
লক্ষ্য রাখবেন। এ
প্রযুক্তি Multitasking এর
ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা রাখে। ৭. Intel Processor এর ক্ষেত্রে,
Turbo Boost Technology
রয়েছে কিনা, তা লক্ষ্য
রাখবেন। এই
প্রযুক্তি প্রয়োজনের সময়
প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৮. GPU (Graphics Processing
Unit) রয়েছে কিনা, দেখবেন।
প্রসেসরে GPU
থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড
ব্যবহার করলে External
Graphics Card দরকার হয়না। (যদি না আপনি কম্পিউটারে খুবই
উন্নত মানের গেম খেলেন
অথবা গ্রাফিক্স
ডিজাইনিং বা HD ভিডিও
এডিটিং ইত্যাদি কাজ
না করেন।) [শেষ তিনটি অপশন বিশিষ্ট
প্রসেসরের দাম সাধারণত
বেশি হয়। সাধারণ কাজের জন্য
এই সকল অপশনের প্রয়োজন
নেই।]
Mainboard or
Motherboard (মেইনবোর্ড
বা মাদারবোর্ড): এই বোর্ডটিতেই কম্পিউটারের
সকল যন্ত্রাংশ যুক্ত থাকে।
মেইনবোর্ড এর জন্য
ভালো ব্র্যান্ডগুলো হল:
Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus
ইত্যাদি। মেইনবোর্ড অবশ্যই প্রসেসর সাপোর্টেড হতে হবে।
মেইনবোর্ড এর পোর্ট দুই ধরনের
হয়, IDE এবং S-ATA।
তবে বর্তমানে S-ATA পোর্টের
মেইনবোর্ডই দেখা যায়। প্রায়
সব S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে অন্তত একটি IDE
পোর্ট থাকে। প্রয়োজনে IDE to
S-ATA converter ব্যবহারের
মাধ্যমে S-ATA পোর্টের
মেইনবোর্ডে IDE device
ব্যবহার করা যায়। মেইনবোর্ড কেনার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য
রাখবেন, তা হল: ১. মেইনবোর্ড যেনো প্রসেসর
সমর্থিত হয়। ২. RAM এর ধরন।
মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট
যেরকম হবে, সেই ধরনেরই
RAM কিনতে হবে। সর্বাধুনিক
RAM টাইপ হল DDR3। ৩. USB Port এর version কত।
সর্বাধুনিক হল USB 3.0। [USB
3.0 পোর্ট বিশিষ্ট মেইনবোর্ড
এর দাম কিছুটা বেশি] ৪. বর্তমানে সব মেইনবোর্ডেই
LAN Card (Local Area
Network Card) থাকে।
তাছাড়া, HD audio এবং HD
Video ও লক্ষ্য করা যায়।
Integrated Graphics এর মান বেশি হলে ভালো হয়।
Monitor (মনিটর): এটাই কম্পিউটারের প্রধান
আউটপুট। মনিটরের জন্য
ভালো ব্র্যান্ড গুলো হচ্ছে:
Samsung, Philips, LG, Asus,
HP, Fujitsu ইত্যাদি। মনিটর
কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন: LCD (Liquid Cristal Display) /
LED (Light Emitting Diode)
Monitor এর ক্ষেত্রে: ১. আপনার প্রয়োজন
অনুসারে স্ক্রিন সাইজ সিলেক্ট
করবেন। বর্তমানে অনেক
মনিটরেই Built-in TV Tuner
থাকে। একই
সাথে কম্পিউটারের মনিটর এবং টিভির কাজ করবে এগুলো।
TV Tuner না থাকলে প্রয়োজন
হলে আপনি পৃথকভাবে TV Tuner
কিনতে পারবেন। ২. LCD মনিটর গুলো স্কয়ার
এবং ওয়াইড স্ক্রিন এই দুই
ধরনের হয়। আপনার কজের
প্রয়োজন
অনুসারে আপনি তা select
করবেন। ৩. LCD এবং LED মনিটর এর
পার্থক্য হল: LED মনিটর হল
উন্নত প্রকারের LCD মনিটর।
তুলনামূলক ভাবে LED
মনিটরে ভালো ছবি দেখা যায়।
তাছাড়া, LED মনিটরে দেখতেও সাচ্ছন্দ্য বোধ হয়। ৪. কন্ট্রাস্ট রেশিও (Contrast
Ratio) লক্ষ্য করবেন। এটি যত
বেশি হবে, ছবির মান তত
ভালো হবে, অর্থাৎ ছবি শার্প
আসবে। ৫. Response Time কম
হলে ভালো হয়।
RAM- Random Access
Memory (র্যাম): RAMও কম্পিউটারের স্পিড
বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
RAMএর জন্য ভালো ব্র্যান্ড
হচ্ছে: Transcend, Twinmos
ইত্যাদি। RAM কেনার সময়
এগুলো খেয়াল রাখবেন: ১. RAM এর পরিমাণ
বৃদ্ধি পেলে কম্পিউটারের
স্পিড বাড়বে। অর্থাৎ, 1 GB
RAM এর চেয়ে 2 GB RAM এর
স্পিড বেশি হবে। ২. RAM এর বাস
ফ্রিকোয়েন্সি বেশি হলে RAM
এর ক্ষমতা বাড়বে। ৩. RAM এর ধরন উন্নত
হলে তা কম্পিউটারের গতি আরও
বৃদ্ধি করবে। যেমন, DDR3
RAM সমপরিমাণের DDR2
RAM এর চেয়ে শক্তিশালী।
তবে মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেমন হবে, সেই ধরনেরই RAM
কিনতে হবে।
Hard Disk Drive (HDD)
(হার্ডডিস্ক): কম্পিউটারের তথ্য
এতে জমা থাকে।
এটি কম্পিউটারের Virtual
RAM হিসেবেও কাজ করে। এর
ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে,
Samsung, Transcend ইত্যাদি। এটি কেনার সময়
নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন: ১. সাধারণভাবেই, হার্ডডিস্ক
এর স্টোরেজ
ক্ষমতা বেশি হলে বেশি তথ্য
জমা রাখতে পারবেন।
বাজারে ১৬০ GB থেকে শুরু
করে ৩ TB হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়। ২. হার্ডডিস্ক এর RPM
(Revolutions Per Minute)
বেশি হলে এর ডাটা ট্রান্সফার
রেট বেশি হবে। ৩. মেইনবোর্ডের পোর্ট S-ATA
হলে হার্ডডিস্কও S-ATA ই
কিনতে হবে। ৪. এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক এর
ক্ষেত্রে, আপনার মেইনবোর্ড এ
USB 3.0 থাকলে USB 3.0
হার্ডডিস্ক কেনাই ভালো।
কেননা, কয়েক বছরের মধ্যেই
USB 2.0 উধাও হয়ে USB 3.0 এর জায়গা নিবে। লক্ষণীয়:
এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক
স্হায়ী HDD এর ন্যায় ব্যবহার
করা যায় না, তবে ইন্টার্নাল
HDD, এক্সটার্নাল HDD এর
ন্যায় ব্যবহার করা যায়।
Casing (কেসিং): কেসিং হল Mainboard, HDD,
ODD সাজিয়ে রাখার জন্য বক্স।
কেসিং এর জন্য ব্র্যান্ড
অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
তবে Mercury এবং Gigabyte
এর কেসিং গুলো ভালো হয়। কেসিং কেনার সময় নিচের
বিষয়টি লক্ষ্য করবেন: ১. কেসিং এর দাম vary
করে PSU (Power Supply Unit)
এর জন্য। PSU যদি বেশি watt
এর হয়, তবে PSU এর দাম
বেড়ে যায়। ফলে কেসিং এর
দাম বেড়ে যায়। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী PSU select
করবেন। যেমন,
ভালো এবং বেশি পাওয়ারের
এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড,
বড় স্ক্রিনের মনিটর ব্যবহার
করলে বেশি পাওয়ার এর পাওয়ার সাপ্লাই লাগবে।
Optical Disk Drive (ODD)
(অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ): ODD হল সিডি/
ডিভিডি প্লেয়ার/রাইটার।
ODD এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল:
Samsung, Asus, Lite-On
ইত্যাদি। লক্ষ্য করুন: ১. বর্তমানে সিডি প্লেয়ার
এবং ডিভিডি প্লেয়ার এর
মূল্যে পার্থক্য খুবই কম। CD
player, DVD play
করতে পারেনা, কিন্তু DVD
player, CD play করতে পারে। ২. আপনি চাইলে কয়েকশ
টাকা বেশি দিয়ে Combo
Drive অথবা DVD writer
কিনতে পারেন। Combo drive
হল সেইসব ODD যেগুলো CD Play,
DVD play এবং CD write করতে পারে। আর DVD writer
দিয়ে আপনি CD play, DVD play,
CD write, DVD write সবই
করতে পারবেন। ৩. মেইনবোর্ড এর পোর্ট
অনুসারে ODD কিনতে হবে।
(অন্যথায় converter ব্যবহার
করতে হবে) ৪. ODD এর speed
বেশি হলে সিডি/
ডিভিডি থেকে দ্রুত ডাটা রিড
হবে এবং দ্রুত ডাটা রাইট
হবে।
Graphics Card (গ্রাফিক্স
কার্ড) বা AGP Card
(Accelerated Graphics
Port Card): ভালো গেম খেলার জন্য
বা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর
কাজের জন্য ভালো গ্রাফিক্স
কার্ড অত্যন্ত প্রয়োজন।
গ্রাফিক্স কার্ডের
মধ্যে ভালো ব্র্যান্ড হল: Asus, Gigabyte, Sapphire ইত্যাদি।
এটি কেনার জন্য নিচের
বিষয়গুলো খেয়াল করবেন। ১. V-RAM
বেশি হলে ভালো গ্রাফিক্স
পাবেন। ২. সাধারণ র্যাম এর মতই V-
RAM এর টাইপ উন্নত
হলে ভালো ফলাফল
পাওয়া যাবে। ৩. এছাড়াও, Clock rate,
Memory Bus ইত্যাদি বিভিন্ন
জিনিসের জন্যও গ্রাফিক্স
কার্ডের ক্ষমতার পরিবর্তন
হয়। ৪. আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট
গেম এর প্রতি আকৃষ্ট হন
অথবা নির্দিষ্ট কোন
সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করেন,
তবে সেই সফটওয়্যারের
requirement অনুসারে নির্দিষ্ট চিপসেটের
গ্রফিক্স কার্ড কিনবেন।
Key Board (কী-বোর্ড): কী-বোর্ড কম্পিউটারের
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা ইনপুট
ডিভাইস এর মধ্যে এটি একটি।
কী-বোর্ড এর জন্য
ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech,
Deluxe, Mercury ইত্যাদি। এটি কেনার সময় লক্ষ্য করবেন
বাংলা অক্ষর রয়েছে কিনা।
(Unijoy বা Bijoy লে আউট-এ
লেখার জন্য অপরিহার্য)।
Mouse বা মাউস: অপর গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস
হল এটা। এর ভালো ব্র্যান্ড হল:
A4Tech, Mercury ইত্যাদি। ১. কত DPI (Dots Per Inch)
লক্ষ্য করবেন। DPI
বেশি হলে সূক্ষ্ণ ভাবে মাউস
দিয়ে কাজ করতে পারবেন। ২. ধরতে সুবিধা হয়, এমন মাউস
কিনবেন।
UPS (Uninterpretable
Power Supply) ইউপিএস: বাংলাদেশে ডেস্কটপ
কম্পিউটারের জন্য UPS
যে অপরিহার্য তা বলার
বাইরে। UPS কেনার সময়
এগুলো লক্ষ্য করবেন: ১. দুই ধরনের UPS পাওয়া যায়।
Online UPS এবং Offline UPS।
এদের মধ্যে পার্থক্য হল,
বিদ্যুৎ চলে গেলে Online UPS
on হতে কোন সময় নেয় না,
কিন্তু Offline UPS সামান্য সময় নেয়। সম্ভবনা কম হলেও এই
সামান্য সময়ের
মধ্যে কম্পিউটারের পাওয়ার
চলে গিয়ে রি-স্টার্ট
হতে পারে। ২. আপনার চাহিদা অনুযায়ী UPS
এর পাওয়ার select করবেন।
মনিটরের স্ক্রিন বড় হলে,
বেশি পাওয়ারের গ্রাফিক্স
কার্ড ব্যবহার করলে, উন্নত
প্রসেসর হলে বেশি পাওয়ারের UPS প্রয়োজন। দোকানে আপনার
কম্পিউটারের কনফিগারেশন
বললে তারা সঠিক UPS
দিতে পারবে। ৩. সাধারণত একটি UPS এর
Back-up time ২০-২৫ মিনিট।
এর চেয়ে বেশি Back-up time
এর UPS কিনতে হলে মূল্য
বেশি হবে।

আজকে এখানেই শেষ করছি। এই পোস্টটা আপনাদের সামান্য কাজে লাগলেই আমার লেখা সার্থক হবে। আল্লাহ হাফিজ।

24/09/2013

sample of graphics design........ Album এ আমাদের Project গুলো Post করা হয়েছে।

Sample of graphics design & 3d model 24/09/2013
24/09/2013

সুপ্রিয় শিক্ষার্থীরা, নতুন ও পুরাতন ব্যাচের সবাইকে জানাই আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, বি.সি.সি এম.সি কলেজের কম্পিউটার ল্যাবে স্বল্প সংখ্যক আসনে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কোর্স শুরু হতে যাচ্ছে। আগ্রহী সবাইকে নাম এন্ট্রি করার জন্য অনুরোধ করা হল। এই কোর্সে থাকছে, Adobe photoshop, Adobe illustrator এর কিছু প্রোজেক্ট ভিত্তিক কাজ এবং বোনাস হিসেবে কোর্সের শেষে ত্রি.ডি সফটওয়্যার সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে।
সাথে থাকছে Real life কিছু 3d project। তাই যারা কোর্সটি করতে আগ্রহী তাদেরকে অতিসত্বর যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল। বিস্তারিত ল্যাবে আসলে জানা যাবে।
ধন্যবাদ।
Post এ like, comment দিলে আমরা উৎসাহ পাই। তাই আগ্রহীরা অবশ্যই Comment করবেন।
আমাদের পরবর্তী Post গুলোতে, Project এর কিছু sample দেয়া হবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Tilagor
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 09:45 - 14:00
Tuesday 09:45 - 14:00
Wednesday 09:45 - 14:00
Thursday 09:45 - 14:00
Saturday 09:45 - 14:00
Sunday 09:45 - 14:00