22/06/2026
অকুতোভয় ডিসি সারোয়ার আলম।
বিদায় বেলা মাজারের কথিত খাদেম ও দোসরদের মুখে চুনকালি দিয়ে গেলেন!
বিদায় বেলা তাঁর পক্ষ হতে-শাহজালাল রহ মাজারে বাক্স ও ডেগে পাওয়া দানের নগদ টাকার মাত্র তিন দিনের হিসাব পেশ করা হয়--
১৭লক্ষ ৬৫হাজার ৫৪৯টাকা
৭আনা স্বর্ণ ও ২টি সৌদি রিয়াল।
শনি,রবি,সোম বারের হিসাব।
বৃহস্পতি,শুক্র সবচেয়ে বেশি টাকা উঠে।
এছাড়া সবচেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়-
মাজারের গিলাফের উপর-
গোলাপজল দিয়ে ভেজানো--এখানে প্রত্যেহ
৫/৬ লক্ষ টাকা।
গম্বুজের নিচে গদি--প্রত্যেহ প্রায় তিন লাখ
টাকা।
অফিসে কথিত রিসিটের মাধ্যমে--
গরু ছাগল হাস মোরগ মান্নত--
তিন দিনের হিসেবে আসেনি।
মাত্র ৩০ ℅হিসেবে এসেছে।
আনুমানিক প্রত্যেহ ২০/২৫ লাখ টাকা
আয় হয় এবং কথিত খাদেমরা লুটে নেয়।
তিনি ঘোষণা দিয়ে দিয়েছিলেন--
মাজারের মান্নত ও দান খায়রাতের টাকা
জনকল্যাণে ব্যয় হবে।
কথিত খাদেমদের পেট হতে মান্নাত ও
খায়রাত রক্ষা করা হবে।
তিনি এসব খাদেমদের হাতে মাজারের
দায়িত্ব রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন,খাদেম
ও জেলা প্রশাসন সম্মিলিতভাবে আয় পরিচালনা করবে,প্রকাশ্যে গননা হবে।
এতে বিত্তশালী মিসকিনরা তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল,বিভিন্নমুখী ষড়যন্ত্র করে সফল হল,মন্ত্রী আরিফুল হক এর বিদেশ সফরের সুযোগে তাকে প্রত্যাহার করা হল।
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিকট এমন উদ্যেগে প্রশংসীত হলেও ডিসি সারোয়ার সিলেট থাকতে পারলেননা কিন্তু বিদায় বেলা কথিত খাদেমচক্রের গালে চপেটাঘাত করে গেলেন।
মাজারের বাক্স ও ডেগের টাকা জনসম্মুখে
গননা শেষে জেলা প্রশাসন হতে আরও পাচ
লক্ষ টাকা যোগ করে ব্যাংকে রেখে গেলেন।
ম্যাসেজ দিয়ে গেলেন,ডিসি সারওয়ার প্রত্যাহার হয়েছেন কিন্তু তাঁর স্বচ্ছতার নীতি
সিলেটবাসীর নিকট আমানত।
এবার দেখার পালা-- সিলেটের রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের স্বার্থে কাজ করবে না
জন দাবির প্রতি লক্ষ্য রাখবে?
সিলেটবাসীকে রাজনৈতিক নেতাদের কর্মকাণ্ড দেখে যথাযথ জবাব দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।
আল্লাহ নেতাদের সুমতি দিন-
সর্বপ্রকার জুলুমবাজির বিরুদ্ধে আমাদের
প্রতিরোধ গড়ে তুলার হিম্মত দিন।
Syed Musleh Ahmed
05/06/2026
আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Shamim Ara, Md Ziaur Rohoman, রাজু আহমেদ
17/05/2026
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।
সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:
সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।
২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা:
বারবার বলি:
*আস্তাগফিরুল্লাহ*
নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।
৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:
এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:
আল্লাহু আকবার**
আলহামদুলিল্লাহ**
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ**
সুবহান-আল্লাহ**
এভাবেও পড়তে পারি:
--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
৪. কুরআন তিলাওয়াত করা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।
৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:
বিশেষ করে:
* তাহাজ্জুদ
* সালাতুদ দুহা
৬. রোযা রাখা
সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি।
বিশেষভাবে **আরাফার দিনের রোযা** অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!
৭. বেশি বেশি দোয়া করা:
নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।
৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:
কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।
৯. সদকা করা:
সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।
১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:
যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।
১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:
যেমন:
* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা
* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা
* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া
* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো
১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর
হিংসা, অহংকার, রা
15/04/2026
ফক্বীহুল মিল্লাত মুফতী আবদুর রহমান রহ. বলতেন, নাবালেগ বাচ্চাদেরকে পিটালে রিজিক কমে যায়, কারন তারা নিষ্পাপ। খুব সতর্ক হব সবাই ইনশাআল্লাহ।
নতুন শিক্ষকগন ফতোয়া টি দেখতে পারেন। আমাদের নূরানি তা লিমুল কুরআন বোর্ড চট্টগ্রাম বাংলা দেশ। একদম মারধর নিষিদ্ধ। তা-ও রাগকে কোন টুল করতে না পেরে ছাত্রদের কতি করবেন না। নিজে নিজের বিপদ ঠেনে আনিয়েন না🙏
কিতাবগুলোর কিছু ইবারত দেখুন-
★ فى الدر المختار: وَإِنْ وَجَبَ ضَرْبُ ابْنِ عَشْرٍ عَلَيْهَا بِيَدٍ لَا بِخَشَبَةٍ لِحَدِيثِ مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعٍ
১০ বছরের বাচ্চা কে সতর্ক করার প্রয়োজন হলে হাত দিয়ে আঘাত করবে লাঠি দিয়ে নয়। কেননা হাদীস শরীফে নামাজের জন্য সাত বছরের বাচ্চা কে আদেশ করতে বলা হয়েছে। (আঘাততে নয়) - ফতোয়ায়ে দুররুল মুখতার।
★ وفى رد المحتار: قَوْلُهُ بِيَدٍ أَيْ وَلَا يُجَاوِزُ الثَّلَاثَ، وَكَذَلِكَ الْمُعَلِّمُ لَيْسَ لَهُ أَنْ يُجَاوِزَهَا قَالَ – عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ – لِمِرْدَاسٍ الْمُعَلِّمِ إيَّاكَ أَنْ تَضْرِبَ فَوْقَ الثَّلَاثِ، فَإِنَّك إذَا ضَرَبْت فَوْقَ الثَّلَاثِ اقْتَصَّ اللَّهُ مِنْك اهـ إسْمَاعِيلُ عَنْ أَحْكَامِ الصِّغَارِ للأستروشني، وَظَاهِرُهُ أَنَّهُ لَا يُضْرَبُ بِالْعَصَا فِي غَيْرِ الصَّلَاةِ أَيْضًا،
অনুরুপভাবে শিক্ষকের জন্য তিন বেতের বেশি প্রহার করা উচিত নয়। রাসুলুল্লাহ সাঃ মিরদাস রাঃ কে লক্ষ্য করে বলেছিলেন, তিন বেতের বেশি প্রহার করা থেকে বিরত থাকো। কেননা তিন বেতের বেশি প্রহার করলে আল্লাহ তোমাকে শাস্তি দিবেন-(হাদিসটি কিতাবুল আসরারে সনদ ছাড়া উল্লেখ রয়েছে) । আসতারুশীনি রঃ এর আহকামুস সিগার থেকে ইসমাইল বর্ণনা করেন, মোট কথা হচ্ছে নামাজ ছাড়া অন্য কারণে ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা হবে না।
- ফতোয়ায়ে শামী।
★ أما المعلم فله ضربه، لأن المأمور يضربه نيابة عن الأب لمصلحته، والمعلم يضربه بحكم الملك بتمليك أبيه لمصلحة التعليم…. ألنقل فى كتاب الصلاة يضرب الصغير باليد لا بالخشبة، ولا يزيد على ثلاث ضربات (رد المحتار، كتاب الحظر والإباحة، باب الاستبراء وغيره، فصل فى البيع-9/616)
ছাত্রকে প্রহার করার অধিকার শিক্ষকের রয়েছে। হাদিসের বর্নিত নির্দেশানুযায়ী (নামাজ না-পড়লে প্রহার করার হাদীস) বাবার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ছেলের তা'লিম তরবিয়ত এবং সার্বিক কল্যাণার্থে প্রহারের ব্যাপারে