14/04/2023
Nizgram Supplementary School
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nizgram Supplementary School, Education, Sylhet.
14/04/2023
*শিক্ষা তহবিলে সাহায্যের আবেদন*
শিক্ষার্থীদের 'ঝরে পড়া' রোধে বিভিন্নভাবে সরকার ও সামাজিক সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বারহালের ঐতিহ্যবাহী সেবামূলক সামাজিক সংগঠন 'নিজগ্রাম আল আমিন ইসলামি কাফেলা'ও অসহায় ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্কুল এবং মাদরাসা উভয় ধারার অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগের আওতায় থাকবে। শিক্ষা উপকরণ, বিভিন্ন প্রকারের ফি ও বেতন প্রদান সহ দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের এ তহবিল থেকে আর্থিক ও মানবিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। ।
Covit19 এর কারনে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই বন্ধ থাকলেও গত ০৫ অগাস্ট থেকে কলেজগুলোর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এলাকার সচ্ছল শিক্ষার্থীরা ভর্তির প্রস্তুতি নিলেও অসচ্ছল ও নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়ে'রা ভর্তি হতে পারছে না। গার্ডিয়ানগন এনিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় দিনাতিপাত করছেন।
লকডাউনে সবারই আর্থিক অবস্থা সংকটাপন্ন। অনেক মেধাবী ছাত্র শুধুই এই আর্থিক দুরাবস্থার কারণে লেখাপড়া ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। অথচ ভর্তির সময়সীমা শেষ হয়ে আসছে। এহেন কঠিন মূহুর্তে আমরা আপনাদের সহযোগিতায় তাদেরকে শিক্ষা অর্জনে সুযোগ করে দিতে চাই। এলাকায় শিক্ষার আলো প্রজ্বলিত করার চেষ্টা করতে চাই।
গত শিক্ষাবর্ষে আমাদের নিজগ্রাম এর যারা SSC পরিক্ষা দিয়ে উত্তির্ন হয়েছিলো, ভালো ভালো রিজাল্টও করেছে অনেকে। অনুসন্ধানে এসকল উত্তির্ন-মেধাবীদের থেকে ১৪ জন শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে পারছে না অসচ্ছলতার কারনে। বইপত্র কেনার মতো সামর্থ নেই তাঁদের পরিবারে।
এ অপরিনামদর্শী ক্ষতির হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসতে হবে।
প্রতিজন শিক্ষার্থীর ভর্তি ফি এ-বছর মাত্র ৩২০০ টাকা নির্ধারণ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। আপাতত ভর্তিটুকু নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সবাই এগিয়ে আসুন।
আমরা ইতিমধ্যে আমাদের প্রবাসী ও দেশের সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী সাথে আলোচনা করেছি। আপনাকেও সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসার আবেদন করছি। আর্থিকভাবে সহায়তা করুন, পরামর্শ দিন। এরকম সেবামূলক কাজে আপনাকে আমরা সর্বদা কাছে পাই।
কোনো দেশ উন্নত করতে হলে প্রধান হাতিয়ার হল
গবেষণাধর্মী সৃজনশীল পড়া-শুনা ।
——————————————————-
বাংলাদেশে বিপুল পরিমান জনসংখা ও নিজেস্ব GDP থাকতেও দেশ উন্নয়নে এত পিছিয়ে কেন ?
WDI এর ইকোনোমিক টার্মে ---------কোন এস্টেটকে first country বা উন্নত দেশের সারিতে আনতে হলে দুটি প্রধান হাতিয়ার প্রযোজ্য :
১ . গবেষণাধর্মী সৃজনশীল পড়াশুনা ।
২ .দুর্নীতিমুক্ত ন্যায়ের শাসনের মাধ্যমে দেশের সম্পদের/ অর্থনীতির সুষ্ট বন্ঠন ।
(আরো কিছু আছে যেগুলোও লাগে )
যাহোক ,, দ্বিতীয়টি নিয়ে বললে হয়তো অনেকের বিরুদ্ধে চলে যাবে তাই আপাতত বাংলাদেশ বিষয়ে প্রথমটি নিয়ে একটু আলোচনা করে দেখি :
বাংলাদেশে জিপিএ-৫ এর ছোড়া-ছড়ি হলেও , সীমিত মুখস্ত বিদ্যার সীমিত পরিসর ছাড়া কিছুই শিখে না ,
"আমি জিপিএ ৫ পেয়েছি " জিজ্ঞাসা করলে উত্তর আসে " I am GPA-5 “ চিন্তা করেছেন !!
এরা ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ার বা প্রশাসনে গেলে দেশের কতটুকু তেরোটা বাজবে ?
আমি ব্রিটেন সহ উন্নত দেশে স্টুডেন্ট ভর্তির সাথে জড়িত থাকায় প্রতি বছর বাংলাদেশের বড় অংকের ফাইল আমার হাতে আসে ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল সহ অন্যানো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক গ্রাডুয়েট ফাইলেও দেখেছি IELTS -4.5 /5.00 এর নিম্ন স্কোর ।
অবাক হয়েছি !!! এরা শিখেছে কি ?
কিন্তু দোষতো আর শিক্ষার্থীর না , শিক্ষা ব্যবস্থা যারা প্রণয়ন করে তাদের ।
সত্যি কথা বলতে কি বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা থেকে শুরু করে আলিয়া , স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় কোনটারই শিক্ষা ব্যবস্থা ভালো না , একমাত্র কওমির কুরআন মুখস্ত ( হিফজ) ছাড়া আর হাতে গোনা কিছু প্রাইভেট বা বিদেশী সিলেবাসধারী কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া ।
দেশে থাকাকালীন সময়ে আমি স্কুল , কওমি , আলিয়া বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস সবগুলোর লেসন নিয়েছি ....
অভিজ্ঞতার সাথে তিক্ত অভিজ্ঞতাও পেয়েছি ...
যা দেখেছি বা এখনো দেখছি ......
কওমি মাদ্রাসা ...........
--------------
কুরআন হাদিসের ইবারত (সরল অনুবাদ ) পড়িয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ,
ফলে কর্ম জীবনে কুরআন হাদীসকে মিলাদ- খতম ঝাড় ফুঁক , মসজিদ মক্তম ও মাদ্রাসার ভিতর সীমাবদ্ধ হয়-বাইরে কর্ম সংস্থান হয় না ।ফারিগ ব্যক্তির নিজের ভিতর তৈরী হয় মহা পন্ডিত বনে যাওয়ার মনভাব যার দরুন মাঝে মাঝে প্রকাশ ধর্মের নামে উগ্রতা ।
অপরদিকে , উন্নত দেশের সমাজে গবেষণাধর্মী কুরআন হাদিস শিখে সুদ মুক্ত ইসলামী অর্থনীতির প্রচলন , ইসলামী স্কলারদের প্রশাসনে প্রবেশের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়ের অনুশাসন , বিজ্ঞানম কুরআন হাদীস গবেষণার দ্বারা আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোর আবিষ্কার ইত্যাদি ।
আলিয়াতে ............
-------------------
অধিকাংশ আলিয়াতে তাজবীদ অনুযায়ী শুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষার জন্য মক্তব না থাকায়
পড়াশুনার শুরুটাই হয় অশুদ্ধ কুরআন শিক্ষার মাধম্যে , এর পর প্রতিটি ক্লাসে ইসলামী ও জাগতিক শিক্ষার বিশাল এক সিলেবাস ধরিয়ে দেওয়া হয় তাদের কাঁধে , ফলে প্রচলিত গাইড বয়ের স্মরণাপন্ন হয় , অনেকে প্রচলিত পদ্ধতিতে জিপিএ -৫ পেলেও প্রচলিত গাইড বই এর মুখস্ত বিদ্যা থাকায় না হয় আলিম বা না হয় জাগতিক শিক্ষিত।
আর স্কুল-কলেজে :
---------------
নিম্নের ভিডিওটি দেখলেই প্রমাণ মিলে যাবে স্কুল কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থার কি বেহাল দশা ,তারপরও কিছু বাস্তবতা তুলে ধরছি:
অধিকাংশ ক্ষেত্রে
সরকারি স্কুলগুলোতে ,............ক্লাসগুলোতে বই এর লেখাগুলো শিক্ষকরা পড়ে চলে বা বাচ্চাদের দিয়ে পড়িয়ে নেয় আর বাকিরা দর্শক এর পর বলে প্রশ্ন গুলোর উত্তর বাড়ি থেকে পড়ে আসিস ........পরের দিন মুখস্ত বিদ্যা না পারলে অবিস্মরণীয় বেতের আঘাত,
আর প্রাইভেট স্কুলে .....
অভিভাবকের কাছ থেকে যেহেতু টাকা নেওয়া হচ্ছে তাই কিভাবে বাচ্চাদেরকে বোর্ড পরীক্ষায় ভাল ফল এনে দেওয়া যায় এজন্য মুখস্ত বিদ্যা জোর করে গিলিয়ে দেওয়া হয় ।
কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে .......
লেকচারার বলে কথা ...
তারা ক্লাসরুমে এসে লেকচার দিয়ে চলে যাবেন এর পর পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র বানাবেন ...
ছাত্র -ছাত্রী গাইড মুখস্ত করে তা আবার পরীক্ষার হলে বমি করবেন
....অপরদিকে ব্রিটেনসহ উন্নত দেশগুলোতে বাচ্চাদেরকে কোনো বিষয়ের টপিকের উপর কিছু (সিনারিও) চিত্র বা অডিও -ভিডিও ক্লিপ দিয়ে বলা হয় নিজের মত করে উপস্থাপন করো ....আর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রিসার্চ বা গবেষণাধর্মী পড়া হয় যেখানে প্রশ্ন উত্তরের পড়া শুনা নেই বললেই চলে ।
আমার ব্রিটেনে পড়তে আসার কারণ সমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল , বাংলাদেশের মুখস্ত বিদ্যার অনুন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি প্রচন্ড অনীহা।
উন্নত বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থা ও বাংলাদেশের পার্থক্যটি সমসাময়িক উদাহরণ হল :----
সাম্প্রতিক করানো থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য ব্রিটেনের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে ভ্যাকসিন তৈরির গবেষণার কাজে ব্যস্ত , অপরদিকে আমাদের অতিমেধাবী বিসিএস কেডাররা করোনা ভাইরাসের সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন-উত্তর নিয়ে ব্যস্ত ..
কোরোনার উৎপত্তি কোথায় ?
কোন কোন দেশে ছড়ালো ইত্যাদি ।
পরিশেষে ,খাবারে ভেজাল হলে সমাজের জনগণের শারীরিক সমস্যা হয় , তেমনি শিক্ষায় ভেজাল বা অনুন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা হলে পুরো জাতির অধঃপতন হয় ।
একটি প্রশ্ন থেকে যায় আমার সন্তানদের পড়াবো কোথায় ?
উত্তর হল এখন বিদেশি সিলেবাসের সমন্বয়ে কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে , সে সব জায়গাতে আপনার সন্তানদের প্রাথমিক ও মাধ্যম শিক্ষা দিতে পারেন , আর উচ্চতর পড়াশুনা ও গবেষণার জন্য বিদেশের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ।
মুহাম্মদ রুহুল্লাহ সাকীব
লন্ডন , ব্রিটেন ।
২৪/০৬/২০২০
*অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের 'ঝরে পড়া' রোধে শিক্ষা-উপকরণ ও অর্থ সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত।*
---------------
সাধারণ জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রায় ১৮ শতাংশ সমাপনী পরিক্ষার আগেই ঝরে পড়ে। লকডাউন পরবর্তী বাংলাদেশে এই 'ঝরে পড়া'র হার আরও মারাত্মক ভাবে পরিলক্ষিত হবে।
শিক্ষাবিদদের গবেষণা অনুযায়ী লকডাউনের পর শুধু প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের 'ঝরে পড়া'র হার হবে ৩০ শতাংশেরও বেশি। জীবিকার তাগিদে শিশুশ্রম বেড়ে যাবে৷ অর্থাভাবে বিদ্যালয় থেকে 'ঝরে পড়'বে লাখো শিক্ষার্থী। সামাজিক দিক থেকে এর প্রভাব খুবই অসহনীয় হবে। এঁরাও আমাদের সমাজের বড়ো একটি অংশ। তাঁরাই আমাদের আগামীর মূল চালিকাশক্তি। এ ব্যাপারে সরকার ও সমাজকর্মীগনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার এখনই সময়।
আমাদের এলাকার শিক্ষা পরিসংখ্যান আরো নিম্নগামী, ভয়াবহ। প্রাথমিক পর্যায়ের একটি মাদরাসা ও একটি স্কুল এবং একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে আমাদের এলাকায়। এতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী লেখা-পড়া করে। কিন্তু, ভর্তি পরবর্তী দু-এক শ্রেণী অতিক্রম করে অনেকেই ছেড়ে দেয় লেখাপড়া। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের দিকে এগিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের থেকেও ঝরে পড়েন কেউ কেউ।
অন্তত দশম শ্রেণির আগেই কেন ঝরে পড়ে! এ নিয়ে কাফেলার দায়িত্বশীলগনের আলোচনায় নিম্নবর্ণিত কারণগুলো সামনে আসেঃ-
১. অভিভাবকদের অসচেতনতা।
২. শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহে ব্যর্থতা।
৩. ভর্তি ও পরীক্ষা ফি আদায়ে অসমর্থতা।
৪. মাসিক বেতন প্রদানে অপারগতা।
৫. প্রয়োজনীয় সরকারি সুযোগ গ্রহনে অপারগতা।
এসকল শিক্ষার্থীদের 'ঝরে পড়া' রোধে বিভিন্নভাবে সরকার ও সামাজিক সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন "নিজগ্রাম আল আমিন ইসলামি কাফেলা"ও অসহায় ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের প্রবাসীদের সাথেও পরামর্শ চলছে। অনেকের থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি আমরা।
স্কুল এবং মাদরাসা উভয় ধারার অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগের আওতায় থাকবে। শিক্ষা উপকরণ, বিভিন্ন প্রকারের ফি ও বেতন প্রদান সহ দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের এ তহবিল থেকে আর্থিক ও মানবিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। ।
Primary education of Bangladesh
Thousands of children living in the slums or village of Bangladesh are dropping out of school. About one in six children between the ages of six and 14 are not receiving any form of education. Most of them work full-time to provide for their families.
We ensured the education of 15 children living in the village of Bangladesh this year.
হাজার হাজার শিশু যারা বাংলাদেশের বস্তি বা গ্রামে বসবাস করে স্কুল থেকে ঝড়র পড়ছে। প্রায় ছয় জনের মাঝে একজন যাদের বয়স ছয় - চৌদ্দ কোন ধরনের শিক্ষা গ্রহন করছে না। তাদের বেশির ভাগই ফুলটাইম কাজ করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহের জন্য।
আমরা এ বৎসর ত্রিশ জন শিশুর শিক্ষাজীবন নিশ্চত করেছি।
Thousands of children living in the slums of Bangladesh are dropping out of school.
Many needy and orphaned children living below poverty in Bangladesh and cannot afford to continue their education. Help protect their education. Your zakat, fitrah or any kind of donation can help vulnerable needy and orphaned children to continue their education.
Eid Mubarak on behalf of Nizgram Supplementary School
Nizgram Supplementary School is a unique school for poor, needy who are living in rural area in Bangladesh.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Sylhet