Learnershome 2024

Learnershome 2024

Share

Maths Tutorial I have been teaching for almost 14 years.

17/10/2024

অবশ্যই ব্যর্থ হবেন যদি দ্রব্যমূল্যকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারে:
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটদেরকে, অবৈধ ব্যবসায়ীদের এবং ষড়যন্ত্রকারীদের তৎক্ষণাৎ আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের জব্দ করা পণ্যকে নতুন কিন্তু সৎ এবং যোগ্য উদ্যোক্তাদের নিয়োগ করে বাজারে ন্যায্যমূলে বিক্রি করার ব্যবস্থা করতে হবে। দ্রব্যমূলকে যেভাবেই হোক জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতেই হবে দ্রব্যমূল্যকে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে না রাখা গেলে সরকারের সমস্ত সফলতা ব্যর্থতায় পর্যবেষিত হবে।

16/10/2024

তারা দেখেও দেখে না
তারা শুনেও শুনেনা
তারা বোঝেও বোঝেনা।
হ্যাঁ আমি বলছিলাম খুনি হাসিনার দোসরদের কথা যদি সামান্যতম মনুষত্ববোধ থাকতো তাহলে জুলাই আগস্টে ২০২৪ এর ২০০০ মানুষ হত্যার পরে এবং ২২০০০ এর উপর মানুষ আহত করার পরে তারা এই খুনি হাসিনার বর্বররোচিত গণহত্যাকে ভুলে গিয়ে অন্ধভাবে তাকে পুনর্বাসনের কথা চিন্তা করত না। এরা মানুষ নয় এরা অমানুষ। কোন জন্তু-জানোয়ারদের সাথে এদের তুলনা হয় না কারণ জন্তু জানোয়ারাও এদের থেকে বেশি হিংস্র নয়। এই গণহত্যার সাথে যারা সরাসরি জড়িত এবং যারা সাপোর্ট করছে তাদের কোনভাবে এই দেশে আবার পুনর্বাসন করা যাবে না। এদেরকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আর এই দায়িত্ব শুধু রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রের প্রশাসনের নয় এই দায়িত্ব রাষ্ট্রের জনগণের। তাই রাষ্ট্রের জনগণকে আবারো জুলাই আগস্টের গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে যাতে ওই গণজোয়ারে খুনিরা ও খুনিদের দোসররা ভেসে যায়। মনে রাখতে হবে এত রক্ত আর এত জীবনের বিনিময়ে অর্জিত অর্জনকে কোনভাবে খুনিদের চক্রান্তের কাছে পরাস্ত হতে দেয়া যাবে না নতুবা আবারও খুনি হাসিনার পর খুনি হাসিনা সৃষ্টি হবে। তাই এখনই ছাত্র জনতা আবাল বৃদ্ধ সবাইকে আবার জাগতে হবে। আমরা কিছু সময়ের জন্য ঘুমিয়ে পড়েছিলাম এজন্যই খুনির দোসরা আদালত প্রাঙ্গনে খুনি হাসিনার পুনর্বাসনের স্বপক্ষে মিছিল করে এবং বলে শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার। এত সাহস তারা পেয়েছে কারন আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম কিছু সময়ের জন্য। আমরা যদি না জাগি তাহলে এসব খুনি হাসিনারা আগের যেকোনো সময় এর চেয়ে বেশি তীব্র হয়ে ফিরে এসে খুন গুম গণহত্যা চালিয়ে যাবেন এবং মানুষের অধিকার কেড়ে নেবে, মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে, কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করবে, গণতন্ত্রের অধিকার কেড়ে নেবে, ভোটের অধিকার কেড়ে নেবে, চিন্তার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে, জ্ঞান চর্চার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে, সৎভাবে জীবনযাপন করার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে, ধর্মচর্চার স্বাধীনতা কেড়ে নেবে, ধর্মকে কার্ড বানিয়ে এক ধর্মের মানুষের উপর অন্য ধর্মের মানুষকে লেলিয়ে দেবে এবং জঙ্গি কার্ড খেলবে এক কথায় মানুষের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলবে। তাই আসুন স্লোগান তুলি —----

আবু সাঈদ মুগ্ধ
শেষ হয়নি যুদ্ধ
চলবে—------- চলবে—---------
অনন্ত এই যুদ্ধ

15/10/2024

আবু সাঈদ মুগ্ধ
শেষ হয়নি যুদ্ধ
চলবে চলবে
অনন্ত এই যুদ্ধ

12/10/2024
12/10/2024

অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের যুদ্ধ যতদিন চলবে ততদিন ন্যায় থাকবে। অন্যথায় অন্যায় এসে জুড়ে বসবেই। তাই এই যুদ্ধ চিরকাল চালিয়ে যেতে হবে। As long as the war of justice against injustice continues, there will be justice. Otherwise injustice will come and sit. So this war must continue forever.

ভয়েস অফ আমেরিকাকে মুহাম্মদ ইউনূস: ‘সরকারের মেয়াদ কী হবে সেটা সরকারই বলবে’ 09/10/2024

বাংলা ট্রিবিউন এর সিডি এডিটর উদিসা ইসলাম কর্তৃক জেড আই খান পান্না (Lawyer) এর যে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তা:
Video Link:
https://youtu.be/qyOVu2OT--0

বাংলাদেশ কেমন আছে?
বাংলা ট্রিবিউন এর সিডি এডিটর উদিসা ইসলামের এই প্রশ্নের উত্তরের এক পর্যায়ে আপনি বলেছেন দেশ চলছে কিনা এটা আমি জানি না।

এই প্রসঙ্গ ধরেই উদিসা ইসলাম আপনাকে প্রশ্ন করেছেন দেশ চলছে কিনা এটা কিভাবে বোঝা যাবে?
এই প্রশ্নের উত্তরে আপনি বলেছেন এটা কিছুদিন পরে আপনি বুঝতে পারবেন যে দেশ চলছে কিনা।
যেটা আপনি কিছুদিন পরে বুঝতে সেটা আগে বললেন কি করে?

আপনি এখন বলছেন বাংলাদেশ চলছে কিনা জানিনা একটু পরে বলছেন বাংলাদেশ চলছে কিনা তা কিছুদিন পরে বুঝতে পারব। এই এই বক্তব্য দুটো কি পরস্পর বিরোধী নয়? পরস্পর বিরোধী বক্তব্য কি গ্রহণযোগ্য হয়?

এডিটর উদিশা ইসলাম, আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে প্রশ্ন করছেন এই পট পরিক্রমায় সরকারের কোন কোন পদক্ষেপ নেয়া জরুরি?
উত্তরে, পান্না সাহেব বলছেন,আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে এর মেরামত করতে হলে লজ্জা শরম ভুলে গিয়ে প্রকাশ্যে প্রকাশ করতে হবে কতজন পুলিশ মারা গেছে তার তালিকা? সেটা সঠিকভাবেই হোক অথবা অঠিকভাবে হোক। ৫ তারিখের পরে যে থানা আক্রমণ হয়েছে সেটাকে কেন এভিডেন্স হিসেবে নেওয়া হবে না? সেগুলোকে কেন কমপ্লেইন হিসেবে নেওয়া হবে না? এই পরিস্থিতিতে পুলিশ নিহত হলে মামলা হবে না কেন? সেই পুলিশ হত্যাকারী ব্যক্তি কারা যদিও উনি বলেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি কারা? একাত্তরে কোন থানা লুট হয়েছে? মুক্তিযুদ্ধে প্রথম আত্মত্যাগ কারী হলো রাজারবাগের পুলিশরা।
এখন আমার প্রশ্ন হল—------
১। নিহত পুলিশের সংখ্যার তালিকা প্রকাশ করলে কিভাবে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হবে?
২। জনগণের টাকায় জীবন নির্বাহ করে জনগণের টাকায় অস্ত্র কিনে সেই অস্ত্র দিয়ে জনগণের বুক ঝাঁঝরা করলে জনগণ কি মুখে আঙ্গুল দিয়ে বসে থাকবে না যুদ্ধ করবে?
৩। মাফিয়া হাসিনার পতন ৫তারিখে হলেও জনগণের যুদ্ধ কি তখন পর্যন্ত থেমে গিয়েছিল? জনগণ কি তার প্রতিপক্ষকে রুখে দেবে না? পুলিশ ছিল জনগণের প্রতিপক্ষ জনগণের বন্ধু নয় তারা জুলাই মাস এবং আগস্টের ৫ তারিখ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।
৪। বাংলাদেশের পুলিশের পোশাক পরা আর্মড পুলিশ কেন বিমানবন্দরে তড়িঘড়ি করে ইমিগ্রেশন ছাড়া ইন্ডিয়ান বিমানে উঠেছিল?
৫। ন্যায়-অন্যায়ের যুদ্ধে নিহত অন্যায়কারীদের তালিকা প্রকাশ করলে কিভাবে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হয়?
৬। যারা নিজেরাই আইন-শৃঙ্খলা লংঘন করে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে, ঘুষ বাণিজ্য করেছে, খুনগুমের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে, জনগণের বন্ধু না হয়ে ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচারী, মাফিয়া, রাষ্ট্রবিনাশী, ভারতের সেবা দাস সরকারের গোলামে পরিণত হয়েছে তারা কি করে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি করতে পারে?
৭। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের পর থানা কেন লুট হবে? তখন ওই থানা গুলোতো ছিল বাংলাদেশেরই সম্পদ। ৫ ই আগস্ট এর পরে যে থানাগুলো ছিল সেই থানাগুলোতে অবস্থানকারী পুলিশরা ছিল বাংলাদেশের জনগণের হত্যাকারী। আপনাকে এই পার্থক্যটা বুঝতে হবে?
৮। ১৯৭১ সালে প্রথম আত্মত্যাগকারী পুলিশ হওয়ার দরুন তারা কি অন্যায় করে পার পেয়ে যাবে?

আপনি রিসিট বাটন নিয়ে কেন প্রতিক্রিয়া দেখালেন উদিসা ইসলামের করা এই প্রশ্নের জবাবে পান্না সাহেব বলেছেন, কেন দেখাবো না? কার এত দুঃসাহস যে ১৯৭১ সালের ইতিহাস কে মুছে দিতে চায়? ২৪ এর পূর্বের সব ইতিহাস মুছে দেবে। যিনি ৭১ কে অস্বীকার করতে চান তিনি তো বাংলাদেশকেই অস্বীকার করছেন।
https://youtu.be/KTmK9yYPw1w
রিসিভ বাটনে পুশ করে প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস ১৯৭১ সালের ইতিহাস কে মুছে দিতে চেয়েছেন চব্বিশের পূর্বের সব ইতিহাসকে মুছে দিতে চেয়েছেন এটা আপনি কিভাবে বুঝলেন? প্রফেসর ইউনুসকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু যাদুঘারটি কেন বিনষ্ট করা হয়েছে? তার ভাস্কর্য গুলো কেন ভেঙে ফেলা হয়েছে? পনের আগস্ট এর শোক দিবসের ছুটির কেন বাতিল করা হয়েছে? এসব বিষয়ে অনেক সমালোচনা আছে। অবশ্য অনেকে এটাও বলছেন যে শেখ মুজিবুর রহমান ফ্যাসিবাদের আইকন ছিল তাই তারা ভেঙেছে। প্রতিউত্তরে প্রফেসর ইউনুস বলেছেন আপনি পুরনো দিনের কথা বলছেন এর মধ্যে যে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়ে গেছে মনে হয় আপনার স্মরণে নেই আপনি এমনভাবে বলছেন যে কোন ঘটনা ঘটেনি। নতুন যা হচ্ছে সেটাকেওতো দেখতে হবে। কত ছেলের প্রাণ গেল সে সম্পর্কে তো আপনি কোন প্রশ্ন করছেন না। ছাত্ররা বলেছে আমরা রিসিট বাটন পুশ করেছি। এভরিথিং হেজ গন। অতীত নিশ্চিত ভাবে চলে গেছে। এখন নতুন ভঙ্গিতে আমরা গড়ে তুলবো। দেশের মানুষ তা চায়। আর এই জন্য সংস্কার করতে হবে। তার কোন বিবৃতি থেকে আপনি বুঝতে পারলেন যে আপনার দাবিটি সত্য। উনার সংস্কার এর মধ্যে কি আপনি রিসিট বাটনে পুশ করেছে ছাত্ররা এর উত্তর পাননি। সাংবাদিকের প্রশ্নের মধ্যে তো আছে যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে মানুষ ফ্যাসিস্ট এবং স্বৈরাচারের আইকন মনে করে। মানুষ কি আসলে শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙেছে? মানুষ কি শেখ মুজিবের জাদুঘারকে ভেঙেছে বরং মানুষ ভেঙেছে, শেখ হাসিনা তার বাবাকে যেভাবে যে ফ্যাসিস্ট এবং স্বৈরাচারের আইকন হিসেবে মানুষের কাছে উপস্থিত করেছিল সেটা। আপনাকে মনে রাখতে হবে শেখ মুজিবুর রহমান যেভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার পক্ষ নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময় তিনি কিন্তু সম্পূর্ণ ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আশঙ্কাকার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে নসাৎ করেছিলেন, বাকশাল কায়েম করেছিলেন -বাংলাদেশে একটি দল থাকবে অন্য কোন দল থাকবে না। বাংলাদেশের সরকারি চারটি সংবাদপত্র ছাড়া বাকি সবগুলো সংবাদপত্রকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। মানুষের বাক স্বাধীনতাকে কেড়ে নিয়েছিলেন। সিরাজ শিকদার সহ বামপন্থী অনেক রাজনৈতিক কর্মীকে হত্যার অভিযোগ আছে ওনার নামে এমনকি হেলিকপ্টার দিয়ে ভোট ডাকাতির অভিযোগ পর্যন্ত আছে এবং গুমের অভিযোগ আছে। আমার মনে হয় প্রফেসর ইউনুস বোঝাতে চেয়েছেন স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদকে মুছে ফেলা হয়েছে,শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করেছে সেখান থেকে বের হয়ে এসেছি, শেখ হাসিনা যে মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল সেখান থেকে আমরা বের হয়ে এসেছি, শেখ হাসিনা যে লক্ষ্য কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাচার করেছে সেটা থেকে আমরা বের হয়ে এসেছি, শেখ হাসিনা যে পুলিশ বাহিনীকে নিজের দলদাসে পরিণত করেছিল সেখান থেকে আমরা বের হয়ে এসেছি, শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশকে ভারতের সেবাদাসে পরিণত করেছিল সেখান থেকে আমরা বের হয়ে এসেছি। শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করেছিল সেখান থেকে বের হয়ে এসেছি। রিসিভ বাটনে ছাত্ররা পুষ করেছে সব মুছে গেছে এটা দিয়ে উনি কি বোঝাতে চেয়েছেন, আপনি উনার কাছ তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন? ব্যাখ্যা না চেয়েই আপনি নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করা শুরু করে দিলেন। নিজের কথাকে প্রফেসর ইউনুসের কথা হিসেবে চালিয়ে দিলেন। মীর জাফর আমাদেরকে মারাটা বর্গীদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল বলে তার বিশ্বাসঘাতকতাকে ভুলে যেতে হবে? মুসলিমলীগ সামন্তবাদী অত্যাচারী জমিদারদের থেকে বাংলার মানুষকে মুক্ত করার জন্য কি পরবর্তীতে মুসলিমলীগ যে বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধচারণ করেছিল তা ভুলে যেতে হবে?

আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধের করার যে কথাগুলো বারবার উঠছে সেই বিষয় সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানতে চাই এই প্রশ্নের উত্তরে আইনজীবী পান্না সাহেব বলেছেন আওয়ামী লীগের ইতিহাস ৭৫ বছরের ইতিহাস আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী একটি দল, পাকিস্তানের প্রথম বিরোধী দল। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের এমন কোন অঞ্চল নেই যেখানে আওয়ামী লীগের ১০ জন কর্মী পাওয়া যাবে না। রাষ্ট্র কেন আমার শিক্ষার মৌলিক অধিকার কেড়ে নেবে এটা কোন আধুনিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য না। এই সময় এটা অপেনস বা অপরাধ আমি খুনি হলেও আমার মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে পারে না রাষ্ট্র। মানসিক শান্তি পাওয়ার জন্য বেআইনিভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে পারে। আপনি কি মনে করছেন আওয়ামী লীগ পরবর্তীতে জামাত হয়ে যাবে বা কিংস পার্টিতে যোগ দেবে। নট এট অল। আমি এখন কোন দল করি না তবে তারপরও আমি মনে করি যদি কোন দল মৌলবাদী হয় বা অতি সন্ত্রাসী হয় তবে তাদেরকে আপনি আপনি নিষিদ্ধ করতে পারেন কিন্তু আওয়ামী লীগ তো তা নয়।
আমার প্রশ্ন হলো যে দলটি অতি সাম্প্রতিক হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করল তার সন্ত্রাসী হওয়ার জন্য তো এইটুকুনি যথেষ্ট আর আপনি বলছেন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী দল নয়। কোন দল কানা ছাড়া এরকম কথা কেউ বলতে পারে না। স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের চেয়ে বেশি মানুষ হত্যা করেছে কোন দল? স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী খুনি হাসিনাকেও কোন প্রশ্ন করলে সে পূর্বের ফিরিস্তি বলা শুরু করত। ভালো দিয়ে খারাপটাকে ঢাকার চেষ্টা করত। আপনিও এর ব্যতিক্রম করেননি। আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করি ধরুন একজন মুক্তিযোদ্ধা আরেকজন নিরপরাধ মানুষকে খুন করেছে তাহলে ওই মুক্তিযোদ্ধার বিচার রাষ্ট্রের করা কি উচিৎ? যদি হ্যাঁ হয় তাহলে আওয়ামী লীগের পূর্বের ভাল কর্মের জন্য বর্তমান অন্যায়ের বিচার কেন করা যাবে না? তারা বর্তমানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে। মানুষ হত্যার মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে আপনি কেন ভুলে যাচ্ছেন সেটা।


আপনি সংবিধান সংশোধনের তিনটি বিষয়ের কথা বলছেন সে বিষয়ে তিনটি কি কি?
উত্তরে পান্না সাহেব বললেন, অনুচ্ছেদ 70, নির্বাচন কমিশন এবং বিচার বিভাগের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা।
যেই সংবিধান ফ্যাসিবাদ চর্চার অনুমতি দেয়, স্বৈরাচারীতা প্রতিষ্ঠা করে সেই সংবিধানে এর চেয়ে বড় ত্রুটি আর কি হতে পারে? আপনি তিনটি অনুচ্ছেদ এর সংশোধন করেই সংবিধানের সংশোধন করে ফেলতে চাচ্ছেন। সাতদলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চের নতুন সমন্বয়ক রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, এই সংবিধানের অপূর্ণতা যদি বলেন, তাহলে বলতে হবে এ সংবিধানে জনপ্রতিনিধি বলে কিছু নেই। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরে জনপ্রতিনিধিরা দলীয় প্রতিনিধিতে এবং আরো স্পষ্ট করে বললে প্রধানমন্ত্রীর আজ্ঞাবহ প্রতিনিধিতে পরিণত হয়। সংবিধানে শান্তিপূর্ণ পথে বা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বদলের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সরকার এবং সরকার প্রধানের জবাদিহিতার কোন ব্যবস্থা নেই। রাষ্ট্র, সরকার এবং সরকারি দলের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। স্থানীয় সরকার বলে কোন প্রতিষ্ঠান নেই। রাষ্ট্রের আয়-ব্যায় তথা জনগণের সম্পদের হিসাব রাখার মতো স্বাধীন অডিট বিভাগ নেই। সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে তোয়াক্কা না করে বিচার করার মত বিচার বিভাগ গড়ে উঠার সুযোগ দেওয়া হয়নি। পুলিশ এবং প্রশাসনকে সরকারের দলীয় প্রতিষ্ঠানের বদলে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে দেয়নি। অর্থনৈতিক আইন-কানুন- প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরকার এবং সরকার সংশ্লিষ্টদের লুটপাট-অপচয় এবং পাচারের সহায়তা ছাড়া স্বাধীনভাবে দাঁড়াতে দেয়নি। জনগণের মৌলিক অধিকার, নাগরিক অধিকার ভোগের কোন নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি ইত্যাদি ইত্যাদি, এমন অজস্র অপূর্ণতার উদাহরণ দেওয়া যায়। এত অসঙ্গতির পরেও এই সংবিধান আপনার কাছে বাইবেল হয়ে গেল!

আমরা এমন একটি সংবিধান চাই যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার আইন-কানুন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে এমনভাবে বিন্যস্থ করতে হবে যাতে এদেশে সাম্য-মানবিক মর্যাদা এবং সমাজিক ন্যায় বিচার এবং গণতন্ত্রকামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সে জন্যেই সংবিধানে মৌলিক অধিকারকে নিরংকুশ অর্থাৎ শর্তহীন করতে হয়। আমরা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, এবং চিকিৎসা অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসাবে ঘোষণা করতে চাই এবং স্বীকৃত সকল মৌলিক অধিকারকে বিদ্যমান নানা শর্তের জাল থেকে মুক্ত করতে চাই, যাতে সংখ্যাগুরুর এবং সংখ্যলঘুর রাজনৈতিক অধিকারে কোন পার্থক্য তৈরি না হয়।

ভয়েস অফ আমেরিকাকে মুহাম্মদ ইউনূস: ‘সরকারের মেয়াদ কী হবে সেটা সরকারই বলবে’ ভয়েস অফ আমেরিকার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন সরকারের ম.....

08/10/2024

এবার দুর্গাপূজায় খুনি-লিগ-আওয়ামীলীগ জঙ্গি সেজে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ করতে পারে। তাই আমাদের সবাইকে এ ব্যাপারে সতর্ক প্রহরায় থাকতে হবে।
এর জন্য প্রত্যেকটি মন্দিরে আমাদের পাহারা বসাতে হবে।
প্রত্যেকটি মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতে হবে ও সেইসব ক্যামেরার দেখভাল করতে হবে।
প্রতিবেশী হিন্দুদের উপর কোন দুষ্কৃতিকারী যেন আক্রমণ না করতে পারে সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

05/10/2024

বিশ্বের সকল শিক্ষকদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা ।

Respect and love to all the teachers of the world.

30/09/2024

মাহমুদুর রহমান ফের জেলে
আমি বর্তমান সরকারের আইন উপদেষ্টা কে বলছি। আপনি কিসের ভিত্তিতে আইন উপদেষ্টা? আপনি জনগণের ইচ্ছা নামক আইনের ভিত্তিতে উপদেষ্টা? এটাই হল রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন যে আইনের ভিত্তিতে আপনি সরকারের উপদেষ্টা হতে পেরেছেন। সেই আইনের ভিত্তিতে কেন মাহমুদুর রহমানের প্রতি ন্যায় বিচার করা হলো না? শেখ হাসিনার আইনের দোহাই দিয়ে মাহমুদুর রহমানের মত একজন মজলুম মানুষের প্রতি আরো জুলুম করা হলো? অনেকে বলবেন যে আইন আপনি বোঝেন না জানেন না। এটা এমন না যে আইনের কথা বললে বুঝবো না, ন্যায্যতা বুঝবোনা, ন্যায়সঙ্গতা বুঝবোনা ব্যাপারটা এরকম নয়। কারণ আইন কোন রকেট সাইন্স নয়।

সবশেষে আবারো একটি প্রশ্ন করে শেষ করছি আপনি পূর্বের কোন আইনের ভিত্তিতে আইন উপদেষ্টা?দয়া করে জানালে খুশি হব।

25/08/2024

বিচারপতি মানিক

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Arambug, House-3, Road/3
Sylhet
3100