⌡ আলোর পথে অনুপ্রেরণা ₹

⌡ আলোর পথে অনুপ্রেরণা ₹

Share

প্রচার কর আমার পক্ষ হতে, যদি একটি কথাও (জানা থাকে)।
- আল হাদীস

12/10/2014

একদিন এক যুবক এক আলিমের কাছে আসল, এসে বলল-
"হুযুর আমিতো এক তরুণ যুবক, কিন্তু সমস্যা হল আমার মাঝে প্রবল খায়েশ কাজ করে।
আমি যখন রাস্তা দিয়ে চলা ফেরা করি তখন আমি মেয়েদের দিকে না তাকিয়ে পারি না। আমি এখন কি করতে পারি।"

তখন ঐ আলিম চিন্তা করল,
চিন্তা করার পর তাকে একটা দুধ ভর্তি গ্লাস দিল যার
পুরোটায় দুধে কানায় কানায় পুর্ণ ছিল এবং তাকে বলল–
"আমি তোমাকে বাজারের একটি ঠিকানা দিচ্ছি তুমি এই দুধটুকু সোজা সেখানে পৌছিয়ে দিয়ে আসবে।"

ঐ আলিম তাকে নির্দেশ দিল যে, গ্লাস থেকে এক ফোঁটা দুধও যাতে না পরে, তো যুবকটি বলল–
"তা কখনো হবে না।"

অতপর সে তার এক ছাত্রকে তার সহযোগী করে আদেশ দিল, তুমি তার সাথে বাজারে যাও এবং সে যদি যাওয়ার সময় এই গ্লাস থেকে এক ফোঁটা দুধ ফেলে তবে তাকে তুমি চরম ভাবে পিটাতে থাকবে।

ঐ যুবকটি সহজেই দুধটুকু বাজারে পৌছিয়ে দিল এবং এই সংবাদ হুযুরকে জানানোর জন্য সে দৌড়ে ছুটে আসল।

হুযুর জিজ্ঞাসা করল–
"তুমি যাওয়ার সময় কয়টি মেয়ের চেহারা দেখেছো?

যুবকটি সবিস্ময়ে বলল –
"হুযুর আমি তো বুঝতেই পারি নি আমার চারপাশে কি চলছিল। আমি তো এই ভয়ে ইতটস্থ ছিলাম যে, আমি যদি দুধ ফেলি রাস্তায় সমবেত মানুষের সামনে আমাকে মার এবং অপমানিত হতে হবে।"

হুযুর হাসল এবং বলল–
"মুমিনরা ঠিক এভাবেই আল্লাহকে ভয় করে এবং সে চিন্তা করে যদি সে আল্লাহর উপর বিশ্বাস ঐ দুধের
ন্যায় ছিটকে ফেলে তবে তিনি সুবহানাহুওয়া তায়ালা কিয়ামত দিবসে সমগ্র সৃষ্টিজগতের সামনে থাকে অপমানিত করবেন। এভাবেই সর্বদাই বিচার দিবসের চিন্তা মুমিনদের গুনাহ হওয়া থেকে বাঁচিয়ে রাখে।"

10/09/2014

সন্ধ্যা রাতে বাতি জ্বালিয়ে বই পড়ছে ছেলেটি। হঠাৎ তেলের অভাবে কুপিটি নিবে গেল। ছেলেটি তো চিন্তায় পরে গেল, কি করবে এখন? এমন সময় সে দেখতে পেল একজন প্রতিবেশীর রান্নাঘরের জানালা দিয়ে বাইরে কিছু আলো বেরিয়ে আসছে। ছেলেটি করলো কি,, সঙ্গে সঙ্গে বই নিয়ে বেরিয়ে সেই আলোকিত জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে একমনে বইটি পড়তে লাগলো।
এমন সময় সেই ঘরের কর্তী জানালা দিয়ে কিছু গরম পানি বাইরে ফেললেন। আর অমনি এক আর্ত চিৎকার।
চিৎকার শুনে সবাই ছুটে এলো আর দেখলো ছেলেটির শরীরে গরম পানি পড়েছে বং যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে।
এটা দেখে সবাই যেমন আশ্চর্য হলো তেমনি মর্মাহত হলো।

গৃহকর্তী ছেলেটির গায়ে ঔষধ লাগিয়ে বললো-
"বাছা তোমার পড়াশোনার জন্য যত তেলের দরকার হয় সব খরচ আজ থেকে আমি দেব। তুমি লেখাপড়া চালিয়ে যাও, লেখাপড়া করে অনেক বড় হও।"

হ্যাঁ!! ছেলেটি অনেক বড় হয়েছিল।
তিনি হলেন পারস্য কবি......
- শেখ সাদী (১১৭৫-১২৯১)

তার রচিত নাতে রাসূল হলো...
"বালাগাল ওয়ালা বে কামালেহী,,
কাশাফাদ্দোজা বে জামালেহী,,
হাসানাত জামিয়ো খেসালেহী,,
ছাল্লু আলাইহে অ-আলেহী।"

এটা আমরা মিলাদ মাহফিলে সবাই পাঠ করি।
সবচেয়ে মজার বিষয় হলো এই নাতে রাসূলটি শেখ সাদী স্বপ্নে পেয়েছিলেন।
---সুবহানাল্লাহ

08/09/2014

ফেরাউনের এক দাসী ছিল। সে কালেমা পরে গোপনে মুসলমান হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু মানুষের ঈমান বেশি সময় গোপন থাকে না।
দাসীর ঈমান ফাঁস হয়ে যায়। ফেরাউন তাকে দরবারে তলব করে। দাসীর দুইটি কন্যা সন্তান ছিল।
একটি দুগ্ধপোষ্য,অপরটি বড়। ফেরাউন তেল সংগ্রহ করে কড়াই আনায়। তারপর আগুই জালিয়ে কড়াইয়ে তেল ঢেলে গরম করতে থাকে। তেল ফুটতে শুরু করল।

ফেরাউন দরবারে বসিয়ে দাসীকে বলল,
"পথ দুটি। মূসার খোদাকে অস্বীকার কর অন্যথায় এই ফুটন্ত তেল বরণ করে নাও। আগে তোমার সন্তান দুটোকে টগবগে তেলে নিক্ষেপ
করব, পরে তোমাকেও। মূসার খোদাকে বাদ দিয়ে আমাকে মেনে নেও, আমি তোমার জীবনটা জান্নাতে পরিণত করে দিব।
বলো তোমার সিদ্ধান্ত কি?

দাসী বলল,
"এরা তো আমার দুটি সন্তান মাত্র। যদি আরো সন্তান থাকত, তুমি যদি তাদের সব জনকে ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করতে, তবুও আমি ঈমান থেকে একচুল নড়তাম না। তোমার যা করবার করো, আমি যা করেছি, বুঝে শুনেই করেছি।
মূসা আমার নবী আর আল্লাহ আমার রব।
আমি তোমাকে খোদা মানতে রাজি নই।"

ফেরাউন প্রথমে মহিলার বড় সন্তানটিকে তুলে টগবগে তেলের কড়াইয়ে নিক্ষেপ করে।
মুহূত্যমধ্যে শিশুটি ঝলসে যায়। তারপর দুগ্ধপোষ্য শিশুটিকে কোল থেকে কেড়ে নিয়ে তেলে নিক্ষেপ
করে। এই সন্তানটিও ফুটন্ত তেলে সিদ্ধ হয়ে মারা যায়। তবুও দাসী তার ঈমান এ অটল থাকেন।
এরপর ফেরাউন মহিলাকে তুলে তেলে নিক্ষেপ করে। মহিলা অটুট ঈমান নিয়ে মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌছে যায়।

মি'রাজের রাতে মহানবী (সাঃ) বাইতুল মোকাদ্দাসে দুই রাকাত নামায আদায় করে যখন আকাশের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন নিচ থেকে তিনি জান্নাতের ঘ্রাণ
অনুভব করেন। তিনি জিবরাইল (আঃ) কে জিজ্ঞেস করেন,
"ভাই জিবরাইল, আমি জান্নাতের সুঘ্রাণ পাচ্ছি যে..."
জিবরাইল (আঃ) বললেন,
"এই ঘ্রাণ ফেরাউনের দাসীর কবর থেকে আসছে।"

-সুবহান আল্লাহ।

এমন ঘটনা শুধু ইসলামেই সম্ভব!!!
--শেয়ার করে ছড়িয়ে দাও ইসলামের আলো (y)

Photos 30/06/2014

জাপানি নওমুসলিম নারী ‘কাওয়ারায়ি নাকাতা’।
তিনি সত্যকে পেয়েছিলেন অনেক চড়াই-উতরাইয়ের পর।

"আধ্যাত্মিক পরিবেশের আকর্ষণ আমাকে টেনে নিল মসজিদের ভেতরে। আমি ধীরে ধীরে পা ফেলছিলাম। আমার কানে ভেসে আসছিল এক বিশেষ আহ্বান বা সুসংবাদ। তাতে বলা হল যে তুমি শিগগিরই সত্যকে খুঁজে পাবে।"

এ কথাগুলো বলেছেন জাপানি নওমুসলিম নারী ‘কাওয়ারায়ি নাকাতা’। তিনি সত্যকে পেয়েছিলেন অনেক চড়াই-উতরাইয়ের পর। নাকাতা কখনও
ভাবেননি যে সত্যকে এভাবে খুঁজে পাওয়া যাবে।
জাপানি নওমুসলিম নারী ‘কাওয়ারায়ি নাকাতা’ কখনও স্রস্টা সম্পর্কে তেমন মনোযোগ দিয়ে ভাবনা-চিন্তা করেননি। এমন ভাবনার দরকার ছিল বলেও ভাবেননি কখনও। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন:

"আমার জীবনের সব কিছুই চলছিল ভালভাবে। আমি সৌভাগ্য অনুভব করতাম। কখনও আল্লাহর অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিনি। কিন্তু হঠাৎ আবিষ্কার করি যে আমার জীবন পুনরাবৃত্তিতে একঘেয়ে হয়ে আছে ও
জীবনের কোনো অর্থ নেই। তখন থেকেই
সত্যকে খুঁজতে থাকি। নানা ধর্মের প্রচারকরা আমার বাসায় এসেছেন বেশ কয়েকবার। সে সময় খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারের জন্য একজন মহিলা নিয়মিত আমার বাসায় আসতেন।
তিনি আমাকে বাইবেল শেখাতেন ও আমিও খুব আগ্রহ নিয়ে তা শিখতাম। কিন্তু আমি যার খোঁজ করছিলাম তা পেলাম না।”

নওমুসলিম মিসেস নাকাতা আরো বলেছেন: "‘আমি বসবাস করতাম কিয়েটো নামক ঐতিহাসিক শহরে। এই শহরে রয়েছে নানা ধরনের উপাসনালয়। আমাদের বাসভবনের কাছেই ছিল একটি ইবাদত কেন্দ্র বা উপাসনালয়। আমি প্রতিদিন সকালে সেখানে যেতাম ও প্রার্থনা করতাম। তিন মাস ধরে প্রতিদিন এই প্রার্থনা অব্যাহত রেখেছিলাম।
সত্যের সন্ধানেই এই প্রার্থনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। দোয়ায় মনোযোগ নিবিষ্ট বা কেন্দ্রীভূত করা ছিল বেশ কঠিন।
তবে তা ছিল খুবই আনন্দদায়ক। কিন্তু কিছুদিন পরই অনুভব করলাম যে আমার ভেতরের জগত ও বাইরের বাস্তবতার মধ্যে রয়েছে ব্যাপক ব্যবধান। তাই আমি হতাশ হয়ে পড়ছিলাম। অথচ আমি উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে জীবন যাপন করতে আগ্রহী ছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমার
প্রচেষ্টায় কোনো ফল হয়নি।’"

এর কিছুকাল পর নওমুসলিম মিসেস নাকাতা জীবনের গতিপথ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। পড়াশুনা অব্যাহত রাখার জন্য তিনি ফ্রান্সে যান। আর এখানেই ঘটে তার জীবনে যুগান্তকারী গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এ প্রসঙ্গে নাকাতা বলেছেন:

"ফ্রান্সে পরিচিত হই এক মুসলমানের সঙ্গে। তিনি নিজের ধর্ম ইসলামকে গভীরভাবে ভালবাসতেন ও সমস্ত শক্তি আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে এ ধর্মের পক্ষে কথা বলতেন। তার ওই দৃঢ়টা ও আত্মবিশ্বাস দেখে আমার নিজের জন্য অনুশোচনা হত। কারণ, আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে আত্মিক প্রশান্তি খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। আর এ জন্য অনেক গবেষণা ও পড়াশুনার পর যখন হতাশায় ডুবে ছিলাম তখন দেখলাম যে এই মুসলমান ইসলামকে ভালবাসতেন গভীরভাবে ও এর ছায়াতলে মানসিক প্রশান্তি অনুভব করছেন। তাই আমি ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে গবেষণার সিদ্ধান্ত নিলাম যাতে এ ধর্মের অনুসারীদের এত গভীর আত্মিক প্রশান্তির উৎস সম্পর্কে জানতে সক্ষম হই। সে সময় পর্যন্ত অনেক ধর্ম আমাকে আকৃষ্ট করলেও ইসলামের প্রতি একবারও
আকৃষ্ট হইনি।’"

জাপানি নওমুসলিম মিসেস নাকাতা ফরাসি ভাষায় অনূদিত পবিত্র কুরআনের একটি কপি সংগ্রহ করেন ও তা পড়তে থাকেন। এ মহাগ্রন্থ পড়ার সময় তিনি অনুভব করেন যে, এ আসমানি বই পড়ার জন্য কারো সাহায্য নেয়া জরুরি। ফলে হঠাৎ বিদ্যুতের মতই নাকাতার মাথায় এক
ঝলকের মধ্যে ভেসে উঠল সেই মুসলিম মহিলার মুখখানি। ফলে তিনি মুসলমানদের ইবাদত-কেন্দ্র
তথা মসজিদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। নাকাতা এ
প্রসঙ্গে বলেছেন:

‘"অবশেষে একদিন মসজিদে গেলাম। মসজিদের পরিবেশ ছিল আমার জন্য এক অচেনা ও অপরিচিত জগত। কিন্তু বিস্ময়কর এক প্রশান্তি অনুভব করলাম। মসজিদটি ছিল এক বিশেষ আধ্যাত্মিক সুরভিতে ভরপুর। নীরবতা সেই
পরিবেশকে করেছিল আরো প্রাণস্পর্শী ও মধুর।
প্রাণজুড়ানো সেই আধ্যাত্মিক পরিবেশের আকর্ষণ আমাকে টেনে নিল মসজিদের ভেতরে।
ধীরে ধীরে পা ফেলছিলাম। আমার কানে ভেসে আসছিল এক বিশেষ আহ্বান বা সুসংবাদ। তাতে বলা হল যে তুমি শিগগিরই সত্যকে খুঁজে পাবে।’
এ সময় মসজিদের বারান্দায় বই-পুস্তকের একটি ছোট্ট দোকান দেখলাম। কাছে গিয়ে বিক্রেতাকে বললাম:
‘আমি এমন একজনকে খুঁজছি যে ইসলামকে আমার
কাছে পরিচিত করবে। সে আমাকে মসজিদের
লাইব্রেরিতে নিয়ে গেল। সেখানে পৌঁছে দেখলাম যে একদল মুসলিম মহিলার জন্য ধর্ম বিষয়ক ক্লাস চলছিল এবং তা মাত্র কিছুক্ষণ আগে শেষ হল। সেই প্রথম আমি হিজাব পরিহিতা কোনো মুসলিম নারীকে দেখেছিলাম।
তারা আমার প্রস্তাব শুনে খুব খুশি হয়ে আমাকে স্বাগত জানালেন। তারা ছিলেন সবাই সক্রিয়, প্রাণোচ্ছল ও প্রফুল্ল। তাদের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী প্যারিসে যে কয়েকটি বৈঠক হত তাতে উপস্থিত হতাম। মুসলমানদের এইসব বৈঠকে আমার উপস্থিতি ধীরে ধীরে আমার মানসিকতাকে বদলে দেয় এবং বেশ কিছু বই পড়ার পর ইসলাম সম্পর্কে আমার ধারণা বদলে যায়। আমি বুঝতে পারলাম যে ইসলামে কোনো কিছুই জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয় না।

ইসলাম জীবন যাপনের যৌক্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পথ দেখায়। কোনো কোনো ধর্ম বা মতবাদ সব ধরনের বস্তুগত, জৈবিক বা পার্থিব চাহিদাকে উপেক্ষা করে কেবল পারলৌকিক বিষয়কে গুরুত্ব দেয়। কিন্তু ইসলাম আত্মা ও শরীরের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে বলে। অর্থাৎ ইসলাম
আত্মিক ও শারীরিক উভয় চাহিদাকেই গুরুত্ব দেয়।’
জাপানি নওমুসলিম মিসেস নাকাতা ইসলাম সম্পর্কে ব্যাপক গবেষণার পর এ ধর্ম সম্পর্কে নানা বাস্তবতা উপলব্ধি করতে সক্ষম হন।

তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘ইসলাম অর্থ আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ। ইসলামের দৃষ্টিতে প্রত্যেক মানুষের মূল্য নির্ভর করে তার ঈমান ও সৎ কর্ম সম্পাদনের ওপর।
যখন খ্রিস্ট ধর্মের পেছনে ছুটতাম তখন এ ধর্মের পক্ষ থেকে বলা হত যে আমাদের পাপগুলো জন্মগত। অথচ এ কথা আত্মিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে মোটেই যৌক্তিক বা বোধগম্য নয়। কিন্তু ইসলাম বলে সব মানুষই জন্মগতভাবে পবিত্র ও নিরপরাধ; আর পরবর্তীকালে প্রত্যেক মানুষ নিজেই তার পাপের জন্য দায়ী। আর এ কথা খুবই যৌক্তিক। ইসলাম খুবই সহজ ও স্বচ্ছ ধর্ম। এ ধর্মে কোনো জটিল তত্ত্ব নেই।’

জাপানি নওমুসলিম মিসেস নাকাতা মুসলমানদের
সমাবেশে উপস্থিত হয়ে বেশ আনন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করছিলেন। যেসব মুসলিম মহিলা তাকে পথ প্রদর্শন বা গাইড করছিলেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন নাকাতা এবং মুসলমানদের প্রথা ও রীতিগুলো রপ্ত করে নেন তাদের কাছে। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন:
"আমি তাদের সঙ্গে মসজিদে যেতাম ও তাদের চাল-চলন বা গতিবিধি খুব আগ্রহ নিয়ে লক্ষ্য করতাম। অনেক সময় তাদের সম্মান দেখানোর জন্য তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নামাজের অঙ্গভঙ্গিগুলো করে যেতাম যদিও নিজেও বুঝতাম না যে নামাজ আদায় করছি। মুসলমানদের
আলোচনা অনুষ্ঠানগুলোতেও অংশগ্রহণ করতে থাকি।
যেসব বক্তব্য শুনতাম সেসবকে আমার হৃদয় যেন
শুকনো মাটি বা বালির দ্রুত পানি শুষে নেয়ার মতই গ্রহণ করত। এসব বক্তব্য আমাকে দিত আধ্যাত্মিক আনন্দ।
ধীরে ধীরে অনুভব করলাম যে বহু বছর ধরে আমি যে সত্যের সন্ধান করছি তা পেয়েছি। অবশ্য এ জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। যতই ইসলাম সম্পর্কে বেশি তথ্য জানছিলাম ততই এ ধর্মকে গ্রহণের ইচ্ছাও আমার মধ্যে জোরদার
হচ্ছিল।

অবশেষে এই সাক্ষ্য দিলাম যে, আল্লাহ এক এবং মুহাম্মাদ (সা.) তাঁর রাসূল। ‘

নামাজ মিসেস নাকাতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। তার মতে নামাজ মানুষের বিশ্বাস বা ঈমানকে সুদৃঢ় করে। মুসলমান হওয়ার পর প্রথম নামাজ আদায়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে নাকাতা বলেছেন:
‘যখন প্রথমবার সিজদার উদ্দেশ্যে কপাল মাটিতে রাখলাম এক ও দয়ালু আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে তখন আমার মধ্যে দেখা দিয়েছিল অসাধারণ অনুভূতি এবং নিজের মাথা জমিন থেকে ওঠাতে পারছিলাম
না। যখনই সিজদায় যেতাম তখনই আল্লাহর অস্তিত্বকে ও ঈমান বা বিশ্বাসের অর্থকে বেশি মাত্রায় অনুভব করতাম। আর এটা ছিল এক সুন্দর আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা যা আমি অন্য ধর্মগুলোর মধ্যে পাইনি।’

জাপানি নওমুসলিম মিসেস নাকাতা কিছুকাল পর মিশরে যান আরবী ভাষা ও ইসলামী শিক্ষা আরো ভালোভাবে রপ্ত করার জন্য। আরবী ভাষা ভালোভাবে বোঝার পর নাকাতা কুরআনের বাণীর অর্থগুলো আরো ভালোভাবে উপলব্ধি করতে থাকেন:
তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, আরবী ভাষা মোটামুটি বোঝার পর কুরআনের সৌন্দর্য আমাকে বিমুগ্ধ করছে। কুরআনের
বিষয়বস্তুগুলো ছাড়াও এর সুরও অশেষ সৌন্দর্যে ভরপুর।
কুরআন বার বার পড়লেও ক্লান্ত হওয়া তো দূরের
কথা বরং আমার অন্তর যেন সৌভাগ্যের সাগরে অবগাহন করতে থাকে। মহান আল্লাহ আমাকে এই সৌভাগ্য নসিব করেছেন বলে আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ এবং আমি ইসলামকে আমার দেশের জনগণের কাছে তুলে ধরছি। যে সৌভাগ্য কেবল এক আল্লাহকে চেনা ও জানার মাধ্যমে পাওয়া যায় সে সৌভাগ্য তারাও অর্জন
করুক- এই আমার প্রার্থনা। আমি সুনিশ্চিত যে আল্লাহর ওপর ভরসার সুবাদে সব কিছুই ঠিক হয়ে যাবে।

#রেডিও_তেহরান

28/06/2014

▓▒░░আল কুরআনের আলো░░▒▓

“আমি মূসার জাতিকে ১২টি গোত্রে বিভক্ত করেছিলাম, যখন মূসার সম্প্রদায় তার কাছে পানি চেয়েছিল, তখন আমি তাঁর কাছে এ ওহী বা প্রত্যাদেশ নাজেল করেছিলাম যে,
তুমি নিজ লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর, এর ফলে ওই পাথর থেকে ১২টি ঝর্ণা বের হলো এবং প্রত্যেক গোত্র নিজ নিজ পানি পানের স্থান চিনে নিল। আমি তাদের ওপর মেঘের
ছায়া দিয়েছিলাম এবং তাদের কাছে মান্না ও সালওয়া নামের দু’ রকম খাবার পাঠিয়েছিলাম।
তাদের বলেছিলাম, এ পবিত্র খাদ্যগুলো তোমাদের রিজিক, তোমরা তা খাও। কিন্তু ওরা তাদের অকৃতজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের ওপর নয়, বরং নিজেদের ওপরই জুলুম করেছিল।” -
সূরা আ'রাফ (আয়াত-১৬০)।

হিব্রু ভাষায় ইসরাইল শব্দের অর্থ আল্লাহর দাস এবং এ শব্দ দিয়ে হযরত ইয়াকুব (আ.) কে বোঝানো হত। তাই বনী ইসরাইল শব্দের অর্থ
হলো হযরত ইয়াকুবের বংশধর। ইয়াকুব (আ.)’র ১২ সন্তান ছিল। এ ১২ জন সন্তান থেকে বনী ইসরাইলের ১২ টি গোত্র সৃষ্টি হয়।

মহান আল্লাহ এ আয়াতে বলছেনঃ হযরত মূসা (আ.) ’র সেই বিখ্যাত হাতের লাঠি যা দিয়ে নীল নদে আঘাতের ফলে বনী ইসরাইল এ নদ অতিক্রম করতে পেরেছিল, ওই লাঠি দিয়ে হযরত মূসা (আ.) পাহাড়ের পাথরে আঘাত করলে সেখান থেকে ১২টি ঝর্ণা সৃষ্টি হয়। বনী ইসরাইল একটি মরুভূমিতে ৪০ বছর ধরে জীবন যাপন
করতে বাধ্য হয়েছিল, সে সময় বহুবার
মেঘমালা তাদের মাথার ওপর ছাউনির
মতো বিস্তৃত হয়ে তাদেরকে প্রখর তাপ থেকে রক্ষা করেছে এবং হালাল গোশতের পাখীরা ঐ মরুভূমিতে নেমে এসে তাদের খাদ্যের চাহিদা যুগিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এতোসব নেয়ামত ও অলৌকিক নিদর্শন সত্বেও
বনী ইসরাইলের বিপুল সংখ্যক লোক
অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল এবং তারা হযরত মূসা (আ.)’র আদেশ অমান্য করতো।

এ আয়াতের শেষাংশে বলা হয়েছে- মানুষ যেন
এটা না ভাবে যে আল্লাহর বিধান অমান্য করে আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পেরেছে, বরং বাস্তবে তারা নিজের ওপরই জুলুম করেছে এবং নিজেরাই নিজের ক্ষতি করেছে।

এ আয়াত থেকে আমাদের মনে রাখা দরকার:
এক. মানুষের লক্ষ্যের মধ্যে যদি একতা থাকে, তাহলে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হলেও ক্ষতি হয় না। বরং কাজ ভাগ করে দেয়ার জন্যে এবং সামাজিক বিষয়গুলোকে সহজ করার জন্যে অনেক সময় গোত্রীয় বা দলগত
বিভক্তি জরুরী।

দুই. বিভিন্ন সংকট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে নবীগণের ওসিলা ধরা তৌহিদ বা একত্ববাদের বিরোধী নয়, বরং এভাবে দোয়া চাইলে সহজে দোয়া কবুল হয়।

তিন. মহান আল্লাহ হালাল ও ভালো খাবার পাওয়া মানুষের জন্যে সহজ করে দিয়েছেন এবং মানুষকে হারামের পেছনে ছুটতে নিষেধ করেছেন। যখন হালাল জিনিষ পাওয়া হারাম জিনিষ পাওয়ার চেয়ে সহজ তখন হারামের পেছনে ছোটার তথা আল্লাহর আদেশ অমান্য করার কি কোনো দরকার আছে?

17/04/2014

মৃত্যুর পরও উপার্জনের উপায়:

১.একটা "কুরআন শরিফ" কাউকে দান করেন, প্রতিবার
কেউ যখন ওটা পড়বে আপনি লাভবান হবেন।

২.একটা হাসপাতালে হুইল চেয়ার দান করুন প্রতিবার যখন একজন অসুস্থ মানুষ এতে বসবে আপনি লাভবান হবেন।

৩.একটি মসজিদ তৈরিতে অংশ নিন। যত মানুষ সেই
মসজিদে নামায পড়বে আপনি লাভবান হবেন

৪.জনসমাগম এর স্থানে পানির ব্যবস্থা করুন...
আপনি লাভবান হবেন।

৫.গাছ লাগান,আপনি লাভবান হবেন যখন কোন মানুষ
বা প্রাণী এর ছায়াতে বসবে বা এটা থেকে ফল খাবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দেখুন কেউ যদি এটা পালন করে তাহলে আপনি লাভবান হতে পারেন...!!!

Photos 07/04/2014

হে মুসলীম ভাই বোনেরা নিচের পোস্টা গুরুত্ব
সহকারে পড়ুন!!!
ইমানী দায়িত্ব হিসাবে পোস্টা Share করে সবাইকে জানান এবং সচেতন করেন!!

ছবিটা হচ্ছে জায়নামাজের।
আমাদের নামাজ পড়ার জায়নামাজে ৩টা ছবি অঙ্কিত করে বাজারজাত করেছে যা দূর থেকে বুঝা যায়না।
খুব কাছে থেকে বুঝা যায়।

#তিন ধরণের ছবি হলো
১. শুকুরের মাথার আকরিতি।
২. মসজিদের মিনারের উপর ক্রোশ চিহ্ন।
৩. কাবা শরীফের আকরিতিতে মানুষের রুপ।

#এ সমস্ত জায়নামাজ নিজে বর্জন করি। এবং অন্য কারো কাছে দেখলে বর্জন করতে বলি।

Photos 24/02/2014

বলুন এটাই শেষ সিগারেট
• আপনি জানেন, কোনো জন্তু বা পাখি তামাক গাছের নিকটবর্তী হয় না!
• আপনি জানেন, কয়েক ফোঁটা নিকোটিন একটি কুকুর হত্যার জন্য যথেষ্ট!
• আপনি জানেন, ধূমপায়ী নিজের টাকায়
নিজকে হত্যা করছে!
• আপনি জানেন, ধূমপান প্রায় ২৫টি রোগের কারণ, প্রত্যেক রোগ, জীবনের জন্য বড় হুমকি!
• আপনি জানেন, প্রতি বছর তামাকের কারণে আমেরিকায় ৪২০ হাজার মানুষ মারা যায়।
• আপনি জানেন, প্রতি বছর তামাকের প্রচার ও বিজ্ঞাপন খরচ হিসেবে ৪ মিলিয়ন ডলার অপচয় হয়!
• আপনি জানেন, ৭৫% অপরাধী ধূমপায়ী, আপনি কি তাদের একজন হতে চান!
• আপনি জানেন, আপনার ধূমপানের টাকা দিয়ে দু’দিন পরপর একটি কুরআন খরিদ করে মসজিদে দান করতে পারেন! চিন্তা করে দেখেছেন কুরআন খরিদ করার পরিবর্তে কি পরিমাণ টাকা ধূমপানের পেছনে ব্যয় করছেন!
• আপনি জানেন, এমন কোনো ধূমপায়ী নেই যে ধূমপানের জন্য অনুশোচনা করে না, ধূমপান থেকে মুক্তির পথ খোঁজে না!
• আপনি জানেন, উন্নত দেশে ধূমপানের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ!
• আপনি জানেন, ব্রিটেন তার ভূমিতে তামাক চাষের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে!

আল্লাহ তা'য়ালা বলছেন-
"তিনি তাদেরকে নির্দেশ দেন সৎকর্মের, বারণ করেন অসৎকর্ম থেকে; তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষনা করেন ও নিষিদ্ধ করেন হারাম বস্তুসমূহ।"
_____[সূরা আল আ’রাফ -১৫৭]

"নিজের জীবনকে ধ্বংসের সম্মুখীন করো না।"
[সূরা আল বাক্বারাহ -১৯৫]

অতএব সাহসী হোন, ‘এটাই শেষ সিগারেট’ ঘোষণা করুন।

Share iT (y)

Photos 24/02/2014

আমরা জীবনে বহু পরিকল্পনা করি, কিন্তু আমাদের প্রতিটি কাজ বাস্তবায়িত করার দায়িত্ব আমাদের রবের।
এবং অবশ্যই তাঁর প্রতিটি পরিকল্পনা তাঁর বান্দার মঙ্গলের জন্য!

"আর পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে আল্লাহ্ই শ্রেষ্ঠ।"
[সূরা আল- আনফাল -৩০]

Photos 09/02/2014
Photos 08/02/2014

মহাবিশ্বজুড়ে যে কতই না সৃষ্টির রহস্য লুকিয়ে আছে?
এই সবই মহানআল্লাহ তায়ালার ইশারায় সৃষ্টি.....
কিন্তু একটা আশ্চর্য ব্যাপার কি জানেন? এইসব ই তিনি শুধু মাএ মানুষের জন্যে সৃষ্টি করেছেন ....
সুবাহান আল্লাহ ........

Photos 01/02/2014

-- বিগ ব্যাং, বিগ ক্রাঞ্চ এবং আল কোরআন --
২০ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত মহাবিশ্ব সম্পর্কে সারা পৃথিবীতে এ ধারনা প্রচলিত ছিল
যে, এই মহাবিশ্ব অসীম এবং চিরস্থায়ী এবং সব সময়ই তা এমন থাকবে। এই মতবাদটি
"Static Universe Model" নামে পরিচিত
যাতে বলা হয়েছিল এই মহাবিশ্বের কোন শুরু বা শেষ নেই।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে এই মডেল ভুল প্রমাণিত হয়। বর্তমান ২১ শতকে পৃথিবীর প্রখ্যাত কিছু বিজ্ঞানী এবং গবেষকের অক্লান্ত পরিশ্রম, পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং গানিতিক গণনার ফলশ্রুতিতে আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি এই মহাবিশ্বের একটি শুরু আছে। এটি শূন্য থেকে তাৎক্ষণিক এক মহাবিস্ফোরণের (Big Bang) মাধ্যমে সৃষ্টি।

আমারা আরও জানতে পারি যে এই মহাবিশ্বের
একটি শুরু যেমন আছে তেমনি এর শেষও আছে।
এটি স্থায়ী স্থির নয়। এটি ক্রমাগত সম্প্রসারণশীল, পরিবর্তনশীল এবং একটি নির্দিষ্ট গতিতে গতিশীল।

মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে কোরআনে বলা আছে,
"যারা (নবীর কথা মেনে নিতে) অস্বীকার করেছে তারা কি চিন্তা করে না যে, এসব আকাশ ও পৃথিবী এক সাথে মিশে ছিল, তারপর আমি তাদেরকে আলাদা করলাম এবং পানি থেকে সৃষ্টি করলাম প্রত্যেকটি প্রাণীকে। তারা কি
(আমার এ সৃষ্টি ক্ষমতাকে) মানে না?"
__________আল কোরআন ( ২১:৩০)

কোরআনের এই কথাটি বৈজ্ঞানিকদের প্রাপ্ত তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর থেকে ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা মত প্রকাশ করেছেন যে যখন মহাবিশ্বের সর্বমোট ভর একটি নির্দিষ্ট সীমাতে পৌঁছাবে তখন মহাকর্ষীয় আকর্ষণের কারনে এই সপ্রসারনের
সমাপ্তি ঘটবে এবং এটি নিজের ভেতর সঙ্কুচিত
হতে থাকবে। তারা ধরনা করছেন এই সংকোচনশীল মহাবিশ্ব পরিশেষে প্রচণ্ড তাপে পরিণত হবে।
অর্থাৎ ভর পরিবর্তিত হয়ে তাপে বা শক্তিতে পরিণত হবে। এই থিউরি কে বলা হয় “Big Crunch”।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর Renata Kallosh এবং Andrei Linde
বিষয়টিকে এভাবে ব্যাখ্যা করেন,
"এই মহাবিশ্ব ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে একসময়
শূন্যে মিলিয়ে যাবে। আমাদের মহাবিশ্বের সবকিছু সংকুচিত হয়ে একটি প্রোটনের চেয়ে ক্ষুদ্র বিন্দুতে পরিণত হবে। তখন কিছু ডার্ক এনার্জির সৃষ্টি হতে পারে যা ক্রমান্বয়ে ঋণাত্মক হতে থাকবে এবং মহাবিশ্বকে অস্থিতিশীল করবে এবং একসময় সংকুচিত করবে। আমরা এখন মহাবিশ্বকে যেমনটা দেখছি তাতে ধারণা করা যায় আমরা মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং ধবংস চক্রের মাঝামাঝিতে আছি।"

বিজ্ঞানীদের এই অনুমিত Big Crunch
থিউরি সম্পর্কে কোরআনে বলা হয়েছে,

"সেদিন, যখন আকাশকে আমি এমনভাবে গুটিয়ে ফেলবো যেমন বাণ্ডিলের মধ্যে গুটিয়ে রাখা হয় লিখিত কাগজ, যেভাবে আমি প্রথমে সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম ঠিক তেমনি ভাবে আবার তার পুনরাবৃত্তি করবো, এ একটি প্রতিশ্রুতি, যা আমার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত এবং এ কাজ আমাকে অবশ্যই করতে হবে।"
_____________আল কোরআন ( ২১:১০৪)

Big Crunch অনুযায়ী এই মহাবিশ্ব প্রথমে ধীর
গতিতে সংকুচিত হতে থাকবে। ডার্ক এনার্জি যত
বাড়তে থাকবে তত এই সংকোচন গতিও বাড়তে থাকবে। এই প্রক্রিয়ার শেষে এই মহাবিশ্ব প্রচণ্ড শক্তিতে পরিণত হবে। এই বিগ ব্যাং এবং বিগ ক্রাঞ্চ থিউরি যা কিছু দিন আগে আবিষ্কৃত হলো কোরআন এ সম্পর্কে বলেছে ১৪০০ বছর আগে। কারন কোরআন হচ্ছে মহান
আল্লাহতায়ালার বাণী।

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Sylhet
3170