E-নারী

E-নারী

Share

নারীবাদী

29/03/2022

Anyone interested in Skill Share Premium.

11/06/2021

কি বলবে এ মন?
ভালোবাসি কতটা?
জানুক না বিধাতা,
জানুক সবে আপনি ছাড়া,
ভাষার বিপ্লব তো আর প্রেমে আসে না।
বিপ্লবী কাব্যিক প্রেম আসে বিচ্ছেদেই।
আপনি বিচ্ছেদ চান বলেই ভালোবাসি,
আমার শিরচ্ছেদ করছেন জেনেও কবিতায় আপনাকেই লিখি,
না জানলেন আপনি,
কি আর বলি আপনাকে?
আপনার অনুপস্থিতিতে আমার নিঃশ্বাস হাজিরা খাতায় নাম সাক্ষরেও নারাজ,
দাবী তাদের একটাই আপনাকে চাই।

নাইবা জানলেন আপনি,
জানুক কেবল বিধাতা।তথাকথিত প্রেম তো আমার, আপনার সাথে হয়নি।ভালোবাসা এসেছিল এক বৈশাখে,
এরপর আর কোনো,
ফাগুনের প্রথম তারিখ, আমার দিন পঞ্জিকা দেখেনি।

আপনি চলে যান,
হোক শিরচ্ছেদ কিংবা ব্যবচ্ছেদ,
আমার বুকে তথাকথিত প্রেমের জায়গা নাই।
আমি কেবল আপনাকে লিখি নয়তো আপনি কবিতা হন।
আপনাকে ভালোবাসি যে,
নাইবা জানলেন আপনি,
সবই আমার বিধাতা জানেন।

লেখাঃভালোবাসি
(নক্ষত্র সমাচার)
মনিকা জাহান

27/05/2021

একজন মানুষের জীবনের সব থেকে খারাপ সময় হচ্ছে অবহেলায় কাঁদার সময়টা।
সেদিন আর পরিবারও একা ঘুমাতে দেয় না।বারংবার প্রশ্ন করে কি হয়েছে? কিন্তু উত্তর আসে না।এরপর আপনার প্রচুর কান্না পেলে আপনাকে যখন কাঁদতে হবে শুয়ে থাকা আপনজনকে লুকিয়ে এ যেন অসম্ভব।কিন্তু ধরেন তবুও না ভেবে করেই ফেললেন।আপনি হু হু করে কাঁদছেন অমনি দেখবেন আপনার পাশেরজন মা-বাবা, বন্ধু কিংবা ভাইবোন নিজের ঘুম বিসর্জন দিয়ে উঠে বসে আছে।প্রতিনিয়ত জিজ্ঞেস করেই চলেছে কি হইছে প্রত্যুত্তরে আপনিও বলে যাচ্ছেন কিছু না,এমনিই ভালো লাগছে না।তারপর শান্তিতে কাঁদতে না পারায় দমবন্ধ মুগ্ধতায় ভাড়ি বুক নিয়ে শুয়ে পড়লেন।সারারাত এপাশ ওপাশ করলেন।ঘুমের ঔষধ খেলেন এবং পাশেরজনকে সুখী করতে ঘুমানোর নাটক করলেন কিন্তু আপনার চোখ তখনও লাল অগ্নশিখার মতো।এই বুঝি ও চোখের আগুনে ছাই হয়ে যাবে সবকিছু।আপনিই বলুন যাকে ভালোবেসে এসব করছেন সে আপনাকে খুব সহজেই ছেড়ে দেয়নি?দিয়েছে।তবে?কাঁদেন কেন?আমি জানি আপনি বলবেন জানিনা।হ্যাঁ সমস্যাটা এখানেই।কোনো একদিন আপনিও এর মানে জানবেন সেদিন আর আপনিও মানুষ থাকবেন না।মানুষকে সৃষ্টি করাই হয়েছে ভালোবাসার জন্য ভালোবাসা দিয়ে তো ভালোবাসবেন না কেন বলুন তো?যেদিন সব জেনে ভালোবাসতে ভুলে যাবেন সেদিন আর আপনিও মানুষ থাকবেন না।যারা ভালোবাসার পিন্ডি চটকিয়েছে তারা শুধু মানসিকভাবে শেষ হয়ে গেছে কিংবা কাউকে শেষ করে দিয়েছে।

সাবধান হউন,ভালোবাসার অনুশীলন করুন।আজ নয়তো কোনো একদিন আপনি,হ্যা,আপনিই জিতে যাবেন।
িকাজাহান

09/05/2021

যেদিন ভুলকে আর ফুল মনে হবে না,
আর ফুলকে ভুল ভেবে দূরে ঠেলে দিবেন না,

সেদিনই জেনে নিবেন আপনি মানসিকভাবে বড় হয়ে গেছেন।

শারীরিকভাবে বেড়ে উঠা সহজ হলেও মানসিকভাবে বেড়ে উঠাটা সবাইকে দিয়ে হয় না।

তবে আমি চাইবো আপনিই হউন পরবর্তী সৌভাগ্যবান যে ভুল কে ভুল বলেই জানবে।

িকাজাহান
#একপেয়ালাজীবন
#প্রতিশ্রুতি

07/05/2021

হে আল্লাহ,
আমি যা কিছু চেয়েছি এবং যা কিছু চাইতে ভুলে গেছি আপনি আমাকে সব দেন।

হে আল্লাহ,
আপনি আমার আত্মীয়-অনাত্মীয় আপন পর সবাইকে হেফাজতে রাখুন,হেদায়েত দান করুন।

আমাদেরকে আলোকিত করুন আপনার গুণাবলীর বাহক হিসেবে।

ইয়া আল্লাহ,আপনি আমার জানা-অজানা,ছোট-বড় সকল গুনাহ ক্ষমা করুন নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল।

❤️সালামুন কাওলাম মীর রাব্বির রাহিম❤️
আল্লাহুম্মা আজির্নি মিনান্নার।
রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানী সাগীরা❤️

আল্লাহ সবাইকে কবুল করুক যারা আমার লেখাটি পড়লেন।

আমিন।

03/05/2021

নারীবাদে বিশ্বাসী পুরুষ

নারীবাদ নিয়ে শুধু নারীই কথা বলছে,তা নয় কিন্তু। নারীবাদ নিয়ে যুগযুগ ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক পুরুষ কাজ করে আসছেন। তারাও নারীমুক্তির আন্দোলনে কণ্ঠ তুলেছেন, কাজ করে যাচ্ছেন এবং অনবরত লিখে যাচ্ছেন । এর ভূরিভূরি উদাহরণ দেওয়া যাবে। সেসব পুরুষ নারীপুরুষ ভেদাভেদ ভুলে সবকিছুর ঊর্ধ্বে নারীকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে চেষ্টা করেছেন। মনুষ্যত্ব আর মানবতার জয়গান গেয়ে গেছেন নারীমুক্তির কথা বলে। তারই আলোকে পুরুষও যে নারীবাদী হতে পারে, এই বিষয়টির অবতারণা করার চেষ্টা করেছিমাত্র। এমন লেখার পেছনের কারণ, অনেক নারীবাদী নারী মনে করেন, পুরুষমাত্রই সমস্যা, পুরুষমাত্রই যন্ত্রণা। পুরুষের কারণেই নারীরা মাথা উঁচু করে চলতে পারছে না, এককথায় সব পুরুষ খারাপ। এমন মানসিকতা পোষণ করায় অনেক নারীর হয়তো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে; তবে একচেটিয়া সব পুরুষকে আমি একই পাল্লায় মাপতে নারাজ। তাহলে আমার জন্ম বিফলে যেতে বাধ্য। কারণ, আমিও এক বাবার সন্তান, যার আলোছায়ায় বড় হয়ে পৃথিবীর পথেপথে ঘুরে বেড়াচ্ছি।
পুরুষের নারীবাদ আন্দোলনে অংশগ্রহণে ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই পুরুষেরা নারীবাদের গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের এই অংশগ্রহণ নারীবাদ আন্দোলনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান ছিল। তারা সমাজের বিস্তৃত ক্ষেত্রে নারীদের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা করেছেন। ১৮৩৭ খ্রিঃ ফরাসি দার্শনিক ও ইউটোপীয় সমাজবাদী চার্লস ফুরিয়ে প্রথম 'নারীবাদ' শব্দটির আনুষ্ঠানিক ব্যবহার করেন। পৃথিবীতে পুরুষ নারীবাদী হিসেবে পরিচিত পারকার পিলসাবারি, দেনিস দিদেরো, পল হেনরি থিরি দলবাক এবং চার্লস লুই দে মতেস্কু, ফরাসী দার্শনিক মার্কুইস দে কুঁদরসে, হেনরি মেইন, জন স্টুয়ার্ট মিল, এবলিশনিস্ট উইলিয়াম লয়েড গ্যারিসন, চার্লস লেনক্স রেমন্ড, ন্যাথানিয়েল পিবডি রজার্স, হেনরি স্ট্যানন; উনারা তৎকালীন ইউরোপীয় সমাজে ক্ষমতা, প্রতিপত্তিতে ও প্রভাবশালী ছিলেন। কেউ ছিলেন ইতিহাসবেত্তা, কেউ আইনাজ্ঞ, কেউ দার্শনিক, কেউ প্রফেসর বা কেউ রাজনীতিবিদ। আবার আমাদের উপমহাদেশে রাজা রাম মোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যা সাগর, সৈয়দ আহমদ খানের, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ, উনারা অনুধাবন করেছিলেন, নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নের প্রয়জনীয়তার কথা।

নারীবাদী পুরুষেরা বেল হুকস এর মতো অনেক নারীবাদী লেখিকার পাশে দাঁড়িয়েও যুক্তিতর্কে অংশগ্রহণ করেছেন। পারকার পিলসাবারি এবং অন্যান্য পুরুষ নারীবাদী মতাদর্শকে ধারণ করেন এবং প্রকাশ্যে নারীবাদী হিসেবে পরিচিত হন। তারা তাদের প্রভাব প্রতিপত্তিকে কাজে লাগিয়ে নারীদের অধিকার আদায়ের কাজ করেন। পিলসবারি ১৮৬৫ সালে আমেরিকান ইকুয়াল রাইট এসোসিয়েশন এর সংবিধান এর খসড়া তৈরির কাজে সাহায্য করেন। তিনি নিউ হ্যাম্পশায়ার উইমেন সাফরেজ এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে আসীন ছিলেন।
সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকজুড়ে বেশিরভাগ প্রো-ফেমিনিস্ট লেখকেরই উত্থান ঘটে ফ্রান্সে। এদের মধ্যে ছিলেন দেনিস দিদেরো, পল হেনরি থিরি দলবাক এবং চার্লস লুই দে মতেস্কু। মতেস্কু তার এপিস্টোলারি নোভেল পারশিয়ান লেটারএ রক্সানা নামে একটি চরিত্র তুলে ধরেন; যিনি পিতৃতন্ত্রকে পরাভূত করেছিলেন। এই রচনায় তিনি ডেস্পোটিজম এর বিরুদ্ধেও যুক্তি তুলে ধরেছিলেন। অষ্টাদশ শতকে অনেক পুরুষ দার্শনিককে মানবাধিকার বিষয়ক সমস্যার প্রতি আকৃষ্ট হতে দেখা যায়। ফরাসী দার্শনিক মার্কুইস দে কুঁদরসে নারীদের শিক্ষাগ্রহণকে সমর্থন দেন। এসময় আইনের চোখে নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে এটা জনগণ বিশ্বাস করতে শুরু করলে উপযোগবাদী জেরেমি বেন্থামের মত অনেক উদারপন্থীগণ প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সমান অধিকারের দাবী করেন।

ঊনবিংশ শতকে নারীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। ইংরেজ আইনগত ইতিহাসবেত্তা হেনরি মেইন তার এনশিয়েন্ট ল(১৮৬১) গ্রন্থে পিতৃতন্ত্রের অবশ্যম্ভাবিতার সমালোচনা করেন। ১৮৬৬ সালে দ্য সাবজেকশন অব উইমেন গ্রন্থের রচয়িতা জন স্টুয়ার্ট মিলব্রিটিশ পার্লামেন্টে নারী অধিকার সংক্রান্ত একটি পিটিশন পেশ করেন এবং রিফর্ম অ্যাক্ট ১৮৬৭ এর একটি সংশোধনীকে সমর্থন করেন। তার প্রচেষ্টাগুলো ছিল বিবাহিতা নারীদের সমস্যাগুলোর ওপর। সেসময় ভিক্টোরিয়ান নারীদের বিবাহ অর্থ ছিল তাদের স্বাধীনতা, অধিকার এবং সম্পত্তি বিসর্জন দেয়া। নারী অধিকার আন্দোলনে জন স্টুয়ার্ট মিলের যুক্ত হওয়ার মূলে ছিল হ্যারিয়েট টেইলরের সাথে তার দীর্ঘ বন্ধুত্বের সম্পর্ক, যার সাথে তার বিবাহও হয়েছিল।

১৮৪০ সালে নারীদেরকে লন্ডনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-স্লেভারি কনভেনশনে অংশগ্রহণ করতে বাঁধা দেয়া হয়। নারীদের অংশগ্রহণের সমর্থকরা যুক্তি দেখান, দাসত্বমুক্তির উদ্দেশ্যে সংঘটিত সম্মেলনে নারী ও পুরুষকে একত্রে বসায় নিষেধাজ্ঞা একধরণের কপটাচার। এরপরও যখন নারীদেরকে সামনের দিকে বসতে দিতে নিষেধ করা হয় তখন এবলিশনিস্ট উইলিয়াম লয়েড গ্যারিসন, চার্লস লেনক্স রেমন্ড, ন্যাথানিয়েল পিবডি রজার্স এবং হেনরি স্ট্যানন নীরবে নারীদের সাথে আসনগ্রহণ করেন। অ্যান্টি-স্লেভারি কনভেনশনে নারীদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে একটি কথা ছিল; নারীদের পুরুষের দায়িত্বগুলো নেবার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি। এবলিশনিস্ট থমাস ওয়েন্টওর্থ হিগিনসন এর বিরুদ্ধে গিয়ে বলেন:
"আমি ভেবে পাই না, একজন নারী যখন তার চোখ খুলে এই শ্রদ্ধার বদলে আসা অবজ্ঞাকে দেখতে পান তখন তিনি এই ধিক্কারের শিহরণ কিভাবে এড়িয়ে যেতে পারেন! এটা সেই অবজ্ঞা যা তাকে দীর্ঘদিন যাবত আইনগত, রাজনৈতিক এবং শিক্ষাগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে... [একজন নারীর সমান অধিকার প্রয়োজন] এটা একারণে নয় যে তিনি পুরুষের 'বেটার হাফ', বরং একারণে যে তিনি পুরুষের 'আদার হাফ'। একজন এঞ্জেল হিসেবে তার এই অধিকারগুলোর প্রয়োজন নেই, তার এই অধিকারগুলোর প্রয়োজন মানবতার একটি অংশ হিসেবে।"

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, আমি একজন নারীবাদী। আমি নারীবাদী হতে পেরে গর্বিত। মাসিক পত্রিকা মরি ক্লেয়ার ডটকমে ‘আন্তর্জাতিক কন্যা দিবস’ উপলক্ষে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে তিঁনি আরো বলেন, ছেলে সন্তানদেরকেও নারীবাদী হিসেবে গড়ে তুলুন। আমি আমার সন্তানদের নারীবাদী হতে উৎসাহিত করছি। কারণ, কানাডা এবং সারাবিশ্বে নারী ও মেয়েরা এখনও অবহেলিত। সহিংসতা, লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার যা তাদের সীমাবদ্ধ করে রাখে। ফলে তারা স্বপ্ন অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জাস্টিন-সোফিয়া দম্পতির দুই পুত্র হাদ্রিন ও এক্সাভিয়ার এবং একমাত্র কন্যা এলা গ্রেস মার্গারেট। কন্যা এলা সম্পর্কে জাস্টিন বলেন, আমরা পিতা-মাতা হিসেবে আমাদের মেয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বিত। উল্লেখ্য, নারীবাদী জাস্টিন তাঁর মন্ত্রিসভায় ৫০ মন্ত্রীর মধ্যে ২৫ জন নারী মন্ত্রই রেখে বিশ্বে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

নারীবাদী পুরুষ রাজা রামমোহন রায় ১৮১৮ সালে কলিকাতায় 'সহমরণ' বা 'সতীদাহ' প্রথা বিলোপের উদ্যোগ নেন। যার ফলে ১৮২৯ সালে লর্ড বেন্টিক সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করে আইন পাশ করেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নারীর শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মেরী ককের সঙ্গে মিলে মোট ৪৩টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৮৫০_৫৫ এ সময়ে বিধবা বিবাহের সপক্ষেও তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন এবং ১৮৬৭ সাল নাগাদ নিজে ৬০টি বিধবা বিবাহের আয়োজন করেন।

বিশ্বায়নের দিকে তাকালে এমন অনেক পুরুষ নারীবাদী পাওয়া যাবে যারা নারীকে সাথে করে সাম্য মৈত্রীর বন্ধনে প্রগতির পথে এগিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এমন অনেক পুরুষ নারীবাদী আছেন, যারা নারীকুলের আশীর্বাদ হয়ে এসেছেন। ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাহমুদ কিছু দিন আগে নারী নিয়ে এক যুগান্তকারী লেখা লিখেন। যেখানে তিনি সসম্মানে নারীকে সবকিছুর ঊর্ধে তুলে ধরেন। পৃথিবীর যাকিছু সুন্দর তার সবটুকুই নারীপুরুষের সম্মিলিত অবদান। নারী যেমন পুরুষ ছাড়া অর্থহীন, তেমনই পুরুষও নারী ছাড়া অর্থহীন। তারপরেও কিছু পুরুষ নারীবাদ নিয়ে যেভাবে বিদ্বেষভাব দেখায়; ঠিক সেভাবে কিছু নারীবাদী নারীও পুরুষের ব্যাপারে নাক সিটকায়। ঘরে-বাইরে কিছু পুরুষ তো আমি পেয়েছি , যাদের সহযোগিতায়, আন্তরিকতায় আমার চলার পথ কিছুটা হলেও মসৃণ হয়েছে! উদাহরণ হিসেবে আমার বাবা একজন। এমন কিছু পুরুষ তো আছেই , যারা নারীকে মানুষ বলে গণ্য করতে পারে না। তাদের সেই মানসিকতাই নেই। এর মূল কারণ, হীনমন্যতা, অসভ্যতা ও নিম্নশ্রেণির মানসিকতা। মনুষ্যত্ব বিবর্জিত পুরুষকে কোনো কিছুর গোণায় না রাখাই ভালো। এরা সময় ও কালের শত্রু। তারপরেও কিছু নারীবাদী এসব পুরুষকে আমলে এনে নারীবাদ বিষয়টাকে কলঙ্কিত করছে।
জাগো নিউজের এক সাক্ষাতকারে পুরুষ নারীবাদী জব্বার হোসেন বলেছেন, "অনেক নারীবাদী নারী মনে করেন, পুরুষ সিগারেট খায়, মদ খায় তাহলে আমি নারীবাদী আমিও মদ খেতে পারি। পুরুষ অনেক রাত পর্যন্ত বাইরে ঘুরে বেড়ায়। তাই নারীকেও ঘুরে বেড়াতে হবে। মদ খাওয়া, সিগারেট খাওয়া নারী-পুরুষ যে কারও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, এর সঙ্গে নারীবাদের কী সম্পর্ক থাকতে পারে?

তুমি যা ইচ্ছা করতে পারো; তোমার নৈতিকতা, বিবেক, বোধ দ্বারা প্রাণিত হয়ে। কিন্তু পুরুষকে তুলনা করে কেন? পুরুষের খারাপ অভ্যাসগুলো আমলে নিয়ে প্রতিযোগিতা করে- আসলে নারীবাদী হওয়ায় কোনো মুক্তি মেলে না। আমাদের তথাকথিত নারীবাদিদের মানসিক উচ্চতা শেষ পর্যন্ত ‘পুরুষ পর্যন্তই;' যা খুব দুঃখজনক। বাহুল্য কাজগুলোর সঙ্গে তুলনা হয় বলেই ‘নারীবাদ’ নিয়ে নানা বিতর্ক সমাজে। আমি মনে করি, এই তুচ্ছ বিষয়গুলোর প্রতিযোগিতার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসা সময়ের দাবি। পুরুষের সমকক্ষ হওয়ার মধ্য দিয়ে নারীবাদী হওয়া যায় না। মানুষ হিসেবে নিজেকে মেলে ধরাই হচ্ছে সার্থকতা।"

এই কথাগুলোর সাথে একমত পোষণ করে বলছি, এমন তথাকথিত নারীবাদীদের কারণে আজকে নারীবাদ বিষয়টি সমাজে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে আছে। যেনো, নষ্টভ্রষ্ট উচ্ছৃঙ্খল এক বাদের অবতারণা এই নারীবাদ শব্দে। এরাই পুরুষের ব্যাপারে কট্টর এবং নেতিবাচক ভূমিকা নিয়ে থাকে। এদের অবগতির জন্য বলছি, নারীবাদ শুধু নারীর এখতিয়ারভুক্ত নয়, নারীবাদ মতবাদে অনেক পুরুষেরও অংশীদারিত্ব আছে। অতএব, পুরুষকে কটাক্ষ করে নয় বরঞ্চ পুরুষকে বন্ধু ভেবে পাশে রেখে সমানতালে এগিয়ে যেতে হবে।

সবশেষে 'নারীবাদ' একটি ইতিবাচক শব্দ; যা সমাজ, সংসার, দেশ, জাতি এমনকি কাল থেকে মহাকালের যাত্রার কথা বলে, বলে প্রগতির কথা, বলে মানুষের কথা। আর যেহেতু সৃষ্টিরহস্যে নারী; তাই সৃষ্টিকে সুস্থ, সুন্দর, চিন্তাধারায় প্রগতির পথে বেগবান করার জন্য পুরুষের তুলনায় নারীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। অতএব 'নারীবাদ' নিয়ে যতই কটাক্ষ করা হোক না কেন; যুগেযুগে প্রোফেমিনিস্টরাই এগিয়ে ছিল, আছে এবং থাকবে। কারণ, নারীবাদী শব্দ প্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সভ্যতার আরেক ধাপ এই নারীবাদ। নারীবাদ উত্থানে ইতিহাসের যে রূপ ছিল তা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে; অর্থাৎ এর যেমন গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে তেমনি এটি সমাদৃতও। নারীবাদ একটি মতবাদ যা নারীপুরুষের সুস্থ চিন্তা-চেতনার স্ফুরণ ঘটায়।
তবে মেয়েরা কিন্তু ভুল বুঝতে সবার থেকে এগিয়ে।

01/05/2021

দুনিয়াটা আপনার বা আমার চোখের মতো ছোট নয়।

সবার চোখের পরিধী যোগ করেও সারা দুনিয়া দেখা অসম্ভব।এখানে দুনিয়া দেখা মানে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলছি না।বলেছি দুনিয়ার বিশালতার কথা।যেহেতু নিজের সারাদুনিয়া দেখা সম্ভব নয় তাই আমার মতে আপনার বা আমার নিজেকে নিয়ে দম্ভের কিছু নেই।

যে দম্ভ করলো তার দুনিয়া কেবলমাত্র তার দুচোখের মাঝেই সীমাবদ্ধ।

আপনি কি চান না আপনি আরও জানেন?
জানি আপনি আরও জানতে চান,শিখতে চান।

তাহলে সবজান্তা ভাব ধরে বসে থাকার কিছু নেই।
আসুন মাথা নিচু করে জানি।

ভালো থাকতে শিখি,ভালো রাখতে জানি।

মনিকা জাহান
০১/০৫/২০২১

27/04/2021

সফল হতে গেলে প্রচুর প্রচুর কটুক্তি শুনতে হয়,সেটা শুনতেই হবে কিন্তু থামা চলবে না।
সফল হওয়ার জন্য কান বন্ধ রাখতে হয়,
যখন আপনি ভালো কিছু করতে শুরু করবেন একদল লোক এসে আপনাকে হতাশ করে দিয়ে চলে যাবে।আর একদল লোক এসে আপনাকে মন্দ বলে যাবে।
এতে তারা আপনাকে ভাবিয়ে তুলতে সফল না হলে তাদের পরবর্তী অস্ত্র হয়ে উঠে সমালোচনা।

সমালোচনা করে আপনাকে থামাতে না পারলে কাজটি করা যাবে না এমন কারফিউ জারি করে আপনাকে দমানোর চেষ্টা করা হবে।

যেদিন দেখবেন তবুও আর না থেমে একটার পরে আর একটা পথ আবিষ্কার করে সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, সেদিনই দেখবেন আর কিছুই আপনাকে আটকাতে পারতেছে।

হ্যাঁ ঠিক সে মুহুর্ত থেকেই আপনি জেনে নিবেন আপনি সফল।

#অনুপ্রেরণা
িকাজাহান

25/04/2021

যারা জানে না আপনিই গহীনতম উপলব্ধি,
তাদের সত্যিই জানা উচিৎ,
যা আপনারও অজানা,
এ সমাচারে একমাত্র উত্তরাধিকার আপনি,
আপনিও জানেন না কে সে?
কেবল গহীনতম পথ জানে সামনে মৃত্যুশৃঙ্গ,
সে শৃঙ্গের দারোয়ান একজন নক্ষত্র,
কিংবা প্রেমিক নয়তো ভালোবাসা।

িকাজাহান
#একপেয়ালাজীবন
#প্রতিশ্রুতি

#নারী

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Sylhet