ওয়েস্ট পয়েন্ট কলেজ থেকে চারজন জিপিএ: ৫ পেয়েছে।
পাশের হার ৯৬.৯২
আলহামদুলিল্লাহ, ওয়েস্ট পয়েন্ট কলেজ থেকে, সিলেট থেকে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৫ জনের মধ্যে ৬৩ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
পাশের হার ৯৬.৯২%।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন । তাদের সফলতা কামনা করি।
Westpoint School & College
Hasan Center, Shiber Bazar, Sylhet. Bangladesh, +8801712233388 The School is founded in 2006 and built to accommodate students from Play group to HSC.
ABOUT WESTPOINT:
Welcome to Westpoint School and College, a quality education of Bangladeshi students. The school provides a high-quality English & Bengali-medium education for the Bangladeshi pupils. We are focused on the quality of teaching and learning. We expect the highest standards in everything. Our committed and caring faculty, comprehensive and challenging academic programs and our exte
দক্ষিণ কোরিয়ায় আল্লামা মুফতি মুফতি জুবায়ের আহমদ (দাঃবাঃ)
বাংলাদেশের বিখ্যাত দাঈয়ী মুফতি জুবায়ের আহমদ সাহেব কয়েকটি মাহফিলে অংশ গ্রহলের জন্য আজ দক্ষিণ কোরিয়ায় উপস্থিত হয়েছেণ।
ইনচিয়ন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে তাকে স্বাগত জানান আনসান মসজিদের সভািপতি ডক্তর মনোয়ার হোসেন, খাপ্পাই মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি আরিফুল ইসলাম, খাপ্পাই মসজিদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা রফিক আহমদ চৌধুরী প্রমুখ ।
মুফতি জুবায়ের আহমদ একজন বিখ্যাত দায়ী। একাধিক বিষয়ের উপর তার প্রায় ৪২ টির মত লিখিত বই বিভিন্ন অঙ্গনে সমাদৃত হয়েছে। তার লেখা বই মক্কা ও মদীনা লাইব্রেরীতে গৃহীত হয়েছে।
তিনি একাধিক মাদ্রাসার সাথে জড়িত থেকে দ্বীনের কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি ইসলামী দাওয়া ইনস্টিউট, মান্ডা, মুগদা এর প্রিন্সিপাল। তিনি শিক্ষাগত জীবনে মেশকাত(স্নাতোক) শেষ করেছেন জামিয়া রহমানিয়া , ঢাকা থেকে। এরপর দাওরা হাদীস (মাস্টার্স) শেষ করেছেন দারুল উলুম দেওবন্দ, ইন্ডিয়া থেকে । এছাড়াও উচ্চতর অরবী সাহিত্যের উপর তিনি উচ্চতর পড়াশোনা করেন দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা লখনৌ, ইউপি, ইন্ডিয়া থেকে।
তার প্রকাশিত সর্বাধিক পঠিত কিছু বইয়ের মধ্যেঃ
>আল কুরআনে যীশু ও খ্রিস্টধর্ম
>দাওয়াত সম্পর্কিত চল্লিশ হাদিস
>খ্রিস্টানের গুরু যেভাবে দ্বীনের মুবাল্লিগ
>মুহাম্মদ আমের সাহেব (বলবীর সিং)-এর আত্মজীবনীমূলক সাক্ষাৎকার
>বাংলা নববর্ষ অজানা বৈশাখ
>হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি
>নবীজীর আদর্শ ও আমাদের জীবন বাস্তবতা
>দা‘য়ীয়ে ইসলাম হযরত মাওলানা কালীম সিদ্দিকী সাহেব দা.বা. এর আত্মজীবনী মূলক…
>হাদিয়ায়ে দাওয়াত
>দাওয়াতের ফিকির এবং আমলের ময়দান
>আলোর পথে
>খ্রিস্টানদের প্রশ্ন মুসলমানদের উত্তর
>বড় দিনের উপহার
>সহযোগী হও, প্রতিপক্ষ হয়ো না
শায়খ আহমাদুল্লাহ আয়নাঘর নিয়ে যা বললেন
শনিবার (১০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানান তিনি।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ধার্মিক তরুণদের আয়নঘরে নিয়ে জঙ্গি নাকট সাজানোর লোমহর্ষক ঘটনাগুলো একের পর এক সামনে আসতে শুরু করেছে। যারা বিগত দিনগুলোতে প্রশাসনের জঙ্গি নাটকে বিভ্রান্ত হয়ে ইসলামপন্থীদের জঙ্গি বলে গালি দিয়েছেন, আপনাদের এখন লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া উচিত।
গণবিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। এর সঙ্গেই পতন হয় আওয়ামী সরকারের। তার পতনের পর একে একে উঠে আসছে ভয়ঙ্কার তথ্য। এর মধ্যে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের তৈরি নির্যাতনের জেল আয়নাঘর। এবার এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন দেশের ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।
শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও লেখেন, গুয়ানতানামো বে কিংবা আবু গারিব কারাগারের নাম শুনলেই আমাদের গা শিউরে ওঠে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে লোমহর্ষক নির্যাতনের মর্মান্তিক সব দৃশ্য। অথচ আমরা এখন আয়নাঘরের যে বীভৎসতার খবর জানছি, তা যেন গুয়ানতানামো বে, আবু গারিব কারাগারকেও হার মানায়।
তিনি লেখেন, আয়নাঘরে হয় কী, ইতোমধ্যে আমরা সবাই তা জেনে গেছি। আয়নাঘর হয়ে উঠেছিল জঙ্গি নাটক বানানোর বিশাল মঞ্চ। প্রশাসনের যখনই কোনো কথিত জঙ্গির প্রয়োজন হতো, নিরীহ কোনো মানুষকে ধরে এনে আয়নাঘরে রাখত আর নির্যাতন করে মিডিয়ার সামনে জঙ্গি হিসেবে পেশ করত।
তিনি আরও লেখেন, এদের এই ঘৃণ্য চক্রান্তের সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছে ধার্মিক মানুষেরা। এর মাধ্যমে কত মানুষের স্বপ্ন যে ধূলিসাৎ হয়েছে, কত তরুণের ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়েছে, কত যুবকের তরতাজা প্রাণ যে নষ্ট হয়েছে, গুম হওয়া স্বজনের প্রতীক্ষায় থেকে কত পরিবার যে একটু একটু করে ক্ষয় হয়েছে, তার কোনো হিসাবই নেই।
তিনি বলেন, যারা আমাদের এই সবুজ বাংলাদেশে গুয়ানতানামো বে তৈরি করেছে, অসংখ্য নিরীহ মানুষের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, অগণিত যুবককে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে বছরের পর বছর অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি করে রেখেছে, আমরা সেসব কালপ্রিটদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।
আমরা চাই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো মানুষ গুম না হোক, প্রতিটি অন্যায়কারী বিচারের মুখোমুখি হয়ে উপযুক্ত সাজা পাক, ভুল ভাঙুক ও প্রহসন বন্ধ হোক আলেম সমাজ ও ধার্মিক মানুষদের প্রতি বলে জানান তিনি।
সূত্র : যুগান্তর
11.08.2024
স্বাগতম ১৪৪৬ হিজরি
নীরবে নিঃশব্দে হিজরি সনের বিদায় ও সূচনা ঘটছে। আজ হিজরি ১৪৪৫ সনের শেষ দিন এবং আগামী কাল রোববার দক্ষিণ কোরিয়ার সময় অনুসারে ১৪৪৬ সনের প্রথম দিন। যদিও সৌদি আরবসহ অনেক দেশে আজই হিজরী নববর্ষের সুচনা হয়েছে। দিন রাত মাস ও বছরের এ পরিক্রমা অনেকের কাছেই স্বাভাবিক। তবে জ্ঞানীদের জন্য রয়েছে এ থেকে শিক্ষা গ্রহণের বহু উপলক্ষ । কুরআনে কারীমে সূরা আলে ইমরানের ১৯০ নং আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন-
إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالأرْضِ وَاخْتِلافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لآياتٍ لأولِي الأَلْبَابِ
অর্থাৎ “নিশ্চয়ই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টিতে এবং দিন ও রাতের পরিবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য স্পষ্ট নিদর্শনাবলী রয়েছে”।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
كُلّ النّاسِ يَغْدُو فَبَايِعٌ نَفْسَهُ فَمُعْتِقُهَا أَوْ مُوبِقُهَا.
প্রতিটি মানুষ সকাল যাপন করে; অতঃপর নিজেকে বিক্রি করে। এভাবে কেউ নিজেকে (আল্লাহর আনুগত্যে নিয়োজিত করে জীবনকে ধ্বংস থেকে) রক্ষা করে। আর কেউ (নফস ও শয়তানের আনুগত্যে নিয়োজিত হয়ে) নিজেকে ধ্বংস করে ফেলে। -সহীহ মুসলিম।
সৃষ্টির প্রারম্ভিক কাল থেকেই আল্লাহ তায়ালা বার মাসে বছর নির্ধারণ করেছেন। মাসগুলোর যে নাম ইসলামী শরীআতে প্রচলিত, তা মানবরচিত পরিভাষা নয়, বরং রাব্বুল আলামিন যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিনই মাসের ধারাবাহিক নাম ও বিশেষ মাসের সাথে সংশ্লিষ্ট হুকুম আহকাম নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তার মধ্যে চারটি মাস হল নিষিদ্ধ মাস, যাতে বিশেষ করে লড়াই-ঝগড়া নিষিদ্ধ। সূরা তাওবার ৩৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন-
اِنَّ عِدَّۃَ الشُّهُوۡرِ عِنۡدَ اللّٰهِ اثۡنَا عَشَرَ شَهۡرًا فِیۡ كِتٰبِ اللّٰهِ یَوۡمَ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ مِنۡهَاۤ اَرۡبَعَۃٌ حُرُمٌ ؕ ذٰلِكَ الدِّیۡنُ الۡقَیِّمُ ۬ۙ فَلَا تَظۡلِمُوۡا فِیۡهِنَّ اَنۡفُسَكُمۡ وَ قَاتِلُوا الۡمُشۡرِكِیۡنَ كَآفَّۃً كَمَا یُقَاتِلُوۡنَكُمۡ كَآفَّۃً ؕ وَ اعۡلَمُوۡۤا اَنَّ اللّٰهَ مَعَ الۡمُتَّقِیۡنَ ﴿۳۶﴾
অর্থাৎ “নিশ্চয় আল্লাহর নিকট গণনার মাস বারোটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবীর সৃষ্টির দিন থেকে। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত, এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। কাজেই-এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না” ।
দুই ঈদ ছাড়া সাধারণত দিবস উদযাপনে ইসলাম অনুৎসাহিত করে বিধায় হিজরি নববর্ষ উদযাপনের ঐতিহ্য আমাদের সংস্কৃতিতে ব্যাপকতা লাভ করেনি। হিজরি সন সম্পর্কে অনেকেই জানারও চেষ্টা করেননা। এমনকি অনেকেই জানেননা না যে, মুসলিমদের নববর্ষ কোন মাসে হয়? হিজরি সনের হিসাব মুসলিম জাতির জন্য অপরিহার্য। শরিয়তের আহকামের ক্ষেত্রে চন্দ্রমাসই নির্ভরযোগ্য। চন্দ্রমাসের হিসেব মতেই রোযা, হজ ও যাকাত প্রভৃতি আদায় করতে হয়। [কুরতুবী]।
কুরআন মজীদ চন্দ্রের মত সূর্যকেও সন-তারিখ ঠিক করার মানদন্ডরূপে অভিহিত করেছেন। সুরা আনয়ামের ৯৬ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন- فَالِقُ الۡاِصۡبَاحِ ۚ وَ جَعَلَ الَّیۡلَ سَكَنًا وَّ الشَّمۡسَ وَ الۡقَمَرَ حُسۡبَانًا ؕ ذٰلِكَ تَقۡدِیۡرُ الۡعَزِیۡزِ الۡعَلِیۡمِ ﴿۹۶﴾ অর্থাৎ “তিনি রঙ্গিন প্রভাতের উন্মেষকারী ।আর রাত সৃষ্টি করেছেন শান্তি ও আরামের জন্য এবং সূর্য ও চন্দ্র (বানিয়েছেন) গণনার জন্য। এটা সর্বজ্ঞ পরাক্রমশালী কর্তৃক নির্ধারিত”। সূরা আর-রাহমানের ৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন- اَلشَّمۡسُ وَ الۡقَمَرُ بِحُسۡبَانٍ অর্থাৎ “সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী”। সূরা ইউনুসের ৫নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন- هُوَ الَّذِیۡ جَعَلَ الشَّمۡسَ ضِیَآءً وَّ الۡقَمَرَ نُوۡرًا وَّ قَدَّرَهٗ مَنَازِلَ لِتَعۡلَمُوۡا عَدَدَ السِّنِیۡنَ وَ الۡحِسَابَ ؕ مَا خَلَقَ اللّٰهُ ذٰلِكَ اِلَّا بِالۡحَقِّ ۚ یُفَصِّلُ الۡاٰیٰتِ لِقَوۡمٍ یَّعۡلَمُوۡنَ ﴿۵﴾
অর্থাৎ “তিনিই সূর্যকে করেছেন দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোময়, আর তার জন্য নির্ধারণ করেছেন বিভিন্ন মনযিল, যাতে তোমরা জানতে পার বছরের গণনা এবং (সময়ের) হিসাব। আল্লাহ এগুলো অবশ্যই যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য তিনি আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন” । অতএব চন্দ্র ও সূর্য উভয়টির মাধ্যমেই সন-তারিখ নির্দিষ্ট করা জায়েজ। তবে চন্দ্রের হিসাব আল্লাহর অধিকতর পছন্দ।
মুহাররাম মাস ইসলামী পঞ্জিকার প্রথম মাস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সময়ে ও তার পূর্বে রোমান, পারসিয়ান ও অন্যান্য জাতির মধ্যে তাদের নিজস্ব ক্যালেন্ডার বা পঞ্জিকা প্রচলিত ছিল। আরবদের মধ্যে কোনো নির্ধারিত বর্ষ গণনা পদ্ধতি ছিল না। বিভিন্ন ঘটনার উপর নির্ভর করে তারিখ বলা হতো।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবদ্দশায় এবং ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর (রা.)-এর খিলাফতকালেও মুসলিমদের উদ্ভাবিত কোনো সনের ব্যবহার শুরু হয়নি। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর খিলাফতকাল ছিল ইসলামের বিজয় ও সম্প্রসারণের স্বর্ণযুগ। এ সময় ইসলামী সাম্রাজ্য আরব বিশ্বের সীমানা পেরিয়ে সুদূর রোম ও পারস্য পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করে। হিজরতের ১৭ বছর পরে প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আবু মুসা আশআরী (রা.) ইরাক এবং কুফার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি হযরত উমার (রা)কে পত্র লিখে জানান যে, সরকারী ফরমানগুলিতে সন-তারিখ না থাকায় প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দেয়; এজন্য একটি বর্ষপঞ্জি ব্যবহার প্রয়োজন।
খলিফা উমার (রা) সাহাবীগণকে একত্রিত করে পরামর্শ চান। কেউ কেউ রোম বা পারস্যের পঞ্জিকা ব্যবহার করতে পরামর্শ দেন। কিন্তু অন্যরা তা অপছন্দ করেন এবং মুসলিমদের জন্য নিজস্ব পঞ্জিকার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। এ বিষয়ে কেউ কেউ পরামর্শ দেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর বা জন্ম থেকে সাল গণনা শুরু করা হোক। কেউ কেউ তাঁর নুবুওয়াত থেকে, কেউ কেউ তাঁর হিজরত থেকে এবং কেউ কেউ তাঁর ওফাত থেকে বর্ষ গণনার পরামর্শ দেন। হযরত আলী (রা) হিজরত থেকে সাল গণনার পক্ষে জোরালো পরামর্শ দেন। খলিফা উমার (রা) এ মত সমর্থন করে বলেন যে, হিজরতই হক্ক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যের সূচনা করে; এজন্য আমাদের হিজরত থেকেই সাল গণনা শুরু করা উচিত। অবশেষে সাহাবীগণ হিজরত থেকে সাল গণনার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। হিজরকের মাধ্যমেই প্রথম মুসলিম সম্প্রদায় (উম্মাহ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
কোন্ মাস থেকে বর্ষ গণনা শুরু করতে হবে সে বিষয়ে পরামর্শ চাওয়া হয়। কেউ কেউ রবিউল আউয়াল মাসকে বৎসরের প্রথম মাস হিসেবে গ্রহণ করার পরামর্শ দেন; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসেই হিজরত করে মদীনায় আগমন করেন। ১২ই রবিউল আউয়াল তিনি মদীনায় পৌঁছান। কেউ কেউ রামাদ্বান থেকে বর্ষ শুরুর পরামর্শ দেন; কারণ রামাদ্বান মাসে আল্লাহ কুরআন নাযিল করেছেন। সর্বশেষ তাঁরা মুহারাম মাস থেকে বর্ষ শুরুর বিষয়ে একমত হন; কারণ এ মাসটি ৪টি 'হারাম' বা সম্মানিত মাসের একটি। এছাড়া ইসলামের সর্বশেষ রুকন হজ্জ পালন করে মুসলিমগণ এ মাসেই দেশে ফিরেন। হজ্জ পালনকে বৎসরের সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ কর্ম ধরে মুহাররাম মাসকে নতুন বৎসরের শুরু বলে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এভাবে রাসূলুল্লাহ -এর ইন্তেকালের প্রায় ৬ বৎসর পরে ১৬ বা ১৭ হিজরী সাল থেকে সাহাবীগণের ঐকমত্যের ভিত্তিতে হিজরী সালগণনা শুরু হয়। যদিও হিজরত রবিউল আউয়াল মাসে সংঘটিত হয়, তবুও দুমাস এগিয়ে, সে বৎসরের মুহারাম থেকে বর্ষ গণনা শুরু হয়।'
যীশুখৃস্টের প্রায় ১৬০০ বৎসর পরে ১৫৮২ খৃস্টাব্দে পোপ অষ্টম গ্রেগরী তৎকালে প্রচলিত প্রাচীন রোমান জুলিয়ান ক্যালেন্ডার (Julian calendar) সংশোধন করে যীশুখৃস্টের জন্মকে সাল গণনার শুরু ধরে 'ইংরেজি সাল' (যা মোটেও 'ইংরেজি' নয়; বরং তা খৃস্টধর্মীয়) প্রচলন করেন, যা গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডার (Gregorian calendar) ও খৃস্টীয়ান ক্যালেন্ডার (Christian calendar) নামে পরিচিত। যীশুখৃস্টকে প্রভু ও উপাস্য হিসেবে বিশ্বাসের ভিত্তিতে এতে বৎসরকে বলা হয় আন্নো ডোমিনি (anno domini) বা এ. ডি. (AD)। এর অর্থ আমাদের প্রভুর বৎসরে (in the year of our Lord)।
পশ্চিমা বিশ্বে হিজরী সনের তারিখগুলোর পেছনে এএইচ (লাতিন: Anno Hegirae, "হিজরতের বছর") লেখা হয় যা খ্রিস্টীয় সাল (এডি), কমন এরা (সিই) এবং ইহুদি সাল (এএম) এগুলোর পশ্চিমা সংক্ষিপ্ত রূপের অনুরূপ। মুসলিম দেশগুলোতে কখনো ইংরেজিতে এইচ (H) এর আরবি শব্দ (سَنَة هِجْرِيَّة থেকে, সংক্ষিপ্ত করে ھ) হিসেবে লেখা হয়ে থাকে। ইংরেজিতে হিজরতের আগের বছরকে বিএইচ ("হিজরতের পূর্বে") হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নতুন চাঁদ দেখে এই দুআ পড়তেন-
اللهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ، وَالسَّلامَةِ وَالْإِسْلامِ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللهُ.
আয় আল্লাহ, আপনি এই নতুন চাঁদ কে আমাদের জন্য ঈমান ও ইসলাম এবং শান্তি ও বরকতের সঙ্গে উদিত করুন। আমার ও তোমার রব আল্লাহ। (জামে তিরমিযী,; মুসনাদে আহমাদ)। নতুন মাস ও নতুন বছরের শুরুতে পড়ার দুআ
اللّهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ وَالِإيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيطَانِ وَرِضوَانٍ مِنَ الرَّحْمنِ.
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ঈমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে। (মুজামুস সাহাবাহ)
ঈমান-ইসলাম, শান্তি-নিরাপত্তা ও রহমত-বরকতের সাথে নতুন বছরটি অতিবাহিত হোক। শয়তানের পথ পরিহার করে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির পথ অবলম্বন করে জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলাই হোক আমাদের প্রত্যয় ও সংকল্পবদ্ধ।
মানুষের জীবনে প্রতিটি দিনই নবজীবন।
সুরা আনআমের ৬০ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন
: وَهُوَ الَّذِي يَتَوَفَّاكُمْ بِاللَّيْلِ وَيَعْلَمُ مَا جَرَحْتُمْ بِالنَّهَارِ ثُمَّ يَبْعَثُكُمْ فِيهِ لِيُقْضَى أَجَلٌ مُسَمًّى
"তিনিই রাত্রিকালে তোমাদের মৃত্যু ঘটান এবং দিনে তোমরা যা কর তিনি তা জানেন। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে দিনে পুনরায় জাগিয়ে তোলেন যাতে নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হয়।' এখানে নিদ্রাকে মৃত্যু বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এই জন্য ঘুমকে ছোট মৃত্যু এবং প্রকৃত মরণকে বড় মৃত্যু বলা হয়। রাত ও দিনের এবং ছোট মৃত্যুর কবল থেকে পুনরায় জেগে ওঠার এই ধারাবাহিকতা মানুষের বড় মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। পুনরায় কিয়ামতের দিন জীবিত হয়ে সকলকে আল্লাহর কাছেই উপস্থিত হতে হবে।
সূরা আয-যুমার এর ৪২ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন:-
اَللّٰهُ یَتَوَفَّی الۡاَنۡفُسَ حِیۡنَ مَوۡتِهَا وَ الَّتِیۡ لَمۡ تَمُتۡ فِیۡ مَنَامِهَا ۚ فَیُمۡسِكُ الَّتِیۡ قَضٰی عَلَیۡهَا الۡمَوۡتَ وَ یُرۡسِلُ الۡاُخۡرٰۤی اِلٰۤی اَجَلٍ مُّسَمًّی ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِكَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یَّتَفَكَّرُوۡنَ ﴿۴۲
“আল্লাহ মৃত্যুর সময় প্রাণ নিয়ে নেন। আর যাদের মৃত্যু আসে না, তাদের প্রাণও নিদ্রার সময় নিয়ে নেন। অতঃপর যার জন্য মৃত্যুর সিদ্ধান্ত করেন তার প্রাণ তিনি রেখে দেন এবং অপরগুলি ফিরিয়ে দেন, এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।
05/07/2024
আমার প্রিয় উস্তাদ ও মুর্শিদ শায়খুল হাদীস
আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস বারহালী হুজুরের ইন্তেকাল
আমার প্রিয় উস্তাদ ও মুর্শিদ, বরেণ্য আলেমে দ্বীন, ঢাকা দক্ষিণ দারুল উলুম হুসাইনিয়া মাদরাসার শায়খুল হাদীস ও সাবেক মুহতামিম আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস বারহালী হুজুর (পীর সাহেব হুজুর) আজ সকালে ইন্তেকাল করেছেন।
إنّا لله وإنّا إليه راجعون.
উস্তাদের জানাযার নামাজ আজ বাদ মাগরিব ৭:৩০মি: শাহগলি মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মকাম দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার মুহিব্বীন ও মুরিদানদেরক উত্তম ধৈর্য ধারনের তৌফিক দান করুন, আমীন।
اللهم اغفر له وارحمه، وعافه واعف عنه، وأكرم نزله، ووسّع مدخله، واجعل قبره روضة من رياض الجنة، وأسكنه الفردوس الأعلى وأحسن عزاء أهله وذويه،
আসাদ বিন হাফিজ
অনিবার্য বিপ্লবের ইশতেহার
আসাদ বিন হাফিজ
আমি আমার জনগণকে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য
প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছি
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যেভাবে রুখে দাঁড়ায় আক্রান্ত দুর্বল
বিধ্বস্ত জাহাজ যাত্রীরা আঁকড়ে ধরে ভাসমান পাটাতন
তেমনি একাগ্রতা নিয়ে
আমি আপনাদেরকে আসন্ন বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছি।
বিপ্লব মানেই যুদ্ধ
বিপ্লব মানে তিল তিল বাঁচতে শেখা
বিপ্লব মানে ভাসমান রক্তপদ্ম, প্রস্ফুটিত কৃষ্ণচূড়া
বিপ্লব মানে জীবন
বিপ্লব মানে জীবনের জন্য আমরণ লড়াই।
আমি আপনাদেরকে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য
প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছি।
যে বিপ্লবে প্রতিটি নাগরিকের জীবন হয়
একেকজন যোদ্ধার জীবন
প্রাপ্ত বয়স্ক প্রতিটি মানুষ হয়
একেকজন আমূল বিপ্লবী
প্রতিটি যুবক
নারীর বাহুর পরিবর্তে স্বপ্ন দেখে উত্তপ্ত মেশিনগানের
আর রমণীরা
সুগন্ধি রুমালের পরিবর্তে পুরুষের হাতে তুলে দেয়
বুলেট, গ্রেনেড।
আমি আমার জনগণকে
আনিবার্য সেই বিপ্লবের জন্য
প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছি।
বিপ্লব মানেই যুদ্ধ
বিপ্লব মানেই সংগ্রাম, সংঘাত
বিপ্লব মানে শিরায় শিরায় উদ্দাম ঝড়
ঝড়ো হাওয়া, টর্নেডো, সাইক্লোন
বিপ্লব মানে কল্লোলিত সমুদ্রের শোঁ শোঁ অশান্ত গর্জন
বিপ্লব মানে আশা, সফলতা ও বিজয়ের আমোঘ পুস্পমাল্য।
আমি আপনাদেরকে আরেকটি
অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছি।
যে বিপ্লব সাধিত হলে
মানুষের শরীর থেকে খসে পড়ে শয়তানের লেবাস
জল্লাদের অশান্ত চিত্তে জন্ম নেয় বসরাই গোলাপ
অর্ধ পৃথিবীর দুর্দান্ত শাসক
কেঁপে উঠে ফোরাত কূলের কোন
অনাহারী কুকুরের আহার্য চিন্তায়।
যে বিপ্লব সাধিত হলে
কন্যা হন্তারক অভাবী পিতাদের জন্য পরওয়ারদিগার
খুলে দেন রহমতের সব ক’টি বন্ধ দুয়ার।
তখন কোন অভাব আর অভাব থাকে না
উদ্বৃত্ত সম্পদ প্রদানের জন্য
পাওয়া যায় না কোন ক্ষুধাতুর বনি আদম।
অন্ধকার যত ঘনীভূত হয় ততই উজ্জ্বল হয় বিপ্লবের সম্ভাবনা
একটি কৃষ্ণ অন্ধকার মানেই
সামনে অপেক্ষমান একটি প্রস্ফুটিত সূর্যদয়
একটি আরক্ত সন্ধ্যা মানেই
বেগমান বোরাক চেপে ধেয়ে আসছে কোন কুসুম সকাল
একটি কৃষ্ণ মধ্যরাত মানেই
তার উল্টো পিঠে বসে আছে কোন মৌমাছি দুপুর
একটি মিথ্যা মানেই
তাকে ধাওয়া করছে কোন দ্রুতগামী সত্যাস্ত্র
একটি অবাধ্য সমাজ মানেই
সামনে নূহের প্লাবন, অনাগত ধ্বংস
আরেকটি নতুন সভ্যতার আমূল উদ্বোধন।
আমি আপনাদেরকে সেই
অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছি।
দিন রাত্রির প্রতিটি আবর্তনে
শোনা যায় যে বিপ্লবের অশ্বখুরধ্বনি
ঋতুচক্রের প্রতিটি আবর্তনে
শোনা যায় যে বিপ্লবের অশ্বখুরধ্বনি
মাস ও বছরের প্রতিটি ঘূর্ণিপাকে
শোনা যায় যে বিপ্লবের অশ্বখুরধ্বনি
যুগ ও কালের প্রতিটি ঘূর্ণিপাকে
শোনা যায় যে বিপ্লবের অশ্বখুরধ্বনি
শতাব্দীর প্রতিটি পরতে পরতে যে বিপ্লবের পলিময় মৃত্তিকা।
আমি আমার জনগনকে
সারাক্ষণ বুকের মধ্যে বিপ্লবের চাষ করতে বলছি।
যে বিপ্লবের চাষ করলে
প্রজ্জ্বলিত অগ্নি হয় জাফরান বীথি
যে বিপ্লবের চাষ করলে
নীল নদের আহার্য হয় অবাধ্য ফারাও
আবরাহার হাতি হয় পাখির খোরাক
চুরমার হয়ে যায় রোম ও পারস্যের
বিশাল সালতানাতের দাম্ভিক চূড়া
ব্যর্থ হয়ে যায় কারুনের ধন
কল্পিত স্বর্গদ্বারে হুমড়ি খেয়ে পড়ে থাকে
অবাধ্য সাদ্দামের দশটি আঙ্গুল।
আর কারাগারের বন্ধি কয়েদী ইউসুফ
কুদরতের ইশারায় রাজমুকুট পড়ে হয়ে যান বাদশা কেনান।
আমি আমার জনগণকে
আসন্ন সেই বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
যেখানে অন্ধকার
সেখানেই বিপ্লব
যেখানে ক্লেদাক্ত পাপ ও পঙ্কিলতার সয়লাব
সেখানেই বিপ্লব
যেখানে নগ্নতা ও বেহায়াপনার যুগল উল্লাস
সেখানেই বিপ্লব
যেখানে মিথ্যার ফানুস
সেখানেই বিপ্লব
বিপ্লব সকল জুলুম, অত্যাচার আর নির্যাতনের বিরুদ্ধে
বিপ্লব অন্তরের প্রতিটি কুচিন্তা আর কুকর্মের বিরুদ্ধে।
আমি আপনাদের সকলকে
বিপ্লবের মৌসুমের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।
মৌসুম ছাড়া কোন বসন্ত আসে না
মৌসুম ছাড়া ফোটে না কৃষ্ণচূড়া, পলাশ, শিমুল
সময়কে ধারণ করতে না পারলে গর্ভবতী হয় না কোন রমণী
ফলবতী হয় না সবুজ ধানের শীষ
সীম আর মটর দানা
সময়কে ধারণ করতে না পারলে সফল হয় না বিপ্লবের আরাধ্য কাজ।
কৃষ্ণ মধ্যরাত পেরিয়ে আজ বিংশ শতাব্দী ছুটছে প্রত্যুষের দিকে
সাইবেরিয়ার বরফ খন্ডে মুখ লুকাচ্ছে পাশবতন্ত্র
আ’দ ও সামুদ জাতির মত টেক্সাসের ঘোড়াগুলোকে
ঘিরে ফেলেছে আল্লাহর গজব
ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, বসনিয়া, কাশ্মীর,
পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তরে
লাউড স্পিকারের সামনে দাঁড়িয়ে গেছে যুগের মুয়াজ্জিন
আকাশ বাতাস প্রকম্পিত করে এখনি আজান হবে
সে আওয়াজের নিচে হারিয়ে যাবে
এটম ও কামানের ধ্বনি
গড়িয়ে যাওয়া অজুর পানিতে ভিজে অকেজো হয়ে পড়বে
সব ক’টি দূরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র।
আবাবিল পাখির ঝাক গিলে খাবে আকাশ ফড়িং
রাজহাঁসগুলো
শামুকের পরিবর্তে গিলে খাবে জীবন্ত টর্পেডো
সাদা কবুতরের পাখনায় আটকা পড়ে
থেমে যাবে আনবিক ঝড়
আর বেহেশত থেকে শহীদেরা
আপনাদের বিজয় অভিনন্দন জানানোর জন্য
মার্চপাষ্ট করতে করতে
এসে দাঁড়িয়ে যাবে রাস্তার দু’পাশে।
তাদের প্রত্যেকের হাতে থাকবে একটি করে রক্ত গোলাপ
সজীব ও তরতাজা
চিত্তহারী ঘ্রাণময়
আমি আপনাদেরকে সেই
অনিবার্য বিপ্লবের
পতাকা উত্তোলনের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
ওয়েস্টপয়েন্ট কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
সিলেট সদর উপজেলার শিবের বাজারস্থ ওয়েস্টপয়েন্ট কলেজ কর্তৃক ২০২৪ সালের এস.এস.সি/ দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও শিক্ষাবিদ বেতার বাংলাদেশের সাবেক পরিচালক জনাব ড.মীর শাহ আলম।
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহ খুররুম ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক জনাব কমর উদ্দিন।
কলেজের অধ্যক্ষ শেখ মিনা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন হাটখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা কে এম রফিকুজ্জামান, সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের চেয়ারম্যান জনাব দিদারুল ইকবাল, ওয়েস্ট পয়েন্ট কলেজের পরিচালক ও সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী একাডেমির চেয়ারম্যান জনাব মাওলানা ফাইয়্যাজ আহমদ চৌধুরী, রয়েল একাডেমির প্রধান শিক্ষক জনাব জসিম উদ্দিন, সাবেক মেম্বার জনাব এ টি এম সেলিম, সানরাইজ আইডিয়াল একাডেমির প্রধান শিক্ষক জনাব সফির আহমদ, শাহপরান দাখিল মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক জনাব সোহেল তালুকদার, রেইনবো একাডেমির প্রধান শিক্ষক জনাব মুহাম্মদ আলী, ওয়েস্ট পয়েন্ট কলেজের ইংরেজী প্রভাষক শরিফ মাহমুদ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রভাষক জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ও জনাব সিরাজুল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে অংশ গ্রহন করেন বিশিষ্ট মুরব্বি ও শিক্ষাবিদ মাষ্টার জমির উদ্দিন প্রমুখ।
মহাগ্রন্থ আল কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিমা বেগম। ইসলামী সংগীত পরিবেশন করে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ডলি বেগম ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবিদা বেগম। দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন করে মারওয়া আক্তার লিসা। উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষাথীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রধান করে ইমরান আহমদ ।
অনুস্টান পরিচালনা করেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ও জনাব সিরাজুল ইসলাম।
কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজার গাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, পুরান কালারুকা উচ্চ বিদ্যালয়, জামিউল উলূম বড় কাপন দাখিল মাদরাসা, শাহজালাল বাজার উচ্চ বিদ্যালম, সানরাইজ আইডিয়াল একাডেমী, আল হেরা একাডেমী, রয়েল একাডেমী, রেইনবো একাডেমি, আল মিনা একাডেমী, বেগম রোকেয়া স্কুল এন্ড কলেজ, দ্যা ব্রাইট স্কুল, কালির গাঁও উচ্চ বিদ্যালয়, আল মদিনা একাডেমি, শাহপরান মাদরাসা থেকে দুইশতাধিক কৃতি শিক্ষার্থী ছাত্রছাত্রী কে সংর্বধনা প্রদান করা হয়।
13/05/2024
11/04/2023
Indian Premier League Official Website Visit the official IPLT20 website for live cricket score, IPL match updates, fixtures, results, news, photos and videos.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Shiber Bazar, Sadar
Sylhet
3100