Somoyer kotha 24.com

Somoyer kotha 24.com

Share

somoyer mollo ban kota gola sob srenir bondoder seyar kora

22/11/2016

Good night

05/11/2016

Ok

20/08/2016

Hi,

11/11/2015

কখন আসে গজব?
=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-
হযরত আলী (রা)
বর্নণা করেন,
নবী (সা)
ইরশাদ করেন- আমার
উম্মতে মাঝে যখন ১৪
টি উপসর্গ দেখা দিবে,
তখন
তাদের ওপর
আল্লাহর গজব একের
পর এক
নাযিল হতে শুরু
করবে- (১)
সরকারী ভান্ডারে গচ্ছিত
জনগণের
সম্পদকে যখন
তত্ত্বাবধায়কের

নিজের
ব্যক্তিগত
সম্পদরুপে খরচ
করতে শুরু করবে।
(২)আমানতের খেয়ানত
করবে।
(৩)যাকাত
দেয়া জরিমানা মনে করবে।
(৪)স্বামী স্বীয়
বৌ এর
আনুগত্য
করতে শুরু
করবে। (৫)ছেলে তার
মায়ের
অবাধ্য হবে।
(৬)লোকেরা বন্ধুর
মনোরঞ্জন
করবে এবং
পিতার ওপর জুলুম
করবে।
(৭)মসজিদে হাঙ্গামা বাঁধাবে।
(৮)সর্বাপেক্ষা জগন্য
চরিত্রের
লোকগুলোয় সমাজের
নেতৃত্বপদ দখল
করে বসবে। (৯)
কাউকে সম্মান
করা হবে তার অনিষ্ট
থেকে বাঁচার জন্য।
(১০)নানা প্রকার
নেশাদ্রব্য
প্রকাশ্যে ব্যবহার
করা হবে।
(১১)পুরুষেরা আগ্রহ
ভরে রেশমী কাপড়ের
পোশাক পরিধান
করবে।
(১২)বিবিধ
বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপক
প্রচলন
হবে। (১৩)নৃত্য গীতের
আসর
সরগরম হয়ে উঠবে।
(১৪)লোকেরা পূর্ববর্তীদের
সম্পর্কে আপত্তিকর
মন্তব্য
করতে শুরু
করবে।
পরিশেষে হে আল্লাহ
তুমি তোমার গজব
থেকে আমাদের
কে হেফাযত

10/11/2015

প্রশ্ন : বিবাহের পর স্ত্রীর জন্য শ্বশুর-
শ্বাশুড়ি, না নিজ পিতা-মাতার
সেবা করা অধিক
যরূরী? এছাড়া স্বামী এবং নিজ
পিতা-মাতার
আদেশ-নিষেধের মাঝে বৈপরীত্য
দেখা দিলে কার
আদেশ-নিষেধ অগ্রাধিকার পাবে?
---------------
উত্তর : প্রত্যেক সন্তানের জন্য তার
পিতা-
মাতার সেবাযত্ন করাই সর্বাগ্রে যরূরী
(ইসরা ১৭/২৩)।
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তার শ্বশুর-
শ্বাশুড়ীর
খেদমতে বাধ্য করা উচিৎ নয়। তবে
অবশ্যই
তাদের সাথে সদাচরণ করা কর্তব্য।
স্বামী এবং
পিতা-মাতা উভয়ের আদেশ-নিষেধ
মেনে চলা
স্ত্রীর জন্য ওয়াজিব। তাই সাধ্যমত
উভয়কে
সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করবে। এরপরেও
যদি
উভয়ের আদেশ-নিষেধের মাঝে
বৈপরীত্য দেখা
দেয়, সেক্ষেত্রে বৈষয়িক বিষয়ে
স্বামীর
আদেশকে অগ্রগণ্য করতে হবে। কেননা
বিবাহের
পূর্ব পর্যন্ত নারীরা পিতা-মাতার
নিয়ন্ত্রণাধীনে
থাকে। কিন্তু বিবাহের পর তারা
স্বামীর
নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সুতরাং সেসময়
স্বামীর
আদেশ-নিষেধ মান্য করাই তার জন্য
অগ্রগণ্য
হবে।
রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমি যদি কাউকে
কোন
মানুষের সিজদা করার আদেশ দিতাম,
তাহ’লে
স্ত্রীকে তার স্বামীর সামনে সিজদা
করতে
বলতাম
(আবুদাউদ হা/২১৪০; মিশকাত হা/৩২৫৫)।
তিনি বলেন, ক্বিয়ামতের দিন
সর্বাধিক শাস্তি
প্রাপ্ত হবে দু’ধরনের মানুষ। তাদের
একজন হ’ল,
অবাধ্য স্ত্রী (তিরমিযী হা/৩৫৯, সনদ
ছহীহ)।
তবে উভয়ে উভয়ের অধিকারের প্রতি
যত্নশীল
থাকতে হবে।
রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমাদের উত্তম
সেই
ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর নিকটে উত্তম।
আর
আমি আমার স্ত্রীদের নিকটে
উত্তম’ (তিরমিযী,
দারেমী, মিশকাত হা/৩২৫২)

10/11/2015

মা ও মেয়ে
একটি বাস্তবতাঃ-
মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর যখন
সে আবার বাবার
বাড়ি আসে তখন মা খুব আগ্রহ
ভরে জানতে চায়
যে ঐ বাড়িতে তার কেমন লেগেছে ?
মেয়ে জবাবে বলে-
“ আমার ওখানে ভালো
লাগেনা। মানুষগুলো কেমন
যেন। পরিবেশটাও আমার
ভালো লাগছেনা”। মেয়ের
ভেতর এক ধরনের হতাশা
দেখতে পায় তার মা।
দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন
কেটে যায়। মেয়ের
চলে যাবার সময় চলে আসে।
চলে যাবার ঠিক আগের
দিন মা তার মেয়েকে নিয়ে রান্না
ঘরে প্রবেশ করেন। মা হাড়িতে
পানি দেন এবং তা গরম
করতে থাকেন।
একসময় যখন তা ফুটতে
থাকে তখন মা হাড়িতে গাজর,
ডিম আর কফির বিন দেন।
এভাবে বিশ মিনিট পর মা
আগুন নিভিয়ে ফেলেন।
একটি বাটিতে গাজর, ডিম
এবং কফির বিন নামিয়ে রাখেন।
এবার তিনি মেয়েকে উদ্দেশ্য
করে বলেন- “তুমি এখান
থেকে কি বুঝতে পারলে
আমাকে বল” ?

মেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে-
“আমি দেখলাম তুমি গাজর,
ডিম আর কফির বিন সিদ্ধ
করলে মাত্র”।

মেয়ের কথা শুনে মা বললেন-
“হ্যাঁ, তুমি ঠিকই দেখেছ।
তবে তুমি কি আরও কিছু
লক্ষ্য করনি?”
মেয়ে বলে- “ না- মা,”

মা বলে-
“গাজর মোটামুটি শক্ত ধরনের,
ডিম খুব হালকা আর কফির
বিন খুবই শক্ত। কিন্তু যখন
এগুলিকে গরম পানিতে রাখা
হল তখন তিনটি জিনিসের তিন
রকম অবস্থা হল। গাজর খুব
নরম হয়ে গেল, আর ডিম শক্ত
হয়ে গেল আর কফির বিন
সুন্দর ঘ্রান আর
মিষ্টি স্বাদে পানিতে মিশে গেল”।

মা এবার দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে
যেন অনেক অতীতে চলে যেতে
চাইলেন। তারপর আবার
বাস্তবে ফিরে এসে মেয়ের দিকে
ফিরে বললেন- “আমি তোমাকে
এখন যে কথাগুলি বলব,
আমার মাও ঠিক এইভাবেই
আমাকে এ কথাগুলি বলেছিল।
আমি জানিনা কথাগুলি
তোমার কতটুকু উপকারে
আসবে, তবে আমার জীবনকে
অনেক প্রভাবিত করেছিল”।

মা কিছুক্ষন বিরতি দিয়ে বলতে
লাগলেন-
“তুমি যদি তোমার স্বামীর
বাড়িতে নিজেকে কঠিনভাবে
উপস্থাপন কর, তবে প্রতিকূল
পরিবেশের সাথে তোমার সংঘর্ষ
হবে- তোমাকে দুর্বল করে ঠিক
গাজরের মতই নরম
করে ফেলবে- তোমার
ব্যক্তিত্বকে ভেঙে ফেলবে।

যদি তুমি নিজেকে নরম-ভঙ্গুর
করে উপস্থাপন কর
তবে প্রতিকূল পরিবেশ
তোমাকে কব্জা করে ফেলবে,
আঘাতের পর আঘাত
এসে তোমার হৃদয়কে একসময়
কঠিন করে ফেলবে ঠিক ডিমের মত।

কিন্তু তুমি যদি তোমার
ভালবাসা দিয়ে নিজেকে
প্রতিকূল পরিবেশের সাথে
মিশিয়ে দিয়ে তার
অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পার
তবে পরিবেশ সুন্দর হয়ে উঠবে
ঠিক যেমন কফির বিন গরম
পানির সাথে নিজেকে মিশিয়ে
দিয়ে পানিকে সুস্বাদু
আর চারপাশকে মিষ্টি ঘ্রানে
ভরিয়ে দিয়েছে”।

পরের দিন যখন মেয়েটি তার
স্বামীর বাড়িতে যাচ্ছিল তখন
তার ভিতর এক আশ্চর্য শান্ত
ভাব আর এক দৃঢ় প্রত্যয়
প্রকাশ পাচ্ছিল।''
(অনুবাদকৃত গল্প-বিমূর্ত)

আমাদের চারপাশের পরিস্থিতি
সবসময় অনুকুল থাকবেনা,
তাই বলে নিজেকে পরিস্থিতির
কাবু না করে র্ধৈয্য ,ভালবাসা,
সহমর্মিতা নিয়ে পরিস্থিতিকে
কাবু করতে হবে । সুখ সবসময়
নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়।

10/11/2015

>>জেনে নিন
বাংলাদেশের কোন
জেলা কবে প্রতিষ্ঠিত
হয়েছেঃ
জেলার নাম ——-
প্রতিষ্ঠিত সাল
০১. ঢাকা ——- ১৭৭২ সাল।
০২. মুন্সীগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
০৩. নরসিংদী ——- ১৯৮৪
সাল।
০৪. নারায়ণগঞ্জ ——- ১৯৮৪
সাল।
০৫. মানিকগঞ্জ ——- ১৯৮৪
সাল।
০৬. ময়মনসিংহ ——- ১৭৮৭
সাল।
০৭. গাজীপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
০৮. কিশোরগঞ্জ ——- ১৯৮৪
সাল।
০৯. জামালপুর ——- ১৯৮৪
সাল।
১০. শেরপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
১১. নেত্রকোণা ——- ১৯৮৪
সাল।
১২. টাঙ্গাইল ——- ১৯৬৯
সাল।
১৩. ফরিদপুর ——- ১৮১৫ সাল।
১৪. গোপালগঞ্জ ——- ১৯৮৪
সাল।
১৫. শরীয়তপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
১৬. মাদারীপুর ——- ১৯৮৪
সাল।
১৭. রাজবাড়ি ——- ১৯৮৪
সাল।
১৮. চট্টগ্রাম ——- ১৬৬৬ সাল।
১৯. কক্সবাজার ——- ১৯৮৪
সাল।
২০. বান্দবান ——- ১৯৮১ সাল।
২১. রাঙামাটি ——- ১৮৬০
সাল।
২২. খাগড়াছড়ি ——- ১৯৮৪
সাল।
২৩. ফেনী ——- ১৯৮৪ সাল।
২৪. ব্রাহ্মণবাড়িয়া ——-
১৯৮৪ সাল।
২৫. চাঁদপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
২৬. রাজশাহী ——- ১৭৭২
সাল।
২৭. নাটোর ——- ১৯৮৪ সাল।
২৮. নওগাঁ ——- ১৯৮৪ সাল।
২৯. নওয়াবগঞ্জ ——- ১৯৮৪
সাল।
৩০. বগুড়া ——- ১৮২১ সাল।
৩১. পাবনা ——- ১৮৩২ সাল।
৩২. সিরাজগঞ্জ ——- ১৯৮৪
সাল।
৩৩. জয়পুরহাট ——- ১৯৮৪ সাল।
৩৪. রংপুর ——- ১৮৭৭ সাল।
৩৫. লালমনিরহাট ——- ১৯৮৪
সাল।
৩৬. কুড়িগ্রাম ——- ১৯৮৪ সাল।
৩৭. নীলফামারী ——- ১৯৮৪
সাল।
৩৮. গাইবান্ধা ——- ১৯৮৪
সালে।
৩৯. পঞ্চগড় ——- ১৯৮০ সাল।
৪০. দিনাজপুর ——- ১৭৮৬
সাল।
৪১. খুলনা ——- ১৮৮২ সাল।
৪২. ঠাকুরগাঁও ——- ১৯৮৪ সাল।
৪৩. সাতক্ষীরা ——- ১৯৮৪
সাল।
৪৪. বাগেরহাট ——- ১৯৮৪
সাল।
৪৫. যশোর ——- ১৭৮১ সাল।
৪৬. ঝিনাইদহ ——- ১৯৮৪ সাল।
৪৭. নড়াইল ——- ১৯৮৪ সাল।
৪৮. মাগুরা ——- ১৯৮৪ সাল।
৪৯. কুষ্টিয়া ——- ১৮৬৩ সাল।
৫০. চূয়াডাঙ্গা ——- ১৯৮৪
সাল।
৫১. মেহেরপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
৫২. বরিশাল ——- ১৭৯৭ সাল।
৫৩. ঝালকাঠি ——- ১৯৮৪
সাল।
৫৪. পিরোজপুর ——- ১৯৮৪
সাল।
৫৫. পটুয়াখালী ——- ১৯৮৪
সাল।
৫৬. বরগুনা ——- ১৯৮৪ সাল।
৫৭. ভোলা ——- ১৯৮০ সাল।
৫৮. সিলেট ——- ১৭৭৫ সাল।
৫৯. হবিগঞ্জ ——- ১৯৮৪ সাল।
৬০. মৌলভীবাজার ——-
১৯৮৪ সাল।
৬১. নোয়াখালী ——- ১৮২১
সালে।
৬২. লক্ষ্মীপুর ——- ১৯৮৪ সাল।
৬৩. কুমিল্লা ——- ১৭৯০ সাল।
৬৪. চাঁদপুর ——- ১৯৮৪ সাল।

09/11/2015

আজ তোমরা আমার নবী স: কে মাটির
নবী বল। এই ইয়াহুদিদের দালাল,
নাস্তিকদের বাচ্ছারা, তোমরা
আমার নবিজির মান কমাতে চাইলে ও
জিবনে ও পারবে না। কারণ আমার
আল্লাহ কোরান এর বিভিন্ন
স্থানেববিভিন্ন আয়াতে ও হাদিসে
বিভিন্ন জায়গায় লেখা আছে আমার
নবী যে নুরের তৈরী।দলিল দিয়ে
দিলাম। মানা আর না মানা তোমার
ঈমানের উপর নির্ভর করে।যার যতটুকু
ইমান, সেই ঈমান অনুযায়ী আমার
নবিজিকে ভালবাসবে,সম্মান দিয়ে
কথা বলবে, নবি স: এর একটু অপমানে,
নিজের জীবন বিলিয়ে দিবে।।।।
নবী করিম (সঃ) কি নুরের তৈরি ?
*********************************************
****************************
জেনে নিন কিছু দলিল! ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ
ﻧﻮﺭ ﻭ ﻛﺘﺎﺏ ﻣﺒﻴﻦ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট
আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা নূর এবং
স্পষ্ট কিতাব এসেছে।। (সূরা মায়িদা
আয়াত- ১৫)
আলোচ্য আয়াতে নূর দ্বারা নবী করীম
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
কে বুঝানো হয়েছে। নিম্নে আরো
কয়েকটি প্রসিন্ধ তাফসীরের
আলোকে দলিল উপস্থাপন করা হলঃ-
দলিল নং ১
বিশ্ব বিখ্যাত মুফাসসিরে কোরআন
হযরত ইবনে আববাস (রাঃ) এর বিশ্ব
বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ ইবনে আববাস
এর মধ্যে আছে-
ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻭ ﻛﺘﺎﺏ ﻣﺒﻴﻦ ﻳﻌﻨﻲ ﻣﺤﻤﺪﺍ
ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺅﺳﻠﻢ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট হতে
তোমাদের কাছে নূর অর্থাৎ মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এসেছেন। (তাফসীরে ইবনে আববাস
পৃষ্ঠা ৭২)।
দলিল নং ২
ইমাম আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জারীর
আত্-তবারী (রা) তাঁর বিখ্যাত
তাফসীর গ্রন্থ ইবনে জারীর এর মধ্যে
বলেন- ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻭ
ﻛﺘﺎﺏ ﻣﺒﻴﻦ ﻳﻌﻨﻲ ﺑﺎﺍﻟﻨﺆﺭ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﺅﺳﻠﻢ
ﺍﻟﺬﻱ ﺍﻧﺎﺭ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻪ ﺍﻟﺤﻖ ﻭﺍﻇﻬﺮﺑﻪ
ﺍﻻﺳﻼﻡ ﻭﻣﺤﻖ ﺑﻪ ﺍﻟﺸﺮﻙ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট হতে
তোমাদের কাছে নূর অর্থাৎ মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এসেছেন, যে নূর দ্বারা আল্লাহ সত্যকে
উজ্জ্বল ও ইসলামকে প্রকাশ করেছেন
এবং শিরিককে নিশ্চিহ্ন
করেছেন। ( তাফসীরে ইবনে জারীর
৬ষ্ঠ খন্ড, পৃষ্ঠা ৮৬, সূরা মায়িদা
আয়াত ১৫)।
দলিল নং ৩
মুহীউস্সুন্নাহ আল্লামা আলাউদ্দীন
আলী ইবনে মুহাম্মদ (রাঃ) (যিনি
‘খাজিন’ নামে পরিচিত) তাফসীরে
খাজেনের মধ্যে বলেন-
ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻭ ﻛﺘﺎﺏ ﻣﺒﻴﻦ ﻳﻌﻨﻰ ﺑﺎﺍﻟﻨﺆﺭ
ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻧﻤﺎ ﺳﻤﺎﻩ ﺍﻟﻠﻪ
ﻧﻮﺭ ﺍﻻﻧﻪ ﻳﻬﺪﺍﻯ ﺑﺎﻟﻨﻮﺭ ﻓﻲ ﺍﻟﻈﻼﻡ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট হতে
তোমাদের কাছে নূর অর্থাৎ মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এসেছেন। আল্লাহ তায়া’লা তাঁর
নামকরণ
করেছেন নূর, কারণ তাঁর নূরেতে
হেদায়ত লাভ করা যায়। যেভাবে
অন্ধকারে নূর দ্বারা পথ পাওয়া যায়।
(তাফসীরে খাজিন ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা ৪১৭)।
দলিল নং ৪
ইমাম হাফেজ উদ্দীন আবুল বারাকাত
আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ আন-
নাসাফী (রা) এই আয়াত শরীফ ( ﻗﺪ
ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻭ ﻛﺘﺎﺏ ﻣﺒﻴﻦ )
প্রসঙ্গে বলেন-
ﻭﺍﻟﻨﻮﺭ ﻣﺤﻤﺪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻻﻧﻪ ﻳﻬﺘﺪﺍﻱ ﺑﻪ ﻛﻤﺎ ﺳﻤﻲ
ﺳﺮﺍﺟﺎ ﻣﻨﻴﺮﺍ -
আর নূর হলেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কেননা তাঁর
নূরেতে হেদায়ত লাভ করা যায়, যেমন
তাঁকে উজ্জ্বল প্রদীপ বলা
হয়েছে। (তাফসীরে মাদারিক ১ম খন্ড,
পৃষ্ঠা ৪১৭)।
দলিল নং ৫
ইমামুল মুতাকাল্লেমীন আল্লামা
ফখরুদ্দীন রাযী (রা) এই আয়াত শরীফ
( ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻭ ﻛﺘﺎﺏ ﻣﺒﻴﻦ ) প্রসঙ্গে
বলেন-
ﺍﻥ ﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﺑﺎﻟﻨﻮﺭ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻭﺑﺎﻟﻜﺘﺎﺏ
ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই নূর দ্বারা মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এবং কিতাব দ্বারা
আল কোরআন মজীদকে বুঝানো হয়েছে।
(তাফসীরে কবীর
৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা ৩৯৫, সূরা মায়িদা আয়াত
১৫)।
আর যারা বলে যে ‘নূর ও কিতাবে
মুবীন’ দ্বারা কুরআন মজীদকেই
বুঝানো হয়েছে, ইমাম রাযী (রা) সে
সম্পর্কে বলেন-
ﻫﺬﺍ ﺿﻌﻴﻒ ﻻﻥ ﺍﻟﻌﻄﻒ ﻳﻮﺟﺐ ﺍﻟﻤﻐﺎﻳﺮﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻤﻌﻄﻮﻑ
ﻭﺍﻟﻤﻌﻄﻮﻑ ﻋﻠﻴﻪ -
এই অভিমত দুর্বল, কারণ আতফ (ব্যাকরণগত
সংযোজিত) মা‘তুফ
(সংযোজিত) ও মা‘তুফ আলাইহি (যা
তার সাথে সংযোজন কারা হয়েছে )
এর
মধ্যে ভিন্নতা প্রমাণ করে।
(তাফসীরে কবীর ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা ৩৯৫)।
দলিল নং ৬
ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী (র:) বলেনঃ
ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻫﻮ ﻧﻮﺭ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ
ﻭﺳﻠﻢ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট হতে
তোমাদের কাছে নূর এসেছে, তা
হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম এর নূর মোবারক।
(তাফসীরে জালালাইন শরীফ পৃষ্ঠা
৯৭)
দলিল নং ৭
আল্লামা মাহমূদ আলূসী বাগদাদী (র:)এ
প্রসংগে বলেন-
ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻫﻮ ﻧﻮﺭﻋﻈﻴﻢ ﻫﻮ ﻧﻮﺭ
ﺍﻻﻧﻮﺍﺭﺍﻟﻨﺒﻰ ﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻟﻰ
ﺫﻫﺐ ﻗﺘﺎﺩﺓ ﻭﺍﻟﺰﺟﺎﺝ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট হতে
তোমাদের কাছে মহান নূর এসেছে
। আর তিনি হলেন নূরুল আনোয়ার নবী
মোখতার সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম। এটাই হযরত কাতাদাহ ও
যুজাজের অভিমত। (তাফসীরে রুহুল
মাআনী ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃষ্ঠা ৯৭)।
দলিল নং ৮
আল্লামা ইসমাঈল হক্কী (র:)এ প্রসংগে
বলেন-
ﻗﻴﻞ ﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﺑﺎﺍﻻﻭﻝ ﻫﻮ ﺍﻟﺮﺳﻮﻝ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ
ﻭﺑﺎﻟﺜﺎﻧﻰ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ -
অর্থঃ বলা হয়েছে যে, প্রথমটা অর্থাৎ
নূর দ্বারা রাসূলে করীম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
কে বুঝানো হয়েছে এবং দ্বিতীয়টা
অর্থাৎ কিতাবে মুবীন দ্বারা কুরআন
কে বুঝানো হয়েছে।
(তাফসীরে রুহুল বয়ান ২খন্ড, পৃষ্ঠা ২৬৯)
আর অগ্রসর হয়ে বলেন-
ﺳﻤﻰ ﺍﻟﺮﺳﻮﻝ ﻧﻮﺭﺍ ﻻﻥ ﺍﻭﻝ ﺷﻴﺊ ﺍﻇﻬﺮﻩ ﺍﻟﺤﻖ ﺑﻨﻮﺭ
ﻗﺪﺭﺗﻪ ﻣﻦ ﻇﻠﻤﺔ ﺍﻟﻌﺪﻡ ﻛﺎﻥ ﻧﻮﺭ ﻣﺤﻤﺪ
ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻛﻤﺎ ﻗﺎﻝ ﺍﻭﻝ ﻣﺎ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭﻯ
-
অর্থ: আল্লাহ তায়া‘লা রসূল আকরাম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এর নাম
রেখেছেন নূর। কেননা আল্লাহ
তায়া‘লা তাঁর কুদরতের নূর থেকে
সর্বপ্রথম যা প্রকাশ করেছেন তা তো
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম এর নূর মোবারক। যেমন তিনি
ফরমায়েছেন- আল্লাহ তায়া‘লা
সর্বপ্রথম আমার নূর মোবারক কে সৃষ্টি
করেছেন। (তাফসীরে রুহুল
বয়ান ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা ৩৬৯)।
দলিল নং ৯
ইমাম মুহীউস সুন্নাহ আবু মুহাম্মদ আল-
হোসাইন আল-ফাররা আল-বাগাভী
(র:) এ প্রসংগে বলেন-
ﻗﺪ ﺟﺎﺀﻛﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﻳﻌﻨﻰ ﺑﺎﺍﻟﻨﺆﺭ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ -
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট হতে
তোমাদের কাছে নূর অর্থাৎ মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
এসেছেন। (তাফসীরে মাআলিমুত
তান্যীল, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা ২৩, তাফসীরে
খাযিনের পাদ টীকা)
এ ছাড়া আরো অনেক তাফসীর গ্রন্থর
মধ্যে আছে যে নবী
করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম আল্লাহর নূরঃ-
সুরা মায়েদা পারা ৬, ১৫ নং আয়াতে
নূরের ব্যাখ্যাঃ-
১। তাফসীরে আবি সউদ ২য় খন্ড, পৃ- ২৫১,
২। তাফসীরে রুহুল বয়ান ২য় খন্ড, পৃ- ৩৬৯,
৩। তাফসীরে রুহুল মায়ানী ১ম খন্ড, পৃ-
৩৬০, ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃষ্ঠা ৯৭,
৪। তাফসীরে ইবনে জারীর ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃ-
৮৬,
৫। তাফসীরে কবীর ১১তম খন্ড, পৃ- ১৬৩,
৬। তাফসীরে কুরতুবী ৬ষ্ঠ খন্ড পৃ- ১১৮,
৭। তাফসীরে বায়জাভী ১ম খন্ড, পৃ- ৬৪,
৮। তাফসীরে মাজহারী ৩য় খন্ড, পৃ- ৬৮,
০৯। তাফসীরে কবীর ৬ষ্ঠ খন্ড, পৃ- ৪৬২,
সূরা তাওবা পারা ১০, ৩২ নং আয়াতে
নূরের ব্যাখ্যাঃ-
১। তাফসীরে দুররে মানসুর ৩ খন্ড, পৃ-
২০১,
২। তাফসীরে কবীর ১৬ম খন্ড, পৃ- ৩৪,
৩। তাফসীরে রুহুল মায়ানী ১৪ম খন্ড, পৃ-
৪৮।
সুরা নূর পারা ১৮, আয়াত নং ৩৫ঃ-
১। তাফসীরে ইবনে আববাস ৪র্থ খন্ড, পৃ-
২৪,
২। তাফসীরে রুহুল মায়ানী ১০ম খন্ড, পৃ-
১৬৬।
সুরা আহযাব আয়াত নং ৪৬ঃ-
১। তাফসীরে আহকামুল কোরআন লিল
ইবনুল আরাবী ৩য় খন্ড, পৃ-
১৫৪৬,
২। তাফসীরে মাওয়ারদী ৪র্থ খন্ড, পৃ-
৪১১।
হাদীস শরীফের আলোকেঃ
দলিল নং ১০
ﻋﻦ ﺟﺎﺑﺮ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ : ﻗﻠﺖ ﻳﺎ
ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﺎﺑﻰ ﺍﻧﺖ ﻭﺍﻣﻰ ﺍﺧﺒﺮﻧﻰ ﻋﻦ ﺍﻭﻝ
ﺷﺊ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻗﺒﻞ ﺍﻻﺷﻴﺎﺀ ؟ ﻗﺎﻝ ﻳﺎ ﺟﺎﺑﺮ ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ
ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻗﺪ ﺧﻠﻖ ﻗﺒﻞ ﺍﻻﺷﻴﺎﺀ ﻧﻮﺭﻧﺒﻴﻚ
ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻩ ﻓﺠﻌﻞ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻳﺪﻭﺭ ﺑﺎﻟﻘﺪﺭﺓ ﺣﻴﺚ ﺷﺎﺀ
ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻭﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻓﻲ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻮﻗﺖ ﻟﻮﺡ
ﻭﻻ ﻗﻠﻢ ﻭﻻ ﺟﻨﺔ ﻭﻻ ﻣﻠﻚ ﻭﻻ ﺳﻤﺎﺀ ﻭﻻ ﺍﺭﺽ ﻭﻻ ﺷﻤﺲ
ﻭﻻ ﻗﻤﺮ ﻭﻻ ﺟﻦ ﻭﻻ ﺍﻧﺲ – ﻓﻠﻤﺎ ﺍﺭﺍﺩ
ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﺍﻥ ﻳﺨﻠﻖ ﺍﻟﺨﻠﻖ ﻗﺴﻢ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﺍﺭﺑﻌﺔ ﺍﺟﺰﺍﺀ
ﻓﺨﻠﻖ ﻣﻦ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻻﻭﻝ ﺍﻟﻘﻠﻢ ﻭ ﻣﻦ
ﺍﻟﺜﺎﻧﻲ ﺍﻟﻠﻮﺡ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻟﺚ ﺍﻟﻌﺮﺵ ﺛﻢ ﻗﺴﻢ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺍﻟﺮﺑﻊ
ﺍﺭﺑﻌﺔ ﺍﺟﺰﺍﺀ ﻓﺨﻠﻖ ﻣﻦ ﺍﻻﻭﻝ ﺣﻤﻠﺔ
ﺍﻟﻌﺮﺵ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻰ ﺍﻟﻜﺮﺳﻰ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻟﺚ ﺑﺎﻗﻰ ﺍﻟﻤﻼﺋﻜﺔ
ﺛﻢ ﻗﺴﻢ ﺍﻟﺮﺑﻊ ﺍﺭﺑﻊ ﺍﺟﺰﺍﺀ ﻓﺨﻠﻖ ﻣﻦ
ﺍﻻﻭﻝ ﺍﻟﺴﻤﺎﻭﺍﺕ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻰ ﺍﻻﺭﺿﻴﻦ ﻭﻣﻦ ﺍﻟﺜﺎﻟﺚ
ﺍﻟﺠﻨﺔ ﻭﺍﻟﻨﺎﺭ —————————
————– ﺍﻟﺦ -
অর্থঃ হযরত জাবের (রাঃ) হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন, আমি আবেদন করলাম,
ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার মা-
বাবা আপনার কদম
মোবারকে উৎসর্গিত, আপনি দয়া করে
বলুন, সকল বস্ত্তর পূর্বে
সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়া’লা কোন
বস্ত্তটি সৃষ্টি করেছিলেন? নবীজী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়’লা
সমস্ত
কিছুর পূর্বে তোমার নবীর (তোমার) নূর
মোবারক তাঁরই নূর মোবারক
হতে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর ওই নূর
আল্লাহ তায়’লারই মর্জি মুতাবেক
তাঁরই কুদরতি শক্তিতে পরিভ্রমণ করতে
লাগল। ওই সময় না ছিল বেহেশ্ত-
দোযখ, আর ছিলনা আসমান-যমীন, চন্দ্র-
সূর্য, মানব ও দানব। এক পর্যায়ে
মহান আল্লাহ যখন সৃষ্টিজগত পয়দা করার
মনস্থ করেছিলেন, প্রথমেই ওই
নূর মোবারককে চারভাগে বিভক্ত করে
প্রথম অংশ দিয়ে কলম,
দ্বিতীয় অংশ দিয়ে লওহ, তৃতীয় অংশ
দিয়ে আরশ, সৃষ্টি করে
চুতুর্থাংশকে পুণরায় চারভাগে বিভক্ত
করে প্রথমাংশ দিয়ে আরশবহনকারী
ফেরেশতাদের দ্বিতীয় অংশ দ্বারা
কুরসী, তৃতীয় অংশ দ্বারা অন্যান্য
ফেরেশতাদের সৃষ্টি করে
চুতুর্থাংশকে আবারও চারভাগে
বিভক্ত করে
প্রথম ভাগ দিয়ে সপ্ত আসমান, দ্বিতীয়
ভাগ দিয়ে সপ্ত যমীন, তৃতীয়
ভাগ দিয়ে বেহেশত-দোযখ এবং
পরবর্তী ভাগ দিয়ে পর্যায়ক্রমে
অন্যান্য সকল বস্ত্ত সৃষ্টি করে। (আল
মাওয়াহিবুল লাদুনিয়া ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা
৭১)।
দলিল নং ১১
ﻋﻦ ﻛﻌﺐ ﺍﻟﺨﺒﺎﺭ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ : ﻟﻤﺎ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻥ ﻳﺨﻠﻖ
ﺍﻟﻤﺨﻠﻮﻗﺎﺕ ﺑﺴﻂ ﺍﻻﺭﺽ ﻭﻗﻊ ﺍﻟﺴﻤﺎﺀ
ﻭﻗﺒﺾ ﻗﺒﺼﺔ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻩ ﻭ ﻗﺎﻝ ﻟﻬﺎ ﻛﻮﻧﻰ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﻓﺼﺎﺭﺕ
ﻋﻤﻮﺩﺍ ﻣﻦ ﻧﻮﺭﻩ ﻓﻌﻼ ﺣﺘﻰ ﺍﻧﺘﻬﻰ ﺍﻟﻰ
ﺣﺠﺐ ﺍﻟﻌﻈﻤﺔ ﻓﺴﺠﺪ ﻭ ﻗﺎﻝ ﻓﻰ ﺳﺠﻮﺩﻩ ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ
ﻓﻘﺎﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺳﺒﺤﺎﻧﻪ ﻭ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻟﻬﺬﺍ ﺧﻠﻘﺘﻚ ﻭ
ﺳﻤﻴﺘﻚ ﻣﺤﻤﺪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻣﻨﻚ ﺍﺑﺪﺍ ﺍﻟﺨﻠﻖ ﻭ
ﺑﻚ ﺍﺧﺘﻢ ﺍﻟﺮﺳﻞ -
অর্থঃ হযরত কাব আহবার (রাঃ) থেকে
বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ পাক
রাববুল আলামিন যখন সৃষ্টি জগত সৃজন
করার ইচ্ছা করলেন তখন মাটিকে
সস্প্রসারিত করলেন, আকাশকে উঁচু
করলেন এবং আপন নূও হতে এক
মুষ্ঠি নূর গ্রহন করলেন। তারপর উক্ত নূরকে
নির্দেশ দিলেন‘ তুমি মুহাম্ম্দ
হয়ে যাও।’ অতএব সে নূও স্তম্ভের ন্যায়
উপরের দিকে উঠতে থাকল
এবং মহত্বের পর্দা পর্যন্ত পৈাছে
সিজদায় পরে বলল,‘আলহামদুলিল্লাহ্’
তখন আল্লাহ্ পাকের পক্ষ থেকে ইরশাদ
হল,এজন্যই তোমাকে সৃষ্টি
করেছি আর তোমার নাম মুহাম্ম্দ
রেখেছি। তোমার হতেই সৃষ্টি কাজ
শুরু করব এবং তোমাতেই রিসালাতের
ধারা সমাপ্ত করব
ﺍﺧﺮﺝ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﻋﻤﺮ ﺍﻟﻌﺪﻧﻲ ﻓﻰ ﻣﺴﻨﺪﻩ ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ
ﺍﻥ ﻗﺮﻳﺸﺎ ﻛﺎﻧﺖ ﻧﻮﺭﺍ ﺑﻴﻦ ﻳﺪﻱ ﺍﻟﻠﻪ
ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻗﺒﻞ ﺍﻥ ﻳﺨﻠﻖ ﺍﺩﻡ ﺑﺎﻟﻔﻰ ﻋﺎﻡ ﻳﺴﺒﺢ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻭ
ﺗﺴﺒﺢ ﺍﻟﻤﻼﺋﻜﺔ ﺑﺘﺴﻴﺤﻪ ﻓﻠﻤﺎ ﺧﻠﻖ ﺍﻟﻠﻪ
ﺍﺩﻡ ﺍﻟﻘﻲ ﺫﺍﻟﻚ ﺍﻟﻨﻮﺭ ﻓﻰ ﺻﻠﺐ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻞ ﺍﻟﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻓﺎﻫﺒﻄﻨﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻰ ﺍﻻﺭﺽ
ﻓﻰ ﺻﻠﺐ ﺍﺩﻡ ( ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ) ﻭ ﺟﻌﻠﻨﻰ ﻓﻰ ﺻﻠﺐ ﻧﻮﺡ
ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻭ ﻕ ﻑ ﺑﻰ ﻓﻰ ﺻﻠﺐ
ﺍﺑﺮﻫﻴﻢ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﺛﻢ ﻟﻢ ﻳﺰﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻳﻨﻘﻠﺒﻰ ﻣﻦ ﺍﻟﺼﻼﺏ
ﺍﻟﻜﺮﻳﻤﺔ ﻭ ﺍﻻﺭﺣﺎﻡ ﺍﻟﻄﺎﻫﺆﺓ ﺣﺘﻰ
ﺍﺧﺮﺟﻨﻰ ﻣﻦ ﺑﻴﻦ ﺍﺑﻮﻯ ﻟﻢ ﻳﻠﺘﻘﻴﺎ ﻋﻠﻰ ﺳﻔﺎﺡ ﻗﻂ -
অর্থঃ হযরত ইবনে আলী ওমর আল-আদানী
স্বীয় মুসনাদে হযরত
ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা
করেন, হযরত আদম আলাইহিস
সালামকে সৃষ্টি করলেন, তখন তাঁকে
তাঁর সন্তানদের পরস্পরের মধ্যে
মর্যাদার তারতম্যটুকুও দেখাতে
লাগলেন। তিনি ( আদম আলাইহিস
সালাম )
তাদের মধ্যে শেষপ্রান্তে একটা
উজ্জ্বল নূর দেখাতে পেলেন।
তখন তিনি বললেন,‘‘ হে রব! ইনি কে?
( যাকে সবার মধ্যে প্রজ্জ্বলিত
নূর হিসাবে দেখতে পাচ্ছি?) উত্তরে
মহান রববুল আলামীন ইরশাদ
করলেন,‘‘ ইনি হলেন তোমার পুত্র-সন্তান
হযরত আহমদ মুজ্তবা
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
তিনি প্রথম, তিনি শেষ, তিনি হবেন
আমার
দরবারে প্রথম সুপারিশকারী
(ক্বিয়ামতের দিনে)। ( আল-খাসাইসুল
কুবরা ১ম
খন্ড, পৃষ্ঠা ৩৯)
দলিল নং ১৪

06/11/2015

Farid Dewan
মুসলিম সমাজে প্রচলিত শিরকী
আক্বীদা ও বিদআতী রসম-রেওয়াজ
সমূহের অধিকাংশেরই মূল উৎস হল জাল ও
যঈফ হাদীস সমূহ। আসুন জেনে রাখি সে
হাদীসগুলো যেন আমাদের কেউ
বিভ্রান্ত করতে না পারে।
১.রমজানের একটি সুন্নত একটি ফরজের
সমান।{হাদীসটি জাল}
২.নবী(স) কে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ
দুনিয়া সৃষ্টি করতেন না।{হাদীসটি
জাল}
৩.দেশ প্রেম ইমানের অংশ।{হাদীসটি
জাল}
৪.আল্লাহ আশুরার দিনে আসমান-যমীন
সৃষ্টি করেছেন।{হাদীসটি জাল}
৫.জান্নাতের বাসীরা দাড়ি বিহীন
হবেন,শুধু মুসা ইবনে ইমরান (আ)
বাদে,তার দাড়ি হবে নাভী পর্যন্ত।
{হাদীসটি জাল}
৬.মৃত ব্যক্তিকে ৭ দিন পর্যন্ত তার
বাড়ির মানুষদের দেখতে পায়।
{হাদীসটি জাল}
৭.মাসজিদের মধ্যে কখাবার্তা নেকী
বা সওয়াব খেয়ে ফেলে।{হাদীসটি
জাল}
৮.বিবাহিতের দু রাকাত নামায
অবিবাহিতের ৭০ রাকাত থেকে
উত্তম।{হাদীসটি জাল}
৯.আরাফার দিনের সিয়াম ৬০ বছরের
সিয়ামের মত।{হাদীসটি জাল}
১০.আমার উম্মতের আলেমগণ বনী
ইসরাঈলের নবীগনদের মত।{হাদীসটি
জাল}
১১.মুমিনের কলব আল্লাহর গৃহ।{হাদীসটি
জাল}
১২.সুলাইমান (আ) এর আংটির নক্সার বা
খোদিত লেখাটা ছিলঃ লা ইলাহা
ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।{হা
দীসটি জাল}
১৩.তোমরা আলেমদের অনুসরন
করবে;কারন তারা দুনিয়া ও
আখিরাতের প্রদীপ।{হাদীসটি জাল}
১৪.জ্ঞানীদের কালি শহীদের রক্ত
থেকে অধিক মর্যাদার।{হাদীসটি
জাল}
১৫.যে ব্যক্তি মাসজিদে মধ্যে
দুনিয়াবী কথা বোলবে আল্লাহ তার
৪০ বছরের আমল নষ্ট করে দিবেন।
{হাদীসটি জাল}
১৬.আলিমের ঘুমও ইবাদত।{হাদীসটি
জাল}
১৭.আহারকারির উপর সালাম দেওয়া
যাবে না।{হাদীসটি জাল}
১৮.জ্ঞান অর্জনের জন্য সূদুর চীন দেশেই
হলে যাও।{হাদীসটি জাল}
১৯.(আল্লাহ বলেন) আমি আমার নিজের
উপর শপথ করছি যে,আহমদ এবং মোহাম্মদ
নামের কাউকে জাহান্নামে প্রবেশ
করানো হবে না।{হাদীসটি জাল}
২০.পাগড়ী পরে দু’রাকাত সালাত ৭০
রাকাতের সমান।{হাদীসটি জাল}
২১। নবীগণ হচ্ছেন নেতা, ফকীহগণ
হচ্ছেন সর্দার আর তাদের মজলিসগুলো
হচ্ছে অতিরিক্ত। {হাদীসটি
বানোয়াট}
২২। যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ যিয়ারত করল,
অথচ আমাকে যিয়ারত করল না, সে
আমার ব্যাপারে রূঢ় আচরণ করল।
{হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল
প্রচলিত হাদীস]
২৩। যে ব্যক্তি আমাকে এবং আমার
পিতা ইব্রাহীমকে একই বছরে যিয়ারত
করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
{হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল
প্রচলিত হাদীস]
২৪। যে ব্যক্তি হজ্জ করবে, অতঃপর
আমার মৃত্যুর পর আমার কবর যিয়ারত
করবে, সে যেন ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে
জীবদ্দশায় আমার সাথে সাক্ষাৎ
করেছে। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি
বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৫। যখন কেউ শেষ যামানায় এসে
যাবে এবং মতামতগুলো বিভিন্নরূপ
হয়ে যাবে, তখন তোমরা মফস্বলবাসী ও
নারীদের ধর্মকে ধারণ করবে।
{হাদীসটি জাল}
২৬। আমার মৃত্যুর পরে যে বিষয়ে আমার
সাহাবীগণ মতভেদ করেছে, সে
বিষয়ে আমি আমার প্রভুকে
জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তাই তিনি
আমাকে অহী মারফত জানিয়েছেন,
হে মুহাম্মাদ! তোমার সাথীগণ আমার
নিকট আসমানের নক্ষত্রতুল্য। যাদের
কতকজন অন্যজনের চেয়ে অতি উত্তম।
অতএব যে ব্যক্তি তাদের মতভেদকৃত বস্তু
থেকে কিছু গ্রহণ করেছে সে আমার
নিকট সঠিক পথের উপরেই রয়েছে।
{হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল
প্রচলিত হাদীস]
২৭। আমার উম্মতের মতভেদ রহমত স্বরূপ।
{হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই} [এটি
একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৮। আমার সাহাবীগণ নক্ষত্রের ন্যায়,
তোমরা তাদের যে কোন একজনের
অনুসরণ করলে পথপ্রাপ্ত হবে। {হাদীসটি
জাল} [এটি একটি বহুল প্রচলিত হাদীস]
২৯। যখনই তোমরা কিতাবুল্লাহ হতে
কিছু প্রাপ্ত হবে তখনই তার উপর আমল
করবে। তা ছেড়ে দিতে তোমাদের
কারো ওযর চলবে না। যদি
কিতাবুল্লাতে (সমাধান) না থাকে,
তাহলে আমার নিকট হতে (সমাধান
হিসাবে) প্রাপ্ত অতীত সুন্নাহকে গ্রহণ
করতে হবে। যদি আমার পক্ষ হতে অতীত
কোন সুন্নাতে সমাধান না মিলে,
তাহলে আমার সাহাবীগণ যা
বলেছেন তা গ্রহণ করবে। কারণ আমার
সাহাবীগণ আসমানের নক্ষত্রের ন্যায়।
অতএব তোমরা যে কোন জনের কথা গ্রহণ
করলেই হেদায়াত প্রাপ্ত হবে। আমার
সাহাবীগণের মতভেদ তোমাদের জন্য
রহমত স্বরূপ। {হাদীসটি জাল} [এটি একটি
বহুল প্রচলিত হাদীস]
৩০। যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা
উভয়ের কবর প্রত্যেক জুম'আর দিবসে
যিয়ারত করবে। অতঃপর তাদের উভয়ের
নিকট অথবা পিতার কবরের নিকট সূরা
ইয়াসিন পাঠ করবে, প্রতিটি আয়াত
অথবা অক্ষরের সংখ্যার বিনিময়ে
তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে।
{হাদীসটি জাল} [এটি একটি বহুল
প্রচলিত হাদীস]
এখন অনেকেই তেলে বেগুনে জলে
উঠবেন এবং বলবেন এইগুলা যে জাল
হাদিস তার প্রমান কি!!!
ভাই আমি যদি বলি নাবী(স) বলেছেন
"আখিরি জামানায় মোহাইমিন আল
ইসলাম নামে এক ব্যক্তি আসবে তোমরা
তাকে অনুসরন করবে"
আমার নাম এইটাই এখন আপনি কি
আমাকে অনুসরন করবেন??
অবশ্যই না!!! বলবেন এটা ভুয়া হাদিস!!
এখন আমি যদি বলি প্রমান দেন এটা
ভুয়া হাদিস??দিতে পারবেন??
প্রমান হল এইটাই যে,এইটা যে হাদিস
তার কোন প্রমান নাই!!
কারন নবী(স) বলেছেন
"শরিয়তে কোন বিষয়ে দাবীদার
প্রমান পেশ করতে হবে"(তিরমীযি-৭৬৯
নং হাদিস সনদ,সাহি)
এছারা আল্লাহ বলেন
"তার চেয়ে পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে
যে ব্যক্তি দলিল ব্যতিত নিজের নফস
(মনের) এর অনুসরন করে"(সুরা কসাস-৫০)
“আনাস(রা)বলেনঃ
এ কথা তোমাদেরকে বহু হাদিস বর্ননা
করতে আমাকে বাধা দেয় যে,
নবী(স) বলেছেনঃ যে আমার উপর
মিথ্যা আরোপ করবে সে যেন
জাহান্নাম তার ঠিকানা বানিয়ে
নেয়”(বুখারী ১ম খন্ড ১০৯ নং হাদিস)
নবী করিম (সঃ) বলেছেন,
''একজন মানুষের মিথ্যাবাদী হওয়ার
জন্য এতোটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনবে
যাচাই বাচাই না করে তাই
বলবে।'' (সহীহ মুসলিম, হাদীস- ১/১০)
আল্লাহ সবাইকে সাহি বুঝ দিক!!! আর
হ্যা কেউ যদি উপরের একটা হাদিস
কেউ সাহি প্রমান করতে পারেন আমি
মেনে নিবো!!!(তবে তা হবে প্রমান
সহকারে!!!!)
আজ 04:53 PM-এ ·
গোপনীয়তাঃ বন্ধুবান্ধব
আরো

30/10/2015

পোস্ট

Photos 30/10/2015
Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Sylhet
Sylhet
120289