Amader Goniganj - আমাদের গনিগঞ্জ

Amader Goniganj - আমাদের গনিগঞ্জ

Share

Goniganj Is a Village under District of Sunamganj.Our aim is to become a leader in the dissemination of information for the people of Goniganj in BD.

ছোট থেকে বড় হওয়া,ধীরে ধীরে বেড়ে উঠা। কৈশোর থেকে যৌবনের আর তার পরেই শুরু বাস্তব জীবন। এর মাঝে লুকিয়ে থাকা এই এতগুলো বছর আমাদের সবার জন্য একই রকম নয়,সবারই আলাদা আলাদা। এর মাঝেই রয়েছে কত আনন্দ,কত বেদনা আর কত পাওয়া না পাওয়ার সুখ দুঃখ। হয়তো কেউ কেউ জীবনের খুঁজে পুরো সময়টাই কাটিয়েছেন প্রিয় পরিবারের সঙ্গে । আবার হয়তো কেউ কেউ কাটিয়েছেন অন্য কোথাও । ছোট বেলা থেকে একেবারেই বড় বেলা পর্যন্ত র

21/06/2024

আসসালামু আলাইকুম /আদাব
লেখনিটা দয়া করে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো।

"গনিনগর ষোলগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়" একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম।

১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত শান্তিগঞ্জ উপজেলার গনিগঞ্জ-এ অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি স্বনামধন্য একটা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইতিমধ্যেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক তথা সুধী মহলের আস্থা অর্জন করেছে। শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব, শ্রেণি পাঠদান, শিখন শেখানো দক্ষতা, ধারাবাহিক মূল্যায়ন তথা ভালো ফলাফলের কারনে প্রতি বছর দূরবর্তী বিভিন্ন গ্রাম থেকে শিক্ষার্থীরা এসে উক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানটিও এলাকাবাসীকে বরাবর ভালো ফলাফল দিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৩ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার মধ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি ১ম স্থান অর্জন করে। যার ফলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়সহ এলাকাবাসী উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

কিন্তু ২০২৪ সালের এস.এস.সি পরীক্ষায় উপজেলাতে ৫ম স্থান অর্জন করে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক তথা এলাকাবাসীকে লজ্জায় ডুবিয়ে দেয়। বিশেষ করে শিক্ষকদের।

এর গুনগত মানহীন ফলাফলের জন্যে দায়ী কে, কারা বা কারনটা কি?

উক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অথরিটি নাকি অন্য কেউ?

আমাদের প্রাক্তন শিক্ষক, ছাত্র তথা এলাকাবাসীর কারো মনে কি এই প্রশ্নটার একবারও উদয় হলো না যে, উপজেলাতে ১ম স্থান অর্জন করা প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে এক বছরের ব্যবধানে ৫ম স্থানে নেমে আসলো?

যদি শিক্ষকদের গাফিলতির কারনে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানটির এমন করুণ পরিণতি হয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক। আর যদি অথরিটির কারনে হয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হোক। তাদের কাছে জিজ্ঞেস করা হোক কি অদৃশ্য কারনে এমন জঘন্য ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে।
শিক্ষক নয়, প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে এটা আমার তথা আমাদের জানার অধিকার আছে বলে আমি মনে করি। যেহেতু শিক্ষক হিসেবে বার বার বলেও এর সদুত্তর পাইনি।

এলাকার মুরুব্বীদের রক্ত, ঘাম, অর্থ, শ্রমে গড়া ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটির বিনাশ করার অধিকার উনাদের কে দিয়েছে বিনয়ের সাথে সেটার জবাব চাওয়া উচিত।

সমাজে অন্যায় এবং অবিচার যখন ক্রমাগত চলতে থাকে, সেটা দেখে যারা চুপ করে বসে থাকে একটা সময় সেই অন্যায়টা প্রথায় পরিণত হয়ে স্বাভাবিক হয়ে যায়।

একটা কথা মনে রাখবেন, কোথাও অন্যায় হতে দেখলে তার প্রতিবাদ করা জরুরি। কারণ, অন্যায়ের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যারা অন্যায় কাজে বাঁধা দেয় না তাদের জন্য পরকালে কঠিন শাস্তি রয়েছে। এবং দুনিয়াতেও আল্লাহর আজাবের মুখোমুখি হতে হবে।

প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক নয় বরং প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে এসব অন্যায় অবিচার এবং প্রতিষ্ঠানের এমন রুগ্ন অবস্থা দেখে আর ঠিক থাকতে পারলাম না। তাই আমার এই ক্ষুদ্র লেখনি।

#প্রাক্তন ছাত্র, সচেতন অভিভাবক সবাইকে শেয়ার এবং মূল্যবান মন্তব্য প্রদান করার অনুরোধ করছি।

আপনার একটা শেয়ারের ফলে অন্যরাও জানতে এবং তাদের মূল্যবান মতামত প্রদান করতে পারবে।
জানতে পারবে তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা।

লেখক: মো: শামীম আহমদ
প্রাক্তন শিক্ষার্থী
গনিনগর ষোলগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়,
শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।

14/05/2024
14/01/2023

পুত্রের মাথায় পিতার গৌরব!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেল সমাবর্তনের ক্যানডিডেট ছিলেন ওসমান। অনেকের বাবা মা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সন্তানদের অর্জনের গৌরব নিজেদের গায়ে মেখে ধন্য হয়েছেন সবাই। কেবল ওমর ও ওমরের বাবার কপালে এটা জোটেনি!

সমাবর্তন ফি'র ৪ হাজার ৩০০ টাকা বাঁচিয়ে জনককে ঢাকায় এনে বন্ধুদের কাছ থেকে গাউন টুপি ধার করে গ্রাম্য সাদাসিধে ওই বাবাকে বলেছে মাথায় পরিয়ে দিতে! এই টাকা দিয়ে বাবাকে ঢাকার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরিয়ে দেখিয়ে।

স্নাতক হওয়ার এমন মহৎ আয়োজন আর কোথায় হয়েছে কে জানে?

সহপাঠীদের কাছ থেকে গাউন ধার করে বাবার সঙ্গে ছবি তুলে ওই ছবি ফেসবুকে তুলে দিয়ে ওসমান লিখেছিলেন, 'এইটুকুই আমার বড় পাওয়া। আমাকে গড়ার মূল কারিগর—বাবা, আজ আমার ক্যাম্পাসে। ৫৩তম সমাবর্তন, ঢাবি।’

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার হাঁসরাজ গ্রামের বাসিন্দা ওসমান। তাঁর মা রওশন আরা বেগম একজন গৃহিণী। ওসমানরা ছিলেন দুই ভাই। বড় ভাই অসুস্থ হয়ে, টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন। বাবা রাস্তার মোড়ে কলা বেঁচে সংসার সামলেছেন। সেই কলার দোকানে ওসমানও দোকানদারি করেছেন।

পিতা পুত্রের অপার্থিব এ সম্পর্ক ঠিকে থাকুক যুগ যুগ।‌
( সংগৃহীত)

09/03/2022

যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতি মেট্রিক টন (১০০০ লিটার) পরিশোধিত তেলের মূল্য ৬৫০ ডলার অর্থাৎ (৬৫০*৮৬= ৫৫ হাজার ৯০০ টাকা, লিটার প্রতি মূল্য- ৫৫ টাকা ৯০ পয়সা।

এর সঙ্গে শিপিং খরচ প্রতি মেট্রিক টন গড়ে ৬৫ ডলার অর্থাৎ (৬৫*৮৬) = ৫৫৯০ টাকা, লিটার প্রতি ৫ টাকা ৬৯ পয়সা।

মাদার ভ্যাসেল থেকে লাইটারে এবং লাইটার থেকে নির্ধারিত জেটিতে কন্টেইনারে লোড-আনলোড খরচ লিটার প্রতি গড়ে ৫ টাকা।

বোতলজাতকরণ/প্যাকেজিং খরচ প্রতি লিটারে সর্বাধিক ১০ টাকা। চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে পরিবহন খরচ লিটার প্রতি সর্বোচ্চ ৫ টাকা।

পরিশোধিত ভোজ্যতেলের আমদানি শুল্ক ১৪ শতাংশ হিসেবে প্রতি মেট্রিক টনের শুল্ক ৭৮২৬ টাকা, যা লিটার প্রতি দাঁড়ায় ৭ টাকা ৮০ পয়সা।

এর সঙ্গে যদি আমদানিকারক (১০ টাকা) ডিপো (৫ টাকা) ডিলার (৫ টাকা) পাইকার (৫ টাকা) খুচরা (১০ টাকা) সবার মুনাফা ধরে যদি লিটার প্রতি আরো ৩৫ টাকা যোগ করি, তাহলে ভোক্তার নিকট পৌঁছানো পর্যন্ত লিটার প্রতি তেলের মূল্য দাঁড়ায়- ৫৫.৯০+৫.৫৯+৫+১০+৫+৭.৮০+৩৫= ১২৪.২৯ টাকা।

রপ্তানিকারক থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো অবধি সব ব্যয়ভার বহন ও সম্ভাব্য মুনাফা যোগ করেও লিটার প্রতি ১২৫ টাকায় সয়াবিন তেল পৌঁছানো সম্ভব, প্রয়োজন শুধু ইতিবাচক মানসিকতা, স্বদিচ্ছা, সততা ও দেশপ্রেম।

-সংগৃহীত

18/10/2021

#কানাডা
টরেন্টোতে এক কেজি গরুর মাংস বাংলাদেশী টাকায় ২৫৬ টাকা। এক লিটার দুধের দাম ৮৫ টাকা। কানাডার মানুষের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#আমেরিকা
নিউইয়র্কে এক কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকা। দুধের লিটার ৬৫ টাকা। ডিমের ডজন ১৬০ টাকা। এক লিটার সয়াবিন তেল ১০০ টাকা। আমেরিকানদের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#অষ্ট্রেলিয়া
সিডনিতে এক কেজি গরুর মাংস ৪৮৮ টাকা। এক লিটার দুধ ৬১ টাকা। ডিমের ডজন ২৪৪ টাকা। অস্ট্রেলিয়ানদের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#সুইজারল্যাণ্ড
জুরিখে এক কেজি গরুর মাংস ৬০০ টাকা। দুধের লিটার ৫০ থেকে ৬৫ টাকা। ডিমের ডজন ১৮০ টাকা। সুইজারল্যাণ্ডের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#জার্মানী
বন শহরে এক লিটার দুধ ৬০ টাকা। এক ডজন ডিম ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। রান্নার তেল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা লিটার। জার্মানির #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#ইংল্যাণ্ড
লন্ডনে গরুর মাংসের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। এক ডজন ডিম ৯০ টাকা। রান্নার তেল ১০০ থেকে ১১০ টাকা লিটার। দুধের লিটার ৯০ টাকা। ইংল্যাণ্ডের মানুষের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#ইতালী
ভেনিসে গরুর মাংসের কেজি ৫৫০ টাকা। এক লিটার দুধ ৫০ টাকা। ডিমের ডজন ১২০ টাকা। তেল ১০০ থেকে ১১০ টাকা লিটার। দেশটির #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#জাপান
টোকিওতে গরুর মাংসের কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা। ডিমের ডজন ২০০ টাকা, দুধের লিটার ২০০ টাকা। #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#কোরিয়া
সিউলে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি, দুধের লিটার ১১৫ টাকা, ডিমের ডজন ৯৫ টাকা, খাসির মাংস ৭১৫ টাকা কেজি। কোরিয়ার মানুষের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#সিঙ্গাপুর
সিঙ্গাপুরে প্রায় সব জিনিসই আমদানি করা। এখানে ফ্রোজেন গরুর মাংসের কেজি ৫৫৮ টাকা। এক ডজন ডিম ১০৮ টাকা। সিঙ্গাপুরের #মাথাপিছু আয় প্রায় াজার_ডলার।

#ভারত
কলকাতায় গরুর মাংসের কেজি ২১০ থেকে ২৪০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা। দুধের লিটার ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। এক ডজন ডিম ৬০ টাকা। ভারতের #মাথাপিছু আয় প্রায় ার।

#বাংলাদেশ
ঢাকায় এক কেজি গরুর মাংস প্রায় ৬০০ টাকা। এক কেজি প্যাকেট তরল দুধ ৭০ টাকা। ফ্রেশ দুধ ৮০ থেকে ১০০ টাকা লিটার। এক ডজন ডিম ১০০ থেকে ১১০ টাকা। এক লিটার সয়াবিন তেল ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। বাংলাদেশের #মাথাপিছু আয় প্রায় ার।

মনে রাখি, কানাডার একজন শ্রমিক ঘণ্টায় আয় করেন ৭ হাজার ৬০০ টাকা, বাংলাদেশি শ্রমিকের ঘণ্টায় আয় ৩৩ টাকা, দিনে ২৬৭ টাকা।

ফলাফল=

১.
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ক্যালোরী না পাওয়ায় বাংলাদেশে অপরিণত শিশু জন্মহার সবচেয়ে বেশি।

২.
আয় এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে সমঞ্জস্য না থাকায় বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের সুস্থ-স্বাভাবিক মেধার বিকাশ ঘটছে না।

এভাবেই বাংলাদেশ তার জনসম্পদকে ধ্বংস করে পৃথিবীর মধ্যে রোল মডেল হয়ে চলেছে!!!

[সূত্র: ডেইলী ষ্টার]

কার্টেসীঃ রাখাল রাহা

24/09/2021

অতিরিক্ত ফি চাইলে সোজা ৯৯৯-এ কল করুন।

Photos from Amader Goniganj - আমাদের গনিগঞ্জ's post 08/09/2021

৫ সন্তানের পিতা বিশিষ্ট অভিনেতা #আনোয়ার_হোসেন। এক ছেলে থাকেন সুইডেন। বাকী তিন ছেলে ও এক মেয়ে থাকেন আমেরিকায়। জীবনের সব আয় খরচ করেছেন সন্তানদের প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে। পেটের তাগিদে জীবনের শেষ বয়স পর্যন্ত করতে হয়েছে চাকর-বাকরের অভিনয়। মৃত্যুর সময় একটা ছেলে-মেয়েও দেশে আসেননি।

বিশিষ্ট কবি াহমুদ। দুই সন্তানের পিতা। সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে বিক্রী করে দিয়েছেন বনানীর বাড়িটি। বিদেশ পাঠান দুই ছেলেকে।সেই আদরের সন্তানেরা আর ফিরে আসেনি। সব হারিয়ে কবি কিছুদিন আগে নিজের গ্রামের বাড়ীতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে মৃত্যুর বুকে ঢলে পড়েন। দেখার কেউ ছিলো না। ভরাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

সন্তান মেধাবী হলে বাবা-মা তাদের পেছনে পয়সা খরচ করতে কৃপণতা করেননা। বাড়ী,গাড়ী,সোনা-গয়না বিক্রী করে দেয়। অথচ এই সন্তানগুলিই বড় হয়ে ভাল পজিশনে পৌঁছে মা-বাবাকে কষ্ট দেয়।

৯০%(জেনারেল)উচ্চ শিক্ষিত, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, ডাক্তার, সচিব, ইঞ্জিনিয়ারের মা -বাবারাই বৃদ্ধাশ্রমে।বিশ্বাস না হলে বৃদ্ধাশ্রম গুলি ঘুরে দেখে আসুন।

তাই বলতে চাই শুধু শিক্ষা অর্জন মুখ্য নয় মানুষের মতো মানুষ হওয়ার জন্য শিক্ষা অর্জন করুন।

কালেক্টেড

25/06/2021

মোবাইল নিয়ে ১০টি জরুরী বিষয়...

১. দেশে বর্তমানে ব্যবহৃত সব মোবাইল ফোন ৩০ জুনের মধ্যে সিমের তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে।

২. যেসব ফোনের/সিমের তথ্যে গরমিল থাকবে তাদের এমএসএম দিয়ে জানিয়ে দেবে বিটিআরসি।

৩. আগামী ১ জুলাই থেকে মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে সেটি বৈধ কিনা যাচাই করে কিনতে হবে।

৪. নতুন মোবাইল যাচাই করার জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি খুদে বার্তায় বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। কেনার সময় অবশ্যই যাচাই ও রসিদ নিয়ে তা সংরক্ষণ করতে হবে।

৫. হাতে থাকা (বর্তমান ব্যবহৃত) মোবাইলটি বৈধ কিনা যাচাই কতে *১৬১৬১ # নম্বরে ডায়াল করতে হবে। এবার পর্দায় ভেসে ওঠা Status Check অপশনে ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি লিখে পাঠাতে হবে। এরপর হ্যাঁ বা না অপশনসংবলিত একটি অটোমেটিক বক্স এলে হ্যাঁ বাছাই করে নিশ্চিত করুন। ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে মোবাইলের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে।

৬. বিদেশ থেকে ব্যক্তিপর্যায়ে আনা ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্কে সচল হবে। এরপর ১০ দিনের মধ্যে অনলাইনে তথ্য বা দলিল জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

৭. বিদ্যমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে শুল্কবিহীন সর্বোচ্চ দুটি ও শুল্ক দিয়ে আরও ছয়টি মোবাইল ফোন আনতে পারবেন।

৮. অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করুন। Special Registration সেকশনে গিয়ে মোবাইলের আইএমইআই নম্বরটি দিন। প্রয়োজনীয় নথির ছবি বা স্ক্যান করা অনুলিপি আপলোড করুন ও সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। মোবাইলটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধ না হলে এসএমএস আসবে।

৯. একজনের নামে নিবন্ধ হওয়া মোবাইল অন্যজনকে সর্বোচ্চ তিন মাস ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে। বিক্রি করলে বা স্থায়ীভাবে দিলে নিবন্ধন পরিবর্তনা করে নিতে হবে।

১০. neir.btrc.gov.bd লিংকের মাধ্যমে বিদ্যমান সিটিজেন পোর্টাল অথবা মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়েও এসব সেবা নেওয়া যাবে।
বিটিআরসির হেল্প ডেস্ক নম্বর ১০০ অথবা মোবাইল অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার নম্বর ১২১–এ ডায়াল করে এবং অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে জানা যাবে।

- আগামী ৩০ জুনের পর এসব ব্যবস্থা চালু হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

neir.btrc.gov

16/12/2020

রাইফেল হাতে এই কিশোর মুক্তিযুদ্ধার ছবিটা কত জায়গায় কতবার যে দেখেছি তার কোনো ইয়ত্তা নেই। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে, পোস্টারে, পেস্টুনে কিংবা ক্যালেন্ডারে। যতবারই দেখেছি ততবারই মনে মনে খুব জানতে ইচ্ছে করতো তিনি কি বেঁচে আছেন? নাকি শহীদ হয়েছেন? তবে ফেসবুকের কল্যাণে জানলাম তিনি বেঁচে আছেন। তিনি হলেন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা আবু সালেক(বীর প্রতীক)।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উচ্চ বিদ্যালয় ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র ছিল আবু সালেক। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে বই খাতা পেলে সীমানা পেরিয়ে কিশোরটি চলে গেল ভারতের আগরতলায়। সেখানে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে লোক বাছাই চলছিল। কিন্তু আবু সালেক বয়সে ছোট হওয়াতে ওকে কেউ-ই যুদ্ধে নিতে চাইল না। বাছাইয়ে না টিকে কান্নায় ভেঙে পড়ল ছেলেটি। ওর কান্না দেখে বাধ্য হয়ে ওকে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিত হল দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের। আগরতলা থেকে আবু সালেক নিয়ে যাওয়া হলো মেলাগড় ক্যাম্পে। তারপর বড় যোদ্ধাদের সঙ্গে কিশোর আবু সালেক শুরু করল দেশকে স্বাধীন করার যুদ্ধ। এমনি একদিন ওরা ভীষণ যুদ্ধ করছিল চন্দ্রপুর গ্রামে। আবু সালেক সেই যুদ্ধে ছিল বাংকারে। প্রচণ্ড গোলাগুলি চলছে। মুক্তিবাহিনীর একপর্যায়ে টিকে থাকাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াল। এখন ওদের সামনে একটাই রাস্তা, পিছু হটতে হবে। আর পিছু হটতে হলে একজনকে তো ব্যাকআপ দিতে হবে। নইলে যে সবাই মারা পড়বে। এগিয়ে এলো সবার ছোট কিশোর আবু সালেক। ছোট্ট কাঁধে তুলে নিল বিশাল এক দায়িত্ব। ক্রমাগত গুলি করতে লাগল পাকবাহিনীর ক্যাম্প লক্ষ্য করে। আর সেই অবসরে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেল অন্যরা। ও কিন্তু গুলি করা থামাল না । তার গুলির ধরন দেখে পাকবাহিনী মনে করল, মুক্তিযোদ্ধারা খুব সংগঠিতভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে। ফলে ওরাও পিছু হটে গেল। বাংকারে থেকে গেল শুধু আবু সালেক। একসময় রাত শেষ হয়ে সকাল হয়ে গেল। মুক্তিযোদ্ধারা ভেবেছিল আবু সালেক নিশ্চয়ই শহীদ হয়েছে। কিন্তু বাংকারে গিয়ে সবাই দেখল কিশোর আবু সালেক একা বাংকারে বসে আছে।

তথ্য সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর( CP)

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Sylhet
3100