ইসলামী জীবন চাই

ইসলামী জীবন চাই

Share

আল্লাহর দীনকে তার মাটিতে কায়েম করা।

Photos from ইসলামী জীবন চাই's post 01/09/2016

সময় থাকতে সাবধান হউন, অন্যকেও সাবধান করুন
*****--*****--******--******--******--*****--*****

বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষ একটি ভুল পথে যাচ্ছে যারা শুধুমাত্র অনলাইনে সক্রিয়। এবং এরা ইসলামকে ব্যবহার করে এই কাজটি করছে। এটি একটি ভয়াবহ চিত্র।


এদের স্ট্যাটাসগুলো যেরকম হয়ে থাকে তার কিছু নমুনা হলো, একটি বিকলাঙ্গ শিশুর ছবি দিয়ে বলবে কেউ আমীন না লিখে যাবেন না,


আল্লাহ তায়ালার নাম অমুক যায়গায় এখানে সেখানে পাওয়া গিয়েছে এসব ফটোশপ করে ছবি দিয়ে বলবে, ভুলেও এড়িয়ে যাবেন না, হিজাব পরা কোনো আরব রমনীর ছবি দিয়ে বলবে এই মুসলিম বোনটির জন্য কতগুলা লাইক,


কখনো শুদ্ধ কখনো জাল হাদিস তুলে ধরে বলবে সবাই লাইক দিন যদি জান্নাতে যেতে চান, আদম আঃ এর পায়ের ছাপ, মা- ফাতিমার শাড়িও আমি আপলোড করতে দেখেছি (আল্লাহ মাফ করুন)


এমনকি রাসুল সাঃ এর ব্যবহার করতেও এরা ছাড়েনা (নাউজুবিল্লাহ)।


অথচ সরলমনা মুসলিমেরা না বুঝেই এসবে লাইক দিয়ে থাকেন। শেয়ার করে থাকেন।


যারা আমাদের সাথে যুক্ত নেই এবং যারা জানেন না যে এটি চরম মিথ্যে। অজান্তে তাঁরা এভাবেই ইসলামের ভুল চিত্র তুলে ধরছেন সবার সামনে। অথচ তাঁরা ভাবছেন এটি করে বুঝি পূণ্য হলো। তাদেরকে বুঝিয়ে দেবার মত কেউ নেই যে, যদি এসবেই আপনি সওয়াব পেতেন তাহলে ইসলামের মত একটি স্মার্ট এবং আধুনিক ধর্মে অবশ্যই এসবের কথা উল্লেখ থাকতো যে, কলিযুগে এরকম কিছু পেইজ আসবে এবং তোমরা তাতে লাইক কমেন্ট শেয়ার দিয়েই পূণ্য কামিয়ে নিতে পারবে।


এদেরকে নিয়ে সাধারণ মানুষ মনে করবেন যে, এরা শুধুমাত্র লাইক পাবার জন্যই এইকাজ করে। আসলে তা নয়। এদেরকে নিয়ে আমি স্টাডি করেছি। একটি ফেইক আইডি হাজার হাজার লাইক পেতে এইকাজ করেন না।


তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ইসলামকে বদ্ধ এবং খারাপভাবে একটি গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দিতেই এবং মানুষকে ইসলামের আসল শিক্ষা থেকে দূরে রেখে ধর্মপ্রাণ মানুষকে যারা স্বল্প শিক্ষিত কিংবা প্রযুক্তিতে এগিয়ে নেই অথচ ফেইসবুক চালাতে জানেন এমন মানুষদেরকে টার্গেট করেছে।


এদের উদ্দেশ্য ব্যাপক। কাজেই এদের বিরুদ্ধে সচেতনতা জরুরী। নইলে আমরা একটি অশিক্ষিত এবং ভুল ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত প্রজন্ম পেতে যাচ্ছি যারা ইসলামের দাওয়াত দিতে গেলে এইসব ফেইক ছবির ব্যবহার ছাড়া আর কিছুই জানবে না এবং তখন মানুষ এদেরকে প্রত্যাখ্যান করে আদতে ইসলামকে প্রত্যাখ্যান করবে।


এবং দ্বিতিয়বার দাওয়াতের সুযোগ থাকবে না। তারা ধরেই নেবে এটাই বুঝি ইসলাম এবং এটি অন্তঃসারশূন্য একটি ধর্ম, গোঁড়ামিতে আর অশিক্ষায় ভরপুর। সুতরাং সাবধান হওয়া জরুরী।

#সালফে সালেহীনদের দেখানো সহজ সরল পথ৷

09/11/2015

"বিবেক বনাম আপনি"

√লেখা : হাসান চৌধুরী

মধ্যরাত আর প্রচুর শীত
পড়ছে।এক বৃদ্ধ
লোক ফুটপাতে শুয়ে
আছে।ঠিক সেইসময়
আপনি বৃদ্ধের পাশ দিয়ে
হেটে
যাচ্ছেন।বৃদ্ধকে এই
অবস্থায় দেখে
বিবেক বনাম আপনি
বিতর্ক শুরু করে
দিলেন।এভাবে দ্বিধার
মধ্যে অনেক দূর
হেটে গেলেন

অবশেষে বিতর্কে আপনি
জিতে
গেলেন।কারণ আপনার
কাছে একটা
যুক্তি আছে সেটা হল
সরকারকে
যেহেতু
আমরা কর দিয় সেহেতু
ওদের দেখার
দায়িত্ব শুধু সরকারের।

বিবেক পরাজিত হয়েছে
যুক্তির
কাছে।
কিন্তু বিবেক জয়
পেয়েছে নৈতিকতা
আর মানবিকতার কাছে।

আমরা যে যায় বলি না
কেন আমরা
কেউ
নিজের স্বার্থের বাইরে
যেতে
রাজি না শুধু কিছু মহৎ
মানুষ ব্যতীত।

এই মহৎ মানুষগুলো ছিল
,আছে এবং
থাকবে।তাদের সংখ্যাটা
সামান্য
হলেও তাদের কারণে
সমাজটা আজ
টিকে আছে।

পৃথিবীতে মহৎ মানুষের
দিকে
দৃষ্টিপাত
শুধু আমরা পাঠ্যবইের
মধ্যে সীমাবদ্ধ
রাখি।বাস্তব জীবনে
তাদের কর্ম
আমরা একটু প্রয়োগ করি
না।প্রয়োগ করি
না তার কারণ হতে পারে
আমরা
তাদের কর্মগুলো শুধু গল্প
হিসেবে
দেখি,বাস্তবিক ভাবে
দেখি না।

আর যদি তা না হত তাহলে
আমরা
তাদের কর্ম একটু হলেও
প্রয়োগ করতাম
বাস্তব ক্ষেত্রে।

17/09/2015

মানুষ কখনোই ইচ্ছে
করে বদলায় না। কিছু
মানুষের অবহেলা,
কিছু স্মৃতি, আর
পরিস্থিতি তাকে
বদলাতে বাধ্য করে।।

16/09/2015

❝হে মু’মিনগণ! তোমাদের
মধ্য হতে যে ব্যক্তি স্বীয়
ধর্ম হতে বিচ্যুত হবে, (এতে
ইসলামের কোন ক্ষতি নেই,
কেননা) আল্লাহ সত্ত্বরই
(তাদের স্থলে) এমন এক
সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন
যাদেরকে আল্লাহ
ভালবাসবেন এবং তারাও
আল্লাহকে ভালবাসবে,
তারা মুসলিমদের প্রতি
মেহেরবান থাকবে,
কাফিরদের প্রতি কঠোর
হবে, তারা আল্লাহর পথে
জিহাদ করবে আর তারা
কোন নিন্দুকের নিন্দার
পরওয়া করবেনা; এটা
আল্লাহর অনুগ্রহ, তা তিনি
যাকে ইচ্ছা প্রদান করেন;
বস্তুতঃ আল্লাহ প্রাচুর্য
দানকারী,
মহাজ্ঞানী।❞ [সূরা আল-
মায়িদাহঃ54]

21/08/2015

বল্টুঃ দোস্ত আমাকে ১০০০টাকা
ধার
দিবি?|৭দিন পরেই দিয়ে দেবো|
আবুলঃ এই নে ১০০০ টাকা।বল্টুঃ
টাকা
হাতে পেয়ে, দোস্ত তুই।আমার অনেক
বড়ো উপকার করলি তোর।এই ঋণ কোন
দিন শোধকরতে পারবোনা!।দুই মাস
হয়ে
যায় বল্টু আর টাকা দেয়না।আবুলঃ
কিরে আমার টাকাটাতো আরদিলি
না..।বল্টুঃ কিসের টাকা?।।।।।।।।আব
ুলঃ
এর মধ্যেই সব ভুলে গেলি? দুইমাসআগে
১০০০ .টাকা নিয়েছিসবল্টুঃ তোকে
না টাকা নেয়ার সময়ইবলছিতোর এই
ঋণ
আমি কোন দিন শোধকরতে
পারবোনা...আবার কিসের টাকা???
আবুলঃ বেহুসসসসসস

21/08/2015

-মাঝে মাঝে কোন একজনকে
প্রয়োজন হয়,..., . -কেউ একজন যে
তোমাকে হাসাবে, যখন তোমার মন
খারাপ থাকে, . -কেউ একজন যে
তোমাকে বলবে যে তুমি সুন্দর, . -
কেউ একজন যে তোমাকে প্রতিদিন
দেখতে চাইবে, . -কেউ একজন যে
তোমাকে প্রতি রাতে ফোন করবে, .
-কেউ একজন যে তোমাকে বলবে সে
তোমাকে সত্যিই কতোটা
ভালোবাসে, . -মাঝে মাঝে
আসলেই কোন একজনকে ভীষণ
প্রয়োজন হয়..... . কিন্তু কপালটা
এতটাই খারাপ যে, এমন একজন এখনো
আমার জীবনেই আসে নাই!!!

20/08/2015

অতিরিক্ত বিশ্বাস আর অতিরিক্ত
অবিশ্বাস, দুইটাই মানুষকে বিপদের
দিকে নিয়ে যায়।

15/08/2015

অনাদিকাল থেকেই মানুষের মনে ঘুরপাক খেয়েছে অবশ্যম্ভাবী এক প্রশ্নÑ বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহ পাক নিজে সৃষ্টি হয়েছেন কিভাবে? তাঁর শুরু কোথায়, শেষই বা কোথায়? প্রিয় সৃষ্টি মানুষের এমন প্রশ্নের জবাবে মহান আল্লাহ পাক নীরব থাকবেন, তা হওয়ার নয়। সৃষ্টির অন্য সব বিষয়ের মতো নিজের ব্যাপারেও আল্লাহ পাকের বক্তব্য খুবই স্পষ্ট ও পরিষ্কার। নিজের সত্তা বিষয়ে আল্লাহ পাক বলেন, তিনি এমন যিনি জন্ম নেননি, তাঁকে কেউ জন্ম দেনওনি। তিনি আদি, তিনিই অনন্ত। যখন কিছু ছিল না তখনো ছিলেন তিনি, যখন কিছু থাকবে না তখনো থাকবেন তিনিই। তিনি এমন যাকে ুধা-তৃষ্ণা, ঘুম-কান্তি কখনো স্পর্শ করে না (সূরা ১১২ : আয়াত ৩; ৫৭:৩; ২:২৫৫ দ্রষ্টব্য)।
আল্লাহ পাকের এহেন একত্বের পর শর্তহীন বিশ্বাসই হলো ঈমানের মূল। এই বিশ্বাস অর্জনের সব উপায় ও উপকরণকে আল্লাহ পাক মানুষের জন্য অতীব সহজলভ্য করে দিয়েছেন এবং এগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ পাককে উপলব্ধি করতে প্রতিটি মানুষের জন্য নিশ্চিত করেছেন পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ (৩৫:৩৭ দ্রষ্টব্য)। আজকের বিজ্ঞানও তেমনিই এক মহা উপকরণ। বিশেষত বর্তমানের মহাকাশ বিজ্ঞান এ ক্ষেত্রে অনন্য।
মহাকাশ বিষয়ে মানুষের জানার পরিধি এখন বিস্তৃত সুদূরের অনন্ত নক্ষত্ররাজি অবধি। মানুষের পাঠানো নভোযান পৌঁছে গেছে আমাদের নিজেদের গ্যালাক্সি মিল্কিওয়ের প্রায় শেষ সীমায়। মহাশূন্যে স্থাপিত হাবল টেলিস্কোপ মানুষের দৃষ্টিকে নিয়ে গেছে মহাকাশের আরো গভীরে। এখন নিয়মিত দেখা মিলছে মহাজাগতিক ভাঙা-গড়ার অবিশ্বাস্য সব দৃশ্যাবলির। আমাদের উপলব্ধিতে ধরা পড়ছে ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব আরো স্পষ্টভাবে। জানা যাচ্ছে শক্তিমত্ত ব্ল্যাকহোলের রহস্য আরো নিখুঁতভাবে। এত কিছুর পরও ধারণা করা হচ্ছে যে, অনন্ত মহাশূন্যের মাত্র চার ভাগ এলাকাও সম্ভবত আমরা এখনো দেখে উঠতে পারিনি।
এত সামান্য জানাশোনার মধ্যেই এমন সব দূরবর্তী গ্রহ-নক্ষত্র রয়েছে, যেখানে আলোর গতিতে ছুটলেও পৌঁছতে লাগবে আমাদের সময়ের বহু সহস্র কোটি আলোকবর্ষ। ওই সব গ্রহ-নক্ষত্রের কতগুলোর আকার-আয়তন-উপকরণের বাহিরেও জানা গেছে সেগুলোর দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য ও ব্যাপ্তি। এমন অনেক গ্রহ-উপগ্রহের দেখা মিলেছে, যেখানকার একেকটা দিনের দৈর্ঘ্য পৃথিবীর বহু বছরের সমান। ধারণা করতে কষ্ট হয় না যে, মহাশূন্যের আরো গভীরে এমন গ্রহ-উপগ্রহ নিশ্চয়ই আছে, যেখানকার একেকটা দিন হতে পারে পৃথিবীর কয়েক শত বছর, এমনকি হাজার বছরের সমান। তেমন এলাকার সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। তবে সে রকম এলাকা যে আছে, সে বিষয়ে কোনোই সন্দেহ নেই। মহাশূন্যের আরো কত গভীরে, কত বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন আলোকবর্ষ পথ পাড়ি দিলে যে তেমন এলাকার দেখা মিলবে, পাওয়া যাবে মহাজগতের প্রান্ত সীমানা, তা এখনো আমাদের অজানা। অজানা সেই প্রান্তের সন্ধান পেতে আমাদের বিজ্ঞান এখন মরিয়া, একেবারে পাগলপারা।
বড়ই কঠিন এই পথের অনুসন্ধান। এ ক্ষেত্রে মানব বিজ্ঞানের দিশা হারানোই স্বাভাবিক। বস্তুত সর্ববিষয়ে জ্ঞাত একমাত্র পরম সৃষ্টিকর্তা ছাড়া অন্য কারো পক্ষেই সম্ভব নয় অবিশ্বাস্য জটিল এই পথের ওপর গ্রহণযোগ্য কোনো ধারণা দেয়া। পরম স্রষ্টা আল্লাহ পাক ঠিকই কাজটা করেছেন তাঁর প্রিয়তম সৃষ্টি মানুষের জন্য। পবিত্র কুরআনে জুড়ে দিয়েছেন আমাদের তীব্র ওই অনুন্ধিৎসার একটা সহজ পাঠ। মহান আল্লাহ পাক বলেন, ‘ফেরেশতারা ও রুহ (জিবরাইল আ:) তাঁর দিকে আরোহণ করে যায় এমন এক ঊর্ধ্বলোকে, যেখানকার একেকটি দিন পৃথিবীর পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান’ (৭০ : ৪ দ্রষ্টব্য)।
শুধু বিবরণীতেই থেমে থাকেননি দয়াময় আল্লাহ পাক, বরং এই এলাকাকে মানুষের কাছে দৃশ্যমানও করে দিয়েছেন পবিত্র মেরাজের রাতে। মেরাজের বিবরণীগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সিদরাতুল মুনতাহা’ নামক ঊর্ধ্বলোকের বিশেষ এক এলাকার। এই সিদরাতুল মুনতাহার কাছেই অবস্থিত জান্নাতুল মাওয়া (৫৩ : ১৩-১৭ দ্রষ্টব্য)। উল্লেখ্য, পবিত্র মেরাজের ভ্রমণে নবীজী সা:-এর সফরসঙ্গী হিসেবে এই সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্তই যেতে পেরেছিলেন হজরত জিবারাইল আ:। ওই পয়েন্টের পর আল্লাহ পাকের আরশ পর্যন্ত নবীজী সাঃ-কে যেতে হয়েছিল একাকী। কারণ প্রধান ফেরেশতা জিবরাইল আ:-এরও অনুমতি ছিল না সিদরাতুল মুনতাহার ওপারে যাওয়ার (মেরাজ সংক্রান্ত সহি বোখারি ও মুসলিম শরিফের হাদিস দ্রষ্টব্য)।
স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, এই সিদরাতুল মুনতাহাই হলো মহালোকের সেই প্রান্তসীমা, যেখানকার একেকটা দিন পৃথিবীর পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। এমনকি ফেরেশতারাও সর্বোচ্চ ওই পর্যন্তই যেতে পারেন, তার ওপারে নয়। কারণ এর পরই শুরু হয়েছে অবিনশ্বর জগৎ। নশ্বর কোনো কিছুই যেতে পারে না সেখানে। কোনো সৃষ্টির পক্ষেই সেখানে যাওয়া সম্ভব নয়, যতক্ষণ না অনুমতি দেন পরম স্রষ্টা সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ পাক। সৃষ্টিকুলের মধ্যে একমাত্র নবী করিম সা:ই পেয়েছিলেন সেই অনুমতি। নশ্বর এই বিশ্বলোক থেকে শুধু তিনিই অবিনশ্বর ওই জগতে পরিভ্রমণের সুযোগ পেয়েছিলেন পবিত্র মেরাজের রাতে। পবিত্র মেরাজের সেই ভ্রমণে মূলত পরম এই সত্যকেই চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে, যেসব জগতের ওপর কর্তৃত্ব শুধু এক আল্লাহর। নির্দেশ দেয়ার মালিক শুধু তিনিই। তিনি যখন যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন এবং অনন্ত এই বিশ্বলোকের যেকোনো স্থানে শুধু তাঁর নির্দেশই বিনা চ্যালেঞ্জে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হতে বাধ্য। এ ছাড়াও মানুষকে চাুষভাবে দেখিয়ে দেয়া হয়েছে নশ্বর এই জগতের তথা আমাদের এই মহাবিশ্বের শেষ সীমানা এবং বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে আল্লাহ পাকের মহা-আরশ তথা অনন্ত অবিনশ্বর জগতের অস্তিত্ব।
নশ্বর ও অবিনশ্বর জগতের প্রান্তসীমা এই সিদরাতুল মুনতাহাতেই বস্তুত শেষ হয়েছে সীমাবদ্ধ সময়ের ধারা। শুরু হয়েছে সময়ের পরিসীমাবিহীন, অন্তহীন ও অসীম অবিনশ্বর জগৎ। সেই জগৎ মৃত্যুহীন। মৃত্যুর মতো জন্ম বলেও কিছু নেই সেখানে। সেখানে ুধা নেই, কান্তি নেই। ঘুম নেই, নিদ্রাও নেই। সেখানে অভাব নেই, অশান্তি বলে কিছু নেই। পরিপূর্ণ সেই শান্তিধামে কাল বলে কিছু নেই, সময় বলেও কিছু নেই। সেখানে সীমা নেই, পরিসীমাও নেই। সেখানে কিছুই কখনো সৃষ্টি হয় না; কিন্তু অন্য সব কিছুই সৃষ্টি হয় সেখান থেকে। যেহেতু সেখানকার কিছুই সৃষ্ট নয়, বরং সদাসর্বদা একইভাবে বিরাজমান, তাই সেখানে শুরু বলে কিছু নেই, শেষ বলেও কিছু নেই।
সেখানে আছে শুধুই এক ও একক। কারণ সেখানে দুই বা দ্বিতীয় বলে কিছু থাকা সম্ভব নয়। একের অধিক সেখানে অস্তিত্বহীন। সেখানে যিনি ছিলেন তিনি সেখানেই আছেন, সেখানেই থাকবেন তিনি একইভাবে। যেহেতু কাল ও সময়, ধ্বংস বা মৃত্যু সেখানে অনুপস্থিত; তাই সেখানকার একক সত্তার নির্দিষ্ট কোনো কালব্যাপী সেখানে থাকার প্রশ্নই অবান্তর। একইভাবে শুরু-শেষ এবং ুধা-কান্তি ও নিদ্রার মতো সীমিত বিষয়গুলোও সেই অসীম জগতে অসম্ভব। অবিনশ্বর এই জগতই হলো আল্লাহ পাকের সেই মহা-আরশ, যার অধিপতি শুধুই এক ও অদ্বিতীয় মহান আল্লাহ পাক।
তেমন অবিনশ্বর জগতের কথা আমরা ভাবতে পারি না। জন্ম-মৃত্যুহীন, শুরু বা শেষবিহীন কোনো কিছুর অস্তিত্ব আমাদের কল্পনাতেও আসে না। কারণ আমাদের এই বিশ্বজগতে আমরা সবাই কাল ও সময়, সীমা ও পরিসীমা, সৃষ্টি ও ধ্বংস এবং শুরু ও শেষের নির্দিষ্ট এক চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। এটা এমনই এক চক্র, যার ভেতরে কেউই এককভাবে কিছুই করতে পারে না। এখানকার সব কিছুতেই দুই বা ততোধিকের যোগ ও মিশ্রণ আবশ্যক। সীমিত এই চক্রের বাইরে আমাদের চিন্তাচেতনা কোনোভাবেই কাজ করে না। এমনকি কাজ করতে পারে না আমাদের কল্পনা শক্তিও।
এটা একান্তই নশ্বর এই জগৎকেন্দ্রিক আমাদের সর্বব্যাপী সীমাবদ্ধতা। এর অর্থ এই নয় যে, এই সীমাবদ্ধতার বাইরে কিছু নেই বা থাকতে পারে না; বরং এপিঠ-ওপিঠের সাধারণ তত্ত্ব অনুযায়ীই সীমাবদ্ধ ও নশ্বর এই জগতের উল্টো পিঠে অসীম ও অবিনশ্বর জগৎ থাকাটাই স্বাভাবিক। আর যেহেতু জগৎটা অসীম ও অবিনশ্বর তাই ওই জগতের অধিপতিকেও অবশ্যই হতে হবে সব সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বেÑ অসীম, অবিনশ্বর ও শাশ্বত। বস্তুত সেই তিনিই হলেন মহান আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়ালা। তাঁর অবিনশ্বর জগৎ এতটাই সীমা-পরিসীমা ও অন্তহীন যে তার তুলনায় ুদ্রতম ধূলিকণার চেয়েও ুদ্র আমাদের এই নশ্বর মহাবিশ্ব।
তাই জন্ম-মৃত্যু, আহার-নিদ্রা এবং সব রকমের নশ্বর ধারণা ও সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে যে রয়েছে এক অবিনশ্বর মহাসত্তা, সে বিষয়ে সন্দেহের কোনোই অবকাশ নেই। বিন্দুমাত্র সন্দেহের সুযোগ নেই পবিত্র সেই মহাসত্তার বক্তব্য ও কালামে। পরম সেই সত্যের দিকেই বস্তুত ছুট চলেছে আজকের বিজ্ঞান। বিভিন্ন তত্ত্ব ও সূত্রের বিচ্যুতিগুলো ঠিকঠাক করে যতই সামনে এগোচ্ছে বিজ্ঞান ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে একমাত্র পরম সত্য পথ, একক স্রষ্টা মহান আল্লাহ পাকের পথ। বোঝা যাচ্ছে যে, আজকের নাস্তিকতাবাদী বিজ্ঞান অচিরেই বাধ্য হবে মহান আল্লাহ পাকের সর্বময় একক মহাশক্তির কাছে অবনত হতে এবং মানুষ রক্ষা পাবে বিজ্ঞান নিয়ে ঔদ্ধত্যপনাকারীদের হাত থেকে।

13/07/2015

রোববার, ১২ জুলাই
এ কেমন বর্বরতা, এ কেমন হত্যা!
খলিলুর রহমান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,
বাংলামেইল২৪ডটকম
সিলেট: কিশোর রাজনের চোখে বাঁধভাঙা জল। চোখ
মুখ ফুলে গেছে। প্রহারে প্রহারে ক্লান্ত। শরীর
ক্ষতবিক্ষত। একটা খুঁটিতে পিছমোড়া করে বাঁধা সে
বারবার করজোরে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে। বলছে, সে
চোর নয়। তারপরও উৎসাহী জনতা তাদের ‘বীরত্ব’
ফলিয়েছে চোর সন্দেহে ধৃত নিরীহ কিশোরটির ওপর।
কিশোরটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হতে হতে সামান্য
পানি খেতে চেয়েছিল। দৃষ্কৃতকারীরা তাকে বলেছে
‘পানি নাই, ঘাম খা’। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া অবধি
খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হলো তাকে। আর প্রচণ্ড উল্লাসে
সেই মধ্যযুগীয় বর্বর ঘটনার ভিডিও করেছে তারা। সেই
ভিডিও এসেছে বাংলামেইলের কাছে। নির্মম সে
ভিডিওটি রীতিমতো প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় সভ্যতাকে, সভ্য
মানুষের বিবেককে।
গত বুধবার সিলেট শহরতলীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড
এলাকায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনা জানাজানি হয়েছে
শনিবার রাতে যখন ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়
জনতার হাতে হাতে।
জানা গেছে, বুধবার এ ঘটনার পর দুষ্কৃতকারীরা রাজনের
লাশ গুম করার চেষ্টা করে। ওই দিনই পুলিশ লাশসহ
দুইজনকে আটক করে। তবে ওই ঘটনা সাধারণ ‘চোর
পেটানোর’ ঘটনা হিসেবেই চাপা পড়ে যায়। যখন হাতে
হাতে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘটনার নির্মমতা ও
বর্বরতা বুঝা যায় তখনই ফুঁসে ওঠলো জনতা। তারা
রীতিমতো বিক্ষোভও করেছে। কোনো প্রমাণ নেই,
হাতেনাতে ধরার বিষয়টিও নেই। কেবল ‘চোর’ সন্দেহেই
১৩ বছরের কিশোরটিকে পিটিয়ে মারে দুষ্কৃতকারীরা-
এমন প্রশ্নই জেগেছে মানুষের মনে।
রাজনের পুরো নাম শেখ সামিউল আলম রাজন। তার
বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের
বাদেআলী গ্রামে। রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান
পেশায় একজন মাইক্রোবাসচালক। তার দুই ছেলের মধ্যে
রাজন বড়। অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ
শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করা রাজন সবজি বিক্রি করত।
আর সবজি বিক্রির টাকা দিয়েই চলতো রাজনের
পরিবারের খরচ।
গত বুধবার ভোরে সে সবজি বিক্রি করতে বাড়ি থেকে
বের হয়। শহরতলীর কুমারগাঁও এলাকায় আসার পর চোর
সন্দেহে তাকে আটক করে স্থানীয়রা। কুমারগাও
বাসস্ট্যান্ড এলাকার বড়গাঁও সুন্দর আলী ও গাজী
লালাই মিয়া মার্কেট সংলগ্ন স্থানে তাকে একটি
খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে টানা আধাঘণ্টা ধরে মারধর
করে তারা। তাদের পিটুনিতে মারা যায় রাজন। রাজন
মারা গেছে বুঝতে পেরে তার লাশ গুমের চেষ্টা চালায়
তারা। লাশ গুমের চেষ্টাকালে মুহিত আলম নামে
একজনকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে দেয়। পুলিশ
ওইদিন দুপরের দিকে রাজনের লাশ উদ্ধার করে।
কিন্তু তখনও রাজানের বাব-মা জানতেন না যে তার
ছেলেকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। রাতে ছেলে
বাড়ি না ফেরায় রাজনের বাবা-মা জালালাবাদ
থানায় জিডি করতে যান। সেখানে গিয়ে জানতে
পারেন একটি কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এক
পর্যায়ে তারা তাদের সন্তানকে সনাক্ত করেন।
আজিজুর জানান- তিনি যেদিন ভাড়ায় মাইক্রোবাস
চালাতে পারেন না, সেদিন সংসার খরচ চালাতে সবজি
বিক্রি করতে বের হয় রাজন।
মা লুবনা আক্তার জানান- ওইদিন (বুধবার) রাজনের
বাবা গাড়িতে (ভাড়ার ট্রিপে) ছিলেন বলে বাড়ি
ফেরেননি। ভোরে টুকেরবাজার থেকে সবজি নিয়ে
বিক্রির জন্য রাজন বের হয়েছিল। সারা দিন ছেলের
খোঁজ পাননি তারা। রাতে থানায় গিয়ে জিডি করার
সময় এক কিশোরের লাশ পাওয়া গেছে জানতে পেরে
তারা রাজনকে সনাক্ত করা হয়।
লুবনা বলেন- ‘আমার পুয়া (ছেলে) চোর না। ই কথা সারা
এলাকার মানুষ জানে। প্রবাসী অখলতের চোর ধরার সখ
পূরণ করতে গিয়া জীবন দিছে আমার পুয়া! আমি এর উচিৎ
বিচার চাই।’
এদিকে, নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই
জালালাবাদ থানায় চলছে নানা আলোচনা-
সমালোচনা। হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছেন
এলাকাবাসীও। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের
দাবিতে শুক্রবার বাদ জুম’আ স্থানীয় এলাকাবাসী
কুমারগাঁও বাইপাস এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক
অবরোধ করেছে।
এ ঘটনায় রাজনের পিতা বাদি হয়ে জালালাবাদ
থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-২৯৭/১৫) দায়ের করেন।
ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে আটক মুহিত আলমকেও।
তার দেয়া তথ্যমতে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও
উদ্ধার করে। এছাড়াও ওই ভিডিওটি এলাকাবাসীও
সংগ্রহ করেছে। রাজনকে নির্যাতনের ২৮ মিনিটের
ভিডিও ফুটেজেটি বাংলামেইলের কাছেও রক্ষিত
আছে।
ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে নির্মম সেই হত্যার
ঘটনা। ভিডিওতে দেখে গেছে, কুমারগাঁও এলাকায়
একটি দোকানের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে প্রায় আধা ঘণ্টা
নির্যাতন করা হয় ১৩ বছরের কিশোর শেখ সামিউল আলম
রাজনকে। বাঁধা অবস্থায় পানির জন্য বেশ কয়েকবার
আর্তনাদ করেও রাজনকে পানি দেয়নি
নির্যাতনকারীরা। পানি চাইলে নির্যাতনকারীরা
তাকে বলেছে ‘পানি নাই ঘাম খা’। কয়েকজন মিলে
উল্লাসের সঙ্গে কিশোর রাজনের উপর চালায়
অমানবিক নির্যাতন য়। টানা ২৮ মিনিট বাঁধা অবস্থায়
অনেকটা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে চলে নির্যাতন। কিশোর
'শরীরে
টানা নির্যাতন সইতে না পেরে শেষে পানি খাওয়ার
আকুতি জানায়।

02/07/2015

আপনি কি জানেন ??? # # আয়াতুল কুরসী পড়ে ঘুমালে
ফেরেস্তারা আপনাকে সারারাত পাহারা দিবে। # #
কালেমা শাহাদাত বেশি বেশি পড়লে পাপের মাএা
কমতে থাকে। # # নিজের শরীরের কাপড়-চোপড় পাক -
সাফ রাখলে গোড় আজাব কম হবে। # # প্রসাব কালে যে
ব্যক্তি কুলুব ব্যবহার করে না,তার কবরের আজাব
সবচেয়ে বেশি হবে। # # যে ঘরে প্রাণীর ছবি থাকে সে
ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। # # পিতামাতার
অবাধ্য ও নফরমানী ব্যক্তির মিত্যু কালে মুখে কালেমা
আসবে না। # # নবীর তরিকায় যে ব্যক্তি ফরজ গোসল করে
না,সে ব্যক্তি ওজুর পরও নাপাক থাকে।

Want your school to be the top-listed School/college in Sylhet?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Sylhet
3175