Listening মডিউলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস যা স্কোর বাড়াতে প্রচুর সাহায্য করে:---
১. প্রশ্নে কি কি আসে ধারণা নেয়া । গুগল অথবা ইউটিউবে সার্চ করলেই পাবেন।
২.ক্যামব্রিজ থেকে দৈনিক একটা টেস্ট দিবেন যেভাবে হোক । স্পিড বাড়ানোর কোনো দরকার নাই, ফাইনালে স্পিড একই থাকে।
৩. এরপর দেখবেন কোথায় কোথায় ভুল হয় সেই অনুযায়ী কাজ করবেন।
৪. আন্সার স্ক্রিপ্ট এনালাইসিস করবেন ( অডিও ছেড়ে স্ক্রিপ্ট পড়বেন)।
৫. মনোযোগ হারানো যাবেনা ভুলেও ।
৬. সব প্রশ্নের উত্তর দিবেন। উত্তর না পাইলেও ঢিল মারবেন।
লেগে থাকুন , পরিশ্রম করুন , পরিশ্রম কখনো বেইমানী করে না, প্রতিদিন প্রাকটিস করুন , ধীরে ধীরে উন্নতি হবে ইনশাআল্লাহ।
IELTS with Lukman
A place for IELTS aspirants and especially for the pupils who wanna study abroad.
দেশ দেখে না, outcome দেখে decision নিতে হয়। আপনি কেন বাইরে যেতে চান—PR, high income, না শুধু একটা foreign degree—এই প্রশ্নের honest answer না দিতে পারলে আপনি ভুল দেশেই যাবেন। কারণ আমি অসংখ্য student দেখেছি—Canada গিয়ে struggle করছে, আবার কেউ UK গিয়ে ১ বছরেই smart move নিয়ে career বানিয়ে ফেলেছে। পার্থক্যটা country না, preparation আর expectation।
আজকে জানবো কোন দেশটি আপনার সঠিক চয়েজ হওয়া উচিত।
আপনি যদি বলেন—“আমি settle হতে চাই, long-term security চাই”—তাহলে আমি আপনাকে সরাসরি Canada consider করতে বলব । তবে এইটা সত্যি - Canada এখন আগের মতো easy না। PR pathway এখনও আছে, কিন্তু competition বেড়েছে কয়েকগুল, job market tight হয়েছে, আর survival cost significantly বেড়েছে—Toronto বা Vancouver-এ মাসে CAD ১২০০–১৮০০ শুধু basic living-এই চলে যায়। তাই আপনি যদি Canada যান, আমি আপনাকে বলব—আগে skill build করুন, এমন কিছু শিখুন যেটার demand আছে (IT, healthcare, skilled trades), নাহলে degree শেষ করে ৬–১২ মাস job না পেয়ে mental pressure-এ পড়বেন। এজন্য যদি prepared থাকেন, Canada আপনাকে reward করবে; না হলে একই দেশ আপনার জন্য frustration হয়ে যাবে।
অন্যদিকে আপনার টার্গেট যদি হয়—“আমি পড়াশোনার পাশাপাশি income manage করতে চাই, আর একটু flexible থাকতে চাই”—তাহলে Australia আপনার জন্য better fit হতে পারে। এখানে part-time job পাওয়া comparatively easier, minimum wage ভালো, আর Temporary Graduate Visa (485) দিয়ে ২–৪ বছর থাকার সুযোগ পাবেন। কিন্তু এটা মনে রাইখেন—Australia মোটেও cheap না। Sydney, Melbourne-এ yearly expense AUD ২৫,০০০–৩০,০০০ পর্যন্ত যেতে পারে। তাই যদি financial backup ছাড়া যান, তাহলে পড়াশোনার চেয়ে survival struggle বেশি হয়ে যাবে। কিন্ত যদি smart হন, regional area target করেন, skill-based course নেন—তাহলে এখান থেকে PR-ও achievable।
এখন আসি United Kingdom-এ, যেটা অনেকেই shortcut ভাবে। আমি বলব, যেতে পারেন, কিন্তু clear plan ছাড়া যাইয়েন না। এখানে Master’s ১ বছরে শেষ হয়—এটা বড় advantage। এবং graduation-এর পর ২ বছর stay করার সুযোগ থাকলেও, long-term থাকতে হলে Skilled Worker visa লাগবে, আর তার জন্য নির্দিষ্ট salary threshold (প্রায় £৩৮,০০০+/year) meet করতে হবে। আর বাস্তবতা হলো, অনেক student এই salary range-এ পৌঁছাতে পারে না, বিশেষ করে যদি subject choice weak হয়। তাই আপনি যদি UK যান, আমি আপনাকে বলব—random subject না, demand-driven field নিন (Data Analytics, Nursing, Engineering)। নাহলে degree শেষ করে দেশে ফিরে আসতে হতে পারে, যেটা অনেকেই mentally accept করতে পারে না।
এখন আপনি কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন ?—এইটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। emotionally না ভেবে logically চিন্তা করেন
—Canada = long-term investment
Australia = balanced risk-return
UK = fast-track কিন্তু high uncertainty
এবার আপনি নিজের profile দেখুন—আপনার CGPA, skill, financial backup, adaptability—এই চারটা জিনিস honest ভাবে evaluate করুন। কারণ আমি আপনাকে abroad পাঠাতে পারি, কিন্তু struggle আপনাকেই handle করতে হবে।
আর একটা কথা—official information ছাড়া কখনো decision নেবেন না। আপনি সরাসরি Government of Canada (canada.ca), Australian Government Department of Home Affairs (immi.homeaffairs.gov.au), এবং UK Government (gov.uk) এই sourceগুলো follow করবেন। কারণ policy change এখন খুব frequent হচ্ছে, আর outdated তথ্য নিয়ে গেলে আপনি ভুল plan করবেন।
আমি আপনাকে ভয় দেখাচ্ছি না, আমি আপনাকে প্রস্তুত করছি। আপনি যদি clear goal নিয়ে, skill build করে, realistic expectation নিয়ে যান—তাহলে এই তিনটা দেশের যেকোনো একটা আপনার life change করে দিতে পারে। কিন্তু আপনি যদি শুধু “বিদেশ যাব” এই mindset নিয়ে যান, তাহলে তিনটাই আপনার জন্য কঠিন হয়ে উঠবে।
Rahman Enayate
🌍বিদেশে উচ্চশিক্ষা: Episode 01
আমি আমার আগের post এ বলেছিলাম যে বিদেশে পড়াশুনার destination map বদলে যাচ্ছে। তো সেই series এর প্রথম episode শুরু হবার কথা ছিলো USA দিয়ে; কিন্তু কিছু নতুন চিন্তার কারণে প্রথম এপিসোড শুরু করছি Scandinavia দিয়ে, মানে Norway, Sweden আর Denmark।
কারণটা simple: বর্তমান বিশ্ব জুড়ে চলমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত । এবার অফিসিয়াল কিছু তথ্যের ভিত্তিতে দেখি এই তিন দেশে কি কি সুযোগ পাওয়া যায়:
🇳🇴 Norway
❓Tuition কত?
Norway তে ২০২৩ সালে non-EU/EEA students দের জন্য tuition fee চালু করা হয়েছিল। তারপর international enrollment ৮০% কমে গিয়েছিল। এরপর ২০২৫ সালের June মাসে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে national level এ tuition fee বাধ্যতামূলক রাখার requirement তুলে নেওয়া হবে এবং প্রতিটা university নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে কত fee নেবে।
মানে ২০২৬-২৭ থেকে অনেক public university তে fee কমতে বা পুরো free হতে পারে। তবে এই মুহূর্তে (২০২৫-২৬ academic year) non-EU students দের জন্য tuition fee সাধারণত NOK ১৫০,০০০ থেকে NOK ১৯০,০০০ প্রতি বছর, মানে মোটামুটি ১৩,০০০ থেকে ১৭,০০০ euro। আলাদা করে বলে রাখি যে যারা ২০২৩ এর আগে admit হয়েছিলেন তাদের tuition fee দিতে হচ্ছে না।
❓Living cost কত?
Official estimate অনুযায়ী ২০২৫-২৬ academic year এ একজন student এর জন্য মাসিক living cost প্রায় NOK ১৩,৭৯০, মানে বছরে NOK ১৬৬,৮৫৯। এটা residence permit পাওয়ার জন্যও document করতে হয়।
❓কাজ করা যাবে?
Study permit পেলে semester এ সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা আর holidays তে full-time কাজ করা যায়।
❓Graduation এর পর?
Study permit থাকলে graduation এর পর job seeker permit এর জন্য apply করা যায়, যেটা দিয়ে Norway তে থেকে কাজ খোঁজা যায়। এই permit টা ১২ মাসের জন্য valid এবং extend করা যায় না। এই সময়ে কাজ পেয়ে গেলে skilled worker visa তে switch করা যায়, যার জন্য salary কমপক্ষে NOK ৩১০,০৭০ বছরে হতে হবে।
❓PR পাওয়া যাবে?
Skilled worker permit এ থেকে Norway তে টানা ৩ বছর থাকলে permanent residency এর জন্য apply করা যায়।
Scholarship আছে?
Norway র NORSTIP scholarship programme এ Bangladesh eligible দেশ ছিল। কিন্তু সরকারের budget cut এর কারণে ২০২৬ সাল থেকে এই programme এ নতুন applications নেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এখনো কিছু বিকল্প আছে। Norwegian Quota Scholarship Scheme এ প্রতি বছর universities কে নির্দিষ্ট সংখ্যক quota students নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এই scheme এ financial support এর ৩০% grant হিসেবে দেওয়া হয় আর ৭০% loan হিসেবে, তবে student দেশে ফিরলে loan টা মওকুফ হয়ে যায়। Erasmus Mundus joint master programmes এ apply করলেও Norway তে পড়ার সুযোগ আছে।
🇸🇪 Sweden
❓Tuition কত?
Tuition fee programme ভেদে ভিন্ন। সাধারণ programmes এ SEK ৮০,০০০ থেকে SEK ১১০,০০০ প্রতি বছর, আর architecture বা design এর মতো কিছু programme এ SEK ১৯০,০০০ পর্যন্ত যায়। একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো PhD programmes Sweden এ সব students এর জন্য free, এবং PhD students দের university তে employee হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তারা salary পান।
❓Living cost কত?
Stockholm এর মতো বড় শহরে মাসে SEK ৮,০০০ থেকে SEK ১৩,০০০ লাগে। এর মধ্যে accommodation, food, transport এবং daily expenses সব ধরা আছে।
❓কাজ করা যাবে?
Bangladesh থেকে যাওয়া students সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত part-time কাজ করতে পারেন।
❓Graduation এর পর?
Graduation এর পর ১২ মাসের post-study work permit পাওয়া যায়, যেটা দিয়ে full-time job খোঁজা যায়।
❓PR পাওয়া যাবে?
Sweden এ ৪ বছর successfully থাকলে permanent residency এর জন্য apply করা যায়।
❓Scholarship আছে?
Swedish Institute Scholarships for Global Professionals (SISGP) অন্যতম সেরা option। এটা full tuition cover করে, সাথে মাসে SEK ১২,০০০ living allowance এবং travel support দেয়। এটা Master’s programme এর জন্য। এর বাইরে Lund University Global Scholarship এ ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত tuition waiver পাওয়া যায়। KTH তেও ৫০% থেকে ১০০% scholarship আছে। SISGP apply করতে হলে কমপক্ষে ৩,০০০ ঘণ্টার কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং leadership quality demonstrate করতে হবে।
🇩🇰 Denmark
❓Tuition কত?
Non-EU/EEA students দের জন্য Denmark এ tuition fee সাধারণত বছরে EUR ৬,০০০ থেকে EUR ১৬,০০০। কিছু specialized programme তে এটা আরো বেশি হতে পারে।
❓Living cost কত?
Copenhagen এ থাকলে মাসে EUR ৮০০ থেকে EUR ১,২০০ পর্যন্ত লাগতে পারে।
❓কাজ করা যাবে?
Study permit থাকলে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করা যায়, এবং June, July, August মাসে full-time কাজ করা যায়।
❓Graduation এর পর?
Denmark এ post-study work permit এর বিষয়টা বেশ favorable। Bachelor’s, Master’s বা PhD শেষ করলে graduation এর পর ৩ বছর পর্যন্ত job seeker permit পাওয়া যায়। এই সময়ে full-time কাজও করা যাবে। কাজ পেয়ে গেলে ২০২৬ সালের January থেকে Denmark এর updated Positive List এ থাকা occupations গুলোতে work permit পাওয়া আরো সহজ হয়েছে।
❓PR পাওয়া যাবে?
সাধারণত ৮ বছরের legal residence এর পর PR এর জন্য eligible হওয়া যায়। তবে যদি ৪টা supplementary requirement সব পূরণ করা যায়, তাহলে ৪ বছরেও apply করা সম্ভব। এই supplementary requirements এর মধ্যে আছে নির্দিষ্ট পরিমাণ income, Danish language test পাস এবং full-time employment এর record।
❓Scholarship আছে?
Danish government এর scholarship programme আছে যেটা non-EU/EEA students দের জন্য। এটা সরাসরি government পরিচালনা করে না, universities এর মাধ্যমে দেওয়া হয়। Erasmus Mundus programme এও Denmark এর universities অংশগ্রহণ করে। Individual universities এর নিজস্ব scholarship ও আছে।
📌 সংক্ষেপে তুলনা
Norway তে এই মুহূর্তে tuition fee situation একটু fluid। ২০২৬-২৭ থেকে কিছু university হয়তো fee কমাবে বা free করবে, কিন্তু এটা এখনো confirmed না। যারা research বা PhD করতে চান তাদের জন্য Norway বেশি suitable, কারণ PhD students এখানে employee হিসেবে বিবেচিত হন।
Sweden তে tuition fee আছে, কিন্তু SISGP scholarship টা genuinely strong। যাদের কাজের অভিজ্ঞতা আছে এবং leadership profile ভালো তাদের জন্য এটা explore করার মতো।
Denmark এ tuition fee তুলনামূলকভাবে moderate এবং post-study work permit এর মেয়াদ Europe এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি (৩ বছর)। এটা একটা meaningful সুবিধা।
তিনটা দেশেই general Bangladeshi students apply করতে পারেন, কোনো restriction নেই।
📌 তথ্যসূত্র:
Study in Norway — studyinnorway.no
Norwegian Directorate of Immigration (UDI) — udi.no
HK-dir (NORSTIP) — hkdir.no
Study in Sweden — studyinsweden.se
Swedish Migration Agency — migrationsverket.se
Study in Denmark — studyindenmark.dk
Danish Immigration Service (SIRI) — nyidanmark.dk
⚠️ Disclaimer:
এই post এ যে তথ্যগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো official government websites, university websites এবং immigration authority র published data থেকে সংগ্রহ করা । Visa, Tution এবং scholarship এর নিয়মকানুন যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই apply করার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশের official immigration website এবং university র admissions page থেকে সর্বশেষ তথ্য নিজে verify করে নিন।
Ismath suchi
এই দেশে কোনো সুযোগ নাই, তাই আমি গ্রো করতে পারছি না।
আমার বাবার টাকা নাই, তাই আজ আমার এই অবস্থা।
আমি ভালো কলেজে পড়তে পারিনি বলেই তো ভালো রেজাল্ট করতে পারিনি।
নিজের অবস্থার জন্য এভাবে অন্যকে দোষারোপ করা বাদ দেন প্লিজ!
আপনি এখন ঠিক যেই অবস্থাতে আছেন, ঠিক সেই অবস্থাতেই থেকে অনেকেই ভালো কিছু করছে।
একই দেশ, একই সিস্টেম, একই সুযোগের অভাব। তারপরেও কেউ কেউ এগিয়ে যাচ্ছে। আর আপনি সেই একই পরিস্থিতিতে বসে বসে কারণ খুঁজছেন কেন হচ্ছে না।
সত্যি কথাটা হচ্ছে, পরিস্থিতির দোষ দেওয়াটা অনেক সহজ। কারণ তখন নিজেকে আর কিছু করতে হয় না।
ব্যর্থতার দায়িত্বটা অন্যের ঘাড়ে চলে যায়, আর নিজে নিশ্চিন্তে থাকা যায়। কিন্তু এই নিশ্চিন্তের দাম হচ্ছে আপনার পুরো জীবনটা।
আপনি আসলে এভাবে নিজেকেই ধোঁকা দিচ্ছেন।
Azizul Haque
IELTS-এ ভালো করার জন্য আমার ব্যক্তিগত অভিমত!
IELTS বা TOEFL নিয়ে অনেকেই সাজেশন চায়! ভালো স্কোর উঠছে না! কোন কোচিং-এ ক্লাস করলে ভালো হবে? আমি উত্তর দেই: কোচিং করে লাভ নেই। যে ছেলে বা মেয়েটা কোচিং-এ ক্লাস করে ৮ পেয়েছে, বিশ্বাস করুন সে কোচিং না-করলেও ৮ পেত। কোচিং-এ গেলে আপনি সমমনা কয়েকজনকে পাবেন। প্রাকটিস করতে পারবেন। যেটা অনলাইনের এই যুগে ফ্রিতেই করা যায়।
ইংরেজিতে ভালো করবেন, যখন আপনার স্কিল ভালো থাকবে। কোচিং এই ইংরেজি স্কিল আপনার মাথায় কখনো ঢোকাতে পারবে না। খেয়াল করে দেখবেন, যারা এগুলিতে ভালো করছে, তাদের স্কিল অনেক আগে থেকেই ভালো, স্কুল থেকে ভালো, ইংরেজি গল্প/সংবাদপত্র এগুলি অনেক ছোটবেলা থেকেই পড়ে। তাই সবার আগে উচিত এই স্কিলটা ডেভলপ করা। তারপর একটা বিশেষ পরিবেশে প্রাকটিস এবং শেখার জন্য কোচিং করতে চাইলে করতে পারেন অল্প সময়ের জন্য।
আমার মতে, সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে রিডিং: ইংরেজি যত পড়বেন তত ইংরেজি স্কিল আপনার বাড়বে। রিডিং এর জন্য কোচিং সেন্টারগুলিতে যান। আপনাকে বিভিন্ন টেকনিক শিখাবে। কীভাবে কম্প্রিহেনশন থেকে খুঁজে খুঁজে (স্কিমিং, স্ক্যানিং) উত্তর বের করতে হবে! এতো কাহিনী করে আপনি ম্যাক্সিমাম ৬ পাবেন। কিংবা কিছু টেকনিক জানবেন। আপনার ইংরেজি জ্ঞান কিন্তু আগের মতোই থাকবে। আমরা যখন বাংলা কোনও কলাম কিংবা গল্প পড়ি, দুই পৃষ্ঠার একটা জিনিস ৫ মিনিটেই শেষ করে ফেলি। এর ভেতর থেকে যদি কোনো প্রশ্ন করা হয়, তাহলে আপনি এমনিতেই উত্তর দিতে পারবেন। তাহলে ইংরেজিতে কেন আমরা পারি না? কারণ আমরা ইংরেজি পড়ি না। এখন যদি আপনি প্রতিদিন আপনার পছন্দের বিষয় ২ঘন্টা করে পড়েন, ৬মাস পরে দেখবেন আপনার রিডিং এর অনেক উন্নতি হয়েছে। আপনি এক নিমিষেই একটা রিডিং কম্প্রিহেনশন শেষ করে ফেলছেন। আপনার কোনো টেকনিক অবলম্বন করা লাগছে না। ইংরেজি ডেইলি নিউজপেপার একটা ভালো উপায়। তবে ডিকশনারি নিয়ে বসা যাবে না। বাংলা মিনিং খুঁজে ইংরেজি মিনিং বের করার মতো ঝামেলার কাজ আর নেই। তার চাইতে কনটেক্সট দিয়ে মানে বুঝবেন। মানে না বুঝলে সম্যসা নাই, পড়তে থাকুন। পুরো স্টোরি শেষ করলে একটা অর্থ দাঁড় করাতে পারবেন। এভাবে রিডিং প্রাকটিস করলে আপনি বিরক্ত হবেন না। যেসব জিনিসে মজা পান সেগুলি পড়ুন। থ্রিলার ভালো লাগলে থ্রিলার!
রিডিং এর এই হ্যাবিট চালু থাকলে এটা থেকে আপনার রাইটিং এও হেল্প করবে। লিসেনিং আর স্পিকিং এর ক্ষেত্রেও একই সাজেশন: শুনতে থাকুন আর বলতে থাকুন। বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়াতে অনেক প্রবাসী কাজ করতে যায়। পড়ালেখা বেশিদূর করা নাই অনেকেরই। তারপরও কয়েক মাসের ভেতরেই FLUENTLY মালে ভাষায় কথা বলে! কারণ কী? এরা গ্রামার বুক নিয়ে বসে নাই। এরা ডিকশনারি খুলে মুখস্থও করছে না। জীবনের তাগিদে বলতে আর শুনতে গিয়েই তারা পারে।
এতো না পেঁচিয়ে IELTS-এ ভালো করার জন্য আমার ব্যক্তিগত অভিমত দেই(যারা ইংরেজিতে অনেক ভালো, তাদের জন্য নয়)-
১) এটলিস্ট ৬-১২ মাস প্রতিদিন ২ঘন্টা ধরে টানা ইংরেজি রিডিং(নিউজপেপার, নভেল) পড়তে হবে।
২) এটলিস্ট ৬-১২ মাস প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে মুভি, টিভি(বিবিসি) এগুলো শোনা, নিজে নিজে এবং অন্যদের সাথে কথা বলা প্রাকটিস করা।
৩) এটলিস্ট ৬-১২ মাস প্রতিদন ২০মিনিট করে কোনও একটা টপিক নিয়ে লেখা, তারপর নিজের লেখার সমালোচোনা করা।
৪) ৬-১২ মাস পরে এসে, অনলাইনে IELTS এর ম্যাটেরিয়ালস গুলো দেখা, প্রাকটিস করা(এই সময়ে এসে, আপনার ট্যাকা পয়সা বেশি থাকলে কোচিং করতে পারেন)।
ধরুন, আপনি ৩০ কেজির একটা বস্তা মাথায় তোলা শিখেছেন। এখন যদি ৫০ কেজি বস্তা উত্তোলনের জন্য কোচিং-এ যান, আপনারে শিখাবে- ক) বস্তার এই অংশে ধরবেন; খ) পা এইভাবে রেখে বস্তা উত্তোলনের চেষ্টা করবেন ইত্যাদি! আপনার কিছু টেকনিক জানা হবে। ৫০ কেজি আপনি তুলতে পারবেন না সহজে। আমি যেটা বলতে চেয়েছি সেটা হলো: ক) এক্সারসাইজ করুন; খ) ভালো খাবার-দাবার খান; গ) শক্তি বাড়ান! এতে আপনার সক্ষমতা বাড়বে, তারপর কিছু টেকনিক অবলম্বন করে ৫০ কেজির বস্তা ধুপধাপ তুলুন।
আবার ধরুন, আপনি মতিঝিল থেকে মিরপুর যেতে চান। কোচিং আপনাকে যেটা করবে, একটা গাড়ির ব্যবস্থা করে সেখানে ধরে নিয়ে যাবে। কিন্তু যখন আপনার কাছে টাকা(গাড়ি) থাকবে না, আপনার সেখানে যেতে কষ্ট হবে, কারণ পথটা অচেনা! আমি বলছি, আপনি হেঁটে হেঁটে মিরপুর যান। হেঁটে হেঁটে গেলে, আপনি পুরো পথটা চিনবেন, আশপাশের সবকিছু জানবেন। হয়তো একটু কষ্ট হবে, কিন্তু ভবিষ্যতে, যেভাবে খুশি সেভাবে যেতে পারবেন, কারো সাহায্য ছাড়াই।
© Nazmul Islam Shiplu
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যদি তোমার চেষ্টার দ্বারা আল্লাহ তা'য়ালা একটি লোককেও হেদায়েত দেন, তবে তা হবে তোমার জন্য একপাল লাল উটের চেয়েও উত্তম!”
📖 সুনান আবু দাউদ: ৩৬৬১
আপনি কোনো পাওয়ারফুল পরিবারে জন্ম নেননি।
আপনাদের তেমন কোনো কানেকশন নেই।
আপনাদের অনেক সহায়-সম্পত্তিও নেই।
তাহলে কী করবেন?
এই সত্যটা মাথায় রেখেই কাজ শুরু করুন।
কারণ যে জানে তার পেছনে কেউ নেই,
সেই দ্রুত সামনে এগোতে শেখে।
প্রথম কাজ, প্লিজ, অভিযোগ করা বন্ধ করুন।
"আমার বাবা আমাকে এটা দিতে পারেনি,
আমার জন্য ওটা করতে পারেনি" এসব অভিযোগ করতে করতেই বেশিরভাগ মানুষ ৩০ বছর বয়স পার করে দেয়।
জীবন অনেক মানু্ষকেই ফেয়ার শুরু দেয় না।
কিন্তু জীবনের ফিনিশ লাইনেও কেউ জিজ্ঞেস করে না,
আপনি আসলে কোথা থেকে শুরু করেছিলেন।
দ্বিতীয় কাজ, নিজের network নিজেই বানান।
উত্তরাধিকারে পাওয়া নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতে হয়।
আর নিজে বানানো নেটওয়ার্ক নিজেই টিকে যায়।
তৃতীয় কাজ, স্কিলই আপনার আসল সম্পত্তি।
বাবার জমি বিক্রি হয়ে যায় ।
বাবার টাকাও একসময় শেষ হয়ে যায়।
বাবার নামও একদিন মানু্ষ ভুলে যায়।
কিন্তু আপনার ভেতরে যে দক্ষতা আছে ,
সেটা চাইলেও কেউ কেড়ে নিতে পারে না।
একটা কাজে এতটাই ভালো হন,
যে আপনাকে ignore করা যেনো অসম্ভব হয়ে যায়।
চতুর্থ কাজ, ইনফরমেশনের গ্যাপ বন্ধ করুন।
ধনী বা পাওয়ারফুল পরিবারের ছেলেমেয়েরা
ছোটবেলা থেকেই কিছু জিনিস শিখে ফেলে।
যেমনঃ কীভাবে কথা বলতে হয়।
কীভাবে negotiate করতে হয়।
কীভাবে সুযোগ চিনতে হয়।
কীভাবে ব্যবসাবাণিজ্য করতে হয়।
সমস্যাটা হচ্ছে, আমাদের কোনো স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় এই বিষয়গুলো শেখানো হয় না।
তাই আপনাকে নিজে থেকেই এসব শিখতে হবে।
বই পড়ে। মানুষ দেখে। আর ভুল করে।
আর এই গ্যাপটা দ্রুত কমাতে পারলেই
আপনার খেলা একদম অন্য লেভেলে চলে যাবে।
পঞ্চম কাজ, লোকে কী বলবে, এই লজ্জা বাদ দিন।
সাধারণ ঘরের সন্তানদের সবচেয়ে বড় শত্রু টাকার অভাব না। লোকে কী বলবে, সেই লজ্জা।
এরা সুযোগ চাইতে লজ্জা পায়।
ভুল করতে লজ্জা পায়।
"জানি না" বলতে লজ্জা পায়।
বড় স্বপ্ন দেখতে লজ্জা পায়।
আর যেদিন থেকে এই লজ্জাটা ভেঙ্গে যায়,
সেদিন থেকেই তার আসল যাত্রা শুরু হয়।
মনে রাখবেন, দুনিয়ার বেশিরভাগ বিখ্যাত আর বড় মানুষেরা কিন্তু সাধারণ পরিবার থেকেই উঠে এসেছে।
কারণ তাদের হারানোর কিছুই ছিল না।
তাই তারা ঝুঁকি নিতেও ভয় পায়নি।
আর আপনারও সবচেয়ে বড় সুবিধা এটাই,
আপনার কাছে তেমন কিছুই নেই।
মানে সব জয় করার সম্ভাবনাটা এখন আপনারই আছে!
Asaduzzaman Joy
🟫 Interview তে একজন স্টুডেন্ট ভিসা ক্যানডিডেটকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যে প্রশ্নগুলো করা হয় !
✅ 1.Why do you want to study in this country?
✅ 2.Why did you choose this university?
✅ 3.Why did you choose this course?
✅ 4.What are your future plans after graduation?
✅ 5.Who is sponsoring your education?
✅ 6.What does your sponsor do?
✅ 7.How will you manage your expenses?
✅ 8.Have you applied to other universities?
✅ 9.Do you have any relatives or friends in this country?
✅ 10.Why should we grant you a visa?
✅ 11.What is your academic background?
✅ 12.How is this course relevant to your previous studies or work experience?
✅ 13.Why didn’t you study this course in your home country?
✅ 14.How did you find this university?
✅ 15.What do you know about the city
✅ 16.where your university is located?
✅ 17.When does your course start and how long will it last?
✅ 18.What will you do if your visa is rejected?
✅ 19.Have you ever traveled abroad before?
✅ 20.What are your strengths and weaknesses?
ইন্টারভিউতে ভালো করার জন্য কিছু ট্রিকস বলি। ইউটিউবে যাবেন গিয়ে টপ টপ ইউনিভার্সিটি যেমন Harvard, MIT ইত্যাদি, এই টাইপ ইউনিভার্সিটিগুলোর ভিসা /এডমিশন ইন্টারভিউ খুঁজে বের করবেন। হুবুহু না পেলেও পসিবল প্রশ্ন এবং কিভাবে তা উত্তর দিতে হয় তা সম্পর্কে অনেক ভিডিও পাবেন। ওখান থেকে যদি ভালোভাবে ট্রিকস এন্ড টিপসগুলো আয়ত্ত করতে পারেন , পৃথিবীর কোনো স্কলার্শিপ , ইউনিভার্সিটি এডমিশন এবং এম্বাসীতে অনন্ত ইন্টারভিউ এর জন্য রিজেক্ট খাবেন না।
© Arif 🇰🇷
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ফান্ডিংঃ সঠিক Email কিভাবে লিখব?
বিদেশে ব্যাচেলর, মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে গেলে একটি পারফেক্ট ইমেইল কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলে শেষ করা যাবে না! শুধুমাত্র ইমেইলের সাবজেক্ট এর কারণে অধিকাংশ ইমেইল প্রফেসররা ওপেনই করেন না! আপনি যতই যোগ্য আর মেধাবী হোন না কেন, সঠিক ভাবে ইমেইল লিখতে না জানলে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ফান্ডিং অধরাই থেকে যেতে পারে! আজকের এই লিখায় আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখানোর চেষ্টা করছি- কীভাবে একটি স্মার্ট এবং to-the-point ইমেইল লিখতে হয়, যেটি আপনাকে ফান্ডিং, স্কলারশিপ, রিসার্চ অ্যাসিসট্যান্টশিপ বা এডমিশন পেতে সাহায্য করবে। একই সাথে ২টি ইমেইল টেমপ্ল্যাট নিচে দেওয়া হয়েছে, যেগুলো আপনি কাস্টোমাইজ করে নিজের মত করে ব্যাবহার করতে পারেন।
ইমেইল লেখার ১২টি নিয়ম – MUST FOLLOW (What TO DO)
১. অতিব গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্ট লাইন
•❌ "Help needed"
•✅ "Application for MSc in Biotechnology with Scholarship - Fall 2025"
•✅ "Inquiry about Research Assistant Position in Renewable Energy Lab"
২. পারফেক্ট গ্রিটিং
•❌ "Hi Sir", “Hello Sir”
•✅ "Dear Professor Dr. Rahman"
•✅ "Dear Dr. Smith"
৩. শক্তিশালী সেলফ-ইন্ট্রোডাকশন
উদাহরণ:
"I am a final-year student of Biochemistry at the University of Dhaka with a CGPA of 3.92/4.00. My undergraduate thesis on 'Nanoparticle-based Drug Delivery Systems' was awarded the Best Research Project in our department."
৪. প্রফেসরের কাজের সাথে কানেকশন দেখান
উদাহরণ:
"I have been following your groundbreaking work on graphene-based biosensors published in 'Advanced Materials' (2023). Your innovative approach to early cancer detection inspired me to pursue research in this field."
৫. স্পেসিফিক স্কিলস হাইলাইট করুন
•❌ "I have research experience"
•✅ "I have hands-on experience with HPLC, PCR, and cell culture techniques during my 6-month internship at ICDDRB"
৬. একাডেমিক অ্যাচিভমেন্টস উল্লেখ করুন
উদাহরণ:
"My paper on 'Green Synthesis of Nanoparticles' was published in the Bangladesh Journal of Botany (2024). I also received the Dean's Award for academic excellence in 2023."
৭. স্পষ্টভাবে রিকোয়েস্ট করুন
• "I would be grateful if you could consider me for a research assistant position in your lab."
• "I am applying for the DAAD scholarship and would appreciate your guidance."
৮. প্রফেশনাল ক্লোজিং
• "Thank you for your time and consideration. I look forward to your positive response."
• "I would be happy to provide any additional information if needed."
৯. সাক্ষাৎকারের জন্য সময় চাওয়া
• "Would it be possible to schedule a 15-minute Zoom meeting at your convenience?"
১০. সঠিক অ্যাটাচমেন্ট
• CV (PDF ফরমেটে)
• Transcripts
• Publication PDF (যদি থাকে)
১১. ফলো-আপ ইমেইল
৭-১০ দিন পর: *If you would like to send a new email, then
Subject: "Follow-up: Application for MSc Position - [Your Name]"
১২. প্রফেশনাল সিগনেচার
Best regards,
Your Full Name
Your University
Your Email
LinkedIn Profile Link [Not mandatory]
Phone Number [Not mandatory]
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ফান্ডিং সঠিকভাবে Email লিখতে এই Structure ফলো করুন:
o Introduction + academic background.
o Connection to the professor’s research.
o Clear request (supervision/scholarship).
o Attachments (CV, transcripts, publications).
অবশ্যই Professional Tone (Polite, concise, and free of errors) মাথায় রেখে ইমেইল লিখুন।
---------------------------------
৭টি মারাত্মক ভুল যা এড়িয়ে চলতে হবে (What NOT TO DO)
১. অপেশাদার ইমেইল আইডি
• ❌ [email protected]
• ✅ [email protected]
২. জেনেরিক কন্টেন্ট
•❌ "I want to study in your university because it's good"
•✅ "I am particularly interested in your MSc program due to its unique focus on marine biotechnology, which aligns perfectly with my research interests"
৩. অতিরিক্ত দীর্ঘ ইমেইল
• ১ পৃষ্ঠার বেশি নয়
• ৩-৪ প্যারাগ্রাফে শেষ করুন
৪. গ্রামার ও স্পেলিং ভুল
• গ্রামার ও স্পেলিং ভুল করা যাবে না। Grammarly বা Quillbot দিয়ে চেক করুন
• শিক্ষক বা সিনিয়রকে দিয়ে পড়িয়ে নিন
৫. অপ্রাসঙ্গিক তথ্য
•❌ আপনার স্কুল কলেজের রেজাল্ট (মাস্টার্স আবেদনের সময়)
•✅ রিলেভেন্ট রিসার্চ এক্সপেরিয়েন্স
৬. অতিরিক্ত আবেগী ভাষা
•❌ "I am very poor, please help me"
•✅ "I am highly motivated to pursue this opportunity despite financial constraints"
৭. একই ইমেইল সবাইকে পাঠানো
•❌ একই ইমেইল সবাইকে পাঠাবেন না
•✅ প্রতিটি ইমেইল কাস্টমাইজ করুন
Be mindful that-
✅ ইমেইল পাঠানোর সেরা সময়: সকাল ৮-১০টা (প্রফেসরের টাইমজোন মেনে)
✅ ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট থেকে প্রফেসরের নাম ডাবল চেক করুন
✅ ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি করুন কিন্তু প্রতিটা ইমেইল কাস্টমাইজ করুন
✅ প্রফেসরের ২-৩টি পেপার পড়ে উল্লেখ করুন
________________________________________
Email Template 1: Inquiry About PhD Supervision
Subject: Request for PhD Supervision Opportunity in [Specific Research Area]
Dear Professor [Last Name],
It is my privilege to introduce myself. I am a recent MSc graduate in [Your Field] from [Your University], where I completed my thesis titled "[Your Thesis Title]" under the supervision of [Advisor's Name]. My research focused on [Briefly describe your research focus, e.g., "nanomaterial-based sensors for environmental monitoring"], which aligns closely with your work on [specific topic from the professor’s research].
I have been following your publications, particularly your paper on [specific paper title] in [Journal Name], and I am deeply inspired by your contributions to [specific field]. Your innovative approach to [specific technique or finding] has motivated me to pursue doctoral research in this area.
I am writing to inquire about potential PhD opportunities in your lab for [specific intake, e.g., Fall 2025]. Below are highlights of my research experience and achievements:
• Developed [specific technique/tool] during my MSc, resulting in a publication in [Journal Name] (attached).
• Hands-on experience with [relevant techniques, e.g., electrochemical analysis, SEM, etc.].
• Awarded [any scholarships/awards, e.g., "Best Thesis Award" or "University Gold Medal"].
I have attached my CV, transcripts, and a sample publication for your review. I would be grateful for the opportunity to discuss how my skills and research interests align with your lab’s goals. Would you be available for a brief meeting or call at your convenience?
Thank you for your time and consideration. I look forward to your response.
Best regards,
[Your Full Name]
[Your Current Position/University]
[Email Address] | [LinkedIn Profile]
[Phone Number]
________________________________________
Email Template 2: Scholarship Application Follow-Up
Subject: Follow-Up: Application for [Scholarship Name] – [Your Name]
Dear [Dr./Professor Last Name],
I hope this email finds you well. I am writing to follow up on my previous communication regarding my application for the [Scholarship Name] to pursue [degree/program name] at [University Name]. As someone deeply inspired by your work on [specific research topic], I am eager to contribute to your lab’s ongoing projects, particularly [mention a specific project if known].
Below is a summary of my qualifications:
• Academic Excellence: CGPA of [X]/4.0 in [Your Degree] from [University], with coursework in [relevant subjects].
• Research Experience: [Briefly describe projects, e.g., "3 years of experience in nanoparticle synthesis, published in [Journal Name]"].
• Alignment with Your Lab: My skills in [specific techniques] and interest in [professor’s research focus] make me a strong candidate for your team.
I have attached my updated CV and a 1-page research proposal for your reference. If there are additional materials or steps required, please let me know. I would also appreciate any feedback to strengthen my application.
Thank you again for your time. I look forward to hearing from you.
Sincerely,
[Your Full Name]
[Your Institution]
[Email Address] | [LinkedIn Profile]
________________________________________
মনে রাখবেন: একটি ভালো ইমেইল আপনার জন্য সুযোগের দরজা খুলে দিতে পারে। একটু সময় নিয়ে সঠিকভাবে লিখুন, আপনার কঠোর পরিশ্রমের ফল আপনি পাবেনই, ইনশাআল্লাহ!
………………..
Dr-Ashiqur Rahman
দেশ থেকে কী শিখে বা জেনে গেলে পিএইচডি স্টাডি সহজ হবে?
১. অবশ্যই রিডিং স্কিল। স্বল্প সময়ে সামারাইজ করে কিভাবে পড়া যায় আয়ত্ত করেন। কারণ পিএইচডি কোর্সওয়ার্ক মানেই রিডিং এন্ড রিডিং।
২. একাডেমিক রাইটিং স্কিল। এটা মাস্ট। কোর্সওয়ার্ক এর অনেক রিটেন এসাইনমেন্ট থাকে। তাই নিজের সাবজেক্টের জার্নাল পেপার পড়ে ধারণা নিন।
৩. অবশ্যই কোয়ান্ট মেথড সফটওয়ার স্কিল। স্টাটা, আর স্টুডিও হলে চলবে। ব্যাসিক পরিসংখ্যান আর রিগ্রেশন অবধি ধারণা নিয়ে যান।
৪. প্রেজেন্টেশন স্কিল। গ্রুপ বা নিজের আলাদা নানা প্রেজেন্টেশন দেওয়া লাগে। শুদ্ধভাবে ইংরেজি স্পিকিং স্কিল গ্রো করতে চেষ্টা করেন।
৫. একাডেমিক প্রেশার মোকাবিলা করার মত মানসিকতা তৈরি করুন।
৬. নিজের সাবজেক্টের জার্নাল এর পেপার পড়ার অভ্যাস করুন।।আইডিয়া নিন। কিসের উপরে করা যায়। কোন মেথড এসব পেপারে ইউজ করা হয়েছে ধারনা নিন। সপ্তাহে দুইটি বা তিনটা পেপার পড়েন। অনেক কাজে লাগবে।
৭. পিএইচডির জন্য ডাটাসেট বের করা অত্যাবশ্যক যদি আপনি নিজে ডাটা কালেক্ট না করেন। এখন থেকে ডাটা নিয়ে আইডিয়া রাখেন।
IELTS Writing Task এ যে বিষয় গুলোর উপর ভিত্তি করে মার্কিং করা হয় :
Task Achievement (TA): কত সুন্দর করে উত্তর করা হয়েছে
Coherence and Cohesion (CC): কত সুন্দর করে স্ট্রাকচারালি লেখাটি ডেভেলপ করা হয়েছে
Lexical Resource (LR): শব্দভাণ্ডার তথা ভোক্যাবুলারি কতটা ভালোভাবে ব্যবহার করা হয়েছে
Grammatical Range and Accuracy (GRA): ব্যাকরণ কতটা সঠিক হয়েছে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Sylhet
3170