04/01/2025
ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিন ঘরে বসে হাতে থাকা ফোন দিয়ে।
#প্রতিনিধি পেমেন্ট থেকে খাজনা পেমেন্ট করে দাখিলা বের করে দেয়া যাবে ৫/১০ মিনিটে। যদি হোল্ডিং এন্ট্রি দেয়া থাকে।
যোগাযোগ 01876171365 হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার
27/07/2024
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ তুমি কখনও মনে করবে না যে, জালিমরা যা করে, সে বিষয়ে আল্লাহ্ গাফিল। তিনি তাদেরকে সে দিন পর্যন্ত অবকাশ দেন, যে দিন তাদের চোখগুলো হবে স্থীর, ভীত বিহবল চিত্তে আকাশের দিকে চেয়ে তারা ছুটাছুটি করবে, নিজেদের প্রতি তাদের দৃষ্টি ফিরবে না এবং তাদের অন্তর হবে শূণ্য (সূরা ইব্রাহীমঃ ৪২-৪৩)।
17/07/2024
◆ জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।
যা যা লাগবেঃ
১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
২) এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
৩) ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
৪) ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
৫) বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
৬)মোবাইল নাম্বার
৭) এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
৮) কর/খাজনার রশিদ
প্রথম কাজঃ
এইসবগুলা ডকুমেন্ট নিয়ে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।
দ্বিতীয় কাজঃ
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।
তৃতীয় কাজঃ এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।
পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট অফিসিয়াল খরচ হবে ১১৭০ টাকা।
25/06/2024
কিভাবে বুঝবেন আপনার জমির দলিল বৈধ কি না?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:
👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:
👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।
৩. আইনি পরামর্শ নিন:
👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।
৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।
৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:
👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?
দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন
👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।
👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?
৪) জমির অবস্থা
👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?
৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।
৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান
৮. দলিলের মালিকানা:
প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।
৯. দলিলের মিউটেশন:
প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।
১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।
১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:
প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।
উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।
#জমি #দলিল #পরামর্শ #জমি_মাপা
12/06/2024
ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।
ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র।
ডকুমেন্টস গুলো:
১)প্রথম,ওয়ারিশ সনদ পত্র।
২)দ্বিতীয়,পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল
৩)তৃতীয়,নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।
যেমন বিক্রেতা যে সুত্রে মালিক হলো, তার পূর্বের মালিক কোন সুত্রে মালিক তার দলিল খতিয়ান কপি যাচাই বাছাই করে নিবে।
এই তিনিটি ডকুমেন্ট জার কাছে না থাকবে তার দখলে থাকুক বা পারিবারিক মৌখিক বন্টন হউক আপনি ক্রয় করবেন না। অনেকেই মৃত পিতা মাতার নামের সম্পত্তি অন্যান্য ভাইবোন ওয়ারিশদের না জানিয়ে গোপনে বিক্রি করে দেয়,,,কেউ কেউ যতটুকু অংশ পাবে তার বেশি বিক্রি করে ফেলে,,, কেউ কেউ আছেন ভালো পজিশনের জমি বিক্রি করে দেন। কেউ কেউ আছেন ওয়ারিশদের অংশও বিক্রি করে ফেলেন। কেউ কেউ আছেন পারিবারিক মৌখিক ভাবে ভাগের অংশ বিক্রি করেন।
মৌখিক ভাগ কোনো দলিল নয়। মৌলিক বন্টনের কোনো মূল্য নেই। মৌখিক কথার দাম নেই। এক লোক দীর্ঘ বছর ধরে পারিবারিক মৌখিক ভাগ করা জমি ভোগদখল করে আসছে,,, জমিটার মূল্য অন্যান্য জমির ছেয়ে অনেক বেশি,,, বেশি দাম হওয়াতে তারই এক ভাই জমিটির অংশ দাবি করলো,,, সবাই যতই বলে মৌখিক ভাগের কথা, ভাই তা মানতে রাজি নয়,,, ভাই বোলতেছে মৌখিক ভাগ মানিনা, পুনরায় ভাগবন্টন করতে হবে।
তারা মৌখিক ভাগ না করে পারিবারিক বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করে নিলে ভাই কখোই দাবী করলে তা আইন সম্মত হতো না। তাই বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ওয়ারিশ সনদ, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল, জার আছে তার সম্পত্তিতে কখনোই কোনো ওয়ারিশ ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করতে পারবেনা। ওয়ারিশ সনদ পত্রটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক। বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল প্রমাণ করে যে প্রত্যেক ওয়ারিশের সম্মত্তিতে বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিল করা হয়। আবার দেখতে হবে ওয়ারিশ সনদ সঠিক কিনা, প্রত্যেক ওয়ারিশের নাম সঠিকভাবে উল্লেখ্য আছে কিনা,,, বন্টন নামা রেজিষ্ট্রেশন দলিলে প্রত্যেক ওয়ারিশের স্বাক্ষর নাম ঠিকানা সঠিক ভাবে উল্লেখ্য কিনা।
অনেকেই বোনের অংশ না দিয়ে, বিক্রি করে দেন, জিনি ক্রয় করেন সেই লোক বিপদে পড়ে। কারণ ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত ছিলো বিক্রেতা কোন সুত্রে সম্পত্তির মালিক, সেই সব ডোকোমেন্ট দেখা উচিত ছিলো। পৈতৃক সম্পত্তি হলে বা ওয়ারিশ সম্পত্তি হলে ক্রয়ের আগে ওয়ারিশ সনদ, রেজিষ্ট্রেশন করা বন্টন নামা দলিল,নামজারি খতিয়ান। এগুলো দেখা। এগুলো না দেখে ক্রয় করলে অন্যান্য ওয়ারিশরা অভিযোগ সালিস মামলা করলে জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হবেন।
#ভূমিসেবা #ভাগবন্টন #ভূমি #দলিল #জমিদারি #জমি_পরিমান
11/06/2024
জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন, এবং এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি বোঝা জরুরি। জমির দলিল হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই, জমি কেনার আগে দলিলটি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জমি কেনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ, এবং আইনি জটিলতা এড়াতে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:
👉নিশ্চিত করুন যে দলিলটি সঠিকভাবে সাব-রেজিস্ট্রারের দ্বারা স্বাক্ষরিত এবং সিল করা আছে।
👉দলিলের মূল কপিতে থাকা ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলে যাচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
👉দলিলের সকল পাতায় সঠিকভাবে স্ট্যাম্প লাগানো আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:
👉দলিলে উল্লেখিত মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সঠিক কিনা তা খতিয়ান, দাগ খতিয়ান, এবং সরকারি রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
👉দলিলে উল্লেখিত সাক্ষীদের নাম এবং ঠিকানা সঠিক কিনা তা যাচাই করুন।
৩. আইনি পরামর্শ নিন:
👉একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
👉আইনজীবী দলিলের সকল দিক বিশ্লেষণ করে আপনাকে দলিলটি বৈধ কিনা তা জানাতে পারবেন।
৪. অনলাইন মাধ্যম ব্যবহার করুন:
👉সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
👉কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সার্ভিস প্রদান করে।
৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:
👉দলিলের বৈধতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে দলিলটি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন।
অসৎ ব্যক্তিদের প্রতারণার শিকার হতে সাবধান থাকুন।
👉জমি কেনার আগে জমির দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে আপনি একটি জমির দলিল বৈধ কিনা তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
জমির দলিল বৈধ কিনা তা বোঝার জন্য কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
১) দলিলে কি সকল প্রয়োজনীয় তথ্য আছে?
দলিলে জমির মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
,👉দলিলের সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা?
👉দলিলের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন
👉দলিলে সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে কিনা?
👉দলিলটি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে কিনা?
রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও তারিখ স্পষ্টভাবে আছে কিনা?
৩) দলিলের মালিকানার ধরণ।
👉দলিলের মাধ্যমে মালিকানা কিভাবে অর্জিত হয়েছে (উত্তরাধিকার, ক্রয়, বিনিময়, দান ইত্যাদি)?
👉মালিকানার ধরণ কি (মালিকানা, দখল, ভাগচাষ ইত্যাদি)?
👉মালিকানার কোনো শর্ত বা বাধা আছে কিনা?
৪) জমির অবস্থা
👉জমি কি বাস্তবে বিদ্যমান?
👉জমির মালিকানা বিতর্কমুক্ত কিনা?
👉জমির উপর কোনো ঋণ বা বন্ধক আছে কিনা?
৫) আইনি পরামর্শ
জমির দলিল বৈধ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৬. দলিলের বয়স:
প্রশ্ন: কত বছরের পুরোনো দলিল বৈধ?
উত্তর: দলিলের বয়সের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। তবে, 1976 সালের আগের দলিলগুলো "পুরাতন দলিল" হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বৈধতা যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই প্রয়োজন হতে পারে।
৭. দলিলের ধরন:
প্রশ্ন: কত ধরণের জমির দলিল আছে?
উত্তর: বাংলাদেশে 4 ধরণের জমির দলিল আছে:
°দাগ নম্বর খতিয়ান
°মৌজা খতিয়ান
°সিএস খতিয়ান
°আরএস খতিয়ান
৮. দলিলের মালিকানা:
প্রশ্ন: দলিলে একাধিক মালিকের নাম থাকলে কী করবেন?
উত্তর: সকল মালিকের সম্মতি ছাড়া জমি বিক্রি করা যাবে না। মালিকানা পরিবর্তনের জন্য সকলের স্বাক্ষর এবং সম্মতি প্রয়োজন।
৯. দলিলের মিউটেশন:
প্রশ্ন: মিউটেশন কী?
উত্তর: মিউটেশন হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের নথিভুক্তি প্রক্রিয়া। নতুন মালিকের নাম খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন করা আবশ্যক।
১০. দলিলের জালিয়াতি:
প্রশ্ন: জাল দলিলের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?
উত্তর: জাল দলিলে ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, মিথ্যা স্বাক্ষর, এবং অসঙ্গতিপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।
১১. দলিল যাচাই:
প্রশ্ন: জমির দলিল যাচাই করার সর্বোত্তম উপায় কী?
উত্তর: সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিলের মূল কপি এবং খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
ভূমি অফিস: আপনি যেখানে জমি অবস্থিত সেখানকার ভূমি অফিসে গিয়ে দলিলের তথ্য অনলাইনে যাচাই করতে পারেন।
আইনজীবীর পরামর্শ: একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
১২. দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা:
প্রশ্ন: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য কী করবেন?
উত্তর: জমির দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা উচিত।
উল্লেখ্য: এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ ধারণার জন্য। জমির দলিলের বৈধতা যাচাই করার।
08/06/2024
খাস জমি হচ্ছে সরকারি জমি। কিছু শর্তসাপেক্ষে বন্দোবস্তির আবেদন করে বন্দোবস্তি পেলে খাস জমি কোন ব্যক্তির নামে রেকর্ড করা যায়।আমরা জানব, খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম ও শর্তাবলী সম্পর্কে।
আব্দুল্লাহ ল্যান্ড সার্ভিস এন্ড কনসালটেন্ট।
খাস জমি হলো বাংলাদেশের সরকার কতৃক নিয়ন্ত্রিত বা মালিকানাধীন ভূমি যা সাধারণ জনগণের ব্যবহারের অনুমতি নেই। বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আবেদনের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি খাস জমি রেকর্ড করতে পারবেন। কোনগুলো খাস জমি তা জানার কিছু উপায় রয়েছে, দেখুন- খাস জমি চেনার উপায়।
ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্র।
আজকের আলোচনায় আমরা খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।
খাস জমি রেকর্ড কি?
বাংলাদেশে খাস জমি রেকর্ড বলতে বুঝায় সরকার নিয়ন্ত্রিত বা মালিকানাধীন ভূমি গুলোর তথ্য রেকর্ড করা এবং সরকারি দলিল বা রেজিস্ট্রার করা।
খাস জমি হলো সরকারি ভূমি যা কোনো ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বা কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যেমন কৃষি, আবাসিক, বাণিজ্য ইত্যাদি ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত নয়। বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয় বা স্থানীয় ভূমি অফিসে খাস জমির রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।
স্মার্ট ভূমিসেবা।
কেউ যদি এই খাস জমি ব্যবহার করতে চায় বা রেকর্ড করে নিতে চায় সরাসরি তা সম্ভব নয়। তবে শর্ত মেনে বন্দোবস্তি পাওয়ার আবেদন করার পর যদি বন্দোবস্তি দেয়া হয়, তখনি জমির মালিক হিসেবে তা নিজ নামে রেকর্ড করা যাবে।
এই ধরনের জমির মালিকানা, শ্রেনীবিন্যাস, উন্নয়ন, পরিকল্পনা ইত্যাদির জন্য খাস জমির রেকর্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
খাস জমি রেকর্ড করার প্রক্রিয়া
খাস জমি সরসরি কেউ নিজ নামে রেকর্ড করাতে পারেন না। এই ধরণের খাস জমি বন্দোবস্তির পাওয়ার আবেদন করতে হয় এবং আবেদন করা এবং বন্দোবস্তি পাওয়া পর্যন্ত বেশ কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।
ধরা যাক, আপনার এলাকায় বা স্থানীয় কোনো সরকারি মালিকানাধীন ভূমি বা খাস জমি আছে যা আপনি নিজের নামে রেকর্ড করতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সরকার প্রদত্ত বিশেষ কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।
চলুন খাস জমি রেকর্ড করার নিয়ম সম্পর্কে ধাপে ধাপে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
ধাপ ১: খাস জমি কিনা তা নিশ্চিতকরণ?
আপনি যেই জমি বন্দোবস্ত নিতে চান বা রেকর্ড করতে চান তা খাস জমি কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় বা সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসে যোগাযোগ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত জমিটি খাস জমি কিনা তা আগে নিশ্চিত করা উচিত।
এছাড়া জমি সরকারি বা খাস হলে তার কাগজপত্র, বিভিন্ন ধরনের তথ্য, মালিকানা এইসব বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে।
ধাপ ২: বন্দোবস্তি পাওয়ার আবেদন
আপনি যেই খাস জমিটি নিজের জন্য রেকর্ড করতে চান তা শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে আপনাকে একটি আবেদন বা দরখাস্ত প্রদান করতে হবে। উক্ত খাস জমির যাবতীয় তথ্য ও বিবরণ দিয়ে তা রেকর্ড করার আবেদন জানিয়ে প্রথমেই ভূমি অফিসে দরখাস্ত দিতে হবে।
ধাপ ৩: খাস জমি যাচাইকরণ
আপনার করা আবেদনটি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ পর্যালোচনা এবং মালিকানা নিশ্চিত করার মাধ্যমে যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলবে। এক্ষেত্রে ভূমি অফিসের কতৃপক্ষ জমি পরিদর্শন, জমির বিভিন্ন ডকুমেন্ট যাচাই এবং খাস জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের তথ্য যাচাই করা হবে।
ধাপ ৪: নোটিশ প্রকাশ
আপনার আবেদন এবং জমি পর্যবেক্ষনের পর একটি নোটিশ প্রকাশ করা হবে। উক্ত সরকারি জমি বা খাস জমি আপনার নামে রেকর্ড করার নোটিশ প্রকাশ হলে তাতে স্থানীয় জনগণের কোনো ধরনের আপত্তি থাকলে তা তারা জানাতে পারবে।
ধাপ ৫: রেকর্ড ইস্যু করা
একবার যাচাইকরণ এবং স্থানীয়দের আপত্তি থাকলে তা সমাধান করার পর যদি আর কোনো বিরোধ না থাকে তবে কর্তৃপক্ষ খাস জমির জন্য একটি রেকর্ড ইস্যু করবে। জমির রেকর্ড করা হলে তার মর্ম এই হবে যে আপনি জমি বন্দোবস্ত নিতে চেয়েছেন এবং সরকার কর্তৃক উক্ত খাস জমি আপনাকে বন্দোবস্ত হিসেবে দেয়া হয়েছে।
খাস জমি দখল আইন?
সরকারি এই খাস জমিগুলো জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নয়। তবে অনুমতি ছাড়া অনেকেই বিভিন্ন স্থানীয় খাস জমি অবৈধ ভাবে দখল করে সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান করে। বাংলাদেশ সরকারের খাস জমি আইন অনুযায়ী অবৈধ ভাবে সরকারি ভূমি দখল করে ব্যবহার করলে ১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে অথবা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
মনে রাখতে হবে প্রায় ৩০ বছর পর পর সরকারি ভাবে খাস জমি রেকর্ড করা হয়।
#খাস #জমি #মালিকানা #সরকার #খাজনা #ভাইরালছবি ゚viralシ
19/05/2024
১৯ মে ২০২৪
০১ দিনে ১৭ টা দাখিলা কেটে দিলাম প্রতিনিধি পেমেন্ট অপশন থেকে।
আপনাদের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।
পেমেন্ট সিস্টেম এডভান্স অথবা এডভান্স ছাড়াও কাজ করতে পারবেন।
ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিন ঘরে বসে হাতে থাকা ফোন দিয়ে।
সার্ভিস সমূহঃ
প্রতিনিধি পেমেন্ট থেকে একদিনেই খাজনা পেমেন্ট করে দাখিলা বের করে দেয়া যাবে। যদি হোল্ডিং এন্ট্রি দেয়া থাকে।
খাজনা অতিরিক্ত আসলে আপত্তি দিয়ে সমন্নয় করিয়ে দেয়া যাবে।
অনেকেই ব্যাস্ততার কারনে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে হোল্ডিং অনুমোদন করতে পারতেছেন না।
ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) হোল্ডিং এপ্রুভ/অনুমোদন করায়ে দেওয়া যাবে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে।
এন আইডি নিবন্ধন করতে ইতিমধ্যে নিবন্ধিত দেখায় সেইটার সমধান।
যেকোনো জেলার সর্বশেষ জরিপের ডিপি খতিয়ান তুলা যাবে।
ঢাকা ও নেত্রকোনা জেলার সকল খতিয়ান তুলা যাবে।
আব্দুল্লাহ ল্যান্ড সার্ভিস এন্ড কনসালটেন্ট।
সার্ভিস সমূহঃ-
ই নামজারি আবেদন।
ই খতিয়ান উত্তোলন।
মৌজা ম্যাপ উত্তোলন।
ভূমি উন্নয়ন কর সার্ভিস।
এনআইডি/স্মার্ট কার্ড উত্তোল।।
উল্লেখিত সার্ভিস সারাদেশে দিয়ে থাকি।
যেকোনো সার্ভিস নিতে হোয়াটসাপে যোগাযোগ করবেন 01876-171365
14/05/2024
🔰পুরাতন দলিল বের করুন খুব সহজে নিজের মোবাইল দিয়ে।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো সালের যে কোনো দলিল খুজে বের করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো (পুরাতন দলিল তল্লাশি)। এর আগে আমাদের জানা দরকার যে,এই পুরাতন দলিল কাদের কাদের প্রয়োজন? অনেকেই আছেন, যে, তারা এই পুরাতন দলিল খুজে পাচ্ছে না। যার জন্য অনেক কাজ কর্ম সমাধান করতে পারছে না। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে, যারা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলে গেছে। তাদের সম্পত্তি গুলো তাদের দখলে নেই। বা তাদের কাছে কোনো প্রমাণ বা দলিল নেই। অথবা এই জমি গুলো খুজে বের করতে পারছেন না। তাদের জন্য এই ছোট বিজ্ঞাপন টি গুরুত্বপূর্ণ।
জমি জমার বিষয় টি এমন ও হতে পারে। যাদের মামার বাড়ির বা নানার বাড়ির সম্পত্তির ওয়ারিশ হিসেবে প্রাপ্ত জমি বুঝাইয়া না দিলে বা কোনো কাগজপত্র না দিলে আপনি কখনো জমি বের করতে পারবেন না। আর বিক্রি ও করতে পারবেন না। আর যদি আপনি জমির দলিল খুজে বের করতে পারেন, তাহলে আপনি ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দিয়ে ও জমি বিক্রি করতে পারবেন।
তবে বন্টননামা যে ১০০% কার্যকর হইছে তা কিন্তু নয়। বন্টননামা ছাড়াও আপনার দলিল থাকলেই ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দিয়ে ও জমি বিক্রি করতে পারবেন। মেইন দলিলের যে ক্ষমতা, ঠিক অবিকল নকল বা সার্টিফাইড কপি দলিলে ও ঠিক একই ক্ষমতা। আপনার আসল দলিল যদি না থাকে তাহলে অবিকল নকল বা সার্টিফাইড কপি দলিল তুলে কাজ করতে পারবেন।
যদি কোনো কারনে যদি মনে হয় যে,আপনার ওয়ারিশানদের কোনো জায়গায় কোনো সম্পত্তি আছে। কিন্তু দলিলে অভাবে আপনি দখল করতে বা মামলা মোকদ্দমা করতে পারছেন না। বা মামলা মোকদ্দমায় না দিয়ে ও সমস্যা সমাধান করতে পারেন। সেটা শালিশী বৈঠকে বা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমেই হোক। অথবা কম দামে অন্য কারো কাছে বিক্রি করে। তবে সর্বপ্রথম দলিল খুজে বের করতে হবে।
পুরাতন দলিল কিভাবে খুঁজে বের করবে??
প্রথম যে বিষয়টি হলো, আপনার সামান্য কোনো প্রমাণ আছে। এটার একটি পদ্ধতি। আর কোনো প্রমাণ ই যদি না থাকে। সেটার আর একটি পদ্ধতি।
আপনার কাছে সামান্য প্রমান আছে, আর সেটা হলো, আপনি দাতা বা গ্রহীতার নাম জানেন। মানে কে কাকে জমি দিয়েছে। আপনার বাবাকে আপনার দাদা হেবা দলিল করে দিয়েছিলো বা আপনার মা কে আপনার নানা হেবা দলিল করে দিয়ে ছিলো। দাতা, গ্রহীতার নাম জানেন এবং আনুমানিক সাল জানেন। সেই অনুযায়ী আপনার পরিশ্রম টা কমে আসবে। তখন আপনি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন। সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পাওয়া না গেলে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন। এবং যারা দলিল তল্লাশি কারক যারা আছেন। তাদের কাছে যাবেন এবং বলবেন যে,দাতার নাম,গ্রহীতার নাম এবং আনুমানিক সাল, এবং মৌজার নাম বললে খজে দেখিবেন। তাছাড়া ও আপনার যদি দলিল নাম্বার থাকে তাহলে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।
আর সবচেয়ে কঠিন পদ্ধতি যেটা, যে আমি কিছুই জানি না। তাহলে আমি কি করে বের করি। তাহলে আপনি মৌজা টা অবশ্যই চিনেন বা কোনো মৌজায় জমি আছে। অথবা কোনো ভাবে জানেন যে কোথায় জমি পাবেন। কোথায় কোথায় জমি পাবেন তা না জানলেও আপনার পূর্বের দাতার জমি গুলো কোথায় কোথায় আছে যেটা অবশ্যই জানেন। বা জমি না চিনলে ঐ এলাকার স্থানীয় দের নিকট থেকে জেনে নিবেন। এবং ঐ জমিতে যাবেন। এবং পাশের জমির মালিক কে বলবেন যে, এই জমির দাগ নাম্বার কত অথবা ঐ এলাকার একজন স্থানীয় সার্ভেয়ার বা আমিন কে নিয়ে যাবে। এবং বলবেন যে এই জমির দাগ নাম্বার কত। আর এই দাগ নাম্বার টি নিয়ে আপনি আপনার ইউনিয়ন তৌসিল অফিসে যাবেন বা শহর হলে পৌর ভূমি অফিস বা সার্কেল অফিস থাকেন সেখানে যাবেন। নিকটস্থ যেখানে সেখানে যাবেন।
এবং জানার জন্য বলবেন যে, এই দাগ নাম্বারে জমি আমার বাবার নামে বা মায়ের নামে হেবা দলিল হয়েছিলো কি না। বা আমার বাবার নামে খারিজ আছে কি না বা আমার মায়ের নামে খারিজ আছে কি না। অথবা এই জমি টা কার কাছে আসলো কিভাবে আসলো বা কে কিভাবে মালিক হলো এটার ও একটা প্রমান থাকে ভূমি অফিসে। রেজিস্ট্রি অফিসে খারিজ হলে দলিল নাম্বার লেখা থাকে। হেবা দলিল হলে ও খারিজে দলিল নাম্বার লিখা হয়ে থাকে। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ভাবে দলিল নাম্বার সহ জমির প্রমাণ ভূমি তৌসিল অফিসে সংরক্ষিত থাকে।
একটি দলিল খুজে বের করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে। এরপর ও চেষ্টা করে দলিল নাম্বার টা বের করবেন। যদি দলিল নাম্বার পেয়ে যান,তাহলে তো খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। দলিল নাম্বার না পাইলে,জমির দাগ নাম্বার এবং মৌজা এবং আনুমানিক সাল অনুযায়ী সাব রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি করে দেখতে পারেন। তবে তল্লাশি করতে আপনাকে খরচ করতে হবে। যত বেশি সাল অনুযায়ী দেখবেন তত বেশি খরচ হবে। আপনার আনুমানিক সাল অনুযায়ী তল্লাশি দিবেন তাহলে পেয়ে যাবেন, যদি রেকর্ড থাকে। এরপর যদি দেখা যায় যে, দলিল নেই বা দলিলে নেই। আপনি রেকর্ড মূলে মালিক।
তাহলে আপনাকে রেকর্ড তুলতে হবে। আপনার বাবা বা দাদার পূর্ব পুরুষের জমি যদি বেচা কেনা না হয়। ওয়ারিশ মূলে মালিক হয়ে থাকে তাহলে দলিল থাকবে না। তাহলে রেকর্ড মুলে মালিক হবেন। তখন সিএস খতিয়ান, আরএস খতিয়ান, এসএ খতিয়ান থাকবে। তখন দাগ নাম্বার দিয়েই রেকর্ড রের করতে পারবেন। খতিয়ান রের করাও খুব সহজ, আপনি চাইলে অনলাইন থেকে আবেদন করে সার্টিফাইড কপি নিতে পারেন।
#ভূমিসেবা #নতুনআইন #ভাগবন্টন #ওয়ারিশসম্পত্তি #ওয়ারিশ #নামজারী #দলিল
13/05/2024
ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) দিন ঘরে বসে হাতে থাকা ফোন দিয়ে।
সার্ভিস সমূহ
প্রতিনিধি পেমেন্ট থেকে একদিনেই খাজনা পেমেন্ট করে দাখিলা বের করে দেয়া যাবে। যদি হোল্ডিং এন্ট্রি দেয়া থাকে।
খাজনা অতিরিক্ত আসলে আপত্তি দিয়ে সমন্নয় করিয়ে দেয়া।
অনেকেই ব্যাস্ততার কারনে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে হোল্ডিং অনুমোদন করতে পারতেছেন না।
ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) হোল্ডিং এপ্রুভ/অনুমোদন করায়ে দেওয়া যাবে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে।
এন আইডি নিবন্ধন করতে ইতিমধ্যে নিবন্ধিত দেখায় সেইটার সমধান।
যেকোনো জেলার সর্বশেষ জরিপের ডিপি খতিয়ান তুলা যাবে।
ঢাকা নেত্রকোণা জেলার সকল খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি তুলে দেয়া যাবে।
যোগাযোগ 01876171365 হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার
07/05/2024
পাঁচ জেলার ভূমি জরিপ ৬১ জেলার টাকায়!
ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপের জন্য ২০২০ সালে একটি প্রকল্পের কাজ শুরু করে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অধিদপ্তর। এরপর সাড়ে তিন বছরেও শুরু হয়নি সেই কাজ। এ কারণে ‘ডিজিটাল জরিপ পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়। তবে সম্ভাব্যতা যাচাই না করেই প্রকল্প গ্রহণ এবং হতাশাজনক অগ্রগতির কারণে গত ডিসেম্বরে প্রকল্পটি সমাপ্ত ঘোষণা করে সম্পূর্ণ নতুন প্রস্তাব পাঠাতে বলে পরিকল্পনা কমিশন।
কিন্তু নতুন প্রকল্প গ্রহণের পরিবর্তে প্রকল্পটি সংশোধনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার আবদার করে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অধিদপ্তর। পরবর্তী সময়ে সংশোধনী প্রস্তাব যাচাই-বাছাই শুরু করে পরিকল্পনা কমিশন। এতে দেখা যায়, মূল প্রকল্পে ৬১টি জেলায় জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার কথা থাকলেও সংশোধিত প্রস্তাবের আওতায় জেলার সংখ্যা মাত্র পাঁচ। কিন্তু মূল প্রকল্পে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ ছিল, নতুন প্রস্তাবে চাওয়া হয়েছে প্রায় পুরোটাই। অর্থাৎ সংশোধিত প্রস্তাবে জরিপ কাজের পরিধি অনেক কমে গেলেও টাকার পরিমাণ না কমানোর ‘মামাবাড়ির আবদার’ করেছে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অধিদপ্তর।
ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অধিদপ্তরের সংশোধনী প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মূল প্রকল্পটি ১ হাজার ২১২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচ বছর মেয়াদে ২০২০ সালে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। মূল প্রকল্পে ৬১ জেলার ৪৭০টি উপজেলায় ২ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৯টি জিওডেটিক কন্ট্রোল পিলার স্থাপনসহ পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ১৪টি উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ভূমি জরিপ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সংশোধনী প্রস্তাবে পিলার স্থাপন বাদ দিয়ে নতুন করে ১৮টি উপজেলাসহ পাঁচটি জেলার ৩২ উপজেলা প্রকল্প এলাকা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। এতে ৫৬ জেলার ৪৩৮টি উপজেলা বাদ গেলেও ব্যয় কমানো হয়েছে মাত্র ১৭ কোটি ৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রায় একই টাকায় ৬১ জেলার পরিবর্তে পাঁচ জেলার জরিপ কাজ হবে। প্রকল্প এলাকার পরিধি কমলেও সে তুলনায় ব্যয় না কমায় প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড অধিদপ্তরের যুক্তি, প্রকল্প এলাকার পরিধি কমলেও কাজের পরিধি বেড়েছে। আগে ৬১ জেলায় ৪৭০টি উপজেলায় পিলার স্থাপন এবং ১৪টি উপজেলায় জরিপ কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু সেটা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পিলার স্থাপন বাদ দিয়ে আগের ১৪টি উপজেলাসহ নতুন করে ১৮টি যুক্ত করে পাঁচ জেলার ৩২টি উপজেলায় পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল জরিপ কাজ করা হবে।
অনুমোদিত প্রকল্প এবং সংশোধিত প্রকল্পের ব্যয়ের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১৯৮টি খাতের ক্রয় প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশোধনী প্রস্তাবে এসব খাতের মধ্যে আসবাপত্র এবং কম্পিউটার সামগ্রী কিনতে আকশচুম্বি ব্যয় দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণেও দ্বিগুণ অর্থ প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রচার ও বিজ্ঞাপন, আপ্যায়ন এবং বিদেশ প্রশিক্ষণের নামেও অত্যধিক ব্যয় ধরা হয়েছে।
ব্যয় পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মূল ডিপিপিতে প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয় ১০ লাখ টাকা ধরা হলেও সংশোধনীতে ৮৪ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ এই এক খাতেই ৭৪ লাখ টাকা বেশি প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া মূল ডিপিপিতে চারজনের আপ্যায়ন ভাতা ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। কিন্তু সংশোধনী প্রস্তাবে একজনের আপ্যায়ন ভাতা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ আরডিপিপিতে তিনজন কমলেও ব্যয় কমেছে মাত্র ৩৬ হাজার টাকা।
সংশোধনী প্রস্তাবে এরিয়াল ফটোগ্রাফিক ওয়ার্ক স্টেশন খাতে খরচ ধরা হয়েছে ৩৫ লাখ, যা আগে ছিল ৬ লাখ টাকা। কোর রাউটার প্রতিপিস ৭০ লাখ টাকা ধরা হয়েছে, অথচ মূল ডিপিপিতে প্রতিটির দাম ধরা ছিল ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, কোর সুইচ প্রতিটি ২০ লাখ টাকা ধরা হয়েছে, যা মূল ডিপিপিতে ছিল প্রতিটি ৬৭ হাজার টাকা। কোর ফায়ারওয়াল প্রতিটি ৯০ লাখ টাকা ধরা হয়েছে, যা আগে ছিল সাড়ে ১২ লাখ টাকা।
এ ছাড়া প্রতিটি জিপিএস সিস্টেমের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৫ লাখ টাকা, অথচ মূল ডিপিপিতে প্রতিটির দাম ধরা ছিল ৫৫ লাখ টাকা, সংশোধনীতে প্রতিসেট টোটাল স্টেশন ও অন্যান্য যন্ত্রণাংশ খাতে খরচ ১৫ লাখ টাকা, আগে ছিল প্রতিসেট ৯ লাখ টাকা। মূল ডিপিপি যে ডিএলএসএস খাতে খরচ ধরা হয়েছিল ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, সেই একই খাতে সংশোধনী প্রস্তাবে ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওয়ার্ক স্টেশনের জন্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি একেকটি কম্পিউটারের দাম ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ লাখ টাকা, অথচ মূল ডিপিপিতে প্রতিটির দাম ধরা ছিল ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা। প্রতিটি সাধারণ কম্পিউটারের দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ টাকা, মুল ডিপিপিতে ছিল ৮০ হাজার টাকা। ল্যাপটপের দাম ধরা হয়েছে প্রতিটি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। মূল ডিপিপিতে না থাকলেও একেকটি ১ লাখ টাকা ধরে ৬টি মিনি ট্যাব কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
মূল ডিপিপি যে সেক্রেটারিয়াল টেবিলের দাম ধরা হয়েছিল ২৫ হাজার টাকা, সংশোধনীতে তার দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রতিটি হাফ সেক্রেটারিয়াল টেবিলের দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ টাকা। ২০ হাজার টাকার প্রতিটি এক্সিকিউটিভ টেবিল ধরা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা। ১২ হাজার টাকার এক্সিকিউটিভ চেয়ার ধরা হয়েছে ৩৭ হাজার টাকা। ২ হাজার টাকার সাধারণ টেবিলের দাম ২০ হাজার টাকা এবং ৮ হাজার টাকার সাধারণ চেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। মূল ডিপিপির ৩০ হাজার টাকার লকারের দাম নতুন প্রস্তাবে ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। একইভাবে ১০ হাজার টাকার প্রিন্টার টেবিলের দাম প্রস্তাব করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।
জানা গেছে, ভূমি অধিদপ্তরের সংশোধনী প্রস্তাবের বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাবের বিষয়টি পরিকল্পনা কমিশনের পর্যবেক্ষণেও উঠে এসেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংশোধনী প্রস্তাবটির ওপর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় এসব বিষয় উত্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া নিজস্ব জনবলের পরিবর্তে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জরিপ কাজের যৌক্তিকতা এবং কাজ কমলেও বিভিন্ন অঙ্গের পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ‘আলোচ্য প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাবে অফিস ভাড়া, পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট, আসবাবপত্র, কম্পিউটার খাতগুলোর ব্যয় অত্যাধিক প্রতীয়মান হয়। এ সব অঙ্গগুলোর ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে হ্রাস করা যেতে পারে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকা কমানো হলেও আসবাবপত্রের সংখ্যা ও ব্যয় বেড়েছে। এসব অঙ্গের পরিমাণ ও ব্যয় আনুপাতিক হারে কমানো প্রয়োজন।’
জানতে চাওয়া হলে পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান মো. ছায়েদুজ্জামান কালবেলাকে বলেন, ‘ভূমি জরিপ প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করে সংশোধনী প্রস্তাব করেছে। এখনো এটি যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে।’
অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দাম যাচাই করার কাজ আমাদের নয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের। তার পরও যাচাই-বাছাই করে কোনো প্রস্তাব অতিরিক্ত প্রতীয়মান হলে বা কোনো অসংগতি থাকলে সংশোধন করতে বলা হবে।’
প্রকল্পটির পরিচালক হিসেবে সম্প্রতি দায়িত্ব পেয়েছেন মোহম্মদ আশরাফুল ইসলাম। প্রকল্প এলাকা পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মূল ডিপিপির তুলনায় এলাকা কমলেও কাজের পরিধি কমেনি। বরং জরিপ কাজের পরিধি বেড়েছে। এ ছাড়া এখন সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার জানা মতে, বাজার দর অনুযায়ী ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি সংশোধনের প্রস্তাব এখনো অনুমোদন হয়নি। আরও কয়েকটি মিটিং হবে। সেসব মিটিংয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে যাচাই-বাছাই করে যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা হবে।’