02/07/2025
✈️ বিদেশ থেকে বাংলাদেশে পণ্য আনার নতুন ব্যাগেজ নীতি ২০২৫
বাংলাদেশ কাস্টমসের নতুন ব্যাগেজ রুল অনুযায়ী যাত্রীরা এখন আগের চেয়ে সহজ শর্তে এবং কম শুল্কে ব্যক্তিগত পণ্য আনতে পারবেন।
📱 মোবাইল ফোন
-ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ২টি মোবাইল ফোন আনা যাবে
-এর বাইরে ১টি নতুন মোবাইল শুল্ক ছাড়াই আনার অনুমতি
🪙 স্বর্ণালঙ্কার ও স্বর্ণের বার
-বছরে ১বার ১০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার শুল্কমুক্ত আনতে পারবেন
-স্বর্ণের বার আনার ক্ষেত্রে ১১৭ গ্রাম পর্যন্ত অনুমোদিত, যেখানে প্রতি ভরিতে ৫,০০০ টাকা শুল্ক প্রযোজ্য
🛄 ব্যাগেজ সুবিধা
-১২ বছরের বেশি বয়সী যাত্রী: ৬৫ কেজি পর্যন্ত ব্যাগেজ বিনা শুল্কে
-১২ বছরের কম বয়সী যাত্রী: ৪০ কেজি পর্যন্ত ব্যাগেজ বিনা শুল্কে
✅ শুল্কমুক্ত আনার অনুমতি (১৯ ধরনের পণ্য)
📱 ২টি ব্যবহৃত + ১টি নতুন মোবাইল ফোন
📺 ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত টিভি
💻 ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, প্রিন্টার, স্ক্যানার
📹 ভিডিও/ডিজিটাল ক্যামেরা
🍚 কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স (রাইস কুকার, গ্যাস ওভেন, কফি মেকার)
🎰 সেলাই মেশিন, ফ্যান, খেলাধুলার সরঞ্জাম
🏅 ১০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনার গয়না
🎛️ মিউজিক সিস্টেম
🚬 এক কার্টন সিগারেট
🛏️ ৫ বর্গমিটার আয়তনের কার্পেট
💰 শুল্ক দিয়ে আনার সুযোগ (১১ ধরনের পণ্য)
- ১১৭ গ্রাম পর্যন্ত সোনার বার (প্রতি ভরিতে শুল্ক ৫,০০০ টাকা)
- ৩০ ইঞ্চির বেশি টিভি, হোম থিয়েটার
- ফ্রিজ, ডিপ ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার
- ঝাড়বাতি, এইচডি ক্যামেরা, ডিশ অ্যান্টেনা
- ওয়াশিং মেশিন, ডিশওয়াশার, কাপড় শুকানোর মেশিন
- ২৩৪ গ্রাম পর্যন্ত রুপার বার
⚠️ বিশেষ তথ্য
পূর্বে যাত্রীরা যতবার খুশি ১০০ গ্রাম স্বর্ণ আনতে পারতেন, কিন্তু ২০২৫ সাল থেকে বছরে মাত্র একবার এই সুযোগ থাকবে।
_ট্রাভেলারদের স্বার্থে শেয়ার করুন✈️
02/10/2024
২০ হাজার পাসপোর্ট ফেরত দিলো ভারতীয় হাইকমিশন
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশির পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছে। ভিসার জন্য বিক্ষোভ ও হুমকির জেরে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সোমবার ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোর বেশিরভাগ বন্ধ রয়েছে। ফলে হতাশাগ্রস্ত অনেক আবেদনকারী হাইকমিশনে ইমেইল করছেন। এমনকি ইমেইলে ভাঙচুরের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে সীমিত পরিসরে জরুরি আবেদনগুলো প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে। এছাড়া কিছু ব্যতিক্রম আবেদনও প্রক্রিয়াকরণ হচ্ছে। এগুলো হলো মেডিকেল ইমার্জেন্সি, স্টুডেন্ট ভিসা এবং তৃতীয় দেশে ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় ডাবল-এনট্রি ভিসা। তবে উভয় দেশের সরকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
30/09/2024
#বিমান #ঢাকা_টরন্টো_ঢাকা
#ঢাকা_টরন্টো_ঢাকা_রুটে_বিশেষ_ছাড়
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে ৩১ শে অক্টোবর থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত একটি ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি যোগ করা হয়েছে।
ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে বর্তমানে মঙ্গল ও শনিবার বিমানের একটি করে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। ওই দিন থেকে ঢাকা-টরন্টো-ঢাকা রুটে সপ্তাহে প্রতি শনি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার তিনটি ফ্লাইট চলবে।
এছাড়া বৃহস্পতিবারের ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য বিশেষ ছাড় প্রদান করা হচ্ছে।
08/04/2024
আলহামদুলিল্লাহ ৩০ রোজা ❤️
সৌদি আরবের পবিত্র ঈদ ১০ এপ্রিল ২০২৪
21/03/2024
‼️ সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি ⚠️
12/03/2024
রমজান হোক আপনার এবং আপনার প্রিয়জনদের জন্য শান্তি এবং আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধির মাস।
রমজান মোবারক!
27/01/2024
#ইউএসট্রাভেলডকস
নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা!
আপনি রেডি তো? চলুন আমরা আপনার ভিসা আবেদন করার কাজটি সহজ করে দেই!🚀🛫 #ভিসাআবেদনটিপস
📅ডিএস-১৬০ অনলাইন আবেদনপত্রটি আপনার সাক্ষাৎকার/ইন্টারভিউ তারিখের এক সপ্তাহ আগে থেকে এক বছরের মধ্যে জমা দিন কিংবা হালনাগাদ (আপডেট) করুন!
💻ডিএস-১৬০ আবেদনপত্রটি এক বছর আগে পূরণ করেছেন, তাহলে এখন কী উপায়? এক্ষেত্রে যা করতে হবে:
১. আপনার ইন্টারভিউয়ের এক সপ্তাহেরও বেশি আগে আবেদনপত্রটি অনলাইনে পুনরায় জমা দিন।
২. আপনার যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের তথ্যাদি #ইউএসট্রাভেলডকস নতুন ডিএস-১৬০ কনফার্মেশন নম্বর দিয়ে পূরণ করে হালনাগাদ (আপডেট) করুন।
📌আপনার পূরণকৃত ডিএস-১৬০ আবেদনপত্রটি এক বছরের কম সময়ের পুরনো হলে আর কোন চিন্তা নেই! আমরা না বললে এই ফর্ম নিয়ে আপনাকে আর কিছুই করতে হবে না।
মনে রাখুন, আপনার ইন্টারভিউয়ের তারিখের আগের এক সপ্তাহের মধ্যে ডিএস-১৬০ আবেদনপত্রটি কোনভাবেই পুনরায় জমা দেবেন না! এক্ষেত্রে যদি আপনার দিক থেকে কোন পরিবর্তন থাকে তাহলে সাক্ষাৎকার/ইন্টারভিউয়ের সময় আমাদের বলুন।
আপনি যদি ইন্টারভিউতে আসার এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে ডিএস-১৬০ ফর্মটি হালনাগাদ/আপডেট করেন বা জমা দেন তাহলে ইন্টারভিউ না নিয়ে আপনাকে ফেরত পাঠানো হতে পারে।
এই নীতি ১৫ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে চালু করা হয়েছে।
আরো জানতে দেখুন: https://ustraveldocs.com/bd/
𝗜𝗺𝗽𝗼𝗿𝘁𝗮𝗻𝘁 𝗶𝗻𝘀𝘁𝗿𝘂𝗰𝘁𝗶𝗼𝗻 𝗳𝗼𝗿 𝗡𝗼𝗻𝗶𝗺𝗺𝗶𝗴𝗿𝗮𝗻𝘁 𝗩𝗶𝘀𝗮 𝗔𝗽𝗽𝗹𝗶𝗰𝗮𝗻𝘁𝘀!
Ready? Let's make your visa application journey a breeze! 🚀🛫
📅 Submit or Update your DS-160 online application form between one year and one week before your interview!
💻 DS-160 older than one year? Here's the drill:
1. Resubmit online more than one week before your interview.
2. Update your profile with the new DS-160 confirmation number.
📌 If your DS-160 is under one year old, no worries! There is no need for a new one unless we say otherwise.
Do NOT resubmit your DS-160 within one week of your interview!
If there are any changes, tell us during your interview.
Applicants who update their DS-160s updated less than a week before may be turned away.
🗓️ This policy kicked off on January 15, 2024.
🌐 For details, visit https://ustraveldocs.com/bd/
01/01/2024
ঢাকায় গ্রিসের ভিসাকেন্দ্র চালু 👌
ঢাকায় এবার ইউরোপের দেশ গ্রিসের ভিসাকেন্দ্র চালু হয়েছে। ভ্রমণ, কর্মসংস্থান, ফ্যামিলি, শিক্ষার্থী ও ডিজিটাল যাযাবরের (নোম্যাড) মতো সব ধরনের ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের নাগরিকরা ঢাকায় এ ভিসা কেন্দ্রে আবেদন করতে পারবেন।
ভিএফএস গ্লোবালের সঙ্গে অংশীদারত্বে গ্রিসের কূটনৈতিক ও কনস্যুলার কর্তৃপক্ষের বহিরাগত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রিস ভিসা ওয়ার্ল্ড সেন্টার (জিভিসিডব্লিউ) ঢাকায় এ ডেডিকেটেড ভিসা কেন্দ্রে চালু করে।
ঢাকার বোরাক মেহনুর (৮ম তলা), ৫১/বি, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের ভিএফএস গ্লোবাল জয়েন্ট ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (জেভিএসি) গ্রিসের ভিসা আবেদন জমা দিতে এবং সেখানে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করতে হবে।
তার আগে অনলাইনে (লিংক: https://bd-gr.gvcworld.eu/en/online-visa-application) অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।
অত্যাধুনিক নতুন ভিএসি নিয়মিত আবেদনকারীদের জন্য ডেডিকেটেড সাবমিশন কাউন্টারের পাশাপাশি নির্বিঘ্ন ভিসা অভিজ্ঞতা খুঁজছেন এমন ভ্রমণকারীদের জন্য ঐচ্ছিক প্রিমিয়াম লাউঞ্জ পরিষেবা দিয়ে সজ্জিত থাকবে।
Courtesy: The Daily Star
13/11/2023
বাঁশ থেকে যখন কঞ্চি বড় হয়ে যায়!
বাংলা ভাষায় বিখ্যাত একটি প্রবাদ ''বাঁশ থেকে কঞ্চি বড়''। অর্থাৎ আসল লোকের চেয়ে অনুচরের দাপট বেশি অর্থে এ বাক্যটি ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের সমাজে ক্ষমতাধরদের অনুচর তথা চামচা তথা মোসাহেব তথা দালালদের দাপটে এ প্রবাদটি কতটুকু যথার্থ তা ভুক্তভোগী মাত্র জানেন।
একসময় বাংলাদেশ থেকে গলাকাটা পাসপোর্ট দিয়ে হাজার হাজার মানুষ লন্ডন তথা ইউরোপে এসেছেন। সে সময়ের ইমিগ্রেশন অফিসাররা অনেক উদার ছিলেন। তারা মনে করতেন কোনোভাবে এ লোকটা সমুদ্র পাড়ি দিলে দেশের লাভ হবে। তাই তারা এ উদারতা প্রকাশ করতেন।
আর আজ? আজ একজন লোককে কিভাবে আটকিয়ে অথবা আটকানোর ভান করে তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করা যায় তার প্রতিযোগিতায় নেমেছে রক্ত চোষা বাদুড়ের দল।
সম্প্রতি (৬ নভেম্বর ২০২৩) ঢাকা বিমানবন্দর থেকে কানাডার উদ্দেশ্যে আগত ৪২ জন যাত্রীকে আটক করে তাদেরকে বাড়িতে ফেরত পাঠিয়েছে বাংলাদেশ বিমানের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অথচ এরা প্রত্যেকে কানাডার বৈধ ভিসা নিয়ে সিলেট ওসমানী বিমান বন্দরে তাদের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঢাকা এসে ট্র্যানজিট লাউঞ্জে টরন্টোগামী বিমানের কানেকটিং ফ্লাইটের অপেক্ষায় ছিলেন।
বিমানের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন যে আমন্ত্রণপত্রের মাধ্যমে তারা ভিসা পেয়েছেন সেটা ছিল ভূয়া। এটা দেখার দায়িত্ব কি বিমানের, নাকি কানাডিয়ান হাইকমিশনের? হাই কমিশন যদি আমন্ত্রণপত্রটি বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করে ভিসা দিয়ে দেয় তাহলে বিমান কর্মকর্তাদের অসুবিধা কোথায়? আমরা জানি, ইন্টারন্যাশানাল ষ্টুডেন্ট ভিসা কিংবা ভিজিটর ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে ব্যাংক ব্যালেন্স দেখাতে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধার-কর্জ করে এ ফরমালিটিজ পূরণ করা হয়। একজন যাত্রী কার কাছ থেকে ধার নিয়েছে সেটাও কি তাহলে বিমানের কর্মচারীদের দেখাতে হবে?
বিমানের লোকেরা বলছে বিয়ের আমন্ত্রণ পত্রটি ছিল ভূয়া। তারা আরও বলেন, যাদের ভিসা হয়েছে তাদের বেশিরভাগই এর আগে দেশের বাইরে কোথাও বেড়াতে যাননি। ধরে নিলাম যায়নি। এটাই তাদের প্রথম সফর। তাতে বিমান কর্তৃপক্ষের কি সমস্যা বুঝলাম না। এরকম কি কোনো আইন আছে যে আগে অন্যান্য দেশ ঘুরে এসে তবেই কানাডা যাওয়া যাবে?
বিমান কর্তৃপক্ষ বলেছে, এর আগে যারা এভাবে গিয়েছেন তারা কানাডায় এসে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন। ধরে নিলাম কথা সত্য। সকলেই জানেন, সারা পৃথিবী থেকেই এভাবে লোকজন এসে কানাডায় আশ্রয় প্রার্থনা করে। অসুবিধা কোথায়? কার অসুবিধা? সব অসুবিধার দায়িত্ব কি বিমান একাই নিয়ে নিয়েছে? এসব যাত্রীরা তো অন্য এয়ারলাইন্সেও আসতে পারতো! তখন কি হতো? কার দায়িত্বের মধ্যে পড়তো? শুনেছি বিমানের এসব অসাধু কর্মকর্তারা নাকি ঘুষ চেয়েছিলেন এবং যাত্রীরা সে টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় তারা এ কান্ডটি ঘটায়। আরও জঘন্য যে কান্ডটি বিমানের কর্মকর্তারা ঘটিয়েছে তাহলো তারা সিঙ্গাপুর ও দিল্লিস্থ কানাডিয় ভিসা অফিসে ইমেইল পাঠিয়েছে এসব যাত্রীদের ভিসা যাচাইয়ের জন্য।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশিদের জন্য সহজ প্রক্রিয়ায় ভিজিট ভিসা, ষ্টুডেন্ট ভিসার দ্বার উন্মুক্ত করেছে কানাডিয় হাইকমিশন। নিয়মিতভাবে এখন বাংলাদেশ থেকে শত শত মানুষ সুন্দর একটি স্বপ্ন নিয়ে কানাডায় আসছে। আজ বিমানের এসব অসাধু কর্মকর্তাদের কারনে কেবল ওই ৪২ জন যাত্রী নয়; লাখ লাখ বাংলাদেশি তরুনের সেই স্বপ্ন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিমানের এ উস্কানির ফলে কানাডিয় কর্তৃপক্ষ যদি ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করে তুলে তাহলে ক্ষতিটা কার হবে?
মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় বিমান প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি- অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে বিমানের সংশ্লিষ্ট দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা হোক। আরও দাবী জানাচ্ছি যে, অবিলম্বে সিলেটের ভুক্তভোগী ওই ৪২ জন যাত্রীকে বিনা ভাড়ায় টরন্টো পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হোক।
সৌজন্যে :-লেখক, কবি, সাংবাদিক, কানাডা প্রবাসী নজরুল মিন্টু, টরন্টো, কানাডা।
06/11/2023
আলহামদুলিল্লাহ সৌদি ই-ভিসিট ভিসা সম্পন্ন করলাম
ভিসা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন
গ্লোবাল সার্ভিস এন্ড ম্যানেজমেন্ট
বারুতখানা পয়েন্ট (স্বপ্নের বিপরীত)
মোবাইল: ০১৭১০৯৪৩৮৩৪