20/12/2025
আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার,
বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার…
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from রাহে হেদায়েত, Sylhet.
আসসালামু আলাইকুম।
📿 দাওয়াতের পথে এক বিনয়ী প্রচেষ্টা
🕋 কোরআন | হাদীস | দোয়া | ইসলামী শিক্ষা
🌙 হেদায়াতের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে “আল্লাহ যাকে হেদায়াত দেন, কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারে না” – (সূরা যুমার: ৩৭)
20/12/2025
আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার,
বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার…
বিমানবন্দরের পর এবার কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তে আ-গুন।
আল্লাহ সহায় হোক
সুবহানাল্লাহ 🌸❤️
゚viralシ
11/10/2025
তাদের আনন্দ..আলহামদুলিল্লাহ!🥹❤️
ফেসবুক এমন এক গুনাহ কামাইয়ের পথ যেখানে আমরা আসলেই কখনো ভাবি না যে এত এত রিঅ্যাক্ট, কমেন্ট আমাদের আমল নামার কোন দিকটা ভারী করছে।
আজ সে তার ছবি দিচ্ছে, দিলে কি হবে, এমনি দিচ্ছি, ভিডিওতে গান লাগিয়ে দিচ্ছি, বেগানা নারীর ছবিতে মাশাআল্লাহ বলছি, গুনাহ কামাই করার পথ নিজেরাই খুলে দিচ্ছি, নিচ্ছি । আমরা ভাবি না আমি মারা গেলে আমার কৃত পোস্ট কবরে আমাকে রক্ষা করবে, না বিপদে ফেলবে! দিলেই কী হবে, এই বলে আমরা আমাদের নফসকে খুশি করি। নিজের নফসের কাছেই আমরা পরাজিত।
আমাদের ভেবে দেখা উচিত এত লাইক, কমেন্ট, রিঅ্যাক্ট, শেয়ার আমার জীবনে ক্ষতি ছাড়া কিছু কি নিয়ে আসছে? গুনাহের ভার নিতে পারবো তো আমরা? যেখানে সামান্য আগুনের একটু তাপ লাগলেই ছটফট করি সেখানে ৬৯ গুন বেশি আগুনের তাপ সহ্য করতে পারবো তো??
লেখা : সংগৃহীত
17/09/2025
তুমি টাকা চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
তুমি শক্তি চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
তুমি নিরাপত্তা চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
তুমি সন্তান চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
তুমি দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
তুমি ক্ষমা চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
তুমি শক্তি চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
তুমি ভালো জীবন চাও? ইস্তিগফার পড়ো।
ইস্তিগফার মানে হচ্ছে: আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। অর্থাৎ, "আস্তাগফিরুল্লাহ"!
~ সংগৃহীত
যদি জানতে পারেন আগামিকাল আপনার জীবনের শেষ দিন, এরপরের দিন-ই আপনি মারা যাবেন, বলুন তো -আগামিকালটা আপনি ঠিক কীভাবে কাটাবেন?
সে দিনটাকে আপনি যেভাবে কাটাতে চান, আজকের দিনটাকেও ঠিক সেভাবে সাজিয়ে নিন, কারণ- আপনি সত্যিই জানেন না যে, আগামিকাল আপনি আদৌ বেঁচে থাকবেন কী-না।
_আরিফ আজাদ
ইতিহাসে মানুষ সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণকে নানা কুসংস্কারের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যেমন— কারো মৃ*ত্যু বা জন্মের কারণে গ্রহণ ঘটে। এটি অশুভ বা দুর্ভাগ্যের লক্ষণ। কোনো মহাজাগতিক দেবতার প্রভাব। এই সময়ে গর্ভপাত হয়, মৃ*ত্যু বা জন্ম ঘটাসহ নানাবিধ কুসংস্কার সমাজে প্রচলিত আছে। কিন্তু শরীয়ত এসব বিশ্বাসকে সম্পূর্ণ বাতিল করেছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন:
“তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে রাত ও দিন, সূর্য ও চন্দ্র। তোমরা সূর্য ও চন্দ্রকে সেজদা করো না; বরং সেজদা কর আল্লাহকে, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন— যদি তোমরা কেবল তাঁরই ইবাদতকারী হও।”
(সূরা ফুসসিলাত, ৪১:৩৭)
রাসূল ﷺ বলেন:
“নিশ্চয় সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শন। এগুলোর গ্রহণ কারো মৃত্যু বা জন্মের জন্য ঘটে না। যখন তোমরা এগুলো (গ্রহণ) দেখতে পাও, তখন নামাজে আশ্রয় নাও।”
(সহিহ বুখারি : ১০৪৩, সহিহ মুসলিম : ৯০১)
ইবনে উমর (রা.) বলেন : “সূর্য-চন্দ্র গ্রহণ কারো জন্ম বা মৃত্যুর কারণে হয় না; বরং আল্লাহর নিদর্শন। যখন এটি ঘটবে তখন নামাজে দাঁড়াও।” (মুয়াত্তা মালিক, ১/১৯৫)
ইমাম নববী (রহ.) বলেন: “এতে রয়েছে বান্দাকে ভয় প্রদর্শন, আল্লাহর মহাশক্তি স্মরণ করানো এবং ইবাদতের দিকে উদ্বুদ্ধ করা।” (শরহ মুসলিম, ৬/২০৭)
• সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ আসলে কেন হয়?
আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে :
— সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse) : চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে এসে সূর্যের আলো আড়াল করলে ঘটে।
— চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) : পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে এসে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়লে ঘটে। অর্থাৎ এটি সম্পূর্ণ জ্যোতির্বিদ্যার নিয়মে ঘটে; কারো মৃ*ত্যু, জন্ম বা কোনো অশুভ ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ইসলামী শরীয়তের বক্তব্যও একই: এগুলো আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন।
• রাসূল ﷺ চন্দ্র-সূর্য গ্রহণে কী করতেন?
১. হঠাৎ দিনের আলো ম্লান হয়ে যাওয়া বা রাতের চাঁদ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া মানুষকে ভয় ধরিয়ে দেয়। রাসূল ﷺ এটিকে আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন মনে করে ভয় পেতেন এবং বান্দাদের সতর্ক করতেন।
২. কোরআনে কিয়ামতের দিন সূর্য-চন্দ্রের অস্বাভাবিক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ আছে: “এবং সূর্য ও চন্দ্র একত্রিত করা হবে।” (সূরা কিয়ামাহ ৭৫:৯) এজন্য গ্রহণের দৃশ্য দেখে রাসূল ﷺ কিয়ামতের দৃশ্যের কথা স্মরণ করতেন এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন।
৩. রাসূল ﷺ উম্মতকে শিখিয়েছেন— এমন সময়ে ভয় পেয়ে কুসংস্কারে না গিয়ে ইবাদতের দিকে ফিরতে হবে: নামাজ পড়া, দোয়া করা, জিকির করা, সদকা দেওয়া।
মূলকথা হলো :
— সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ আল্লাহর নিদর্শন। এটি কারো মৃ*ত্যু, জন্ম, অশুভ বা কুসংস্কারের কারণে ঘটে না।
— এর বৈজ্ঞানিক কারণ হলো— সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবীর অবস্থানগত পরিবর্তন।
— রাসূল ﷺ আল্লাহর ভয় ও কিয়ামতের স্মরণে দীর্ঘ নামাজ ও দোয়ায় দাঁড়াতেন, যাতে উম্মত শিক্ষা নেয়।
লেখা : সুকুন লাইফ
♡︎❞"أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ "❝♡︎
ইবনুল জাওযি রহ. বলেন,
" যখন আল্লাহ কোন বান্দার ভালো চান, *তখন তার জিহ্বায় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের দরুদ শরীফ পাঠ করা সহজ করে দেন।"*
[ বুসতান আল ওয়ায়েজিন - ১/৩০০]
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
- সংগৃহীত
07/09/2025
“দুঃখ আপনাকে ভাঙতে আসে না, জীবনে একটি সুন্দর আকৃতি দিতে আসে।”
আমাদের জীবনে যে দুঃখ-কষ্ট, কষ্টের সময় বা ব্যর্থতা আসে তা আসলে আমাদের শেষ করে দেওয়ার জন্য আসে না।
বরং এগুলো আমাদের চরিত্র, ধৈর্য, শক্তি এবং জীবনের রূপ আরও সুন্দর করে গড়ে তোলার সুযোগ দেয়।
ভাবুন একজন ক্রীড়াবিদ দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য প্রতিদিন কঠিন অনুশীলন করছে।
অনুশীলনের সময় তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়। ঘাম ঝরে, শরীর ব্যথা করে, কখনও হাল ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে।
কিন্তু এই কষ্ট বা “দুঃখ” আসলে তাকে ভাঙার জন্য নয়।
বরং এই কষ্টই তার শরীরকে আরও শক্তিশালী করে, তাকে আরও দ্রুত দৌড়াতে শেখায় এবং শেষ পর্যন্ত বিজয় এনে দেয়।
তেমনি, জীবনের দুঃখও আমাদের হাল ছেড়ে দেওয়ার জন্য নয়। বরং এগুলোই আমাদের সহনশীল, জ্ঞানী ও পরিপূর্ণ মানুষ হতে সাহায্য করে।