16/01/2026
Or you can say , “What on earth” .
Meaning is the same ‘to show surprise, confusion, or even frustration’
হুদাই হেলটেল বইলা ,কনফিউশনে থাইকা সেন্টেন্স লং না করাই বুদ্ধিমানের কাজ । 😀
Learn English and become unstoppable
01763-993993
16/01/2026
Or you can say , “What on earth” .
Meaning is the same ‘to show surprise, confusion, or even frustration’
হুদাই হেলটেল বইলা ,কনফিউশনে থাইকা সেন্টেন্স লং না করাই বুদ্ধিমানের কাজ । 😀
14/04/2025
Higher Study Abroad ✈️📚
আপনি যে দেশেই পড়াশোনার জন্য যেতে চান না কেন, কিছু বিকল্প (অপশন) হাতে রাখা সবসময়ই ভালো। কারণ আপনি জানেন না—আপনি যে দেশটিকে লক্ষ্য করে এগোচ্ছেন, সেটিতে শেষ পর্যন্ত যাওয়া হবে কি না।
প্ল্যান বি—
ফিনল্যান্ড: এই দেশটা সবদিক দিয়েই ভালো। বিশেষ করে স্থায়ীভাবে থাকার (PR) ব্যাপারে খুব একটা ঝামেলা নেই। এখানে অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। জয়েন্ট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ১০০ ইউরো লাগে। সাধারণত প্রতিবছর জানুয়ারির ৫ থেকে ১৯ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে পারেন। তবে University of Vaasa, Aalto University এবং University of Helsinki-এর মতো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আগেই আবেদন গ্রহণ শুরু করে।
টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও ভালো রেজাল্ট এবং ইন্টারভিউ দিলে ৫০%-১০০% স্কলারশিপ পাওয়া যায়। তবে মনে রাখবেন, এখন ফিনল্যান্ডে কাজ পাওয়া বেশ কঠিন। অন্তত ৮-১২ মাসের খরচের ব্যবস্থা নিয়ে যাওয়া উচিত।
Website: https://www.studyinfinland.fi/
ডেনমার্ক: এখানে বিশ্বের সেরা কিছু বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তবে বিশেষ করে বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়ে টিউশন ফি অনেক বেশি। যদি জীবনসঙ্গী (স্পাউস) সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে দু’জনে মিলে আয় করে ভালোভাবেই চলতে পারবেন। তবে ফিনল্যান্ডের মতো এখানেও কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।
Website: https://studyindenmark.dk/
বেলজিয়াম: অনেকেই বেলজিয়াম সম্পর্কে তেমন জানেন না। তবে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বেলজিয়ামও ভালো একটি বিকল্প। বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী টিউশন ফি ৯০০ থেকে ৫০০০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলে ভিসা নিয়ে তেমন ঝামেলা হয় না। Ghent University, UHasselt, VUB দেখতে পারেন।
Website: https://www.studyinbelgium.be/en
ইতালি: এক সময় এটি বাংলাদেশিদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিল। গত কয়েক বছর ভিসা রেট ভালো ছিল না, তবে এবার বেশ ভালো পরিমাণে ভিসা দেওয়া হয়েছে। এখানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি কম এবং ভালো বিষয়ের ওপর কম খরচে পড়াশোনা করা যায়। ভালো রেজাল্ট থাকলে স্কলারশিপও পাওয়া যায়।
Website: https://studyinitaly.esteri.it/en/home_borse
চেক প্রজাতন্ত্র: জার্মানির পাশের এই দেশে IT ও কম্পিউটার সায়েন্স–সম্পর্কিত বিষয়ে বেশ ভালো কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আছে। খুব কম খরচে মাস্টার্স শেষ করা সম্ভব। Masaryk University, Brno University of Technology, Czech University of Life Sciences দেখতে পারেন।
Website: https://www.studyin.cz/
জার্মানি: এ বছর ২৫০+ শিক্ষার্থী নরওয়ে গেছে। জার্মান এমবাসির ইন্টারভিউ কল পেতে এক বছর অপেক্ষা করতে হয় বলেই অনেকেই নরওয়ে বেছে নিয়েছে। যদি আপনি অপেক্ষা করতে রাজি থাকেন, তাহলে জার্মানি অবশ্যই দেখতে পারেন।
Website: https://www2.daad.de/deutschland/studienangebote/international-programmes/en/result/
নেদারল্যান্ডস: যদি আপনার বাজেট ভালো থাকে তাহলে নেদারল্যান্ডস বিবেচনায় রাখতে পারেন। দেশ, শিক্ষার মান সবই খুব ভালো। তবে টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে বেশি।
Website: https://www.studyinholland.nl/
আইসল্যান্ড: এখানে খুব অল্পসংখ্যক বাংলাদেশি আছেন যারা মাস্টার্স করছেন। একাডেমিক রেজাল্ট ভালো এবং IELTS স্কোর ৬.৫ হলে University of Iceland বিবেচনায় রাখতে পারেন। এখানে কোনো টিউশন ফি নেই।
Website: https://study.iceland.is/
ফ্রান্স: ফ্রান্সে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশন ফি খুব কম এবং স্কলারশিপও পাওয়া যায়। তবে ফ্রান্স এমবাসি মাঝে মাঝে ভিসা নিয়ে ঝামেলা করে। যদি স্কলারশিপ পান, তাহলে সমস্যা হবে না। University of Paris-Saclay, Université de Paris ইত্যাদি দেখতে পারেন।
Website: https://www.campusfrance.org/en
সুইডেন: খুবই পরিপাটি এবং সুন্দর দেশ। এখানে বিশ্বের অন্যতম সেরা কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আছে। ভালো রেজাল্ট ও IELTS স্কোর থাকলে আবেদন করতে পারেন। যদি আপনার বিষয়-সম্পর্কিত দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে SI স্কলারশিপে আবেদন করতে পারেন। এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ রয়েছে।
Website: https://studyinsweden.se/
পোল্যান্ড: আগে বাংলাদেশিরা পোল্যান্ডে অনেক যেতো কারণ এখানে টিউশন ফি এবং জীবনযাত্রার খরচ অনেক কম। University of Warsaw, Warsaw University of Technology দেখতে পারেন।
Website: https://study.gov.pl/
27/03/2025
আমাদের পূর্বপুরুষরা কৃষক ছিলেন, শ্রমিক ছিলেন। থাকতেন মাটির কাঁচা ঘরে। অর্থাভাবে-অন্নাভাবে কখনও-সখনও উপোসও করতেন। পরতেন মলিন পোশাকপরিচ্ছদ। আমাদের বাবারা চাইলেন আমরাও যেন পূর্বসূরিদের মতো শ্রমিক না হই, আমাদেরকেও যেন মাটির ঘরে থাকতে না হয়, আমরা যেন পাকা ঘরে থাকি, যেন পেট পুরে তিনবেলা খেতে পাই। বাবারা আমাদেরকে নিয়ে বাসে-ট্রেনে-লঞ্চে করে গ্রাম ছাড়লেন, মফস্বলে এনে পড়াশোনা করালেন, টিনশেড ঘরে রাখলেন। আমরা পড়াশোনা করলাম, মফস্বল ছাড়লাম, উচ্চশিক্ষার্থে মহানগরে এলাম, স্নাতক হলাম, স্নাতকোত্তর হলাম; পূর্বপুরুষদের বিশাল বাড়ি ছেড়ে অ্যাপার্টমেন্ট নামক কংক্রিটের বস্তিতে উঠলাম, কায়িক পরিশ্রম থেকে মুক্ত হলাম, বুদ্ধিবৃত্তিক কাজকর্ম (আসলে কেরানিগিরি) করে জীবিকা নির্বাহ করা শুরু করলাম,
আমাদের দাদারা ছিলেন সুন্দর খাঁ, সুরুজ আলি কিংবা ময়েজুদ্দিন। আমরা হলাম ফাহাদ ফারাজ অনন্য, ইফতেখার ইশমাম ইশতি কিংবা আহনাফ মুনতাসির উচ্ছ্বাস। আমাদের দাদিরা ছিলেন সূর্য ভানু, করিমন বেওয়া কিংবা জরিতন নেছা। আমরা হয়েছি আনিকা আজিজ অর্নি, মালিহা তাবাসসুম অবন্তী কিংবা সেগুফতা শেহরিন আনিলা। আমাদের কারো-কারো নামের আগে-পিছে-মাঝে যুক্ত হতে লাগল এসএম, কেএম, এবিএম, আ ক ম, আ ন ম, আ আ ম স। আমাদের নাম ক্রমশ শক্ত হতে লাগল, কাটখোট্টা হতে লাগল, দুর্বোধ্য হতে লাগল। অথচ আমাদের পূর্বপুরুষরা সোজাসাপটা নাম ধারণ করেই একটা জীবন কাটিয়ে দিয়ে গেছেন, তাতে তাদের বেঁচে থাকতে সবিশেষ অসুবিধে হয়নি। আমরা আলুভর্তার নাম দিয়েছি ম্যাশড পটেটো উইথ গ্রিন চিলি, পুদিনা পাতা দে যথাক্রমে সালাত, সাওম, রামাদান, সুহুর, জালেবি; কিন্তু হারিয়ে গেছে আমাদের ভাবগাম্ভীর্য, হারিয়েছে আধ্যাত্মিকতা, হারিয়েছে সহজিয়া জীবনবোধ; বিনিময়ে সাপের মতো এঁকেবেঁকে জেঁকে বসেছে উত্তুঙ্গ উগ্রবাদ আর পৌনঃপুনিক প্রদর্শনবাদ।
কায়িক পরিশ্রম না-করতে না-করতে আমাদের দেহে পুরু চর্বি জমল, সার্বক্ষণিক রোগবালাই বাসা বাঁধল, ডায়াবেটিস হানা দিলো। চিকিৎসকরা আমাদের খাবারের পরিমাণ বেঁধে দিলেন— দিনে ছয় কাপ ভাত, চারটা রুটি, এক কাপ শবজি, একটা শশা, দেড়টা গাজর, আড়াইটা আঙুর। চিকিৎসকরা আমাদেরকে প্রতিদিন দৌড়াতে বলে দিলেন। আমরা স্টপওয়াচ চালু করে হাফপ্যান্ট পরে ভুঁড়ি নাচিয়ে রাজপথে দৌড়াতে লাগলাম, জিমনেশিয়ামে গিয়ে বাঁদরের মতো এ-ডাল ও-ডাল ঝুলতে লাগলাম, বুকডনের নামে নাকে খত দিতে লাগলাম; আমরা সেসবের গালভরা নাম দিলাম— 'ওয়ার্ক আউট', 'ক্যালরি বার্ন'। শহরে থাকতে-থাকতে ক্লান্ত হয়ে আমরা দু-তিন মাস পরপর ছুটতে লাগলাম রিসোর্টে। একটু গাছপালা আছে, ডোবার মতো একটা হাজামজা পুকুর বা পচা-গলা সুইমিংপুল আছে, ছাদ বা বেড়া খড়কুটোর, সন্ধ্যার পর গোটা দশেক জোনাকির দেখা পাওয়া যায়, বৃষ্টি হলে চার-পাঁচটা ব্যাঙ ডাকে— বেছে-বেছে আমরা এমন রিসোর্টে যাওয়া শুরু করলাম, ভাড়া গুনতে লাগলাম রাতপ্রতি দশ হাজার। রিসোর্টে লালশাক, পালংশাক, পুঁইশাক দিয়ে ভাত খেয়ে বিল দেওয়া শুরু করলাম বেলাপ্রতি মাথাপিছু একহাজার; বারবিকিউ নামক মাংসপোড়ার পেছনে ঢালতে লাগলাম আরো হাজার-হাজার। কুলিরা চাউলের আড়তে যা যা করেন; জিমনেশিয়ামে আমরা তা-ই করছি, করে গর্বের সঙ্গে সেসবের ভিডিও দিয়ে রিল বানাচ্ছি, বানিয়ে দেখাচ্ছি— আমরা কে কত স্বাস্থ্যসচেতন, কে কত অভিজাত, কে কত আলাদা। যার জিমের মাসিক চাঁদা যত বেশি, সে তত বেশি অভিজাত। শ্রমিকদের মতো দৌড়াব না বলে আমরা সুট-বুট পরে দালানে ঢুকেছিলাম, আমরা এখন ট্রেডমিল কিনে সেই একই দালানের ভেতরই দৌড়াচ্ছি। আমরা দৌড় ছাড়তে চেয়েছিলাম, দৌড় আমাদেরকে ছাড়েনি, দৌড় আমাদেরকে দৌড়ানি দিচ্ছে।
কুঁড়েঘরে থাকব না বিধায় আমরা গ্রাম ছেড়েছিলাম, এখন আমরা কিছুদিন পরপরই পর্যটনকেন্দ্রের গলা-কাটা কৃত্রিম কুঁড়েঘরে যাই স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে। কাচঘেরা বায়ুরোধী ভবন বানিয়ে শ্বাসকষ্ট বাঁধিয়ে বুকভরা বাতাস নিতে লাখ টাকা খরচ করে আমরা সমুদ্রসৈকতে ছুটছি। গায়ে মাটি লাগাব না বলে আমরা গ্রাম ছেড়েছিলাম, একটু মাটির স্পর্শের আশায় এখন আমরা পার্কে-পার্কে ছুটছি কিংবা ছাদবাগান করছি। 'চাষাভুষা' শব্দটাকে আমরা গালি বানিয়েছিলাম, এখন ছাদবাগানে এক ডজন টমেটো ফলাতে পারলে গর্বিত 'নগরচাষি' হিশেবে বুক ফুলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা প্রচার করছি। মাছধরা মানুষদের জাইল্লা বলে তাচ্ছিল্য করা আমরাই লাখ টাকা চাঁদা দিয়ে বড়শি পেতে বসে থাকছি সরকারি দিঘিতে সেই মাছই ধরার জন্য। শবজি খাব না বলে আমরা বড়লোক হয়েছিলাম; এখন বাজারে শবজির দামই বেশি, রেস্টুরেন্টে শবজিজাত খাবারের দামই বেশি, শবজি এখন বড়লোকদেরই খাবার। পূর্বপুরুষরা যে শবজি খেতেনই না, যে শবজি বেড়ে উঠত বাড়ির পেছনের ঝোপঝাড়ে অনাদরে-অবহেলায়; শহরে আমরা এখন সেই অনাহুত শবজিই কিনে খাচ্ছি কেজিপ্রতি শত-শত টাকা খরচ করে।
আমাদের পূর্বপুরুষরা ছেঁড়া কাপড় পরতেন অর্থাভাবে, এখন আমরা চড়া দামে ছেঁড়া-খোঁড়া জিন্স কিনে পরি। তারা পান্তাভাত খেতেন তিনবেলা রান্নার মতো জ্বালানি ছিল না বলে; আমরা পহেলা বৈশাখে ঐ পান্তাভাতই খাই গরম ভাতে জোরপূর্বক পানি দিয়ে, হাজার-হাজার টাকার শ্রাদ্ধ করে; খেয়ে ডায়রিয়া বাধাই, বাধিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। মহানগরের সেসব রেস্টুরেন্টের খাবারের দামই এখন সবচেয়ে বেশি; যেসব রেস্টুরেন্টের সাজগোজ গ্রামের মতো, যেসব রেস্টুরেন্টে মেঝেতে বিছানো জাজিমে বসে খেতে হয়, যেসব রেস্টুরেন্টের আবহসংগীত হিশেবে বাজে গাঁও-গেরামের গান। আমরা বাসায় রাঁধি না সময় বাঁচানোর জন্য, অনলাইনে অর্ডার করে রেস্টুরেন্টের খাবার বাসায় আনিয়ে খেয়ে দিনাতিপাত করি, সেই বেঁচে যাওয়া সময়ে আমরা পয়সা উপার্জন করি; এর পর আমরা লিভার সিরোরিস বাঁধাই, শেষে সেই পয়সা খরচ করি লিভার সিরোসিসের চিকিৎসায়। আমরা পরিবারের সবাই মিলে চাকরি নিয়েছিলাম স্বাবলম্বী হব বলে; স্বাবলম্বী আমরা হয়েছি, স্বাবলম্বী হতে-হতে কেউ বা ধনকুবেরও হয়েছি, কিন্তু আমাদের সন্তানরা বড় হচ্ছে গৃহকর্মীদের হাতে। আমরা এতটাই স্বাবলম্বী হয়েছি যে, আমাদের সন্তানরা জাগ্রত অবস্থায় দেখছে আমরা ল্যাপটপে অফিসের কাজ করছি, ঘুম থেকে জেগে দেখছে আমরা অফিসে চলে গেছি। স্বাবলম্বনের দাপটে আমাদের মা-বাবারা বার্ধক্য কাটাচ্ছেন বৃদ্ধাশ্রমে, সন্তানরা শৈশব কাটাচ্ছে চাইল্ড কেয়ারে, আমরা যৌবন কাটাচ্ছি ডেস্কটপে। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিয়ে করব না ভেবে আমরা কেউ-কেউ ত্রিশেও বিয়ে করছি না, পঁয়ত্রিশেও বিয়ে করছি না; করছি চল্লিশের পরে অথবা করছিই না। অথচ পূর্বপুরুষরা চল্লিশে দিব্বি নাতি-নাতনির মুখ দেখতেন। কিসের জন্য যেন অপেক্ষা করতে-করতে আমরা যৌবনেই বুড়িয়ে যাচ্ছি, বুড়ো বয়সে যুবকের ভূমিকায় অভিনয় করছি, শুগার ড্যাডি বা শুগার মম হচ্ছি; কোনোকিছুই শুরু বা শেষ করছি না যথাসময়ে।
সূর্যের আলো গায়ে লাগিয়ে ক্ষেতখামারে কাজ করব না বলে আমরা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত রাজপ্রাসাদে ঢুকেছিলাম। ঢুকে দেখলাম— শরীরে সূর্যের আলোর অভাবে আমাদের ঘুম আসে না। রাতের ঘুম ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা ওষুধ খাওয়া শুরু করলাম, তাতেও কাজ না হওয়ায় সূর্যের আলো গায়ে লাগানোর জন্য আমরা 'মর্নিং ওয়াক' শুরু করলাম। শীতাতপনিয়ন্ত্রক যন্ত্র ওদিকে আমাদের শরীরে ডেকে আনল নিউমোনিয়া-অ্যাজমা-হুপিংকাশি। প্রযুক্তি আমাদের চোখ খেল, কান খেল, নাক খেল; আমাদের চোখে ধরিয়ে দিল চশমা, কানে বসিয়ে দিল হিয়ারিং এইড, নাকে নেবুলাইজার। পূর্বপুরুষদের যা যা আমরা করতে চাইনি, আমরা— উত্তরপুরুষরা এর সবকিছু করতে বাধ্য হচ্ছি। বড়লোক হতে-হতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। টাকা খেয়ে আমরা কুলাতে পারছি না। টাকা রাখারও জায়গা হচ্ছে না আমাদের। টাকা ব্যাংকে রাখলে ক'দিন পরে ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলে শেয়ারবাজার লুট হয়ে যায়। এখন আমাদের গরিব হতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পারি না। গরিবরা বড়লোক হতে পারে, কিন্তু বড়লোকরা একবার বড়লোক হয়ে যাওয়ার পর আর গরিব হতে পারে না।
আমরা পাঠ্যবহির্ভূত বই পড়তাম। খবরের কাগজ পড়তাম। প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে চলচ্চিত্র দেখতাম। শুক্রবার বিকেল তিনটা কুড়ি মিনিটে দেখতাম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি। এর মধ্যে খবরের কাগজ বাদে বাকি সবগুলোকেই আমাদের পূর্বসূরিরা অন্যায় বলে মনে করতেন। পাঠ্যবইয়ের ভাঁজে কমিকের বই পেলে প্রহার করতেন, প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার খবর পেলে প্রহার করতেন, প্রহার করতেন এমনকি প্রতিবেশীদের বাড়িতে শুক্রবারের ছায়াছবিটিও দেখতে গেলে। আমরা ভাবতাম বড় হয়ে বড়লোক হলে আমাদেরকে কেউ ঠেকাতে পারবে না— আমরা ইচ্ছেমতো বই পড়ব, চলচ্চিত্র দেখব, গান শুনব। আমরা বড় হলাম, বড়লোকও হলাম। ততদিনে দেশ থেকে প্রেক্ষাগৃহ উধাও হয়ে গেছে, চলচ্চিত্রজগৎই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে, চলে গেছে আমাদের পাঠাভ্যাস। আমাদের ফোনে এখন হাজার-হাজার বইয়ের পিডিএফ, ওটিটি-ইউটিউবে অগণিত চলচ্চিত্র। বই পড়ার জন্য এখন গ্রন্থাগারে যেতে হয় না, চলচ্চিত্র দেখার জন্য প্রেক্ষাগৃহে যেতে হয় না, গান শোনার জন্য কিনতে বা ভাড়া করতে হয় না ক্যাসেট-সিডি-ডিভিডি। কিন্তু আমাদের এখন কিছুই দেখা হয় না, কিছুই শোনা হয় না, কিছুই পড়া হয় না। আমাদের সবকিছু জমা হয়ে আছে, আমাদের সবকিছু জমে গেছে— উত্তর মেরুর বরফের মতো। আমাদের পূর্বসূরিরা ভ্রমণকাহিনী পড়তেন, পড়ে কল্পনায় ওসব জায়গা দেখে নিতেন, পরে পয়সা জমলে সেসব জায়গায় ভ্রমণে যেতেন। এখন আমরা ভিডিওতেই সব দেখে ফেলছি, আমাদের আর কল্পনা করতে হচ্ছে না, ফলে আমাদের কল্পনাশক্তিও নেই হয়ে গেছে। আমরা এখন আর কল্পনা করি না। কোথাও বেড়াতে গেলে সেই জায়গাটা দেখি না, শুধু ভিডিও করি, জায়গাটাকে ব্যাকগ্রাউন্ড বানিয়ে সহস্র ছবি তুলি; পরবর্তীকালে সেসব ছবি আমরা আর একবারও খুলে দেখি না। ফলে মরে গেছে আমাদের দর্শনেন্দ্রিয়ও। আমাদের সর্বাঙ্গে মরিচা ধরেছে, ।
সময় বাঁচানোর জন্য আমরা ফোন কিনেছিলাম। পরে, দেখলাম— ফোনই আমাদের জীবনের সিংহভাগ সময় খেয়ে ফেলেছে। যখন দু-টাকার খামে করে চিঠি লিখে উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হতো এক মাস, তখনও আমরা নিঃসঙ্গ ছিলাম না। কিন্তু এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের অযুত-নিযুত অনুসারী, মেসেঞ্জারে কড়া নাড়লে এখন উত্তর পাওয়া যায় সেকেন্ডের মধ্যে, কথা বলার জন্য এখন সবুজ বাতি জ্বালিয়ে রাখে শত-সহস্র অনুরাগী; কিন্তু মন খুলে কথা বলার মতো এখন আমরা কাউকেই খুঁজে পাই না, মানুষ খুঁজে পেলেও কথা খুঁজে পাই না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা আমাদের প্রাত্যহিক গল্প এত বেশি বলে ফেলি এবং দৈনন্দিন জীবনের ছবি-ভিডিও এত বেশি দেখিয়ে ফেলি যে, এখন আমরা সবার সবকিছু জানি, মুখোমুখি সাক্ষাতে বলার মতো কোনো গল্পই এখন আর আমাদের অবশিষ্ট থাকে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলতে-বলতে আমরা আমাদের সব গল্প শেষ করে ফেলেছি, দেখিয়ে শেষ করে ফেলেছি সমস্ত ছবি। দু-টাকার হলুদ খামের যুগেও আমরা নিঃসঙ্গ ছিলাম না, কিন্তু দু-সেকেন্ডের সবুজ মেসেঞ্জারের যুগে আমরা নিঃসঙ্গ। এখন আমরা নিঃস্ব, নিঃসঙ্গ এবং গল্পশূন্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের ব্যক্তিগত গল্পগুলো আমরা এমন ব্যক্তিদেরকে বলে ফেলেছি, ব্যক্তিগত ছবিগুলো এমন ব্যক্তিদেরকে দেখিয়ে ফেলেছি; যারা আমাদের ব্যক্তিজীবনের অংশই না, যাদের সাথে কখনোই দেখা বা কথা হবে না। ভূগর্ভস্থ পানি বেশি তুলে ফেললে নলকূপ আর পানি দেয় না, জীবনের গল্প বেশি বলে ফেললে জীবনও নলকূপের মতো আচরণ করে। আমরা এখন একেকজন পরিত্যক্ত নলকূপ।
আমাদের পূর্বপুরুষদের বাড়িতে ছিল বিশাল পুকুর, সারি-সারি ফলগাছ, শবজির ক্ষেত, গোয়ালঘর। বড়লোক হয়ে আমরা পুকুরের পরিবর্তে দেড় হাত চওড়া বাথটাব বানিয়েছি, ছাদে গাছ নাম নামক কিছু প্রহসন লাগিয়েছি, খাঁচায় পালছি কুকুর-বেড়াল-খরগোশ। গাঁয়ের বিঘা-বিঘা জমি বেচে শহরে এসে আমরা ফ্ল্যাট নামক সাড়ে সাতশো বর্গফুটের খোপ কিনছি। খোপের ড্রয়িংরুমে সাজিয়ে রাখছি বনসাই। একেকটা বনসাইয়ের দাম মূল গাছের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। আমরা স্বপ্ন দেখি— শহরে কামানো টাকা দিয়ে শেষ বয়সে গ্রামে গিয়ে বাগানবাড়ি করব। অথচ আমাদের পূর্বপুরুষরা বাগানবাড়িতেই জন্মেছেন, বাগানবাড়িতেই দিনাতিপাত করেছেন, বাগানবাড়িতেই মরেছেন। অর্থাৎ শেষ বয়সে যে জীবন যাপন করব বলে শহরে বসে আমরা খেটে মরছি বা স্বপ্ন দেখছি, প্রাচীন আমলের অশিক্ষিত লোকজন বিনা পড়াশোনায়ই সেই জীবন আজীবন যাপন করে গিয়েছেন।
তা হলে? আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের চেয়ে কতটুকু এগোলাম? তাদের চেয়ে আমরা কতটা ভালো আছি? প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে শেষ পর্যন্ত আমরা কি বিজয়ী হয়েছি? নাকি গো-হারা হেরে বসে আছি? আমরা কি আমাদের পরাজয় টের পাচ্ছি?
©copied
09/03/2025
গরু আমাদের দুধ দেয় না, আমরা কেড়ে নিই! গাধাও মোট বয় না, ধোপারা এককালে জোর করে কাজটি করাতো! হিসেব মত সিংহীও দুধ দেয়, সিংহও ওজন বইতে সক্ষম! কিন্তু সিংহকে দিয়ে ওসব করানো মানুষের ক্ষমতার বাইরে !!!
এই জন্য একটু বোকা আর ভালো মানুষদের গরু কিংবা গাধার সাথে তুলনা করা হয়! এই দু'টো প্রাণীর নামে কোনো মানুষকে ডাকা মানে তাকে অপমান করা! কিন্তু কাউকে সিংহ বললে সে উল্টো গর্ববোধ করবে!
সেই সিংহ- যে আজ অবধি মানুষের উপকার করল না, যার সামনে মানুষ গেলে মুহূর্তের মধ্যে পরপারে চলে যাবে, সেই সিংহ হচ্ছে মানুষের চোখে রাজা!
উপকারী গাধা হচ্ছে হাসির বস্তু !!!
অতিরিক্ত ভালো হওয়ার সমস্যা এটাই! অতিরিক্ত ভালো মানুষরা কারো কাছে গুরুত্ব পায় না !!!
তুমি নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করতে থাকো, ভালো মনে কারো ক্রমাগত উপকার করতে থাকো, আঘাতের পর আঘাত সহ্য করেও হাসিমুখে কাউকে ভালোবাসতে থাকো, তুমি তার চোখে 'গাধা' ছাড়া আর কিছুই হবে না !!!
যদি মনে করো সে একদিন এগুলোর মূল্য বুঝবে, তাহলে তুমি সত্যিই গাধা!
কারো কাছে নিজের দাম পেতে গেলে একবার অন্তত সিংহের মত হতেই হয় !!!
সফলতার গল্প।
02/03/2025
Congratulations dear Shohid vai ❤️
So proud of you!
মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি
একটু পড়েই দেখুন না। জাযাকাল্লাহ।
পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
يَغْسِلُونَني
আমাকে গোসল করাবে,
يَكْفِنُونَنِي
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
مَفَاتِيحِي
আমার চাবির গোছাগূলো,
كِتَابِي
আমার বইপত্র,
حَقِيبَتِي
আমার ব্যাগ,
أَحْذِيَتِي
আমার জুতোগুলো,
وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,
وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها
আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......
ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!
وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!
لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…
فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,
1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!
اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
لَقدْ زَالَ عِندَكَ:
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
1ــ الجَمَالُ
১. সৌন্দর্য্য
2ــ والمَالُ
২. ধনসম্পদ
3ــ والصَحَّةُ
৩. সুস্বাস্থ্য
4ــ والوَلَدُ
৪. সন্তান-সন্তদি
5ــ فَارقَت الدَّور
৫. বসতবাড়ি
6ــ القُصُورُ
৬. প্রাসাদসমূহ
7ــ الزَوجُ
৭. জীবনসঙ্গী
وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ
*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*
لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
1ــ الفَرَائِضِ
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
2ــ النَّوَافِلِ
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ
৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি
4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ
৪. ভালো কাজের প্রতি
5ــ صَلاةُ اللَّيلِ
৫. রাতের নামাজের প্রতি
لَعَلَّكَ تَنْجُو....
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….
إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))
ولَمْ يَقُلْ :
তারা বলবে না,
لِأعتَمَرَ
উমরাহ পালন করতাম,
أو لِأُصَلَّي
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
أو لِأصُومُ
অথবা, রোজা রাখতাম,
قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,
فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.
আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।
-সংগৃহীত
29/01/2025
Mighty Business Women 🔥
28/01/2025
কানাডার এক বরফ শীতল রাতে, এক কোটিপতি তার ঘরের সামনে এক দরিদ্র বৃদ্ধকে দেখতে পেলেন। তিনি বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করলেন, "এত ঠাণ্ডায় আপনি কীভাবে আছেন? আপনার গায়ে কোনো উষ্ণ কাপড় নেই!"
বৃদ্ধ উত্তর দিলেন, "আমার উষ্ণ কাপড় নেই, কিন্তু আমি মানিয়ে নিয়েছি।"
কোটিপতি উত্তর দিলেন, "আমার জন্য একটু অপেক্ষা করুন, আমি আপনার জন্য একটা উষ্ণ কাপড় নিয়ে আসবো।"
বৃদ্ধ খুশি হয়ে বললেন, "আমি অপেক্ষা করবো।"
কোটিপতি তার বাড়িতে ঢুকে নিজের কাজে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়লেন যে, বৃদ্ধের কথা ভুলে গেলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে বৃদ্ধের কথা মনে পড়তেই তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে এলেন। কিন্তু বৃদ্ধ তখন আর বেঁচে নেই। ঠান্ডায় জমে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
বৃদ্ধের পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেলো, তাতে লেখা ছিলো:
"যখন আমার কোনো উষ্ণ কাপড় ছিল না, তখন আমি মানিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু আপনি যখন আমাকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিলেন, তখন সেই আশায় অপেক্ষা করতে করতে আমি ঠান্ডার সাথে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেললাম।"
মিথ্যা প্রতিশ্রুতি মানুষকে ভেঙে ফেলে। তাই প্রতিশ্রুতি দেয়ার আগে ভালোভাবে চিন্তা করুন, এবং অপ্রয়োজনীয় মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
[এই গল্প থেকে আমরা সবাই শিক্ষা নিতে পারি যে, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া একজন মানুষের উপর কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।
#সংগৃহীত
Advanced English Tips
1. Difference Between "Emigrate" and "Immigrate":
Emigrate: To leave one’s country to settle in another.
Example: She emigrated from Canada to Australia.
Immigrate: To come into a new country to live.
Example: They immigrated to the United States in 2005.
2. Using "By the Time" for Future Events:
Indicates something will happen before a specific time.
Example: By the time he arrives, the meeting will have started.
3. Common Collocations with "Save":
Save time, Save money, Save energy, Save a seat.
Example: This shortcut will save you time.
4. Difference Between "Hanged" and "Hung":
Hanged: Refers to ex*****on by hanging.
Example: The criminal was hanged for his crimes.
Hung: Used for objects.
Example: She hung the picture on the wall.
5. Using "As a Matter of Fact" for Clarification:
Adds emphasis to a statement.
Example: As a matter of fact, I’ve already completed the task.
6. Advanced Idioms for Fluency:
Kick the bucket: To die.
Example: He kicked the bucket at the age of 95.
Call it a day: To stop working on something.
Example: We’ve done enough; let’s call it a day.
27/12/2024
Congratulations Shahjahan for obtaining a band of 6.5
15/12/2024
জানুয়ারীর ১ তারিখ থেকে IELTS মেইন এক্সামে পেন্সিল ব্যবহার করা যাবেনা, শুধু কলম (Pen) ব্যবহার করতে হবে।